Hal — মোঃ আসিফুল হক

যা দেখলাম – Hal.

এক ঘন্টার একটা মুভি।

রোবট আর রোমান্স – মেইনলি। কোন একজনের মৃত্যুর পর তার জায়গাটা রোবট নিয়ে নিলে কি হবে না হবে – টাইপ কাহিনী। স্টোরিতে টুইস্ট আছে একটা; স্টোরি বেশি বলতে গেলে সেই টুইস্ট রিভিল করে দেওয়ার চান্স বেশি। সো; বাকিটা দেখে নিলেই বোঝা যাবে।

Hal 1

ভাল লাগার পার্টঃ ছেলে মেয়ে দুইজনই তাদের উইশ রুবিক্স কিউবে লিখে স্ক্র্যাম্বল করে আরেকজনকে দেয়। পছন্দের মানুষের কোন ইচ্ছে পূরণ করতে হলে সল্ভ করতে হবে রুবিক্স কিউব – বোথ ইন্টেলিজেন্ট এন্ড রোমান্টিক – নাইস।

মুভিটা অনেকটাই এই রুবিক্স কিউবের পাজলের মতন। একেবারে শুন্য থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে একটু একটু করে সব কিছু রিভিল করতে থাকে।

সবচেয়ে স্ট্রং দিক – ভিজ্যুয়াল। সিমপ্লি দুর্দান্ত। প্রচুর কালারের ব্যবহার, দারুণ ক্যারেক্টার ডিজাইন – এক মুহূর্তের জন্যও চোখ ফেরানোর জো নেই।

সাউন্ডট্র্যাকও সুন্দর; কাজ চালানোর মতন। ভয়েস এক্টিং বেশ ভাল।

Hal 2

হাল অতীতকে ফিরে পাবার এবং একজন আরেকজনের কাছে আসার রোমান্টিক একটা গল্প; যেটা আমাদেরকে এই মেসেজ দেয় যে প্রিয়জনের খুতগুলো, কিংবা কম আকাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলোকে মেনে নেওয়ার মাধ্যমেই প্রকৃত ভালবাসা এবং বোঝাপড়ার সূচনা হয়। ভালবাসা হটাত করেই থেমে যেতে পারে; নির্মমভাবে সমাপ্তি ঘটতে পারে; কিংবা খুব অন্যায়ভাবে দূরত্ব তৈরি হতে পারে; কিন্তু সেই জিনিসগুলো মেনে নিয়েই প্রিয় মুহূর্তগুলোকে সাথে করে নির্মম বাস্তবতাকে মুখোমুখি ফেইস করাটাই সেই ভালবাসার সার্থকতা।

হাতে ঘন্টাখানেক সময় থাকলে বসে যেতে পারেন দেখতে; সময়টা খারাপ কাটবে না আশা করি।

হ্যাপি এনিমিং !

