GINTAMA: ROAD TO YOROZUYA GIN-CHAN – কেন গিনতামা নাহ দেখাটা বিরাট ভুল হবে by Kazi Rafi

Gintama, এই এনিমের নাম কমবেশি আমরা সবাই শুনছি। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে খুব কম মানুষেরই এই এনিমেটা পুরাপুরি দেখা হয়ে উঠছে, এর পিছনে আছে বহু কারন- অধিক সংখ্যক পর্ব, এই এতগুলা পর্ব দেখার সময় সংকট, বিগ ৩ সহ অন্যান্য পপুলার সউনেন বা ইত্যাদি জেনারের সিরিজের আড়ালে চাপা পরে যাওয়া, এছাড়া আরও বড় একটা কারন হচ্ছে মানুষের মনের ভ্রান্ত ধারণা যে এটি শুধুই একটি গ্যাগ এনিমে যার কোন মেইন স্টোরিলাইন নেই, যেটা অনেকেরই গিনতামা দেখার প্রতি এতো অনাগ্রহের কারন!!! এবং এইখানেই সবাই বিরাট ভুলটা করছে !!! আমি আমার এই পোস্টে যারা এখনো গিনতামা দেখেনি তাদেরকে খুবই সংক্ষেপে একটা ধারণা দেওয়ার অপপ্রয়াশ চালাবো !

Q. Gintama কি?

A. গিনতামা হচ্ছে ২৬৫ পর্বের একটি গ্যাগ কমেডি, প্যারডিমার্কা শউনেন এনিমে !

Q. Gintama’র কাহিনী কি ?

A. সবার সুবিধার্থে কাহিনিসংক্ষেপ ইংরেজিতে দেওয়া হল-
“Gintama revolves around a fictional Edo period in which aliens called Amanto have taken over and are living among the Edo people. The Edo people initially tried to get rid of the Amanto, but failed; the Amanto placing a ban on carrying swords in public. The story revolves around three characters; Sakata Gintoki, a white-haired sweets-loving samurai, Shimura Shinpachi, a teenage samurai novice, and Kagura, a super-powerful alien girl who has lost her home. The three starts a business called the Yorozuya (lit. “We Do Everything”) in which they help people do everything and anything. The series basically follows the misadventures of the three main characters as they fight all sorts of crazy situations and meet a lot of people along the way, form friendships, bonds and even ruin a few days here and there.”

জি হ্যাঁ, গিনতামার ইউনিভার্সটা ঠিক এরকমই উদ্ভট আর আজগুবি যেখানে ফিউডাল জাপানে সামুরাই আর এলিনেরা একসঙ্গে পাশাপাশি বসবাস করে ! এ যেন অনেকটা বিখ্যাত স্টার ওয়ারস আর আমাদের রুরউনি কেনশিন আকা সামুরাই এক্স এর এক মিশ্রিত জগাখিচুড়ি !!!!

