Myself ; Yourself! রিভিউ — Mithila Mehjabin

সো দিস ইস্ দা স্টোরি অফ Myself;Yourself! 🙂
(May contain a bit spoiler)

কথায় আছে, ” Childhood is all about future, youth is about present and Old age is all about past!” 🙂

আমরা যারা ইয়ুথ যাপন করছি, সবাই আমরা বর্তমানে বেচেঁ থাকি, এবং ভবিষ্যত কে সাজাই, অতীত নিয়ে যেহেতু করার কিছু নেই, তা নিয়ে মাথা ঘামাই না। সুন্দর অতীত নিঃসন্দেহে সম্পদ, আর দুঃসহ অতীত থেকে পালিয়ে বেড়াই! 🙁
হ্যা, অতীত কে বদলানোর কোনো উপায় নেই, কিন্তু দুঃসহ অতীতের প্রতি আমাদের অনুভূতি বা দৃষ্টিভঙ্গি কে বদলে, ‘খারাপ কিছুও আমার জীবনে ঘটেছে’- এই ব্যাপারটাকে স্বস্তির সাথে স্বীকার করেও যে সামনে এগুনো যায়, এই ধরণের একটা অনুভূতি কে জাগিয়ে তোলা কাহিনীই হলো Myself;Yourself!
🙂
শুরুটা এরকম: Sana Hidaka নামক অতিমাত্রায় কিউট ছোট্ট ছেলেটিকে পারিবারিক কারণে প্রিয় শহর, এবং প্রিয় বন্ধুদেরকে রেখে অনেক দূরে চলে যেতে হয়। পাচঁ বছর পর যখন সে আবার ফিরে আসে, ছোটোবেলার সেই প্রিয় শহর এবং বন্ধুদের চেনা ব্যাপারগুলোর সাথে মিল-অমিল, মান-অভিমান এবং স্মৃতিকাতরতা তাকে একইসাথে আনন্দ এবং অস্বস্তিতে ফেলে দেয়। এবং তার অস্বস্তির সাথে কাটাঁ হয়ে বিধেঁ সেই ছোট্টবেলার শান্ত – শিষ্ট, মিষ্টি, মার্জিত, অতিচেনা-পরিচিত মেয়ে Nanaka Yatsushiro এর আমূল বদলে যাওয়াটা। কি হয়েছিল এই পাচঁটি বছরে? Nanaka কেন আর ভায়োলিন বাজায় না? Shuu এবং Shuri Wakatsuki কেন এত ক্লোজ্? রক্তাক্ত ছুরি কেন Sana কে এত ভয় পাইয়ে দেয়?
এসব প্রশ্নের উওর জানতে হলে দেখে ফেলতে হয় সিম্পল, অথচ সুন্দর এই ছোট্ট এনিমে টা.. 🙂

গল্পের প্রতিটি চরিত্রের ভূমিকাই অনেক যত্ন নিয়ে সাজানো হয়েছে। Aoi’র কমেডি, Hinako’র ছেলেমানুষি, এবং Hoshino’র ভিতরের সত্তাটি গল্পে অন্যরকম প্রভাব ফেলে।

রোমান্স, ড্রামা, স্কুল, স্লাইস অফ লাইফ জেনরের এই এনিমেটা মোটেই টিপিকাল কিছু না, তাই দেখার জন্য কোনো তাড়াহুড়ো অনুভব হয় না। এই হাসিখুসি, প্রাণোচ্ছল মানুষগুলোর হাসির পেছনে জীবনটা যে কতটা কুৎসিত হতে পারে, তা-ই এই কাহিনীর মূল আকর্ষণ। জীবনের তুচ্ছ ব্যাপারগুলোই হাসি-কান্নার খোরাক, গল্পটা সেটাই বারবার মনে করিয়ে দেয়। অনেকের কাছেই নষ্টালজিক মনে হতে পারে। 🙂

এনিমেটির আর্টওয়ার্ক খুবই সুন্দর, এবং টাচিং সাউন্ডট্র্যাক। গল্পজুড়ে যে ব্যাপারগুলো রেফ্লেক্টেড হয়, তা মনে ছাপ ফেলে। ১৩ টি এপিসোড এবং ৩ টি স্পেশাল এপিসোড্, সাবড্ এভেইলেবল্।। 🙂

MAL rating: 7.53
Personal rating: 7
🙂

সো, আগ্রহী বন্ধুরা দেখে ফেলতে পারো! 😀

Arigatou! 🙂

Clannad : After Story, একটি স্পয়লারহীন (প্রায়) রিভিউ — সাজিদ হাসান আপন

“I laughed…
I cried…
I experienced something that changed my life… ” – My Anime List

“It will captivate your heart.” – IMDb

Clannad : After Story যারা দেখসে, আমি নিঃসন্দেহে বলতে পারি সবার অনুভূতি একই রকম। উপরের এই quote দুইটা দিয়েই আসলে পুরা অ্যানিমেটা বর্ণনা হয়ে যায়।

Genre: Drama, Romance
IMDb Rating : 8.9 / 10
My Rating : 9 / 10
22 Episodes + 1 Extra + 1 Summary + 1 OVA = 25 In total.

