মুভি রিভিউ: Kiki’s Delivery Service (কিকির পরিবহন সেবা) — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

সবার এনিমের টেস্ট এক না , কেউ একশান , কেউ রহস্য এবং কেউবা রোমান্স । কিন্তু অনেকসময় টানা একটাইপের কিছু দেখতে দেখতে ক্লান্তি বা বিরক্তি আসতে পারে । তখন টেস্ট পরিবর্তন করার জন্য এমন কিছু চাই যা মনকে ফ্রেশ করে দেবে এবং মনের স্ট্রেস দূর করে দেবে এবং আপনাকে কয়েকদিনের জন্য মুগ্দ্ধ করে রাখবে !!!? এবং সে কাজ করতে পারে গিবলি স্টুডিওর মুভি । এই লেজেন্ডারি স্টুডিওর সৃষ্ট অন্যতম এক মাস্টারপিস হচ্ছে কিকির ডেলভারি সার্ভিস ! অসাধারন এই মুভি অতিরিক্ত আবেগ বা ফ্ল্যাশি কোন কিছু না দেখিয়েই সিম্পল স্টোরিলাইন দিয়ে আপনাকে মুগ্দ্ধ করে দেবে !!!

Kiki 1
কাহিনী : এই মুভির প্রধান চরিত্র হল কিকি , এবং সে একজন ডাইনী । এখন ডাইনী বললেই রুপকথার যে বিদঘুটে ডাইনির কথা মনে আসে কিন্তু এখানে তা উল্টো । কিকি যে রিয়েলিটির বাসিন্দা , সেখানে ডাক্তার , ইন্জিনিয়ারের মত ডাইনীবিদ্যা বা উইচক্রাফর্ট একটা সাধারণ জিনিস । কোন ডাইনীর ১৩বছর পূর্ণ হলে তাকে একলা একবছরের ট্রেইনিং এর জন্য তাকে বাইরে যেতে হয় এবং কিকি সে বয়স এ পৌছেছে । কিকির মাও একজন ডাইনী যদিও বাবা মানুষ । কিকি ১৩বছরে পৌছেই ট্রেনিং এবং বাইরের দুনিয়াকে জানা দেখার জন্য বেরিয়ে পড়ে তার ছিমছাম গ্রামের সকলের কাছ খেকে বিদায় নিয়ে এবং তার সঙ্গী হল পোষা বিড়াল জিজি এবং বাবার রেডিও । পথে নানা ঝামেলায় পড়ে এবং তা এড়িয়ে সে পৌছায় এক ব্যাস্ত শহরে । কিকি যদিও প্রথমে অনেক উত্‍সাহি থাকে নতুন জায়গায় আসার থ্রিলে । কিন্তু শহরের ব্যাস্ত মানুষদের উপেক্ষা কিকির জন্য প্রথমে কষ্টকর হয়ে দাড়ায় । কিন্তু পরে এক দয়ালু ম্হিলা ওসোনোর সাথে পরিচয় হয় যে একটি বেকারী চালায় । ওসোনো তাকে আশ্রয় দেয় এবং সেই সাথে কিকি সেখানে তার উড়ার ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে ডেলিভারি সার্ভিসের ব্যাবসাও শুরু করে । প্রথম ডেলিভারিতেই বেশ ঝামেলায় পড়ে কিন্তু ঠিকই উত্‍রে যায় । এভাবে শুরু হয় কিকির শহরে জীবন ।সেখানে তার পরিচয় হয় টমবোর সাথে যে আপাতদৃষ্টিতে কিকির উপর ছোটখাট ক্রাশ খাওয়া , উরসুলা নামক এক মেয়ে যে একজন মেধাবী আর্টিস্ট আরও অনেক ভালো মন্দ চরিত্র । কিকি কি পারবে নির্বীন্ঘে তার ডেলিভারী সার্ভিস চালু রাখতে ? তাহলে সময় থাকলে দেখে ফেলুন কিকির ডেলিভারী সার্ভিস !!
এর সাউন্ডট্র্যাক খুবই সুন্দর ।এর ল্যান্ডস্কেপ আর্ট অতিরিক্ত সুন্দর । এটার সাব এবং ডাব দুটোই অস্থির যদিও আমার কাছে ডাব বেশি ভালো লেগেছে । এই মুভিতে যদিও মাথা ঘুরিয়ে দেবার মতো প্লট নেই কিন্তু এটা দেখার পর এর রেশ ছুটাতে আপনাকে অনেক বেগ পেতে হবে !!!
আমার রেটিং : ৮.৫/১০ ।

Download link: http://www.animeout.com/majo-no-takkyuubin/

Watch online: https://kissanime.to/Anime/Kiki-s-Delivery-Service-Dub/Movie?id=49370

Kiki 2

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৫৫ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৫৫ তম লেসন

**(অনেক দিন দেয়া হয়না…মাসখানেক পর আবার ফেরত আসছি :3  ..আজকের লেসন পড়ার আগে অবশ্যই অবশ্যই আগের লেসন পড়ে আসতে হবে…না হলে বুঝতে কষ্ট হবে..)

