“মাঙ্গানুবাদ প্রতিযোগিতা”

 

0

শুদ্ধ বাংলায় এনিম চর্চার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনিমখোর নিয়মিতই স্বল্প এবং বৃহৎ পরিসরে নানা আয়োজন চালিয়ে যাচ্ছে। দুই ঈদে “কভার ফটো কন্টেস্ট” এবং “লোগো কন্টেস্ট” তারই সাক্ষর বহন করে। দুটো ইভেন্টেই অংশগ্রহণ ছিল বেশ চোখে পড়ার মত। এরই ধারাবাহিকতায় এনিমখোর এবার আয়োজন করতে যাচ্ছে “মাঙ্গানুবাদ প্রতিযোগিতা” এর। 

প্রক্রিয়াঃ নিচে চারটি মাঙ্গা চ্যাপ্টারের লিঙ্ক দেওয়া আছে। আমাদের দেশের মাঙ্গা ফলোয়াররা একটা মাঙ্গা সম্ভবত প্রায় সবাইই ফলো করেন, নারুতো। তাই চারটিই নারুতোর চ্যাপ্টার। যে কোন একটি চ্যাপ্টার সিলেক্ট করুন; ন্যূনতম ৬ পৃষ্ঠা থেকে পুরো মাঙ্গাটিই যে কোন ইমেজ এডিটিং সফটওয়ারে এডিট করে বাংলা অনুবাদ করে জিপ করে পাঠিয়ে দিন “animekhor@gmail.com” এই ঠিকানায়। সাথে করে কোন মাঙ্গা; কয় পেইজ; এবং আপনার ফেইসবুক নাম দিতে ভুলবেন না যেন!!! 

জাজিং ক্রাইটেরিয়াঃ মুল কাহিনীর অর্থ বহন করার ক্ষমতা; প্রাঞ্জলতা; ফন্ট ব্যাবহারের সৌন্দর্য এবং উপযুক্ততা। এই কন্টেস্টে সকল এন্ট্রি হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই গ্রুপে প্রদর্শনের জন্য আপলোড করা হবে; তবে সকল মার্কস থাকছে জাজদের হাতেই; লাইক থেকে কোন মার্কস এই কন্টেস্টে থাকছে না। এডমিন প্যানেল থেকেই জাজ প্যানেল গঠন করা হবে এবং তারা তাদের মারকিং করবেন। 

সাবমিটের শেষ সময়ঃ ডিসেম্বর ১০; ২০১৩।
ফলাফল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখঃ ১৬ ডিসেম্বর; ২০১৩। 
হায়েস্ট মার্ক্সধারীর বিজয়ীর জন্য থাকবে আকর্ষণীয় পুরস্কার। এর সাথে প্রথম কয়েক স্থান ধারণকারীদের অনুবাদ আমরা আপলোড করে দিব গ্রুপে রেজাল্ট ঘোষণার পরবর্তী সময়েই।

মাঙ্গা চ্যাপ্টার লিঙ্কঃ

My Real decision
http://www.mangareader.net/93-387-1/naruto/chapter-382.html
In Hell
http://www.mangareader.net/93-405-1/naruto/chapter-400.html
Hatake Kakashi
http://www.mangareader.net/93-430-1/naruto/chapter-425.html
Memento
http://www.mangareader.net/93-453-1/naruto/chapter-448.html

অতিরিক্ত নিয়মকানুনঃ 
১/ ছবির ফরম্যাট অবশ্যই PNG বা JPEG হতে হবে; অন্য কোন ফরম্যাট গ্রহণযোগ্য নয়।
২/ কোন এন্ট্রি ফি নেই।
৩/ একজন প্রতিযোগী যতগুলো ইচ্ছে এন্ট্রি দিতে পারেন।

এনিমখোর স্বপ্ন দেখে বাংলাতে এনিম চর্চা আরও বিস্তৃত হবে; একদিন হয়ত বাংলাতেও স্ক্যানলেশন বের করব আমরা। সেই প্রতীক্ষায়; সবাইকে আবারও ধন্যবাদ। 

