”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ১ম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের প্রথম লেসন : 

আজকে কমন কিছু ওয়ার্ড শিখাবো। কালকে ডেমো লেসনে যেগুলা দিয়েছিলাম ওগুলাই আবার রিপিট করবো সাথে আরেকটা শব্দ দিয়ে। আমি যেহেতু বলেছি ক্যাটাগরি ব্যাসিসে পোস্ট দিব, তাই আবারও বলছি এক ক্যাটাগরির যতগুলা ওয়ার্ড আমি জানি সেগুলো রেগুলারলি পোস্ট করে শেষ হবার পর আরেকটা শুরু করব এবং একদিনে ৫ টার বেশি দিব না।

প্রথমটা হল আমি (I) : জাপানিজ হল ওরে/বোকু/ওয়াতাশি/আতাশি।

ছেলেরা উপরের সবগুলাই বলতে পারে। মেয়েরা প্রধানত ওয়াতাশি/আতাশি ইউজ করে। বকু / ওরে এগুলা মেয়েদের ক্ষেত্রে সাধারনত ইউজ হয় না। বকু এবং ওয়াতাশি হল ফর্মাল। বাকি দুটো একটু ক্যাজুয়াল।

দ্বিতীয়টা হল, তুমি (You) : জাপানিজ হল আনাতা/ওমায়ে/কিমি।

আনাতা সম্মানার্থে ইউজ হয়। আর ওমায়ে / কিমি একটু কম পলাইট।এই দুটা উঁচু লেভেলের মানুষদের সাথে ইউজ করলে বেয়াদবি মনে করে।তারপর জাপানিজ মেয়েরা তাদের স্বামীদের আনাতা বলে। তখন ওটা Honey/Dear ( ) টাইপ বুঝায় আর কি।

আরও দুটো জাপানিজ আছে : ইউ এর কিসামা/তেমে। এগুলো তুচ্ছার্থে ব্যবহৃত হয়। এনিমেতে এটা অনেক ব্যবহার করতে দেখা যায়। শয়তানগুলোর সাথে কথা বলার সময় অনেকেই ইউ এর জায়গায় উপরের তিনটা শব্দ ব্যবহার না করে পরের দুটো ব্যবহার করে।

তিন নম্বরটা হল : আমরা এবং আমির যতগুলো জাপানিজ আছে সবগুলোর সাথে তাচি লাগিয়ে দিলেই হল। উদাহরণস্বরূপ- ওরেতাচি,ওয়াতাশিতাচি,বকুতাচি ইত্যাদি।

চার নম্বরটা হল : তোমরা। তুমির সবগুলোর সাথে তাচি লাগিয়ে দিলেই হল। উদাহরণস্বরূপ- আনাতাতাচি,ওমায়েতাচি,কিমিতাচি ইত্যাদি।

তাচি আসলে একবচন থেকে বহুবচন করার সময় লাগিয়ে দেয়, ওয়াতাশির সাথে তাচি লাগালেই আমি-আমরা হয়ে যাবে। তারপর আনাতার সাথে তাচি লাগালেই তুমি-তোমরা হয়ে যাবে। তারপর অরিনের সাথে তাচি লাগালে অরিনরা হয়ে যাবে এরকম আর কি।

পাঁচ নম্বর আরেকটা শিখাই : He এর জাপানিজ হল কারে।

কয়েকটা Sentece-এ প্রয়োগ দেখানো যেতে পারে এগুলোর :ওরে ওয়া বাকা দেসু (আমি বোকা), ওমায়ে ওয়া বাকা দেসু (তুমি বোকা), ওরেতাচি ওয়া বাকা দেসু (আমরা বোকা), কিমিতাচি ওয়া বাকা দেসু (তোমরা বোকা)।

শেষে কিমি আর বকু নিয়ে লাম্বোর একটা ছড়া দেই। Katekyo Hitman Reborn যারা দেখেছে তাদের অনেক পছন্দ হবার কথা এটা।

” কিমি ওয়া দারেদাই? বকু ওয়া লাম্বো। বকু ওয়া দারেদাই? কিমি ওয়া লাম্বো। ” এইটার মিনিং হল : ” তুমি কে? আমি লাম্বো। আমি কে? তুমি লাম্বো। ”

মৃত্যু পরবর্তী জীবনের টুকরো – Angel Beats! by ইশমাম আনিকা

angel-beats-angel-beats-17469079-1920-1200

জনরা- অ্যাকশন, কমেডি, ড্রামা, ফ্যান্টাসি, ট্র্যাজেডি।
ম্যাল রেটিং- ৮.৫৬

প্রতিটি মানুষের জীবনে কিছু অপূর্ণতা থাকে। কেউ কেউ সেগুলো পূরণ করতে পারে, কেউ কেউ এত সৌভাগ্যবান হয় না, অপূর্ণতা পূর্ণ করার আগেই জীবনের পাঠ শেষ করে পরপারে চলে যেতে হয়।

কিন্তু তারপর? কি হয় তারপর? অতৃপ্ত আত্নাগুলোর কি হয়? তারা কি শান্তি লাভ করতে পারে অপূর্ণতা নিয়ে? নাকি সেগুলো পূর্ণ করার চেষ্টা করতে থাকে মৃত্যুর পরেও??

