‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৬.৫

ইফ ইউ লাইকড ‘Mars of Destruction’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven

1

আপনার কাছে ‘Mars of Destruction ভালো লাগলে ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Mars of Destruction ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven এর মধ্যে মিল-

* দুইটাই ১ এপিসোড এর OVA.
* সেইম স্টুডিও, Idea Factory, এর করা।
* Director Yoshiteru Satou.
* সেইম জনরার। সাই-ফাই।
* 19 minutes of pure awesomeness.
* এলিয়েনদের হাত থেকে পৃথিবীকে বাচানো নিয়ে কাহিনি।

2

Mars of Destruction ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven এর মধ্যে অমিল-

* ‘Mars of Destruction’ ও ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven’ এর স্ক্রিপ্টরাইটার ভিন্ন।
* ‘Tenkuu Danzai Skelter+Heaven’ এর Script আর Screenplay ও Director Yoshiteru Satou এর করা।

3

4

5

6

7

8

9

১০০% পারফেক্ট গার্ল — Zahura Chowdhury Abonti

১০০% পারফেক্ট বলতে দুনিয়াতে কিছু কি আছে? তাহলে কোন মেয়ে কি করে ১০০% পারফেক্ট হয়! কিন্তু এই মানহোয়ার নামই এটা। “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

সুদূর রয়েন দেশ থেকে কোরিয়া তে এসেছে জে. ম্যাক্স। আসার পথে তার সেক্রেটারিকে সে পড়তে দেখে হারুকি মুরাকামির বই “১০০% পারফেক্ট গার্ল”। নেহাতই কিছু করার না পেয়ে সেক্রেটারির থেকে নিয়ে সেই বইই পড়া শুরু করে জে। বইটার মূল উপজীব্য ছিল কি করে এক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে নিয়ে বলে যে সেই হচ্ছে ১০০% পারফেক্ট গার্ল; ছেলেটির মতে মেয়েটি শুধু তার জন্যই। জে এগুলো পড়ে নিছক সস্তা রোমান্টিসিজম ভেবে নেয়। এসব বইও মানুষ পড়ে?!

কোরিয়া তে এসে ঘটনাচক্রে জে এর দেখা হয় আরেক জে এর সাথে। এই জে এক উঠতি বয়সী তরুণী যার স্বপ্ন হচ্ছে বড় আর্টিস্ট হওয়া। কিন্তু পরিবারে ছোট সন্তান হিসেবে প্রায়ই তার মত বাসাতে অগ্রাহ্য করা হয়। সবার জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে দিতে ক্লান্ত মেয়ে জে এর রয়েন থেকে আসা জে এর সাথে দেখা হওয়া নেহাতই কাকতালমাত্র। সংক্ষিপ্ত সেই এনকাউন্টারে শুধু একে অপরের নামটাই জানা হয় তাদের। আর সেই নামও কিনা একই! মেয়ে জে তাই রয়েনের জে এর নাম দেয় জারতে। সুদর্শন যুবক জারতে কে এক পথ হারানো বিদেশী পর্যটক মনে করলেও আসলে যে সে রয়েনের রাজা তা কোনভাবেই জানার উপায় ছিল না জে এর। খুব অল্প সময়ের সেই দেখাকে ঠিক সুমধুর হিসেবে ব্যাখ্যা করা না গেলেও জারতের জন্য তা বিশেষ কিছুই ছিল। কি কারণে সেও জানেনা জে কে মনে ধরে যায় জারতের। দেশে ফিরেও কাজে মন বসাতে না পেরে আবারো কোরিয়ার পথ ধরে জারতে। কিন্তু কি করে খুঁজে পাবে সে জে কে? তার ফোন নাম্বারটিও তো নিতে পারেনি সে!… রাজা হলে কত কিছুই না করা যায়! কোরিয়ার সকল বিলবোর্ড ভাড়া করে ফেলে জারতে। তাতে বড় বড় করে লেখা — “জে ইস লুকিং ফর জে”। কোরিয়ার সকল দেয়াল ছেয়ে যায় একই লেখার পোস্টারে।
খুঁজে কি পায় এক জে আরেক জে কে? মানহোয়া যেহেতু, নিশ্চয়ই খুঁজে পায়। কি হয় এর পরে? মডার্ণ ডে সিন্ডারেলা নামে খ্যাত মেয়ে জে এর জীবন রাতারাতি পালটে যায়, সেই পালটানোটা কি তার জন্য ভাল কিছু বয়ে আনে?