Q. Gintamaর মূল চরিত্র দের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য আর কারাকারা আছে?

A. গিনতোকি, সিনপাচি আর কাগুরার উপরের কাহিনিসংক্ষেপে যে চরিত্রের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে তার বাইরে আর কিছু এখন বললাম নাহ, কারন তারা এই সিরিজের মূল চরিত্র হওয়ার কারনে তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড এবং তাদেরকে ঘিরে অনেক গুলো আর্ক গড়ে উঠেছে যার ব্যাপারে এখন বলতে গেলে স্পয়লার হয়ে যাবে। এদের পাশাপাশি গিনতামায় রয়েছে অন্যান্য আরও বিশাল সংখ্যক চরিত্র, যাদের প্রত্যেকের রয়েছে তাদের নিজস্ব চারিত্রিক বৈশিষ্ট্য এবং ব্যাকগ্রাউন্ড যাদের মধ্যে কারুর কারুর আবার রয়েছে এক অন্ধকার ইতিহাস, গিনতামার মেইন চরিত্র সমেত ! এই সব চরিত্রদের নিয়ে লিখতে বসলে আমার এই লেখা আর কখনোই শেষ হবে নাহ, কিন্তু তারপরেও এই বিশাল চরিত্রদের রেঞ্জের মধ্যে থেকে কয়েকজনের কথা উল্লেখ নাহ করলেই নয়, যেমন স্পেশাল মিলিটারি পুলিস ফোর্স Shinsengumi’র সেকেন্ড ইন কমান্ড, Demonic(রূপকার অর্থে) ভাইস ক্যাপ্টেন Hijikata Toshiro; ফার্স্ট ডিভিশনের ক্যাপ্টেন ‘The Sadistic Prince’ Okita Sougo; Shinsegumi’র হেড, ‘স্টকার’ Isao Kondo; গিনতোকির বাড়িওয়ালী Terada Ayano ওরফে Otose-San; সিনপাচির বড় বোন Shimura Tae ওরফে Otae-Chan; গিনতোকির বন্ধু, বর্তমান সরকারবিরোধী চরমপন্থি দলের নেতা Katsura Kotaro, কাতসুরার পোষা এলিয়েন বন্ধু এলিযাবেথ; গিনতোকি এবং কাতসুরার প্রাক্তন বন্ধু এবং বর্তমানে সিরিজের অন্যতম মূল ভিলেন, আরেক বিদ্রোহী ও চরমম্পন্থি দলের নেতা Takasugi Shinsuke, যার আসল লক্ষ্য হচ্ছে ফিউডাল জাপানকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেওয়া। তাকাসুগির পাশাপাশি সিরিজে আরও জনা কয়েক ভিলেন আছে কিন্তু আপাতত স্পয়লারজনিত কারনে তাদের প্রসঙ্গে গেলাম না ।

Q. কেন Gintama দেখবেন ?

A. কেন এই সিরিজটি আপনি দেখবেন তা জানতে হলে আগে আপনাকে নিজেকে কিছু স্পেসিফিক প্রশ্ন জিজ্ঞেস করতে হবে। আপনি কি সউনিন জেনারের ভক্ত ? আপনার অতি প্রিয় এনিমের তালিকায় কি Naruto, One Piece, Bleach, Fairy Tail, Rurouni Kenshin, Katekyo Hitman Reborn সহ অন্যান্য জনপ্রিয় সউনিন জেনারের এনিমেগুলি আছে ? আপনি কি হাসতে হাসতে চোখ, নাক, মুখ দিয়ে পানি বের হয়ে যাওয়ার মতন কমেডি (সঙ্গে প্যারডি তো আছেই) এনিমের পাড়ভক্ত ? কমেডির সঙ্গে আপনার জন্য কি দম বন্ধ করা মার মার কাট কাট অ্যাকশন জেনারে এনিমে হলে আরও ভালো হয় ? আপনি কি একজন বিশিষ্ট পারভার্ট ??? আপনি কি মানুষজনদের নোংরা জোক বলে মজা পান ? অথবা আপনি কি আপনার মনকে একদম গভীর পর্যন্ত নাড়া দিবে এমন করিয়ান-ড্রামা, সিনেমা or ক্ল্যান্ড টাইপ ইমোশনাল এনিমে এদিক সেদিক খুজে বেরাচ্ছেন ??? এই সব প্রশ্নের একটারও যদি উত্তর আপনার হ্যাঁ হয়ে থাকে, তাইলে এইমুহুরতে আমি আপনাকে এই লেখাটা পড়া বাদ দিয়ে গিনতামা দেখা শুরু করে দিতে উপদেশ দিবো !! আর যদি আপনার কাছে ডাউনলোড করা নাহ থাকে তাহলে এখনই তা করা শুরু করে দিন আর একমুহূর্ত সময় নষ্ট নাহ করে।

Q. কেন Gintama দেখবেন নাহ ?

A. যদিও গিনতামার মতো এনিমে কারুর নাহ দেখার মতো কোনই কারন নাই, কিন্তু তারপরেও ২৬৫ পর্বের এনিমে দেখার মতন যাদের সময় বা ধৈর্য নেই, এই এনিমে তাদের জন্য নাহ !

