Kurosaki Ichigo by Monirul Islam Munna

আসলে আগে ছোট থাকতে টিভিতে অনেক এনিম দেখাই হত,কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটা গ্যাপ পরে গেছিলো। আমার প্রিয় সেই জগতে আমাকে ফিরায় আনসে এই ব্লিচ আর খুবই প্রিয় একজন character, Kurosaki ichigo 

ইচিগোর সব চেয়ে বেস্ট পার্ট হচ্ছে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডদের জন্য সে কিনা করতে পারে!! সাধারণ স্কুলের একটা ছেলে soul reaper হয়ে যায়, কিন্তু সেখান থেকে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডসের জন্য নিজের লিমিটটুকু ক্রস করে যেতেও দিধা করে নি কোন দিন।তাদের সেইফটির জন্য নিজেকে নিজের hollowএর কাছে বিলিয়ে দিসে সে!!! এক একটা battle এ Opponent এর সাথে নিজের লেভেলটা যেন অন্য উচ্চতায় উঠে ইচিগো!!!! 

আরেকটা বেশ ভাল লাগা জিনিস হল, battle এর সময়, opponentকে মেরে না ফেলে or ভয়ানক ভাবে আহত না করে, লিমিটে রেখে যুক্তিযুক্ত battle জিততে পছন্দ করে ইচিগো  
আর যখনই ইচিগো বাঙ্কাই বলে,সাথে ব্লিচের সেই এপিক লেভেলের মিউজিক!!! গায়ে একদম কাঁটা দিয়ে উঠে *_* 

ইচিগো কুরসাকি, “আই ডোন্ট ফাইট টু উইন ,আই ফাইট বিকজ আই হেভ টু উইন” !!!!

Ichigo

My Kakashi by Zahura Chowdhury Abonti

আমি নারুতো প্রথম দেখেছিলাম Cartoon Network এ। সেখানে কাকাশির যে জিনিসটা প্রথম আমাকে curious বানায় সেটা হল ওর চুল আর মুখোশ। আমি খালি ভাবতাম—-“এই লোক মুখোশ পরে কেন?!” প্রথম প্রথম ওর আসল চেহারা দেখার খুব ইচ্ছে ছিল। এখন আর সেটা নেই। থাকুক একটু রহস্য। 

আমার সবসময় একটু carefree, laid back কিন্তু intelligent type এর চরিত্র পছন্দ হয়। সাথে একটু funny আর mysterious type. Kakashi ও ঠিক তাই। ওর যে জিনিসটা আমার সবচেয়ে ভাল লাগে তা হল অন্যের perspective থেকে চিন্তা করতে পারার ক্ষমতা, দূরদর্শীতা, আর অন্যকে বুঝতে পারার capability. Sasuke এর ভিতরে ক্রমশ বাড়তে থাকা ক্রোধ ও ঠিকই আঁচ করতে পেরেছিল এবং অনেকে অনেক কথা বল্লেও আমি মনে করি ও যথাসাধ্য চেষ্টা করেছিল Sasuke কে বিপথে যেতে না দিতে। 
“Don’t worry. I won’t let my comrades die.” হাসি দিয়ে এই কথা বলেই কাকাশি আমার মন জয় করে নিয়েছিল। কারণ নিজের কাছের মানুষদের জন্য যে কোন extent পর্যন্ত যেতে পারা আমার মতে অনেক বড় একটা ব্যাপার। আরেকটা যে জিনিস মজা লাগে তা হল ওর funny দিক। ক্ষেত্রবিশেষে খুবই serious হলেও সে মজা করতে জানে। অনেক রকম বাজে জিনিস সহ্য করেও হাসতে ভুলে যায়নি। Chouji কে পালিয়ে যেতে দেয়ার জন্য নিশ্চিত মৃত্যুও মেনে নিয়েছিল। সেই সাথে নারুতোর বড় এক সহায় হয়ে ও ছিল এবং আছে ।
“As long as you don’t give up, you can still be saved.”— এই quote টা আমাকে সত্যিই inspire করে।

কাকাশি কে নিয়ে লিখতে গেলে আমি মনে হয় পুরো বই লিখে ফেলতে পারব। সুতরাং, দ্রুত ইতি টানাটাই ভাল হবে।
আমার দেখা সবচেয়ে cool character দের একজন কাকাশি। He is unique in his own way and he is the only character who looks cool even while reading porns in front of his students or while playing rock-paper-scissors with Guy 

[যদিও বলা হয়েছে বাংলায় পুরোটা লিখতে, আমি একটু ইংরেজী নিয়ে আসলাম দেখে দুঃখিত।]

Kakashi

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস। – by Fahim Bin Selim

ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কাকাশি, লাইট, হৌতারো, কিওন – আমি নিজে বুদ্ধিমান না বলেই হয়ত এদের প্রতি আকর্ষন বেশি। কাকে রাইখা কারে বলি?