এনিমখোর এডমিন প্যানেল।

Unbreakable Machine Doll: anime review by Kazi Rafi

Unbreakable Machine Doll দেখা শুরু করলাম। ইন্ডাস্ট্রিয়াল যুগে লন্ডন শহর ঘিরে গড়ে উঠা কাহিনী , মিলিটারি আবহ, এত অটোমেশন, আর কলকব্জা নিয়ে ব্যাপার স্যাপার, মূল চরিত্রের বিশেষ পারিবারিক ঘটনা, প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা, (মূল চরিত্রের মধ্য বয়স্ক মহিলা শিক্ষিকা ;)) বড়ই fma/fmab ভাইব পাচ্ছি এনিমেটা থেকে !!!! প্রথম ৫ এপি দেখলাম, মোটামুটি ভালই বলব, Raishin Akabane মূল চরিত্র হিসেবেও মানাসই, আমি বলব ! এখন আসি এনিমের সমস্যাগুলায়- ইয়াইয়া চরিত্রটা ধীরে ধীরে কিছুটা একঘেয়ে এবং বিরক্তিকর হয়ে উঠতেছে তার রাইশিনের প্রতি একদম প্রথম পর্বেই প্রতিষ্ঠিত করে দেওয়া মনোভাব প্রতি পর্বেই ঘুরায় ফিরায়ে বারবার দেখানোর জন্য ( এটা সম্পূর্ণই আমার একান্ত মনোভাব ও মতামত !!! এর সঙ্গে যে সম্মত হতে হবে এমন কোন কথা নাই ) !!! এবার আসি এনিমের এনিমেশনের প্রসঙ্গে, চরিত্রদের ডিজাইনে ‘কালার প্যালেট’ সমগ্রভাবে যে পরিমান উজ্জল দেওয়া হইছে, যার কারনে চরিত্রদের মুখভঙ্গি এক বিন্দুও দেখা যায়না, যেন ‘সেন্সরড’ করে রাখা হইছে !! আর সবশেষে হচ্ছে এনিমের অ্যাকশন CGI !! চোখের জন্য সে যে কি ভয়াবহরকম পীড়াদায়ক তা আর নাইবা বললাম !!! এরচেয়ে বলা যায় টোকিও র‍্যাভেন্স এর cgi ও বহুতগুনে ভালো !

এনিমেটার হিট করার মতো অনেক ভালো ভালো এলিমেন্ট আছে, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর মাত্র ১২ পর্ব বের হবে, অথচ ২৪ পর্ব বানানর মতো উপাদান এদের আছে, যে দুঃখজনক কারনে এনিমেটা হিট করার যত লুকানো অপার সম্ভাবনা আছে তা প্রদর্শনের আগেই শেষ হয়ে যাবে !! বড়ই আফসসের ব্যাপার !!!

 

Sword Art Online: review from Tahsin Faruque Aninda

Sword Art Online অবশেষে শেষ দিলাম। আর ভাগ্য ভাল অন্যদের কথা শুনে মাঝপথে দেখা থামাই নাই! আমার কাছে মারাত্মক ভাল লাগসে এইটা!!! 

বেশিরভাগ দর্শককেই বলতে শুনসি যে মাঝপথ থেকে হিন্দি সিনেমা বানায় দিসে। আমার কাছে একদমই লাগে নাই!
এই আনিমেটার মেইন থিম VRMMO এবং প্রেমকাহিনি, শুধু গেমিং নিয়ে আনিমে বললে ভুল হবে।

ALO আর্কটাতে নায়িকা পুরাটাই অন্য আরেকজন [স্পয়লারের জন্য বলছি না  ]
সবমিলিয়ে এই আর্কটাও ভালই করেছে 

যাই হোক, দুর্দান্ত কিছু OST আছে যা এখনই সব ডাউনলোড করতে দিতেসি 

ওভারঅল, I LOVED IT! 

যারা এখনও দেখে নি, তারা অন্যদের কথা না শুনে নিজে দেখে বিচার করুন। একদল বলে এটা বিরক্তিকর, আর আমার মত আরেকদলের কাছে খুবই সুন্দর লেগেছে 
MAL রেটিংটা আমার কাছে যুতসুই লেগেছে 

[এটার অন্য আরেকটা VRMMO নিয়ে কাহিনি আছে শুনেছি, সেইটা দেখার আশায় আছি! ]

 

 

এফ এ সি ৮ by Farsim Ahmed

Farsim Ahmed's photo.

