‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৯

ইফ ইউ লাইকড ‘Mushishi’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Natsume Yuujinchou’

আপনার কাছে ‘Mushishi’ ভালো লাগলে ‘Natsume Yuujinchou’’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Mushishi’ ও ‘Natsume Yuujinchou’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটাই এপিসোডিক অ্যানিমেই।
* মেইন ক্যারেক্টারদের স্পেশাল পাওয়ার আছে যার জন্য সুপারন্যাচারাল ক্রিয়েচার দেখতে পায় যা সাধারণ মানুষ দেখতে পায় না।
* সেইম জনরা এর- ফ্যান্টাসি, স্লাইস আভ লাইফ, সুপারন্যাচারাল।
* ইউনিক আর ড্রামাটিক স্টোরি।
* অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক।
* দুইটা অ্যানিমেই ই হিলিং, সুদিং।
* সেইম এটমোস্ফিয়ার। সফট কালার, আর্ট।
* স্লো-পেসড আর হার্ট ওয়ার্মিং সিরিস।
* ইন্টারেস্টিং ক্যারেক্টার।

Mushishi এর রিভিউ – Mushishi Review

Natsume Yuujinchou এর রিভিউ – NatsumeYuujinchou Review

‘Mushishi’ ও ‘Natsume Yuujinchou’ এর মধ্যে অমিল-

* ‘Mushishi’ এর মেইন ক্যারেক্টার Ginko বিভিন্ন জায়গায় ভ্রমন করে বেড়ায় কিন্তু ‘Natsume Yuujinchou’ এর মেইন ক্যারেক্টার Natsume এক জায়গায় স্থির থেকে বিভিন্ন সমস্যার সমাধান করে।
*  ‘Mushishi’ এর মেইন ফোকাস Mushi আর ‘Natsume Yuujinchou’ এর মেইন ফোকাস Yokai.
*  ‘Mushishi’ তে এক এপিসোডের ক্যারেক্টার অন্য কোন এপিসোড এ আসে না কিন্তু ‘Natsume Yuujinchou’ তে এক এপিসোডের ক্যারেক্টার অন্যান্য এপিসোড এ আসে।
* ‘Mushishi’ এর কাহিনির সেটিংস অনেকটা জাপানের Meiji Era এর দিকের কিন্তু ‘Natsume Yuujinchou’ এর কাহিনি্র সেটিংস বর্তমান জাপান এর।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৮

ইফ ইউ লাইকড ‘Amagami SS’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Photokano’

আপনার কাছে ‘Amagami SS’ ভালো লাগলে ‘Photokano’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Amagami SS’ ও ‘Photokano’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটা অ্যানিমেই ই অমনিবাস ফরম্যাট এ।
* দুইটা অ্যানিমেই ই ডেটিং সিমুলেশন গেম থেকে এডাপ্ট করা।
* দুইটা ডেটিং সিমুলেশন গেম এর ই প্রোডিউসার Enterbrain.
* ডেটিং সিমুলেশন গেম এর বিভিন্ন ফিমেইল ক্যারেক্টার এর রুট এডাপ্ট করা।
* সিমিলার সিচুয়েশন, সেইম স্কুল লাইফ সেটিংস।
* মেইন ক্যারেক্টার স্কুল স্টুডেন্ট।
* মেইন ক্যারেক্টার এর সাথে সব ফিমেইল ক্যারেক্টার এর রিলেশন হয়, প্রত্যেকটা ফিমেইল ক্যারেক্টার এর জন্য আলাদা আর্ক আছে।
* সেইম জনরা এর- রোমান্স, স্কুল।
* সেইম আর্টওয়ার্ক।
* ক্যারেক্টারগুলোর মধ্যে মিল- চাইল্ডহুড ফ্রেন্ড, স্কুল প্রেসিডেন্ট।
* কোনোটাই হারেম অ্যানিমেই না।