 

আজকে আগের লেসনের “নাকেরেবা নারিমাসেন” কন্টিনিউ করব… আগের লেসনের অল্প একটু শিখান হয়েছিল এটা নিয়ে …আজকের লেসনের আরো কিছু উদাহরণ দেয়া হবে..

আগের লেসনে একটা Type 1 verb দিয়ে একটা উদাহরণ দিয়েছিলাম…আজকে Type 2 আর Type 3 এর verb দিয়ে উদাহরণ দিব..

 

১মে একটা Type 2 verb নেই …miru- see …

এর masu form-mimasu..(masu form হল polite form)

nai form-minai.. (nai form হল negetive form)

“minakereba narimasen” মানে হল “must watch”

 

এবার একটা sentence দিয়ে বুঝাই…”কোনো এইগা ও মিনাকেরেবা নারিমাসেন-i must watch this movie” ..(কোনো এইগা-this movie)

 

এবার একটা Type 3 verb নেই..suru-do

masu form-shimasu (masu form হল polite)

nai form-shinai (negetive form)

“shinakereba narimasen” মানে “must do”

 

এবার একটা sentence লিখি..”শুকুদাই ও শিনাকেরেবা নারিমাসেন-i must do homework”… (homework এর জাপানিজ শুকুদাই)

এভাবে আমরা সকল ভার্বকে “nai form”এ নিয়ে গিয়ে “নাকেরেবা নারিমাসেন” লাগাতে পারি… তখন সেটার ইংরেজি করলে সে ভার্বের আগে “must” লাগাতে হয়.. মানে হল যখন কোন কিছু আমরা না করে থাকতে পারি না তখন “নাকেরেবা নারিমাসেন” ব্যবহার করা হয়..

আজকে এতটুকুই থাক..নেক্সট কোনদিন নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব..মাতা নে..:)

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩১তম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “egg” (ডিম) এর কানজি … উচ্চারণ হল “তামাগো/রান”

tamago

“তামাগো” মানে হইল “ডিম”…”ইউদে তামাগো” মানে হল “boiled egg”
“নামা তামাগো”-“raw egg”…
এসব ক্ষেত্রে “তামাগো” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

রানশি-egg cell…(egg আর children এর কানজি পাশাপাশি বসে)
রান ঔ -yolk..রান সৌ-ovary…সান রান-laying egg..
এসব ক্ষেত্রে “রান” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

নিচে ডিমের কানজির ছবি দেয়া হল.. দেখতে খুব একটা জটিল না… আজকে এটুকুই..মাতা নে

মাঙ্গা রিভিউ:GOTH — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

আমরা যারা হরর জানরার ভক্ত , তাদের কাছে ভূত বা অশিরীরি কোন সত্ত্বার ভৌতিক কাহিনীর চেয়ে সাইকোপ্যাথখুনিদের আবেদন বেশি । কেননা সাইকো কিলাররা হয় চতুর এবং টর্চার ও মার্ডারিংকে এরা শৈল্পিক পর্যায়ে নিয়ে যায় । এইরকম কিছু সাইকোপ্যাথদের ছোট ছোট গল্প নিয়েই ওতসুচির ৫চ্যাপ্টারের মাঙ্গা Goth .
এই গল্পের প্রধান চরিত্র কামিইয়ামা ইতসুকি যে গম্ভীর এবং বুদ্ধিমান হাইস্কুল বালক । এখন আবার ভেবে বসবেন না যে এ গড়পড়তা নায়ক ডিটেকটিভ ! সে হল স্বয়ং একজন স্যাডিসটিক সাইকোপ্যাথ এবং তার আনন্দের প্রধান উত্‍স সাইকোপ্যাথ মার্ডারের কেস স্টাডি । এবং তার সঙ্গী হল অনেকটা তার মতই পারসোনালিটি যুক্ত গম্ভীর বালিকা মরিনো ইয়ুরু এবং একইসাথে সে সাইকোপ্যাথদের জন্য ম্যাগনেটের মতো । এই ইয়ুরুর সুন্দর সাদা হাত পরোক্ষভাবে সংগ্রহ করতে গিয়ে ইতসুকি ব্যার্থ হয় এবং পরে মরিনোর সাথে ভাব জমায় ।তারা ২জনে মিলে নিছক আগ্রহ এবং আনন্দের জন্য আশেপাশের সাইকোপ্যাথদের খুজে বের করতে থাকে এবং একইসাথে তাদের অতীতের কিছু রহস্য তাদের সামনে চলে আসে ।
মাত্র ৫চ্যাপ্টারের এই মাঙ্গা সময় থাকলে পড়া শুরু করে দিন । রহস্য ও হররের মিশেল আপনাদের অবশ্যই ভালো লাগবে !!
আমার রেটিং : ৮/১০