ওতোনাশি একদিন হঠাত নিজেকে আবিষ্কার করে একটা স্কুলের সামনে। তার নিজের পরিচয় বা কোথায় থাকে এ ব্যাপারে তার কিছুই মনে পড়ে না। সেখানে তার পরিচয় হয় ইউরির সাথে, যে মেশিনগান নিয়ে কারও ওপর নজর রাখছিল। সে ওতোনাশিকে জানায় যে এই জায়গাটা হল জীবন ও মৃত্যুর মাঝামাঝি একটা জায়গা বা আফটার লাইফ। যেসব মানুষ তাদের জীবনে কোন অপূর্ণতা নিয়ে মারা গিয়েছে, তারা এখানে এসে পৌছায়। এখানে তারা সবাই আফটারলাইফ স্কুলের স্টুডেন্ট। এখানে কেউ যদি শান্তি লাভ করতে পারে, তাহলে তার আত্মা Pass on করে যায়। তাই এখানে টিকে থাকতে হলে প্রতি মূহুর্তে স্টুডেন্ট কাউন্সিল প্রেসিডেন্ট এঞ্জেলের বিরূদ্ধে লড়াই করতে হয়।

ইউরি আরও জানায়, ওরা, আফটারলাইফ ব্যাটলফ্রন্টের সদস্যরা সংঘবদ্ধভাবে এঞ্জেলকে ফাইট করে এবং ওতোনাশিকে আমন্ত্রণ জানায় ওদের সাথে যোগ দেয়ার জন্য। স্মৃতিভ্রষ্ট ওতোনাশি কি করবে কোথায় যাবে সিদ্ধান্ত নিতে না পেরে ওদের সাথে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।

অ্যানিমেটি এগিয়েছে একেকটা ক্যারেক্টারের জীবনের অপূর্ণতা, আকাংখা, স্বপ্নের পরিণতি এবং ওতোনাশির জীবনের এবং আফটার লাইফের কর্মকান্ড নিয়ে। সেইসাথে কিছু অসম্ভব সুন্দর ইমোশনাল অংশ, মজার মূহুর্ত এবং ফাইটিং অ্যানিমেটাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। অ্যানিমেটির আর্টওয়ার্ক অসম্ভব সুন্দর, ফাইট সিনগুলোর অ্যানিমেশন খুব ডিটেইলড, সেইসাথে এতে ইংরেজি ও জাপানী, দুই ভাষাতেই সেইয়্যুরা চমৎকার কাজ করেছেন। ওএসটি বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, ওপেনিংটা কানে ধরেছে।

তাই, সময় পেলে জলদি দেখে ফেলুন এই ছোট্ট অ্যানিমেটি। ১৩ পর্বের অ্যানিমে এবং ১টি ওভা দেখে ফেলতে আশা করি খুব বেশি সময় লাগবে না।

1920x1080

লাইট মিউজিক ক্লাবের পথচলা: K-ON!! Anime Review by ইশমাম আনিকা

জনরাঃ কমেডি, মিউজিক, স্কুল, স্লাইস অফ লাইফ
সিজনঃ ২ টি; সিজন ১- ১৩ এপিসোড, সিজন ২- ২৬ এপিসোড

আনিমে জিনিসটা কি, তা আমি প্রথম জানতে পারি এই আনিমেটি দেখে, কাজেই প্রথম দেখা আনিমে হিসেবে এটি আমার কাছে অনেক স্পেশাল। তবে অ্যানিম্যাক্সে দেখা প্রথম অ্যানিমে বলে শুধু নয়, কে-অন আমার কাছে স্পেশাল কারণ আমি আমার নিজের লাইফের সাথে এর প্রচুর মিল খুঁজে পাই।

পাঁচজন স্কুলপড়ুয়া বালিকার হাইস্কুল লাইফ নিয়ে এই আনিমের কাহিনী। জাপানের হাইস্কুলে স্টুডেন্টদের জন্যে ক্লাব জয়েন করা মোটামুটি বাধ্যতামূলক, তাই হাইস্কুলে ওঠার পর ইউয়ি তার জন্যে উপযোগী একটা ক্লাব খুঁজতে থাকে। এবং এই খোঁজাখুঁজি করতে গিয়েই তার সাথে দেখা হয় আনিমেটির বাকি চরিত্রগুলোর সাথে, যারা বিভিন্ন সিলি এবং কিউট কাজকর্ম করতে করতে একসময় দাড় করিয়ে ফেলে লাইট মিউজিকের এক চমৎকার ক্লাব।

