এফ এ সি ২৮

রান্ডম টপিক

রসনাবিলাস ১-কিটক্যাট

 

জ্বী হ্যা, কয়েকটা কলাম ওয়ালা সেই কুড়মুড়ে ওয়েফার জাতীয় স্ন্যাকের কথাই বলছি। কয় রকম ফ্লেভার খেয়েছেন কিটক্যাটের? চলে যান জাপানে, দেখবেন এই কিটক্যাটেরই কয় ধরনের ভ্যারিয়েশন। কয়েকটা নমুনা পাবেন এই লিঙ্কে। http://japanesekat.com/archive/kitkat/

 

আনিমে সাজেশন

গানগ্রেভ[Gungrave]

 

কতখানি ঘৃণা থাকলে প্রিয় বন্ধুকে হত্যা করার জন্য মৃতের দুনিয়া থেকে কেউ ফিরে আসতে পারে? তাই করল ব্র্যান্দন হিট, শুরু হল রক্ত আর বারুদের উৎসব!

 

কেন দেখবেনঃ মাফিয়া জগতকে নিয়ে অল্প যে কয়টা আনিমে আছে, তার মধ্যে গানগ্রেভ একটা। দারুন কাহিনি বিন্যাস, সেই সাথে দুর্দান্ত অ্যাকশান। ভালো লাগবেই। কেন দেখবেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.০৩

আমার রেটিং ৮

 

মাঙ্গা সাজেশন

রুরউনি কেনশিন [Rurouni Kenshin]

 

অতীতের ক্ষত গালে বয়ে বেড়ানো এক যাযাবর সামুরাই, কেনশিন। তার আসল পরিচয়? তর্কসাপেক্ষে জাপানের সেরা অসিচালক, যুদ্ধের সময় যার নামই হয়ে গিয়েছিল মানুষহন্তা। এরপর?

 

কেন পড়বেনঃ অসাধারণ অ্যাকশান আর কাহিনিবিন্যাস। দারুন আঁকা, বিশেষ করে চোখের এক্সপ্রেশনগুলো দারুন।সিরিজটার সাথে সবাইই কম্বেশি পরিচিত, কিন্তু আমি সাজেসট করছি মাঙ্গাটা পড়ার, কিওতো আর্কের পড়ে আরও একটা মেজর আর্ক থাকে, বিনোদনের দিক থেকে সেটা কোন অংশে কম নয়। হাজিমে সাইতো, আওশি শিনোমরি, এদের “ভাব”  দেখার জন্য হলেও মাঙ্গাটা পড়া উচিত।কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৭৫

আমার রেটিং ১০

এফ এ সি ২৭

রান্ডম টপিক

আনিমিম ৩-মেইন ক্যারেক্টার সিট

আনিমেতে বেশিরভাগ মেইন ক্যারেক্টার এর সিট হয় ক্লাসরুমের একদম পিছনের সিটের আগেরটা, জানালার পাশে। এর কারণ হিসেবে বলা হয়, এতে আনিমেট করা সহজ হয়, এতে ব্যাকগ্রাউন্ড ক্যারেক্টার কম থাকে, তাই মেইন ক্যারেক্টার এর উপর ফোকাস থাকে বেশি। এছাড়া নায়ক জানালা দিয়ে বাইরের দৃশ্য দেখতে পারে, যা কোনো নতুন ঘটনার সূচনা করতে পারে।

এই সংক্রান্ত কিছু ছবি কমেন্টে।

 

 

আনিমে সাজেশন

 নিচিজৌ[Nichijou]

কয়েকজনের দৈনন্দিন জীবনের ঘটনা নিয়ে এই আনিমে।

 

কেন দেখবেনঃসিনপসিস পড়ে একঘেয়ে বা বিরক্তিকর কিছু মনে হতে পারে, কিন্তু এটা স্লাইস অব লাইফ জন্রার মাঝে একটা জেম। সময়ে সময়ে সূক্ষ্ম ”পান”[Pun], মজার মজার সংলাপ, রান্দম কিউটনেস[মোয়েশিট না] আর চরিত্রগুলোর ভ্যারিয়েশন, সব মিলিয়ে স্লাইস অব লাইফ জন্রা যারা পছন্দ করেন, তাদের জিভে জল এনে দেয়ার মত এক আনিমে।

কেন দেখবেন নাঃমূলত স্লাইস অব লাইফ ফ্যানদের জন্য। অন্যরা দূরে থাকুন।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৮

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

মে-তেরু নো কিমোচি[Me-Teru no kimochi]

 

 

দ্বিতীয় স্ত্রীকে সন্তানের দেখভালের ভার দিয়ে এক হিকিকোমরির বাবা মারা গেলেন। ভদ্রমহিলা আবার তার সৎ ছেলের চেয়ে বয়সে ছোট। তাদের মধ্যে রসায়ন কেমন হবে?

 

কেন পড়বেনঃ গান্তজের মাঙ্গাকার আঁকা এই মাঙ্গা, বেশ আরাম পড়তে, স্লো পেসড একটা নট-সো-টিপিক্যাল স্লাইস অব লাইফ মাঙ্গা। পড়তে মন্দ লাগে না।

কেন পড়বেন নাঃ মূলত প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য।

 

ম্যাল রেটিং ৬.৯৬

আমার রেটিং ৭

Shigofumi review by El Mattalisto Foysulivan Revnyster

অনেকদিন ধইরাই লিখব লিখব ভাবছিলাম।প্লান ও করে ফেলছিলাম কি নিয়া লিখব,আমার সবচেয়ে প্রিয় দুইটা অ্যানিমে Monster আর Natsume এর উপর।কিন্তু সৌভাগ্যক্রমে(কারন আমার লেখার হাত তেমন ভাল না) অথবা দুর্ভাগ্যক্রমেই(সবচেয়ে প্রিয় দুইটা আগেই কইছি) যেইটাই হোক পরপর ২-১ দিনের মাঝে দুইজন লেইখা দিসিল(৩-৪ মাস আগে সম্ভবত)।যাই হোক এইটা আমার প্রথম কোন বাংলা রিভিউ আনিমে এর উপর।ভুলত্রুটি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন আশা করি।