নানা রকম টুইস্ট আর টার্নে ভরা এই মানহোয়াটা আমার অনেক প্রিয়। এখানে চরিত্রগুলোর ইমোশন খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক ওয়ান। আমার অন্যতম পছন্দের এই মানহোয়া লেখক+আর্টিস্টের আর্টের প্রশংসাও না করলে নয়। সব মিলিয়ে অত্যন্ত উপভোগ্য একটি মানহোয়া এটি। আমার মত যারা একটু ম্যাচিওর রোমান্স পছন্দ করে তাদের এটা অবশ্যই ভাল লাগবে। এছাড়া আছে সাইকোলজিক্যাল ট্যাগও। তো আর দেরী কেন? আজই পড়া শুরু করে দিন “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

J - J

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – উনবিংশতম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি ***

আজকের কানজি হল “বড় বোন” এর কানজি…এই কানজি টার উচ্চারণ হল “নেএ/আনে/শি”

ne ane shi

বড় ভাই এর মত বড় বোনকেও বিভিন্নভাবে ডাকা যায়….

নেএ,আনে।ওনেএ সান,ওনেএ চান , আনেসান,আনেচান,আনেকি, ওনেএ সামা,আনে সামা,নেএ সামা,নেএ সান,নেএ চান ইত্যাদি ইত্যাদি..এখানে যেসব জায়গায় “নেএ/আনে” আছে সেখানে এই কানজি টা বসে..আনিমে দেখা মানুষজনের সবারই মোটামোটি এগুলা জানার কথা..

“শিমাই” মানে হইল sisters…বড় বোন আর ছোট বোনের কানজি পাশাপাশি লিখলে “শিমাই” বুঝায় (শেমাই না কিন্তু 😛 )….এখানে “শি” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে …. “কিওদাই”এর মতই আরকি..ওইখানে ২ ভাই ছিল এখানে ২ বোন…এটাই পার্থক্য…

এই কানজি সম্পর্কে মোটামোটি এইটুকুই জানি….এই কানজি টাও মোটামোটি বিদঘুটে টাইপের দেখতে…নেক্সট দিন ছোট বোনের কানজি নিয়ে হাজির হব.. মাতা নে

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ১৬

ইফ ইউ লাইকড ‘Angel Beats!’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain

1

আপনার কাছে ‘Angel Beats! ভালো লাগলে ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

Angel Beats! ও ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain এর মধ্যে মিল-

* Key visual novel studio এর করা।* স্ক্রিপ্টরাইটার Jun Maeda.
* সেইম জনরার। Comedy, Drama,School, Supernatural.
* অনেকটা সিমিলার কনসেপ্ট।
* ক্যারেক্টারদের মিল।
* স্কুলে বন্ধুরা মিলে মজা করার লাইটহার্টেড কমেডি এর মাঝেই ইমোশোনাল কাহিনি + বেইসবল + Feels.
* সাউন্ডট্র্যাক বেশ ভালো।
* ভালো ভিসুয়াল।
* মেইন ক্যারেক্টার এর মিল। অন্যদের তাদের জীবনের সমস্যা সমাধানে সাহায্য করে।
* ড্রামাটিক, স্যাড আর অনেক বেশি ইমোশোনাল।
* ফানি র‍্যান্ডম এন্ড ব্যাটল সিন।
* ক্যারেক্টার সেন্ট্রিক প্লট।
* সেইম ভাইব আর এনভায়রোমেন্ট।