Goth

মাঙ্গা রিভিউঃ Pandora Hearts — Rezo D. Skylight

Pandora Hearts

Volumes: 24
Chapters: 107
Status: Finished
Published: May 18, 2006 to Mar 18, 2015
Genres: Adventure, Fantasy, Shounen, Supernatural
Authors: Mochizuki, Jun
MAL Score: 8.69
Ranked: 52

Pandora Hearts

“Instead of sighing about the past, I’d rather be happy to face the present.” – Oz Vessalius

“Don’t try to excuse yourself by saying you’re doing it for someone else’s sake.” – Xerxes Break

এতদিন যতই মাঙ্গা পড়েছি না কেন Pandora Hearts এর মতো মাঙ্গা এখন পর্যন্ত আর পাইনি। আমার কাছে Pandora Hearts মাস্টারপিস। কেননা এই একমাত্র মাঙ্গা যার কাহিনী কোনভাবেই প্রেডিক্ট করা সম্ভব নয়। কাহিনী যে কোনদিক থেকে কোনদিকে মোড় নিবে তা বুঝাই মুশকিল। এখন মূল কথায় আসি।

Pandora Hearts এর প্লট রচিত হয়েছে ভিক্টোরিয়ান যুগে ইউরোপিয়ান সেটিংসের এক কাল্পনিক দেশে। যেই দেশের শাসন ক্ষমতা মূলত নিয়ন্ত্রণ করে প্যান্ডরা নামের এক সঙ্ঘটন। আর প্যান্ডরার সকল কর্মকাণ্ড নিয়ন্ত্রণ করে সেই দেশের বড় বড় চারটি রাজপরিবার। সেইরকম একটি সম্ভ্রান্ত রাজপরিবার হল ‘Vessalius Family’। এই পরিবারের সবচেয়ে জ্যেষ্ঠ পুত্রের নাম হল ‘Oz Vessalius’। অজের বয়স যখন পনেরোর ঘরে তখন সেই দেশের রীতি অনুযায়ী ‘Coming of age ceremony’ নামের এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। যে অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অজকে পরিবারের পরবর্তী শাসক হিসেবে স্বীকৃত করা হয়। কিন্তু সেই অনুষ্ঠানের দিনই নতুন এক ট্রাজেডির সৃষ্টি হয়। কিছু গুপ্তঘাতক এসে সবাইকে হত্যা করা শুরু করে আর অজকে মৃত্যুর দুয়ারে দাড়া করিয়ে তারা বলে ‘Your sin is your existence.’। অজ কি পারবে এই মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচতে? সে কি জানতে পারবে তার সিন কি? জানতে হলে মাঙ্গাটা পড়ুন।

অনেক মাঙ্গারই শুরুর কাহিনী দেখে আসলে কাহিনীর গভীরতাটুকু কেমন তা বুঝা যায় না। একইভাবে প্যান্ডরার কাহিনীর গভীরতাও ঠিক প্রথম প্রথম বুঝা যাবে না। মাঙ্গার প্রথম দিকটা কিছুটা লাইট-হার্টেড, তবে কাহিনী আগানোর সাথে সাথে আরও ডার্ক হতে শুরু করে। এই মাঙ্গায় বেশ ভাল পরিমাণে মিষ্টেরি রয়েছে। তবে প্রথমে এত মিষ্টেরি দেখে কিছুটা বোরিং লাগতে পারে। কিন্তুু যখন এক একটা টুইস্ট এসে সামনে হাজির হবে ঠিক তখনই প্যান্ডরার কাহিনী অসাধরণ লাগবে। মূলত প্যান্ডরার টুইস্টগুলোই প্যান্ডরার সবচেয়ে উপভজ্ঞ বিষয়।

প্যান্ডরা হার্টসের যে জিনিসটি আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে তা হল এর গল্প উপস্থাপন করার কৌশল। প্যান্ডরার মাঙ্গা পড়ার সময় মাথায় নানা ধরণের প্রশ্ন এসে হাজির হতে পারে। কিন্তুু মজার ব্যাপার হল প্যান্ডরার মাঙ্গা পড়তে পড়তেই নিজের অজান্তেই সব প্রশ্নের উত্তর পেয়ে জাবেন; যা অনেকটা পাজেলের মতো। এর আরেকটা প্লাস পয়েন্ট হল এতে কোন ধরণের প্লট হোলের উপস্থিতি নেই। আবার এর মতো এত বিশাল কাস্টের ক্যারেক্টার খুব কম মাঙ্গাতেই আছে। কিন্তুু প্রতিটি ক্যারেক্টারই ইউনিক আর ইন্টারেস্টিং। তবে আমার সবচেয়ে ফেভরাইট ক্যারেক্টার হল Xerxes Break।

