লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – নবম পাঠ

সংখ্যার কানজি আর ন্যাচারের কানজি দেয়া শেষ (আমার পারার মধ্যে আর কি 😛 )

আজ শরীরের অঙ্গপতঙ্গ রিলেটেড কানজি দেয়া শুরু করুম…

চোখের কানজি “মে”, কোন কোন জায়গায় “মোকু”ও উচ্চারণ হয়।

“মে” মানে হল চোখ, মোকুতেকি মানে হল purpose/goal, এখানে মোকুর জায়গায় এই কানজি বসে।

নারুতোর মধ্যে নিদাইমে হোকাগে,সানদাইমে হোকাগে এইগুলার “মে” জায়গায় চোখের কানজি বসে।

তারপর নিকাইমে মানে হল 2nd time, সানকাইমে মানে 3rd time, এ ইসব ক্ষেত্রে “মে” র জায়গায় চোখের কানজি বসে।

 

এরপরের কানজি “কান” এর কানজি, উচ্চারণ হল “মিমি” মাঝে মাঝে “জি” ও ইউজ হয়।
কান ছাড়াও “hearing” এর কানজি হিসেবেও ইউজ হয়।



নরমালি “মিমি” মানে “কান”। তারপর “হাতসুমিমি” মানে হল ১ম বার কোন কিছু শুনা, to hear something for the 1st time.

“মিমি গা তোওই” মানে হল “poor hearing/hard of hearing”। এক খান সেন্টেন্স এর উদাহরন দেই, “ওয়াতাশি ওয়া মিমি গা তোওই” মানে হইল “i dont hear very well”.

মনে রাখার এবং লিখার সুবিধার্তে আরেক খান ছবি দিলাম:

 

এখন মুখের কানজি। Mouth(মুখ) এর কানজি হল কুচি/কোউ/গুচি।

কুচি মানে হল মুখ, কুচি/গুচি মানে opening ও বুঝায়।

ইরিগুচি মানে হল entrance, এইটা লিখার সময় enter আর mouth এর কানজি পাশাপাশি লিখে। দেগুচি মানে হল exit, এইটা লিখার সময় leave আর mouth এর কানজি পাশাপাশি লিখে।

জিনকোউ মানে হল population, এইটা লিখার সময় মানুষ আর মুখের কানজি পাশাপাশি বসে।

 

এরপরের কানজি হল জিহ্বার কানজি, এটার উচ্চারণ হল শিতা/জেতসু।

“শিতা” মানে হল “tongue”, “শিতাসাকি” মানে “tip of the tongue” তারপর “শিতা ও কামু” মানে “bite the tongue”.

“জেতসুসেন” মানে “war of words”

 

এবার আসছে “মাথা”র কানজি, উচ্চারণ “আতামা/জু/তোউ”।

“আতামা” মানে হইল “মাথা”। লুফি অবশ্য “বাকা সং” এর মধ্যে “আতামা” রে “আত্তামা” বানায়ে দিছিল।

আত্তামা পকা পকা আহো বাআআআআ~কাআআআআআআ~ :3

“আতামা গা ওয়ারুই” মানে হল মাথায় বুদ্ধি কম, “stupid” বুঝাই আর কি 😛

“hood” এর জাপানিজ হইল “জুকিন”, এখানে “জু” এর জায়গায় মাথার কানজি বসে। তারপর “জুতসুউ” মানে হইল “headache”, এখানে “জু” এর জায়গায় এই কানজি বসে। তারপর “ইশি আতামা” মানে হইল “hard headed person (stone head)”, এখানে stone আর head এর কানজি পাশাপাশি বসে। তারপর আনিমে মধ্যে অনেক সময় দেখা যায় মাথায় ব্যথা পাইলেই বলে “আতামা ইতাই”

এইটার কানজি টা লিখা একটু কঠিন

 

 

 

এরপরের কানজি “হাত” এর কানজি, উচ্চারণ হল “তে/শু/জু”।

“তে” মানে “hand/arm”

“কারাতে”র কানজি লিখার সময় ২ টা কানজি পাশাপাশি লিখে একটা “কারা” এর কানজি আরেকটা “তে”র কানজি। “কারাতে” মানে এখানে “empty hand” বুঝায়। “কারাতে” খালি হাতে আত্মরক্ষার একটা কৌশল বলে এই ২ টা কানজি দিয়ে “কারাতে” বুঝায় (“কারাতে”র কথা “sky” এর কানজি শিখানোর সময় বলছিলাম)।

“আকুশু” মানে “handshake”, এখানে “শু”এর জায়গায় হাতের কানজি বসে।

“তেগামি” মানে “চিঠি”, এখানে “তে” র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“Surgery”র জাপানিজ হইল “শুজুতসু”, এখানে “শু”র জায়াগায় এই কানজি টা বসে।
তারপর “procedure” এর জাপানিজ “তেজুন”…এখানে “তে”র জায়াগায় এই কানজি টা বসে….

আর লেখার কৌশল নিচের ছবিতে দেখানো আছে:

 

আজকের শেষ কানজি “পা” এর কানজি, উচ্চারণ আশি/সোকু।

আশি মানে leg/foot

তে-আশি = হাত-পা
মিগি আশি – ডান পা
হিদারি আশি – বাম পা

মানজোকু মানে satisfaction, এখানে জোকুর জায়গায় এই কনজি টা বসে।

এই কানজি টার আরও একটা মিনিং আছে “enough”, তখন উচ্চারণ হয় “তারেরু”। একটা উদাহরণ দেই:

মিজু গা তারিনাই = not enough water

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – অষ্টম পাঠ

আজকের প্রথম কানজি “sound” এর কানজি, উচ্চারণ হল ওন/নে/ইন/ওতো।

নারুতোর মধ্যে হিডেন সাউন্ড ভিলেজ ছিল। জাপানিজ হল ওতোগাকুরে, এখানে ওতোর জায়গায় এই কানজি বসে।

তারপর মিউজিকের জাপানিজ হল ওনগাকু, হাতসুওন মানে pronunciation, নেইরো মানে হল tone (মে বি)।