2

Angel Beats!’ ও ‘Little Busters! & Little Busters!: Refrain এর মধ্যে অমিল-

* Little Busters! & Little Busters!: Refrain ভিসুয়াল নভেল থেকে এডাপ্ট করা। Angel Beats! এর ভিসুয়াল নভেল অ্যানিমেই এর অনেক পরে (মাত্র কয়েকদিন আগে) রিলিস পেয়েছে।
* Little Busters! এর পুরা কাহিনি ২ সিসন মিলে।
* একটাতে এন্ডিং স্যাটিসফাইং।

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

এনিমে রিভিউ: Kaiji — Rezo D. Skylight

KaijiKaiji দেখা শুরু করার সময় আমার তেমন একটা এক্সপেক্টেশন ছিল। প্রথমতো আমি এনিমের আর্টস্টাইল দেখে খুব চিন্তিত ছিলাম। বিশেষ করে ক্যারেক্টারগুলার নাকগুলা ছিল লম্বা প্লাস্টিক এর মতো দেখতে। তারপরেও কি মনে করে দেখতে থাকলাম। কিন্তুু দেখে মোটেই হতাশ হয়নি। কিভাবে যে টানা দুইদিনে কাইজি দেখে ফেললাম নিজেই বুঝলাম না।

কাইজির ঘটনা শুরু হয় কাইজি ও তার বন্ধুর কো- সাইনের মাধ্যমে লোন নেয়া টাকা থেকে। সেই লোনের টাকা শোধ করতে না পেরে কাইজির সেই বন্ধু পালিয়ে যায়। শেষমেশ আর কি হবে। লোনার সব বোঝা কাইজির ঘাড়ে পড়লো। কিন্তুু, সেই লোন ছিল বিশাল টাকার অংক। যেই লোন পরিশোধ করা কাইজির পক্ষে সহজ ছিল না। খুব চেষ্টা করলে হয়তো সে টাকা শোধ করতে কাইজির ১১ বছর কেটে যাবে। তখন টাকা আদায়কারি কাইজিকে ২টা চয়েছ দেয়। হয় তার কষ্ট করে টাকা উপার্জন করে এই লোনের টাকা পরিশোধ করতে হবে নয় তাকে জীবন বাজি রেখে এক জুয়া খেলায় অংশগ্রহণ করতে হবে। ভাগ্য ভালো থাকলে সে এই জুয়া খেলার মাধ্যমে এক দিনের মধ্যেই লোনের টাকা পরিশোধ করতে পারবে। আর এই খেলাতে হারলে তার জীবনে নেমে আসবে নরক। কাইজি সেই চ্যালেঞ্জ গ্রহন করে। আর প্রবেশ করে জুয়া খেলার অন্ধকার দুনিয়াতে।

কাইজিতে মানুষের psychology খুব ভালোভাবে দেখানো হয়েছে। মানুষের অর্থের প্রতি হিংস্র লোভ-লালশা, অর্থের জন্য মানুষের প্রতি মানুষের বিশ্বাস হারানো, ওয়াদা ভঙ্গ করা, এমনকি অর্থের লোভে যে মানুষ মানুষকে মেরে ফেলতে পারে এই বিষয়গুলো কাইজিতে খুব ভালোভাবে উপস্থাপন করেছে। “লোভে পাপ আর পাপে মৃত্যু” – এই প্রবাদটির ভাবার্থ কাইজি দেখলেই ভালোভাবে বুঝা যায়। আর উচ্চশ্রেণীর পিচাশশ্রেণী মানুষদের পরিচয়ও কাইজিতে দেখানো হয়েছে। এরা নিজেদের আনন্দও উপভোগে সমজের হতদরিদ্র, ঋণগ্রস্ত মানুষদেরকে নিয়ে বিভিন্ন মৃত্যু খেলার আয়োজন করে। তাদের কাছে দরিদ্র মানুষের জিবিনের কোন মূল্য নেই। কিন্তুু তাই বলে কাইজি মটেই পিছপা হয়নি। সে এসব খেলায় নিজের জীবন বাজি রেখে অংশগ্রহন করে যায়। আর এর জন্যই কাইজিকে আমার খুব ভালো লেগেছে। এছাড়া “কাইজি”-র প্রায় প্রতিটি খেলাতেই রয়েছে gambling। আর প্রতিটি খেলায় কাইজি যেভাবে বুদ্ধি খাটায় তা পুরই অচিন্তনীয়। তাই মাথা খুব ঠাণ্ডা রেখে কাইজি দেখতে হয়েছে। আর আমি এই gambling গুলা খুব উপভোগ করেছি।