এবার গিনতামার ব্যপারে কিছু কমন প্রশ্নের উত্তর-

১) গিনতামায় অনেক জাপানিজ কালচারাল এবং ইতিহাস বিষয়ক প্যারডি আছে যা আমি বুঝি নাহ।

উত্তরঃ যখন প্যারডি জোক গুলা করা হয় তখন স্ক্রিনের উপরে আলাদা ভাবে জোকের বিষয়ের রেফারেন্স দিয়ে দেওয়া হয়। তখন চাইলেই গুগল বা উইকি তে গিয়ে ব্যাপারটা বুঝে নিতে পারেন। আমি অন্তত অনেকটা তাই করসি, পরে গিয়ে গুগল ও উইকি তে গিয়ে বাপারটা বুঝে নিছি। যদিও এটা করার আসলে অতটা প্রয়জন হয়নাহ কারন জাপানের যেসব বিষয় নিয়ে গিনতামায় জোক করা হয়েছে তা এই এনিমে জাপানে যে সময়ে প্রচারিতো হয়েছে, মূলত সেই সময়কার চলতি বিসয়বস্তু নিয়েই ছিল, তো এখন তো সেইগুলা বুঝে অতটা লাভ নেই, কিন্তু হ্যাঁ ভয়েস অ্যাক্টরদের অসামান্য পারফরম্যান্সের কল্যাণে জোকটি আপনি বুঝতে নাহ পারলেও তার মজা থেকে একবিন্দুও বঞ্চিত হবেন নাহ, কারন প্রতিটা ভয়েস অ্যাক্টর এতটাই অস্থির কাজ এই এনিমেতে দেখইয়েছে। এখানে আমি গিনতামার সেইঊ দের ব্যাপারে একটি রিভিউ সাইটের কথা হুবু তুলে ধরছি আপনাদের জন্য-
“Particular props need to be given to the Seiyuu (Voice Actors) as they work exceptionally hard to make the anime interesting. At times they have nothing more than a still image, with their voices alone to carry the entire show on their shoulders. And carry the burden they do, and do a very good job.”

২) গিনতামায় ভালো অ্যাকশন তো দূরে থাকুক নারুটো, ব্লিচ, ওয়ান পিসের মতন কোন মেজর স্টরিলাইন/প্লটই নাই।

উত্তরঃ এই চিন্তা করে আপনি গিনতামা না দেখলে আপনার এনিমে দেখার লাইফে সবচেয়ে বড় ভুলটা করবেন। এটির গ্যাগ কমেডি এনিমে ছদ্মবেশের আড়ালে বেশ অনেকগুলি গুরুত্বপূর্ণ কাহিনী ধীরে ধীরে গড়ে উঠেছে এবং উঠছে যা একটি বিশাল মেজর স্টরিলাইনের অংশ এবং জি হ্যাঁ, এই সব ‘গুরুত্বপূর্ণ’ কাহিনীগুলা নিয়েই গড়ে উঠেছে গিনতামার বিভিন্ন Serious Arc!! মেজর স্টরিলাইনের অংশ নয় এমন প্লট নিয়েও সিরিয়াস আর্ক আছে গিনতামায় আপ্নাদের সুবিদার্থে ! আর অ্যাকশন ?? অনেক ‘নামকরা’ ব্যাটেল এনিমের চেয়ো দম বন্ধ করা অস্থিররকমের দুর্দান্ত সব অ্যাকশন আপনি গিনতামার প্রতিটা সিরিয়াস আর্কে তো পাবেনই সেই সাথে এমনে অনেক সময়েও অনেক নরমাল পর্বেও দেখবেন !!! আর একেকটা ফাইটের ফ্লুয়িড এনিমেশন দেখলেই বুঝা যায় সেইগুলার পিছনে Sunrise কি পরিমান টাকা ঢালছে ! দেখুন গিনতামার অ্যাকশনের ব্যাপারে রিভিউয়ার দের কি বলার আছে-
“One thing to note from are the fight scenes which were animated brilliantly. We won’t see things like ‘magical powers’ and ‘super shot’ and stuffs. Of cause, we won’t see mountains or landscapes getting destroyed in a single blow either. Instead, we see very realistic fight scenes which make us feel the pain and impact of each blows and is another good point of this series.”