কাহিনীটি খুবই সাধারণ, হাইস্কুলের এয়ারহেড বালিকাদের সিলি কাজকর্ম ছাড়া আনিমেটিতে আর কিছুই নেই। কিন্তু খুঁজে দেখলে আমাদের আশেপাশের দৈনন্দিন জীবনের সাথে আনিমেটির খুব মিল খুঁজে পাওয়া যাবে। উয়ি এবং ইউয়ির আজব ছোটবোন-বড়বোন কম্বিনেশন, মিস সাওয়াকোর মত একইসাথে আদর এবং শাসন করা টিচার, বয়সে ছোট কিন্তু সবচেয়ে পরিণত আচরণের আজুনিয়ান- সবই দর্শকের মনকে ছুঁয়ে দিয়ে ঠোঁটে ফুটিয়ে তুলবে মৃদু হাসি। দেখতে দেখতে কখন যে ওদের সুখ দুঃখ হাসি কান্নার সাথে মিশে যেতে হয়, টেরও পাওয়া যায় না। আর অনুপ্রেরণার জন্যও আনিমেটি খুব চমৎকার।

1661718_264205767077270_244751108_n

প্রথম সিজনের আর্ট উল্লেখযোগ্য কিছু না, কিন্তু সিজন ২ এবং মুভির আর্ট ভয়াবহ রকমের সুন্দর। কে-অন এর কারনেই মূলত আমি কিয়োটো অ্যানিমেশন এর ফ্যান হয়েছি। আমি দেখা শুরু করেছিলাম সেকেন্ড সিজন এর মাঝখান থেকে, উজ্জ্বল আর্ট এবং মিউজিকগুলো নজর কেড়েছিল। কিন্তু সিজন ১ ও তাই বলে ফেলনা নয়, চরিত্রগুলোর বন্ধুত্ব এবং সবচেয়ে বড় কথা, লাইট মিউজিক ক্লাবের গড়ে ওঠার মজার দিনগুলি এখানে দেখানো হয়, যা খুবই এঞ্জয়েবল।

এয়ারহেড হাইস্কুল গার্ল দের সিলি কাজকর্ম দেখে শৌনেন ফ্যানদের বোরিং লাগবে জানি, তাই সচরাচর এটা আমি সাজেস্ট করিনা কাউকে, তবে যদি হালকা মেজাজের এবং মনকে শান্তি দেয়ার মত কোন হাসিখুশি অ্যানিমে দেখতে চান এবং মুচকি হাসতে চান, সেইসাথে মজার এবং মনকে ছুঁয়ে যাওয়া ওএসটি শুনতে চান, তাহলে কে-অনকে একটা চান্স দিতে পারেন।

বাতাসের গুঞ্জন; কাযে নো স্টিগমা – লিখেছেন ইশমাম আনিকা

Kaze_No_Stigma_wallpaper

জনরাঃ অ্যাকশন, ফ্যান্টাসি, ম্যাজিক, রোম্যান্স, শৌনেন
ম্যাল স্কোরঃ ৭.৬১
এপিসোডঃ ২৪

ফায়ার ম্যাজিক ইউজার কানাগী পরিবারের প্রাইডের শিকার নিরীহ ছেলে কাজুমার জাপানে ফিরে আসা দিয়ে কাহিনী শুরু, কাজুমা জাপানে ফেরার সাথে সাথে কানাগী ফ্যামিলিতে ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনা নিয়ে ওর সাথে কানাগীদের বিরোধ, এবং বিভিন্ন রহস্যময় ঘটনা নিয়ে জমে উঠছিল এনিমেটা। আস্তে আস্তে পরিবারের সাথে বিরোধ মেটার আভাস ও বড় একটা ঘটনার শেষ হওয়ার সাথে সাথে হঠাৎ এনিমে শেষ হয়ে যায়; মাঙ্গাকার মৃত্যুর কারণে।

কিন্তু যতটুকু হয়েছে খুব ভালো কাহিনী এবং ২৪ নম্বর এপিসোড দেখে ফেলার পর আফসোস হতে বাধ্য যে আরও নেই কেন। আর্ট স্টাইল মোটামুটি, ওএসটি বেশ ভাল। “হিতোরিকিরি নো সোরা” ট্র্যাকটা আমার অন্যতম পছন্দের এন্ডিংগুলোর মাঝে একটা। সেইসাথে জাপানিজ এবং ইংলিশ; দুই ভাষাতেই সেইয়্যুরা চমৎকার কাজ করেছেন।

তবে আয়ানোর সবকিছুতে অতিরিক্ত ন্যাকামো মাঝে মাঝে বিরক্ত ধরিয়ে দেয়।

Movie Time With Yami – 44

Origin

Name- Origin: Spirits of the Past / Gin’iro no Kami no Agito
Duration- 1 hr. 34 min.
MAL Score- 7.35
Ranked- 2042
Genres- Adventure, Drama, Fantasy, Romance, Sci-Fi

 