‘Amagami SS’ ও ‘Photokano’ এর মধ্যে অমিল-

* ‘Amagami SS’ এ প্রত্যেকটা ফিমেইল ক্যারেক্টা এর আর্ক ৪ পর্ব করে কিন্তু ‘Photokano’ এ প্রত্যেকটা ফিমেইল ক্যারেক্টা এর আর্ক ১ পর্ব করে।
* ‘Amagami SS’ বেশি ডেসক্রিপটিভ।
* ‘Photokano’ তে হালকা এচ্চি ম্যাটেরিয়াল আছে।
* ‘Photokano’ তে প্রথম কয়েক পর্ব নরমাল, ফিমেইল ক্যারেক্টারদের আর্কগুলো কয়েক পর্ব পরে থেকে শুরু হয়।

 

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৭

ইফ ইউ লাইকড ‘Gekkan Shoujo Nozaki-kun’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Mangaka-san to Assistant-san to the Animation

আপনার কাছে ‘Gekkan Shoujo Nozaki-kun’ ভালো লাগলে ‘Mangaka-san to Assistant-san to the Animation’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Gekkan Shoujo Nozaki-kun’ ও ‘Mangaka-san to Assistant-san to the Animation’ এর মধ্যে মিল-

* মাঙ্গাকা (মাঙ্গা-আর্টিস্ট) দের নিয়ে কাহিনি।
* কমেডি জনরার।
* মেইন ক্যারেক্টার মাঙ্গাকা, নিজের মাঙ্গা পাবলিশ করে।
* নির্দিষ্ট কোন স্টোরিলাইন নাই।
* মাঙ্গাকা আর এসিস্ট্যান্টদের দৈনন্দিন হাসির ঘটনা নিয়েই কাহিনি।

‘Gekkan Shoujo Nozaki-kun’ ও ‘Mangaka-san to Assistant-san to the Animation’ এর মধ্যে অমিল-

* Mangaka-san to Assistant-san to the Animation এচ্চি জনরার।
* Gekkan Shoujo Nozaki-kun তে কোন এচ্চি ম্যাটেরিয়াল নাই।
* Gekkan Shoujo Nozaki-kun রোমান্স জনরার, রোমান্স ম্যাটেরিয়াল বেশি।
* Mangaka-san to Assistant-san to the Animation তে ফিমেইল ক্যারেক্টার বেশি।
* Gekkan Shoujo Nozaki-kun তে ক্যারেক্টার গুলা ইউনিক আর অন্যান্য ক্যারেক্টার গুলার মধ্যে পেয়ারিং আছে।
* Mangaka-san to Assistant-san to the Animation এ মেইন ক্যারেক্টার অন্যান্য মেয়েদের প্রতি আগ্রহী আর পারভার্ট।
* Gekkan Shoujo Nozaki-kun এ মেইন ক্যারেক্টার এর প্রতি মেইন ফিমেইল ক্যারেক্টার আগ্রহী কিন্তু মেইন ক্যারেক্টার অবলিভিয়াস।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৬

ইফ ইউ লাইকড ‘Kill la Kill’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Tengen Toppa Gurren Lagann’

আপনার কাছে ‘Kill la Kill’ ভালো লাগলে ‘Tengen Toppa Gurren Lagann’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Kill la Kill’ ও ‘Tengen Toppa Gurren Lagann’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটা অ্যানিমেই এর ডিরেক্টর ই Hiroyuki Imaishi.
* দুইটা জনরা তে মিল। অ্যাকশন আর কমেডি।
* স্ক্রিপ্ট Kazuki Nakashima এর।
* স্টোরিটেলিং অনেক ডায়নামিক আর ফাস্ট পেসড।
* ক্রেজি (মানে উরাধুরা আরকি) ফাইটিং সিন দিয়ে ভর্তি।
* সেইম ড্রয়িং স্টাইল।
* র‍্যান্ডমনেস, এপিকনেস, এক্সাইটমেন্ট, অসামনেস, ফ্ল্যাশি।
* এপিক, অসাম আর ইউনিক ক্যারেক্টার।
* অ্যামেজিং সাউন্ডট্র্যাক।
* প্লট পার্সোনাল ফাইট থেকে গ্যালাক্টিকাল লেভেল এ চলে যায়।
* আর হাল্কা ফ্যানসার্ভিস।