অ্যানিমেঃ শিগোফুমি (Shigofumi: Letters from the Departed)
জনরাঃ ড্রামা,ফ্যান্টাসি,সাইকোলজিকাল,থ্রিলার
পর্বঃ ১২
প্রচারকালঃ ২০০৮
প্রযোজকঃ J.C.Staff.
পরিচালকঃ তাতসুও সাতোউ (Tatsuo Satou)
ব্যপ্তিঃ ২৪ মিনিট প্রতি পর্ব
সেন্সরঃ আর ১৭+ (ভায়োলেন্স ও প্রোফ্যানিটি)

একজন মারা গেলেই কি তাঁর সবসময় সকল কিছুর পরিসমাপ্তি হয়? আর যমদূত এর আসবারও কোন নির্দিষ্ট টাইম-টেবল নাই। তাই কারো না বলা কিছু কথা থেকে যাওয়া অস্বাভাবিক না,হয়তো কাছের কোনো মানুষ এর প্রতি রাগ,অভিমান,ভালবাসা বেঁচে থাকতে আর বলা হয় নি।কেমন হয় যদি সেইসব মৃত মানুষগুলার না বলা কথা প্রাপকের কাছে পৌঁছে দেয়া যায়?

এই অ্যানিমের গল্পপট তাঁর উপরেই ভিত্তি করে। মৃতদের এইসব চিঠিই হইল শিগোফুমি।আর এইসব চিঠিবাহক আমাদের গল্পের মূল চরিত্র মিকাওয়া ফুমিকা (Mikawa Fumika)।এইখানে মিনি-স্পয়লার হল মৃত্যু বরন করা মানুষরাই মূলত এইসব চিঠিবাহক।কয়েকটি ছোট গল্পের সমষ্টি নিয়ে আনিমেটি। মৃত্যু নিয়ে যেহেতু সম্পর্কিত তাই প্রতিটি গল্পেই রয়েছে মৃত মানুষটির ফেলে আসা জীবনের কাহিনী। আয়াসের উপর সউতার সিক্রেট ক্রাশ,আয়াসের অন্ধকার অতীত এবং অতঃপর… অথবা স্কুল এ নিত্যদিন সহপাঠীদের দ্বারা টিজিং এর শিকার, আত্মহত্তা,আরেক সহপাঠীর দেখেও না দেখার ভান করে যাওয়া,অথবা ক্যানসার এ আক্রান্ত এক গেম ডিজাইনার এর শেষ দিনগুলিতে ছোট্ট মেয়েটির সাথে কিছু স্মৃতি, এইরকমই কয়েকটা ছোট ছোট কিন্তু অসাধারন এপিসোডিক কাহিনীর সাথে সাথে ফুমিকার নিজের এবং কো-ওয়ার্কার চিয়াকির অতীত উন্মোচিত হয়েছে।

মাঝে ফুমিকো আর চিয়াকির বিচ-রিসোর্ট এ ভ্রমন এইরকম সিরিয়াস আর ড্রামাটিক টাইপ অ্যানিমেতে প্রথমে হাস্যকর লাগলেও অসাধারনভাবে তার সমাপ্তি করা হইছে।আর দেখতে গিয়ে চোখে জল আসতে পারে।
আনিমেটার সাউন্ডট্র্যাক গুলাও খারাপ না।একটু অন্যরকম ধরনের অ্যানিমে যাদের ভাল্লাগে,তাদের জন্য এটি।

মাইঅ্যানিমেলিস্ট রেটিং: ৭.৭৪
আমার রেটিং: ৯

এফ এ সি ২৬

রান্ডম টপিক

হেন্তাই উডি

 

 

জাপানের খেলনা কোম্পানি কাইয়াদো যখন টয় স্টোরি এর শেরিফ উডি ক্যারেক্টারটার ফিগার বের করল, তখন তারা চিন্তাও করেনি ফোরচানের পাল্লায় পড়ে এর কি অবস্থা হবে। উডির রিপ্লেসেবল ফেসপ্লেট বদলে যখন একান-ওকান ছোঁয়া হাসির ফেসপ্লেট বসানো হয়, তখন একে মনে হয় ভয়াবহ ক্রিপি কিছু একটা, সারাক্ষণ মাথায় বদমায়েশি ঘুরছে। ব্যস, তখন থেকে এর নাম হয়ে গেল হেন্তাই উডি।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

ফুলমেটাল প্যানিক[Full Metal Panic]

 

 

মিলিটারি এক স্পেশালিষ্ট সউস্কে সাগারার উপর দায়িত্ব পড়ল আপাত দৃষ্টিতে সাধারন মনে হওয়া কানামে চিদোরিকে রক্ষার। আর এই কাজ করতে গিয়ে তাকে অভিনয় করতে হল হাই স্কুলের এক ছাত্রের। মাছকে ডাঙায় ছেড়ে দিলে যা হবে, সাগারার অবস্থা হল তাই, যুদ্ধক্ষেত্রে অভ্যস্ত সাগারা হাই স্কুলে এসে বুঝল, এই জীবন অনেক বেশি কঠিন। ওদিকে হামলা চালাচ্ছে অজ্ঞাত পরিচয় শত্রুরা। ত্রাহি অবস্থা আর কি।

 

কেন দেখবেনঃ এফেম্পির ফার্স্ট সিজনের চেয়ে সেকেন্ড সিজন[দ্য সেকেন্ড রেইড] আর সাইড স্টোরি [ফুমোফু] অনেক বেশি ভালো, ফুমোফু তো আমার দেখা সেরা কমেডি সিরিজগুলোর একটা। কিভাবে তুলনামুলক বাজে ফার্স্ট সিজন থেকে সেকেন্ড সিজন বানানো যায়, এটা দেখার জন্য হলেও এফেম্পি দেখা উচিত।

কেন দেখবেন নাঃফার্স্ট সিজন যথেষ্ট বিরক্তিকর।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯৪+৮.১৮+৮.৩৪