“Moreover, the serious arcs in the series consistently enjoy top-notched animation; the fight scenes are especially well-animated, giving the viewers an epic feel.”

যাইহোক, আশাকরি আমি আমার এই পোস্টের মাধ্যমে আপনাদেরকে মোটামুটি একটা ধারণা দিতে পেরেছি কেন আপনাদের এই মহাকাব্বিক এনিমেটা মিস করা মোটেও উচিত হবে নাহ ! তো, আর দেরি নাহ করে বসে পড়ুন এবং পরিচিত হন এনিমে বিশ্বের এক ও অদ্বিতীয় ট্রল রাজা, নোংরা জোকের উপর ডিগ্রিধারী, ‘The White Demon’ সাকাতা গিনতকি, ও তার আশেপাশে ঘুরঘুর করতে থাকা সব বোকার দলগুলির সাথে এবং তাদের সঙ্গে বেড়িয়ে পড়ুন এক অজানা এদো যুগের রোমাঞ্চকর ও দুঃসাহসিক সব অভিযানে আর সেই সাথে………..হ্যাঁ, আর সেই সাথে গিনতকি, সিনপাচি এবং কাগুরার সাথে একসঙ্গে গলা মিলিয়ে চেচিয়ে উঠুন- “JUST DO IT” !!!!!!!!!

Gintama

এফ এ সি ১২ By Farsim Ahmed


রান্ডম টপিক

আইডল

http://www.youtube.com/watch?v=6SwiSpudKWI

জাপানে টিন এজে মেয়েরা যদি আকর্ষনীয় চেহারা ও গড়নের অধিকারী হয়, সেই সাথে কিছু অভিনয় বা গানের প্রতিভা থাকে, তাহলে ট্যালেন্ট এজেন্সি দ্বারা তারা রিক্রুটেড হয়ে যায়। এদেরকে বলা হয় আইডল। খুব পপুলার কিছু আইডল গ্রুপের মধ্যে আছে একেবি০৪৮, মোমোইরো ক্লোভার জি, মর্নিং মুসুমে, পারফিউম ইত্যাদি। আইডল বলতেই বোঝানো হয় ভীষণ কিউট, চার্মিং, শুদ্ধতা ও শুভ্রতার প্রতীক। সেজন্য যারা একটু বিদ্রোহী টাইপ ভাবমূর্তি গড়তে চায়, তাদেরকে আইডল বলা হয় না, যেমন, স্ক্যান্ডাল। আইডল গ্রুপগুলোকে সাপোর্ট দেয়ার জন্য বেশ বড়সড় ফ্যানবেইস থাকে, যারা একটা বড় অংশ বেকার ওতাকু। আইডলদেরকে নিয়ে প্রচুর আনিমে তৈরী হয়েছে, যেমন লাভ লাইভ স্কুল আইডল প্রজেক্ট, দ্য আইডলমাস্টার ইত্যাদি।আমি এসেনেসডি, ওয়ান্ডার গার্লস, ব্রাউন আইড গার্লস, এদেরকে দেখলেই আফসোস করতে থাকি, আহারে, আমার চেহারাটা আরেকটু সুন্দর কেন হলো না আর আমি কেন কোরিয়ান কোনো বান্ধবী পেলাম না। তারা আসলেই খুবই সুন্দরী, আর ফিগারও সুপার মডেলদের মত।