 

 

রান্ডম টপিক

 ইয়ায়বা(Yaeba)

 

 

অন্য দেশের মহিলারা যেখানে দাঁত সামান্য আঁকাবাঁকা হলেই ব্রেইস নিয়ে টানাটানি শুরু করে, এবং এই ফ্যাক্টটা যতটা সম্ভব লুকিয়ে রাখার  চেষ্টা করে,সেখানে কিছু জাপানি মহিলা কৃত্তিমভাবে তাদের দাঁত বাঁকিয়ে নেয়। কারণ তারা মনে করে এতে তাদেরকে ”কাওয়াই” মনে হয়। তারা আরেকটা কাজ করে, কৃত্তিম শ্বদন্ত স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে লাগিয়ে নেয়। এই ফ্যাশন ট্রেন্ডটা ইদানিং খুব জনপ্রিয়। আনিমেতেও এমন কিছু ফিমেইল ক্যারেক্টার আছে যাদের শ্বদন্ত স্পষ্ট, এদেরকে বলা হয় ফ্যাং-তান,যেমন কৌসাকা কিরিনো বা ইন্ডেক্স। এখন যদি বলেন ২ ডি  ভালো নাকি ৩ ডি ভালো, সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার আপনার উপরে, প্রথম কমেন্টে দুটোরই ছবি দেয়া আছে।

 

 

আনিমে সাজেশন

শিকি(Shiki)

 

সতোবা ছিল চমকার একটা গ্রাম, ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড়। কিন্তু এসবি পাল্টে গেল, যখন গ্রামে অদ্ভুত এক পরিবার পরিত্যক্ত ম্যানশনে থাকতে এলো।লোকজন হারিয়ে যেতে শুরু করলো খুব দ্রুত, পাওয়া যেতে লাগলো রক্তশুন্য লাশ।তদন্তে নামল নাত্সুনো ইউকি।

কেন দেখবেনঃ এখনকার মিডিয়ায় ভ্যাম্পায়ারদের মত ভালো মানুষ আর হয় না। তারা খুবই সামাজিক, ভীষণ আকর্ষনীয় চেহারা ও ব্যক্তিত্বের অধিকারী, তারা মানুষের ক্ষতি একদমই করতে চায় না, টমেটো জুস খায় নাহলে আইরন ট্যাবলেট আর হিমোগ্লোবিন খায়, নাহলে ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত কিনে আনে। কেউ বা অল্প বয়সী মেয়েদেরকে স্টক করে, হীরার মত জ্বলতে থাকে। কেউ সানস্ক্রিন মেখে বাইরে বেরোতে পারে। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন ভ্যাম্পায়ার ছিল আতঙ্কের আরেক নাম। তাদেরকে মারা যেত শুধু বুকে গজাল ঢুকিয়ে দিয়ে। শিকি সেই ট্রাডিশনাল কনসেপ্টকে ফুটিয়ে তুলেছে অসাধারনভাবে। সেই সাথে আছে সময়োপযোগী মুগ্ধ করা সাউন্ডট্র্যাক, যেগুলো শুনলে আপনি অবশ্যই মিউজিকগুলো কালেকশনে রাখতে চাবেন।

কেন দেখবেন না:ইন্ডেফিনিট এন্ডিং, ভিজুয়াল একটু অন্যরকম, সবাইকে সুট নাও করতে পারে।

 

ম্যাল রেটিং ৮.১৯

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

সরা ওয়া আকাই কাওয়া নো হতোরি(Sora wa Akai Kawa no Hotori/Red River)

 

 

ইউরি ছিল সাধারণ এক জাপানি মেয়ে। তার দৈনন্দিন জীবন বদলে গেল যখন আনাতোলিয়া, বা প্রাচীন তুরস্ক এর এক রাণী তাকে জাদুবলে টাইম ট্রাভেল করিয়ে নিয়ে আসল, উদ্দেশ্য, তার ছেলে বাদে সিংহাসনের সব উত্তরাধিকারকে জাদুবলে  খুন করা।ইউরি এই প্রক্রিয়ার বলি। ঘটনাচক্রে ইউরির দেখা হলো সুদর্শন রাজপুত্র কাইল এর সাথে। ক্ষমতার লড়াইয়ে আরো দানা বাঁধলো, যখন ইউরি মর্যাদা পেল যুদ্ধের দেবী, ইউরি ইস্টারের।

