- Anime : Penguin Highway
- Type : Movie
- Genre : Fantasy, Sci Fi
- Script : Makoto Ueda
- Novel : Tomiko Morimi
- Director : Hiroyasu Ishida
- Studio : Studio Colorido
Movie Time With Yami – Pseudo Episode (টিং টং মুভি টাইম)
টিং টং, সিউডো মুভি টাইম উইথ ইয়ামি
আজকে মুভি দিবস পালন করলাম, তাই মেলাদিন পরে মুভি নিয়ে আবার কিছু লিখতে ইচ্ছা হল। রিভিউ টিভিউ দেয়া ধাতে পোষাবে না, কোনটা কেমন লাগল খালি সেটা লিখতেসি।
১. পেঙ্গুইন হাইওয়ে –
খুবই ভাল লেগেছে। বাচ্চাকাচ্চা পোলাপানের ইঁচড়েপাকা গবেষণা, ট্যান্ট্রাম থেকে শুরু করে শহরের মাঝখানে পেঙ্গুইনের আবির্ভাব, সবমিলিয়ে মোটামুটি উদ্ভট একটা প্লটকে খুব এঞ্জয়েবল ভাবে প্রেজেন্ট করা হয়েছে। একটা মুহূর্তের জন্যও স্লো বা বোরিং লাগেনি। অ্যানিমেশন, ওএসটি খুবই সুন্দর। যেকোনো আনিমেতে আমি ব্যাকগ্রাউন্ড, বাড়িঘর, গাছপালা, আকাশ বাতাসের দিকে আলাদা করে নজর দেই, এইখানে সেগুলো খুবই যত্ন নিয়ে বানিয়েছে, so I’m happy!!
২. কিমি তো নামি নি নোরেতারা –
আমি খুবই খুশি যে সিনোপসিস না পড়ে বা কোনোরকম গবেষণা ছাড়া শুধুমাত্র পোস্টার দেখে এই মুভি দেখতে বসেছিলাম। এইজন্য শুরুর ২৪ মিনিটের মিষ্টি অংশটুকু খুব ভাল লেগেছে দেখে। এরপরে মোটামুটি ইমোশনের আপ ডাউনের উপর দিয়ে পার করেছি। প্লট মোটেও নতুন না, এর আগে এরকম প্লট নিয়ে আরও মুভি হয়েছে এবং ভবিষ্যতেও হবে, এক্সিকিউশনের কারণে কাহিনিটা আপন আপন লেগেছে। এন্ডিং পছন্দ হয়েছে। অ্যানিমেশন, ওএসটি ভাল, আমার মাথায় এখন মুভিতে অতি ব্যবহৃত গানটা কন্টিনিউয়াস ঘুরপাক খাচ্ছে।
৩. নি নো কুনি –
উপরেই রাইড ইওর ওয়েভ নিয়ে যেটা বললাম, সেটার উল্টা ভার্সন এখানে বলব। ইসেকাইতে যাতায়াত, এই টাইপ প্লট মনে হয় তেমন আনকমন না, ওয়েল রিসিভড বলেই হয়ত, কিন্তু আমার মুভিটা তেমন ভাল লাগে নি। 30 minutes into the movie I got bored. পেসিং বাজে লাগল, একেবারেই টানছিল না আমাকে। অন্তত ২০/৩০ বার বোরড হয়ে উঠে গিয়ে অন্য কাজ করে এসে আবার বসেছি। কাহিনী বেশিই প্রেডিক্টেবল, ওয়েল প্রেডিক্টেবল হলে আমার কোনো সমস্যা হয় না ইউজুয়ালি, এটার এক্সিকিউশন ভাল লাগে নি। মেদেতাশি মেদেতাশি মার্কা এন্ডিংটা আমি দুই মাইল দূর থেকে চারচোখো হওয়া সত্ত্বেও দেখতে পাচ্ছিলাম, খুব পেইনফুল ভাবে সেটাই ঘটল। অ্যানিমেশন আহামরি লাগেনি, ওএসটি আদৌ শুনসি কিনা মনে পড়ে না
(নোট – এককালে কোনো কিছু বেশি ভাল লাগলে বলতাম “অতিরিক্ত ভাল লেগেছে”। Today this award goes to Penguin Highway )
Haikara-san ga Tooru Movie 1: Benio, Hana no 17-sai [রিভিউ] — Trisha Islam
Haikara-san ga Tooru Movie 1: Benio, Hana no 17-sai
Genres: Comedy, Historical, Romance, Shoujo
এই এনিমে মুভিটির প্লট আসলে ১৯৭৫ সালের একটা বিখ্যাত মাঙ্গার উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। মুভিটির নামের ট্রান্সলেশন করলে দাঁড়ায় Here Comes Miss High-Collar বা Here Comes Ms. Modern.
মুভিটার সেটিং হল ১৯১৭ অর্থাৎ ১ম বিশ্বযুদ্ধের টাইম পিরিয়ডকে কেন্দ্র করে কাহিনির বিচরন। ঐ সময়টাতে জাপান আস্তে আস্তে একটা আইসোলেটেড আইল্যান্ড থেকে মডার্ন জাপানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল। সে সময়টা তে ট্রাডিশন আর মডার্নিজম এর মধ্যে যে কনফ্লিক্ট কাজ করছিলো, কিভাবে ট্রাডিশনাল রোলস গুলো পরিবর্তন হচ্ছিল আর বিভিন্ন বয়স এবং শ্রেনীর মানুষ এই পরিবর্তনকে কিভাবে নিচ্ছিলো তা এই এনিমেতে বেশ সুন্দর করে দেখানো হয়েছে। আবার যেহেতু ১ম বিশ্বযুদ্ধে জাপান মিত্রপক্ষের একটা দেশ ছিল, তাই যুদ্ধের ব্যাপারটাও কিছুটা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে এইসব কঠিন কঠিন হিস্টোরিক্যাল বিষয়গুলোর থেকেও বড় কথা হচ্ছে, এটি একটি লাভ-কমেডি। তাই অনেকটা হাসতে হাসতে শেখার মত ব্যাপার আছে।
এখন কাহিনিতে চলে যাই, আমাদের Haikara-san বেনিও হানামুরা (Benio Hanamura) নিজেকে Modern লেডি হিসাবে ভাবেন এবং কিছুতেই ট্রাডিশনাল অ্যারেঞ্জ ম্যারেজ করতে রাজি নন। কিন্তু তার ভ্যাগেই যেন কার সাথে বিয়ে হবে দুই জেনারেশন আগে ঠিক করে রাখা হয়েছে। Modern লেডি, বিদ্রোহি কন্যা তোহ ঝাসির রানি। সে কিছুতেই বিনা যুদ্ধে হার মানবে না।
কাহিনির শুরু হয় এভাবে। এরপর চলতে থাকে বিভিন্ন টুইস্ট অ্যান্ড টার্নের মাধ্যমে তার প্রেমে পড়ার কাহিনি। অনেক ধরনের বাধা আর বিপত্তির মধ্যে কি পারবে বেনিও হানামুরা তার নিজের পছন্দ করা কাউকে জীবন সঙ্গী পেতে? নাকি সে বাধ্য হবে দুই জেনারেশন আগে ঠিক করে রাখা মানুষটার সাথেই ঘর বাধতে? এমনটাও হতে পারে “Fate has some other plans for our miss High-collar”.