প্যান্ডরা হার্টসের মাঙ্গায় এলিস ইন ওন্ডারল্যান্ডের অনেক রেফারেন্স আছে। মনে হয় মাঙ্গাকা জুন ফেইরিটেলের খুব ভক্ত ছিল। এজন্যই তার মাঙ্গায় এলিস ইন অন্ডারল্যান্ডের অনেক এলিমেন্ট ব্যাবহার করেছে। আর প্যান্ডরার ক্যারেক্টার ডিজাইন বেশ সুন্দর, আর্টও যথেষ্ট ভালো।

যারা প্যান্ডরা হার্টসের এনিমে দেখেছেন তারা চ্যাপ্টার ৩৩ থেকে পড়া শুরু করতে পারেন। আরেকটা কথা, এনিমের লাস্ট কয়েক এপিসোডের সাথে মাঙ্গার কোনই মিল নেই। আর কেউ যদি ক্লাম্পের Tsubasa: RESERVoir CHRoNiCLE মাঙ্গার ভক্ত হয়ে থাকেন এবং এ ধরণের মাঙ্গা খুঁজছেন তারা Pandora Hearts এর মাঙ্গা পড়ে দেখতে পারেন। কারণ এই দুই মাঙ্গার মধ্যে যথেষ্ট মিল রয়েছে।

আশা করি রিভিউটি পড়ে ভাল লেগেছে এবং আপনারা হাতে সময় নিয়ে Pandora Hearts এর মাঙ্গাটি পড়ে দেখবেন। পরিশেষে আমি এইটুকু বলতে পারি, আপনি যদি পুরো মাঙ্গাটা পড়ে শেষ করেন তাহলে Pandora Hearts নিশ্চয়ই আপনার অন্যতম পছন্দের মাঙ্গার তালিকায় স্থান পাবে।

আমার রেটিং – ১০/১০

আনিমে রিভিউ: Nazo no kanojo X / Mysterious Girlfriend X — Maisha Musarrat Ahmed

Nazo no kanojo X / Mysterious girlfriend X
সোজা বাংলায় একটি মিষ্টি প্রেমের কাহিনী 🙂

kanojo 2

কাহিনী : কাহিনী খুবই সাধারণ ..এক দেশে (অবশ্যই জাপান) ছিল একটি ছেলে (সুবাকি) আর একটি মেয়ে (উরাবে) … তাদের পরিচয় , ভালোলাগা , ভালবাসা ..এই নিয়েই কাহিনী…খালি একটাই টুইস্ট .. সুবাকির হৃদয়ে উরাবের জন্য ভালোলাগার সূত্রপাত হয় উরাবের ডেস্কে লেগে থাকা লালার(!!) স্বাদ গ্রহনের মাধ্যমে ….(disgusting.. I know )
যারা এটুকু দেখেই আনিমেটি ড্রপ করার চিন্তাভাবনা করছেন তাদের বলব “বিরাট বড় ভুল করতে যাচ্ছেন আপনি”…মানছি এটা একটা ভয়ংকর রকমের অকওয়ার্ড আনিমে..কিন্তু সম্পর্কের মৌলিক ব্যাপার যেমন ধৈর্য্য ,পারস্পরিক বোঝাপড়া , বিশ্বাস ..এই ব্যাপারগুলোই কিন্তু এখানে দেখানো হয়েছে.. এবং আমার মতে অনেক সৌজো এনিমের (ex:say I love you) চেয়েও ভালোভাবে দেখানো হয়েছে ^_^

আনিমের মিউজিক , অ্যানিমেশন , ব্লা ব্লা ব্লা সবই ডিসেন্ট.. ভালো লাগার মত।স্পেশালি বলতে হয় ভয়েস অ্যাক্টরদের কথা। যদিও চিনি না..তবুও বলব…উরাবের সেইয়ু কে আমার বেশ ভাল্লাগছে .. 🙂

মতামত : আনিমে ৯৯% ভালো …
..শুধু লালা সংক্রান্ত ব্যাপারগুলোর সাথে মানিয়ে নিতে পারলে আপনার জন্য বেশ উপোভোগ্য হতে পারে আনিমেটি।

তো ঘেন্না নামক বস্তুটিকে কিছুক্ষণের জন্য বিদায় দিয়ে বসে পরুন মাত্র ১৩ পর্বের আনিমেটি নিয়ে। and trust me…its worth every bit of your time.

kanojo 1

 

অনন্য মাঙ্গা আসর — ৩ (Our Happy Hours)