আইডলরা সাধারণত পড়াশোনায় খুব একটা সুবিধায় হয় না,  হ্যা, তারা হাই স্কুল শেষ করার পরেই জবে ঢুকে যেতে পারে। তারা সেভাবেই কোয়ালিফাইড। আর কারো হায়ার স্টাডিস এর ইচ্ছা থাকলে ভার্সিটিতে যায়। এন্ট্রান্স এগ্জাম বেশ কঠিন, অনেকে দুইতিনবার চেষ্টা করেও টোকিও ভার্সিটিতে চান্স পায় না।

 

 

আনিমে সাজেশন

মিচিকো তো হাচ্চিন

 

জেল থেকে পালানো ফেরারী আসামী মিচিকো পালক পরিবারের নির্যাতন থেকে উদ্ধার করলো হানাকে। হানার শরীরের উল্কি দেখে চমকে উঠলো মিচিকো, তার গায়েও যে আছে এই একই নকশার উল্কি। এই দুইএর অদ্ভুত জুটি নেমে পড়ল অভিযানে। এই অভিযান হানার বাবাকে খুঁজে পাবার জন্য, যে কিনা ছিল মিচিকোর এক সময়ের প্রেমিক। তারপর?

 কেন দেখবেনঃ মিউজিকে শিনিচিরো ওয়াতানাবে, ওপেনিং দেখলেই বুঝে যাবেন, আর সেই সাথে সামুরাই চাম্পলু ভাইব। আর কি লাগে।

http://www.youtube.com/watch?v=FQf-NkWz7Yo

কেন দেখবেন না:তেমন কোনো কারণ খুঁজে পাচ্ছি না।

ম্যাল রেটিং ৭.৯০

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 এপোক্যালিপ্স নো তোরিদে

 ইওশিয়াকি মায়দাকে মিথ্যা অভিযোগে অভিযুক্ত করে জেলে পাঠানো হলো। ওর ইনমেটরা সব ভয়ঙ্কর খুনী। মায়্দার সৌভাগ্য এখানেই থেমে থাকলো না, জেলে হামলা করলো জোম্বিরা। বাহ, বেশ বেশ।

 কেন পড়বেনঃ আপনি কি হাইস্কুল অব দ্য ডেড এর ফ্যান সার্ভিস এবং হায়াটাসে বিরক্তা? দ্য ওয়াকিং ডেড এর মত একটা প্রপার জোম্বি স্টোরি খুঁজছেনা? তাহলে এই মান্গাটা আপনার জন্য। আর আঁকাটাও দারুন।কেন পড়বেন নাঃ এটা অন্গয়িং মাঙ্গা, অনেকদিন পরপর আপডেট হয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

Footballer in Deathnote by Fahim Bin Selim

Fahim Bin Selim's photo.
গত পরশুদিন রাতে একটা কুইজ নিয়েছিলাম। তো ডেথনোটের প্রশ্ন কোনটা দিব খুঁজতে যেয়ে একটা ওয়েবসাইটে ট্রিভিয়াতে এইটা পেলাম।

ডেথনোটের দ্বিতীয় পর্বের কথা মনে আছে? কনফ্রন্টেশন? এল এর প্রথম আবির্ভাব ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল পুলিশ অর্গানাইজেশনের মিটিং-এ। পৃথিবীর সব প্রান্ত থেকে আসা স্পেশাল এজেন্টদের সভা।
ঘটনা হল, তাদের সামনে থাকা নেমপ্লেটগুলো খেয়াল করেছেন

 

হুয়ান কার্লোস এস্কোবার, ইকুয়েডোরিয়ান ফুটবলার।
ডেভিড গোঞ্জালেজ, কলম্বিয়ান ফূটবলার।

Fahim Bin Selim's photo.
মার্টিন পেত্রভ, বুল্গেরিয়ান ফূটবলার

Fahim Bin Selim's photo.
ইয়োসি বেনায়ুন, ইস্রাইলি ফুটবলার

Fahim Bin Selim's photo.
পাবলো আইমার, আর্জেন্টিনিয়ান ফুটবলার
ইয়ান কোলার, চেক ফুটবলার
নিচেরটা শেভচেঙ্কো, ইউক্রেনিয়ান ফুটবলার

Fahim Bin Selim's photo.
এগুলাও বুঝতে পারিনাই, নিজেরা দেখে নিয়েন। কিন্তু সিয়র ফুটবলার। 

Fahim Bin Selim's photo.