এই মুভির আসলে দুইটা পার্ট, যার প্রথমটা হলো এইটা। শেষ পার্ট এখনো আসেনি। বেশ উপভোগ্য একটা মুভি আর আপনার যদি History নিয়ে আগ্রহ থাকে তাহলে তোহ কথাই নেই – ভালো লাগতে বাধ্য। আর্ট ওয়ার্ক বেশ ভালো। আমার নিজের পুরান আর্টের প্রতি এলার্জি আছে তাই অনেক ভালো ভালো সিরিজ দেখা হয় না। কিন্তু এরকম ক্লিন আর্ট দিয়ে সব পুরান এনিমে গুলা রিমেক করলে বেশ হয়।
বেনিও হানামুরা ভয়েস এক্টর হচ্ছে Hayami Saori যার করা Yukinoshita Yukino কে অনেক বেশি ভালো আর Shiba Miyuki কে অনেক বেশি বিরক্তিকর লেগেছিলো। কিন্তু এখানে আবার বেশ উপভোগ করেছি তার কাজ। আর লিড মেইল এর ভয়েস এক্টর হচ্ছে Miyano Mamoru, যার কাজ বেশ ভালো লাগে।
আমার কাছে বেশ লেগেছে আর রেটিং হচ্ছে: ৮।
Miyori No Mori [আনিমে ও মাঙ্গা রিভিউ] — Krista King
Name: Miyori No Mori
Genre: fantasy, drama, spiritual (nature).
Demographic: All
Anime Duration: 1hr 47min
Manga: vol2, ch.8
Author: Hideji Oda
Director: Nizo Yamamoto
Aired: 2007
সারসংক্ষেপ–
একদা মিয়োরি নামক একটি মেয়ে শৈশবে খেলতে খেলতে অরণ্যের গভীরে হারিয়ে গিয়েছিল। সেখানে ডিভাইন ট্রী-এর স্পিরিট তাকে অরণ্যের রক্ষী হিসাবে নির্বাচন করে। এখন মা ও বাবার মধ্যে অনবরত কলহের মাঝে ছোট্ট মিয়োরি একা হয়ে যায়। বড় হওয়ার সাথে সাথে সে মানুষের চেয়ে প্রকৃতিকে বেশি আপন করে ফেলত। মা বাবার বিচ্ছেদের দরুন এগারো বছরের মিয়োরি থাকতে শুরু করে ঠাকুমা-ঠাকুরদার সাথে সেই অরণ্য সংলগ্ন গ্রামে। প্রথমে অসুবিধা হলেও পরে গ্রামের মানুষ ও অরণ্যের স্পিরিটদের সাথে মিশে যায়। ইতিমধ্যে গ্রামে একদল মানুষের আবির্ভাব হয় যারা সেখানকার নদীতে বাঁধ বানাতে চায় কিন্তু সেটা হলে গ্রামসহ অরণ্য ডুবে যেতে পারে। সমস্ত অরণ্যের স্পিরিটদের একত্রিত করে তাদের এমন চমকায়, যাতে তারা আর ফেরত না আসে। এইভাবেই ছোট্ট মিয়োরি সকলকে বাঁচিয়ে নেয়।
My View-
অত্যন্ত মনোমুগ্ধকর প্রাকৃতিক দৃশ্যগুলি। বেশ একটা গিবলি সিনেমাগুলোর মত অনুভব হয়। ক্যারেকটার ডিজাইন বাস্তবিক যেটা সবচেয়ে সুন্দর লেগেছে আমার। মিয়োরির চরিত্রটি সবচেয়ে আকর্ষক। ছিচকাঁদনে অতিমিষ্টি চরম উৎসাহী নয় বরং শান্ত-শিষ্ট, নম্র অথচ দৃঢ়-মনস্কা, বাস্তবিক। শৈশব থেকে মা-বাবা, সহ-পাঠীদের কাছে তিরস্কৃত হওয়ার পরও, সবকিছু ভুলে মানসিকভাবে আরো দৃঢ় হয়ে ওঠার পরিণতিটি দেখার মত। মানুষের চেয়ে প্রকৃতির প্রতি এত টান, কোথায় একটা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “বলাই”এর কথা মনে করিয়ে দেয়। সবমিলিয়ে গল্প শেষে বেশ একটা ভালো লাগা থেকে যায়।
(আপনি এর মাঙ্গাটাও পড়ে দেখতে পারেন, মাত্র আটটি চ্যাপ্টারের, সেখানেও চিত্রগুলো খুব সুন্দর ও বাস্তবিক, মাঙ্গাতে আরোকিছু details আছে ঘটনাতে।)
The Red Turtle [মুভি রিভিউ] — Torsha Fariha
মুভির নামঃ Red Turtle
Production Company: স্টুডিও জিবলি ও ওয়াইল্ড বাঞ্চ।
IMDb Rating: ৭.৬
Personal Rating: ৮
২০১৭ সালের অস্কারের best animation feature film এর ক্যাটাগরিতে নমিনেশন পাওয়া।
খুব ছিমছাম সুন্দর ৮০ মিনিটের একটা মুভি। জটিল কোন কাহিনী না, স্নায়ুতে টান ধরানো কোন ক্লাইম্যাক্স না, খুব খুব খুব সাধারন একটা মুভি। এবং খুব চুপচাপ। হাসি আর কিছু চিল্লানো ছাড়া এখানে আর একটা কথাও নেই। মুভির সবচেয়ে ইন্টারেস্টিং জিনিস মনে হয় এটাই। একটা কথাও না বলে কিভাবে এত সুন্দর একটা কাহিনী ফুটিয়ে তোলা যায়!