আমার রেটিং ৮+৮+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

প্লুটো[Pluto]

 

 

জাপানে যাকে বলা হয় আনিমের ধর্মপিতা, মাঙ্গার জনক, সেই অসামু তেজুকার আস্ত্র বয়[Astro Boy] মাঙ্গার একটা আর্ক থেকে উরাসাওয়া নাওকির আঁকা রহস্য জন্রার মাঙ্গা।

 

কেন পরবেনঃ উরাসাওয়া নাওকির মাঙ্গা, ইনাফ সেইড।

কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৫৯

আমার রেটিং ৯

 

এফ এ সি ২৫

রান্ডম টপিক

 বহুভাষাবিদ মাঙ্গাকা

 

 

ব্যাটল মাঙ্গা পড়তে গেলেই বা ব্যাটল লাইট নভেল পড়তে গেলেই এখন একটা মহা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়। ক্যারেক্টাররা খুব ভাব নিয়ে একেকটা হিসসাতসু ওয়াযা[ফিনিশিং মুভ] ব্যবহার করে।তারা চেষ্টা করে মুভগুলোর দারুন কোন গাল্ভরা নাম দিতে, তবে ইদানীং ব্যবহার হচ্ছে খুব ক্লিশে কিছু ইংরেজি শব্দ। যেমন জিরো নো তসুকাইমার লুইসের স্পেশাল অ্যাটাক এর নাম হচ্ছে “এক্সপ্লোশন”, কুরোকো নো বাসকেতে মুভের নাম হচ্ছে ভাইস গ্রিপ, মিসডিরেকশন ইত্যাদি। ভাগ্য ভালো, সব মাঙ্গাকা এমন করেন না। কিশিমতো সেন্সেই এই ক্ষেত্রে খুব ট্র্যাডিশনাল, সব মুভের নাম জাপানি, আকিরা আমানো সেন্সেই ব্যবহার করেছেন ইতালিয়ান ভাষা, এইচিরো অদা ব্যবহার করেন জাপানি, ইংরেজি, ফ্রেঞ্চ, তগাশি ব্যবহার করেন জাপানি, ইংরেজি, ম্যাজাই এর মাঙ্গাকা শিনোবু অহতাকা ব্যবহার করেন আরবি। তবে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন তিতে কুবো, ভদ্রলোক শিনিগামিদের জন্য ব্যবহার করেছেন জাপানি, বাউন্তডের জন্য পর্তুগীজ, আরাঙ্কারদের জন্য স্প্যানিশ, ফুলব্রিঙ্গারদের জন্য ইংরেজি, আর এখন কুইনশিদের জন্য জার্মান।  

 

 

আনিমে সাজেশন

আর ও ডি দ্য টিভি[ROD the TV]

 

 

বিখ্যাত লেখিকা নেনেনে সুমিরেগাওয়াকে যখন কিডন্যাপ করে নিয়ে গেল এক গোপন সংঘের সদস্যরা, তখন তারা ঘুনাক্ষরেও চিন্তা করেনি, নেনেনের সাথে থাকা সারাক্ষণ বইয়ের মধ্যে মুখ গুজে রাখা অগোছালো টাইপ মেয়ে তিনটা আসলে তার বডিগার্ড, যারা কিনা পরিচিত পেপার সিস্টার্স নামে। তারা বন্ধুকে বাঁচানোর জন্য কতখানি মরিয়া হতে উঠতে পারে, সেটা ওই সংঘের লোকগুলো বুঝতে পারল, যখন তিন বোন নিজেরাই মিলে তাদের হেডকোয়ার্টার আক্রমণ করল। এরপর?

 

কেন দেখবেনঃ সম্পূর্ণ নতুন এক ধরনের সুপার পাওয়ার এর সাথে পরিচয় পাবেন এই আনিমেতে, পেপার মাস্টার, যারা কাগজকে ম্যানিপুলেট করতে পারে ইচ্ছেমত(যারা এ কথাটা পড়ার পরেই চিন্তা করছেন লাফ দিয়ে কোনানের নাম বলবেন, তাদের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে কোনানের ক্ষমতার কথা কিশিমতো বলার আগেই এই সিরিজ রিলিজ পেয়েছিল।)। কাহিনি খুব গ্রিপিং, সুপারপাওয়ার স্পাই থ্রিলার টাইপ একটা ভাইব আছে। সাউন্ডট্র্যাক খুব বেশি ভালো। আর ও ডি দ্য টিভির একটা প্রিকুয়েল মুভি আছে, ওটাও যথেষ্ট ভালো,

কেন দেখবেন নাঃ প্রথমদিকে একটু স্লো, মূলত স্লাইস অব লাইফ মনে হবে, পরে অবশ্য পুশিয়ে দেবে কড়ায় গণ্ডায়।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭০

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

ইওতসুবাতো[Yotsubato]

 

 

বাচ্চা মেয়ে ইওতসুবার কাছে পুরো পৃথিবীই হচ্ছে এক বিস্ময়। সে সবকিছুকেই তার ইউনিক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখে, যেমনটা সাধারণত কেউ দেখে না। ইওতসুবার সাথে তার বাবা, আর প্রতিবেশীদের নিত্যদিনের কর্মকাণ্ড নিয়েই এই মাঙ্গা।

 

কেন পড়বেনঃ পিউর স্লাইস অব লাইফ হিউমার, আজুমাঙ্গা দাইওহ, নিচিজৌ এই ধরনের। এই জন্রা যারা পছন্দ করেন, তাদের অবশ্যপাঠ্য।

কেন পড়বেন নাঃ যারা অ্যাকশান/রোমান্স/গ্যাগ(পড়ুন কাতুকুতু) উপাদান পছন্দ করেন, তাদের জন্য এই মাঙ্গা না।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৯১

আমার রেটিং নেই, কারণ অনগোয়িং।

এফ এ সি ২৪

রান্ডম টপিক

 আই হোপ সেনপাই উইল নোটিস মি

 