এইগুলাতে ওন/নে এর জায়গায় এই কানজি বসে। সাউন্ড রিলেটেড মোটামটি সব কিছুতে এই কানজি টা ইউজ হয়।

এই কানজি টা লিখার স্টাইল মনে রাখার জন্য এক জায়গায় যেটা দেখছিলাম সেটা নিচের ছবিতে দিয়ে দিলাম:

 

 

এরপরের কানজি টাইমের কানজি, উচ্চারণ হইল জি/তোকি।

জিকান মানে টাইম/আওয়ার, যে কোন সংখ্যার কানজির পাশে এই কানজি টা বসালে কয়টা বাজে সেটা বুঝায়। যেমন তিনের কানজির সাথে টাইমের কানজি বসালে বুঝায় ৩ টা বাজে, তারমানে সানজি মানে 3 o’clock, একই ভাবে নিজি মানে 2 o’clock
জি দিয়ে ঘণ্টা বুঝায় আসলে এখানে, যদি বলতাম ৩ টা ৫ বাজে তাইলে হইত সানজি গোফুন।

তারপর তোকি দোকি মানে sometimes, জিদাই মানে এরা, তোকেই মানে clock, তো/তোকি/জি এইসব জায়গায় এই কানজি টা বসে এইগুলাতে।

নান জি দেসু কা? মানে হইল কয়টা বাজে?

 

এরপর ২টা nature-এর কানজি। ১মটা আকাশের কানজি, উচ্চারণ হল “সোরা/জোরা/কারা/কুউ”। মিনিং হইল “sky/air/empty”(এইগুলার রিলেটেড জায়গায় বসে আর কি)।

২য় টার উচ্চারণ হল “তেন/আমা”, মিনিং হল “sky/heaven”(এইগুলার রিলেটেড জায়গায় বসে আর কি)।

কোনটা কোন জায়গায় বসে সেটা কিছু উদাহরন দিয়ে বুঝাই। শুধু আকাশ বললে ১ম টা দিয়ে লিখে, উচ্চারণ হয় “সোরা”। মাঝে মাঝে কোথাও “জোরা”ও শুনছি।

“কারাতে” র কানজি লিখার সময় আকাশের কানজি(১ম টা) আর হাতের কানজি পাশাপাশি লিখে। কারা মানে তখন বুঝায় empty আর তে মানে hand. কারাতে তো এক ধরনের মার্শাল আর্ট আমরা সবাই জানি, যেটা কিনা কোন weapon ছাড়া পুরাই খালি হাতে করে। সোজা বাংলায় অস্ত্রপাতি ছাড়া খালি হাতে আত্মরক্ষার জন্য মারামারি হইল কারাতে। এই জন্য empty আর hand এর কানজি পাশাপাশি লিখে কারাতে বুঝায়।

তারপর “কুউকি” মানে মানে হল “air” (atmosphere)। এখানে কুউ এর জায়গায় ১ম কানজি টা বসে (কাজে মানেও বাতাস), তারপর “airport” এর জাপানিজ হইল “কুউকোউ”। এখানে কুউ এর জায়গায় ১ম কানজি টা বসে।

আমার সবথেকে প্রিয় ক্যারেক্টার “গোকু”র নামের কানজি লিখার সময় “কু” র জায়গায় ১ম কানজি টা বসে।

১ম টা সম্পর্কে এইটুকই জানি(ভুল হইতেও পারে নট শিওর :P)…এবার ২ নাম্বার টার উদাহরন দেই 🙂

“তেনগোকু” মানে হল “heaven”, “তেনজো” মানে “ceiling”, তেনসাই মানে “genius”, তেনকি মানে weather, সব কয়টাতেই “তেন” এর জায়গায় ২য় টা বসে।

“আমা নো গাওয়া” মানে হল “milky way”, এখানে “আমা”র জায়গায় এটা বসে।

ওয়ান পিসের মধ্যে “তেনরিউবিতো” ছিল, celestial dragon (heavenly dragon folk) আর কি। ওইখানে তেনের জায়গায় এই কানজি বসে, আর তার সাথে ড্রাগনের কানজি আর মানুষের কানজি এই ৩ টা কানজি পাশাপাশি বসে।

মোটামটি এইটুকই পারি, বেশি কিছু আর জানিনা। Nature related kanji এখানেই শেষ, এরপর থেকে direction related kanji দেয়া হবে।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সপ্তম পাঠ

আজকে প্রথম কানজি “নদী”র (river) কানজি, কাওয়া/গাওয়া/সেন

এমনিতে “কাওয়া” মানে “নদী”/”river”।

“কাসেন” মানে হইল “rivers” (সকল ধরনের নদীর জন্য জেনারেল টার্ম হিসেবে এটা ইউজ করে), এই খানে “সেন” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

“ও গাওয়া” হইল stream (small river), এটার কানজি লিখার সময় small এর কানজি আর river এর কানজি পাশাপাশি লিখে।

তারপর “কাওয়াগিশি” মানে হইল “riverbank”, এইখানেও river এর জায়গায় এই কানজি টা ইউজ করা হয়।

উপরের ছবি ২ টা থেকে নিশ্চয় বুঝা যাইতেছে নদীর কানজি টা কীভাবে আসছে, আর এই কানজি টা মনে রাখাও অনেক ইজি।

এরপরের কানজি stone এর কানজি, উচ্চারণ হল সেকি/ইশি/শাকু।

এমনিতে ইশি মানে হল stone(পাথর), তারপর ইনসেকি মানে হল meteorite। তারপর কাসেকি মানে হল fossil, তারপর জিশাকু মানে হল magnet। হোসেকি মানে হল jewel, এখানে সেকি/ইশি/শাকু জাতীয় যত শব্দ আছে সব জায়গায় এই কানজি টা বসে।

Magnet এর কানজি লিখার সময় চৌম্বক আর পাথরের কানজি পাশাপাশি লিখে, তারপর jewel এর কানজি লিখার সময় treasure আর stone এর কানজি পাশাপাশি লিখে।