কাহিনী খুবই সরলরেখার। জাহাজভাঙ্গার পর এক লোকের জ্ঞান ফিরে নাম না জানা এক দ্বীপে। কয়দিন ধাতস্ত হওয়ার পর প্রথম সুযোগেই সে ভেলা বানায় দ্বীপ ছাড়তে যায়। কিন্তু প্রতিবারই একটু কিছুদূর যাওয়ার পর ভেঙ্গে যায় ভেলাটা। কয়েকবার চেষ্টার পর সে আবিষ্কার করে একটা লাল রঙের কচ্ছপের কাজ এটা।
গল্পটা বেশ ছোটই তাই আর বলতে গেলে এক-দুইটা যে টুইস্ট আছে সেগুলাও বলা হয়ে যায়। তাই বাকিটুকু জানতে দেখতে হবে মুভিটা।
এবার আসি সৌন্দর্যের কথায়। মুভিটা এককথায় চোখের শান্তি। ধূ-ধূ সাগরতট, সবুজ বন, নানা শেডের নীল পানি, উঁচু উঁচু ঢেউ দেখতে খুব ভাল লাগে। কিন্তু সাথে একটা একাকীত্বের অনুভূতি আসে। আমার দেখতে গিয়ে মনে হয়েছে, খাবার-পানি ছাড়া যেমন বাঁচা যায় না, তেমনি বি-শা-ল একটা জায়গায় একা থেকেও বাঁচা যায় না।
এবার ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। ডায়ালগের ঘাটতি আসলে এখানে অনেকখানিই মিটিয়ে দিয়েছে ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। খুব সুদিং।
এমনিতে ড্রব্যাকের কথা যদি খুঁজে খুঁজে বলতে হয়, তবে বলব মুভিটা একটু স্লো। যারা এক্সাইটিং কিছু খুঁজছেন তারা মনে হয় কিছুটা হতাশই হবে। তবে এটা ঠিক ড্রব্যাক না। মুভির জানরাই এমন। স্লাইস অফ লাইফ- সুপার ন্যাচারাল যাদের পছন্দ কিংবা বেশ কিছুদিন ধরে যারা একশন-থ্রিলার দেখছেন, অথবা আমার মত আনিমে দেখা থেকে প্রায় অবসর নিতে বসেছেন- মোট কথা সবারই এই মুভি পছন্দ হবে।
মুভিটা আমার কাছে অনেকটা ছুটি কাটানোর মত রিল্যাক্সিং লেগেছে।
তাই, না দেখে থাকলে দেখে ফেলতে পারেন। সময়টা সুন্দর কাটবে।
Ninja Batman (2018) [মুভি রিভিউ] — Md Anik Hossain
কয়েক সপ্তাহ যাবত্ দেখব দেখব করে দেখা হচ্ছিল না। শেষে আজ সকালে দেখলাম।
মূল কাহিনীর সারাংশ হয়ত শিরোনাম দেখেই বোঝা যায়। তবুও বলি আর কি- ব্যাটম্যান যখন গোরিলা গ্রড এর সাথে মারামারি করছে এমন সময় গ্রডের বানানো টাইম মেশিন সম্ভবত দুর্ঘটনাঃবশত এক্টিভেট হয়ে যায়। আর ব্যাটম্যান টাইম মেশিনের বদৌলতে প্রাচীন জাপানে চলে আসে। সেখানে গিয়ে খুঁজে পায় তার কিছু চিরশত্রুদেরকে। আর তাদের খতম করে আবার বর্তমানে ফিরে আসা নিয়েই Ninja Batman এর মূল theme.
প্রথমেই স্টোরিলাইনের কথা বললে কাহিনী পুরাই লুলমার্কা হাস্যকর মনে হইছে আমার কাছে। কিন্তু একইসাথে প্লট টা মজাদার ছিল এটা মানতে হবে।
প্লট-কাহিনী মিলিয়ে 6/10 দিব।
আর্টওয়ার্ক বেশ ভালো লেগেছে। ওয়েস্টার্ন কমিকের এডাপ্টেশন হিসেবে মানানসই ছিল। এটার এনিমেশনে বেশ Uncommon একটা vibe পাওয়া যায়। Afro Samurai খ্যাত তাকাশি ওদাকাই এর সৃষ্টি বলে কথা। CGI এনিমেশন এর মুভমেন্টগুলো খারাপ লাগেনি। আর একশন সিকোয়েন্সগুলো অস্থির ছিল। বিশেষত একবারে শেষের ব্যাটম্যান বনাম জোকার এর Duel টা ![]()
এই খাতে 8/10 দিলাম।
ব্যাটম্যান সেই চিরাচরিত ব্যাটম্যানের মতোই ছিল। নিজের আদর্শ ও বাস্তবতার মাঝে বিরোধ ভালোভাবেই ফুটেছে মুভিতে। আর বিখ্যাত জোকার মামু এবং কুইন এর পাগলামি ছিল এক্কেবারে দারুণ! পুরা মুভিতে জোকার মামুর কান্ডকারখানাই সবচেয়ে উপভোগ্য ছিল। ক্যাটওমেন,টু ফেইস,গোরিলা গ্রুড কেও কমবেশি ঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পেরেছে বলে মনে হলো। অন্যান্য ক্যারেক্টার রা খুব বেশি স্ক্রীনটাইম পায়নি।যেটুকুও পেয়েছে, চলে আরকি।
তো চরিত্রগুলোর মিথস্ক্রিয়ার দিকটাতে 7+1/10 দিব(জোকার মামুর জন্য ১ বোনাস)
নেগেটিভ দিকের কথা আর কি বলব, মুভির নাম দিছে নিনজা ব্যাটম্যান আর পোশাক পরাইছে সামুরাই যোদ্ধাদের মতো, পুরাই আজব! তার উপ্রে প্রাক-শিল্পবিল্পব জমানায় ইয়া বিশাল বড় বড় রোবোট নিয়ে মারামারি দেখায় দিল। দেখে তো আমি হাসতে হাসতে কতক্ষণ লুটোপুটি খেলাম।
মুভির সবচেয়ে সেরা মূহুর্ত: বাতুমান-দোনো যখন হাত দিয়া নারুটোর মতো শারিনগান(?) জুত্সুর হ্যান্ড সিগনাল দেখাইল।
তো সে যাইহোক, সামগ্রিকভাবে সময় কাটানোর জন্য ভালোই লাগল। ৭/১০ দিলাম সব মিলিয়ে।
Giovanni no Shima (Giovanni’s Island) [মুভি রিকমেন্ডেশন] — Md Anik Hossain
১৫ আগস্ট, ১৯৪৫
দুই দুটো পারমাণবিক বোমার আঘাতে অবশেষে হার মানল যুদ্ধবাজ জাপানি সাম্রাজ্য। স্থানীয় সময় দুপুরের দিকে বেতার ভাষণে সম্রাট হিরোহিতো ঘোষণা দিলেন আত্মসমর্পণের সিদ্ধান্ত। সমগ্র সূর্যদয়ের দেশজুড়ে নেমে আসে শোকের মাতম। তা থেকে বাদ যায়নি ছোট্ট দ্বীপ শিকোতান। অবশ্য যুদ্ধে সরাসরি দ্বীপটি আক্রান্ত হয়নি। বাহ্যিকভাবে অক্ষতই ছিল। সে দ্বীপের প্রধান নিরাপত্তারক্ষীর দুই সন্তান জুনপেই এবং কান্তা। মা মরা জুনপেই এবং কান্তার ডাক নাম ছাড়াও আরেকটা করে ভালো নাম আছে। Giovanni ও Campanella… ওদের মায়ের দেয়া নাম। নাম দুটো বিখ্যাত Night on the Galactic Railroad বই থেকে নেয়া। ওর মায়ের প্রচন্ড পছন্দের বই ছিল এটা। তো সদা হাস্যোজ্জ্বল জুনপেই ও কান্তাই এর দিনকাল ভালোই চলছিল…চলমান বিশ্বযুদ্ধের মধ্যেও। কিন্তু যুদ্ধ শেষ হতেই তাদের জীবন যায় চিরদিনের জন্য বদলে। জাপানের আত্মসমর্পণ ঘোষণার কিছুদিন পরেই হঠাত্ একদিন দ্বীপে একটা অপরিচিত যুদ্ধজাহাজ আসে। খেয়াল করে দেখা গেল , এটাতো প্রতিবেশী সোভিয়েত ইউনিয়নের জাহাজ। কিছু বুঝে উঠার আগেই স্রোতের মতো অসংখ্য সোভিয়েত সৈন্য ওদের দ্বীপে নেমে আসল। এবং দখল করে নিল দ্বীপটিকে বিনা বাঁধায়। অতঃপর শাখারিন প্রশাসনের অন্তর্ভুক্ত করে সোভিয়েত ইউনিয়নে যুক্ত করে দ্বীপটিকে। কিন্তু দ্বীপটিতে শুধু ভিনদেশী সৈন্য নয়, তাদের পরিবারেরাও আসে। তাদের মাঝে সোভিয়েত কমান্ডারের মেয়ে Tanya.