প্রথম নারুতো দেখসিলাম মোটামুটি ছোট থাকতে, ৫-৬ বছর আগে, কার্টুন নেটওয়ার্কে ফার্স্ট সিজনের শেষের ১০-১৫ টা পর্ব। চুনিন এক্সাম, গারা ভি লী এর লেজেন্ডারি সীস’ ম্যাচটা দেইখাই ফ্যান হয়ে গেলাম। এরপর অপেক্ষা; ২০১০-এর দিকে ভালোভাবে অ্যানিমে দেখা শুরু করলাম, আর প্রথম শৌনেন নারুতো। মোটামুটি সবার মত নারুতোই প্রথম দিকে ফেভারিট ছিল। আবার চুনিন এক্সাম, থার্ড রাউন্ড প্রিলিমিনারী, তখন পর্যন্ত প্রায় অগুরুত্বপুর্ণ ক্যারেক্টার শিকামারু, কিন সুচিকে যেভাবে হারালো; আমি তো মুগ্ধ – wait, this guy – some genius, he is. তখনই ভালো লাগা শুরু। তারপর আবার সেমিফাইনালে তেমারির সাথে জয় এবং একমাত্র চুনিন নিবার্চিত। এবার পুরাপুরি ভাবে ফ্যান হয়ে গেলাম।
অলস, প্রতিভাবান, লেভেলহেডেড, পরিপক্ব, আবেগকে আটকে রাখা – এই শিকামারু। কিন্তু শীপুডেন-এর ৮০~ পর্বে এসে শিকামারুর সেই নাজানা দিকটাও দেখা হল। আসুমা মারা যাওয়ার সময়ের সেই তীব্র আবেগময় মুহুর্ত, অতঃপর হিদানকে মারার(আটকানোর) মুহুর্তগুলি।
ফেভারিট অ্যানিমে ক্যারেক্টার বলতে গেলে অনেক আছে – কিন্তু শিকামারু অন্য লেভেলের প্রিয়। 

নিনজা ওয়ারের প্রক্সি কমান্ডার, আর্গুয়েবলি কোনোহার সবচেয়ে বিচক্ষন শিনোবি, হোকাগে হওয়ার যোগ্য – কিন্তু শেষ পর্যন্ত হয়ত নারুতোই হোকাগে হবে। ভাল। শিকামারুদের আলোতে আসতে হয়না, কোনোহার “শ্যাডো নাইট” আড়াল থেকেই তার “কিং”-দের বাচিয়ে যাক, তাই ভাল।

নারা শিকামারু – ব্রিলিয়ান্ট বাই বার্থ, লেজি বাই চয়েস।

Shikamaru

Full Metal Alchemist & Full Metal Alchemist Brotherhood by Monirul Islam Munna

এই বুড়া বয়সে এসে, এতো দিনে Full Metal Alchemist & Full Metal Alchemist Brotherhood দেখলাম, বড়ই লজ্জার ব্যাপার 
1

এই ২টা এনিম নিয়ে এতো মাতামাতি কেন, তার ১০০% উত্তর পেলাম। নিঃসন্দেহে সেরা এনিমগুলার মধ্যে অন্যতম এই ২টা।  Action, Drama, Comedy এর কোনটার
কমতি ছিল না এই ২টা এনিমে! সাথে suspense আর twist মিলে তো ১৫০% জটিল! 

Edward(the short tempered short guy :p) , Winry (the beauty) , Al, Roy( FMAB তে এর পাওয়ার যা দেখাইসে!!! ), Riza(Roy’s soul mate ), Major Armstrong (the muscular beauty!!:v), General armstrong ( *_* )
Izumi ( only a house wife, passing by  )অসাধারণ character একটার চেয়ে অন্যটা।

One of the best part of FMAB: ‘যখন Edward, Winry কে প্রোপোজ করে, প্রোপোজ করার কি স্টাইল!!!! 

2টা এনিমের মধ্যে FMAB better কোন সন্দেহ নাই।সাথে FMAB এর ending বেশ দুঃখের কিন্তু সত্যি বলতে FMA এর ending দেখে আমার বেশী খারাপ লাগসে 

Feeling Great *_* এখন আর কোন এনিম ভালো লাগবে কিনা বুঝতেসি না

True Tears by Kazi Rafi

 

2 True Tears

“The you inside me is always crying. I wanted to wipe away your tears. But I never got to know the feeling of wiping the tears away from your soft cheeks.”