সেক্কেন মানে হল soap, এইখানে কেনের সামনে এই কানজি টা বসে। তারপর stone আর oil এর কানজি পাশাপাশি লিখলে বুঝাই petroleum, উচ্চারণ হল সেকিইউ। ইউ/আবুরা মানে হল oil, এরকম পাথর টাইপের যত কিছু আছে সব জায়গায় ই এই কানজি টা বসে।

সেকি শব্দ টা রুরোনি কেনশিনের মধ্যেও এক জায়গায় ছিল। সাগারা সানোস্কে ছোটবেলায় সেকিহোতাই (sekiho army) নামে একটা গ্রুপের সাথে ছিল, তবে এইখানে সেকির জায়াগায় এই কানজি টা ইউজ করত কিনা মনে নাই।

একটা পাথরের উপরে একটা আর পাশে একটা স্কেল ধরলে যেরকম দেখাই সেইরকম করে এই কানজি টা লিখতে হয় অনেক টা।

 

এখন একখান টাকা পয়সাওয়ালা কাঞ্জি দেই 😛

এই কানজি টার উচ্চারণ হল কিন/কানে/কোন/গোন/কানা, সোনা/টাকা পয়সা/মেটাল এই টাইপের জায়গায় এই কানজি টা ইউজ হয়।

“ওকানে” মানে হইল “money”..এইখানে “কানে”র জায়গায় এইটা বসে…

“কিন” মানে হইল “সোনা”, “কিনজোকু” মানে হল “মেটাল”। তারপর “শোকিন” মানে হল “prize/award/reward”, তারপর “কানাকে” মানে “metallic taste”, কিনইউ মানে হল finance
এইসব গুলা জায়গায় কিন/কানে/কানা জাতীয় সকল ক্ষেত্রে এই কানজি বসে।

নিচের ছবি দেখে বুঝা যাইতেছে এই কানজি টা ক্যামনে আসছে

 

শেষের কানজি গাছের কানজি, উচ্চারণ মোকু/বোকু/কি। এটার মিনিং হইল tree/wood

কি মানে হইল গাছ। রিঙ্গো নো কি মানে হইল আপেল গাছ, মাতসু নো কি মানে পাইন গাছ।
তারপর কি নোবোরু মানে হইল tree climbing, তারপর মোকুজাই মানে হইল wood

তারপর civil engineer এর জাপানিজ হল দোবোকুগিশি, এখানে বোকুর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

তারপর Thursday এর জাপানিজ হল মোকুইয়োবি, এখানে মোকুর জায়গায় এইটা বসে।

কানজি টা মনে রাখাও অনেক সহজ।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ষষ্ঠ পাঠ

আজকে থাকবে ৪টা কানজি

প্রথমে সূর্যের কানজি। এই কানজি আরও কিছু ক্ষেত্রে ইউজ হয়, দিন বুঝাইতে ইউজ হয়, উচ্চারণ একেক জায়গায় একেক রকম – নিচি/জিতসু/হি/কা/বি

 

দিন আর সূর্যের সেম কানজি ইউজ করে কারণ সূর্য উঠলে নতুন দিনের সুচনা হয়

জাপানের কানজি লিখার সময় ২ খান কানজি ইউজ করে তার মধ্যে এটা একটা। জাপানরে সূর্যোদয়ের দেশ বলে আমরা সবাইই জানি। জাপানরে ওই দেশের মানুষ জন নিহোন/নিপ্পোন এইরকম আরও কিছু বলে, নি এর জায়গায় এই কানজি টা ইউজ করে।

হিগানোবোরি কথা টা অনেকেই আনিমের মধ্যে শুনছে মে বি, ওইখানে হি এর জায়গায় সূর্যের কানজি বসে। এটার মানে হল সূর্য উঠা।

তারপর নিচি মানে হচ্ছে দিন। দিন যুক্ত যত কিছু আছে ওইখানে এই কানজি ইউজ হয় – Sunday, Monday এরকম প্রত্যেক টা বারের শেষে এই কানজি ইউজ হয়। তবে Sunday লিখার সময় ২ বার এই কানজি ইউজ হয়। Sunday এর জাপানিজ হল নিচিইয়োবি, নিচি আর বি এর জায়গায় এই কানজি টা বসে। তারপর মাই নিচি মানে everyday। আনিমে একটা কথা অনেক ইউজ হয় মাই নিচি মাই নিচি, এটার মানে হল দিনের পর দিন(day after day)। তারপর নেনজিতসু মানে মনে হয় দিনের পর দিন (এটা শিওর না)। ওইখানে জিতসুর জায়গায় এই কাঞ্জি বসে।

এরপরের কানজি হইল চাঁদের কানজি।

এই কানজি টা ২ টা ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয় – একটা চাঁদের কানজি হিসেবে, আর একটা মাসের কানজি হিসেবে।

উচ্চারণ হল তসুকি/গাতসু/গেতসু

 

তসুকি মানে হল চাঁদ। চাঁদের সাথে মাসের একটা সম্পর্ক আছে, এক চাঁদে এক মাস ধরা হয়। এই জন্য ২ টাতে সেম কানজি ইউজ করে। মাসের কানজি হিসেবে ইউজ করার সময় সাধারনত গেতসু/গাতসু উচ্চারণ করে।

তসুকি নো হিকারি/তসুকি আকারি মানে moonlight, তসুকিবারাই মানে monthly payments। তারপর গেতসুমাতসু মানে end of the month, শোগাতসু মানে the 1st month of a year/new year, কোনগেতসু মানে this month। গেতসুইয়োবি মানে Monday, এইখানে যত জায়গায় গেতসু/গাতসু/তসুকি আছে সব জায়গায় এই কানজি বসে।

তারপর বিভিন্ন মাসের কানজি লিখার সময় যেমন জানুয়ারির কানজি লিখার সময় ১ এর কানজি সাথে মাসের কানজি লিখলেই হয়। জানুয়ারি হইল ইচিগাতসু, ইচি মানে ১ আর গাতসু মানে মাস। জানুয়ারি যেহেতু ১ নাম্বার মাস এই জন্য জানুয়ারি রে ইচিগাতসু বলে, ১ এর কানজি আর মাসের কানজি পাশাপাশি লিখলে জানুয়ারি বুঝাই।