Hal 3

চরিত্র বিশ্লেষন এবং উৎস অনুসন্ধান – Caster [Fate/Zero] — Shifat Mohiuddin

¤
চরিত্র: Caster
এনিম: ফেইট/জিরো
ভূমিকা: খলনায়ক
¤
আসল নাম: Gilles de Rais
জাতীয়তা: ফ্রেন্ঞ্চ
উপাধি: মার্শাল,ব্যারন,ডিউক অব ব্রিটানি
জন্ম: সেপ্টেম্বর,১৪০৫
মৃত্যু: ২৬ অক্টোবর,১৪৪০
মৃত্যুর ধরন: মৃত্যুদন্ড
¤
আমরা অনেকেই ফেইট জিরো এনিমেতে অদ্ভুত চেহারা এবং খনখনে কন্ঠস্বর বিশিষ্ট চরিত্র ক্যাস্টারের কাজকর্ম দেখে আতঙ্কিত হয়েছি।শিশুহত্যায় পারদর্শি এই চরিত্রটি ইতিহাসের একটি বাস্তব চরিত্রের সাথে সম্পর্কযুক্ত।যদিও তিনি আরতুরিয়া,ইস্কান্দর এবং গিলগামেশের মত সুপরিচিত নন এবং তার আসল নাম খুব কমই উল্লেখ করা হয়েছে।এনিমেতে তাকে অনেক আন্ডারএস্টিমেট করা হলেও বৈচিত্রের দিক দিয়ে তার জীবন অন্যান্য হিরোয়িক স্পিরিটদের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।
¤
গিলাস ডি রেইস ছিলেন একাধারে একজন বীর নাইট এবং অত্যন্ত ধনী একজন জমিদার।তিনি তার পিতামহ কর্তৃক লালিত হন এবং তার বিশাল সম্পত্তির মালিক হন।তিনি ছিলেন ফ্রান্সের ব্রিটানি প্রদেশের জমিদার।পরবর্তিতে তিনি বিয়ের মাধ্যমে তার সম্পত্তি আরো বৃদ্ধি করেন।তিনি Anjou এবং Poito প্রদেশের জমিদারিত্বও লাভ করেন।
¤
গিলাস ফেন্ঞ্চ সেনাবাহিনীতে ১৪২৭ থেকে ১৪৩৫ পর্যন্ত অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেন।ব্রিটেন এবং ফ্রান্সের মধ্যে সংগঠিত হওয়া শতবর্ষী যুদ্ধে তিনি জোয়ান অফ আর্কের সাথে যুদ্ধ করেন।যুদ্ধে বীরত্বসূচক অবদানের জন্য মার্শাল অফ ফ্রান্স উপাধি লাভ করেন।
¤
১৪৩১ সালে যখন জোয়ান অফ আর্ককে খুঁটিতে অগ্নিদগ্দ্ধ করা হয় তখন তিনি সেখানে উপস্হিত ছিলেন না।এই ব্যাপারে মনে হয় গিলাসের মনে অনেক আফসোস ছিল।ফেইট জিরো এনিমেতে জোয়ানের[আরতুরিয়ার]প্রতি তার দুর্বলতা দেখে বিষয়টা বোঝা যায়।
¤
১৪৩৫ সালে গিলাস সেনাবাহিনী থেকে অবসর নেন।তিনি একটি বিলাসবহুল বৃহৎ গির্জা নির্মানে হাত দেন।নির্মানকাজের অর্থ জোগাড়ের জন্য তিনি তার সব সম্পত্তি বিক্রি শুরু করেন।কিন্তু ক্যাথলিক কর্তৃপক্ষ গিলাসের আত্নীয়দের অনুরোধে তার এই গনহারে সম্পত্তি বিক্রির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে।এতে গিলাস গির্জা কর্তৃপক্ষের উপর অত্যন্ত ক্ষুদ্ধ হন।
¤
১৪৩৮ সালে গিলাস অধিক অর্থ উপার্জনের জন্য আলকেমি এবং অন্যান্য নিষিদ্ধ কর্মকান্ডে জড়িয়ে পড়েন।কথিত আছে তিনি নাকি ব্যারন নামের একটি আত্নাকে নিজের অধীনে আনতে চেয়েছিলেন।
¤
১৪৩২ সালে গিলাসের বিপক্ষে প্রথম শিশুহত্যার অভিযোগ আনা হয়।এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে গিলাসের বিপক্ষে ট্রায়াল গঠন করা হয়।ট্রায়ালে গিলাসের বিপক্ষে তিনটি গুরুতর অভিযোগ আনা হয়।তার বিরুদ্ধে ১৪০ জন শিশুহত্যার প্রমান পেশ করা হয়।অনেকের মতে নাকি হত্যাকান্ডের সংখ্যা নাকি ৬০০ এর উপরে!হত্যাকান্ডগুলো ১৪৩২ থেকে ১৪৪০ সালের মধ্যে সংগঠিত হয়।১৪৩৭ সালে গিলাসের এক আস্তানা থেকে ৩৭ টি মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়।গিলাস তার চাকরদের সাহায্যে গ্রামান্ঞ্চল থেকে তার শিকারদের সংগ্রহ করতেন।তার ভিকটিমদের বয়স ছিলো ছয় থেকে আঠারো বছরের মধ্যে।মূলত ছেলে শিশুরাই তার মূল আকর্ষন ছিল।হত্যাকান্ডগুলোর বর্ননা অত্যন্ত নৃশংস বলে আমি বিষয়টা এড়িয়ে যাচ্ছি।যারা ফেইট জিরো দেখেছন তারা বিষয়টি ভালো বুঝতে পারবেন।
¤
গিলাস জিজ্ঞাসাবাদ পর্বে[পড়ুন রিমান্ডে] তার সকল অপরাধ স্বীকার করেন।তার এক বিশ্বস্ত চাকর হত্যাকান্ডের কৌশল এবং পদ্ধতি বর্ননা করে।গুরুতর অপরাধের সাজা হিসেবে গীর্জা গিলাস এবং তার দুই চাকরকে মৃত্যুদন্ডে দন্ডিত করে।২৬ অক্টোবর,১৪৪০ সালে গিলাস ডি রেইসকে ফাঁসিতে ঝুলিয়ে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়।
¤
মজার ব্যাপার যে অনেক ঐতিহাসিক মনে করেন যে গিলাস নির্দোষ এবং সবকিছুই গীর্জার কারসাজি।সর্বোপরি বলা যায়,গিলাস ডি রেইস ছিলেন একজন জ্বাজল্যমান বীর যোদ্ধা,কিন্তু তিনি পতিত হলেন পাপের অন্ধকার গহ্বরে।
¤
আরেকটা ব্যাপার হলো এত নিষিদ্ধ কাজ করার পরেও গিলাস পুরোপুরি ঈশ্বরে বিশ্বাসী ছিলেন।এই ব্যাপারটি ফেইট জিরোতে গিলাসের প্রতি ঈশ্বরের প্রত্যাখানের বিষয়টি ব্যাখা করে।
¤
অনেকে গিলাসকে বিখ্যাত লোককথা ‘Bluebeard’ এর উৎস মনে করে।এজন্যই বোধহয় গিলাস তার মাস্টার রিয়োনসকিকে গিলাসকে ব্লুবিয়ার্ড সম্বোধনে ডাকতে বলে।
¤
পোস্টটা অনেক বড় তাই অনেকে বিরক্ত হবেন।তবে আশা করি সকলেই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন।

Fate Zero - Caster

Another [এনিমে রিভিউ] — Maruf D. Raihan

15 Another

Another

জেনরা: থ্রিলার,রহস্য,সামান্য হরর,ট্রাজেডি,স্কুল
এপিসোড সংখ্যা: ১২+১(এক্সট্রা)
স্টুডিও: পি.এ.ওয়ার্কস
নভেল ও মানগা রচয়িতা : ইয়ুকিতো আয়াতসুজি
এনিমে পরিচালনা : সুতোমু মিজোশিমা