কেনো দেখবো?

সর্বকালের সেরা ইমোশনাল অ্যানিমেগুলার মধ্যে এটার নাম অনায়াসে থাকবে। Friendship, পারিবারিক টানাপোড়ন, কঠোর বাস্তবতা, জীবনের ছোট-ছোট চাওয়া-পাওয়া – এই জিনিসগুলা একটামাত্র অ্যানিমেতে উপস্থাপনের কঠিন কাজটা Kyoto Animation Limited চমৎকারভাবে করসে এই সিরিজে। Kyoto’র অ্যানিমে মানেই অস্থির Graphic Detail, Nostalgic soundtrack আর চমৎকার Character building. তবে এই অ্যানিমের Soundtrack বিশেষভাবে বিশেষ। (Soundtrack এর link নিচে দেয়া আছে।)

কমেডিগুলা সুন্দর, Meaningful. সুড়সুড়ি দিয়ে হাসানোর চেষ্টা করেনি। (Season: 1 টা বেশি হাসির। Season: 2, মানে যেটা নিয়ে লিখতেসি, কিছুটা গম্ভীর।)

সিরিজটার সবচেয়ে বড় Twist হইলো এর Ending – একেবারেই কল্পনার বাইরে ছিলো Ending টা. আর পুরা সিরিজ জুড়ে চলতে থাকা আপাত অর্থহীন আর কাহিনীর সাথে সম্পর্কহীন জিনিসগুলা Ending-এ এমনভাবে প্রভাব ফেলসে যে (আর কমু না। নিজে দেইখা লন। শুধু এটুকুই বলতে পারিঃ হুমায়ূন আহমেদ টাইপ Ending – “নিজের মতো কল্পনা কইরা লন” জাতীয়।)

Clannad – যার অর্থ Family বা Clan – এই অ্যানিমের মূল Theme. ধুম-ধারাক্কা অ্যাকশন, খুনাখুনি, রক্তারক্তি, Ecchi আর Harem দেখতে দেখতে বিরক্ত হয়ে গেলে Watch-list এ অ্যাড করার জন্য Clannad: After Story এর চেয়ে ভালো অপশন বোধ হয় আর নাই। আর সেই সাথে আপনি যদি খানিকটা Fantasy-lover হয়ে থাকেন, তাইলে এখনই বসে পড়েন দেখতে।

কেনো দেখবো না?

লুতুপুতু-মার্কা অ্যানিমে-বিদ্বেষীরা আর পইড়েন না। আপনাদের জন্য এইটা না। Action-lover রাও কাইটা পড়েন। আপনারা বরং Deadman Wonderland দেখতে পারেন।

এই অ্যানিমেতে কিছু (আসলে বেশ কিছু) অপ্রাকৃতিক ব্যাপার (Fantasy) আছে যেগুলা ভালো না-ও লাগতে পারে। (আমার কাছে lame লাগসে।)

Ending টা হঠাৎ করে চলে আসছে এবং Kyoto Animation এর কাছে আরও ভালো Ending আশা করাই যায়। তবে Visual Novel এর সাথে মিল রাখতে গিয়ে এমন Ending দরকার ছিলো।

নায়িকাটারে খারাপ লাগে নাই। তবে আরও ভালো Female Character ছিলো। (Season: 1)

কান্নাকাটি করতে না চাইলে এই অ্যানিমে দেইখেন না।

শেষকথাঃ

আমার কাছে কেউ ১০টা অ্যানিমের লিস্ট চাইলে এটা সেই লিস্টে থাকবে। English Subbed টা দেইখেন, Dubbed না।

পুনশ্চঃ

Clannad: After Story আসলে Clannad এর 2nd Season. এবং এইটা দেখার আগে 1st Season দেখা আবশ্যক। 1st Season টা 2nd Season এর ধারে-কাছেও নাই তবে কাহিনী বুঝতে হইলে এটা দেখা জরুরী। তাই আমারে গালি না দিয়ে ধৈর্য ধরে দেখতে থাকেন – হতাশ হবেন না।

Download Link:

Season 1:

http://www.animeout.com/clannad-720p-bd-90mb-encoded/
https://coalgirls.wakku.to/28/clannad

Season 2:

http://www.animeout.com/clannad-after-story-complete-batch-bd-100mb-720p-encoded/
https://coalgirls.wakku.to/2470/clannad-after-story

Original soundtrack:

https://www.youtube.com/watch?v=7EOEcE-3v0E (Album 1)
https://www.youtube.com/watch?v=gdh5ysIgl1A (Album 2)

 

Donten ni Warau রিভিউ — Hussain Shoykot Ash

Name- Donten ni Warau/Laughing under the clouds
Episodes- 12
MAL Score- 7.64
Ranked- 1103
Genres- Action, Historical, Shoujo