এভাবেই শুরু হয় True tears নামের রোমান্স, ড্রামা, স্কুল জেনার এর এনিমেটা। কাহিনী মূলত গড়ে উঠেছে Nakagami Shinchiro নামের এক (ইডিয়ট) ছেলে, Isurugi Noe (<3), Yusa Hiromi নামের দুটি মেয়ে আর Raigomaru আর Jibeta নামের দুইটা মুরগী কে নিয়ে !!!! কি চমকে গেলেন নিশ্চয়ই ??? চিন্তা করতেছেন যে চোখে ভুল দেখলেন কিনা ? ভাবতেছেন যে দুইটা মেয়ে আর একটা ছেলে কে নিয়ে একটা রোমান্স এনিমের মধ্যে দুইটা মুরগী আসে কোত্থেকে ??? আসে রে ভাই আসে, কিভাবে আসে সেইটা এই এনিমেটা দেখলেই বুঝবেন।
এনিমেটার কাহিনী নিয়ে বেশি কিছু বলব নাহ কারন সেটা বললে এনিমেটা দেখা শুরু করার মজা কিছুটা হলেও ফিকে হয়ে যাবে। খুবই সংক্ষেপে কাহিনী মোটামুটি হচ্ছে এই- Yusa Hiromi নামের এক মেয়ের বাবা মা রোড এক্সিডেন্টে মারা যাবার পর তাকে তাঁর বাবার এক বন্ধুর বাসায় নেওয়া হয় থাকার জন্য। সেই বন্ধুর ছেলে, Nakagami Shinchiro, পছন্দ করে Hiromi কে, কিন্তু জানে না এই ভালো লাগা আওদো পারস্পারিক কিনা, নাকি শুধুই একপেশে ! এটা মনে করার কারন, তাদের বাসায় আসার পরে হটাৎ ই কোন এক কারনে Yusa কেমন যেন বদলে যায়, হয়ে যায় কেমন যেন নির্জীব, সবসময় থাকে মনমরা হয়ে; যার কারনে Shinchiro কখনোই বুঝতে পারেনা Yusar মনের গভীরে আসলে কি চলতেছে। এমনি সময়, স্কুলে একদিন দেখা মেলে খুবই, খুবই অদ্ভুত চরিত্রের একটি মেয়ে, Isururgi Noe এর সাথে এবং সেইসাথে আবির্ভাব হয় Raigomaru আর Jibeta নামের দুই মুরগীর !!!!!! কি হয় এরপর তা জানতে আপনাকে এনিমেটা দেখা শুরু করতে হবে।

 