MyAnimelist Point : ৭.৯৭
ব্যক্তিগত রেটিং : ৭.৭৫

‘Have you heard the story of a girl named Misaki of class 3 who died in an accident? ‘
খানিকটা এরকম একটা প্রশ্ন(মৃদু গলায়),একটি পুরোনো ক্লাসরুম, মৃত্যুপুরীর ন্যায় একটি স্কুল প্রাংগন-
এভাবে যদি কোন এনিমে শুরু হয় তবে কেমন অনূভুতি হয় তা জানতে চান?? জানতে হলে অল্প সময় বের করে দেখে ফেলুন ‘Another’ নামের এই অন্যরকম এনিমেটি।

গল্প খুবই ক্ষুদ্র এবং প্লট সীমিত হলেও রোমাঞ্চ ও উত্তেজনাময় কিছু ঘটনাবলি এনিমেটাকে খুবই আকর্ষণীয় করে তুলেছে। তবুও গল্পের অল্প ইংগিত দেওয়াই যাক। নাহলে রিভিউ টা প্রশংসা-নিন্দা সর্বস্ব এক রচনা হয়ে দাড়াবে।

ইয়োমিয়ামা নর্থ মিডল স্কুলের এক অস্বাভাবিক ঘটনাচক্র ও তার পরিণতিই কাহিনীর ক্ষেত্র। ব্যাপারটা প্রথম প্রথম ভৌতিক মনে হলেও গল্পের মূল প্রতিপাদ্য ১৯৭২ এর এক অভিশাপ। আর সেই অভিশাপ এর প্রভাব ও কি হয়েছিল এই অভিশাপের কারনে, তা জানতে হলে এনিমে টা দেখতেই হবে।।

সুতরাং,যারা অতিমাত্রায় যুক্তিবিদ এবং অশরীরী ধারণায় বিশ্বাসী নন, তাদের এনিমে টা ভাল লাগবে কি না তা অনিশ্চিত।

উল্লেখযোগ্য চরিত্র বলতে দুইজনের কথা বলা যেতে পারে। দুই প্রোটাগোনিস্ট কোউচি সাকাকিবারা ও মিসাকি মেই। অর্থাৎ,গল্পের ধাচ ভালো হলেও আয়তন সংকীর্ণ হওয়ায় ক্যারেকটার ডেভেলপমেন্ট এর আলোচনা এখানে অবান্তর। মাঝের দিকের কতগুলো (৩-৪ টি) এপিসোড বোরিং লাগলেও শেষের দিকের এপিসোডগুলো আপনার ও কম্পিউটার মনিটরের দূরত্ব কমিয়ে আনবে তা অনেকটা নিশ্চিত।

পি.এ.ওয়ার্কস এর ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড এর কাজ যথেষ্ট সার্থকতার দাবিদার। যখন যেমন পরিবেশ ও দৃশ্য, ঠিক তার উপযোগী ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দাড় করানো বেশ কঠিন। খুবই কম এনিমের মাঝে এমনটা দেখা যায়।
এনিমেটার ১ম এপিসোড দেখার সময় ওপেনিং সং টা শুনে অনেকেই একে ‘পিউর হরর’ টাইপ মনে করতে পারে। কিন্ত এনিমেটা পুরো দেখলে আপনি নিজেই এর প্রকৃতি নিরূপণ করতে পারবেন।

ওপেনিং –
https://www.youtube.com/watch?v=mbMp3YERJ2k

পরিশেষে, এনিমেটা দীর্ঘসময় যে আপনার মনে রেখাপাত করে থাকবে সে ব্যপারে আমি নিজেই সন্দিহান। তবে এনিমেটা দেখার সময় আপনার উত্তেজনা ও রক্তচাপ কিছুটা হলেও বাড়বে বলে আশা করা যায়।

আর এই এনিমেটার উইকি বা কোন ওয়েবসাইট ঘাটতে যাবেন না,অধিকাংশ ওয়েবসাইট এ স্পয়লার দেওয়া হয়েছে। তাই সময় নষ্ট না করে চলে যান সরাসরি এনিমে তে।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – একবিংশতম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “wife” এর কানজি… এটার উচ্চারণ হল “সাই/তসুমা/জুমা”…

tsuma

“তসুমা” মানে “wife”..”তসুমা ও আইশতেরু-i love my wife”…

“আই সাই-beloved wife”..”সাইশি-wife and children” (এখানে wife এর কানজি আর children এর কানজি পাশাপাশি বসে)

উপরের উদাহরণে “সাই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

“হিতোযুমা-married women”….”ইনাযুমা-lighting”….এইখানে “যুমা” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে …..

এই কানজি টা দেখতে খুবই বিদঘুটে ….কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল কইর/কইরেন সবাই…উপরে একটু হাবিজাবি দিয়ে নিচের অংশ টা কিন্তু “ওন্না”র (女)কানজি…

আজকে এই টুকুই ..মাতা নে

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৩ তম পার্ট By অরিন শারমিন

আজকে শিখাব “Japanese onomatopoeia”

ওনোমাতোপিয়া খুবই মজার একটা জিনিস.. জাপানিজরা দৈনন্দিন জীবনের কথাবার্তায় অনেক অনেক ওনোমাতোপিয়া ব্যবহার করে..এই গ্রুপে আমরা যারা আনিমে দেখি তারাও অনেকে জান্তে/অজান্তে অনেক ওনোমাতোপিয়া শিখে থাকার কথা … আজকে কিছু ওনোমাতোপিয়া কিছু উদাহরণ দিয়ে একটু ডিটেইলস শিখান হবে..