এখন ক্যারেক্টারের কথা বলতে গেলে শুধু কাইজির কথাই বলতে হয়। কাইজির চিন্তা ভাবনা অনেকটা ডেথ নোটের লাইট বা এলের মতো। কাইজি প্রতিটি জুয়া খেলাতেই নিজেকে কন্ট্রোল করে গভীর চিন্তা ভাবনা করে তার প্রতিপক্ষকে হারায়। কাইজি আসলেই যেকাররি ভালো লাগার মতো একজন ক্যারেক্টার।

অনেক কথা বলে ফেললাম। এখন আসল কথায় আসি। কাইজি যারা এখনো দেখেননি তারা সময় পেলে দেখে ফেলুন। বিশেষ করে আপনারা যারা Psychological জেনারের এনিমে পছন্দ করেন তাদের জন্য ”কাইজি” মাস্ট ওয়াচ একটা এনিমে। কাইজির intensity, thrill , awesomness ডেথ নোট, কোড গিয়াস এবং অন্যান্য Psychological এনিমের থেকে কোনো অংশেই কম না। আর gambling এবং mind games নিয়ে কাইজির মতো এনিমে খুব কমই আছে। আর আর্ট নিয়ে দুশ্চিন্তা করবেন না। কয়েক এপিসোড দেখলেই আর্টটা আপনার কাছে মানানসই হয়ে যাবে।

MAL rating – 1st season (8.36), 2nd season (8.31)
My rating – 9/10

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪০ তম পার্ট By অরিন শারমিন

(অনেকদিন পর আবার জীবন গড়ে তুলার কার্যক্রম নিয়ে ফেরত আসছি 😛 )

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪০তম লেসন

আজকে শিখাব কমন একটা এক্সপ্রেশনের নানাবিধ প্রয়োগ…এক্সপ্রেশন টা হল “ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু” (“ইওরোশকু ওনেগাইশিমাস”).. এটা বেশি পোলাইটলি বললে বলে “দোজো ইওরোশিকু ওনেগাইইতাশিমাসু”

এটা এমন একটা এক্সপ্রেশন যেটা বিভিন্নভাবে বিভিন্ন জায়গায় ইউজ করা যায়…

১মে বলি যেটা সবথেকে কমন সেটা

যখন কোন একজন মানুষের সাথে আরেকজন মানুষের ১ম দেখা হয় ধর আমার সাথে অবন্তীর ১ম দেখা হল..আমি বললাম “হাজিমেমাশিতে..ওয়াতাশি অরিন দেসু..ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু”

এখানের মিনিং টা কিছুটা এমন “hello..i am orin..nice to meet you” এখানে “ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু” ,”nice to meet you” এই টাইপের কিছু একটা  বুঝায়ছে…(হাজিমে মাশিতে শুধু ১ম বার কারো সাথে দেখা হলে বলে সেম পারসনের সাথে আবার দেখা হলে ইউজ করা যায় না একজনের সাথে একবারই ইউজ করা যায়)

আবার ধর আমি নতুন কোন একটা স্কুলে ট্রান্সফার হয়ে গেলাম .. তারপর নতুন ক্লাসে গিয়ে সবার সামনে দাঁড়িয়ে বললাম “হাজিমেমাশিতে..ওয়াতাশি অরিন দেসু..ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু” এখানেও “ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু”, “nice to meet you all” এই টাইপের মিনিংই বুঝাই আবার “please be kind to me/please take a good care of me/i’m looking forward to have a good relationship with all of you” এই টাইপের মিনিংও বুঝায়…

আবার নতুন অফিসে জয়েন করছি নতুন কলিগের সাথে নাম পরিচয় পালা শেষে যদি বলি “ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু” তাইলেও “nice to meet you”এর পাশাপাশি “i’m looking forward to working with you” এটাও বুঝায়..