True Tears (Complete) (720p - BD - 70MB - Encoded)
কাহিনী সংক্ষেপ শেষে এইবার আসি গল্পের চরিত্রদের প্রসঙ্গে। এই এনিমের প্রতিটি চরিত্রের রয়েছে খুবই ভিন্ন ভিন্ন আলাদা কিছু চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য, রয়েছে তাদের নিজেদের এবং অন্যদের জীবনের উপর, দুটি মানুষের মধ্যের সম্পর্কের উপর, সেই সম্পর্ক তাদের নিজেদের এবং সেইসাথে অন্যদের কাছে কি ধরনের গহির্ত অর্থ বহন করে তাঁর উপর তাদের নিজস্ব দৃষ্টিভঙ্গি, যা আপনার প্রত্যেক সময়, প্রত্যেক চরিত্রের উপস্থিতির সময় আলাদা ভাবে দৃষ্টি কাড়বে, যা একেকজনের থেকে একেকজনকে প্রিথক ভাবে আপনাকে চরিত্রগুলকে খুব ভালভাবে চিনতে, বুঝতে সাহায্য করবে, সবমিলিয়ে যা এদেরেক দিয়েছে একধরনের জীবন্ত রুপ, যেন এটা আপনারই আশেপাশের পরিচিত কিছু মানুষের গল্প ! এতকিছুর পরে আপনার হয়তো কোন চরিত্র কে ভালো না লাগতেও পারে তাদের কিছু কিছু ক্রিয়াকলাপের কারনে আবার হয়তো আপনি এক বা একাধিক কোন চরিত্রর প্রেমেও পরে যেতে পারেন, যেটা আসলে নির্ভর করে একজনের, একেক চরিত্রের প্রতি তাঁর নিজের দৃষ্টিভঙ্গির উপর। আমার কথা জিজ্ঞেস করলে আমি বলব এই এনিমের আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্র হচ্ছে Isurugi Noe, যার ব্যক্তিত্ব, মন মানসিকতা, উদ্দেশ্য, জীবনের প্রতি তাঁর বিচিত্র দৃষ্টিভঙ্গি আমার মন কেঁড়ে নিয়েছে, নাড়া দিয়েছে মেয়েটির দুঃখ, কষ্ট আর বেদনার প্রতিটা মুহূর্ত, চোখে এনে দিয়েছে পানি, আবার সেইসাথে মনটা খুশিতে উঠেছে নেচে যখন দেখেছি মেয়েটিকে সবকিছু ভুলে হেসে উঠেছে মনকাড়া, প্রান প্রাচুর্যে ভরা এক হাশিতে !!! এবং আমি আপনাদের কথা দিতে পারি, Isurugi Noeর চরিত্রটির নতুনত্ব, তাঁর দুঃখ কষ্ট বেদনা, অভিজ্ঞতাগুলো আপনার মনকেও দিয়ে যাবে এক প্রবল আবেগের নাড়া যা আপনার মনে থাকবে অনেকদিন ।। এ তো বললাম আমার প্রিয় চরিত্রের কথা। এইবার আসি বাকি দুজন মেইন চরিত্রের ব্যাপারে। Nakagami Shinchiro আর Yusa Hiromi এদেরকে আমার চরিত্র হিসেবে খুবই দুর্বল লেগেছে। এরা দোনোজনেই এক ধরনের বিচিত্র মনস্তাত্ত্বিক জটিলতায় ভোগে যার মধ্যে Hiromir ব্যাপারটায় অউদো কিছুটা হলেও রিলেট করা গেলেও Shichiror কাহিনীটা আমার মোটেও বোধগম্য হইনি। এই ব্যাপারে আরও বিস্তারিত জানতে হলে এনিমেটা দেখতে হবে।
যাইহোক। এতক্ষন যাদের কথা বললাম এরা হচ্ছে গল্পের আসল চরিত্র দের কথা। এরা ছাড়াও রয়েছে বেশ কিছু পার্শ্ব চরিত্র যাদের তেমন খুব একটা ভুমিকা নেই গল্পে। কিন্তু এদের মধ্যেও এমন একজনের কথা না বললেই নয় যে সম্পূর্ণ তাঁর নিজে গুনে জয় করে নিবে আপনার মন, সে হচ্ছে shinchiro’র বেস্ট ফ্রেন্ড Nobuse Miyokichi। প্রথম দিকে হয়তো মনে হবে এরা আছেই শুধু মেইন চরিত্র গুলোকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য, কিন্তু এরি মাঝেও Nobuse আস্তে আস্তে ভালো লাগার একজন হয়ে উঠবে অন্যসব চরিত্রের পাশাপাশি, Shinchiroর প্রতি তাঁর বন্ধুত্তের নিদর্শন দেখে যা আপনাকে করে তুলবে বিস্মিত !!!!!
গল্পের কাহিনী এবং তাঁর চরিত্রের বর্ণনা শেষে এবার আসি এনিমের এনিমেশন আর সাউন্ড প্রসঙ্গে। True Tears ছিল এই এনিমের অন্যতম প্রডিউসার P.A. Works এর প্রথম প্রজেক্ট এবং সেই কথা মাথায় রেখে বলতেই হয় যে তারা বিরাট রকমের বিশাল এক প্রশংশার দাবীদার, এর কারন হচ্ছে এই এনিমের অপূর্ব সুন্দর এনিমেশন এবং সেইশঙ্গে অসাধারন শ্রুতিমধুর সাউন্ড এফেক্ট, যা একসঙ্গে মিলে, একেকটা বিশেষ বিশেষ মুহূর্ত আপনার ভাবাবেগের উপর যে প্রভাব ফেলবে তা বাড়িয়ে তুলবে ১০০ গুন।
পরিশেষে যেটা নিয়ে কথা বলতে চাই তা হচ্ছে, এনিমেটার এন্ডিং। এই এনিমের একমাত্র অংশ যেটা আমার মোটেও ভালো লাগেনাই; একদমই নাহ ! কিন্তু তাই বলে আপনাদের দুশ্চিন্তায় পড়ার কোনই কারন নাই, কারন আমার কাছে যেটা খারাপ লাগছে আপনাদের সেইটা খারাপ নাও লাগতে পারে, তো খামাকা আমার কথা শুনে এতো টেনশনে পড়ার দরকার নাই। এন্ডিং খারাপ হইছে নাকি ভালো হইছে সেইটা আপনারা দেখেই নাহয় বিচার করবেন, শুধু এইটাই বলব যে সবার সবকিছুর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি কখনোই এক থাকে নাহ, আমার কাছে যে জিনিসটা সুন্দর লাগবে সেইটা অন্যজনের কাছে নাও লাগতে পারে,সবটাই নির্ভর করে সম্পূর্ণ নিজের দৃষ্টিভঙ্গির উপর !!!!!!!!

