
কিরিগোয়ে মিমা। জাপানের খুব জনপ্রিয় এই পপ আইডল হঠাৎ করেই তার ক্যারিয়ার চেঞ্জ করে ফেলে। অ্যাকট্রেস হবার ধ্যানজ্ঞান নিয়ে সে একদম গোড়া থেকে আবার তার ইমেজ গড়া শুরু করে। কিন্তু মিষ্টি মিষ্টি হাসিখুশি কিশোরী পপ আইডল ইমেজ যেন তাকে ছেড়েই যায় না। তাই বাধ্য হয়েই সে একসময় একটি ড্রামাতে রেপ সীন করতে রাজি হয়।
এই দৃশ্যে অভিনয় করে মিমা রাতারাতি তার আগের খোলস ছেড়ে মিডিয়ার লাইম লাইটে চলে আসে। শুরু হতে থাকে একের পর এক ইন্টারভিউ আর ফটোশ্যুট। এর মাঝে কিছু ন্যুড পিকও থাকে যার কারণে দর্শকরা তাকে নতুন করে পরিণত মিমা হিসেবে ধীরে ধীরে গ্রহণ করতে থাকে।
কিন্তু এতে করে খুব বাজে একটা ইফেক্ট পড়ে মেয়েটার উপর। তার ভেতর অপরাধবোধ জন্ম নেয় এই ধরণের কাজের জন্য। মনের গভীরে সে অনুতপ্ত হতে থাকে কেন সে আইডল মডেল থেকে অ্যাকটিং এর দিকে পা বাড়ালো।
ঠিক সেই সময় মিমা ইন্টারনেটে খোঁজ পায় ‘মিমা’স বেডরুম’ নামে একটা রহস্যময় হোমপেইজের। যেখানে একটা অপশন থাকে ‘মিমা’স ডায়েরি’। সে অবাক হয়ে দেখে ঠিক সে যা যা করেছিল গতকাল, কিংবা আজকে সবই নিখুঁত করে লেখা সেখানে। এবং সেই রেপ সীনের পরের দিন থেকে সেই ডায়েরিতে বারবার লেখা ‘হেলপ মি’ , ‘আমার এই জগতে আসাই ঠিক হয় নি…’ , ‘আমি পপ আইকন হিসেবেই ভালো ছিলাম…’ ইত্যাদি কথাবার্তা। ঠিক মনের গভীরে মিমা যেই সব কথা ভাবছিল সেইগুলাই সেখানে লেখা…
এভাবে ওর মনের ভেতর দুটো সত্ত্বার টানাপড়েন চলতেই থাকে । একসময় মিমা তার চারপাশের বাস্তবতা আর কল্পনাকে এক করে ফেলে…
তার মনে হতে থাকে ঘুমের মধ্যে সে যে স্বপ্নটা দেখেছে কিংবা মিমা’স ডায়েরিতে যেসব কথা লেখা হতে থাকে প্রতিদিন হয়তো সেগুলোই সত্যি… আর তার রিয়েলিটি দিন দিন ধোঁয়াটে হতে থাকে…
মোটামুটি এই রকম একটা কাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘পারফেক্ট ব্লু’ অ্যানিমেশন মুভিটা। জ্যাপ অ্যানিমেশন মুভির মধ্যে এই ধরণের আর্ট আমার খুব ভালো লাগে। কাহিনীটা একটু গ্লুমি বাট আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।
http://www.youtube.com/watch?v=eN_XcMuvOz0