১মে আসি ওনোমাতোপিয়া কি জিনিস?

ওনোমাতোপিয়া হল “sound symbolic word/mimetic word”..সরাসরি কোন কিছুর শব্দ(sound) নকল করে কিনবা কোন পরিস্থিতি,কাজ,অনুভূতি,অবস্থা ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত শব্দ(sound) অনুকরণ করে যে সকল শব্দ(word) ব্যবহার করা হয় সেগুলিই হল ওনোমাতোপিয়া..যেমনঃ দোকি দোকি,নিয়ান নিয়ান,উকিউকি ইত্যাদি..

জাপানিজে সাধারনত ২ ধরনের ওনোমাতোপিয়া আছে…

১.গিওনগো ২.গিতাইগো

১.গিওনগো
যে সব ওয়ার্ড কোন কিছুর (ব্যক্তি/বস্তু/প্রানী ইত্যাদি) সাউন্ড সরাসরি নকল করে হল সেগুলাগিওনগো…যে সব জিনিস সাউন্ড করতে পারে/করে সেগুলির সাউন্ড নকল করে গিওনগো ….গিওনগো সাধারণত কাতাকানা দিয়ে লিখে ..

এবার গিওনগোর কিছু উদাহরণ দেই..

নিয়ান নিয়ান/নিয়ানিয়া-বিড়ালের ডাক অনুকরণ করে এই শব্দ টা এসেছে

কেরোকেরো-ব্যাঙ  এর ডাক

বানবান-এটা আসছে bang bang থেকে (বন্দুক দিয়ে গুলি মারার শব্দ)

কন কন-এটা knock knock থেকে (দরজা নক করার শব্দ)

জাআজাআ-অনেক জোরে বৃষ্টি পড়ার শব্দ থেকে আসছে…এটা একটা সেন্টেন্সের মাধ্যমে বুঝাই..

“আমে গা জাআজাআ ফুত্তেইমাইসু”(/জাআজাআ ফুত্তেইমাসু)-It’s raining heavily/it’s raining cats and dogs

পোতসুপোতসু-আস্তে আস্তে বৃষ্টি পড়ার শব্দ থেকে

পোতসুপোতসু ফুত্তেইমাসু-It’s raining softly

সবশেষে আসি যেটা আমাদের সবার প্রিয় সেটাতে 😛 দোকি দোকি…হার্টবিটের সাউন্ড অনুকরণ করে এই শব্দ টা আসছে…

আনাতা নো তামেনি ওয়াতাশি নো কোকোরো গা দোকি দোকি সুরু-for you my heart beats so fast

২.গিতাইগো
গিতাইগো সরাসরি যে সব জিনিস সাউন্ড করে তা নকল করে না.. কোন পরিস্থিতি,কাজ,অনুভূতি,অবস্থা ইত্যাদির সাথে সম্পর্কিত শব্দ(sound) অনুকরণ করে যে সকল শব্দ(word) ব্যবহার করা হয় সেগুলিই হল গিতাইগো…গিতাইগো সাধারণত হিরাগানা দিয়ে লিখা হয়.. কিছু উদাহরণ দিলে ক্লিয়ার হবে..

ওয়াকুওয়াকু/উকিউকি- এই শব্দ টা excitement,happiness এগুলার অবস্থা বুঝায়.. কেউ যদি কোন কিছু নিয়ে খুব খুশি থাকে বা কোন কিছুর জন্য খুবই এক্সাইটেড থাকে তখন অনেকে বলে.. “ওয়াকু ওয়াকু সুরু/উকিউকি সুরু”.. এর মানে হল I’m very excited..

পেকোপেকো-খুদা লাগলে অনেকে বলে “ওনাকা পেকো পেকো”…এর মানে হল I’m very hungry…

গুগু-এটাও খুদা লাগার সাথে সম্পর্কিত … খুদা লাগলে পেটের মধ্যে শব্দ হয় ঐখান থেকে এটা আসছে..”ওনাকা গা গুগুইত্তে মিন্না নো মাএনি ইত্তে হাজুকাশিকাত্তা”..এর মানে হল “I was so embarrassed in front of evrybody because of my stomach grumbling ”

পাকুপাকু-অনেক বেশি খুদা লাগলে অনেকে বলে “পাকুপাকু তাবেরু”-eat enthusiastically and quickly.. (বাংলা করলে হয় সমানে সব খাইয়া ফেলামু 😛 )

কিরাকিরা/গিরাগিরা/পিকাপিকা-sparkle,shine,glitter….এগুলা বুঝায় এই শব্দ টা দিয়ে.. “হোশি গা কিরাকিরা দেসু”-star is shining

ইরাইরা/মুকামুকা-angry,impatient,irritated এই অবস্থাগুলা বুঝায়..”ইরাইরা সুরু”-i’m very angry..

বুইয়োবুইয়ো-অনেক বেশি মোটা হয়ে গেলে বা চর্বি জমলে অনেকে বলে “বুইয়োবুইয়ো নি নাত্তেশিমাশিতা”-I’ve become very fat

আতসুআতসু-super hot…”কোরে আতসু আতসু দাকারা কিওতসুকেতে নে”-this is super hot.. so be careful..

তোরোতোরো-melty state..”কোনো তোরোতোরো চিজু ঐশিই”-this melting cheese is very tasty..

আরো কিছু আছে যেমন নিকোনিকো-smiling face, নিইয়া নিইয়া-smirking/ grinning face,গেরাগেরা-laughing very much,শিকুশিকু-crying/weeping,পিওনপিওন-jumping state,মোরিমোরি-state of swelling ..ইত্যাদি ইত্যাদি….