এন এনিমে বের হইছে ২০০৬ সালে, মোট ১৩টা পর্ব এবং সেই সাথে একটি ৩ মিনিটের এপিলোগ যেটা আপনার দেখতে হলে ইউটিউব এ গিয়ে সার্চ দিতে হবে ‘True Tears Epilogue’ নামে; অথবা নিচের যে ডাউনলোড লিঙ্কটি দেয়া আছে তাঁর শেষ পর্বের একদম শেষে দেখেবন এপিলোগটি জোড়া লাগান আছে।
লোল !!! এখন নিশ্চয় আপনি চিন্তা করতেছেন যে ব্যাপারটা কি হইল, সবকিছু নিয়ে অনেক কথা বলা হইলেও মুরগী দুইটার ব্যাপারে কোন কিছু বলা হইল নাহ কেন ! বলি নাই, এর কারন, Raigomaru আর Jibeta এই কাহিনীর খুবই বিশাল এবং খুবই, খুবই গুরুত্বপূর্ণ দুইটা চরিত্র যাদের ব্যাপারে আমি কিছু বলে কাহিনীর সবচেয়ে অসাধারন অংশগুলির মজা নষ্ট করতে চাচ্ছি নাহ !!!!!!!!!!!!

( রিভিউ তে কোন ভুল ত্রুটি থাকলে তাঁর জন্য দুঃখিত ! দয়া করে সেটা ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন ! এবং এতো বড় একটা রিভিউ পড়ার জন্য আগাম ধন্যবাদ !!!! )

এনিম: ফুল মেটাল আলকেমিস্ট: না দেখলে পস্তাইতে পারেন by ইশতিয়াক মাহমুদ

 

অনেক দিন আগে এক বন্ধুর চাপাচাপিতে পড়ে এনিম সিরিজ ফুলমেটাল আলকেমিস্ট দিয়ে আমার এনিম এর দুনিয়াতে অনিয়মিত যাত্রা শুরু। তখন সিরিজটা সম্পুর্ন করতে পারি নাই কারন সবটা ছিল না কালেকশনে। এই কয়দিনে আবার সব ডাউনলোড করে দেখতে লাগলাম… এবং পস্তাইলাম…

এতদিন অপেক্ষা করসি ক্যান????

আরও আগে নামানো যাইতো না????

 ১

এক অদ্ভুত দুনিয়ার কাহিনী, সেখানে মানুষ বস্তুর অভ্যন্তরীন গঠন বুঝে সেটাকে নিজের ইচ্ছা মত করে পরিবর্তন করে অন্য কিছুতে রুপ দিয়ে ফেলার উপায় আবিস্কার করেছে। তবে কোন যন্ত্রের সাহায্যে না, নিজের মানসিক শক্তি ব্যবহার করে।

এলকেমিতে ভীষন মেধাবী বাচ্চা ছেলে এডওয়ার্ড এলরিক এবং অ্যালফনস এলরিক তাদের মাকে হারাবার পরে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা তাকে ফিরিয়ে আনবে মৃত্যুর ওপার থেকে। ব্যবহার করবে ভীষনভাবে নিষিদ্ধ হিউম্যান এলকেমি ব্যবহার করে।

কিন্তু তার জন্য যে মুল্য তাদের দিতে হয তা হিসেবের বাইরে… অ্যারফনস হারায় তার শরীর। সে এখন একটা ধাতব বর্মের মধ্যে আটকে থাকা এক আত্বা। এডওয়ার্ড হারায় তার হাত, পা।

কিন্তু এটাই কি সব?

এখন তারা উাপয় খুজে বেড়ায় এমন এক এলকিমিক পদ্ধতি যেটা ব্যবহার করে তারা অ্যালফসন এর জন্য একটা মানবিক শরীর তৈরি করতে পারবে। এডওয়ার্ড এর জন্য তৈরি করতে পারবে সত্যিকারের হাত এবং পা।

এই লক্ষে তারা এগিয়ে যায় এবং এক এক করে সবার সামনে উন্মোচিত হতে থাকে এলকিমিকি দুনিয়ার অসাধারন সব রহস্য…..

এনিম হিসেবে যথারীতি যথেষ্ট পরিমানে চেচামেচি আছে। চোখ দিয়ে কান্নার পানি নদীর মত বয়ে যাওয়া কিংবা মানুষজন সেই পারি বন্যায় ভেসে যাওয়া কিংবা রাগে সারা শরীরে আগুন ধরে যাওয়া.. অথবা ভয়ে সাদা হয়ে যাওয়া…

তবে সিরিয়াস মুহুর্ত গুলো সত্যিই ভীষন সিরিয়াস করে বানিয়েছে… আর কাহিনীর বুনন চমৎকার।

Black Lagoon: Roberta’s Blood Trail – by Tariqul Islam Ponir

3 Black Lagoon - Roberta’s Blood Trail
Revi: Hey chniglish. Want a job? You get to kill a whole lot of dipshits.
Shenhua: I’ll be happy to skin you for free, slut.
Revi: Jesus, what’s with the attitude.