দোন্তেন নি ওয়ারাউ। এটা একটি হিস্টোরিকাল এনিম, এখানে তিন ভাইয়ের কথা বলা হয়েছে, যারা সামুরাই এবং তারা একটি গ্রামের রক্ষাকর্তা ও সেইখানকার প্রধান হিসেবে আছে, সেখানে কোনোরকমবিশৃঙ্খলা দেখা দিলে রক্ষা করে। পদে পদে নানা ধরণের বিপদ দেখা দেয়, তিন ভাইয়ের মধ্যে বড় ভাই সবচাইতে শক্তিশালী সামুরাই সে তার দুই ভাইকে অনেক ভালবাসে এবং সব ধরনের বিপদ থেকে আগলিয়ে রাখে। কিন্তু মেজ ভাই তার বড় ভাইয়ের থেকেও শক্তিশালী হতে চায় এবং পদে পদে বিপদে পড়ে, মূলত এইএনিমটার কাহিনী গড়ে উঠেছে Good vs Evil এইভাবে।

এই এনিমটা আমার ভাল লেগেছে মূলত এর কাহিনীটা যেভাবে গড়ে উঠেছে, এর অসাধারণ soundtrack, opening song এগুলার জন্য আর মাত্র ১২টা পর্বের মধ্যে এর সম্পূর্ণ কাহিনীটা যেভাবে শেষ করা হয়েছে সেইটা দেখে।

যদি আপনি নতুন কোন এনিমে দেখতে চান, তাহলে আজই এই এনিমটা দেখা শুরু করতে পারেন।

Anime Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Donten-ni-Warau

D.Gray-man রিভিউ — Hussain Shoykot Ash

Name- D.Gray-man
Episodes- 103
Mal Score- 8.23
Ranked- 272
Genres- Action, Adventure, comedy, shounen

আচ্ছা যদি মানুষকে এমন সুযোগ দেওয়া হত যে সে তার প্রিয়জন, যে মারা গেছে তাকে ফিরিয়ে আনতে পারবে, তাহলে সে কি করত? তাহলে সে নিশ্চয়ই দ্বিতীয়বার না ভেবে তাকে ফিরিয়ে আনার জন্য যা করতে বলা হয়েছে, তাই করত।

হ্যা, ডি.গ্রে-ম্যান এ ঠিক তাই দেখানো হয়েছে। এখানে কেউ মারা গেলে সাথে সাথে মিলিনিয়াম আর্ল নামক একজনের আবির্ভাব হয়, যে মৃত ব্যক্তির আপনজনের কাছে এমন একটি যন্ত্র নিয়ে আসে, যার সাহায্যে সেই ব্যক্তি তার সদ্য মৃত আত্মীয়ের আত্মাকে ডেকে আনতে পারবে। এবং এখানেই ভুল করে ফেলে মানুষ, ডেকে নিয়ে আসে তার মৃত প্রিয়জনকে।

এখন বলে দিই, যেই যন্ত্রের সাহায্যে আত্মাকে ডেকে আনা হয়, তাকে বলা হয় আকুমা। এই যন্ত্রের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এতে আত্মা আটকা পড়ে যায় এবং আত্মা মিলিনিয়াম আর্ল এর কথা শোনে। কিন্তু আত্মার মুক্তি হয়না, তাই সে নিজের ইচ্ছার বিরুদ্ধে মিলিনিয়াম আর্লের কথা শুনে এবং ইভিল স্পিরিট হয়ে আটকা পড়ে যায় পৃথিবীতে আকুমা নামক যন্ত্রের
মধ্যে।

এখন আসি, স্বভাবতই আমাদের জানা মতে যখন কেউ মারা যায় তখন সে মুক্তি চাইবেই, কিন্তু তাকে যদি আটকে রাখা হয় তখন সে মনোঃক্ষুণ্ণ হবে। মিলিনিয়াম আর্ল যখন মৃত ব্যক্তির আত্মাকে তার প্রিয়জনের সাহায্যে আকুমাতে পরিণত করেছে, তখন আকুমাকে যাতে সাধারণ মানুষ চিনতে না পারে তাই তাকে আদেশ দেয়, যেন সে যে তাকে ডেকে এনেছে তার শরীর ধারণ করে।

এ তো গেল আকুমাতে পরিণত হওয়ার ঘটনা, কিন্তু যখন ইভিল থাকবে তখন নিশ্চয়ই হিরোও থাকবে যারা পৃথিবীকে রক্ষা করবে!

হ্যা, এখানেও তেমন আছে এবং তাদেরকে এক্সরসিস্ট বলা হয়। এদেরকে গড এমন পাওয়ার দেন যাতে তারা আকুমা ধ্বংস করতে পারে। এদেরকে যে পাওয়ার দেওয়া হয় তাকে বলা হয় ইনোসেন্স। যেই সংগঠন আকুমা ধ্বংসের কাজ করে তাদের নাম হচ্ছে ব্ল্যাক অর্ডার। ইনোসেন্স নিয়ে গবেষণা করে এমন বিজ্ঞানী, এক্সরসিস্ট এবং আকুমা শনাক্ত করে এমন রিসার্চ টিম থাকে। মূলত এই নিয়েই গঠিত ব্ল্যাক অর্ডার। বিভিন্ন এক্সরসিস্টের বিভিন্ন পাওয়ার আছে, এবং বিভিন্ন আকুমার বিভিন্ন পাওয়ার।