কোন চিঠি বা মেইল লিখার সময় লাস্টে “ইওরোশিকু ওনেগাইশিমাসু” লিখে …. আমরা ইংরেজিতে চিঠি বা মেইল লিখার সময় যেমন লাস্টে “best regards/sincererly yours” এগুলা লাগায়..”ইওরোশিকু ওনেগাই শিমাসু” এখানে এই টাইপের মিনিং বুঝায় ..

কোন খেলা/ম্যাচের শুরুতে ২ টা দল সামনাসামনি দাঁড়ায়ে মাথা নত করে বলে “ইওরোশিকু ওনেগাই শিমাসু” আবার ধর দাবা খেলতে গেছি আমি…আমি আর আমার অপোনেন্ট মুখোমুখি বসে মাথা ২ জনে নত করে বললাম “ইওরোশিকু ওনেগাই শিমাসু”…. এইসব ক্ষেত্রে এটার মিনিং কিছুটা এমন হয় “lets work hard and give our best”

আবার ধর আমি কারো কাছে হেল্প চাইলাম কোন ব্যাপারে এবং কথার শেষে বললাম “ইওরোশিকু ওনেগাই শিমাসু”…তখন “please do me this favor/ i’m counting on you” এই টাইপ বুঝায় …

কারো বাসায় ধর আমি বেড়াতে গেলাম..পরিচয় পালা শেষে বললাম “ইওরোশিকু ওনেগাই শিমাসু” তখন “please take a good care of me/would you please take care of me?” এই টাইপের অনেক কিছু বুঝাতে পারে…

“ইওরোশিকু ওনেগাই শিমাসু”এর এইরকম আরো অনেক ইউজ আছে…আনিমে দেখতে গেলে টের পাওয়া যায় এইটা কত জায়গায় কত রকম ভাবে ইউজ হয়…মোটামটি মাথায় যেটা কয়টা আসল শিখানোর ট্রাই করলাম …মিনা সান..মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – অষ্টদশ পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আগের দিনের “বড় ভাই” এর কন্টিনিউয়েশনে আজকে “ছোট ভাই” এর কানজি শিখাব ..

এই কানজিটার উচ্চারণ “দাই/তেই/দে/ওতৌতো”

dai tei

বড় ভাইরে বিভিন্ন ভাবে ডাকা গেলেও “ছোট ভাই”রে খালি “ওতৌতো” ( আমার জানামতে ) বলেই ডাকে ..”ওতৌতো” মানে “ছোট ভাই”…. “ওয়াতাশি নো ওতৌতো”-আমার ছোট ভাই ..

এর আগের দিন বলেছিলাম বড় ভাই আর ছোট ভাই এর কানজি পাশাপাশি লিখলে কিওদাই (brothers) বুঝায়….এখানে “দাই” এর জায়গায় এই কানজি বসে ….

“তোতেই” মানে হল “apprentice” …এখানে তেই এর জায়গায় এই কানজি টা বসে …

“দেশি” মানে “disciple/pupil” এখানে “দে” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে

“উচু কিওদাই” আনিমে টার নামের মধ্যে এই কানজি টা আছে ….. (আগের দিনও এই আনিমের উদাহরণ দিছিলাম 😛 )

ছোট ভাই এর কানজি নিয়ে আজকে এতটুকুই থাক 🙂 নেক্সট দিন বড় বোনের কানজি নিয়ে হাজির হব
মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সপ্তদশ পাঠ