তারপর বাকি মাসের কানজি গুলাও একই নিয়মে লিখে। নিগাতসু মানে ফেব্রুয়ারি (নি মানে ২), সানগাতসু মানে মার্চ (সান মানে ৩), শিগাতসু মানে এপ্রিল (শি মানে ৪ ইয়োন মানেও ৪ তবে মাসের এপ্রিল এর সময় শি উচ্চারণ হয়), গোগাতসু মানে মে (গো মানে ৫), রকুগাতসু মানে জুন (রকু মানে ৬), শিচিগাতসু মানে জুলাই (শিচি মানে ৭ নানা মানেও ৪ তবে জুলাই এর সময় শিচি উচ্চারণ হয়), হাচিগাতসু মানে অগাস্ট (হাচি মানে আট) (আমার জন্মদিন অগাস্ট এ 😛 ), কুগাতসু মানে সেপ্টেম্বর (কু মানে ৯), জুগাতসু অক্টোবর (জু মানে ১০), জুইচিগাতসু মানে নভেম্বর (জুইচি মানে ১১), জুনিগাতসু মানে ডিসেম্বর (জুনি মানে ১২)। নাম্বারের কানজি তো আগেই শিখাইছি…সো এখন আশা করি কারো ১২ মাসের নাম জাপানিজে লিখতে সমস্যা হবে না 😀

কালকে শীতের রাতে হটাত করে বৃষ্টি হইল, সেই সুবাদে এরপর বৃষ্টির কাঞ্জি দেয়াটা তো আসে।

বৃষ্টির(rain) কানজি, আমে/উ

“আমে” মানে “rain/বৃষ্টি”, শুধু এই কানজি টা একা একা লিখলে বৃষ্টি বুঝাই। “আমে মিজু” মানে হল “rain water”। এখানে “আমে”র কানজি আর “পানি”র কানজি পাশাপাশি লিখলেই বৃষ্টির পানি বুঝাই। “পানি”র কানজি তো আগেই শিখাইছি…”মিজু”। তারপর “ওআমে” মানে হল “heavy rain”, এখানেও “আমে”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

নারুতোর মধ্যে পেইনের ভিলেজ ছিল “hidden rain village”। “জাপানিজে বলত আমেগাকুরে”, এখানে “আমে”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

ব্লিচের “ইশিদা উরিউ”র নাম লিখার সময় “উ রিউ” এর “উ” জায়গায় এই কানজি টা বসে। তারপর rainfall (precipitation এর amount বুঝাই যখন) এর জাপানিজ হল “উ রিও”, এইখানে “উ” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে। আর এমনিতে “rainfall” এর জাপানিজ হল “কোউ উ”, এখানেও “উ”র জায়গায় এই কানজি টা বসে।

এইটার ছবিটা মজার, আমরা যখন জানালা দিয়ে বৃষ্টি পড়া দেখি ওইটা দেখতে যেমন লাগে তার সাথে মিল রাইখা এইটার কানজি লিখা হয়।

সবশেষে থাকছে “পর্বত/পাহাড়” এর কানজি, উচ্চারণ “ইয়ামা/সান/জান”। “Mountain/hill” ছাড়াও মাঝে মাঝে ক্রিটিকাল মোমেন্ট বুঝাইতেও এটা ব্যবহার হয়।

 

শুধু “ইয়ামা” বললে “mountain” বুঝাই।

আবার “volcano” র জাপানিজ হল “কাজান”, “volcano” র কানজি লিখার সময় “fire” এর কানজি আর “mountain” এর কানজি পাশাপাশি লিখতে হয়। “Fire” এর কানজি তো আগেই দেখাইছি, “আগুন” আর “পাহাড়” একসাথে মিলাইয়া হইয়া গেল “volcano” 😀

তারপর “সানচো” মানে “পাহাড়ের চূড়া”, এখানে “সান”এর জায়গায় “পাহাড়”এর কানজি বসে। (“সান” মানে কিন্তু আবার “তিন” ও বুঝাই তবে “তিন”এর কানজি দেখতে আলাদা, উচ্চারণ ২ টার সেম হইলেও “৩” এর কানজি আর “পাহাড়”এর কানজি সম্পূর্ণ আলাদা)

তারপর “মাউন্ট ফুজি”রে জাপানিজরা “ফুজিসান” বলে। এখানেও “সান” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে।

এই কানজি টা লিখাও সোজা। ৩ খান পাহাড় পাশাপাশি দাঁড়ায়ে আছে, মাঝখানের টা বড়, পাশের ২ টা ছোট। একটু খানই modify কইরা হইয়া গেল ইয়ামা 😀

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – পঞ্চম পাঠ

Fire এর কানজি, উচ্চারণ হি/কা
নারুতো যারা দেখছে তাদের এই কানজি খানা চেনা উচিৎ।

আর নিচের ছবি তে দেইখা বুঝা যাইতেছে এই কানজি খানা লিখার সাথে আগুনের কি সম্পর্ক

এরপরের যেটা দিমু সেটাও নারুতো দেখলে অনেকেই চিনবে:

Water এর কানজি, মিজু(みず)/সুই(すい)
মিজু মানে পানি এটা মনে হয় যারা আনিমে দেখে তারা সবাইই জানে

মিজুকাগের মিজু, মিজুকাগে লিখার সময় মিজুর কানজি আর কাগের(shadow) কানজি পাশাপাশি লিখে। তারপর flood এর কানজি লিখার সময় ২ টা কানজি পাশাপাশি লিখে একটা পানির কানজি আর একটা damage/harm এর কানজি।
বন্যা হলে পানি সবার ক্ষতি করে, এই জন্য water আর damage এর কানজি পাশাপাশি লিখে flood বুঝায় 😛
ওইখানে উচ্চারণ টা হয় সুই – সুইগাই মানে flood।