অসাধারণ সুদর্শন এবং রমণীমোহন সেনপাইদের দৃষ্টি আকর্ষন করার জন্য অনেক শউজো মাঙ্গার মেইন ফিমেইল ক্যারেক্টার প্রচণ্ড ব্যস্ত থাকে, তাদের মনে চিন্তা, “সেনপাই কি আদৌ আমার দিকে তাকাবে?” মূলত আনরিকুইটেড লাভ বোঝাতে এই ফ্রেজ ব্যবহার করা হয়. বর্তমানে ৪চানে আর টাম্ব্লারে এর ব্যবহার খুব বেশি। বহুল ব্যবহৃত হয়ে এই কনসেপ্টটা এখন এতই ক্লিশে হয়ে গেছে যে এখন এটা মিম হিসেবে আনিমেতেই ব্যবহৃত হচ্ছে, এছাড়া অতি উতসাহী আনিমে/মাঙ্গা ফ্যানরা তো নিয়মিত ছবি এডিট করছেই। কিছু স্যাম্পল দেখুন কমেন্টে।

 

 

আনিমে সাজেশন

 স্পিডগ্রাফার[Speed Grapher]

 

 

গোপন এক সংঘের প্রেতসাধনায় বাধ হানল এক দুর্ধর্ষ সাংবাদিক, আর সেই সাথে নিজের বিপদ ডেকে আনল নিজেই। এ থেকে বাঁচার সম্বল? শুধুই তাঁর সাংবাদিক জীবনের একমাত্র বন্ধু, তার ক্যামেরা, যা কিনা ”দেবদূতের” আশীর্বাদপ্রাপ্ত। এরপর?

 

কেন দেখবেনঃবেশ ভালো সেইনেন, যথেষ্ট রক্তপাত আছে, অলৌকিক ব্যাপারস্যাপারের সাথে সিরিয়াস প্লট এর কম্বিনেশন জমেছে ভালো। সাউন্ডট্র্যাকও চলনসই।

কেন দেখবেন নাঃভালো একটা কাহিনীর এন্ডিঙও  ভালো করা উচিত, আমি নিজে ব্যক্তিগতভাবে পুরোপুরি সন্তুষ্ট নই।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৫২

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

ওয়ানপাঞ্চ ম্যান[One Punch-Man]

 

 

সাইতামা কোন উপযুক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী খুঁজে পাচ্ছে না।পাবে কিভাবে, যেই তার সামনে আসে, সেই তার এক ঘুষিতে কাত হয়ে যায়, একের বেশি দুই ঘুসি দেয়া লাগে না।কি করবে এখন সাইতামা?

 

কেন পড়বেনঃ খুবই আকর্ষণীয় আঁকা, ভীষণ ডিটেলড, কাহিনীর প্রগ্রেস খুব ভালো, কোন জায়গায় হোঁচট খেতে হয় না। কমেডি আর শউনেন জন্রার দারুন এক কম্বিনেশন এই মাঙ্গা।

কেন পড়বেন নাঃ কোন কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৮

আমার রেটিং নেই, কারণ অঙ্গয়িং.

 

Corpse Part: Tortured Soul – Anime Suggestion by Kazi Rafi

রাত ১টার পরে, রুমের দরজা ভিড়িয়ে, বাতি নিভিয়ে, কানে হেডফোন লাগিয়ে দেখার মতন ৪ পর্বের দম ফাটানো হাসির আর বুদ্ধিদীপ্ত কৌতুকে ভরপুর এক এনিমে Corpse Part: Tortured Soul. এইযে নাম শুনে আপনি হতভম্ব হয়ে গেলেন, এনিমের নির্মাতারা ঠিক এইটাই আশা করছে আপনার পক্ষ থেকে। কিভাবে একটা কমেডি এনিমের নাম এরকম উদ্ভট আর কিছুটা ভীতিকর হতে পারে এই প্রশ্ন নিয়ে আপনি এনিমেটি দেখা শুরু করবেন, এইটাই তাদের মূল লক্ষ্য কারন এই ৪ পর্ব ধরে এই বিষয়টি নিয়েই এই এনিমের কাহিনিটি মূলত গড়ে উঠেছে। এনিমের কাহিনী নিয়ে আর বেশী কথা বাড়ালাম নাহ, কিন্তু একটা কথা নাহ বলে পারছি নাহ, যদিও এটি মূলত খুবই হালকা মেজাজের একটি এনিমে কিন্তু প্রতি পর্বে রয়েছে বেশ গতি আর টুইস্ট যা আপনি অনেক কাছ থেকেও প্রেডিক্ট করতে পারবেন নাহ। 
ওহ হ্যাঁ, বলতে একদমই ভুলে গেছি, এই এনিমে The Association of Japanese Animations (AJA) দ্বারা ‘Kid-Friendly’ সার্টিফাইড, সো গ্রুপে বাচ্চা কাচ্চা কেও থেকে থাকে এই এনিমে তাদেরো দেখার আমন্ত্রন রইল। আর অন্যরা, আপনারা আর সময় নষ্ট নাহ করে নামিয়ে দেখে ফেলুন ভয়াবহ হাসির এই এনিমেটি !!! 

Detroit Metal City [Anime Review] by Tahsin Faruque Aninda

Detroit Metal City (2008)

 

[Warning! এই আনিমেটিতে অনেক আক্রমণাত্মক, অপমানজনক, সামাজিকভাবে অগ্রহণযোগ্য কথাবার্তা রয়েছে এবং একই ধরণের লিরিক্সসম্বলিত গান আছে। যদিও সকল কথাবার্তা ও গানের লিরিক্স শুধুই হাস্যকর অর্থে বিনোদন দেবার মত দৃশ্যে ব্যবহৃত হয়েছে, তারপরেও লেখক আগেই ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছে এধরনের কথাবার্তা নিয়ে এই রিভিউতে আলোচনা করার জন্যে। লেখক কোনভাবেই বাস্তব কিংবা কাল্পনিক জীবনে এধরণের বিকৃত রুচির কথাবার্তা/গানকে সাপোর্ট করে না]

 