Full Metal Alchemist + The Conqueror of Shambala by Nusrat Neha

\

Full Metal Alchemist + The Conqueror of Shambala

বলতে পারেন এইটা আমার তৃতীয় এনিম, গ্রুপ মেম্বারদের সাজেশনেই দেখা শুরু করলাম

একদিন ধরে সব কয়টা পর্ব নামানোর পর ৪৮ ঘন্টা টানা বসে এক নিঃশ্বাসে শেষ করলাম, খুব যে ভাল লাগছে সেইটা বলব না, কিন্তু কিসের যেন একটা আকর্ষন ছিল, উঠে যেতে পারছিলাম না ল্যাপটপের সামনে থেকে 

আর আমার মনে হয়েছে এন্ডিংটা মুভিতে না দিয়ে সিরিজের শেষ পর্বে যেটা আছে সেটা রাখলেই পারত, ওইটাই পারফেক্ট হত

আর এদোওয়ারদো এলরিককে বেশী জোশ লাগছে আর আলফানসো এলরিকের উপর মাঝে মধ্যে এমন মেজাজ খারাপ হয়েছে 

যাই হোক, এখন Full Metal Alchemist : Brotherhood দেখার অপেক্ষায় আছি, দেখা যাক কি অপেক্ষা করছে আমার জন্য 

এফ এ সি ১১ By Farsim Ahmed

 

 

আনিমে সাজেশন

 সায়ুনকোকু মনোগাতারি(Saiunkoku Monogatari/Colourcloud Palace)

 

 

সায়ুনকোকুর অকর্মা রাজাকে রাজকার্যে ট্রেনিং দেয়ার জন্য রাজার কনকুবাইন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হলো অভিজাত কৌ পরিবারের মেয়ে শুরেকে। কাজে যোগ দিয়েই শুরে বুঝলো, রাজকার্য পরিচালনা করা মানে স্রেফ সিংহাসনে পায়ের উপর পা তুলে বসে আদেশ করা না। ক্ষমতার মোহে অন্ধ ভয়াবহ ষড়যন্ত্রীরা যখন রাজনীতির মারপ্যাঁচ কষে বসল, পরিস্থিতি হয়ে দাঁড়ালো ভয়াবহ।শুরে কিভাবে সাহায্য করবে রাজা রিউকিকে?

 

কেন দেখবেনঃ রীতিমত ডিফরেন্ট টাইপ এর কাহিনী, চমত্কার বাঁধুনি, বোর্ড হবার সম্ভাবনা খুব কম। সেই সাথে আছে এর দারুন সাউন্ডট্র্যাক, আর ওপেনিং থিম এর সিকোয়েন্সগুলোও ভারী সুন্দর।

 

কেন দেখবেন না: সেকেন্ড সিজনে এসে কোয়ালিটি ড্রপ করে, ফার্স্ট সিজনের একটা বিশেষ ক্যারেক্টারকে আমি প্রচন্ড মিস করেছি। তার প্রেসেন্স খুব স্ট্রং ছিল, সেকেন্ড সিজনে সেই ভাইবটা আর পাইনি।

 

ম্যাল রেটিং ৮.১২+৮.২৮

আমার রেটিং ৯+৮

http://www.youtube.com/watch?v=CBpaT5koCYM

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

করোশিয়া ইচি(Koroshiya Ichi/Ichi the Killer)

 

 