রাশিয়ান ও জাপানি। ভিন্ন সংস্কৃতি, ভিন্ন ভাষা, ভিন্ন জীবনাচরণ। কিন্তু একই মানবিক অনুভূতি। একে অপরের শত্রু হবার পরেও ভাব হয়ে যায় জুনপেই ও তানিয়ার মাঝে। গভীর থেকে গভীরতর হতে থাকে তাদের বন্ধুত্ব। বন্ধুত্ব থেকেই ছোটো মানুষের মিষ্টি মধুর ভালোবাসা ভালো লাগায় রূপ নিতে থাকে এক পর্যায়ে। একদিকে দখলদার বহিরাগতদের রাজত্ব, অপরদিকে যুদ্ধে হারা দ্বীপবাসীদের দূঃখ দুর্দশা। আরেকদিকে আমাদের ছোট্ট জুনপেই কান্তাই ও তানিয়ার নির্ভেজাল বন্ধন। কোন দিকে যাবে তাদের জীবন? তাদের এই সম্পর্ক কতদূর গড়াবে? তাদের শেষ নিয়তি কী হবে?
উত্তর দিবে ঘটনার বহু বহু বছর পরে প্রৌঢ়ত্বে পৌছানো জুনপেই আর তার প্রাইমারি স্কুলের শিক্ষিকা। যারা ফিরে যাবে সেই অতীতের দিনগুলোতে। সেই আলো অন্ধকারাচ্ছন্ন অতীতে নিয়ে যাবেন আমাদের। তাদের ভাষাতেই আমাদের কাছে তুলে ধরবেন সেই স্মৃতিগুলো।
ইতিহাস ও ফ্যান্টাসি-ফিকশন এর মিশেলে একটি চমত্কার, একটি অনবদ্য সৃষ্টি বলেই আমার বিশ্বাস এটি।
একটা আবেগপ্রবণ সুন্দর সময় কাটানোর জন্য অবশ্যয়ই দেখুন জাপানি এনিমে মুভি “Giovanni no Shima (Giovanni’s Island)”.
যারা Grave of the Fireflies মুভিটি দেখেছেন এবং পছন্দ করেছেন তাদের জন্য Highly recommended. যদিও GotF এর তুলনায় হয়ত একটু কম আবেগতাড়িত হবেন। তবে দেখে খুব ভালো লাগবে বলেই আশা করি।
Only Yesterday [মুভি রিভিউ/রেকোমেন্ডেশন] — Towhid Chowdhury Faiaz
Only Yesterday (Omoide Poroporo)
পরিচালক: ইসাও তাকাহাতা
প্রযোজনা: স্টুডিও জিব্লি
অনেকেই হয়তবা ইতিমধ্যে শুনেছেন যে স্টুডিও জিব্লির সহ-নির্মাতা এবং গ্রেভ অফ দা ফায়ারফ্লাইস, টেইল অফ দা প্রিন্সেস কাগুয়া খ্যাত পরিচালক ইসাও তাকাহাতা আমাদের মধ্যে আর নেই। বিষয়টা অত্যন্ত দুঃখজনক। তার মৃত্যুতে তাকে শ্রদ্ধা করে আমি তার করা ছবিগুলোর মধ্যে আমার সবচেয়ে প্রিয় ছবিটাকে নিয়ে কথা বলতে চাই।
“আমাদের শৈশবকাল আমাদের স্মৃতি থেকে বিস্মৃত হইয়া গেলেও,
শৈশবকালের স্মৃতি হইতে আমরা বিস্মৃত হই নাই”
কোনো এক কালে স্কুলে মাইকেল মধুসূদন দত্তের কোনো এক গল্পে যেন পড়েছিলাম এই জিনিসটা।আমাদের জীবনের পথে যত দিন আমরা পার করি ততই আমরা অতীতের দিনগুলোকে ভুলে যাই।ছোটবেলার ইচ্ছা-আকাঙ্ক্ষা আমরা ত্যাগ করি বড় হবার এই জীবনের বাস্তবতার জন্যে।
স্টুডিও জিব্লির বেশির ভাগ ছবিগুলোর মতো এখানে কোনো কাল্পনিক কিংবা অতিপ্রাকৃত কিছু নেই এই ছবিতে। তায়েকো অকাজিমা ২৭ বছর বয়সী একজন সিঙ্গেল চাকরিজীবী যে শহরে সবার মতোই সাদামাটা একটি জীবন বসবাস করছে। ছবিটা শুরু হয় সে তার বোনের জামাইয়ের গ্রামে ছুটি কাটাতে যাচ্ছে এমন একটি সময় থেকে। তার নিজের কোনো কাছের আত্মীয় গ্রামে থাকে না বলে তাকে তার বোনের জামাইয়ের গ্রামে যেতে হচ্ছে। সত্যি কথা বলতে এতটুকুই গল্পের মূল কাহিনী। বাকি পুরোটা সময় আমরা তায়েকোর সাথে তার স্মৃতিচারণা এবং তার অভিজ্ঞতার একজন যাত্রী হিসেবেই কাটাই।
“আমি আশা করি নি যে আমার পঞ্চম শ্রেণীর আমিকেও আমি এই যাত্রায় নিয়ে যাবো” এভাবেই তায়েকো পুরো যাত্রাজুড়েই নিজের পঞ্চম শ্রেণীর শৈশবেই হারিয়ে যায়। কিছু স্মৃতি মিষ্টির মতো মধুর হলে কিছু স্মৃতি আবার বিজড়িত করে এমন।জীবনের প্রথম পিরিয়ড হওয়া থেকে শুরু করে তার জীবনের প্রথম পছন্দ হওয়া সবকিছুই যেন তার মনে পড়তে শুরু করে। তখন তায়েকোই নিজেকে নিজে প্রশ্ন করে এটা কেন হচ্ছে। হয়তবা শৈশবের তায়েকো এই ব্যস্ত শহুরে চাকরিজীবী তায়েকোকে জীবন উপভোগ করার নতুন উপায় শিখাচ্ছে।
ছবিটিতেই কোনো বড় কোনো দৃষ্টি আকর্ষণীয় কিছু নেই। ছবিটা এর হৃদয়ে একটি মেয়ের স্মৃতিচারণা এবং বাঁচতে শিখা নিয়েই তৈরি। নেই কোনো প্রেম কিংবা ধরণের প্যাঁচ বরঞ্চ ছবিটা আমাদের জীবনের একটি বাস্তব এবং মিষ্টি প্রতিচ্ছবি। ছবিটা দেখে অসম্ভব নিজের শৈশবকালে হারিয়ে না যাওয়া। দেখতে দেখতে কখন যে আপনি আপনার নিজের জীবনের শৈশবে ফিরে যাবেন তা টেরই পাবেন না।