জীবনে মানুষ যখন চলে যায় মধ্যবয়সে তখন চাওয়া পাওয়ার হিসেব করতে শুরু করে সবাই। কিন্তু যাদের জীবনটা এতটা স্বাভাবিক নয়,তাদের গল্পটা কেমন? তা আড়ালে থেকে যায় । অনিয়মিত “অনন্য মাঙ্গা আসরে” আরেকবার স্বাগতম । জানি অনেকেই ভুলেও গেছেন সেগমেন্টটার কথা । আজকেও আয়তনে অতি ছোট এক মাঙ্গা নিয়ে কথা বল্ব।বিখ্যাত কোরিয়ান লেখিকা Gong Ji-Young এর লেখা উপন্যাস “Our Happy Hours” এর জাপানি অনুবাদ করেন হাইসুকে কারোউ । আর সেই অনূদিত উপন্যাসের সারমর্ম রূপে মাঙ্গা অঙ্কনের কাজ করেন সাহারা মিজু । MAL এ গিয়ে মাঙ্গা টপ  সাজেশনের মধ্যে “Watashitachi no Shiawase na Jikan” নামে একটা মাঙ্গা খুঁজে পাবেন । বলছি সেই মাঙ্গার কথাই।

দৃশ্যপট

একবার নয়,দুবার নয়,তিন তিন বার সুইসাইড করার চেষ্টা করেও মরতে পারেননি জুরি মুতোউ । জীবনের প্রতি ঘেন্না চলে এসেছিল । কিন্ত কেন?……………………………

একজন বা দুজন নয়,তিন তিন জন জলজ্যান্ত মানুষকে খুন করেছে ইউ। আর এজন্য সে আফসোসও করে না বিন্দুমাত্র । কিন্ত কেন?…………………………………

কি হয়েছিল তাদের জীবনে ,তা নিয়েই শুরু হয় গল্পের । সিস্টার মনিকার সাহচর্যে কারগারে ইউউ এর কাউন্সেলিং এর দায়িত্ব পায় জুরি । কিন্ত যে নিজেই জীবনকে গলা টিপে নিঃশেষ করে দিতে চেয়েছিল সে একজন খুনিকে কিভাবে জীবন চেনাবে ??

মনে জমে থাকা কষ্ট আছে দুজনেরই , যেন একে অন্যের প্রতিবিম্ব …………

এই সুবাদে ইউউ আর জুরি এর প্রতি  বৃহস্পতিবার দেখা হত। ছিন্ন ভিন্ন কিছু কথা আর অনুভূতি ভাগাভাগি আর কি………………

safe_image

জনরা

রোমান্স, মিউজিক, সাইকোলজিক্যাল, ড্রামা, সেইনেন ।

কেন পড়বেন

খুদে হলেও মাঙ্গাটি ব্যাপক প্রশংসার দাবিদার । জীবন নিয়ে ধারণাই পাল্টে দেওয়ার মত মোটিভেটিভ এটি । তবে আবেগের জায়গা আছে ব্যাপক । আপনি যদি এটাকে শোউজো স্টাইলের রোমান্স মনে করে থাকেন তবে বড় ভুল করবেন। রোমান্টিক হলেও মনে রেখাপাত করার মত ।কারণ অনেকেই একটানা মাঙ্গা পড়তে পছন্দ করেন না । কিন্তু আয়তন ছোট হওয়ায় পড়তে কোন বাঁধা নেই। তবে এন্ডিং কেমন সেটা না হয় পাঠকদের জন্যই থাকুক………

আর্টওয়ার্ক

আঁকা ব্যতিক্রমী না হলেও খারাপ নয়। মানে আঁকা খুব বেশি দৃষ্টিনন্দন না হলেও একেবারে খ্রাপ নয়।

অনুভূতি

Exaggerating নয় সত্যিই অনেক ভালো লাগার মত একটা মাঙ্গা । শর্ট মাঙ্গার থেকে এর বেশি আশা করাটাই যেন অন্যায়। আর মাঙ্গাটিতে এমন কিছু Quote আছে যা দেখেই বোঝা যায় এ কোন জ্ঞানী লেখকের কাজ। আর সবাইকেই বলব পড়ে ফেলতে কারণ মাত্র ৮ চাপ্টারের মাঙ্গাটি পড়তে কতক্ষণই বা লাগবে…… অল্প সময় খরচ করে পড়ে ফেলুন ,সময়ের দাম উসুল হয়ে যাবে। মাঙ্গা পড়বেন,অন্যকেও পরতে বলবেন এই প্রত্যাশা রইল ।

মাঙ্গাটি পড়েছিলাম অনেক আগে , তবে উপন্যাসটা পরখ করে না দেখে লিখতে চাইছিলাম না তাই যা দেরি । আর সাহারা মিজু-সানের উপন্যাসটি পড়ার পর অনুভূতি দিয়েই আজকের লেখা শেষ করছি ………

“I remember the time when I first read the original novel.  It was the beginning of summer in 2007. I feel as though it taught me that,because of mankind we are burdened by terrible hurt,but the way we’re able to find relief from this hurt is also through mankind……….”