ধরে নিন আপনি একজন অসম্ভব মারামারি-কোপাকুপি মুভির ফ্যান, কাহিনী দ্রুত এগিয়ে না গেলে আপনার মুভি দেখার আগ্রহ হারিয়ে যায়। ধীর গতিতে আগানো মুভি দেখতে গেলে অধৈর্য হয়ে যান, ঘুমিয়ে কূল পান না! এখন দুর্ভাগ্যক্রমে আপনার জীবনটা এমন হয়ে গেলো যে, প্রচন্ড আতেলি কিংবা আর্টিস্টিক কিংবা ঘন্টায় ১ মিটার গতিতে আগানো ধীর মুভি দেখে দেখেই বাকি জীবন পাড়ি দিতে হবে, কেমন লাগবে আপনার? কিংবা বিপরীত অবস্থা ভাবুন, আপনি ভদ্র, ধীরস্থির জীবন কাটাতে পছন্দ করেন। শাস্ত্রীয় গান কিংবা ভাবুক আলোচনা, ৫ মিনিটে শেষ করে দেওয়া ঘটনা নিয়ে তৈরি ৫ ঘন্টার সিনেমা শান্ত মনে উপভোগ করতে পারা আপনার সবচেয়ে পছন্দের কাজ। এর বাইরে তথাকথিত নতুন যুগের গানাবাজনা, আর্ট, সিনেমা, আলোচনা ইত্যাদি আপনার শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেয় রীতিমত!! হঠাত করে আবিষ্কার করলেন বাকি জীবনটা র্যা প গান গেয়েই কাটিয়ে দিতে হবে, দুনিয়া আপনাকে শ্রেষ্ট র্যাবপ গায়কদের একজন হিসেবে মেনে নিয়েছে। শাস্ত্রীয় গানের প্রসঙ্গে গেলে রীতিমত অপমানিত হতে হয় আপনাকে। জীবনটা কিরকম লাগবে আপনার?

ঠিক এরকমই ভাগ্যের নির্মম পরিহাসে দুষ্টু-মিষ্টি প্রেমের গানের গায়ক হবার স্বপ্ন দেখা নেগিশি সৌইচি একদিন জাপানের আন্ডারগ্রাউন্ড গানের জগতে সবচেয়ে বিখ্যাত, প্রচন্ড ভায়োলেন্ট একটি ডেথ মেটাল ব্যান্ড “ডেট্রয়েট মেটাল সিটি”-এর লিড ভোকাল হয়ে যায়। সারা দেশে তার অসংখ্য মেটালহেড ভক্ত, যাদের উদ্যম প্রেরণা আর সাপোর্ট দেখে মেটাল গান ঘৃণা করা নেগিশি চরম অনিচ্ছা স্বত্বেও নিজে থেকে গেয়ে যেতে থাকে ডেথ মেটাল গান আর সবাইকে উপহার দিতে থাকে একের পর এক সুপারডুপারহিট সব ভয়াবহ অশ্লীল কথার পাগল করে দেওয়া ইতিহাস সৃষ্টি করা জিনিস!!

 

ডেট্রয়েট মেটাল সিটি আনিমেটি প্রথম দৃষ্টিতে দেখে শুধু গান কিংবা পাগলামির আনিমে মনে হলেও, এটি আসলে এর চেয়ে অনেক বেশি কিছু দিবে। খুব কম আনিমে আছে যা দেখতে গিয়ে আমি অসম্ভব হেসেছি, সেখানে এই ১৩ মিনিট করে মোট ১২টি এপিসোড দেখার সময়ে হাসতে গিয়ে মোটে ৫-৬বার চেয়ার থেকে পরে গিয়েছি [সত্যি সত্যি চেয়ার থেকে পরে গিয়েছি, একবার হাতে ব্যাথাও পেয়েছি! -_- ]। এই আনিমেতে পাগলামি নেই, আছে পৈশাচিক লেভেলের পাগলামি! আছে কথায় কথায় গালাগালি, F অক্ষরে শুরু হওয়া বিখ্যাত শব্দটির ব্যবহার, অপব্যবহার, সুব্যবহার, কুব্যবহার! আর আছে “ধর্ষণ” শব্দটির কিছু লেজেন্ডারি ব্যবহার!

 

ঘটনা সংক্ষেপ: নেগিশি সৌইচি টোকিও শহরে আসে পড়াশুনার উদ্দেশ্যে, এবং একই সাথে স্বপ্ন দেখে টোকিওতে এসে ফ্যাশনেবল একটা পপ-ব্যান্ড গড়বে। কিন্তু গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর কিভাবে যেন ঢুকে গেলো এক ইন্ডি ডেথ মেটাল জনরার ব্যান্ড ডেট্রয়েট মেটাল সিটিতে, যা সবার কাছে DMC বলেই বেশি পরিচিত! হয়ে গেলো জাপানের আন্ডারগ্রাউন্ড ব্যান্ড মিউজিকের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং ভায়োলেন্ট ডেথ মেটাল ব্যান্ডের লিড ভোকাল, ছদ্ম নাম নিল “ক্রওজার-২”। মিষ্টি-রোম্যান্টিক গান পছন্দ করা ও সারাক্ষন দুষ্টুমিষ্টি প্রেমের গান লেখা-গাওয়া নেগিশির জীবন এখন কাটে খুনখারাবি, ধর্ষণ, পৈশাচিক অপকর্মের গান গেয়ে গেয়ে!!