ছবিটার একটি চমৎকার দিক হচ্ছে এর স্মৃতিচারণার দৃশ্যগুলো। আপনি খেয়াল করে দেখেন যে ১০-১৫ বছর আগের কথা আপনি মনে করতে গেলে আপনি কতটুকুই বা মনে করতে পারবেন।কেবল নির্দিষ্ট কিছু ঘটনা কিন্তু আপনি যখন ওই স্মৃতির আশে পাশের জিনিসগুলো মনে করবার চেষ্টা করবেন তখন দেখবেন যে জিনিসগুলো স্মৃতির সাথে সাথেই অস্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে।ইসাও তাকাহাতা টার বিচক্ষন পরিচালনার মাধ্যমে অসম্ভব রকমের সৌন্দর্যের সাথে ফুটিয়ে তুলেছে।ছবির মিউজিকাল স্কোর আমার জীবনের শোনা সবচেয়ে প্রশান্তপূর্ণ স্কোর। প্রতিটি গান আপনাকে আপনার শহুরে বাস্তব জীবন থেকে শিথিল করবে। মুভিটার শেষ গানটি আমি আজও বৃষ্টির দিনে বারান্দায় বসে শুনি।আমার অসম্ভব রকমের প্রিয় একটি গান।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে ইংরেজি ডাব নাকি অরিজিনাল জাপানিজ ভাষারটা দেখবো? ব্যাক্তিগতভাবে অামি জাপানিজটা দেখতে বলবো কারণ ডাবের রেন্ডারিং একটু সমস্যা অাছে যদিও ডেইসি রিড্লের কন্ঠ অভিনয় জাপানিজ মিকি ইমাই থেকে ভালো হয়েছে।
আমি কোনো চলচিত্রবোদ্ধা কিংবা বিশ্লেষক নই কিন্তু আমি বলবো যে Only Yesterday আমার জীবনের দেখা সেরা চলচিত্রগুলোর মধ্যে একটি।আশা করি না দেখে থাকলে ছবিটি দেখে নিবেন।ছবি শেষে আপনার ঠোঁটে মুচকি একটি হাসি ফোটাতে ছবিটি ব্যর্থ হবে না বলেই আমি আশা করি।
Kimi no Na Wa [মুভি রিভিউ] — Rumman Raihan
Kimi no Na Wa
ইংরেজি নামঃ Your Name
জনরাঃ রোম্যান্স, সাইফাই, সুপারন্যাচারাল, স্কুল, ড্রামা
দৈর্ঘ্যঃ ১ ঘন্টা ৪৬ মিনিট
টাইপঃ মুভি, ১২+
সময়কালঃ ২০১৬
এইতো সেদিন ইউকে প্রিমিয়ারে দেখে আসলাম সাম্প্রতিক সময়ের বহুল জনপ্রিয় অ্যানিমে “কিমি নো না ওয়া”। ইংরেজিতে Your Name. মাইঅ্যানিমেলিস্ট ওয়েবসাইটে এখন পর্যন্ত ৩ নম্বরে থাকা এই অ্যানিমে নিয়ে কিছু কথা বলতে চাই। এটি কি আসলেই একটি মডার্ন অ্যানিমে মাস্টারপিস, যেমনটি অনেকে বলছে? নাকি মাস্টারপিস বলার একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল অ্যানিমেটার মার্কেটিং সফল করা…
( স্পয়লার নেই )
কাহিনীঃ
ছোট্ট কান্ট্রিসাইডের সাদামাটা জীবনের সবকিছু হাইস্কুল ছাত্রী মিতসুহার কাছে একদম একঘেয়েমি লাগে। তার ছোটবোনকে নিয়ে সে তার নানীর সাথে থাকে। তার নানীর পরিবারের সাথে শিন্তো মন্দিরের সম্পর্ক আছে বলে তাকে এক প্রাচীন ঐতিহ্য অনুসারে বিভিন্ন রিচুয়াল করতে হয়। এই ছোট শহরে সবাই সবাইকে চেনে, তাই সহপাঠীদের সামনে এসব নৃত্য, পার্থনা করতে তার খুব বিব্রত বোধ হয়। সে এই জীবন ছেড়ে টোকিয়ো চলে যেতে চায়।
একদিন সকালে মিতসুহা ঘুম থেকে উঠে দেখতে পেল সে অন্য এক অচেনা বেডরুমে। আয়নায় নিজেকে দেখে সে যা দেখলো তাতে এটা নিছক স্বপ্ন মনে হল। টোকিও শহরে তাকি নামের একটা ছেলের সাথে তার শরীর বদল হয়ে গেছে। তাকি ও ঘুম থেকে উঠে নিজেকে মিতসুহার শরীরে আবিষ্কার করলো। পরদিন আবার তারা নিজেদের শরীর ফিরে পেলেও, এরপর থেকে তারা একদিন পরপর সকালে ঘুম থেকে উঠলেই একে অপরের শরীরে আবিষ্কার করা শুরু করলো। আর শুরু হল তাদের জীবনে যত গণ্ডগোল।
আপাতদৃষ্টিতে, চমৎকার অ্যানিমেশন আর সেমি রিয়েলিস্টিক ব্যাকগ্রাউন্ড অ্যার্টের সাথে বলা একটি রোমানটিক গল্প হল কিমি নো না ওয়া । মাকোতো শিঙ্কাইয়ের সিগ্নেচার একগাদা ট্রেইন, সাইডসিন আর ডিস্ট্যান্ট লাভের গল্পে যখন সবাই মগ্ন ছিল তখন আমার মনে ছিল অন্য কিছু প্রশ্ন। এবং সেগুলোর উত্তরও আমি পেয়েছি।
দা ফল্ট ইন ইওর নেইমঃ
কেন তাদের শরীর অদল বদল হচ্ছে? আকাশে হাজার বছরে একবার দেখতে পাওয়া যায় এমন একটা ধুমকেতুর তাৎপর্য কি? বুড়ি নানির দার্শনিক সব কথার মানে কি? এগুলো আসল প্লটের সাথে কিভাবে যায়? এসব নিয়ে ভেবেছি, এবং উত্তরও পেয়েছি। এই অ্যানিমেতে সাটেলটি বলছে খুব জিনিষ আছে। তাই ওয়েস্টার্ন নতুন অ্যানিমে ফ্যানরা এগুলো সহজে হজম করতে পেরেছ। নিজের ঐতিহ্যকে বহন করার গুরুত্বের মেসেজটাও চোখের সামনে বার বার নাড়াচ্ছিল অ্যানিমেটা। যারা ধরতে পারেনি তারা শুধু রোমান্স গিলেছে। মানে সবার জন্যেই কিছু না কিছু ছিল এখানে। তাই এর জনপ্রিয়তা খুব তারাতারি বেড়েছে। আর হ্যা অবশ্যই, মার্কেটিঙএর জন্য ইন্টারনেট সাহায্য করেছে।