তাছাড়া এমনিতে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে উচ্চারণ মিজুই ইউজ করে, যেমন swimsuit এর জাপানিজ হইল মিজুগি ওইখানে মিজুর জায়গায় পানির কানজি ইউজ করে আর গি মানে suit বুঝায় এইজন্য মিজুর কানজি আর গির কানজি পাশাপাশি লিখলে swimsuit বুঝায়

 

এরপরে আছে  Light এর কানজি, উচ্চারণ হিকারি/কো

 

Sunlight এর কানজি লিখার সময় সূর্যের আর আলোর কানজি পাশাপাশি লিখলেই হয়..উচ্চারণ নিককো (এইটা আমি শিওর না), তবে আমার জানামতে sunlight কে তাইয়ো নো হিকারি বলে। তাইয়ো মানে সূর্য, হি মানেও সূর্য। তারপর moonlight এর কানজি লিখার সময় চাঁদের আর আলোর কানজি পাশাপাশি লিখলেই হয় – গেককো(এইটাও আমি শিওর না)। তবে moonlight রে মনে হয় তসুকিআকারি/তসুকি নো হিকারি বলে আমি যতদূর জানতাম। তসুকি মানে চাঁদ, beam (আলোকরশ্মি) এর কানজি লিখার সময়ও এই কানজি টা লাগে। উচ্চারণ কোসেন। তবে উচ্চারণ যাই ই হোক আলো টাইপ সব জায়গায় এই কানজি ইউজ করে।

শেষে থাকলো Earth এর কানজি – তসুচি(つち)/তো(と)/দো(ど)

  

Earth, ground, soil, clay, dirt এইগুলার জায়গায় এই কানজি টা ইউজ করা হয়।

নারুতো যারা দেখছে তারা তো তসুচিকাগে শব্দ টা শুনছে। তসুচিকাগে মানে earth shadow, ওইখানে earth এর কানজি আর shadow র কানজি পাশাপাশি লিখে। তারপর নেনদো মানে হল clay, তোচি মানে ground/soil, এইখানে দো আর তো এর জায়গায় এই কানজি টা লিখে।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সংখ্যার কানজির চতুর্থ পাঠ

প্রথমে থাকছে ১০০ র কানজি: hyaku (ひゃく)(হিয়াকু)

100 লিখে খাঁড়া কইরা জোড়া লাগাইয়া দিলেই ১০০ র কানজি হইয়া যায়….মনে রাখা ইজি আছে:

২০০,৩০০…ইত্যাদি – এই গুলা লিখতে গেলে ২ আর ৩ এর কানজির পাশে ১০০র কানজি বসাইয়া দিলেই হয়

নাম্বারের কানজি যে কয়টা পারতাম তার মধ্যে আর ২ টা বাকি ছিল…..আজকে সে ২ টা দিয়ে দিলাম।

একটা হল ১ হাজারের কানজি আর একটা হল ১০ হাজারের কানজি।
ক্রসের মাথায় একটা টান দিয়ে ১০০০ এর কানজি লিখে, উচ্চারণ জেন/সেন


অন্যটা হল ১০০০০ এর কানজি, উচ্চারণ মান/বান

২০০০ লিখতে গেলে ২ এর কানজি এর পাশে জেনের কানজি লিখলেই হয়। আবার ২০০০০ লিখতে গেলে ২ এর কানজির পাশে মানের কানজি লিখলেই হয়।

হিয়াকু(100) মান(10000) মানে 1 million, জেনমান মানে 10 million, লুফির 1st বাউন্টি ছিল সানজেনমান (30 million)বেরি

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সংখ্যার কানজির তৃতীয় পাঠ

আজকে মোট ৫টা কানজি।

১ম টা হইল ৬ এর কানজি – “রোকু”

২য় টা ৭ এর কানজি – “নানা/শিচি”

রোকুগাতসু মানে জুন, শিচিগাতসু মানে জুলাই, রোকুজুউ – Sixty, নানাজুউ – Seventy

হিটম্যান রিবর্নের “রোকুদো মুকুরো”র নাম লিখার সময় রোকুর কানজি ইউজ করে। ওয়ান পিসের মধ্যে শিচিবুকাই এর কথা তো অনেকেই জানে, ওইখানে শিচির কানজি ইউজ করে।

t এর মত দেখতে যেটা সেটা ৭

এরপর থাকছে হাচি মানে আট… এটার কাহিনী আমি একটু বানাই: এটা ২ টা ঠ্যাঙ, উপ্রে বডি কাইটা ফেলছে
৮ এর কানজির উচ্চারণ হাচি/ইয়াততসু

অন্যান্য গুলার মত এটার ইউজও একই টাইপ, যেমন হাচিগাতসু মানে অগাস্ট, হাচিজুউ মানে Eighty, হাচিনেন মানে ৮ বছর

initial D এর মধ্যে তাকুমির যে গাড়িটা ছিল ওইটার কথা অনেকের মনে থাকার কথা, “হাচি রকু”(“86”)
যে সকল জায়গায় ৮ জাতীয় ব্যাপার স্যাপার আছে সব জায়গায় এই কানজি ইউজ হয়।

“নয়”-এর কানজি কিউ/কু

“কিউবি”র ((নারুতোর নাইন টেইল )) “কিউ” আর কি….তারপর কুগাতসু মানে সেপ্টেম্বর

সবশেষে ১০ এর কানজি জু

জুগাতসু মানে অক্টোবর

চাইনিজরা নাকি ক্রস দিয়ে ১০ বুঝাই…ওইখান থেকেই নাকি এটা আসছে

 

অ্যানিমেই সাজেশন অ্যান্ড রিভিউঃ Natsume Yuujinchou (নাতসুমে ইউজিনচো)

Natsume Yuujinchou (নাতসুমে ইউজিনচো)
English: Natsume’s Book of Friends

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=Jpmb-X12HG8)