 

অন্যান্য বিভিন্ন শৌনেন এনিমের মতো এখানেও একজন কেন্দ্রীয় নায়ক চরিত্র আছে। তার নাম হচ্ছে এলেন ওয়াকার, তিনি অন্যান্য এক্সরসিস্ট থেকে আলাদা। তার ওপর একটা অভিশাপ আছে, যার কারণে সে তার বাম চোখের সাহায্যে মানুষের ছদ্মবেশে আকুমা থাকলে তা দেখতে পারে। এবং যেই অস্ত্র সে আকুমা মারতে ব্যবহার করে, তা আর কিছুই না; তার নিজের হাত। হ্যা, তার হাত একটা অস্ত্র। যখন কোনও আকুমা শনাক্ত হয় তখন এটা একটিভেট হয় এবং এলেন আকুমা মারতে তা ব্যবহার করে।

প্রথম ৫ টা পর্ব একটু বোরিং, কারণ এখানে নায়কের প্রবেশ হয় এবং শুধু আকুমা বনাম এক্সরসিস্টের সংঘর্ষ হয়, তাই প্রথম প্রথম মনে হতে পারে যে এটা এমন এনিম যেখানে প্রতিটা পর্বে এক্সরসিস্ট আকুমা হান্টে বের হবে এবং একটা পর্ব একটা মিশন নিয়ে গঠিত, কিন্তু ৫ টা পর্ব ধৈর্য নিয়ে দেখুন, আর তার পর দেখুন কিভাবে কাহিনী ডালপালা মেলে আপনার সামনে উপস্থিত হয়। এনিমটার গ্রাফিক্স একটু খারাপ, তবে পুরানো এনিম হিসেবে ভালই বলতে হয়। ওপেনিং এবং এন্ডিং গানগুলি অসাধারণ। তবে যেই জিনিসটা আমার এই এনিমের সবচাইতে ভাল লেগেছে সেইটা হচ্ছে যেভাবে স্টোরি গড়ে উঠেছে এবং যেভাবে কাহিনী অগ্রসরহয়েছে।

যদি এই এনিমটা না দেখে থাকেন তাহলে আপনি বুঝবেন না কি মিস করেছেন, তাই যদি কোন নতুন স্বাদের শৌনেন এনিম দেখতে চান, তাহলে আজই দেখা শুরু করতে পারেন অসাধারণ এই এনিমটি

Anime download link-http://kissanime.com/Anime/D-Gray-man

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – পঞ্চদশতম পাঠ

সানজি কানজি গেঞ্জি নিয়ে আবার হাজির হয়েছি 😀 (এবারের গ্যাপ মনে হয় অনেক বেশিই ছিল 😛 )

এর আগে নাম্বার,ডিরেকশন,নেচার এইরকম বিভিন্ন ক্যাটাগরির বিভিন্ন কানজি শিখান হয়েছে…..আজ থেকে নতুন আরেকটা ক্যাটাগরি শুরু করব..”human relation”..এর আন্ডারে মোটামোটি যতগুলা জানি আস্তে আস্তে দেয়ার চেষ্টা করব.. 🙂

আজকে ১ম যেটা দিয়ে শুরু করব সেটা হল “father” এর কানজি…উচ্চারণ হল “ফু/তৌ/চিচি”

“ওতৌসান” মানে যে বাবা সেটা মনে হয় আনিমে দেখা পাবলিক অনেকেই জানে….এখানে “তৌ” এর জায়গায় এই কানজি বসে…”চিচিওইয়া” মানেও বাবা..এখানে “চিচি”র জায়গায় এই কানজি বসে…(গোকুর বৌয়ের চিচি না কিন্তু 😛 )

“চিচি নো হি” মানে হল “বাবা দিবস”

“parents” এর জাপানিজ হল “ফুবো”… বাপ আর মা এর কানজি পাশাপাশি লিখলে “parents” হয়… এখানে “ফু” এর জায়গায় বাবা আর “বো” এর জায়গায় মা এর কানজি বসে

Working! এনিম রিয়েকশন — মোঃ আসিফুল হক

প্রথমেই দুইটা জোক্সঃ

১) There are two types of people in this world:… Those who can extrapolate from incomplete data.
২) A Roman walks into a bar, holds up two fingers, and says: “Five beers, please.”