অ্যানিমেটাতে গার্ডেন অফ ওয়ার্ডস অ্যানিমের একটা চরিত্রকে দেখা যাবে। ক্রসভার করে কি শিনকাই তার নিজের ইউনিভার্স বানাতে চাচ্ছেন? জানিনা।
অ্যানিমের ওপেনিং সিন এবং মাঝখানের একটা দৃশ্যে মিউজিকের সাথে ট্রাঞ্জিশন করা হয়েছে। ঐ দৃশ্য দুটি চমৎকার লেগেছে। কিন্তু একটা সময়ে গিয়ে গানের ওভারস্যাচুরেশনে বিরক্ত হয়েছি। স্পেশালি একটা ইমোশনাল দৃশ্যে ব্যাকগ্রাউন্ডে গান গেয়েই চলছিল। সেখানে একটু নিরবতার দরকার ছিল।
মিতসুহা আর তাকির রোম্যান্সটা কেন জানি কিছুটা মেলোড্রামাটিক লেগেছে। যদিও ফ্যানেরা অজুহাত হিসেবে বলছে যে, একে অপরের শরীরে গিয়ে তারা দুজন দুজনাকে খুব ভালো ভাবে চিনতে পেরেছে বলেই এই রোম্যান্স তার পরেও আমি এটা মানতে পারবো না। কারন অ্যানিমেটাতে দুজনের জীবনের কঠিন সময়গুলো দেখানো হয় নি। দৈনন্দিন নিজ নিজ জীবনের প্রতিবন্ধকতাগুলো যদি তুলে ধরা হত তাহলে চরিত্রগুলি আরো ভালো করে ফুটে উঠতো। “নদীর এপার কহে ছাড়িয়া নিঃশ্বা্স, ওপারেতে সর্বসুখ আমার বিশ্বাস” – এই প্রবাদটির কথা অ্যানিমেটাতে ভালো মতই দেখানো যেত। কিন্তু তা দেখানো হয়নি। কেন তারা একে অপরকে অ্যাপ্রিশিয়েট করে তার ধারনাটা খুবই ইনার্ট লেগেছে।
অ্যানিমের আসল প্লট টুইস্টটা রিভিল হবার অনেক আগেই আমি বুঝতে পেরেছি। এটা অত কঠিন টুইস্ট না, কিন্তু আনকনভেনশনাল বটে। স্টেইক যখন মানবিক থেকে জাগতিক হয়ে গেছে, তখনই অ্যানিমের প্রতি আবেগ কিছুটা সরে যাবার আশঙ্কা করেছিলাম, কিন্তু সেটা ভালো ভাবেই এক্সেকিউট করা হয়েছে।
তবে মিতসুহার আর তার বাবার সম্পর্ক নিয়ে সাবপ্লটটা একদম কাঁচা রেখে দেয়া হয়েছে। যেটা আরেকটু ফুটিয়ে তুলতে পারলেই হত।
মুলত অনেকগুলো ভালো কন্সেপ্ট আছে মুভিটাতে কিন্তু সেগুলো আধাপাকা রেখেই মুভি এগিয়ে গেছে মেলোড্রামাটিক ডিস্ট্যান্ট-লাভ রোমান্সের দিকে।
ওয়েস্টার্ন টিনেজ দর্শকরা তাদের মুভিগুলোতে যেরকম ভালোবাসার গল্প দেখে অভ্যস্থ,তার থেকে ইয়োর নেইম এর গল্প আলাদা, তাই তাদের কাছে এই নতুন রোমান্স অবশ্যই ভালো লাগবে। কিন্তু, যারা অনেক অ্যানিমে দেখেছেন তাদের কাছে এটা তেমন স্পেশাল মনে হবে না। আমি নিজে রোম্যান্স অ্যানিমের ফ্যান না। কিন্তু তারপরেও আমি এরচে উত্তম সাইফাই রোম্যান্স এর নাম বলে দিতে পারবো। আর এ পর্যন্ত যত রিভিউ দেখেছি তাতে মনে হচ্ছে এর আগে কেউ মনে হয় জীবনেও bodyswap সাবজনরার মুভি কখনো দেখেনি।
থাক, হয়তো একটু হার্শ হয়ে যাচ্ছি, অ্যানিমেটার উপর। আসলে হয়েছে কি, অ্যানিমেটা আসলেই ভালো। কিন্তু যেভাবে এটার মার্কেটিং করা হয়েছে, আর অ্যানিমেলিস্ট গুলোতে রিভিউ দেয়া হয়েছে, তাতে অনেক বড় এক্সপেক্টেশন নিয়ে দেখলে আশাহত হতে হবে। অ্যানিমেটা ওভারহাইপড, এবং কিঞ্চিত ওভাররেটেড। মানুষের ভালো লাগা আমি বদলাতে চাচ্ছি না। আমারো ভালো লেগেছে। কিন্তু অতটা না যতটা সবাই দাবী করছে।
মাস্টারপিস না হলেও, এই মুভিটি সিনেমা হলে গিয়ে দেখার মত মুভি, তবে অস্কার নমিনেশনের যোগ্য না। এর এত জনপ্রিয়তার মূল কারণ এর গল্পটা না, বরং সহজলব্ধতা। আমি লন্ডনের একটি সিনেমায় গিয়ে দেখে এসেছি, সেখানে এর আগে জিবলি মুভি ছাড়া আর কোনো অ্যানিমে স্ক্রিনিং হয় নি। আর সেখানেই অ্যানাউন্স হবার কয়েক ঘন্টার মাঝেই অনলাইনে ফুল বুকড হয়ে গেছে। পরে যেখানে ২ দিন দেখানোর কথা ছিল, সেখানে একসপ্তাহ জুড়ে দেখানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। অনলাইন হাইপ আর বিজ্ঞাপন এই অ্যানিমের বাণিজ্যিক সফলতার জন্য কতটা সাহায্য করেছে। আশা করি ভবিষ্যতে এরকম আরো অনেক অ্যানিমে মেইনস্ট্রিম সফলতার সুযোগ পাবে। কারণ এই নেটফ্লিক্স আর সিজিআই অ্যানিমের যুগে জাপানি স্টুডিওগুলির অ্যানিমে ইন্ডাস্ট্রিতে টিকে থাকার জন্য কয়েকটি অসাধারণ অ্যানিমে মুভির বড়ই প্রয়োজন।
পার্সোনাল রেটিংঃ
গল্পঃ ৭.৫/১০
অ্যানিমেশনঃ ৯.৫/১০
সাউন্ডট্র্যাকঃ ৯/১০
ওভারঅলঃ ৮/১০
সিমিলার রেকমেন্ডেশনঃ The Girl Who Leapt Through Time, Garden of Words, A Silent Voice, Hotarubi no Mori e, Patema Inverted and other Makoto Shinkai movies.