অনেক ছোটবেলা থেকেই টিনেজেড Natsume Takashi (নাতসুমে তাকাশি) ইয়োকাই (জাপানে ইয়োকাই হচ্ছে ভূত, প্রেত) দেখতে পায়। বাবা-মা হারা নাতসুমে এই কথা সবার কাছ থেকে গোপন রাখে। অনেক আত্মীয়ের বাসা-বাসায় থেকে অবশেষে নাতসুমে যখন তার বাবা-মার এর এক ভালো আত্মীয়ের বাসায় স্থায়ীভাবে থাকতে শুরু করে সেখানে সে তার দাদির রেখে যাওয়া একটা বই পায় যেখানে অনেক ইয়োকাই এর নাম লেখা। স্পিরিচুয়াল শক্তির অধিকারি নাতসুমের দাদি নাতসুমে রেইকো এইসব ইয়োকাই দের হারিয়ে তাদের আনুগত্যের প্রমাণ হিসেবে তাদের নাম এই বই এ রেখে দিয়েছিল। এই বই পাওয়ার পর থেকে তার কাছে একে একে সব ইয়োকাই রা আসতে থাকে তাদের নাম ফেরত নিতে। এমনই এক ইয়োকাই এর কাছে থেকে পালানোর সময় তার দেখা হয় এক শক্তিশালী ফক্স স্পিরিট “মাদারা” এর সাথে। ঘটনাক্রমে তার বডিগার্ড মাদারা এর সাথে নাতসুমে এর সব ইয়োকাইদের নাম ফিরিয়ে দেয়ার যাত্রা শুরু হয় ।

স্টোরি/ কাহিনিঃ (১০/১০)

“Thank you…for not growing to hate humans.”

নাতসুমে ইউজিনচো এর কাহিনি এপিসোডিক। প্রতি পর্বে একটা করে নতুন ইয়োকাই আসে নাতসুমে এর কাছ থেকে তার নাম নিতে আর তাদের নাম ফিরিয়ে দেয়ার মধ্যে দিয়েই কাহিনি নাতসুমে ইউজিনচো এর। শুধু নাম ফিরিয়ে দেয়াই না, মাঝে মাঝে বিভিন্ন ইয়োকাই রা বিভিন্ন অনুরোধ নিয়ে আসে নাতসুমে এর কাছে আর নাতসুমে তাদের সাহায্য না করে ফিরিয়ে দিতেও পারে না।
নাতসুমে ইউজিনচো মানুষ-মানুষের, মানুষ-ইয়োকাই দের বন্ড এর উপর জোর দেয়। এই সিরিস এর প্রতিটা কাহিনি ই ইউনিক আর গভীর অর্থ বহন করে। মানুষ কেন ইয়োকাই দের প্রতি টান অনুভব করে, ইয়োকাই রা কেন মানুষদের প্রতি টান অনুভব করে সবকিছুই এইখানে খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। আর প্রতিটা ইয়োকাই এর নাম ফিরিয়ে দেয়ার সময় তাদের নাম নেয়ার সময়কার স্মৃতি নাতসুমে দেখতে পায় যার প্রতিটা অংশই খুব ইমোশোনাল। প্রতিটা গল্প শেষেই মন একটু খারাপ হয়ে গেলেও একটা উষ্ণ অনুভূতি থেকে যায় যেই কারণে পিছে ফিরে বার বার গল্পটা মনে করতে ইচ্ছা করে।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=xrbfAU2UZqI)]

আর্টঃ (১০/১০)

নাতসুমে ইউজিনচো এর আর্ট খুবই সুন্দর। কান্ট্রিসাইড এ কাহিনির সেটআপ হওয়ায় প্রাকৃতিক দৃশ্য অনেক বেশি। আর এই দৃশ্যগুলো আর্ট আর অ্যানিমেশন এর সৌন্দর্যের কারণে অনেক ভালোভাবে ফুটে উঠেছে। প্রতিটা কাহিনি এর আর্ট খুবই ভালোভাবে মানিয়ে গেছে। গাছ-গাছালি, গাছের ফাঁক দিয়ে সূর্যের আলো আসা, মাঠ-ঘাট সবই এত ভালভাবে মানিয়ে গেছে যে একেকটা এপিসোড দেখলেই মন ঠাণ্ডা হয়ে যায়।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=aD3AVIsBaSs)]

সাউন্ডঃ (১০/১০)

নাতসুমে ইউজিনচো এর অন্যতম মনে রাখার মত বিষয় হচ্ছে এর সাউন্ডট্র্যাক। নাতসুমে ইউজিনচো এর OP (https://www.youtube.com/watch?v=FDbfgSlSw58) আর ED টা অনেক বেশি সুন্দর, বিশেষ করে ED টা (https://www.youtube.com/watch?v=55hO1nR0b-I), ED টা আমার অনেক বেশি পছন্দের, অনেক পিসফুল একটা গান, শুনলে মন একবারে শান্ত হয়ে যায়। নাতসুমে ইউজিনচো এর প্রতিটা কাহিনি এর আবহ এর সাথে এর সাউন্ডট্র্যাকগুলো অনেক বেশি সুন্দরভাবে মানিয়ে গেছে যেটা অ্যানিমে দেখার অনুভুতিটাকে আরও অনেক বেশি বাড়িয়ে দেয়।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=pFMZ0xTmNcY)]

ক্যারেক্টারঃ (৯/১০)

নাতসুমে ইউজিনচো ইউনিক, ইন্টারেস্টিং আর মেমোরেবল ক্যারেক্টার দিয়ে পরিপূর্ণ। নাতসুমে এর যত ইয়োকাই এর দেখা হয় তারা সবাই ইউনিক, শুধু তাদের পারসোনালিটি না এমনকি তাদের কাহিনিগুলাও মেমোরেবল, হার্ট ওয়ার্মিং, তাদের সমস্যাগুলাও খুব ভালোভাবে চিন্তা করা। নাতসুমে এর পাওয়ার এর জন্য সে অনেকটা সবার থেকে নিজেকে গুটিয়ে নিতে বাধ্য হয়েছিল, সেই আবার সবাইকে বিশ্বাস করতে শিখে। মাদারা যে কিনা শুধু বইটা নেয়ার জন্যই নাতসুমে এর সাথে থাকে সে ও একসময় বই এর চেয়ে বেশি নাতসুমে এর জন্যই কেয়ার করতে শুরু করে। বেশিরভাগ ক্যারেক্টার ই যদিও এক পর্বের বেশি থাকে না তাও বেশ কয়েকটা ক্যারেক্টার অন্য এপিসোডগুলাতেও আসে আর এদের সাথে নাতসুমে এর সম্পর্ক আরও ভালভাবে ফুটে উঠে।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=l_95XcbjgU8)]