‘Kill la Kill’ ও ‘Tengen Toppa Gurren Lagann’ এর মধ্যে অমিল-

* Tengen Toppa Gurren Lagann মেকা জনরা এর।
* Kill la Kill এচ্চি জনরা এর তাই Tengen Toppa Gurren Lagann এর চেয়ে এচ্চি ম্যাটেরিয়াল বেশি।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৫

ইফ ইউ লাইকড ‘Rokujouma no Shinryakusha!? (TV)’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Kore wa Zombie Desu ka?’

আপনার কাছে ‘Rokujouma no Shinryakusha!? (TV)’ ভালো লাগলে ‘Kore wa Zombie Desu ka?’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Rokujouma no Shinryakusha!? (TV)’ ও ‘Kore wa Zombie Desu ka?’ এর মধ্যে মিল-

* কাহিনির সেটআপ অনেকটা একই রকম। মেইন ক্যারেক্টার এর বাসায় বিভিন্ন রকমের ফিমেইল ক্যারেক্টার এর এসে থাকা।
* সেইম জনরা এর। কমেডি, হারেম, রোমান্স, সুপারন্যাচারাল।
* ফিমেইল ক্যারেক্টারদের পাওয়ার এর মিল।
* প্রায় প্রতিটা ফিমেইল ক্যারেক্টার এর ই মেইন মেইল ক্যারেক্টার এর প্রতি দুর্বলতা।
* কাহিনি প্রথমে শুধু কমেডিক মনে হলেও, মেইন প্লট আরও বেশি।

‘Rokujouma no Shinryakusha!? (TV)’ ও ‘Kore wa Zombie Desu ka?’ এর মধ্যে অমিল-

* ‘Kore wa Zombie Desu ka?’ এচ্চি জনরা এর।
* ‘Rokujouma no Shinryakusha!? (TV)’ এ এচ্চি এলেমেন্ট নাই বললেই চলে।
* ‘Kore wa Zombie Desu ka?’ এর সিকুয়েল আছে।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৪

ইফ ইউ লাইকড ‘Isshuukan Friends.’ ইউ মে অলসো লাইক ‘ef: A Tale of Memories.’

আপনার কাছে ‘Isshuukan Friends.’ ভালো লাগলে ‘ef: A Tale of Memories.’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Isshuukan Friends.’ ও ‘ef: A Tale of Memories.’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটা অ্যানিমেই এর মেইন ফিমেইল ক্যারেক্টার এর ‘মেমরি লস’ সমস্যা আছে।
* মেইন ক্যারেক্টার ফিমেইল ক্যারেক্টার এর সাথে বন্ধুত্ব করতে চায়।
* মেইন ফিমেইল ক্যারেক্টার এর সাইকোলোজিকাল সমস্যা।
* ক্যারেক্টার ডেভলপমেন্ট।
* রোমান্স জনরার।
* ভালো সাউন্ডট্র্যাক।