কাহিনী: ডেট্রয়েট মেটাল সিটির কাহিনী এর বড় শক্তি নয়, তবে দুর্বলতাও নয়। ১৩ মিনিটের একেকটি পর্বকে দুই ভাগে ভাগ করে ফেলা যায়। দুইটি অংশে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই দুটি ভিন্ন ঘটনা দেখায়। সব মিলিয়ে বলা যায়, ৬-৭ মিনিটের একেকটি অংশ একেকটি গ্যাগ। তবে শুধু হাস্যরসাত্মক গ্যাগ নয়, একদম উন্মত্ত-পাগলামির গ্যাগ।

 

অ্যানিমেশন: আনিমেটির অ্যানিমেশন অন্যান্য আনিমে থেকে বেশ আলাদা। মাঙ্গার প্যানেলের মত ভাগ থাকে মাঝে মাঝে, আবার 16×9 রেজল্যুশনের ভিডিও হলেও প্রায়শ দেখা যায় লম্বাটে বিশাল একটা প্যানেলেই শুধু অ্যানিমেশন চলছে। তবে সবকিছু মিলিয়ে সিরিজটির জন্যে আদর্শ অ্যানিমেশন। হঠাত হঠাত চলে আসা হাস্যকর ডায়লগ, ইমোশনের বহিঃপ্রকাশ, কিংবা একেকজনের নড়াচড়া – এসবকিছু আনিমেটির পাগলামিকে ঠিকভাবে তুলে ধরার জন্যে আদর্শ অ্যানিমেশন রয়েছে ডেট্রয়েট মেটাল সিটির।

সাউন্ডট্র্যাক: ডেথ মেটাল ব্যান্ডকে নিয়ে আনিমে, সুতরাং বুঝতেই পারছেন সাউন্ডট্র্যাক হিসাবে কি অপেক্ষা করছে আপনার জন্যে। ডেথ মেটাল পছন্দ এমন দর্শকের জন্যে এই আনিমের প্রতিটি এপিসোডে রয়েছে রক্ত-গরম-করা কিছু ডেথ মেটাল ট্র্যাক। যেহেতু আনিমের মধ্যেই গান চলতে থাকবে অনেক জায়গাতে, তাই গানের লিরিক্সও ইংলিশ সাবটেইটেল হিসাবে দেখা যেতে পারে – যেটা খুব একটা ভাল এক্সপেরিয়েন্স হবে না অনেকের জন্যেই। একদম “সেইরকম” লিরিক্স। তবে সব মিলিয়ে অসাধারণ পাওয়ারফুল কিছু ট্র্যাক। এর মধ্যে ওপেনিং ট্র্যাকটি সত্যিকার অর্থে অসাধারণ একটি ডেথ মেটাল গান [আবারও বলি, লিরিক্স দেখে অস্বস্তি লাগতে পারে]। আর নেগিশি নিজে যেহেতু ঠান্ডা আর মিষ্টি প্রেমের গান পছন্দ করে, তার নিজের কম্পোজ করা এরকম একটি গানও আছে। সেই হোপলেস-রোম্যান্টিক গানটিও মাঝেমধ্যে শুনা যাবে, আরও শুনা যাবে আনিমেটির এন্ডিং ট্র্যাক হিসাবে।

 

ক্যারেক্টার: আনিমেটির সবচেয়ে শক্তিশালী দুটি পয়েন্টের একটি হল এর ক্যারেক্টারগুলি। প্রায় সব চরিত্রই বিভিন্ন মুহুর্তের হাস্যকর দৃশ্যগুলি ফুটিয়ে তুলবার জন্যে দারুণ ভূমিকা রেখেছে, এমন কি যেসব চরিত্র শুধু ১ পর্বের জন্যে হাজির হয়েছিল তারাও। তবে মূল ক্যারেক্টার নেগিশি এবং তার অল্টার-ইগো ক্রওজার-এর ক্যারেক্টার ডেভলপমেন্ট সবচেয়ে বেশি হয়েছে। ভিন্ন ভিন্ন সময়ে তার দুটি ভিন্ন রূপ ও সেই অনুযায়ী আচার-আচরণ পুরো সিরিজটির সবচেয়ে মজার অংশগুলি উপহার দিয়েছে। আরও রয়েছে তার ব্যান্ডের ড্রামার কামুস [নিশিদা তেরুমিচি] এবং গ্ল্যাম রক গান গেতে চাইলেও অবশেষে DMC তে যোগ দেওয়া জাগি [ওয়াদা মাসাইয়ুকি]। যদিও তারা তাদের DMC জীবনের সাথে মানিয়ে নিতে পেরেছে, নেগিশি তার ব্যান্ড জীবন আর স্বপ্নের পপ গানের জীবনের মধ্যে দোটানাতে রয়ে গিয়েছে। সিরিজটির অন্যতম বড় আকর্ষন অসম্ভব রকমের বাজে কথার জন্যে বিখ্যাত ব্যান্ডটির ম্যানেজার। “প্রেসিডেন্ট” বা “বস” বলে পরিচিত এই মহিলার চোখে কোন জিনিস সার্থক বা সফল শুধু তখনই হবে যখন সেই জিনিস দেখে বা উপভোগ করে তাকে … … … থাক, কি হবে সেটি তার মুখেই আপনারা শুনে নিয়েন। তবে একটা জিনিস বলা যায়, F**k শব্দটিকে প্রেসিডেন্ট প্রায় আর্টের পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে। কথায় কথায় ইংলিশগুলি বলার এক্সপ্রেশন এত বেশি মজা দিয়েছে যে, মারাত্মক অশ্লীল শব্দ হওয়ার পরেও সেগুলি বারবার রিপিট করে শুনার ইচ্ছা হয়েছিল!!!

 

একদম সুস্থ-স্বাভাবিক চিন্তাভাবনার, গ্ল্যামারাস ম্যাগাজিন লেখিকা ও নেগিশির স্বপ্নকন্যা আইকাওয়া ইয়ুরি কিংবা DMC ব্যান্ডের স্টেজ পার্ফরম্যান্সের সময়ে থাকা Pig of Capitalism নাসিমোতো কেইসকে সিরিজটির আরও দুটি উল্লেখযোগ্য চরিত্র। আইকাওয়াও নেগিশির মত শুধু মিষ্টি মিষ্টি পপ গানের ভক্ত, আর মেটাল গান সম্পর্কে বলতে গেলে একদমই অজ্ঞ। অন্যদিকে নাসিমোতো হল একজন মধ্যবয়স্ক ম্যাসোকিস্ট। এছাড়া বাকি চরিত্রগুলির মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল DMC এর ভক্তরা। DMC বা ক্রওজারের বিভিন্ন ঘটন-অঘটনকে দর্শকের কাছে তুলে ধরবার জন্যে DMC ভক্তদের একেকজনের দেওয়া উক্তি, ব্যাখ্যা মারাত্মক হাস্যকর হয়েছে।