কেন পড়বেনঃচমত্কার কাহিনীর বুনোট, কোথাও ঝুলে যায়নি, আর ভীষণ আকর্ষনীয়। একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠা মুশকিল। এন্ডিংও

দারুন সন্তোষজনক।

কেন পড়বেন নাঃ না পড়ার কোনো কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৭

আমার রেটিং ৯

Ore no Nounai Sentakushi ga, Gakuen Love Comedy wo Zenryoku de Jama Shiteiru: Review by Kazi Rafi

কেও কি Ore no Nounai Sentakushi ga, Gakuen Love Comedy wo Zenryoku de Jama Shiteiru সর্টে Noucome নামের এনিমেটা ফলো করতেছেন ? অস্থির হাসির একটা এনিমে !!! Kanade Amakusa এক জটিল মানসিক ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত, যেখানে আমাকুসার মাথার মধ্যে এক কণ্ঠ তাকে একটি মাল্টিপেল চয়েস প্রশ্ন দেয় এবং সে যে উত্তরটা বেছে নিবে সেইটা বাস্তবে পরিণত হবে বা আমাকুসাকে তা বাস্তবে পরিনত করতে হবে, আর সে এটা না মানলে মাথায় তার প্রচণ্ড ব্যাথা শুরু হবে !!!! এইভাবেই বিভিন্ন হাস্যকর ঘটনার মধ্যে দিয়ে কাহিনী আগিয়ে যায় ! যারা কমেডি আর প্যারোডির ভক্ত তাদের জন্য এই এনিমে অবশ্যক !!! 

একটি উদাহরণ- দুই নং অপশনটি বেচে নিয়েই কিন্তু এভাবেই আইনস্টাইন থিওরি অফ রিলেটিভিটির সূত্র আবিষ্কার করেছেন !!!!!

৪ নং পর্বে যখন God ফোন দিয়ে যে ভঙ্গিতে বলে “Hello Hello Kanade San” শুইনা হাসতে হাসতে অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে !!! আর কিযে একেকটা চয়েস !!! লোল !!!!!!! XD আর এতো অস্থির এনিমের মাত্র ১০ এপি আসলেই দুঃখজনক ! ২৪ পর্বের হইলে জোস হইত !!!! আফসোস !!!

 

Cowboy Bebop: The best anime for ‘grown-ups’ – Farhad Mohsin

 

cowboybebop0003

আমার বেশ অনেকবার ভাবতে হয়েছে যে জীবনে এনিমে দেখে নাই এমন না বরং এনিমে দেখতে গিয়ে সেভাবে আগ্রহ পায় নাই(এমনটা হতেই পারে, এইরকম লোকজনকে গালাগালি করারও কিছু নাই) এমন কাউকে সাজেস্ট করার জন্য একটা পারফেক্ট এনিমে কি হতে পারে? অনেক লম্বা কিছু না, এপিসোডের সঙ্খ্যা দেখে ভয় পাইতে পারে। আগে মনে হত এরকম লোকজনের জন্য ডেথ নোট খুব ভালো সাজেশন। 
কিন্তু আজকাল মনে হয় হিউমারওয়ালা কিছু হলে আরও বেশি ভাল হয়, আবার গ্যাগ জাতীয় কিছু হইলেও খারাপ।
যাইহোক, কাউবয় বিবপ দেখছি। আমার মনে হয় আমার দেখা এনিমের মধ্যে এরকম সাজেশন দিতে গেলে বিবপ একদম শুরুর দিকে থাকা উচিত। স্পেশালি সাজেশনগ্রহীতা যদি স্কুল-কলেজের পাট চুকিয়ে থাকে। অ্যাকশন, হিউমার, ড্রামা, প্লট প্রায় সব দিক দিয়েই অসাধারণ একটা এনিমে। (এন্ডিং কেমন জানতে আরও কয় ঘণ্টা বাকি আছে, কেউ স্পয়েল কইরেন না), আর আর্কগুলো যেহেতু অনেকগুলো পর্ব ধরে চলে না তাই অনেক ফ্রিলি দেখা যায়। 
এখন থেকে আমার টপ টেন এনিমের মধ্যে কাউবয় বিবপ মনে হয় সবসময়ই থাকবে।

cowboy_bebop_desktop_1024x768_wallpaper-276818

 