‘Isshuukan Friends.’ ও ‘ef: A Tale of Memories.’ এর মধ্যে অমিল-

* ‘ef: A Tale of Memories.’ এ রোমান্স ম্যাটেরিয়াল বেশি।
* ‘ef: A Tale of Memories.’ এর এন্ডিং ‘Isshuukan Friends.’ এর এন্ডিং এর চেয়ে ভালো
* ‘Isshuukan Friends.’ এর প্লট তুলানামুলক সিম্পল আর লাইট হার্টেড ‘ef: A Tale of Memories.’ এর প্লট গভীর আর স্যাডনেস টা একটু বেশি।
*  ‘ef: A Tale of Memories.’ এর গ্রাফিক্স Shaft এর করা।
*  ‘Isshuukan Friends.’ এর গ্রাফিক্স অনেকটা ওয়াটার কালার এর মতো, ‘ef: A Tale of Memories.’ এর গ্রাফিক্স অনেক ভালো (Shaft এর করা)।
* ‘Isshuukan Friends.’ এ শুধু Hase আর Kaori কে নিয়েই কাহিনি দেখায়, ‘ef: A Tale of Memories.’ এ একই সাথে দুইটা কাপল এর কাহিনি বিল্ড আপ হওয়া দেখায় আর লাভ ট্রায়াঙ্গাল আছে।
* ‘ef: A Tale of Memories.’ এর এন্ডিং স্যাটিসফাইং।

 

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০৩

ইফ ইউ লাইকড ‘Sword Art Online’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Log Horizon’

আপনার কাছে ‘Sword Art Online’ ভালো লাগলে ‘Log Horizon’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Sword Art Online’ ও ‘Log Horizon’ এর মধ্যে মিল-

* দুইটা অ্যানিমেই একই জনরার। একশন, এডভেঞ্চার, ফ্যান্টাসি, গেম, শৌনেন জনরার।
* কাহিনি অনেকটা একইভাবে শুরু হয়। প্লেয়ার গেম এ লগ ইন করে কিন্তু লগ অফ করতে পারে না।
* মেইন কাহিনি ভার্চুয়াল গেম ওয়ার্ল্ড এর ভিতরে।
* ওভারপাওয়ারড মেইন ক্যারেক্টার।
* সেইম আরপিজি এলিমেন্ট।
* কাহিনির সেটিংস অনেকটা এক। প্লেয়াররা একে অপরকে সাহায্য করে।
* মাল্টিপল ফিমেইল ক্যারেক্টার আছে যাদের মেইন ক্যারেক্টার এর প্রতি রোমান্টিক ফিলিংস আছে।

‘Sword Art Online’ ও ‘Log Horizon’ এর মধ্যে অমিল-

* Sword Art Online রোমান্স জনরার কিন্তু Log Horizon এর রোমান্স ম্যাটেরিয়াল কম।
* SAO এর এন্ডিং Log Horizon এর এন্ডিং এর চেয়ে বেশি ফুলফিলিং।
* SAO এ একশন Log Horizon এর চেয়ে বেশি।
* Log Horizon এ পলিটিকাল আর স্ট্র্যাটেজিকাল ম্যাটেরিয়াল বেশি।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০২

ইফ ইউ লাইকড  ‘Code Geass’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Guilty Crown’

আপনার কাছে ‘Code Geass’ ভালো লাগলে ‘Guilty Crown’ ও ভালো লাগতে পারে

কারণ-

‘Code Geass’ ও ‘Guilty Crown’ এর মধ্যে মিল-

*দুইটা সিরিসের মেইন ক্যারেক্টার ই সরকারের বিরদ্ধে লড়াই করে, জাপান কে মুক্ত করার জন্য।
* মেইন ক্যারেক্টার এর পাওয়ার ফিমেইল ক্যারেক্টার এর কাছ থেকে পায়।
* ক্যারেক্টারাইজেশন এর মিল।
* মেইন ক্যারেক্টার এর পাওয়ার ইউনিক (The Power of the King)। লেলুচ (Lelouch) এর ক্ষেত্রে ‘গিয়াস’ (Geass) আর শু (Shu) (গিলটি ক্রাউন) এর ক্ষেত্রে ‘ভয়েড এক্সট্র্যাকশন’ (Void Extraction)
* কাহিনির সেটিংস আর আবহ তে মিল।
* মেইন ক্যারেক্টার এর সাথে একটা ফিমেইল ক্যারেক্টার থাকে যে মেইন ক্যারেক্টার কে সাপোর্ট করে। কোড গিয়াস এর ক্ষেত্রে লেলুচ এর সাথে C.C আর গিলটি ক্রাউন এর ক্ষেত্রে শু এর সাথে Inori.
* Action, Mecha, Sci-fi, Super Power জনরা এর।
* দুইটা অ্যানিমেই এর কাহিনি ই Hiroyuki Yoshino আর Ichiro Okouchi এর লেখা।
* দুইটা অ্যানিমেই এর প্রডিউসার হিসেবেই FUNimation Entertainment আছে।
* মিউজিক বেশ ভালো।
* ফিমেইল সাপোর্টিং ক্যারেক্টার, যে মেইন ক্যারেক্টার কে ভালোবাসে আর কাহিনি তেও প্রভাব আছে। Code Geass এ Shirley Fenette আর Guilty Crown এ Hare Menjou.
* দ্যাট এন্ডিং।