ভয়েস এক্টিং: আনিমেটির আরেকটি শক্তিশালী দিক হল এর অসাধারণ ভয়েস এক্টিং। নেগিশি/ক্রওজার এর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ইমোশন দেওয়ার জন্যে সেইয়ু উয়েদা ইয়ুজি অসাধারণ ভূমিকা রেখেছেন। মুখ-খারাপের জন্যে বিখ্যাত ম্যানেজার বা প্রেসিডেন্টকে চমৎকার ভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন সেইয়ু কোবায়াসি আই। নেগেশির স্বপ্নকন্যা আইকাওয়া ইয়ুরির সেইয়ু নাগাসাওয়া মাসামিও চমৎকার ভয়েস এক্টিং করেছেন। আর DMC ভক্তদের একেকজনের ভয়েস এক্টিং-এর কোন তুলনাই হয় না!

এবার আসা যাক সিরিজটির বিখ্যাত কিছু উক্তি ও মুহুর্ত নিয়ে, তাই এগুলি হালকা ধরণের স্পয়লার মনে হতে পারে। কেউ স্পয়লার বলে ভয় পেয়ে থাকলে, একদম শেষের প্যারাতে চলে যান।]

বিখ্যাত একটি উক্তি রয়েছে, “Fall seven times, Stand up eight” – কথাটিকে DMC ভক্তরা এক পর্যায়ে সুন্দরভাবে পরিবর্তন করে দেয়: “Fall down seven times, rape on the eighth time” :V

স্টেজে এক পর্যায়ে গানের যুদ্ধে থুতু ছিটানো শুরু করে ক্রওজার আর তার প্রতিপক্ষ। ভক্তরা তা দেখে মুগ্ধ হয়ে আরও একটি বিখ্যাত ডায়লগ দেয়: “They’re spitting into the fourth dimension!!!”

আর সিরিজটির সবচেয়ে অসাধারণ ডায়লগগুলির একটি হল: “Krauser-sama won by half a F**k!!!”

পরিশেষে বলবো, আনিমেটি সব দর্শকের জন্যে নয়। অনেকেই এটা দেখে মজা পাবে না। তবে নিখাদ পাগলামি দেখতে চাইলে এই আনিমেটি অবশ্যই অবশ্যই দেখবেন। ডেথ মেটাল গানের ভক্ত হলে তো কথাই নাই! উড়াধুড়া একটার পর একটা গান রয়েছে এই আনিমেতে। সম্ভব হলে এর সাউন্ডট্র্যাক ডাউনলোড করে শুনে নিতে পারেন।

MyAnimeList Score: 8.37/10

আমার স্কোর: 10/10

কমেডি/মিউজিক/পাগলামির জন্যে আদর্শ একটি সিরিজ! অবশ্যই দেখার চেষ্টা করবেন এটি।

 

Cowboy Bebop review – Monirul Islam Munna

ভালো সব এনিমের এক বা একাধিক স্ত্রোং সাইড থাকে। কোনটার কাহিনী বিলডআপ অস্থির, কোনটার ক্যারেক্টার বিলডআপ মাথা নষ্ট করা,কোনটার OST ভুবন ভুলানো আবার কোনটার আর্টওয়ার্ক আর এনিমেশন দেখে চোখ জুড়ে যায়। কিন্তু কয়টা এনিমে দেখেছেন প্রতিটা সেক্টরে মুগ্ধ করবে আপনাকে?? বিরল সেই লিস্টের অন্যতম দাবিদার Cowboy Bebop!!

একটা অন্যরকম স্বাদ আছে এনিমেটাতে। প্রতিদিনের ডালভাত খেয়ে বেশ বিরক্ত হয়ে মাঝে মাঝে বিরিয়ানি খেলেও, ভিন্ন স্বাদের সাধারণ খাবারই মনে হয়। cowboy bebop দেখার সময় মনে হলে, সেই চিরচেনা স্বাদ বিসাদের খাবার থেকে সম্পূর্ণ ভিন্ন, কলকাতার কাচ্চি আর রয়ালের বাদাম শরবত এক সাথে খেয়ে শেষ করলাম। মুখে যেন অতুলনীয় স্বর্গীয় এক স্বাদ ভর করছে, ৩-৪ দিন সেই স্বাদ যেন ভুলানো সম্ভব না।

action,adventure, Sci-fi genre ২৬ পর্বের এনিমে cowboy bebop। Adventure genre দেখে আন্দাজই করা যায়, এনিমেটার প্রতি এপিসোডেই ভিন্ন ভিন্ন কাহিনী নিয়ে। কিন্তু এই প্রতি এপিসোডের মধ্যে ছোট কিছু গল্প জোড়া লেগে লেগে আর প্রতি চরিত্রের পূর্বজীবনের কিছু কিছু ফ্ল্যাশব্যাক দেখিয়ে এক অনন্য সুন্দর গল্পের উপহার দেয়।

এনিমের মূল চরিত্রদের মধ্যে ৩ জন Spike Spiegel, Jet Black আর Faye Valentine bounty hunter! মহাশূন্যের বিভিন্ন গ্রহের নাম করা বিশাল bountyওয়ালা ক্রিমিনালদের খুজে বেড়ানো আর সেই bounty দিয়ে আয়েশ করাই মূল উদ্দেশ্য তাদের। কিন্তু সেই উদ্দেশ্য কখনও মোড় নে হাস্যকর আবার কখনও দুঃখের কোন দিকে। আর এই সব বড় বড় ক্রিমিনালদের খুজে বের করতে তাদের কাজে সাহায্য করে পিচ্চি হ্যাকার Edward Wong। ক্যারেক্টার বিলডআপ অসাধারণ এনিমেটার, সাথে তাদের অতীত জীবন কীভাবে বর্তমানে তাদের উপর প্রভাব ফেলেছে, তা বেশ স্পষ্ট।

