
“Every revolution needs a leader. Every leader needs to sacrifice”
হঠাৎ দেখলেন আপনি হোয়াইট হাউসের সানে দাঁড়ানো, গায়ে এক চিলতে কাপড়ও নেই। কিছু মনে ও করতে পারছেন না: আপনার নাম কী, কে আপনি, কিছুই না! এমনকি এক মিনিট আগের কথাও না! কী করবেন আপনি?
নভেম্বর ২২, ২০১০। জাপানে আঘাত হানল ১০-১০ টি মিসাইল, কোন মানুষ মারা গেল না, কিন্তু সেটা ছিল এক অভুতপুর্ব পরিস্থিতি, যা পরিচিতি পেল “কেয়ারলেসস মানডে” নামে।
তিন মাস পর।
আকিরা তাকিজাওয়া নিজেকে এই অবস্থায় আবিস্কার করল। স্মৃতিহীন। সম্পূর্ণ নগ্ন আর হাতে শুধু একটা পিস্তল আর একটা সেলফোন। যাতে আছে ৮.২ বিলিয়ন ডিজিটাল ইয়েন! কেঁচো খুড়তে গিয়ে সাপ বেরল, তাকিজাওয়া জানতে পারল সে জড়িয়ে আছে এক ভয়ঙ্কর সারভাইভাল খেলায়, যাতে তাকে ১০ বিলিয়ন ইয়েন দিয়ে জাপানকে বাঁচাতে হবে! ১২ জন সেলেকাও, প্রত্যেকের কাছে ১০ বিলিয়ন ইয়েন, আর তা দিয়ে “পাল্টাতে” হবে জাপানকে। সহজ না? শুধু কোন স্বার্থপর কাজে তা ব্যবহার করলেই হারাতে হবে প্রাণ। আর শেষ পর্যন্ত কেবল একজনই বিজয়ী হবে।
নিজের অতীত আবিষ্কারের চেষ্টা, অন্য সেলেকাওদের কাছ থেকে বেঁচে থাকা, আর জাপানের পরিবর্তন ঘটানোর প্রচেষ্টায় তাকিজাওয়ার সাথে জড়িয়ে গেল সাকি মরিমি আর তার বন্ধুদের ক্লাব “ইডেন অফ দ্য ইষ্ট”।
রাজনৈতিক ফিলোসফি, রহস্য, কমেডি, ড্রামা, সাইফাই আর রোমান্সের মিশেলে এই অ্যানিমে। প্রথম পর্ব থেকে যে সাসপেন্স শুরু হয় তা বজায থাকে একেবারে শেষ মুভি পর্যন্ত। সাথে অসাধারণ ভিসুয়াল সৌন্দর্য তো আছেই। ইন্ট্রিগিং আবার অন্যান্য রহস্য অ্যানিমের মত অতটা সিরিয়াসও না!
আমার দেখা প্রথম দিককার অ্যানিমে, তাই অন্যতম পছন্দেরও। সাব কেমন জানি না; ডাবে দেখেছিলাম, ওইটাও অনেক ভালো।
ইডেন অফ দ্য ইষ্ট – চিন্তা উদ্দীপক, রোমাঞ্চকর আর অসাধারণ নৈপুন্যে পরিচালিত।
ইডেন অফ দ্য ইষ্ট = ইডেন অফ দ্য ইষ্ট (টিভি) ১১ পর্ব + ইডেন অফ দ্য ইষ্ট মুভি ১ – দ্য কিং অফ ইডেন + ইডেন অফ দ্য ইষ্ট মুভি ২ – প্যারাডাইস লষ্ট।
প্রচারকাল : ২০০৯-২০১০
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং : ৮.২৭ (#২২৬)
আমার রেটিং: ৯.৫ (#৫)
পুরষ্কার : *TV Feature Award – 2009 Animation Kobe Festival
*Best Television Series of the Year – Tokyo International Anime Fair