Black Lagoon: Roberta’s Blood Trail দেখলাম। যদিও দুইবছর আগের টাইটেল কিন্তু ইংলিশ ডাব এর জন্য ওয়েট করাতে এত দেরি হল দেখতে।

আগের সিজনের মত অস্থির ডায়ালগ বেশ কম। রক এর ক্যার‍্যাক্টার এ যে চেঞ্জটা এনেছে সেটাও বেশ মজাদার। এইভাবে চলতে থাকলে মনে হয় সিরিজটাকে আরো অনেকদূর নেয়া সম্ভব। আর একটা দিক, রবার্টা মনে হয় আর কখনোই আসবে না সিরিজটাতে, তার গল্পের এখানেই সমাপ্তি। অবশ্য আমি প্রথম সিজনের কিডন্যাপিকং আর্ক এর পরই এই ক্যার‍্যাক্টার আবার আসবে এটা আশা করলেও এভাবে আসবে ভাবি নাই।

তবে, আগের দুইটা সিজনই রোজার মধ্যে দেখার উপযোগী না (Don’t get me wrong. শুধুমাত্র গালাগালির কারনে) আর এই সিজন এসেছে ওভিএ ফরম্যাট এ। তো বুঝতেই পারছেন!! তবে টু বি অনেস্ট, FLCL এর পর একমাত্র এই ওভিএটাকেই আমি রেকমেন্ডেবল বলতে পারি (And yes, I have watched Hellsing Ultimate) কমিক রিলিফগুলো আগেরবারের মতই সুন্দর করে করা হয়েছে। এবং ফাইটিং অবশ্যই অভার দা টপ এন্ড অফ কোর্স লজিকলেস। আমি যখন প্রথম সিজন দেখেছিলা তখন অনেক লজিক খুজেছিলাম সিরিজটাতে, সেকেন্ড সিজনে এসে বাদ দিয়ে দিয়েছি আর মজা পেয়েছি +_+  তবে এই আর্কে মজাও সেই তুলনায় কম। কিন্তু চলে।

প্রথম তিন পর্বে রবার্টার হার্ডকোর পার্ফর্মেন্স এর পর পঞ্চম পর্বে আবার মেইড আউটফিটে আসা তা খুব একটা ভালো লাগে নাই। ফ্যান সার্ভিস ফ্যান সার্ভিস মনে হইসে। T_T

আর ডাবটার ব্যাপারটা বলতেই হয়। আমি বেশিরভাগ সময়ই ডাব দেখার পর সাব টা চালু করে দেখি (ডুয়াল অডিও এনকোড আরকি )। এটার জাপানিজ অডিওটাতে দেখলাম লাভলেস ফ্যামিলি এর আরেক পিচ্চি মেইড ফ্যাবিওলাকে ‘শ্রিম্প’ বলে ডাকে পুরা এনিমেতে। কিন্তু ইংলিশটা বলেছে Minimaid যা চরম হাসির, অন্যদিকে Shenhua কে জাপানিজ ভার্সনে Revi তার নাম ধরে ডাকলেও এখানে দেকেছে Chinglish (Cninese+English) হিসাবে। আর রেভির ডায়ালগ ডেলিভারি দেখলে অনেকটা টারান্টিনো আর গাই রিচি এর ফিল্মে বিভিন্ন গ্যাংস্টার এর ডায়ালগ ডেলিভারি এর কথা মনে পরে। হুইচ ইজ অসাম। আফটার অল, ইটজ অল এবাউট ডায়ালগস। 

“I appreciate the help. But after all these is finished and my hunt is complete, I’ll reward you with a painless death.”

 

সিজন ১ আর ২ ডাউনলোড করতে পারেন।

Click This Link

নতুন জগৎ Anime: Deathnote– আসিফুল হক

যারা সাধারনতএনিম দেখে তাদের মধ্যে এনিম নিয়ে প্যাশনটা মনে হয় খানিক বেশিই থাকে; এই প্যাশনের বহিঃপ্রকাশ কেউ ঘটায় দিনের পর দিন সারাদিন এনিম দেখে পার করে (যেমন আমি); কেউ বেশ ভাল টাকা পয়সা খরচ করে কস্প্লে করে; ছবি একে; রিভিউ লিখে; বিভিন্ন এনিম ফোরামে আড্ডা দিয়ে তর্ক করে – নানাভাবে। আজকে একটা বেশ মজার জিনিস দেখলাম। আমার পরিচিত একজনের একটা অভ্যাস হল এনিম দেখে মাঝে মাঝে তা নিয়ে কবিতা লেখা !!! সিরিয়াসলি; এনিম নিয়ে কবিতা – আইডিয়াটা কখনই আমার মাথায় আসে নি !!!! এবং জিনিসটা দেইখা বেশ ভাল লাগসে। যাই হোক; উনার অনুমতিক্রমে একটা কবিতা প্রকাশ করছি; যারা এনিম দেখেন না তারাও অনেকে ডেথ নোট দেখেছেন বা অন্তত এর সাথে পরিচিও; কবিতাটা সেই ডেথ নোট নিয়ে লেখা   –