কাহিনীর সময়কাল ভবিষ্যতে। এক ব্যর্থ ডিএনএ গবেষণার ফল হিসেবে পৃথিবীর আদ্যপ্রান্ত আমূল পাল্টে গিয়েছে। মানুষ ও প্রকৃতি এখানে সহাবস্থান করেনা, মানুষ এখানে প্রকৃতির করুণার কাছে জিম্মি। অতিপ্রাকৃত শক্তির অধিকারী বনাঞ্চল দখল করে নিয়েছে পৃথিবীর বেশিরভাগ এলাকা, কোণঠাসা করে রেখেছে মানুষকে। পুরনো পৃথিবীর থেকে যাওয়া ধ্বংসাবশেষ এর মাঝে কোনরকমে বসতি গড়েছে মানুষ।

সেরকমই এক বসতিতে থাকে আজিতো নামের এক কিশোর। একদিন পানির সন্ধান করতে গিয়ে ঘটনাক্রমে সে মাটির নিচে গুপ্ত এক ইউনিট আবিষ্কার করে। সেখানে ক্যাপসুলের ভেতরে কৃত্রিমভাবে ঘুম পাড়িয়ে রাখা হয়েছিল তুলা কে। ৩০০ বছরের নিদ্রা সমাপ্ত করে তুলা পা রাখে এই বনভূমি শাসিত পৃথিবীতে।

কিন্তু পৃথিবীর এ করুণ অবস্থা দেখে হতাশ হয় তুলা। তার বাবা যে পৃথিবীর স্বপ্ন দেখেছিলেন, সেই পৃথিবীকে ফিরিয়ে আনতে বদ্ধপরিকর হয় সে। আর এজন্য একটা বড় ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে বসে সে। আজিতো কি পারবে তুলাকে তার ভুল বোঝাতে?

মুভিটির আর্টওয়ার্ক বেশ সুন্দর, ধ্বংসপ্রাপ্ত পৃথিবীর করুণ অবস্থা বেশ বাস্তবসম্মতভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। বনাঞ্চল এবং মানব প্রজাতির মধ্যেকার সংঘাত আমাদের আরেকবার মনে করিয়ে দেয়, প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে হস্তক্ষেপ না করে মানুষের উচিৎ প্রকৃতিকে সাথে নিজেকে মানিয়ে নেয়া। সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ব্যাপারটা হল, এই মুভিটিতে বনাঞ্চল মানুষের বন্ধু নয়, বরং শত্রু। এন্ডিংটা ভাল, এই সমাপ্তির মাধ্যমে নতুন এক অধ্যায়ের সূচনার আভাস পাওয়া যায়।

তাই, সময় পেলে দেখে ফেলতে পারেন এই মুভিটি।

Movie Download Link-

http://kissanime.com/Anime/Origin-Spirits-of-the-Past

 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – চতুর্দশতম পাঠ

আজকের প্রথম কানজি “south” এর কানজি, উচ্চারণ হল “মিনামি/নান”

লুফির সেই বিখ্যাত “আহো বাকা” গানের ১ম লাইনেই এই শন্দ টা ছিল 😛

“মিনামি না শিমা ওয়া” (সে এখানে দক্ষিণের কোন দ্বীপের কথা বুঝাইছে, “শিমা” মানে “দ্বীপ”)

তাইলে “মিনামি” মানে হইল “দক্ষিণ”

গাক্কৌ ওয়া মিনামি মুকি দা – the school faces south

“নান” উচ্চারণের কিছু উদাহরণ দেই। “নান বেই”-“south america”, “নান কিওকু”-“south pole” (antarctic)

 

এরপরের কানজি “north” এর কানজি,  উচ্চারণ হল “কিতা/হোকু/বোকু”

নর্থ (উত্তর) এর জাপানিজ হল “কিতা”। কিছু উদাহরণ দেই:

কিতা আমেরিকা – নর্থ আমেরিকা
কিতা চৌসেন – নর্থ কোরিয়া

এখানে “কিতা”র জায়গায় এই কানজি টা বসে

হোকু সেই – নর্থ ওয়েস্ট, এখানে “হোকু”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

জাপানে “হোক্কাইদো” নামে একটা দ্বীপ আছে যেটা জাপানের কিনা ২য় বৃহত্তম দ্বীপ, যেটাকে পূর্বে “এজো”/”ইয়েজো”/”ইয়েসো” এইসব নামেও ডাকা হত। হোক্কাইদো (এর লিটারেল মিনিং হল “northern sea circuit “), এই জন্য হোক্কাইদো লিখার সময় “north”, “sea” আর “circuit” এর কানজি পাশাপাশি লিখে।

আরেকটা উদাহরণ দেই “হাইবোকু”, এটার মিনিং হইল “defeat” (এর কাহিনি আমি জানিনা :P) এখানে “বোকু” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

 
পরের কানজি “east” এর কানজি (আগে কোন এককালে শিখিয়ে থাকতে পারি)। উচ্চারণ হল “হিগাশি/তৌ”, আরেকটা আছে “আজুমা” (এটা নাকি আগের আমলে ইউজ হত বর্তমানে কম ইউজ হয়)