**সানজি কানজি গেঞ্জি **

আজকের কানজি “বড় ভাই” এর কানজি…..উচ্চারণ হল “কেই/কিও/আনি/নিই”

বড় ভাই এর জাপানিজ মোটামটি যে কয়টা আছে সেগুলা আগে বলি …(এগুলা সবই সবার জানা থাকার কথা )

ওনিইচান,ওনিইসান,ওনিইসামা,নিইচান,নিইসান,নিইসামা,আনিকি,আনিচান,আনিসান,আনিসামা…আবার অনেক সময় শুধু আনি বা শুধু নিই ও বলে …

এখানে যেসব জায়গায় “আনি/নিই” আছে সবখানে এই কানজি টা বসে…

“কিওদাই” মানে হলে brothers..এখানে “কিও” এর জায়গায় এই কানজি বসে..বড় ভাই আর ছোট ভাই এর কানজি পাশাপাশি বসলে “কিওদাই” বুঝায়..”উচুউ কিওদাই” আনিমে টা নিশ্চয় অনেকে দেখছে…ঐ আনিমে টার নামের মধ্যে এই কানজি টা আছে

“কেইজিসুরু” মানে হল কাউকে বড় ভাই এর মত সন্মান দেয়া …এখানে “কেই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে ..

এই কানজি নিয়ে মোটামোটি এতটূকুই জানি.. নেক্সট দিন “ছোট” ভাই এর কানজি নিয়ে হাজির হব ইনশাআল্লাহ 🙂

আর মনে রাখার সুবিধার জন্য পাশে একটা ছবি দেয়া হল

kei

মাতা নে .. 🙂

Lovely Complex রিভিউ — Maisha Musarrat Ahmed

2

Lovely complex.…আমার অত্যাধিক প্রিয় একটা আনিমে.… পার্সনালি আমি একজন shoujo ফ্যান …সেহেতু এইটা আমার একটু বেশিই ভালো লাগসে। অন্যান্য যে কোনো shoujo আনিমের চেয়ে এটি একটু আলাদা…এখানে কোনো সুপারহিউম্যান সুপারপপুলার হিরো নেই , নেই কোনো অসম্ভব kawaii হিরোইন …খুবই সাধারণ চরিত্রের খুবই সাধারণ কাহিনী ..তবুও সব মিলিয়ে ……বেশ ভালো লাগার মতন . 🙂

তো এই অসাধারণ আনিমেটির প্রধান চরিত্র koizumi Risa আর atsushi Otani. ..যারা উচ্চতার দিক দিয়ে দুই বিপরীত মেরুর ..রিসা যেখানে সাধারণ যেকোন মেয়ের চেয়ে অনেকটাই লম্বা (১৭০ সেমি বা প্রায় ৫ফুট ৭)…ওতানি সেখানে সাধারনের চেয়েও খাটো (১৫৬ সেমি বা ৫ ফুট ১) ..তা সত্ত্বেও চরিত্রের দিক দিয়ে একই রকম হওয়ায় তাদের মাঝে বন্ধুত্ব গড়ে উঠতে বেশী সময় লাগে না। কিন্তু সমস্যার সুত্রপাত হয় তখনই যখন রিসা তার চেয়ে প্রায় আধফুট(!) খাটো ওতানির প্রেমে পড়ে যায় ..তো রিসা কি পারবে ওতানির চোখে নিজেকে ”বন্ধুর চেয়েও বেশী কিছু” হিসেবে তুলে ধরতে??? নাকি dumb headed ওতানির অগোচরেই রয়ে যাবে রিসার ভালবাসা? ????