কি বললেন? একটুও হাসি আসে নাই? জানেন, আমারও না। কিন্তু আমার এক বন্ধু আছে; সে এই জোকসগুলায় হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাইসে। :/
কথা হইল; সেই আজাইরা প্যাচাল এইখানে ক্যান? কারণ হইল কমেডি ট্যাগওয়ালা একখান সিরিজ দেখসি। আর হাসি জিনিসটা বড়ই অদ্ভুত; কার যে কিসে হাসি আসবে বোঝা বড় মুশকিল !! যেই যেই এলিমেন্টে হাসতে হাসতে চোখে পানি চলে আসার কথা; বেশিরভাগ জায়গায় উলটা ক্যান জানি বরং মেজাজ খারাপ হইসে। চোখ মুখ কুচকায়ে স্ক্রিনের দিকে তাকায় মনে মনে ভাবসি, “huai man, huai?” -_-

সিরিজটার নাম ওয়ার্কিং। উপরের বর্ণনা শুইনা মনে হইতে পারে আমি বুঝি সিরিজটায় মহা বিরক্ত; ব্যাপারটা আসলে তেমন না। ঘটনা ভাইঙ্গা বলি তাইলে। নায়ক তাকানাশি আর নায়িকা ইনামি। সমস্যা হইল এই ইনামিরে নিয়া। এতো বৈচিত্র্যহীন আর মনোটোনাস ক্যারেকটার !! অথচ স্ক্রিনটাইম পাইসে সে-ই সবচেয়ে বেশি। অন্যদিকে সাতৌ বা ইয়ামাদার মতন ইন্টারেস্টিং ক্যারেকটার অর্ধেক জায়গাও পায় নাই।

সিরিজের সেটিং একটা ফ্যামিলি রেস্টুরেন্টে কাজ করা কিছু মানুষ এর ডে-টু-ডে লাইফ নিয়া। এদের একেকজনের একেক রকম উদ্ভট সমস্যা আছে; ভাললাগা আছে। সেইগুলা নিয়াই কমেডি দিয়া চালানো সিরিজ। কোন এনিমেরই কাহিনী সংক্ষেপ বলতেও ভাল লাগে না; শুনতেও মনে হয় না কারো ভাল লাগার কথা। দেখলেই কাহিনী বুইঝা যাবেন; অথবা না-ও যাইতে পারেন; কারণ কাহিনী থাকলে তো বুঝবেন !!

এইবার চুলচেরা বিশ্লেষণ। প্রথম রিয়েকশনঃ নায়িকাডা এতো এনয়িং না হইলেই হইত। ওভারঅল – মজাই আছে। হাল্কা ধরণের জিনিস। মাঝখানে রোমান্টিক কিছু পার্ট ঢুকানোর চেষ্টা করসে; বেহুদা। কিছুই হয় নাই। ১৩ পর্ব শেষ কইরা সেই রোমান্স ঘুইরা ফিরা সেইম জায়গাতেই ফেরত আসছে। -_-
ক্যারেকটার ডিজাইন ভাল; এটলিস্ট একজন থেইকা আরকজনরে আলাদা করতে পেইন হয় না।
এনিমেশন ভাল; সাউন্ডট্র্যাক চলে।
ক্যারেকটার এর ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি মোর ওর লেস ব্যাখ্যা করার ট্রাই করসে; সো ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টে ভাল মার্ক্স।
কিছু কিছু জোকস মাঝে মাঝেই ওভারইউজড; ভ্যারিয়েশন কম। এক টপিকস নিয়ে চাইলে অনেক রকম জোকসই করা যাইত, সেইদিকে কিছু মার্ক্স কাটা। :/
ভয়েস এক্টিং এর ব্যাপারে আমার আইডিয়া খুবই কম; তবে শুনে মনে হইল ভাল পাবলিকরাই ভয়েস দিসে। শুইনা ভাল লাগে।

তো ইন শর্ট; ইনামির পেইনগুলা বাদ দিলে এঞ্জয়েবল। স্লাইস অফ লাইফ কমেডি ঘরানার সিরিজ পছন্দ করা লোকজনের জন্য অবশ্যই রিকমেন্ডেড; আর বাকিদের জন্য “দেখতে ইচ্ছে হইলে দেখেন, না হইলে থাকুক।”

Gosick রিভিউ — Rafiul Alam

“I don’t mind being unsightly. I found something more important than pride!” — Victorique

এই মাত্র দেখে শেষ করলাম।মনে ভয়ংকর সুন্দর অনুভূতির সৃষ্টি হয়েছে।এটি এমন এক অনুভূতি যা বলে বোঝানোটা দায়।নির্মল সুন্দর একটি এনিমে।Bones স্টুডিওয়ের এনিমে বলে কথা।এই স্টুডিওয়ের অন্যান্য এনিমের ছাপ উল্লেখযোগ্য।উদাহরণ স্বরুপ ফুলমেটাল আলকেমিস্ট।তবুও এনিমেটা স্বতন্ত্র।