এনিমেটার অসাধারণ একটা দিক হচ্ছে, এটার আর্টওয়ার্ক আর এনিমেশনগুলো!!! ১৯৯৮~১৯৯৯ সালে বানানো এই এনিমেটার এনিমেশনে মহাশূন্যকে, সিনারিগুলোকে, স্পেসশিপগুলকে সব কিছুকে এতো চমৎকারভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে, দেখে মুগ্ধ না হয়ে উপায় নেই!!! প্রতিটা এপিসোডেই একটা চমৎকার লাইন দিয়ে শেষ হয়।

cowboy bebopএর প্রান বলা যেতে পারে এর এনিমেশন আর sound tracksগুলা। এক এক এপিসোডে প্লে করা ভিন্ন ভিন্ন sound tracksগুলোর সবগুলই মন ছুঁয়ে যাবে আপনার। মন চাবে বার বার ব্যাক করে, ostটা আরেকবার শুনে নিতে। এনিমেটা শেষ হলে, বিশাল একটা soundtrack আর OST এর কালেকশন পাবেন লিখে দিলাম 

ক্লাসিক জিনিস কখনও হতাশ করে না। প্রাই ১৫বছর হয়ে গেছে এনিমেটার। এনিমের স্বাদ ১৫ বছরে অনেক বদলে গেছে মানুষের । কিন্তু এতো বছর পরও এখনো দর্শকদের একটুও হতাশ করেনি, বরং মনোযোগ সম্পূর্ণ ধরে রেখে মুগ্ধ করেছে প্রতিটি সেকেন্ড।

MAL rank #21
MAL rating 8.83
My rating: 9.2

Maison Ikkoku review by মেঘময়

চার বছর আগের কথা Inuyasha এনিমে টা Animax এ দেখলেও খুব খায়েশ ছিল এনিমে টা PC তে বাক্সবন্ধি করব। তো বাক্সবন্ধি complete করার পরদিন রাতে নেট সার্চ দিচ্ছিলাম নতুন কোন এনিমে এর সন্ধানে। প্রায় পুরা একঘণ্টা সার্চ করার পর ফলাফল শূন্য। তখন একটা জিনিস মাথায় ঢুকল যে Inuyasha লেখিকার আর কোন ভাল কাজ আছে নাকি। যেই ভাবা সেই কাজ। নেট সার্চ করে যেটা পেলাম Inuyasha হল তার একমাত্র অ্যাকশান এনিমে। তার সব কাজই রোমান্স এর উপর ভিত্তি করে বানানো। তো এর আগে আমি কোনদিন total romance type এর এনিমে দেখিনি। তাই ইচ্ছা হল একবার ট্রাই করলে দোষ কি? পিক করলাম MAISON IKKOKU। আর এনিমে টা Anime Romance এর সংজ্ঞা টাও আমাকে দিয়ে দিল। Romantic এনিমে এ পর্যন্ত যতগুলি দেখেছি তার জন্য আমি MAISON IKKOKU কে ধন্যবাদ জানাব।

 

 

 

MAISON IKKOKU নামটা আসলে এক বাড়ির নাম। আর এই বাড়ির ই বাসিন্দা দের কর্মকাণ্ডের আড়ালে তৈরি এক ভালোবাসার কাহিনী। গল্পের প্রধান চরিত্র Yusaku Godai College entrance exam ফেল করা এক ছাত্র আর MAISON IKKOU র ম্যানেজার Kyoko Otanashi কে ঘিরে। এই গল্প র সাথে আপনি Rumiko Takahashi র কোন গল্পের মিল খুজে পাবেন না। Maison Ikkoku আপনাকে নিয়ে যাবে সেই সময়ে যখন ভালবাসা ছিল আজকের তুলনায় মিস্তময় এবং কোলাহলহীন। আপনি মিস করবেন মোবাইল ফোন আর ইন্টারনেট। এসব ছাড়াও যে Perfect Romance সম্ভব Maison Ikkoku দেখলে আপনি তা বুঝতে পারবেন।

 

 

 

 

কাহিনী যত এগবে আপনি ততই  এর সাথে super glue মত আটকে যেতে থাকবেন। প্রধান দুই চরিত্র ছাড়াও আপনার সাথে দেখা মিলবে রহস্যময় Yotsuya, যার প্রত্যেকটি কাজ আপনাকে ভাবাতে বাধ্য করবে।

এছাড়াও দেখা মিলবে Kyoko র আরেক পাণিপ্রার্থী Shun Mithaka র। যাকে আপনি Godai র চেও যোগ্য মনে করতে পারেন।

 

 

 

আরও অনেক চরিত্রের সমাবেশ দেখবেন এই এনিমে তে। সব চরিত্র এবং ঘটনা ছাপিয়ে Godai আর Kyoko র ভালবাসা আপনাকে সবসময় রমাঞ্ছিত করে রাখবে। আর OST কথা না হয় নাই বললাম যখন দেখবেন তখনি বুঝবেন এর OST কতটা Rich। Rumiko Takahashi এর অমর এই সৃষ্টি যিনি দেখবেন তিনি আর ভুলবেন না।

 

 

সবচেয়ে আশ্চর্য কথা হল যে রাতে আমি প্রথম MAISON IKKOKU র প্রথম পর্ব দেখি সেই রাতে মুষলধারে বৃষ্টি হচ্ছিল…………………. কিন্তু এতে আশ্চর্য হবার কি হল রাতে কি বৃষ্টি হয় না। অবশ্যই হয় কিন্তু MAISON IKKOKU র ক্ষেত্রেই একথা বললাম কেন তা খুজে বের করবার দায়িত্ব আপনাদের হাতে অর্পণ করলাম।

 

এক নজরে MAISON IKKOKU

 

Written by Rumiko Takahashi
Published by Shogakukan
Directed by Kazuo Yamazaki
Takashi Annō
Naoyuki Yoshinaga
Studio Studio Deen
Original run March 26, 1986– March 2, 1988
Episodes 96 (List of episodes)
My rating 10/10