নতুন জগৎ
Anime: Deathnote

বিস্তৃত আধারে দাঁড়িয়ে আমি

করেছি শপথ বিদ্রোহের পথে,

তাই আমি দেব না তোমায়

আমাকে বাধা দিতে।

আর দরজার ওপাশের আলো

বলছে যে ভবিষ্যতের কথা,

আমি সত্য করব

সেই সুপ্ত স্বপ্নকে।

যে সমাপ্তি সবাই চায়

কোন একদিন আমি দেখাব তোমায়

এক নতুন ও উজ্জ্বল জগৎ

বাস্তবতার প্রাচীরে দাঁড়িয়ে

আমি করেছি প্রতিজ্ঞা অসম্ভবের পথে,

তাই আমি দেব না তোমায়

আমাকে বাধা দিতে।

আর যে দুঃস্বপ্নে তোমরা

আছ,মায়াজালকে জড়িয়ে

আলোকিত করব আমি অন্ধকার,

কারণ আমিই একমাত্র যে

হয়তো মানবতা

ও মনুষ্যত্ত্বকে বিসজর্ন দিয়ে,

কোন একদিন আমি দেখাব তোমায়

পুরাতন রিভিউঃ

কার্টুন হলেই যে পোলাপানের দেখার জিনিস হবে তা ভুল প্রমান করার জন্য এই “Death Note” -ই যথেষ্ট।
৩৭ পর্বের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ এটি। Genre হিসেবে “Death Note” কে বলা যায় Thriller, Mystery আর Supernatural অপূর্ব সংমিশ্রণ।
আমার ভাষায় “Death Note” হল হালকা Mystery ও Supernatural এর সংমিশ্রণে দুর্দান্ত এক Thriller!

 

কার্টুনটির প্রধান দুই চরিত্র হল লাইট ইয়াগামি এবং L (এল)। মূলত এদের দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বন্ধুত্ব, শত্রুতা, প্রতিযোগিতা নিয়েই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। এদের সবধরনের অনুভূতি এখানে খুব শক্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
লাইট ইয়াগামি হচ্ছে খুবই Smart, Talented, বুদ্ধিমান, সুদর্শন এক জাপানি ছাত্র যাকে বলা যায় one of the Japan’s Brightest!

 

লাইট অন্যদের চেয়ে এতই এগিয়ে থাকে যে বাকি সবাই কে তার মনে হয় Boring আর Rotten! সে চায় অনেক বড় কোন পরিবর্তন। এক সময় সে হাতে পায় এই রকম একটি Note-Book যাতে যার নামই লেখা হবে সে মারা যাবে! এখন প্রশ্ন হচ্ছে লাইটের মতো Smart – বুদ্ধিমান ছেলে সেই Note Book দিয়ে কি করে?
অপরদিকে L হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা। কঠিন কঠিন সব কেস এর সমাধান সে করেছে কিন্তু কেউই তার আসল পরিচয় জানেনা।

 

L-ও চরম বুদ্ধিমান এবং সবার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। L কে মুখমুখি হতে হয় লাইটের যার কাছে রয়েছে একটি Death-Note। “জোকারের” ভাষায় একে বলা যায় “An unmovable object is on the way of an unstoppable force!”
যাই হোক রিভিউ লেখাটা মূল আকর্ষণের ধারেকাছেও যায় নি। অনেকে হয়তো রিভিউ পড়ে কার্টুনটি দেখার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হবেন/:)। ভুলেও এই রিভিউ পড়ে “Death Note” কে ভুল ভাবে নিবেন না! আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি প্রথম দুই পর্ব দেখার পর পুরো ৩৭ পর্ব শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। কাহিনীর Climax- Anti-climax অসাধারণ। উপস্থাপন, সংলাপ, সাস্পেন্স…

অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ!!!

IMDb তে Death Note এর রেটিং হল ৯.১। আমি একে ১০ এ ৯.৮ দেবো! :)

টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিঙ্কও দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এক্ষেত্রে একেকটি পর্বের সাইজই হয়ে যাবে ২৪০ মেগা এর মতো। যেখানে টরেন্টে মাত্র ৬০-৬৫ মেগা/পর্ব! তাই টরেন্ট থেকে নামানোই উত্তম! B-)

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক

এখনও না দেখে থাকলে নামিয়ে দেখা শুরু করুন। আশা করি নিরাশ হবেন না! :)

 