এমনিতে “হিগাশি” মানে হল “east”. “east Asia” – হিগাশি আজিয়া

“middle east” এর জাপানিজি হল “চুউ তৌ” এখানে “চুউ” এর জায়গায় “middle” এর কানজি আর “তৌ” এর জায়গায় “east” এর কানজি বসে, তাহলে “middle” আর “east” এর কানজি পাশাপাশি লিখলে “middle east” বুঝায়।

টোকিও এর কানজি লিখার সময় ২ টা কানজি লিখা লাগে, “east” এর কানজি আর “রাজধানীর” এর কানজি। “তৌ” + “কিও” মিলে হয় তোকিও (টোকিও), এই কানজি ২ টা পাশাপাশি লিখলে আক্ষরিক অর্থ দাঁড়ায় “পূর্বদিকের রাজধানী”। টোকিও এককালে “এদো” নামে পরিচিত ছিল, পরে নাম চেঞ্জ হয়ে “টোকিও” করা হয়েছে।

“তৌবু” মানে “eastern part”, “তৌইঔ” – orient (প্রাচ্য), “তৌ নান”-south east, এইসব ক্ষেত্রে “তৌ” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

আরেকটা পরিচিত উদাহরণ দেইঃ
“সূর্য পূর্বদিকে উঠে – তাইয়ো ওয়া হিগাশি কারা নোবোরু ”

“east” কানজির উৎপত্তি টা এই লাইন থেকে আসছে, গাছের পিছে সূর্য দিলে “east” এর কানজি হয় (ছবি দেখে বুঝা যাওয়ার কথা)। সূর্য গাছের পিছন দিয়ে পূর্ব দিক দিয়ে উঠতেছে এমন একটা দৃশ্য থেকেই “east” এর কানজির উৎপত্তি।

এবার শিখাব “direction” এর ভাগের লাস্টের কানজি “west” এর কানজি, এই কানজির উচ্চারণ হইল “নিশি/সেই/সাই”

“নিশি” মানে হল পশ্চিম
“নিশি গুচি” – west entrance
“নিশি দোইতসু” – West Germany
“তাইইওউ ওয়া নিশি নি শিজুমু – সূর্য পশ্চিমে অস্ত যায়”

এখানে সকল “নিশি”র জায়গায় “west” এর কানজি বসে।

ওসাকা এবং তার আশেপাশের এলাকাগুলাকে বলে “kansai region”, এখানে “সাই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“Atlantic” এর জাপানিজ হল “তাই সেই ইও”

“সেই ইও বুনকা” মানে হল “western culture”

এখানে সকল “সেই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

মোটামটি এই কানজি সম্পর্কে জ্ঞান এতটুকুই।

ছবিতে দেখা যাচ্ছে সূর্য পশ্চিমে অস্ত যাচ্ছে তার লাল আভা জানালা দিয়ে ঘরে আসছে, এর সাথে মিল রেখে কানজি টা লিখা হইছে। জানালার ২ পাশে পর্দা তার মাঝে দিয়ে লাল আভা দেখা যাচ্ছে। সুন্দর দৃশ্য 🙂

আপাতত “number”, “nature”, “body parts” আর “direction” এর কানজি যা যা পারি শিখাইয়া ফেলাইছি। সবাই বলেন ইয়সশাআআআআআআআআ 😀

এরপর “family member” এর যত কানজি আছে আমার জানার মধ্যে একে একে আস্তে আস্তে সব নিয়ে হাজির হব ইনশাল্লাহ।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ত্রয়দশতম পাঠ

আজকের প্রথম কানজি “inside” এর কানজি! উচ্চারণ হল “উচি/নাই”

এইবার এই কানজি রিলেটেড কিছু শব্দ শিখাই:

“information” এর জাপানিজ হল “আন নাই”
“নাই শো” মানে হল “secret/confidential/privacy”, “হিমিতসু” মানেও সিক্রেট
“নাই কাকু” – cabinet
এগুলাতে “নাই” এর জায়গায় এই কানজি বসে

“উচিকি” মানে হল “shy”, এখানে “উচি” এর জায়গায় এই কানজি বসে।

কোন জিনিস/কেউ যদি কোন কিছুর ভিতরে থাকে যেমনঃ “বক্সের মধ্যে”(inside of a box) এটার জাপানিজ হবে “হাকো নো উচি” (“হাকো” মানে বক্স), এসব জায়গায় inside এর জায়গায় এই কানজি বসে আর উচ্চারণ হবে “উচি”।

আর এই কানজি মনে রাখার জন্য একটা ছবি দিলাম: একজন প্লেয়ার গোল দেয়ার জন্য ডি বক্সের মধ্যে ঢুকে গেছে, এইটার সাথে কিছুটা মিল আছে পাশের কানজির সাথে।

এরপরের কানজি “outside” এর কানজি, উচ্চারণ গাই/গে/সোতো/হোকা।

এখন কিছু উদাহরণ দেই

কোন কিছুর বাইরে বুঝাতে “সোতো” জিনিসটা ইউজ হয় অনেক, যেমনঃ “স্কুলের বাইরে” – “গাক্কো নো সোতো দে”