                                                                        —-Sahara Mizu                                                                                                                              November,2008

মাঙ্গা রিভিউ: Intersection’s Pretty Boy — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

জুনজি ইতোর মাঙ্গা কালেকশনে এত অসাধারন গল্প রয়েছে তার মধ্যে আমার অন্যতম পছন্দ হলো ইন্টারসেকশন প্রিটি বয় । নরমাল ভাগ্যগণণাকে জুনজি যথারীতি নারকীয় রুপ দিয়েছেন !
কাহিনী : জাপানের এক কানাঘুপচি শহরে এক আজব খেলা চালু আছে । এই খেলার নাম হল ইন্টারসেকশন ফরচুন টেলিং বা গলির চৌমাথার ভাগ্যগননা । এই খেলার নিয়ম হল আপনি কোন গলির মাথায় দাড়িয়ে মুখ ঢেকে পথচারীর জন্য অপেক্ষা করবেন । পথে যে প্রথম পথচারীকে পাবেন , তাকে অনুরোধ করবেন আপনার ভাগ্য সম্পর্কে কিছু বলতে , সে যা বলবে আপনার ভাগ্য সে রকমেরই হবে । সবই ঠিকঠাক চলছিল যতদিন না পর্যন্ত এক গর্ভবতী নারীর লাশ পাওয়া গেলো শহরের এক রাস্তার মোড়ে । আসল ঘটনা শুরু হয় যখন রিয়ুসকে নামক এক সুদর্শন তরুন তার ছোটবেলার শহরে ফিরে আসে । নতুন স্কুলে ভর্তি হবার পর সে খুজে পায় তার ছোটবেলার বান্দ্ধবী মিডোরিকে এবং সুদর্শন এবং সদালাপী হওয়ায় সে দ্রুতই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে , বিশেষ করে মেয়ে ম্হলে । কিন্তু হঠাত্‍ করেই তার এক মেয়ে সহপাঠীর ভয়াব্হ মৃত্যু হয় চৌরাস্তার মোড়ে এবং জানা যায় যে সে ইন্টারসেকশন ভাগ্য গণণা করতে গিয়ে সে এক কালোপোশাকধারী সুদর্শন যুবকের দেখা পায় যে তাকে বলে তার জীবনে কখোনো ভালবাসা আসবে না । এরপরই মেয়েটি আত্নহত্যা করে । এরপরই শুরু হয় রিয়ুসকের জীবনের এক নারকীয় অধ্যায় । এই কালোসুদর্শন যুবকের সাথে রিয়ুসকের সম্পর্ক কি তা জানতে হলে শুরু করে দিন মাঙ্গা পড়া !
এটার আর্টওয়ার্ক এবং কাহিনী দুটোই অস্থির । পড়তে গিয়ে আপনার একধরনের ভয় ও রহস্যের উত্তেজনা মিশানো অনুভূতি কাজ করবে । তো সময় থাকলে পড়ে ফেলুন Intersection pretty boy !
আমার রেটিং: 9/10

pretty boy

Behind the Voices – 11

বছর তো প্রায় শেষ, তাই আমার কাছে এই বছরে যাদের কে সেরা সেইয়ূ মনে হয়েছে তাদের নিয়ে লেখছি

মায়েনো তোমোআকি

মায়েনো তোমোআকি সাধারণত কঠোর ব্যক্তিত্বের, মুখের ভাবলেশহীন চরিত্র অন্য কারও চেয়ে বেশ অসাধারণভাবে তুলে ধরতে পারে । তার কণ্ঠ এই রকম চরিত্রের সাথে পুরোপুরি মানানসই । তবে সে অন্য ধাঁচের চরিত্র বিশেষ করে ম্যানলি চরিত্রও খুব ভালোভাবে তুলে ধরতে পারেন ।

যেহেতু এই বছরের আমার মতে সেরা সেইয়ূদের নিয়েই লিখছি তাই প্রথমে এই বছরে তার কোন রোলগুলো আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে তাদের নিয়েই বলি প্রথমে । তার এ বছরের তিনটা রোল আমার বেশ ভালো লেগেছে ডেথ প্যারাডের ডেচিম, আকাৎসুকি নো ইয়োনার হাক এবং ইয়োমুশি পেডালের গ্র্যান্ড রোডের ফুকুতোমি । ওহ, সাথে আওহারু কিকানজুর মাৎসুওকা মাসামুনে, ওয়ারি নো সেরাফের এক মাইনর রোল কুরেতো এবং এই বছর রিলিজ হওয়া কুরোশিৎসুজির ওভিএ বুক অফ মার্ডারে আরেক মাইনোর রোল ফিলিপ্স চার্ল্স রোলগুলোও ভালো ছিল । এই বছরে তার চেয়ে বেশি রোল করেছেন এমন অনেক সেইয়ূ আছে তবে তার রোলগুলো সে অনেক ভালোভাবে করেছে বলেই তাকে এই বছরে আমার মতে সেরা মনে হয়েছে ।