এফ এ সি ৬ By Farsim Ahmed

 

রান্ডম টপিক

গানে গানে বিশ্বায়ন

 

 

আনিমের অরিজিন জাপানে, কিন্তু তারমানে এই না যে তারা যেসব গান আনিমেতে ইউজ করে তার সবই জাপানি। আনিমেতে ইংলিশ গান আছে(ইংরিশ নয়), যেমন তমোকো তানের ব্রোকেন উইংস, ল্যাটিন গান আছে, যেমন কুমিক নোমার লিলিয়াম, জার্মান গান আছে, যেমন মিকা কোবায়াশির বিয়ক। তবে আপনি কি জানতেন আনিমেতে একটা  পুরো ৩মিনিটের হিন্দি গানও আছে? চলে যান এই লিঙ্কে। http://www.youtube.com/watch?v=z9gFeeIanr8

 

আশা করা যায় অচিরেই বাংলা গানও আনিমেতে ব্যবহৃত হবে।

 

আনিমে সাজেশন

গিন্গা এইয়ু দেন্সেত্সু (Ginga Eiyuu Densetsu/Legend of the Glactic Heroes)

 

 

বছরের পর বছর ধরে গ্যালাক্টিক এম্পায়ার এর সাথে যুদ্ধ চলছে ফ্রি প্লানেট্স এলায়েন্সের।উভয় পক্ষেরই প্রচুর ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তবে গ্যালাক্টিক এম্পায়ার কিছুটা হলেও আপার হ্যান্ড পেয়েছে। এমনি অবস্থায় দৃশ্যপটে নতুন রং লাগলো, যখন উভয় পক্ষ পেল নতুন কমান্ডার, রাইনহার্ড ফন লোহেন্গ্রাম এবং ইয়াং ওয়েনলি। দুই অসাধারণ ধূর্ত নেতা বসলো দাবা বোর্ডের দুই পাশে, যেখানে দাবার বোর্ড হচ্ছে ইউনিভার্সাল স্কেলের, আর সৈন্য সামন্ত হচ্ছে মহাভারতের অক্ষৌহিনী স্কেলের। তাহলে শুরু হোক খেলা।

কেন দেখবেনঃএটা অনেকটা ডেথ নোটের মত, একজন চাল দিচ্ছে, আরেকজন কাউন্টার চাল দিচ্ছে সমান মাপের।

কেন দেখবেন না:একটু লম্বা আনিমে, ১১০ পর্বের, কিছু কিছু জায়গা বোরিং লাগতে পারে।

 

ম্যাল রেটিং ৯.০৯

আমার রেটিং ৯

 

মাঙ্গা সাজেশন

জোম্বি পাউডার (Zombie Powder)

 

 

মৃতকে বাঁচানোর অদ্ভুত এক উপাদান, জোম্বি পাউডার। এটা যে শুধু মৃতকেই বাঁচাতে পারে তা নয়, এটা জীবিত লোককে করে দিতে পারে অমর। এর সন্ধানে নামল জন এলউড, লক্ষ্য তার মৃত বোনকে বাঁচানো। পথে দেখা হয়ে গেল সোর্ড ফাইটিং এর বিশেষ স্টাইল এর মাস্টার আকুতাবি গামার সাথে, সঙ্গে যোগ দিল ওস্তাদ গানম্যান সিটি স্মিথ, যাদের উদ্দেশ্য এবং অতীত রহস্যাবৃত। তারা কি পারবে জোম্বি পাউডার এর উত্স, ১২টি মৃতের আংটি উদ্ধার করতে?

