রান্ডম টপিক
রসনাবিলাস ২: ভাত
জাপানীরা যে ভাত খায়, সেটা আমাদের দেশের ভাতের মতো না, তুলনামুলকভাবে আঠালো আর মিষ্টি, অবশ্য এটাই স্বাভাবিক, আঠালো না হলে চপস্টিক এর মতো ভয়াবহ জিনিস ব্যবহার করবে কিভাবে? চালের বিশেষ প্রকরন চাষ করে তারা, সেই সাথে জিনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং তো আছেই। এই বিশেষ প্রকরণ দুই রকমের, একটার কথা তো আগেই বললাম, এটাকে বলে উরুচিমাই, আরেকটা হলো আরো আঠালো, নাম মচিগোমে। নাম থেকে বোঝা যাচ্ছে, মচি বানাতে এই ভাত ব্যবহার করা হয়.
আনিমে সাজেশন
কিমি তো বকু[Kimi to Boku]

কয়েকজন বন্ধুর সম্পর্ক নিয়ে কাহিনী, তাদের বন্ধুত্ব, ভাললাগা, ভালবাসা, প্রত্যাখ্যাত হওয়া, সবকিছু নিয়েই এই কাহিনী। অবশ্যই ভিটামিন-টি গোছের কিছু না, অনেক বেশি ক্লাসি।
কেন দেখবেনঃ মানবিক সম্পর্কের স্লাইস অব লাইফগুলোর কথা বিবেচনা করলে সম্ভবত হানি অ্যান্ড ক্লোভারের পর এটাই আমার দেখা সেরা।
কেন দেখবেন নাঃ কড়া অ্যাকশানপ্রেমীদের জন্য অবশ্যই নয়। স্লাইস অব লাইফের ব্যাপারে আগ্রহ না থাকলে না দেখতে বলা যাচ্ছে। এটা মুশি-শির মতো সুপারন্যাচারাল না, বাকুমানের মতো শউনেন না, আবার নন নন বিয়রির মতো মোয়ে ফ্লেভারের না। কাজেই সাবধান।
ম্যাল রেটিং ৭.৯১+৮.১৯
আমার রেটিং ৮+৯
মাঙ্গা সাজেশন
দেঙ্গেকি ডেইজি[Dengeki Daisy]

তেরুর ভাই মারা যাবার আগে তার হাতে দিয়ে গিয়েছিল একটা সেলফোন, যাতে সেভ করা ছিল ডেইজির ইমেইল অ্যাড্রেস। কে এই ডেইজি? সে কি পুরুষ, নাকি মহিলা? তার বয়স কত? সে দেখতে কেমন? কিছুই জানে না তেরু, শুধু জানে এই, ডেইজি তার গার্জিয়ান এঞ্জেল, সারাক্ষণ মাথার উপর ছায়া দিয়ে আছে। আহারে বেচারী, সে যদি জানত, তাদের স্কুলের জ্যানিটর, একগাদা অগোছালো চুলওয়ালা, পাঁড় ধূমপায়ী, সারাক্ষন তেরুর সাথে বাজে ব্যবহার করা কুরোসাকিই আসলে ডেইজি!
কেন পড়বেনঃ ক্লাসি শউজো, খামোখা মানঅভিমান নেই, নায়ক-নায়িকা, সাইড ক্যারেক্টার, সবাই খুব ইন্টারেস্টিং। মূল দুই চরিত্রের কেমিস্ট্রি অসাধারণ। সেই সাথে রহস্য। দারুন আর্ট।
কেন পড়বেন নাঃ এই মাঙ্গা না পড়া বোকামি। শউজো হলেও অ্যাকশান ফ্যানরাও ট্রাই করতে পারেন।
ম্যাল রেটিং ৮.৬৬
আমার রেটিং নেই, কারণ পড়া শেষ হয়নি।