‘Code Geass’ ও ‘Guilty Crown’ এর মধ্যে অমিল-

* Code Geass এর কাহিনি Guilty Crown এর কাহিনি এর চেয়ে ভালো।
* লেলুচ এর ক্যারেক্টারাইজেশন বেশি ভালো শু এর থেকে।
* লেলুচ নিজে থেকেই উদ্যোগ নিয়েছিলো কিন্তু গিলটি ক্রাউন এর শু অনেকটা প্রভাবিত হয়ে কাজ করেছিল।
* Code Geass এর সিসন ২ টা। Guilty Crown এর সিসন ১ টা।

‘ইফ ইউ লাইক দিস ইউ মে অলসো লাইক দ্যাট’ – ০১

ইফ ইউ লাইকড ‘Clannad’ ইউ মে অলসো লাইক ‘Kanon (2006)’

আপনার কাছে ‘Clannad’ ভালো লাগলে ‘Kanon(2006)’ও ভালো লাগবে

কারণ-

‘Clannad’ ও ‘Kanon (2006)’ এর মধ্যে মিল-

*দুইটাই ‘Key’ কোম্পানির ভিসুয়াল নভেল যেইটা পরে আনিমে তে এডাপ্ট করা হয়েছে।
*দুইটা আনিমে ই সেইম জনরা এর। ড্রামা, রোমান্স, স্লাইস আভ লাইফ, সুপারন্যাচারাল ম্যাটেরিয়াল আছে।
*’Kyoto Animation’  কোম্পানি এদের প্রোডিউসার।
* সেইম মিউজিক প্রোডিউসার।
* ক্যারেক্টারাইজেশন একই।
* আর্টওয়ার্ক একই।
* কাহিনি অনেকটা সেইম ক্যাটাগরির। মেইন মেইল ক্যারেক্টার, অনেক ফিমেইল ক্যারেক্টার।
* প্রত্যেকটা ফিমেইল ক্যারেক্টার এর আলাদা আর্ক।
* দুইটা আনিমেতেই কোনো একটা ফিমেইল ক্যারেক্টার এর সমস্যা মেইন মেইল ক্যারেক্টার কয়েক পর্ব ধরে সমাধান করে এমন কাহিনি আছে।
* অনেক ইমোশোনাল মোমেন্ট।

‘Clannad’ ও ‘Kanon (2006)’ এর মধ্যে অমিল-

* ‘Clannad’ এ রোমান্টিক ম্যাটেরিয়াল বেশি, ‘Kanon(2006)’ এ তুলনামূলক কম।
* ‘Clannad’ এর সিকুয়েল আছে, ‘Kanon(2006)’ এর কোনো সিকুয়েল নাই।

 

অ্যানিমের ইতিহাস ২ – ১.৯৯ তম পর্বঃ এ স্পেস অডিসি

ষাটের দশকে Astroboy প্রথম অ্যানিমে হিসেবে টেলিভিশনে প্রচার হওয়ার পর অনেকটাকাল সাই-ফাই আর ফ্যান্টাসী অ্যানিমে ছোটপর্দা শাসন করেছে। অতিপ্রাকৃত ক্ষমতা সম্পন্ন অথবা আদর্শবান সব মূল চরিত্র। ভালো আর খারাপের স্পষ্ট ব্যাবধান থাকা গল্প। অ্যানিমে ছিল বিনোদনের এক ভিন্নধর্মী মাধ্যম যা উপভোগ করতে পারতো পরিবারের সবাই।