Synopsis: সাল১৯২৪। ফ্রান্স ও ইতালীর মাঝে একটি কাল্পনিক দেশ হল Saubure.এই Saubure এর কোন গ্রামে অবস্থিত Saint Marguerite Academy.একাডেমিটা এমন এক জায়গায় অবস্থিত,যেখান থেকে আল্প্স পর্বত দেখা যায়।এই একাডেমিতে পড়তে আসে আমাদের গল্পের নায়ক জাপানি ট্রান্সফার স্টুডেন্ট কাজুইয়া কুজো।তার চোখ ও চুল কালো বলে একাডেমির শিক্ষার্থিরা তাকে কালো শিনিগামী বলে ডাকে এবং কাছে আসতে ভয় পায়। অগত্যা বেচারা একা একা থাকে।একদিন একাডেমির লাইব্রেরি টাওয়ারে গল্পের বই পড়তে গিয়ে সোনালী চুল আবিষ্কার করে।তার উৎসের সন্ধান করতে গিয়ে পরিচয় হয় অদ্ভুত স্বভাবের মেয়ে ভিক্টোরিকার সাথে।অদ্ভুত স্বভাবের হলেও খুব দ্রুতই কুজোর সাথে বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে।রহস্যপ্রিয় ভিক্টোরিকা এবং কুজো নানা ধরনের ঘটনায় জড়িয়ে পড়ে।এগিয়ে যায় কাহিনী।


Theme setup, Background Music & Animation: “20th century europe”…এমনিতেই আমার ভালো লাগে।এক্ষেত্রে প্রথম বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী ইউরোপ।এমন প্রেক্ষাপটের এনিমে খুবই কম আছে বলে মনে হয়।গথিক এনভাইরোমেন্ট সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।তৎকালীন জীবনযাত্রা ও প্রযুক্তি ভাল ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। এক কথায় ওয়ান অফ এ কাইন্ড।আপনাকে মুডে আনতে বাধ্য। মিউজিকও বেশ ভালো।বিশেষ করে দ্বিতীয় এন্ডিংটা কিছুটা সেল্টিক মিউজিকের মত।আমার ভাষায় “খানদানী”।এনিমেশন নিয়ে বিশেষ কিছু বলার নেই। Bones স্টুডিওয়ের গতানুগতিক এনিমেশন।
Characters setup: এক্ষেত্রে মেইন ফোকাস হল ভিক্টোরিকা।ব্যাপারটা অনেকের ভাল নাও লাগতে পারে।টিপিকাল tsundere ক্যারেকটার আমার খারাপ লাগেনি।সরল ছেলে কুজোকে বেশ পছন্দ হয়েছে।

Overall Rating:

MAL rating: 8.27/10
My rating: 8.5/10

2nd Ending: http://youtu.be/4lXMrkq-NEc

Shiki রিভিউ — Rafiul Alam

“Death is terrible for anyone. Young or old, good or evil, it’s all the same. Death is impartial. There is no especially terrible death. That’s why death is so fearsome. Your deeds, your age, your personality, your wealth, your beauty: they are all meaningless in the face of death.”

-Sunako Kirishiki (Shiki)

প্রাণি হত্যা….আপনার মনোভাব কিরকম?প্রয়োজনে,অপ্রয়োজনে আমরা যখন প্রাণি হত্যা করি,তখন নিশ্চয়ই সেই প্রাণিটার কথা ভাবি না?এখন কি হবে যদি আপনাকে বলা হয় সেই প্রাণির জায়গায় নিজেকে রাখতে?আপাত দৃষ্টিতে খুবই যুক্তিহীন মনে হতে পারে।কিন্তু এনিমেটা দেখার পর এরকম প্রশ্ন মনে আসতে বাধ্য।অবশ্যই আমার দেখা প্রিয় হরর এনিমে গুলোর মাঝে একটি।এক্ষেত্রে শুধু হরর কনটেন্ট বিবেচনা করা উচিত হবে না।যুক্তিবাদ ও কল্পনার মাঝামাঝি কোন স্থানে এর মূলভাব।আর একটি বিষয় স্বীকার করতে দ্বিধা নেই।ভ্যাম্পায়ার সম্বন্ধে ভালভাবে প্রথম জেনেছি এটা দেখে,ব্র্যাম স্টকারের ড্রাকুলা পড়ে নয়।

Synopsis: জাপানের কোথাও পাহাড় ঘেঁষা একটি গ্রামের নাম হল Sotoba.শহর থেকে দূরে শান্ত একটি গ্রাম।গল্পের শুরুতেই দেখা যায় যে পুলিশ এক বৃদ্ধ দম্পতির লাশ উদ্ধার করে।আর পরিচয় হয় হাইস্কুল ছাত্রী মেগুমির সাথে।যে কিনা Sotoba গ্রামকে ঘৃণা করে।তার ধারণা গ্রামটি খুবই ব্যাকডেটেড।গ্রামবাসীকে তার মোটেও পছন্দ নয়।গ্রামে তার মাত্র দুটি জিনিস ভালো লাগে।এক হল তার ক্রাশ নাটসুনো ইউকি।অন্যটি হল পাহাড় ধারে নতুন নির্মিত ইউরোপিয়ান স্টাইলড ম্যানসন।গল্পের প্রথম দিনেই সে নিখোঁজ হয়ে যায়।কিভাবে?কেন? জানতে হলে নিজেই দেখুন।

Theme setup, Backgroung Music & Animation:থিম সেটআপ মোটেও মন্দ নয়।ভ্যাম্পায়ার এনিমে হিসেবে কিছুটা ভিন্ন রকম।জাপানের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য লক্ষ্যণীয়।শান্ত গ্রামের নির্মল আবহ বিদ্যমান।ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক আরো ভালো হওয়া উচিত ছিল।ওপেনিং দুটি বেশ ভালো।