জানি এখানে অনেকেই আনিমেটি দেখেছেন …কেননা আনিমেটা একটু পুরনো(২০০৭)..তবুও যারা এখনো দেখেননি তারা দেরী না করে দেখে ফেলুন ২৫ পর্বের এই রোমান্টিক কমেডি আনিমেটি। আপনার সময় উপভোগ্য হবে আশা করি।

1

When Marnie Was There রিভিউ — Fatiha Subah

2

হোয়েন মারনি ওয়াস দেয়ার
জানরাঃ মিস্ট্রি, সাইকোলজিক্যাল
ডিউরেশনঃ ১ ঘণ্টা ৪৩ মিনিট
ম্যাল রেটিং: ৮.৪৫
ব্যক্তিগত রেটিং: ৯/১০

স্টুডিও জিব্লির প্রতিটি মুভিই অসাধারণ এবং অনেক জনপ্রিয়। বিখ্যাত ডিরেক্টর হায়াও মিয়াযাকির কল্যাণেই যে এটা সম্ভব হয়েছে তা সবার জানা কথা। কিন্তু এত সব ভালো ভালো মুভির মাঝে স্টুডিও জিব্লির বানানো আমার সবচেয়ে প্রিয় দুটি মুভিরই ডিরেক্টর ছিলেন অন্য কেউ। তাই এই মুভি দুটো নিয়ে আলোচনাও কম হয় এবং অনেকেই মুভি দুটো চিনে না। এর মাঝে একটি হল “হোয়েন মারনি ওয়াস দেয়ার”।

একদিকে হায়াও মিয়াযাকি ডিরেক্টর না অন্যদিকে স্টুডিও জিব্লি তখন অনেক চরাই-উতরাই পার হচ্ছে। স্বাভাবিকভাবেই তাই আমার মুভিটা নিয়ে তেমন একটা প্রত্যাশা ছিল না। শুধু মুভির পোস্টারটা খুব পছন্দ হয়েছিল। অনেকটা হুট করেই দেখে ফেলি মুভিটি। দেখার সময় শুধু একটা কথাই মাথায় ঘুরছিল। কেন এই মুভিটা আরও আগে দেখলাম না!! যদি আরও পরে দেখতাম তো সারাজীবনের একটা আফসোস থেকে যেত।

1

কাহিনীটি আন্না নামের একটি মেয়ের হাত ধরে শুরু যে অ্যানাক্সাইটি অ্যাটাকে ভুগছে। স্কুলে কারো সাথে সে খুব একটা মিশতে পারে না। নিজের প্রতি তার প্রচণ্ড ঘৃণা। তাকে নিয়ে সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকে তার মা। কিন্তু কষ্টের বিষয় আন্না একজন দত্তক নেয়া সন্তান। তাই মায়ের এই দুশ্চিন্তা, মমতা কিংবা ভালবাসার বহিঃপ্রকাশ সবই যেন আন্নার কাছে অর্থহীন ও মিথ্যার বেড়াজালে লুকানো অভিনয় বলে মনে হয়। চুপচাপ, মনমরা আন্নাকে তাই ডাক্তারের পরামর্শে তার মা গ্রামে এক আত্মীয়ের বাসায় পাঠিয়ে দেন গ্রীষ্মের ছুটি কাটাতে। সেখানে গিয়েও সে বিমর্ষ ছিল। না, গ্রামের কোন মানুষের সাথে মিশে সে তার আগের উৎফুল্ল জীবনে ফিরে যায়নি। বরং কিছু ঝামেলাই বাধিয়ে ফেলে। কিন্তু আন্নার জীবন এবং কাহিনী পাল্টে দেয় অন্যকিছু। নিশ্চুপ আর শান্ত সাগরের পাড়ে বসে ছবি আঁকতে গিয়ে আন্না আবিষ্কার করে সাগরের ওপারে রয়েছে এক সুন্দর বাড়ি। বাড়িটি এখন পরিত্যক্ত। কিন্তু শুধু একটি ঘরের জানালায় আলো দেখা যায়। আন্না কল্পনায় বা ঘুমের মাঝে সেই জানালার পাশে একটি সোনালি চুলের মেয়েকে দেখতে পায়। কেমন যেন এক অচেনা অনুভুতি তাকে টানে। এই রহস্যময় বাড়ির এক মেয়ে মারনির সাথে আন্নার বন্ধুত্ব হয়। কিন্তু মারনির পরিচয়ও অনেক রহস্যময়।