“wait outside the school – গাক্কো নো সোতো দে মাতসু”

আরেকটা উদাহরণ দেই, “let’s play outside – সোতো দে আসোবু”। এসব ক্ষেত্রে “সোতো”এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

এখন একটা পরিচিত উদাহরণ দেই “foreigner”, এটার জাপানিজ সবাইই জানে মোটামটি: “গাইকোকুজিন” (সংক্ষেপে “গাইজিন”ও বলে) আর “foreign” এর জাপানিজ “গাইকোকু”, এসকল ক্ষেত্রে “গাই” এর জায়গায় এই কানজি বসে। “গাই” মানে বুঝাইছে “outside”, “কোকু” মানে হল “country”, “জিন” হল “মানুষ”। “outside country” থেকে আসা মানুষ যেহেতু “foreigner” এই জন্য এই ৩ টার কানজি(“outside,country,person”) পাশাপাশি বসলে “foreigner” বুঝাই আর আর ১ম ২ টার কানজি(“outside,country”) পাশাপাশি লিখলে “foreign” বুঝায়। মোটামটি এতটুকুই আমার জ্ঞান এই কানজি সম্পর্কে।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – দ্বাদশতম পাঠ

আচ্ছা কানজির লেসনে ১মে সংখ্যার কানজি শিখাইছি , তারপর nature related কানজি শিখাইছি, তারপর body related কানজি শিখাইছি। আজকে থেকে direction related কানজি শিখাব।

আজকে direction related ১ম কানজি হল “up” এর কানজি। এটার উচ্চারণ অনেকগুলা আছে, জৌ/শৌ/কামি/উএ/উওয়া/আগারু/নোবোরু। আর মিনিং হল up/top/above/on/over

কয়েকটা সেন্টেন্সের মাধ্যমে বুঝাই এগুলা। “তসুকুএ নো উএ” – ডেস্কের উপর (on the desk) – এখানে “উএ”র জায়গায় এই কানজিটা বসে।

“ডি গ্রে ম্যান” এর ১ম এন্ডীং সং “snow kiss” আমার অনেক পছন্দের আর এই গানের একটা লাইন সবসময় মাথার মধ্যে ঘুরে “মিজুউমি নো উএ আরুইতা নো WONDERFUL VIEW” (লেকের উপরের সুন্দর দৃশ্য)। এখান থেকেই ১ম এই শব্দটা শিখছিলাম আমি! এইগান শুনে দেখতে পারেন অনেক সুন্দর।

“জৌ জু” – to be good at something (upper hand) এখানে “জৌ” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে। এখানে “up” আর “hand” এর কানজি পাশাপাশি বসে।

“তোশি উএ – older/ old in years”

“the first half of the year/first half” এটার জাপানিজ হল “কামি হান কি”, এখানে up, half, period এই ৩ টার কানজি পাশাপাশি বসে। “কামি” এর জায়াগায় “up” এর কানজি বসে।

“the price goes up” – কাকাকু গা আগারু। “the sun rises” – হি গা নোবোরু।

“coat/jacket” – উওয়াগি। জামার উপরে দিয়ে পড়ে এই জন্য বলে, “উওয়া” এর জায়গায় “up” এর কানজি বসে, আর “গি” মানে হল “suit/clothing”.

এরপরের কানজি “down” এর কানজি, উচ্চারণ কা/গে/শিতা/শোমো/মোতো, আর মিনিং হল under/bottom/down/below.

“কুতসু শিতা” মানে “মোজা”, জুতার নিচে পড়ে বলে “shoe”র কানজি আর “below”এর কানজি পাশাপাশি বসলে “মোজা”(socks) বুঝায়। এখানে “কুতসু” মানে হল “shoe”, আর “শিতা” মানে হল “below”.

“under the blue sky” এর জাপানিজ হল “আও সোরা নো মোতো দে “, এখানে “মোতো” মানে “under” বুঝায়ছে! এখানে “মোতো”র জায়গায় এই কানজি বসে!

“চিকা” মানে “underground/basement”, এখানে “কা”এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“শিমো হান কি” মানে “second half of the year”, “কামি হান কি” মানে যেমন বছরের ১ম অর্ধেক বুঝাইত তেমনি “শিমো হান কি” মানে পরের অর্ধেক বুঝাইছে। “কামি” এর জায়গায় “up” এর কানজি বসত, আর এখানে “শিমো” এর জায়গায় “down” এর কানজি বসে।

 

এরপর ২ টা কানজি একসাথে শিখাব, “বাম-ডানের” কানজি “হিদারি-মিগি”

“হিদারি” মানে হল “বাম (left)” আর “মিগি” মানে হল “ডান (right)”

কিছু উদাহরণ দেই, যেমনঃ

“হিদারি তে – বাম হাত” (“left” আর “hand” এর কানজি পাশাপাশি লিখে এখানে), “মিগি তে – ডান হাত” (“right” আর “hand” এর কানজি পাশাপাশি লিখে এখানে)