Characters Setup: প্রচুর ক্যারেকটার।নাম মনে রাখাই কষ্টসাধ্য বিষয়।তবে ২২টি এপিসোডে বেশ ভাল এক্সিকিউট করা হয়ছে।ড. ওজাকি ও তার বন্ধু মুরয় আমার প্রিয় চরিত্র।

Overall Rating:

MAL Rating: 8.12/10
My Rating: 8.3/10

OST link: https://www.youtube.com/playlist…

Monster রিভিউ — Rafiul Alam

“When you’re in the darkness,you only sink deeper into it.Keep the light shinning.”-Dr. Kenzo Tenma

জীবনকে আপনি কতটুকু ভালবাসেন?মানুষের জীবনের প্রতি আপনার মূল্যবোধ কেমন?নিষ্ঠুর বাস্তবতার অনন্য উদাহরণ এই এনিমেটা। সবই নতুন করে ভাবতে শেখাবে আপনাকে।অনেকের মতেই এটা সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সাইকোলজিকাল এনিমে।নাওকি উরাসাওয়া নিজের জাত চিনিয়েছেন মাঙ্গার দ্বারা আর ডিরেক্টর কোজিমা মাসয়ুকি এনিমের দ্বারা।এই রকম মাস্টারপিস লেভেলের এনিমে নেই বললেই চলে। কেন জানি এনিমেটার প্রতি আমার একটু বেশিই ভালোবাসা আছে।দেখার সময় অগণিতবার কেঁদেছি।আমার মনে একটু বেশিই প্রভাব ফেলেছে মনে হয় এনিমেটা।রিভিউ লেখার পেছনে তাই বিশাল আবেগ কাজ করছে।

Synopsis: জিনিয়াস neurosurgeon ড. কেনজো টেনমা।জার্মানী প্রবাসী জাপানি চিকিৎসক। সাদা মনের ভালো মানুষ।কাজ করেন Eisler Memorial Hospital এ।হঠাৎ একদিন গুরতর আহত অবস্থায় সেই হাসপাতালে ভর্তি হওয়া এক বিখ্যাত অপেরা singer এর সফল অস্ত্রপচারের পর বেরিয়ে আসার সময় ড. টেনমার পথ রোধ করেন এক তুর্কী মহিলা।তিনি কান্নাভেজা চোখে দাবী করেন যে তার স্বামী অপেরা শিল্পির আগে আহত অবস্থায় এসেছিলেন।কিন্তু ড. টেনমা অপেরা শিল্পির অস্ত্রপচার করেছেন।যদি ড. টেনমা তার স্বামীর অস্ত্রপচার করতেন,তাহলে হয়ত তিনি বেঁচে যেতেন।মহিলা ড. টেনমাকে তার স্বামীকে ফিরিয়ে দিতে বলেন।এরুপ পরিস্থিতিতে বিব্রত ড. টেনমা কোনভাবে সটকে পড়েন।কিন্তু মহিলার সাথে থাকা বাচ্চা ছেলেটির কান্না তার মনে ভীষণভাবে দাগ কাটে।রাতের বেলায় যখন তিনি তার বাগদত্তা ইভা হাইনামেনের সাথে রেস্টুরেন্টে ডিনার করছিলেন তখন তার মনে ভেসে ওঠে সেই বাচ্চা ছেলেটির কান্না।পরে সেইরাতেই এক পরিবারের তিনজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করে পুলিশ।যার ইতিমধ্যেই বাবা-মা মারা গেছেন।দশ বছরের যমজ ভাইবোনদের মাঝে ভাইয়ের অবস্থা আশঙ্কাজনক,মাথায় গুলি লেগেছে।বোন মানসিক ভারসাম্যহীন।তাদের ভর্তি করা হল Eisler Memorial Hospitalএ।বাচ্চা ছেলেটির অস্ত্রপচার করার দায়িত্ব পড়ল ড. টেনমার ওপর।কিন্তু বাধ সাধল আরেক বিড়াম্বনা।মাথায় আঘাত পেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন Düsseldorf শহরের মেয়র।হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ থেকে বলা হল ছেলেটাকে রেখে মেয়রের অস্ত্রপচার করার জন্য।কিন্তু ড.টেনমার কানে বাজছে সকালের সেই বাচ্চা ছেলেসহ মায়ের আর্তনাদ।তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন যে করেই হোক,বাচ্চাটির প্রাণ তিনি বাচাবেন।এই সিদ্ধান্তই বদলে দিল ড. টেনমার জীবন।