স্পয়লারঃ মুভির কোথাও আমার নামটা খুঁজে পাইনি।
Redline [মুভি রিভিউ] — Shifat Mohiuddin
REDLINE
জনরা: সাইন্স-ফিকশন, কার-রেসিং
স্টুডিও: ম্যাডহাউজ
সাল: ২০১০
দৈর্ঘ্য: ১০২ মিনিট
দেখে ফেললাম রেডলাইন। ২০১০ সালের মুভি তবে আলোচনা কমই হতে দেখেছি মুভিটা নিয়ে। মুভিটার খোঁজ কোন রিভিউ-ব্লগ থেকে পাই নি। পেয়েছিলাম এনিমে ইউটিউবার Gigguk এর একটা মজার ভিডিও থেকে। গিগাকের একটা ভিডিওতে দেখা যায় মিয়াজাকিরূপী স্টুডিও জিবলি ম্যাডহাউজকে ব্যঙ্গ করছে একটা goddamn মুভি বানানোর পেছনে সাত বছর পার করা নিয়ে। আমি তখনই ভাবলাম যে, ম্যাডহাউজের মত শক্তিশালী স্টুডিওকে সাত বছর ঘোরাতে পারে এমন কী জিনিস থাকতে পারে! নেট-টেট ঘেঁটে জানলাম সেই জিনিস হল ‘রেডলাইন’ আর মুভির পোস্টারের বাহার দেখেই চোখ কপালে উঠলো। অবশেষে দেখেই ফেললাম আর ম্যাডহাউজের সাত বছরের পরিশ্রম যে উশুল হয়েছে তা না বলে উপায় নাই। ‘রেডলাইন’ কোন মুভি নয় বরং একে একটা বিস্ফোরক অভিজ্ঞতা বলা উচিত।
প্লট: রেডলাইনের দুনিয়াটা সুদূর ভবিষ্যতের যেখানে কার রেসিং খুব জনপ্রিয়। তবে সেখানকার রেসিং কারের সাথে আমাদের রেসিং কারের আকাশ-পাতাল তফাত। ভয়ানক রকমের দ্রুতগতিসম্পন্ন বিশাল বিশাল যান্ত্রিক দেহওয়ালা সেই রেসিং কারগুলোকে মানুষ-এলিয়েন সবাই সমানতালেই চালায়। আর সেই দুনিয়ার কার রেসিং এর সবচেয়ে বড় টুর্নামেন্টের নাম হল ‘রেডলাইন’। গল্পের নায়ক
JP কে দেখা যায় সেই টুর্নামেন্টের বাছাইপর্ব ‘ইয়োলো লাইনে’ অংশগ্রহণ করতে। ভয়ানক রকমের বিপদজনক কিছু স্টান দেখিয়ে JP রেস জয়ের দ্বারপ্রান্তে পৌছে যায়। কিন্তু JP ইতোমধ্যেই মাফিয়া বসদের সাথে ম্যাচ পাতানোর সিদ্ধান্ত নিয়ে রেখেছে। তাই তাকে রেসে প্রথম স্থান বিসর্জন দিতে হয়। কিন্তু প্রথম না হওয়ার পরও JP রেডলাইনে অংশগ্রহণের সুযোগ পায় দর্শকদের ভোটের কারণে! রেডলাইনের ভেন্যু হিসেবে ঘোষণা করা হয় ‘রোবোওয়ার্ল্ডকে’ যেখানকার সাইবর্গ সরকার আবার রেডলাইন রেসকে দুচোখে দেখতে পারে না। সেই সরকার তাই সচেষ্ট হয়ে উঠে রেস বানচাল করার জন্য কিন্তু এর মধ্যেই রেসে নেমে পড়ে রেসের আট প্রতিযোগী। JP এর সাথে রেসে আছে চারবারের রেডলাইন চ্যাম্পিয়ন ‘মেশিন হেড’ ও ইয়োলো লাইন চ্যাম্পিয়ন সুন্দরী ‘সোনোশি’। রেসটা একপর্যায়ে JP এর জন্য পরিণত হয় মাফিয়া, রোবট সেনাবাহিনী আর নিজের উচ্চাকাঙ্ক্ষার মধ্যকারের লড়াইয়ে।
আগেই একবার বলেছি রেডলাইন কোন এনিমের নাম নয়, এটি একটি ‘অভিজ্ঞতার’ নাম। মুভিটা দেখলে কথাটা আপনাদের একটুও অত্যুক্তি মনে হবে না। রেডলাইন ডিরেক্টর Takeshi Koike এর প্রথম পূর্ণাঙ্গ কাজ। প্রথম কাজেই তিনি সৃজনশীলতার পরাকাষ্ঠা দেখিয়ে দিলেন। রেডলাইনের অ্যানিমেশনের কথাই প্রথমে বলি। এমন অ্যানিমেশন যে জাপানে তৈরি হতে পারে তা সহজে বিশ্বাস হতে চাইবে না। রেডলাইনের পুরো দুনিয়াটা আশি আর নব্বইয়ের দশকের কমিকবুকের আদলে তৈরি। আকাশ-বাতাস, ল্যান্ডস্কেপ, পাহাড়-পর্বত সবকিছুতেই একটা অদ্ভুত তারল্য লক্ষ করা যায়। মনে হয় পিসির স্ক্রিনটা একটুখানি নড়ালেই সবকিছু ভেঙ্গে পড়ে যাবে। পুরো এনিমের প্রতিটা ফ্রেমেই একটা কালচে আউটলাইনার ছিল অবজেক্টগুলার গায়ে যার ফলে সবকিছুকে অনেক জান্তব মনে হচ্ছিল। আসলে রেডলাইনের অ্যানিমেশনকে ব্যাখ্যা করতে গেলে হয়তো শব্দের অভাবেই ভুগতে হবে। পুরো এনিমেটাই ছিল ভয়ানক রকমের রঙিন। রেসিং কারগুলার বডির কালার ছিল চোখে পড়ার মত আর চরিত্রগুলোর দেহে নানা রঙের আউটফিট থাকায় একটা গ্রাফিটি গ্রাফিটি ভাব ছিল। গাড়িগুলো যখন রেস করতে থাকে তখন মনে হয় পেছনে একটা রঙের বন্যা বুঝি বয়ে গেছে। নিট্রো জিনিসটা গেইমে-টিভিতে অনেকবার দেখেছি কিন্তু রেডলাইনের নিট্রো দেখিয়ে দিল দেহের রক্তচাপ কিভাবে বাড়াতে হয়।