“হিদারি আশি – বাম পা” (“left” আর “leg” এর কানজি পাশাপাশি লিখে এখানে), “মিগি আশি – ডান পা” (“right” আর “leg” এর কানজি পাশাপাশি লিখে এখানে)

একই ভাবে “হিদারি মে – বাম চোখ”, “মিগি মে – ডান চোখ”, “হিদারি ও মিরু” – বামে দেখ (look left), মিগি ও মিরু – ডানে দেখ (look right)

“হিদারি”র কানজির আরও একটা উচ্চারণ আছে, “সা”। “সাসেন” মানে হল অবনতি(অবন্তী না 😛 )/অবনমন/degradation, “সাইয়োকু”মানে হইল “left wing”, “সা সেতসু” মানে হল “turn right”. এসব ক্ষেত্রে “সা” এর জায়গায় “left” কানজি বসে।

“মিগি”র কানজির আরও উচ্চারণ আছে “উ/ইউউ”, “উ সেতসু” মানে হল “turn right”, “উ সেন” মানে হল “right handed”, এখানে “উ” এর জায়গায় “right” এর কানজি বসে।

আজকের শেষে শিখাব “middle” এর কানজি, জাপানিজ উচ্চারণ হল “নাকা/চুউ” আর মিনিং “inside/middle/within/center/during”

খুবই কমন একটা উদাহরণ হল “চুউ গাক্কৌ”। আনিমের মধ্যে তো “এলিমেন্টারি স্কুল”, “জুনিয়র হাই স্কুল”, “হাই স্কুল” এই ৩ টাইপের স্কুল নাম শুনছি সবাই, এই ৩ টার মধ্যে “এলিমেন্টারি স্কুল” সবার আগে, “হাই স্কুল” সবার পরে আর “জুনিয়র হাই স্কুল” মাঝে পড়ে। স্কুলের আগে মিডিলের কানজি বসাইয়া দিলে “junior high school” হয়ে যায় আরকি।

“ইএ নো নাকা” – “বাড়ির মধ্যে”, “ইএ” মানে “house”, আর “নাকা” মানে এখানে “inside” বুঝাইছে। আবার “হেয়া নো নাকা” মানে “রুমের মধ্যে”, “হেয়া নো চুউঔ” – “center of a room”, “নাকা ও হাইরৌ” – “let’s go inside” (হেয়া মানে রুম)। এখানে “নাকা/চুউ” এসব জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“বেন কিঔ চুউ” – “while studying/in the middle of studying”, এখানেও “চুউ” এর জায়গায় এই কানজি বসে।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – একাদশতম পাঠ

আজকের প্রথম কানজি “হাড্ডি”র কানজি, “হাড্ডি/bone” এর জাপানিজ “কোতসু/হোনে/বোনে”

ব্রুক হইল বোনে সামা 😛

হোনে ও ওরু – break the bone
কোতসু জুই – bone marrow(অস্থি মজ্জা)
গেন কোতসু – fist (কেন মানেও fist তবে কানজি আলাদা)
আগো বোনে – jaw bone (চোয়ালের হাড়)

এখানে যে সকল জায়গায় “কোতসু/হোনে/বোনে” আছে সেখানে এই কানজি টা বসে। আর মনে রাখার সুবিধার জন্য পাশের ছবিটা দেয়া হল।

 

এবারের লেসনে আছে রক্তের কানজি। উচ্চারণ হল “কেতসু/চি”, “চি” মানে রক্ত। আনিমে যারা দেখে মোটামটি সবারই জানার কথা।আরও একটা উচ্চারন আছে “জি”।

আর যারা সানজিরে চিনে তারা “nose bleed” দেইখা দেইখা অভ্যস্ত। খালি সানজি না যে কোন হেন্তাই ক্যারেক্টারই এই কাম করে। ড্রাগন বল যেহেতু আমার দেখা ১ম আনিমে মাস্টার রোশির nose bleed দেখে হাসতে হাসতে গড়াগড়ি দিছিলাম :)) (বেচারা বুলমা :P)

আচ্ছা এখন বলি “nose bleed” এর জাপানিজ কি? জাপানিজ হল “হানাজি” (নাকের কানজি শিখানোর সময় মনে হয় শিখাইছিলাম এটা মনে নাই আবার বললাম তাই)। আচ্ছা তাইলে নাকের কানজি আর রক্তের কানজি পাশাপাশি লিখলেই হয় nose bleed, এখানে “জি” এর জায়গায় রক্তের কানজি বসে।

“bleeding” এর জাপানিজ হল “সুককেতসু” এখানে “কেতসু”র জায়গায় এই কানজি টা বসে। এখানে exit আর blood এর কানজি পাশাপাশি বসে।

এরপর শিখাব “hair” এর কানজি, উচ্চারণ মৌ/কে/গে।

“কামি নো কে” মানে হল চুল (মাথার), মাথার চুলের জাপানিজ কামিনোকে। কামি টার উচ্চারণ মাঝে মাঝে গামিও হয়, ওয়ান পিসের শাঙ্কসরে যেমন আকাগামি শাঙ্কস বলে ওর চুল লাল বলে।