KenIchi the Mightiest Disciple by Shafiul Munir

Watch KenIchi the Mightiest Disciple online
“বছরদুয়েক আগে কেনিচি দেখেছিলাম, তখন মনে হয় ভালই লেগেছিল, এখন আবার দেখতে গিয়ে ফিল করছি কি পরিমাণ অসাম এই জিনিসটা, অনেক পুরনো এনিমে, এই গ্রুপের প্রায় সবাই হয়ত দেখে ফেলেছেন, তবে যারা দেখেননি তাদের অবশ্যই দেখা উচিত, ফিস্ট ফাইটিং, মার্শাল আর্ট বেইসড, অনেক হিউমার আছে, ডায়লগ, কন্সেপ্ট খুব ই ভালো, কাহিনীও আছে। 
কাহিনীটা এক হাইস্কুলের ফ্রেশম্যান কেনিচিকে নিয়ে, সব বিষয়েই যার ভয় আর দূর্বলতা, কেনিচি এই দূর্বলতা আর দূর্নাম কাটিয়ে উঠতে যোগ দেয় কারাতে ক্লাবে শুধু আরো অপদস্থ হবার জন্য, ঘটনাক্রমে সে মিও নামের এক মেয়ের সাথে পরিচিত হয় আর যোগ দেয় এক রহস্যময় ডোজোতে ( কারাতে শিক্ষাকেন্দ্র) যেখানকার মানুষগুলো অদ্ভুত আর অবিশ্বাস্য রকম শক্তিশালী, তারপর থেকে কেনিচির জীবন পালটে যেতে থাকে একদমই। 
কোনরকম ট্যালেন্ট কিংবা ন্যাচারাল ইন্সটিংক্ট ছাড়া শুধু কঠোর পরিশ্রম আর দৃঢ় মনোবল দিয়ে যে প্রতিকূলতাকে জয় করা যায় তার জলজ্যান্ত প্রমাণ কেনিচি।
মাত্র ৫০ এপিসোডেই সমাপ্ত এনিমেটি দেখলে সবারই আফসোস হবে কেন আরো বানানো হলো না। মাঙ্গায় কাহিনী এগিয়ে চলছে বহুদূর, তবে সেটা এনিমে সিরিজের মত মজাদার নয়। এখনো মাঝে মাঝে আশা জাগে হয়ত কখনো এই সিরিজের দ্বিতীয় সিজনটা দেখতে পাব।

Basilisk – Manga review by Farhad Mohsin

আজকে সকালে বাসিলিস্ক(Basilisk) পড়া শুরু করেছি। দিনে বেশ কয়েকবার ঘণ্টাখানিক করে ব্রেক দিয়ে একটু আগে শেষ করলাম। আর্টওয়ার্ক খুব বেশিই ভালো লাগসে। যথেষ্ট গোর, ভায়োলেন্স, নিউডিটি ইত্যাদি আছে। যাদের এসবে অ্যালার্জি আছে দূরে থাকতে পারেন।
যেভাবে শুরু হয়, আর যেহেতু জানতাম ৩৪ ইস্যুতে শেষ হয়ে যাবে, এন্ডিং কিরকম হবে সে সম্বন্ধেও আইডিয়া করা যায় আসলে। কাহিনীর শুরু এমন অনেকটা, এক রাজ-পরিবার টাইপের কিছুর উত্তারাধিকার নির্ধারণ করার জন্য দুইটি নিনজা ক্ল্যানের সদস্যদের মধ্যে লড়াই শুরু করা হয়। দুই ক্ল্যান থেকেই দশজন করে ঠিক করা হয়, যারা লড়াই করবে। শেষমেশ যারা জয়ী হবে তার উপর নির্ভর করছে উত্তরাধিকার।
ভালো লাগার মূল কারণ , এই যে এখানে বিশজন লড়াই করছে, প্রত্যেকের আলাদা আলাদা স্কিল আছে। যারা নারুতো’র সাথে পরিচিত তাদের হয়ত বিভিন্ন Kekkei Genkai’র কথা মনে পড়বে। এদের মধ্যে বিভিন্ন পারমুট্যেশন-কম্বিনেশনে লড়াই হয় বেশ কয়েকটা। কিছু friendly fire ধরণেরও হয় এক-দুইবার।
প্রত্যেকটা লড়াইই যথেষ্ট ভালো। অনেকগুলোতেই বেশ ভালো টুইস্ট আছে। প্রায় সবার সামর্থ্যকে বেশ সুন্দরভাবে ইউটিলাইজ করা হয়েছে। শুধু জ্ঞাতি-গোষ্ঠীগত মারামারি না রেখে অনেক ক্ষেত্রে personal stakes যোগ করা হয়েছে। ব্যাপারটা ভালোই হয়েছে বলব। ওভারালি এক টানে পড়ে ফেলার জন্য বেশ ভালো একটা মাঙ্গা।
আরেকটা জিনিস বলতে ভুলে গেছিলাম। বাসিলিস্কে কখনোই ঠিক এক দুইজন ক্যারেক্টারের উপর ফোকাস করে থাকা যায় না। বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ক্যারেক্টার ফোকাসে আসে। এইটা ভাল্লাগসে।
এইটার এনিমে’ও আছে। আমি নিজে যদিও দেখি নাই, ভালো না হওয়ার কোন কারণ দেখি না।