কেউ যদি এ পর্যন্ত পড়ে ভেবে থাকেন এটা আমেরিকান কোন ভূতের গল্প তাহলে বড় ভুল করবেন। জানরায় যেমনটা বলা হয়েছে, আনিমেটা সাইকলজিক্যাল। সাথে কিছুটা ফ্যান্টাসি বা সুপারন্যাচারালের মিশেল। আমেরিকান ভূতের গল্প না হলেও গল্পটি ব্রিটিশ লেখক জোয়ান জি. রবিনসনের একই নামের উপন্যাস থেকে নেওয়া। তাই আগেকার আমলের ইংরেজি সংস্কৃতির স্বাদ পাবেন বেশ ভালোই। যারা পুরাতন ইংরেজি গল্প, উপন্যাস বা তখনকার আমলের জীবনাচরণ পছন্দ করেন তাদের মুভিটি ভালো লাগবে বলে আমার ধারণা।

3

মুভিটি পুরোটা দেখে কাহিনী বুঝার পর ভালো লাগাটাই স্বাভাবিক কিন্তু আমার একবারে শুরু থেকেই কাহিনীর ভিতরে না ঢুকতেই অনেক ভালো লাগতে শুরু করেছিল। আমার আবার “ভিজুয়ালি প্লিজিং” আনিমে পেলে আর কিছু লাগে না। মুভিটির অ্যানিমেশন অসম্ভব সুন্দর। দেখলে চোখ জুড়িয়ে যায়। নিরিবিলি গ্রাম, শান্ত প্রকৃতি, পাখির কলকাকলি, সবুজ পাহাড়, তুলোর মত মেঘ আর নীলাকাশ, বালুচর, সাগরের ঢেউ পাড়ে আছড়ে পড়া, সাগরে নৌকা ভাসানো, বিরাট ম্যানশন, পূর্ণিমা রাত কিংবা বৃষ্টি, সোনালি চুলের গাউন পড়া একটি মেয়ে… দৃশ্যগুলো আপনাকে সম্মোহিত করে রাখবে। ছোটবেলায় পড়া রূপকথার বইয়ের ছবিগুলোর মত। সাথে তো বাকগ্রাউন্ড মিউজিক আছেই। আর আন্নার অ্যাডভেঞ্চার গল্পের মাঝে ঢুকিয়ে নিবে। যদিও আমি ধীর গতির দৈনন্দিন জীবনের কাহিনী নিয়ে আনিমে দেখে অভ্যস্ত তারপরেও আমার কাছে কেন জানি শুরুতে গল্পটা বেশ ধীর গতির লাগছিল। কেননা শুরুর আধ ঘণ্টায়ও মুভিটি মূল গল্পে প্রবেশ করে না। অনেক সময় নিয়ে ধীরেসুস্থে আগায়। যারা ধুমধাড়াক্কা মারামারি বা শুধু মাত্র একটা নির্দিষ্ট গল্পের জন্যই আনিমে দেখেন তাদের একটু অধৈর্য লাগার সম্ভবনা আছে শুরুতে। কিন্তু পরে গিয়ে গল্পে বেশ উত্তেজনা আসে। তাই একটু ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করলে উপভোগ করতে পারবেন। আর সমাপ্তিটা বেশ হৃদয়গ্রাহী। এখানে একই সাথে দুটি মেয়ের জীবনের গল্প তুলে ধরা হয়েছে। শেষের দিকে কিছু চমক অপেক্ষা করছে।

মুভিটির একই সাথে যত ভালো দিক রয়েছে তাতে এর আরও বেশি নামডাক বা জনপ্রিয়তা পাওয়া উচিত ছিল। তাই লেখাটি পড়ে যদি আপনার রুচির সাথে মিলে যায় তবে অবশ্যই দেখতে ভুলবেন না “হোয়েন মারনি ওয়াস দেয়ার” বা “ওমোইদে নো মারনি”।

7 8 9 5 6 4