এরকম আরো অনেক শত শত ওনোমাতোপিয়া জাপানিজরা রেগুলার কনভারসেশনে ব্যবহার করে… মোটামোতি যেগুলা পারি শিখালাম ভবিষ্যতে আরো কিছু শিখলে শিখানর ট্রাই করব…আজকে এ পর্যন্তই..মাতা নে 🙂

শিকড়ের সন্ধানেঃ পর্ব ৬

SS 6

Movie: The Wind Rises: Background Discussion!

আকাশ ছোঁয়ার প্রয়াস দুর্ধর্ষ, ভয়ংকর সুন্দর; ডানা মেলে দিয়ে বিস্তীর্ণ শুন্যপথে উড়ে বেড়ানোর প্রত্যাশা অলৌকিকতা আর লৌকিকতার মাঝে মেলবন্ধন জুড়ে দেওয়া একটা অতি আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন। কিন্তু ঝড়ো হাওয়ায় যদি মুহূর্তে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় ডানাগুলো, তখন ফরাসি সাহিত্যিক পল ভেলারির মত বলতে হয়ঃ ‘The wind is rising! We must try to live on’.

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জাপানিজ ইমপেরিয়াল নেভি আকাশযুদ্ধে শুভ সূচনা করেছিল, সৃষ্টি করেছিল ত্রাস, বোমারু বিমান দিয়ে নয়, দূর্দান্ত কিছু ক্যারিয়ার ফাইটার প্লেন দিয়ে। জাপানিজ পাইলটরা এই অভিনব ডিজাইনের প্লেনের নাম দিয়েছিল ‘রেইসান’ (জিরো ফাইটার)। Maneuverability আর লং-রেঞ্জ এর কম্বিনেশনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথমদিকে পুরো বিশ্বের সেরা ফাইটার হিসাবে নাম ছড়িয়ে পড়েছিল এই জিরো ফাইটারের, একে ডগফাইটের (বিমান-বিমান যুদ্ধ, ১৯৭০-৮০ পর্যন্ত অনেক ইম্পর্ট্যান্ট ব্যাপার ছিল একটা) লিজেন্ড হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছিল। তবে ধীরে ধীরে ইউরোপ-আমেরিকা আরো উন্নত এবং ভয়ংকর ফাইটার প্ল্যান বানিয়ে ফেলে যুদ্ধ শেষের আগেই। যাইহোক, এই প্লেন বানিয়েছিল মিটসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, আর মূল উদ্ভাবক ছিলেন লিজেন্ডারি জাপানিজ এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার জিরো হোরিকোশি। তার জীবন নিয়েই কিংবদন্তী নির্মাতা হায়াও মিয়াজাকি নির্মাণ করেন তার স্বঘোষিত শেষ চলচ্চিত্র এনিমেশন মুভি, ‘দ্যা উইন্ড রাইজেস’।

তবে এক্ষেত্রে মজার ব্যাপার হলো মুভিতে জিরো’র জীবনকাহিনী তুলে ধরা হয়েছে অনেক কাল্পনিক প্রেক্ষাপটের মধ্য দিয়ে। কয়েকটা বিরাট পার্থক্যের কথা বলতে গেলে, বাস্তবের জিরো কিন্তু ছোটবেলা থেকে এয়ারক্রাফট নিয়ে ফেসিনেটেড ছিলেন এমন কোন নজির নেই, মূলতঃ তিনি ভার্সিটি পড়ুয়া অবস্থায় তার বড় ভাইয়ের এক এরোনটিক্স প্রফেসর বন্ধুর সংস্পর্শে এসে অনুপ্রাণিত হন এই ব্যাপারে। হুম বড় ভাই কিন্তু, তার কোন ছোট বোন ছিল না। তিনি ইউরোপীয় এয়ারক্রাফট ম্যাগাজিনের পোকা ছিলেন সত্য; কিন্তু তার সাক্ষাৎকার, আত্মজীবনী কিংবা অন্য কোনখানে ইতালীয়ান এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার জিওভান্নি ক্যাপ্রোনির উল্লেখ ছিল না, ছিল না ম্যাকারেল বোনের কীর্তি! আর সবথেকে বড় কথা, মুভির মূল হিরোইনের বাস্তব অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারপর, বাস্তব জীবনে অন্যান্য জিনিয়াসের মতই জিরোও ছিলেন কিছুটা সমাজবিমুখ, কিন্তু হ্যাঁ, তিনি কখনোই চাননি তার উদ্ভাবন মানুষ মারার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার হোক।(যদিও এ ব্যাপারে অনেক কিছু বলার আছে, এখানে বলতে চাই না)। ১৯২৩ এর ভয়ানক ভূমিকম্পের যে দৃশ্যটা আছে সেটা মুভির সবথেকে আবেগ-জাগানীয়া দৃশ্য সম্ভবত, কিন্তু জিরো নিজে এই ভূমিকম্পের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন এমনটাও কোথাও রেফারেন্স নেই।
মুভিতে জিওভান্নির উল্লেখের পিছনে কাজ করেছে মিয়াজাকির নিজস্ব ফ্যাসিনেশন, বিমানের প্রতি, বিশেষ করে ইটালীয়ান এয়ারক্রাফটের প্রতি (যেমনঃ Porco Rosso)। ‘Ghibli’ নামটাও এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাহারার স্কাউটিং প্লেনগুলোর ইটালীয়ান নাম থেকে। আর বড় ভাইয়ের জায়গায় ছোটবোন দেবার কারণও বোধহয় নির্মাতার ব্যক্তিগত দর্শনের সাথে সম্পর্কিত। তার অনেক মুভিতেই থাকে শক্তিশালী নারী চরিত্র (প্রিন্সেস মনোনকে, স্পিরিটেড এওয়ে), এক্ষেত্রে এর একটা প্রভাব থাকতে পারে। (যদিও এই চরিত্র অতটা প্রভাবশালী নয়)