যার ধারাবাহিকতায় ১৯৬৯ সালে শুরু হল “ওয়ার্ল্ড মাস্টারপিস থিয়েটার”। Dororo, Moomin’, Anderson Monogatari, Rocky Chuck অথবা তাকাহাতার Heidi – প্রথমে Zuiyo Eizo আর পরে Nippon TV তে প্রতি রবিবার সন্ধ্যা ৭ঃ৩০ বরাদ্ধ ছিল Mushi Production এর অ্যানিমেশনে তৈরি বিশ্বের জনপ্রিয় সব ধ্রুপদী গল্পের জন্য।

সত্তরের শুরুতে আরো একটা জিনিস যা জনপ্রিয়তা পাওয়া শুরু করল তা হল, স্পোর্টস অ্যানিমে। TIger Mask, Kyojin no Hoshi-’র পর, ১৯৭০ সালে ওসামু দেজাকির পরিচালনায় শুরু হল Ashita no Joe. ইকি কাজিওয়ারার মাঙ্গা অবলম্বনে ১৯৭১ সাল পর্যন্ত চলা ৭৯ পর্বের প্রথম মৌসুমে ছিল জো ইয়াবুকির শুন্য থেকে শীর্ষে ওঠার এক অনবদ্য কাহিনী। কিন্তু অ্যানিমের পরবর্তী বিশাল জাগরনটা আরো তিন বছর পরের।

১৯৭৩ সালে প্রযোজক ইয়োশিনোবু নিশিজাকি প্রথম সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী এক অ্যানিমের পরিকল্পনা শুরু করেন। যার গল্প হবে গতানুগতিক অ্যানিমে থেকে তুলনামূলক জটিল আর পরিণত। প্রাথমিক পরিকল্পনা অনুযায়ী এই অ্যানিমের হওয়ার কথা ছিল “Lord of the Flies”-এর আন্তঃমহাকাশীয় পূনর্বণনা। যাতে পৃথিবী রক্ষার এক অন্তীম মহাকাশীয় যাত্রায় সঙ্গী হবে বিভিন্ন দেশের ছোট ছোট বাচ্চারা। কিন্তু পরবর্তীতে মাঙ্গাকা লেইজি মাৎসুমোতো এই প্রকল্পে যোগদান করায় প্রাথমিক গল্পের প্লট আমূল বদলে গেল ১৯৭৪ এ প্রচার শুরু হওয়া অ্যানিমেতে।

“ ২১৯৯ সাল। পৃথিবী দূর মহাকাশের অ্যালিয়েন জাতি “গামিলাস”-দের আক্রমনের শিকার। পৃথিবীপৃষ্ট বসবাসের অনুপযোগী হয়ে যাওয়া এখন মানবজাতি আবাস গেড়েছে ভূতলে, কিন্তু সেখানেও ক্রমশ বিকিরনের কারণে তাদের সমাপ্তী ক্ষনীয়ে আসছে। এমন সময় সাহায্যের হাত বাড়ালো ইস্কান্দার গ্রহের রাণী স্টারশা। পথ বাতলে দিলো পরিত্রানের। মানবজাতিকে মোকাবেলা করতে হবে গ্রহে গ্রহে ওঁত পেতে থাকা শত্রুর আক্রমন, পাড়ি দিতে হবে হাজার হাজার আলোকবর্ষ, আর সময়-কালের বাধা; পৌছতে হবে বৃহৎ ম্যাজেলানিক মেঘ-এর কাছে থাকা ইস্কান্দার গ্রহে। যেখানে অতিবুদ্ধিমান ইস্কান্দারিয়ানদের কাছে আছে গ্রহ পূনর্জীবিত করার ক্ষমতা থাকা – কসমো ডিএনএ। “