কেন পড়বেনঃএটা তিতে কুবোর প্রথম দিকের মাঙ্গা, প্রচুর ব্লিচ ভাইব, এবং ইনটেনস অ্যাকশন পাবেন।

কেন পড়বেন নাঃকাহিনী শেষ হয়নি, ওপেন এন্ডিং। বানিজ্যিকভাবে অসফল হওয়ায় মান্গাটা ক্যানসেল করা হয়েছিল।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৪৪

আমার রেটিং ৭

 

এফ এ সি প্রচারিত হচ্ছে প্রতি সোমবার।

 

 

এফ এ সির অন্য পর্বগুলো পাওয়া যাবে এখানে-http://www.animeloversbd.com/tag/%E0%A6%8F%E0%A6%AB-%E0%A6%8F-%E0%A6%B8%E0%A6%BF/

 

এফ এ সি ৭ By Farsim Ahmed

 

রান্ডম টপিক

ভেন্ডিং মেশিন

 

 

আনিমেগুলোতে প্রায়ই রাস্তার মোড়ে মোড়ে ভেন্ডিং মেশিন দেখা যায়। জাপানে ভেন্ডিং মেশিন এর ঘনত্ব বিশ্বের সর্বোচ্চ, প্রতি ২৩ জনের জন্য ভেন্ডিং মেশিন বরাদ্দ। এসব মেশিনএ মূলত থাকে ড্রিঙ্কস, স্ন্যাকস, সিগারেট, তবে ”অন্যান্য জিনিসপত্র”ও পাওয়া যায়। সেটা কি ধরনের জিনিস, তা একটু গুগল সার্চ করলেই পেয়ে যাবেন। ভেন্ডিং মেশিন এর চাহিদা জাপানে খুবই বেশি, ১৯৯৯ সালে ভেন্ডিং মেশিনগুলো থেকে আয় হয়েছিল ৫৩.৩৮ বিলিয়ন ইয়েন।

 

অবশ্য বাংলাদেশে এভাবে রাস্তায় রাস্তায়  ভেন্ডিং মেশিন ইমপ্লিমেন্ট করা যাবে কিনা সেই ব্যাপারে সন্দেহ আছে।

 

 

আনিমে সাজেশন

লেভেল ই(Level E)

 

 

হাই স্কুল পড়ুয়া ইউকিতাকা সুত্সুই এর জীবন একেবারে খারাপ কাটছিল না। কিন্তু এসবি বদলে গেল যখন দগুরা গ্রহের রাজকুমার ”বাকা কি এল দগুরা”,যে কিনা বাকা ওজি নামেই পরিচিত, পৃথিবীতে ক্র্যাশল্যান্ড করলো,  সেই সাথে ভোগা শুরু করলো এমনেশিয়ায়। বাকা ওজি অসাধারণ আই কিউ এর অধিকারী, তবে সে সেটা ব্যবহার করে তার চারপাশের মানুষকে টর্মেন্ট করার কাজে। সে যখন য়ুকিতাকার রুমমেট হলো, ব্যাপারটা শেষমেষ কোথায় গিয়ে ঠেকবে?

কেন দেখবেনঃ এটা তগাশি ইওশিহিরোর ক্রিয়েশন, যিনি কিনা হান্টার হান্টার এবং ইউ ইউ হাকুশোর মান্গাকা। সেই সাথে আনিমেটার শুরু এবং শেষ নিঃসন্দেহে অন্য যেকোনো আনিমে থেকে ভিন্ন, এটুকু গ্যারান্টি দেয়া যায়।

কেন দেখবেন না: তগাশি ইওশিহিরোর ক্রিয়েশন হলেও এটা সৌনেন না, পিউর কমেডি, কাজেই সেই মত মেন্টাল প্রিপারেশন না থাকলে দেখবেন না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮৫

আমার রেটিং ৮

 

মাঙ্গা সাজেশন

উজুমাকি(Uzumaki)

 

 

যারা নারুতো দেখেছেন তারা অলরেডি জানেন উজুমাকি মানে স্পাইরাল।

জাপানের কুরোজু-চো শহর অভিশপ্ত। অভিশাপটা হচ্ছে স্পাইরাল গঠনের। খুব দ্রুত ঘটনায় প্যাচ খেয়ে গেল,  মানুষের শরীরও এই প্যাচের আওতামুক্ত  থাকলো না,লিটারেলি।

কেন পড়বেনঃ হরর মাঙ্গা মাস্টার যাকে বলা হয় সেই ইতো যুন্জির কলম থাকা আসা এই মাঙ্গা, তার বেস্ট ওয়ার্ক ধরা হয় উজুমাকিকে।

গা ছমছমে পরিবেশ এবং সময়ে সময়ে রোম খাড়া করে দেয়ার মত কিছু প্যানেল, যেগুলো সহজে ভোলার মত না।