মিয়াজাকির নিজস্ব ইনোভেশনের পাশাপাশি এই মুভিতে রয়েছে ‘হরি তাতসুও’ নির্মিত ‘দ্যা উইন্ড হ্যাজ রাইজেন’ শীর্ষক উপন্যাসের প্রভাব। মিয়াজাকি নিজেও এক টিভি শোতে বলেছেন ‘নাওয়াকো’ চরিত্রটি উক্ত উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সেটসুকোর আলোকে তৈরীর কথা। আরো একটা ব্যাপার হলো এই নোবেলে ব্যবহৃত মেটাফোর ‘A mackerel sky’ থেকে হয়ত মুভিতে জিরোর মেকারিল পছন্দের ব্যপারটাও এসেছে।
যাইহোক, মুভিটা কালজয়ী নির্মাতা হায়াও মিয়াজাকির সম্ভবত সর্বশেষ উপহার; অনেক ইন্সপায়ারিং, অনেক ইন্টারেস্টিং একটি সৃষ্টি। সবার জন্য ‘অবশ্যই দেখা উচিত’ ক্যাটেগরীতে থাকবে নিশ্চিতভাবে।

Imawa no Kuni no Alice [Alice in Borderland]: Mini Review / Anime Recommendation — Tahsin Faruque Aninda

Alice in Borderland

Alice/Arisu আর তার দুই বন্ধু একদিন বসে বসে আড্ডা দিচ্ছিল, এমন অবস্থায় হঠাত এক “দুর্ঘটনায়” তারা অন্য এক দুনিয়ায় চলে আসে। প্রথম দৃষ্টিতে দেখে মনে হচ্ছিল তারা জনহীন এক এলাকায় আছে, যেখানে দোকানপাট আছে, সেখানে গরম গরম খাবারও আছে, অথচ মানুষ নাই। বাস্তব জীবনের উপর বিরক্ত হওয়া এই তিন বন্ধু এমন অদ্ভুত জায়গায় চলে এসে প্রথম প্রথম বেশ আনন্দেই সময় কাটায়, কিন্তু কিছু সময় পরেই বুঝতে পারে তারা এক ভয়াবহ জায়গায় চলে এসেছে। বেঁচে থাকতে হলে তাদেরকে হরহামেশাই খেলতে হবে বিভিন্ন রকমের খেলা, যেখানে একটু এদিক-সেদিক হলেই মৃত্যু নির্ঘাত। একটা খেলায় বিজয়ী হলে সেই খেলার difficulty অনুযায়ী তাদেরকে কিছু নির্দিষ্ট দিন নির্বিঘ্নে বেঁচে থাকার সুযোগ দেওয়া হয়। সময় শেষ হলেই তাদের জীবনের সময়েও ফুড়িয়ে আসবে। অতএব বেঁচে থাকতে হলে তাদের একের পর এক ভয়ানক সব খেলা খেলে যেতেই হবে।

৩ পর্বের OVA, যদিও মাঙ্গা অনগোইং। অনেকটা BTOOOM! এর স্বাদ পাওয়া যাবে এখানে। তাই এরকম Survival কোন সিরিজ দেখতে ইচ্ছা হলে জলদি জলদি দেখে নিতে পারেন Alice in Borderland OVAটি।

নেটে এই মুহুর্তে মাত্র প্রথম ২ পর্বের ইংলিশ সাবটাইটেল সহ available, ৩য় পর্বের raw ভার্শন আছে, ইংলিশ সাবটাইটেল নেই। তবে এই পেইজে গেলে সেখানে ৩য় পর্বের ইংলিশ ট্রান্সলেশন পাওয়া যাবে: http://elliej-95.tumblr.com/post/115601312217/imawa-no-kuni-no-alice-ova-3-translation

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪২ তম পার্ট By অরিন শারমিন

আজকেও আগের লেসনের মত আরো কিছু জাপানিজ পার্টিকেল শিখাব…

 

১ম পার্টিকেল হল “নো”..

“নো” পার্টিকেলের বাংলা করলে দাঁড়ায় “র” আর ইংরেজি   ” ‘s  ”

কয়েকটা উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি … “আমার” এর জাপানিজ হল “ওয়াতাশি নো” এখানে ওয়াতাশি এর সাথে “নো” পার্টিকেল বসেছে…একইভাবে তোমার-আনাতা নো , তার-কারে নো/ কানোজো নো , অরিনের-অরিন নো ইত্যাদি ইত্যাদি…

ওদা সেন্সেই নো ওয়ান পিসু কাক্কোইই দেসু-ওদা সেন্সের ওয়ান পিস অনেক কুল 😛

 

এর পরের টা হল “মো”

এর বাংলা করলে হয় “ও” আর ইংরেজি হয় “also/too”

কয়েকটা উদাহরণ দেই… আমিও-ওয়াতাশি মো,এখানে “ওয়াতাশি”র সাথে “মো” পার্টিকেল বসেছে..তুমিও-আনাতা মো..কোরে মো-এটাও,আরে মো/সোরে মো-ঐটাও…

“অবন্তী ওয়া নেকো গা সুকি দেসু.. অর্থী মো-অবন্তী বিড়াল অনেক পছন্দ করে…অর্থীও” 😛

 

এর পরের টা হল “কা”

“কা” প্রশ্নবোধক শব্দের শেষে বসে… যেমনঃ “আনাতা ওয়া দারে দেসু কা?”-who are you?