এছাড়া তার আগেও অনেক ভালো ভালো রোল ছিল যা বেশ ভালোই লেগেছে । যেমন আমাগামি 卐 আনিমের তাচিবানা জুনিচি, নারুতোর পেইন ( দেব পথ ), লগ হরাইযোনের নাওয়েৎসুগু এই রোলগুলো বেশ ভালো লেগেছে ।

1

তার জন্ম ২৬ মে, ১৯৮২ এবং ২০০৮ থেকে সে কণ্ঠ-অভিনয় করেন । একজন কণ্ঠ অভিনেতা হিসেবে সে বেশ দক্ষ এবং সামনে আরও রোল থাকবে তা আশা করি ।

2

তানেদা রিসা

“সেনপাই, সেনপাই, সেনপাই” এই ডাক নানা রকম আনিমেতেই বেশ ঘনঘনই শুনা যায়, এবং আনিমে কমিউনিটিতেও এইটা এখন এবোলার মত ছড়ায় যাচ্ছে নানা রকম পোস্ট, কমেন্ট সেকশনেই এখন ভাই-আপা বাদ দিয়া পোলাপান আজকাল সেনপাই বলে বেড়ায় মানুষজন যাই হোক এ নিয়া আমার কোন অভিযোগ নাই । এইবার প্রসঙ্গে আসি এই ডাক ঠিক এক এক জন বিভিন্নভাবে ডাকে, কারোটা শুনতে বেশ বিরক্তিকর লাগে আবার কারো কারো ডাক অতিরিক্ত কিউট শুনায় । ঠিক এই সেনপাই বলাতে এক্সপার্ট এরকম যদি কাউকে নির্ধারণ করতে হয় তাইলে আমার মতে সে তানেদা রিসা । তানেদা রিসার কণ্ঠটা ঠিক অন্যরকম বেশ কিউটও শোনায় আবার সে বেশ সেডাক্টিভ কণ্ঠ করায়ও এক্সপার্ট । তার কণ্ঠের পরিসীমা তেমন ব্যাপক নয় তবে নানা রকম চরিত্র তুলে ধরায় সে পারদর্শী, চরম পর্যায়ের উদাসীন থেকে সিরিয়াস মানসিকতার চরিত্র সবারই কণ্ঠ সে আসধারণভাবে দিতে পারে ।

এই বছরের সেরা চরিত্রদের মধ্যে একজন মিয়াযোনো কাওরি । অনেকেই ভাবতেই পারে হয়তো কাওরির জন্যই আমার তাকে এই বছরের সেরা কণ্ঠ অভিনেত্রী মনে হচ্ছে তবে না । প্রথমত আনিমেটা আমার একটুও পছন্দ নয় আমার মেলোড্রামা অবশ্য পছন্দ না, চরিত্রটাকেও তেমন ভাল্লাগে নাই তবে তানেদা রিসা যে চরিত্রটাকে অসাধারণভাবে তুলে ধরেছে তাতে কোন সন্দেহ নেই । হয়তো তার মত এত ভালো কেউ-ই আর পারতো না । এই বছরে তার যে দুইটি রোল আমার বেশ পছন্দের তা হল Gate আনিমেটির ররি মার্কারি এবং Shokugeki no Souma আনিমেটির এরিনা নাকিরি এই দুইটি চরিত্র । নাকিরির ঔদ্ধত্য এবং ররির আবেদনময়ী কণ্ঠ দুইটাই সে নির্ভুলভাবে তুলে ধরতে পেরেছে । এছাড়া এই বছর তার আরও ভালো ভালো রোল ছিল Highschool DXD-এর যেনোভিয়া, এই রোলটাও আমার বেশ পছন্দের এবং কেন জানি তাকে রিয়াস আর আকেনোর চেয়ে বেশি ভালো লাগে ।

কণ্ঠ অভিনয়ে সে নতুন মাত্র ২০১২ তে কিছু মাইনর রোল দিয়ে তার অভিষেক । তবে তার এক বছর পরেই কিছু ভালো ভালো রোল এবং আরও অনেকগুলো রোলই সে পেয়েছে এবং এই পর্যন্ত ২০১৪ তার জন্য সেরা বছর । তার বাকি যে রোলগুলা বেশ পছন্দের তা হল Kyoukai no Kanata-এর কুরিয়ামা মিরাই, Strike the Blood-এর হিমেরাগি ইয়ুকিনা, Inou-Battle wa Nichijou-kei no Naka de-এর সায়ুমি, Brynhildr in the Darkness-এর নেকো কুরোহা । এছাড়া KanColle গেমটাতেও তার কণ্ঠ দেওয়া সামিদারে এবং মিয়োকৌ ক্লাস ক্রুজার ( মিয়োকৌ, আশিগারা, নাচি এবং হাগুরো ) এই জাহাজগুলোতে দেওয়া কণ্ঠও আমার বেশ প্রিয়, যাই হোক এই পচা ফ্র্যানচাইজের কথায় আর না যাই । একজন গায়ীকা হিসেবেও সে অনেক দক্ষ । অনেক আনিমেতেই গান গেয়েছে তা আপনি শুনে নিয়েন