প্রথম দর্শনে ইচিকে মনে হয় ভারী গোবেচারা। কিন্তু মানসিক অবস্থার বিশেষ পরিবর্তন ঘটলে সে হয়ে যায় ভয়াবহ এক মার্শাল আর্টিস্ট, বুটের নিচে লাগানো ব্লেড দিয়ে যে ফালাফালা করে ফেলে তার শত্রুদের চোখের নিমেষে। এই সাইকোটিক ম্যানিয়াক তার জুটির দেখা পেল, যখন তার কাছে এসে হাজির হলো ইয়াকুজা বস কাকিহারা, যে অন্যকে এবং নিজেকে শারীরিক নির্যাতন করে পায় বিকৃত সুখ। কে জিতবে তাদের লড়াইয়ে? সহজ জবাব, যে বেশি বিকৃত মানসিকতার, সে।

 

কেন পড়বেনঃ পারফেক্ট সেইনেন, জমাট কাহিনী, প্রথম চ্যাপ্টার থেকেই চমক শুরু।

কেন পড়বেন নাঃ প্রচুর গ্রাফিক ভায়োলেন্স, ব্লাডবাথ, এবং সেকচুয়াল কন্টেন্ট।

 

ম্যাল রেটিং ৮.০৩

আমার রেটিং ৮

 

 

 

 

 

 

সাসকের প্রতিশোধ by Farsim Ahmed

তো নারুতো দেখছিলাম। অনেকেই এই দারুন আনিমেটা দেখেননি, তাদের জন্য কাহিনী সংক্ষেপ।
নারুতো আনিমেটার মূল ক্যারেক্টার হচ্ছে উচিহা সাসকে।  বেচারা ছোটবেলা থেকেই একা মানুষ হয়েছে, কারণ তার গোত্রের সবাই খুন হয়েছে।  আর এই খুন করেছে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী নরকের কীট নরপিশাচ এক নিনজা, উচিহা ইতাচি।  সে হচ্ছে সাসকের বড় ভাই। প্রতিশোধ নেবার তীব্র বাসনায় সাসকে নেমে পরে। তাকে মারামারি করতে শেখায় নিনজা জগতের সাধু বলে পরিচিত অরোচিমারু। প্রতিশোধ নেবার পথে সাসকের পরিচয় হয় কিছু মাইনর নিনজার সাথে। সাসকে কি পারবে প্রতিশোধ নিতে? সে কি পারবে হোকাগে হবার স্বপ্ন পূরণ করতে?

ছবিতে সাসকে। ইনসেটে তার সন্ত্রাসী ভাই।
তো নারুতো দেখছিলাম। অনেকেই এই দারুন আনিমেটা দেখেননি, তাদের জন্য কাহিনী সংক্ষেপ।
নারুতো আনিমেটার মূল ক্যারেক্টার হচ্ছে উচিহা সাসকে। :)  বেচারা ছোটবেলা থেকেই একা মানুষ হয়েছে, কারণ তার গোত্রের সবাই খুন হয়েছে। :(  আর এই খুন করেছে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী নরকের কীট নরপিশাচ এক নিনজা, উচিহা ইতাচি। >:o  সে হচ্ছে সাসকের বড় ভাই।  প্রতিশোধ নেবার তীব্র বাসনায় সাসকে নেমে পরে। তাকে মারামারি করতে শেখায় নিনজা জগতের সাধু বলে পরিচিত অরোচিমারু। প্রতিশোধ নেবার পথে সাসকের পরিচয় হয় কিছু মাইনর নিনজার সাথে। সাসকে কি পারবে প্রতিশোধ নিতে? সে কি পারবে হোকাগে হবার স্বপ্ন পূরণ করতে?
ছবিতে সাসকে। ইনসেটে তার সন্ত্রাসী ভাই।
Shafin Tousif's photo.
পুলিশ বাহিনীর কাছে মাদকসহ ধরা পরবার পর মুখ লুকাচ্ছেন কোনোহার ত্রাস ইটাচি।