ডার্ক, ইমোশোনালি ড্রামাটিক, কাহিনীপ্রবাহে ধারাবাহিক;বাস্তব-ত্রুটিপূর্ণ, মোরালি অ্যাম্বিগিউয়াস চরিত্রের আনসাম্বল – জায়ান্ট রোবট, সুপার রোবট আর সুপার হিউম্যান থেকে বের হয়ে এসে Space Battleship Yamato সাই-ফাই অ্যানিমে জগতে প্রথম এক নতুন ধারার সূচনা করলো – স্পেস অপেরা। ইয়ামাতো পেল তুমুল জনপ্রিয়তা। এবং তা শুধু জাপানেই না।

১৯৭৭ এ বের হওয়া Star Wars-এর রেষ কাটতে না কাটতেই ১৯৭৯ সালে ইয়ামাতো আমেরিকায় প্রচার শুরু হল “Star Blazers” নামে। ইউরোপীয়ান আর লাতিন দেশগুলোও পিছিয়ে ছিলো না। ইতালীতে একই নামে, গ্রীসে “Spaceship Argo”, স্পেন আর লাতিন আমেরিকায় “Starship Intrepid” আর ব্রাজিলে “Star Petrol” নামে প্রচার হওয়া ইয়ামাতো অ্যানিমের জনপ্রিয়তা নিয়ে গেল বিশ্বব্যাপী, নতুন এক প্রজন্মের কাছে।

প্রথম প্রচারিত ২৬ পর্বের সিজনের পর সিকুয়াল হিসেবে বের হয়েছে আরো দুটি সিজন এবং চারটি মুভি। আর এর পর তৈরি করার চেষ্টা হয়েছে আরো কয়েকটি রিবুট। প্রথম প্রচারের তিন দশক পরও ইয়ামাতোর জনপ্রিয়তার রেশ কমেনি একটুও। ২০১২ প্রথম ২৬ পর্বের মূল গল্পের পূনর্বর্ণনা হয়ে ইয়ামাতো ফিরে এসেছে, Space Battleship Yamato 2199 নামে।

শুধু অ্যানিমের জনপ্রিয়তা বিশ্বব্যাপী বিস্তৃত করায় ইয়ামাতো্র অবদান সীমাবদ্ধ ছিল না, অ্যানিমে ইন্ড্রাস্ট্রিতে এক বিশাল পরিবর্তনের সূচনা এর মাধ্যমেই। ইয়ামাতোই প্রথম অ্যানিমে বা মুভি যা জাপানের Seiun Award জয়লাভ করেছিল। Gundam, Macross, Legend of the Galactic Heroes, Space Runaway Ideon কিংবা একই মাঙ্গাকার Galaxy Exoress 999 Space Pirate Harlock-এর মত স্পেস অ্যাডভেঞ্চার আর স্পেস অপেরা অ্যানিমে ‘৭০ আর ‘৮০ জুড়ে জাপানের টিভি শাসন করেছে। যে পথটা বাতলে দিয়েছিল ইয়ামাতোই।

Gundam আর Macross-এর আগে, Harlock আর Legend of the Galactic Heroes-এর আগে, Star Wars আর Battlestar Galactica-’র আগে ইয়ামাতো সাই-ফাই ভক্তদের জন্য দিয়ে গেছে মহাকাশে মহাকাব্যিক এক যাত্রার গল্প। আর ইয়ামাতো দেখে বড় হওয়া, অনুপ্রানিত হওয়া এক প্রজন্ম আর কয়েক দশক পর অ্যানিমের হাল ধরেছে নিজেরাই। যার মধ্যে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নামটা সম্ভবত আনো হিদেয়াকি।

11169559_959241624107655_3981340516219597846_o