Theme Setup,Background music & Animation:পারফেকশনের উৎকৃষ্ট উদাহরণ।বার্লিন ওয়াল ভাঙ্গার পরবর্তী জার্মানিকে খুবই সুন্দরভাবে উত্থাপন করা হয়েছে।Czezh Republic বর্ডার,511 Kinderheim,Red Rose Mansion এসবগুলো জায়গাই আপনার মগজে ঢুকে যেতে বাধ্য। Opening, Ending দুইটাই ভাল লেগেছে।প্রথম এন্ডিংটা বেশি জোস,ওটা আসলে”For the love of life”গানটির ইন্সট্রুমেন্টাল। Madhouse Studio এর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক সবসময়ই ভালো হয়।উদাহরণ হিসেবে Death Note এর নাম উল্লেখ করা যায়।ost গুলোর লিঙ্ক নিচে দিয়ে দিচ্ছি।animation আমার কাছে বেশ ভালো লেগেছে।সাধারণ ক্লিসে এনিমে মতো না।বরং আনেক বেশি বাস্তব।

Characters Setup:প্রচুর চরিত্র রয়েছে। সবগুলো চরিত্রই আমার খুব প্রিয়। ড. টেনমা আমার সবচেয়ে পছন্দের চরিত্র।ইন্সপেক্টর লুঙ্গেকেও আমার অনেক শ্রদ্ধেয় মনে হয়েছে।আর যার নাম বলতে হয় সে হল গ্রিমার।অনেকের কাছে মনে হতে পারে চরিত্রগুলো একই রকম।এক্ষেত্রে আমার বক্তব্য হল চরিত্রগুলোর মাঝে যে সুক্ষ পার্থক্য রয়েছে তা মনোযোগ দিলেই ধরা সম্ভব।

Overall Rating:

IMDB Rating: 8.6
My Rating: 9.7

OST Link:http://www.youtube.com/playlist?list=PLD1628F5C6E88FD17

“And slowly,you come to realize…It’s all as it should be.…..”

Cowboy Bebop রিভিউ — Rafiul Alam

“I think it’s time we blow this scene…Get everybody and the stuff together…..OK. 321 Let’s Jam…”
ওপেনিং টাই এনিমেটার theme song….অসাধারণ একটা এনিমে।90s ক্লাসিকের অনন্য উদাহরণ।আমার ধারণা আপনাদের সবাই এনিমেটা দেখেছেন,তাও প্রথম কোন রিভিউ দেওয়ার ইচ্ছে হল……যাই হোক…

Synopsis: সাল 2071. মানুষ পৃথিবী ছেড়ে মহাকাশ জয় করেছে।হাইপার-ড্রাইভের সাহয্যে যোগাযোগ- ব্যবস্থা হয়েছে আরও সহজ।তবে বিজ্ঞানের উন্নতির সাথে সাথে অপরাধও বৃদ্ধি পেয়েছে।তাই অপরাধীদের শায়েস্তা করতে ব্যবহার করা হয় পুরোনো bounty hunting কৌশল।গল্পের শুরুতেই আমাদের পরিচয় হয় Spike Spiegel ও Jet Black এর সাথে।তারা হলেন পেশাদার bounty hunter.অপরাধী ধরিয়ে দিয়ে অর্থ উপার্জন করাটাই যাঁদের কাজ।গল্প এগিয়ে যায় এই দুজনের adventure নিয়ে।গল্পের পর্যায়ক্রমে তাদের সাথে জড়িয়ে পড়ে Faye Valentine নামের এক অদ্ভুত নারী ও Edward নামের এক মজার বাচ্চা মেয়ে।ধীরে ধীরে আরও চরিত্রের উত্থাপন হয়,উন্মোচিত হতে থাকে তাদের অতীত।জমাট হতে থাকে কাহিনী।

Theme Setup,Background Music & Animation:2071 সালকে যেভাবে কল্পনা করা হয়েছে তা আমার কাছে খুবই সুন্দর লেগেছে।এনিমেটিতে physics এর ব্যাপারটিও ভালো ভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।আর একটি জিনিস খুব পছন্দ হয়েছে,Spike এর sword fish II নামের mono racer টি।ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিকে কিছু western track ব্যবহার করা হয়েছে।এছাড়াও এপিসোড 5 এ ব্যকগ্রাউন্ডে যে choir music ব্যবহার করা হয়েছে তা শুনে আমার মাথা নষ্ট হবার যোগার হয়েছিল।সব কটি track ই মুড এর সাথে সুন্দর খাপ খেয়ে যায়।এনিমেশন নিয়ে কোন কথা হবে না।প্রতি সেকেন্ডের জন্য 10টি ফ্রেম আকা চাট্টিখানি কথা নয়।সম্ভবত এটাই sunrise studio এর শেষ হাতে আকা এনিমে।

Characters setup: আমার দেখা সবচেয় নিখুঁত setup. প্রত্যেকটি character ই বেশ ভালো লেগেছে।সবচেয়ে বেশি ভালো লেগেছে Spike Spiegel এর easy going style.চরিত্র ফুটিয়ে তুলতে নির্মাতাদের কোন কমতি ছিল না।আমি এক্ষেত্রে10এ 11 দিলাম।

Overall Rating:
Imdb rating: 9/10
My rating: 9.6/10
SEE YOU SPACE COWBOY…..
ost link: http://www.youtube.com/playlist?list=PL65E33789AA7052BC
Green Bird:
http://youtu.be/hD9dbEulPtg