কেন পড়বেন নাঃ আগেই যা বলেছি, কিছু প্যানেল খুবই ভয়াবহ, মনে  বাজে ইফেক্ট  ফেলতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে এটা ইবিত্সুর চেয়েও ভয়াবহ।

 

ম্যাল রেটিং ৮.১৯

আমার রেটিং ৮

BECK : Anime Review from Fahim Bin Selim

 

কার কেমন লাগছে জানি না কিন্তু এইটা আমার দেখা মোটামুটি সবচেয়ে সত্যের কাছাকাছি থাকা অ্যানিমে। 
হঠাত করেই কোন ব্যান্ড তৈরী হইল আর সাথে সাথে সবাই অসাধারণ মিউজিশিয়ান হয়ে গেল – এমন না হয়ে আস্তে আস্তে যে স্টোরি ডেভেলপমেন্ট হইসে, সাথে ব্যান্ড আর তার সদস্যদের যে ডেভেলপমেন্ট হইসে(মানসিকভাবে+স্কিলের দিক দিয়ে) সেইটা অসাধারণ! 
২০০৪ সালের বলে অ্যানিমেশন ততটা আহামরি কিছু না, ফেস ইম্প্রেশনও মাঝেমাঝে অনেক উদ্ভট লাগছে। কিন্তু লেজেন্ডারি সব ব্যান্ডদের রেফারেন্স, পপ মিউজিককে মাঝে মাঝে পচানি আর মাথা নষ্ট করা সব গানের কাছে ওগুলা গোনায় ধরার মত না। রক/ক্লাসিক রক গানের ভক্তদের জন্য এর থেকে ভালো অ্যানিমে আর নাই। 

এইটা দেখার পর তিনটা জিনিস হইসেঃ
#১ আরেকবার আমার মাই অ্যানিমে লিস্টের রেটিং চেঞ্জ করলাম। 
#২ আমি অনেক অ্যানিমের ওএসটি শুনি নাই, কিন্তু আমার কাছে এখন এইটাই সবচেয়ে সেরা।
#৩ এইটা এখন আমার সবচেয়ে প্রিয় স্লাইস অফ লাইফ অ্যানিমে।

মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং: ৮.৪৮ (#৯৬)
আমার রেটিং: ৯(শেষ পর্বটা আরেকটু ভালো হইলে ১০ দিয়া দিতাম)

 

Coffee With Asif (CWA): Sports Corner – পর্ব ১ – Yowamushi Pedal

 

এনিম – Yowamushi Pedal

রিলেটেড স্পোর্টস – সাইক্লিং
অবস্থা – বর্তমানে এয়ারিং; ৩ পর্ব বাজারে
টোটাল এপি সংখ্যা (আনুমানিক) – ৩৮
রিলেটেড এনিম – Over Drive

image 

স্টোরি লাইন –

সাকামিচি অনোদা একজন অতাকু। তার জীবনের স্বপ্ন এনিম এবং মাঙ্গা। মিডল স্কুলে তার যে কারণে কোন বন্ধু ছিল না। হাই স্কুলে এসেও তাকে হতাশ হতে হয় স্কুলের এনিম ক্লাব সদস্যের অভাবে বন্ধ দেখে। তার এনিম এবং মাঙ্গা জিনিসপত্র জোগাড় করার অবলম্বন তার মমি সাইকেল। স্বল্প দূরতে যাওয়ার জন্য ভারি সাইকেলগুলিকেই রেফার করা হচ্ছে এখানে। সে যেন বেশি দূর যেতে না পারে; হারিয়ে না যায়; এই জন্য ছোটবেলাতে তার বাবা মা তাকে এই চালাতে কষ্টসাধ্য সাইকেল কিনে দেন। যেটা কিনা তার জন্য পরবর্তীতে সাপেবর হয়ে দাঁড়ায়। সে কষ্ট করে চালাতে শিখতে শিখতে নিজের অজান্তেই একটা ইউনিক গুণের অধিকারী হয়ে যেতে থাকে !!! কি সেটা? দেখতে থাকুন; নিজেই জানতে পারবেন !!!