এঞ্জয়মেন্টঃ (১০/১০)

নাতসুমে ইউজিনচো এর প্রতিটা কাহিনি ই দেখতে বেশ মজার, ২০ মিনিট এর কাহিনি কখন শেষ হয়ে যাবে টের ই পাওয়া যাবে না। আর এরই সাথে ইউনিক ক্যারেক্টার, অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক, আর ইন্টারেস্টিং স্টোরি দেখতে বোর লাগবে না কখনই। প্রতিটা এপিসোড এমন একটা ভাইব আছে যে একটা এপিসোড দেখলেই মনে এক অন্য ধরনের শান্তি চলে আসে। বিকালে বাইরে বসে এই সিরিস দেখার সাথে অন্য কোন অনুভুতির তুলনাই হয় না।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=EJolEPJzxaA)]

ওভারঅলঃ (১০/১০)

এককথায় বলতে গেলে নাতসুমে ইউজিনচো সিরিসটা মাস্টারপিস। এই সিরিসটা দেখে এই সিরিসটার প্রেমে না পড়াটা অসম্ভব। অনেক ইমোশোনাল ইউনিক কাহিনি একই সুতায় গাথা এই সিরিস টাতে। এই সিরিস এর প্রতিটা সাইড ই আমাকে অবাক করেছে, কখনই হতাশ করেনি। সুপারন্যাচারাল স্লাইস আভ লাইফ হিসেবে এই অ্যানিমেই টা আরেকটা মাস্টারপিস।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=NgKRd8ATy_U)]

MAL র‍্যাঙ্কিংঃ ১২০
MAL রেটিংঃ ৮.৪৫
আমার রেটিংঃ ১০

Natsume Yuujinchou সিরিস এর ক্রোনোলোজি (ধারাবাহিকতা)ঃ

1. Natsume Yuujinchou (Jul 8, 2008 to Sep 30, 2008) MAL Rank #120 [13 episodes]
2.Zoku Natsume Yuujinchou (Jan 6, 2009 to Mar 31, 2009) MAL Rank #46 [13 episodes]
3. Natsume Yuujinchou San (Jul 5, 2011 to Sep 27, 2011) MAL Rank #42 [13 episodes]
4. Natsume Yuujinchou Shi (Jan 3, 2012 to Mar 27, 2012) MAL Rank #28 [13 episodes]
5. Natsume Yuujinchou: Itsuka Yuki no Hi ni (Feb 1, 2014) MAL Rank #131 [1 episode]

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=mLOOUz3LWfA
https://www.youtube.com/watch?v=v1eLNNmOvmw
https://www.youtube.com/watch?v=xikpxunpvv4
https://www.youtube.com/watch?v=suLGzcL9eNs)]

অ্যানিমেই সাজেশন অ্যান্ড রিভিউঃ Mushishi (মুশিশি)

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=ZlbxNeOmjEE)]

Mushishi (মুশিশি)

“মুশি”; এই পৃথিবীতে জীবনের প্রাথমিক রুপ। এদের উদ্দেশ্য হচ্ছে টিকে থাকা। মুশি বিভিন্ন রঙ আর বিভিন্ন গঠনের হতে পারে, আর এদের মধ্যে অনেক মুশি বিভিন্ন প্রাকৃতিক ঘটনা তৈরি করতে পারে। রংধনু সৃষ্টি, রোগ হিসেবে থাকা, কাউকে নকল করা, পরজীবী হিসেবে বাস করা এইরকম আরও অনেক কিছুই করতে পারে মুশি। সবাই মুশি দেখতে পারে না, যারা দেখতে পারে তারা হচ্ছে মুশিশি। এমনই এক মুশিশি হচ্ছে গিনকো। মুশিদের অস্তিত্ব আর মুশি আরও ভালোভাবে বুঝার জন্য বিভিন্ন জায়গায় ঘুরে বেড়ায় মুশিশি গিনকো।

স্টোরি/ কাহিনিঃ (৯/১০)

মুশিশি এর কাহিনি এপিসোডিক। মুশিশি গিনকো বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করে। মুশিরা মানুষের জীবনে বিভিন্নভাবে প্রভাব ফেলে প্রতি পর্বে মুশি সংঘটিত কোন ঘটনার মুখোমুখি হয় গিনকো আর মুশিশি হিসেবে সেইসব ঘটনার সমাধান করে সে। প্রতি পর্বে একেকটা ইউনিক আর খুবই সুন্দর ঘটনার উৎপত্তি হয় আর এইসব ঘটনার মাঝেই মাঝে মাঝে লুকিয়ে থাকে অর্থবহুল আর শিক্ষণীয় বিষয়।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=hmIeGkRe0CI)]

আর্টঃ (৯/১০)

মুশিশি এর আর্ট অসাধারণ, কাহিনি এর সাথে একেবারেই মিলে যায়। মুশিশি এর আর্ট এ অনেকটা পুরানো দিনের আর গ্রামের আবহ আছে। মুশিশি এর প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলো অসাধারণ, ব্রেথটেকিং, গরজিয়াস। কিন্তু গিনকো ছাড়া প্রায় সব ক্যারেক্টার এর ডিসাইন প্রায় একই রকম। কিন্তু এইটাও কাহিনি এপিসোডিক হওয়ায় তেমন একটা প্রভাব ফেলে না।
অ্যালবামঃ http://imgur.com/a/UjXGH

সাউন্ডঃ (১০/১০)