ওয়াকারি মাসু কা?- do you understand? সাত্তে,ইকৌ কা? -okay then,shall we go?

উপরের উদাহরণ থেকে বুঝা যাচ্ছে নরমালি প্রশ্নবোধক বাক্যের শেষে “কা” বসে…”কা” এর আরো কিছু ইউজ আছে আপাতত একটাই শিখালাম… 🙂

 

আজকে লাস্ট যেটা শিখাব সেটা হল “গা”…

“গা” আর “ওয়া” নিয়ে অনেক কনফিউশন লাগে অনেকের মধ্যে… “ওয়া” টপিকের পরে বসে আর “গা” সাব্জেক্টের সাথে..

আগের দিন টপিকের সাথে “ওয়া” কিছু উদাহরণ দিয়ে শিখান হয়েছিল… ঐখানে বলেছিলাম টপিক অনেক ইংলিশের সাব্জেক্টের মত… কিন্তু জাপানিজে আসলে টপিক আর সাব্জেক্ট আলাদা জিনিস… ২ টা প্রায় একই জিনিস মনে হইলেও আসলে ব্যাসিক কিছু পার্থক্য আছে…

উদাহরণ দিলে বুঝা সহজ হবে…ওয়াতাশি ওয়া নিকু গা সুকি দেসু-i like meat…এখানে আমি হইলাম টপিক আর নিকু হইল সাবজেক্ট … এই জন্য “ওয়াতাশি”র পর “ওয়া” আর “নিকু”র পর গা বসেছে..

অনেক সময় শুধু “নিকু গা সুকি”ও বলা যায়… এখানে যদিও টপিক উহ্য তারপরও আমি যদি বলি “নিকু গা সুকি” তাইলে বুঝাই যাচ্ছে যে আমিই টপিক..

কেউ যদি জিজ্ঞেস সরাসরি জিজ্ঞেস করে “who are you?”…তখন উত্তর হবে “ওয়াতাশি ওয়া অরিন”…আবার অনেক মানুষের মধ্যে কেউ যদি জিজ্ঞেস করে “who is orin?”.তখন উত্তর হবে “ওয়াতাশি গা অরিন”… ১ম বাক্যে আমি টপিক কিন্তু ২য় বাক্যে আমি সাব্জেক্ট …

আরেকটা জিনিস হল প্রশ্নবোধক বাক্যে টপিক সবসময় প্রশ্নবোধক শব্দের আগে বসে এবং টপিকের সাথে “ওয়া” বসে….. আনাতা ওয়া দারে দেসু কা?(who are you?)….এখানে “দারে” (who) হল প্রশ্নবোধক শব্দ … আর আনাতা “টপিক”… “আনাতা” দারের আগে বসেছে…আর আনাতার সাথে “ওয়া” বসেছে…

প্রশ্নবোধক বাক্যে সাবজেক্ট প্রশ্নবোধক শব্দের পরে বসে আর প্রশ্নবোধক শব্দের সাথে “গা” বসে…… দারে গা অরিন দেসু কা? (who is orin?)…এখানে টপিক যদিও উহ্য আছে কিন্তু যে জিজ্ঞেস করছে সেইই টপিক আর অরিন সাবজেক্ট…   (জিনিসটা আসলে এমন i am asking who is orin?)  এখানে প্রশ্নবোধক শব্দ “দারে”র সাথে “গা” বসেছে আর পরে সাবজেক্ট বসেছে..

সাবজেক্ট আর টপিকের পার্থক্য বুঝা একটু টাফ… তবে টপিকের পর “ওয়া” আর সাবজেক্টের পর “গা” বসে..এইটুক মনে রাখলে কিছুটা বুঝা যায় …. (গা এর আরো অনেক ইউজ আছে আজকে আপাতত একটাই শিখালাম 🙂 )

 

আজকে এইটুকুই থাক.. মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – বিংশতম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি ছোটবোনের কানজি …. উচ্চারণ হল “মাই/ইমৌতো”

mai imouto

ছোট ভাই এর মত ছোট বোনও একটাভাবেই ডাকা যায়… “ইমৌতো”… “ইমৌতো” মানে “ছোট বোন”…

ওয়াতাশি নো ইমৌতো-আমার ছোট বোন….. এই কানজি টা একা একা লিখলে “ইমৌতো” উচ্চারণ হয়…মানে “ছোট বোন” বুঝায় আরকি….

আগের দিন “শিমাই” (sisters) এর কানজির কথা তো বলছিলামই…আবারো বলি “শিমাই” এর “মাই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…আর “শি” এর জায়গায় “বড় বোন” এর কানজি…বড় আর ছোট বোনের কানজি পাশাপাশি লিখলে “শিমাই” হয় …

“গিমাই” মানে হল sister-in-law…শিমাই তোশি-siser cities…..এখানে “মাই” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

 

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪১ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪১তম লেসন

 

আজকে একটা ইম্পরট্যান্ট জিনিস শিখাব সেটা হল “Japanese particles”

“Japanese particles” শিখার আগে একটা জিনিস জানা দরকার সেটা হল “Japanese basic sentence structure” এ কি কি type এর word থাকে….

