জানরাঃ কমেডি, স্লাইস অফ লাইফ।
সিজনঃ ২ (প্রতি সিজনে ১৩ টা করে মোট ২৬ টা এপিসোড)
কিমি তো বকু অ্যানিমেটা আবর্তিত হতে থাকে পাঁচ জন হাইস্কুল পড়ুয়া ছেলেকে কেন্দ্র করে। স্লাইস অফ লাইফ দেখে বোঝাই যাচ্ছে দৈনন্দিন হাই স্কুল জীবন নিয়েই এর কাহিনী।
এই পাঁচ ছেলে হচ্ছে- শুন, কানামে, চিজুরু আর ইউতা-ইউকি টুইন। পাঁচ জন পাঁচ রকম পার্সোনালিটির।
শুন হচ্ছে খুব ভালো একটা ছেলে। ভদ্র, বিনয়ী। যার প্রেমে ২-১ টা এপিসোড পরেই পড়ে মাসাকি নামের একটা সুনদেরে মেয়ে। কানামে হচ্ছে ক্লাস রিপ্রেসেন্টেটিভ। সিরিয়াস টাইপের এক ছেলে।
সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার হচ্ছে ইউকি- ইউতা টুইন। হ্যান্ডসাম, কুল। তাদের সেন্স অফ হিউমার সেইরকম। গম্ভীর মুখে তারা এমন সব পচানি কানামেকে দেয় যে পুরাই হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসে।
একমাত্র চিজুরু বাদে সবাই সেই এলিমেন্টারি স্কুল থেকে একজন আরেকজনকে চিনত। চিজুরু হচ্ছে খুব হাসিখুশি একটু ইডিয়ট টাইপের ছেলে। হাফ জাপানিজ ট্রান্সফার স্টুডেন্ট।
পাঁচ জন পাঁচ রকম ক্যারেক্টারের পরও তারা খুব চমৎকার একটা সার্কেল হয়ে যায়।এক সাথে হ্যাং আউট কিংবা বাসায় একসাথে আড্ডা দেয়া, মেলায় একসাথে যাওয়া, প্রেম-বিরহ, ছোট্ট বেলার ক্রাশ- সব মিলিয়ে হাইস্কুল ছেলেদের যা থাকে সবই এদের আছে।
আমাদের জীবণ স্লো পেসে চলে তেমনি এদের গল্পও খুব স্লো পেসে স্বচ্ছন্দে চলে। তাই বলে একদমই বিরক্তিকর না। এক এপিসোড দেখলে পরেরটা অবশ্যই দেখতে মন চাইবে। যারা অনেক দিন ধরে অ্যাকশন, হরর, সাইকো থ্রিলার দেখছেন তাদের জন্য এটা হতে পারে চমৎকার একটা রিফ্রেশমেন্ট।
খুব সাধারণ কিন্তু কেন যেন মনে খুব অসাধারণ একটা ইম্প্রেশন রেখে যায় অ্যানিমেটা। হতে পারে কারণটা চিজিরুর ওয়ান সাইডেড ক্রাশ কিংবা খুব ছোট ছোট অনুভূতির জন্য যেগুলো খালি চোখে দেখা যায় না…
সবচেয়ে সুন্দর যে জিনসটা যেটা হল এই অ্যানিমেতে খুব নরমাল একটা দৃশ্য অথবা কনভার্সেশন -এর মাঝেই হুট করে অন্য রকম স্বপ্নের মত সুন্দর কিছু দৃশ্য দেখায়। আমি এরকমটা কখনো দেখি নি তাই প্রথমবারের মত দেখে খুব চমকে গিয়েছিলাম। বলা যায় এই ছোট্ট একটা কারণেই খুব স্পেশাল হয়ে আছে অ্যানিমেটা আমার কাছে।
হাইস্কুল লাইফের কথা শুনলেই আমাদের মনে কিছু জেনারালাইজড চিন্তা মাথায়
আসে। অনেকে বলেই দিতে পারে কি কি থাকতে পারে এইসব অ্যানিমেতে। মানছি সেগুলর সবই আছে এখানে কিন্তু তারপরেও এটা অসাধারণ। একবার দেখে ফেললে সেটা আপনিও বুঝতে পারবেন।