অ্যানিমেশনের ধারণা মানুষের মধ্যে কিভাবে এল? আমার মতে মানুষ যখন তার মনের আপাত অবাস্তব ও অসম্ভব ধারণাগুলো বাস্তব দুনিয়াতে বাস্তবায়ন/দৃশ্যায়ন করতে পারলো না তখনই অ্যানিমেশনের সাহায্য নিল। রেডলাইনকে এই হিসেবে অ্যানিমেশন জগতের অ্যানিমেশন বলা যায়। মানে একই সাথে এত এত পাগলাটে ঘটনার দৃশ্যায়ন ১০২ মিনিটে হয়েছে যে একে এনিমের মত অস্বাভাবিক জিনিসের মাপকাঠিতেও মাপা যাবে না। রেস বাদ দিয়েও স্পেইসশিপ ব্যাটল, প্রোজেক্টাইল ওয়েপনের মহড়া, ব্যাটলের ফলে পাহাড়-পর্বত কাগজের মত গুড়ো হয়ে যাওয়া, হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাট এমনকি ঐতিহ্যবাহী কাইজু ব্যাটলও (Battle between monsters) ঠেসে ঢোকানো হল একটা রেসে। রেসের ল্যান্ডস্কেপ এত উল্টাপাল্টা রকমের ছিল যে পেইন ভার্সাস নারুতোর ফাইটের বিক্ষিপ্ত ল্যান্ডস্কেপও হার মানবে। গাড়ির স্পিড বাড়ানোর মুহূর্তগুলো এত উজ্জ্বল ছিল যে আলোর ঝলকানির কারণে চোখ পুরো ঝলসে যাওয়ার মত অবস্থা! নিট্রো দেওয়ার সময় চারপাশের স্পেইস মুভিতে এত ভয়ানকভাবে বেন্ড করছিল যে এক দৃশ্যের থেকে আরেক দৃশ্যে তাল মেলাতে পারছিলাম না। মেশিন হেডের সাথে ফাইনাল মুখোমুখির সময় দৃশ্যায়ন এত দ্রুত হয়েছিল যে কয়েকবার পজ করে স্ক্রিন আগুপিছু করিয়েছি শুধুমাত্র এটা বোঝার জন্য যে চারদিকে এসব ঘটছে! মুভি রেসিং কার নিয়ে তৈরি ঠিক আছে কিন্তু এর ফলে দৃশ্যায়নও যে রেসিং কারের গতিতে হবে তা কে জানতো! তাতামি গ্যালাক্সির মত এনিমেগুলাতে প্লেবেক স্পিড কমিয়ে দেখতে হয় সাবটাইটেল পড়ার জন্য, আর রেডলাইনে প্লেবেক স্পিড কমাতে হয়েছে জাস্ট what the hell is going on তা অনুধাবন করার জন্য।
এত দ্রুতলয়ের এনিমেতে যদি দ্রুতলয়ের মিউজিক না থাকে তাহলে তো উত্তেজনা ধরে রাখা সম্ভব না। সেই দিক দিয়েও হতাশ হই নি। টেকনো ধাঁচের দুর্দান্ত মিউজিক কম্পোজ করেছেন মিউজিক ডিরেক্টর James Shimoji. ইঞ্জিনের গর্জনকে দুর্দান্ত সঙ্গ দিয়েছে ট্র্যাকগুলো।Redline ও Yellow Line ট্র্যাকদুটো রেসের ইনটেনসিটির সাথে পুরোপুরি মানিয়েছিল। তবে সবচেয়ে বেশী অ্যাড্রেনালিন রাশ হয়েছিল ‘Machine Head’ ট্র্যাকটা শোনার পর। চারবারের চ্যাম্পিয়নের ভাবমূর্তির যথোপযুক্ত ট্র্যাক। চারটে দুর্দান্ত ইংরেজি গানও ছিল মুভির পশ্চিমাভাবের সাথে তাল মেলাতে। And it’s so beautiful গানটাতে আবেদনের মাত্রা বেশীই ছিল আর Redline Day গানটা যেন পুরো মুভির ভাবই বহন করছিল।
রেডলাইন মুভির যে জিনিসটা সবার চোখে পড়তে পারে তা হল এর গল্পের অগভীরতা। যদিও JP এর পাতানো খেলা সংক্রান্ত অন্ধকার অতীত ও উচ্চাকাঙ্ক্ষার ব্যাপারগুলো আরো গভীরতা পেতে পারতো তবে মুভির দ্রুতলয়ের কারণে তা আর বোঝা যায় নি। মেশিনহেড মেইন রাইভাল হওয়ার পরেও তার দর্শনের একটু-আধটূ ইঙ্গিত পাওয়া যায় মাত্র। সোনোশি আর JP এর সম্পর্কটা আরেকটু বিস্তৃত হতে পারতো। রোবোওয়ার্ল্ডের সরকারের বিরোধিতার পেছনের ideology কে হয়তো ইচ্ছে করেই হাস্যকরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। আসলে সিরিয়াস কোন রেসিং স্টোরি দেখতে চাইলে হয়তো রেডলাইন প্রথম চয়েস নাও হতে পারে। কিন্তু এন্টারটেইনমেন্টকে মাথায় রাখলে রেডলাইনই হবে এক নাম্বার রেসিং মুভি। হয়তো এসব জিনিস ডিটেইলে ব্যাখ্যা করা হলে মুভিটা এত উপভোগ্য হত না।
সাত বছর ধরে একটি মুভির পেছনে খাটাখাটির ফলাফল কী হতে পারে তা রেডলাইনের অ্যানিমেশন দেখে বুঝলাম। প্রায় ১০০০০০ এর মত হাতে আঁকা ফ্রেমের সমন্বয়ে রেডলাইকে পর্দায় আনা সম্ভব হয়েছে! যেখানে একটা ৪৫ মিনিটের মুভির জন্য চাহিদাভেদে ৯০০-১২০০ ফ্রেম লাগে। একদল অসম্ভব রকমের প্যাশন থাকা মানুষের কারণেই রেডলাইনের মহাকাব্যিক অ্যানিমেশন তৈরি করা সম্ভব হয়েছে। রেডলাইন আধুনিক অ্যানিমেশনের চূড়া সেই ২০১০ সালেই এঁকে দিয়েছে। যারা OPM এর সাইতামা ভার্সাস বোরোসের ফাইট দেখে চোখ কপালে তুলেছেন তারা রেডলাইন মুভিটা দেখে থাকলে পুরো ১০২ মিনিটই চোখ কপালে তুলে রাখবেন।
রেডলাইনের কিছু কিছু মুহূর্ত আজীবন মনে রাখার মত। নিট্রো দেওয়ার পর JP এর দাঁত-কপাটি লেগে যাওয়া চেহারা কে ভুলতে পারবে! রেডলাইন রেসের শেষমুহূর্তে JP এর বলা, I have got the goddess on my side” কথাটা চমৎকার ছিল। মেশিনহেডের বারবার ট্রান্সফর্ম হওয়া দেখে হালই ছেড়ে দিয়েছিলাম। ফ্রিসবি আর বুড়ো মোল আর অন্য সব চরিত্রের কৌতুকগুলাও ভাল ছিল। পুরো মুভিটাতেই একটা আবেদনময়ী ভাব প্রকট ছিল যা লক্ষ্য করেছিলাম কাউবয় বিবপ আর সামুরাই চ্যাম্পলুতে।
সবমিলিয়ে রেডলাইন যেন একটা বোমার মত এসে অ্যানিমেশন দুনিয়াকে কাঁপিয়ে দিয়ে গেল। তাই নিছক কোন মুভি নয়; বিস্ফোরক, রঙিন, আবেদনময়ী এবং ভয়ানক দ্রুতগতির এক অভিজ্ঞতার নাম রেডলাইন। চাদরে জড়সড়ো হয়ে থাকা যুবকের দেহে রেসিং কারের ইঞ্জিনের উন্মুক্ততা এনে দেওয়ার নাম রেডলাইন। দুর্দান্ত সব কার স্টান্টের মাধ্যমে দর্শকের চোখে স্বপ্ন এঁকে দেওয়ার নাম রেডলাইন।
MAL রেটিং: ৮.৩৩/১০ (জনগণের ভালই লেগেছে বোঝা গেল)
আমার রেটিং: ৯/১০






