**(একটা জিনিস বলে রাখি আমি যা শিখাচ্ছি বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই টাইপের হলেও অনেক ক্ষেত্রেই এর ব্যতিক্রম হতে পারে লাস্টে কিছু ব্যতিক্রমের উদাহরণ দিব )**

 

তাহলে ১মে আমাদের শিখতে হবে “types of words”..

“Japanese basic sentence structure” এ বিভিন্ন টাইপের শব্দ থাকতে পারে তার মধ্যে ইম্পরট্যান্ট কিছু বলি…

Topic word (এটা অনেকটা ইংলিশ সেন্টেন্সের subject এর মত),time word,companion word,place word,object word,verb word.. (জাপানিজ সেন্টেন্সে শব্দ গুলা মোটামোটি এই সিরিয়ালেই বসে)

এবার আসি কোন শব্দের সাথে কোন পার্টিকেল বসে …

topic এর সাথে বসে “wa”
time এর সাথে বসে “ni”
ompanion এর সাথে বসে “to”
place এর সাথে বসে “de”
object এর সাথে বসে “o”
verb সবার শেষে থাকে এর সাথে কোন পার্টিকেল থাকে না..

এবার দুই-একটা উদাহরণ দিয়ে ক্লিয়ার করি …

1.I watched a movie with my friend in a movie theater on Sunday.

2.I ate lunch with my dad at a restaurant on Friday.

3.Abonti speaks Japanese everyday at home with her family.

 

এবার আসি উপরের বাক্যগুলাতে কোনটা কি টাইপের ওয়ার্ড

Topic word (I and Abonti) …
I এর জাপানিজ ওয়াতাশি..

Time word (Sunday,Friday,everyday)
sunday-নিচিইয়োবি
friday-কিনইয়োবি
everyday-মাইনিচি

companion word (my friend,my dad,her family)
friend-তোমোদাচি
dad-চিচি,ওতৌসান,তৌসান,ওতৌসামা ইত্যাদি
family-কাজোকু

place word (movie theater,restaurant,home)
movie theater-এইগাকান
restaurant-রেসুতোরান
home-উচি

object (movie,lunch,Japanese)
movie-এইগা
lunch-ওহিরুগোহান
Japanese-নিহোনগো

verb (watched,ate,speaks)
watched-মিমাশিতা
ate-তাবেমাশিতা
speaks-হানাশিমাসু

(মিনিং প্রায় সবই আগে বিভিন্ন লেসনে শিখানোর কথা.. সুবিধার জন্য সবগুলা আবার বললাম) এখন প্রতিটা বাক্যের ফুল অর্থ বলি..

1.I watched a movie with my friend in a movie theater on Sunday.
১. ওয়াতাশি ওয়া নিচিইয়োবি নি তোমোদাচি তো এইগাকান দে এইগা ও মিমাশিতা.

2.I ate lunch with my dad at a restaurant on Friday.
২. ওয়াতাশি ওয়া কিনইয়োবি নি চিচি তো রেসুতোরান দে ওহিরুগোহান ও তাবেমাশিতা

3.Abonti speaks Japanese everyday at home with her family.
৩. অবন্তী সামা ওয়া মাইনিচি কাজোকু তো উচি দে নিহোনগো ও হানাশিমাসু (এখানে টাইম ওয়ার্ড এর সাথে নি বসে কিনা আমি শিওর না যতদূর জানি everyday specific কোন টাইম না বলে নি বসে না)

 

কঠিন জিনিসপত্র উদাহরণ দিয়ে একটু সোজা করার ট্রাই করছি যারা বুঝছ/বুঝছেন তারা নিচের সেন্টেন্সের জাপানিজ কমেন্টে লিখতে পার/পারেন তাইলে কতটুকু বুঝাতে পারলাম আইডিয়া হবে আমার

“I want to see cherry blossoms in kyoto in the spring” (কিছু শব্দের মিনিং বলে দেই.. want to see-মিতাই দেসু, cherry blossoms-সাকুরা spring-হারু)

এখন ব্যতিক্রমে আসি ….restaurant হল একটা place word কিন্তু যদি restaurant topic word হিসেবে ব্যবহার হয় তখন particle “দে” না বসে “ওয়া” বসে আবার যদি object হিসেবে ব্যবহার হয় তখন “ও” বসে ….

যেমনঃ “restaurant are expensive sometimes”- রেসুতোরান ওয়া তোকিদোকি তাকাই দেসু.. (expensive-তাকাই,sometimes-তোকিদোকি)

she knows many good restaurant-কানোজো ওয়া ইই রেসুতোরান ও তাকুসান শিত্তেইমাসু.. (good restaurant-ইই রেসুতোরান, many-তাকুসান,knows-শিত্তেইমাসু)

এখানে ১ম বাক্যে restaurant টপিক তাই “ওয়া” বসেছে আর ২য় বাক্যে object তাই “ও” বসছে …

শুধু place word না বাকি সব ওয়ার্ড এর ক্ষেত্রেও এমন ব্যতিক্রম হতে পারে…দেখে বুঝতে হবে কোনটা কি ওয়ার্ড হিসেবে ইউজ হয়েছে সেই অনুযায়ী পার্টিকেল বসাতে হয়…

 

আজকে মেলা কিছু বুঝাইছি … এই পর্যন্তই থাক..মাতা নে.. 🙂