আবার “আকা গে” মানেও “লাল চুল/red hair”
“হানা গে” মানে “nose hair”, এই কানজিটার আরও কিছু ইউজ আছে যেমন blanket এর জাপানিজ মৌফু। এখানে মৌ এর জায়গায় এই কানজি বসে।

 

শেষে শিখাব “power” এর কানজি, “চিকারা” মানে “পাওয়ার/শক্তি”। এইটা সবারই পারার কথা। আরও কিছু উচ্চারণ আছে – রিকি (riki) রিয়োকু (ryoku)

এই কানজি রিলেটেড কিছু শব্দ শিখাই এখন। “নোরিয়োকু” মানে হল “ability” (সামর্থ্য/ক্ষমতা)। এখানে “রিয়োকু” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে। ওয়ান পিস যারা দেখছে তারা নিশ্চয় “নোরিয়োকুশা” কথাটা অনেক শুনছে, ডেভিল ফ্রুট উইজ করার এবিলিটি যাদের আছে তাদের এইটা বলে। Devil fruit ability user সংক্ষেপে বলে ability user/esper এটার জাপানিজ হইল “নোরিয়োকুশা”। Tokyo ESP নামক আনিমের মধ্যেও esper দেরকে নোরিয়োকুশা বলে!

এবার আসল “দোরিয়োকু”। দোরিয়োকু হইল “effort”, এখানেও “রিয়োকু”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“চিকারা জুয়োই” মানে হইল powerful, “রিকিগাকু” মানে হইল “dynamics” এখানে “রিকি”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

কারাদা (body) রিলেটেড কানজি এই কয়টাই পারি মোটামটি। এরপর direction রিলেটেড কানজি শিখান শুরু করব।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – দশম পাঠ

দোকি দোকি কোকোরো নিয়া আজকে আমি কোকোরোর কানজি শিখাতে বসলাম

উচ্চারণ হইল “কোকোরো/শিন”, মিনিং হইল “heart/mind”। “কোকোরো” মানে হইল “হৃদয়/মন”।২-১ টা উদাহরণ দেই।

কোকোরো ও কিমেতা-i have made up my mind

“শিনজো” মানে হল “heart” (হৃদপিণ্ড আর কি)

“আনশিন” মানে হইল “relief/peace of mind”

“শিনরি” মানে “psychology”

“দেশপ্রেমের” জাপানিজ হইল “আইকোকুশিন”, “ভালোবাসা”, “দেশ” আর “হৃদয়” এই ৩ টার কানজি পাশাপাশি বসে তখন।

 

এরপরের কানজি নাকের কানজি, উচ্চারণ “হানা/বি” (এটা ফুলের হানা না, আবার “হানাবি” মানে কিন্তু “fireworks”)। অনেকে “হানা” শব্দ টা গোলমাল করে ফেলে। আবারও বলি, নাক আর ফুল দুইটার জাপানিজের উচ্চারণই “হানা”, কিন্তু কানজি আলাদা। কানজি দেইখা বুঝা যায় কোনটা নাক আর কোনটা ফুল।



উসপরে কিন্তু অনেকেই “নাগা হানা কুন” বলে 😛

“হানাজি” মানে “nosebleed”, এখানে “নাক” আর “রক্তের” কানজি পাশাপাশি বসে

“সর্দি”র জাপানিজ হইল “হানামিজু”, এখানে “নাক” আর “পানি”র কানজি পাশাপাশি বসে।

“হানা গা তাকাই” মানে “to be proud”.

কানজি টা মেলা কঠিন লিখা, পাশে এক খান ছবি দিছি বুঝার সুবিধার্থে

 

এবার আমি সবাইরে নিকুর কানজি শিখাব। নিকু মানে কি জিনিস তাহা মনে হয় আমি এবং লুফির কল্যাণে সবাই জানে 😛 তাও কই meat/flesh

নিকু রিলেটেড কিছু শব্দ শিখাই যেখানে এই কানজি ইউজ হয়…

কিননিকু – muscle
বুতানিকু – pork
গিওনিকু – গরুর নিকু
নিকু গান – খোলা চক্ষু (naked eye)
হিনিকু – irony/ironic

যা যা কইলাম তাহার মধ্যে যেখানে যেখানে নিকু আছে এই কানজি বসে। নিকুর কানজি দেখতে কেমন এবং তাহা কেমনে আইছে ছবির মাধ্যমে দেখান হল।

 

সবশেষের কানজি “দাঁতের” কানজি, সুয়ারেজের ফ্যাভারিট অঙ্গ দাঁত। এই কানজি টার উচ্চারণ হল “শি/হা”।

এর কিছু প্রয়োগ দেখাই উদাহরণ দিয়ে,

“হা ই শা” – dentist, “হা মিগাকি” – toothpaste, “হা ও মিগাকু” – brush your teeth. এখানে “হা” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“শিকৌ” – dental plaque, এখানে “শি” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।