মুশিশি এর সবচেয়ে বেশি অসাধারণ ক্ষেত্র হচ্ছে এর সাউন্ড। কাহিনি এর সাথে সাউন্ড এর মিল অসাধারণ। রহস্য (https://www.youtube.com/watch?v=puLnIQ-plR8), সাস্পেন্স (https://www.youtube.com/watch?v=z_GIPWwASIU) যেকোনো অবস্থার জন্য পারফেক্ট সাউন্ড আছে মুশিশি তে। মুশিশি এর ওপেনিং (https://www.youtube.com/watch?v=AapZE-LHUdI) আর এন্ডিং সং (https://www.youtube.com/watch?v=r2e7yFbDuWM) দুইটাও অসাধারণ রকমের ভালো। মুশিশি এর সাউন্ডট্র্যাক শুনলে যে কারো মন ঠান্ডা হয়ে যেতে বাধ্য। মুশিশি এর সাউন্ডট্র্যাক যে কতটা অসাধারণ তা শুধু বলে বুঝানো সম্ভব না।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=9Z8nzhKYU2w)]

ক্যারেক্টারঃ (৮/১০)

মুশিশি এর অন্যতম আকর্ষণ এর প্রধান ক্যারেক্টার গিনকো। গিনকো এর ক্যারেক্টার অনেকটা মোনোটোন মনে হতে পারে কিন্তু গিনকো যেভাবে একাত্মতা নিয়ে প্রত্যেকটা সমস্যার সমাধান করে তা দেখে বুঝা যায় যে গিনকো ক্যারেক্টার টা আসলে কতটা অসাম। কাহিনি এপিসোডিক হওয়ায় প্রতি এপিসোড এ নতুন ক্যারেক্টার আসে কিন্তু ক্যারেক্টারগুলার কাহিনি এতটাই ইউনিক যে প্রতিটা ক্যারেক্টার মনে রাখার মতো। গিনকো শুধু যেই ডাক্তার এর সাথে পরিচিত সে ছাড়া আর কোন ক্যারেক্টার ই একবারের বেশি কোনো এপিসোড এ আসে না।

এঞ্জয়মেন্টঃ (১০/১০)

প্রতিটা কাহিনি ই ইউনিক, অ্যানিমেশন আর সাউন্ড উপভোগ্য হওয়ায় পুরা সিরিস টা ই খুব এঞ্জয়এবল। প্রতিটা এপিসোড ই খুব সুথিং, কাহিনি স্লো পেসড। প্রতিটা এপিসোড ই মনে রাখার মত। একটা এপিসোড দেখে আরেকটা এপিসোড অনেকদিন পরে দেখলেও মজা কমে যায় না, কিন্তু প্রত্যেকটা কাহিনি ই এত মজার আর ইন্টারেস্টিং যে পুরা সিরিস না শেষ করে উঠতে ইচ্ছা হবে না।

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=8CFdDzJaZw8)]

ওভারঅলঃ (১০/১০)

পুরা সিরিসটা এক কথায় বলতে গেলে মাস্টারপিস। মুশিশি এর কাহিনি, সাউন্ডট্র্যাক, প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলোর এনিমেশন অসাধারণ। এইটা এমন একটা অ্যানিমেই যেইটা না দেখা মানেই অনেককিছু মিস করা আর এটা দেখে কখনও মনে হবে না যে সময় অপচয় হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে মুশিশি অ্যানিমেই এর জগতে অন্যতম মাস্টারপিস।

MAL র‍্যাঙ্কিংঃ ২৩
MAL রেটিংঃ ৮.৮১
আমার রেটিংঃ ১০

Mushishi সিরিস এর ক্রোনোলোজি (ধারাবাহিকতা)ঃ

1. Mushishi (Oct 23, 2005 to Jun 19, 2006) MAL Rank #23
2. Mushishi Special: Hihamukage (Jan 4, 2014) MAL Rank #48
3. Mushishi Zoku Shou (Apr 5, 2014 to Jun 21, 2014) MAL Rank #22
4. Mushishi Zoku Shou Special (Aug 20, 2014) MAL Rank #104
5. Mushishi Zoku Shou 2nd Season (Oct 19, 2014 to [ongoing]) Rank #19

[শুনতে থাকুন (https://www.youtube.com/watch?v=84XVtCTeBUg
https://www.youtube.com/watch?v=0-Kv2ZHgRJY
https://www.youtube.com/watch?v=chSW6_I9qpI)]

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৫

ইফ ইউ লাইকড ‘Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru. ইউ মে অলসো লাইক ‘Hyouka

আপনার কাছে ‘Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru. ভালো লাগলে ‘Hyouka ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru. ও ‘Hyouka এর মধ্যে মিল-

* মেইন ক্যারেক্টার এর ভাইব অনেকটা সেইম। এন্টিসোশাল, ইন্ট্রোভার্ট, গ্রাম্পি আর লিথার্জিক।
* মেইন মেইল ক্যারেক্টার ক্লাবে বাধ্য হয়ে জয়েন করে।
* সেইম জনরার। হাইস্কুল, স্লাইস আভ লাইফ।
* কমেডি আর রোমান্স এর কিছু ভাইব আছে।
* ক্লাবে বিভিন্ন মানুষ এর রিকুয়েস্ট আসে আর তা সমাধান করতে নিয়েই মেইন ক্যারেক্টার অন্যদের লাইফে জড়িয়ে পড়ে যা পরে ড্রামাটিকাল অবস্থার সৃষ্টি করে।
* মেইন মেইল ক্যারেক্টারদের জীবনের প্রতি ফিলোসফিকাল দৃষ্টিভঙ্গি।
* দুইটা অ্যানিমেই ই লাইট নভেল এডাপশন।

Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru. ও ‘Hyouka এর মধ্যে অমিল-

* ‘Hyouka’ মিস্টেরি জনরার কিন্তু ‘Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru.’ তে তেমন মিস্টেরি এলিমেন্ট নাই।
* ‘Yahari Ore no Seishun Love Comedy wa Machigatteiru.’ তে রোমান্টিক এলিমেন্ট তুলনামূলক বেশি।
* ‘Hyouka’ এর অ্যানিমেশন তুলনামূলক ভালো।