 

3

তার জন্ম ১২ জুলাই, ১৯৮৮ ইশ আমার চেয়ে মাত্র ৯ বছর ৩৬১ দিনের বড় TwT, আর ৫ দিন পর হইলে নিজের এই পছন্দের কণ্ঠ অভিনেত্রীর সাথে একই দিনেই জন্মদিন থাকতো । আর ইগুচি ইয়ুকার জন্মদিন তার চেয়ে মাত্র এক দিন আগে, এই মহিলাও আমার আরেকটি বেশ পছন্দের কণ্ঠ-অভিনেত্রী তাকে নিয়ে আজকে নয় তবে অন্য আরেকদিন লেখব নে । সামনের বছর যে তানেদা রিসা একগাদা রোল পাচ্ছে তা নিয়ে কোন সন্দেহ নাই । তার পার্ফোম্যান্স সামনে আরও ভালো হবে এটাই চাই ।

4

এনিমে মুভি রিভিউ: Wolf Children — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

আপনার কি কথোনো এমন অনুভূতি হয়েছে যে কোন কিছু দেখে বা পড়ে শেষে করে উঠেছেন কিন্তু তার ঘোর লেগে রয়েছে , যেন এক সুন্দর স্বপ্নরাজ্য থেকে ভ্রমন করে বাস্তবে ফিরে আসলেও তার মোহ কেটে না যাওয়া ? আমি সেই অনুভূতির সম্মুখীন হয়েছি এই উলফ চিলড্রেন দেখে শেষ করার পড় । এক অসাধারন আনিমে চলচিত্র যা হাজারবার দেখলেও পুরানো হবে না ।

কাহিনী : কাহিনীর প্রধান চরিত্র হল এক হাস্যোজ্বল , প্রাণশক্তিতে ভরপুর তরুনী হানা । অন্যসব বাবা মা হারা তরুনীর মত সেও খন্ডকালীন চাকরি এবং পড়াশোনার মাধ্যমে উঠে দাড়ানোর চেষ্টা করছে । তো একদিন ইউনিভার্সিটিতে ক্লাসে সে এক নতুন তরুনের দেখা পেলো যে কোন টেক্সট বইয়ের সাহায্য ছাড়াই নোট নিচ্ছিল । হানা আগ্রহী হয়ে ছেলেটির সাথে পরিচিত হয়ে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলো যে সে কোন প্রতিষ্ঠানের ছাত্র না । এই গম্ভীর আকর্ষনীয় তরুনের প্রতি হানা দুর্বল হয়ে পড়লো এবং তাদের মধ্যে প্রনয় হতেও বেশি টাইম নেয়নি । একদিন সেই যুবক হানাকে তার আসল পরিচয় দিল যে সে একজন নেঁকড়ে মানব । কিন্তু হানা সেই তরুনকে অন্তর দিয়ে ভালবেসেছে , বাহ্যিক ছবি কিছু না । তাদের সংসার শুরু হয় , তারা ২সন্তানের জনকও হয় । কিন্তু হানার স্বামীর মৃত্যু সবকিছুকে যেন বদলে দেয় । দুই অর্ধমানব অর্ধনেকড়ে সন্তান আমে এবং য়ুকিকে নিয়ে হানা শুরু করে তার জীবন সংগ্রাম । তাদের পরিচয় গোপনরেখে বড় করার জন্য সে তার স্বামীর জন্মান্চলে চলে যায় এবং সেখানে তাদের বড় করতে থাকে ।সে তার সন্তানদের পথ তাদের হাতেই ছেড়ে দেয় যে তার মানব জীবন না নেঁকড়ে জীবন বেছে নেবে । এই সদাহাস্য তরুনী হানার স্ট্রাগল নিয়েই এর কাহিনী ।

এই এনিমের আর্টস্টাইল ও গ্রাফিক্স মনোমুগ্দ্ধকর ও প্রশান্তিদায়ক । পাহাড়ে হানা যে বাড়ি ভাড়া নেয় তার বেসিনটার ছবি আমি ওয়ালপেপার হিসেবে ইউজ করেছি ! আমে এবং য়ুকির দুষ্টুমি আপনাকে যেমন আপনাকে হাসাবে তেমনি তাদের মানব সত্ত্বা ও নেকড়ে সত্ত্বার দোঁটানা এবং হানার একার সংগ্রাম আপনার হৃদয়কে নাড়া দিয়ে যাবে । এটা একটা অবশ্য দেখা কর্তব্য মুভি । আপনি একবার দেখুন বা বারবার দেখুন , আপনি মুগ্দ্ধ হতেই থাকবেন !!
আমার রেটিং : 10/10

Wolf Children