 

Watch Out for –  Hime song!!! মাথায় গেথে যেতে বাধ্য !!! ♪ HIME HIME HIME, SUKI SUKI DAISUKI HIME, HIME ♪ – just loved this song!!! 🙂 🙂

গানের লিঙ্ক –

 http://www.youtube.com/watch?v=bb4JmBDij7o

 

 

পাব্লিক রিএকশনঃ (কাজি রাফি) –

♪ HIME HIME HIME, SUKI SUKI DAISUKI HIME, HIME ♪ গানটা মাথা থেইকা বাইরই করতে পারতেছিনা !!! এই ফলে শুরু হওয়া নতুন এনিমে Yowamushi Pedal মাত্র তিনটা পর্ব বের হইছে কিন্তু এরিমদ্ধে বাইসাইকেল সম্বন্ধে এতো কিছু শিখছি যে ইচ্ছা করতেছে নিজেও একটা কিনে বাইর হয়ে পড়ি !!!! জটিল একটা এনিমে এই Yowamushi Pedal। আর এর মেন ক্যারেকটার সাকামিচি একদমই সরল কিন্তু একইসাথে অস্থির একটা পোলা, খুবই ভালো পাইছি এরে !! ফলে নতুন শুরু হওয়া সিরিজ গুলার মধ্যে এইটা সবচেয়ে প্রিয় এখন !!!! ওহ আর এইটা ৩৮ পর্বের এনিমে !!!!! উইন্টার অথবা সামারে নতুন কোন ভালো এনিমে বাইর না হইলেও চিন্তা নাই ! এইটাই যথেষ্ট !! যারা এখনও এইটা দেখেন নাই, দেখা শুরু করে দেন শিগগিরই Hime hime….♪♪

 

আমার রিএকশনঃ 

Over drive এর পর কোন সাইক্লিং এনিম ভাল লাগবে – তাও এক টানে ৩ টা এপি দেখে ফেলব– ভাবি নাই !!! বেশ ভালই; টপ ক্লাস না হইলেও ডিসেন্ট !! 🙂 🙂 

 

ছায়া অবলম্বনেঃ  

initial D – পেথেটিক গাড়ি কিন্তু well tuned; কম বেশি “ভোদাই” টাইপের নায়ক; রেসিং এ অনাগ্রহ; চ্যালেঞ্জ ; সুন্দরী নায়িকা; জিনিয়াস মেন্টর – এ যেন দুই দেহ এক মন !!! 

 

রেসিং ট্রিভিয়াঃ 

# প্রথম বাই সাইকেল রেস হয় আনুমানিক ১৮৬৮ সালে; প্যারিসে। প্রায় ১২০০ মিটারের রেস ছিল এটি।  

# জেমস মুর নামক জনৈক ভদ্রলোক এই রেসটি জিতে নিএছিলেন।  

# L’auto নামক ম্যাগাজিনের বিক্রি বাট্টা বাড়াতে ১৯০৩ সালে প্রথম আয়োজন হয় সাইক্লিং এ সবচেয়ে মর্যাদাশীল প্রতিযোগিতা Tour de France এর ।

# প্রায় ২১ দিন ব্যাপি চলা এই প্রতিযোগিতার বর্তমান ভার্শনে বিভিন্ন ধাপে পাড়ি দিতে হয় প্রায় ৩২০০ কিমি পথ।

# দুই বিশ্বযুদ্ধ ছাড়া প্রতিবছরই আয়োজন হয়ে আসছে এই প্রতিযোগিতার।

# ২১ দিন এবং ৩২০০ কিমি পথ হলেও শেষ পর্যন্ত কিন্তু বিজয়ী নির্ধারণ হয় সেকেন্ড বা মিনিটের পার্থক্যেই !!! ১৯৮৯ সালে ১ম এবং ২য় স্থান অধিকারীর মধ্যে সময়ের পার্থক্য ছিল ৮ সেকেন্ড !!!

 

 

– CWA প্রচারিত হচ্ছে প্রতি শুক্রবার; এনিমখোরে !! আমাদের আর কোথাও কোন শাখা নেই !!! স্পোর্টস এনিম নিয়ে আপনার যে কোন আবদার; আবেদন; আহ্লাদ; হুমকি; জিজ্ঞাসা – সব কিছুই জানাতে পারেন আমাদের; আমরা তার সমাধান দেবার চেষ্টা করব কোন না কোন সময় ইনশাল্লাহ !!! আমাদের সাথেই থাকুন !!!