 

## Sasuke Shippuden – a small fairytale## by Tahsin Faruque Aninda

 

~~ ১৮+, ১৮-, সকলকেই সাবধানতা অবলম্বন করে রুপকথাটি পড়বার অনুরোধ জানানো হইলো। বিখ্যাত এই রুপকথাটি নিয়ে বেশ কিছু বছর আগে নাম পরিবর্তন করে Naruto নামে একটি আনিমে তৈরি হয় যা এখনও বেশ দাপটের সাথে এগিয়ে চলছে ~~

## Sasuke Shippuden – একটি ছোট্ট রুপকথা ##

একদা সাসকিকুন এক “ছেলে”ধরা পেদো-সাপের খপ্পরে পড়লো, যে কিনা সাসকির “শরীর” চায়।

প্রথম প্রথম সাসকি বললো, “তুই আমার দেহ পেলেও এটা-সেটা পাবি না”
পেদোকুন বলিলো, “দেহই তো চাই! বাকিটুকু নিজে করে নিব। তবে আমার বাসায় অনেক খেলনা আছে।”
সাসকি ভাবলো, আহা কি ভাল সাপ! খেলনা দিবে, খালি শরীরটা নিবে। খারাপ কি! তখন খুশিতে গদগদ হয়ে নাচতে নাচতে সাপটির সাথে চলে গেলো সাসকিকুন, যাবার সময়ে তার বান্ধবি শাক্রাকে ঢুশ মেরে দিয়ে গেল যেন তাকে কখনই না ভুলে। আর এতদিন জানের সাথি নার্তুকে বুড়োআঙ্গুল দেখিয়ে চলে যেতে একটুও দ্বিধা করলো না…

এদিকে দিন যায়, বছর যায়, সাসকি বড় হয়। সাসকির “শরীর”-এর দেখভালের জন্যে পেদো-সাপ তাকে অনেক ভাল খাবার দেয়, সুন্দর খেলনা দেয়, তার বয়সী কিছু ছ্যাছড়া পোলাপাইনের সাথে খেলাধুলার সুযোগ দেয় যাতে “শরীর”-এর সাথে সাথে সাসকির এটা-সেটা এবং “মন”টাও পেয়ে যেতে পারে!
তবে বয়সের দোষে বড় হতে হতে খেলনার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়, আর নিজেই অন্যের শরীরের দিকে আকর্ষিত হতে থাকে। নিজে রীতিমত খোলামেলা কাপড়চোপড় পরা শুরু করে।

সাসকির এই পরিবর্তন দেখে পেদো-সামা আর লোভ সামলাতে পারলো না! ভাবলো, “এতদিনের আরাধনা অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছে! সাসকি হবে আমার! ওর শরীর হবে আমার! ওর এটা-সেটাও হবে আমার!!!”

যদিও পেদো-সামা এত কিছু পরিকল্পনা করছিল, আর ভাবছিল কিভাবে সাসকিকুনকে ধোঁকা দিয়ে তার শরীর হাতিয়ে নেবে, কিন্তু তাকে বিস্মিত করে সাসকি নিজে চলে আসে পেদোসামা-সর্পরাজের কাছে। পেদোরাজকে বিছানায় পেয়ে বলেই বসে, “পেদোসামা সর্পকুন, এবার কি চাও বল।”

সাসকিকুনের বীরত্মে সর্পসামা আর লোভ সামলাতে না পেরে ঝাপিয়ে পরে সাসকিকুনের উপর। কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধস্তি চললো। সাসকিকুন তার জামা খুলিয়া ফেলিল, পেদোসামা দেখিল সাসকির পাখা গজিয়ে গিয়েছে! পিপীলিকার পাখার কাহিনি মনে পরে খুশিতে সাসকিকুনের উপর ঝাপিয়ে পরলো পেদোদামা, সাসকির শরীর এবার শুধুই তার হবে, আর কারও নয়!
তবে বয়সের সেই পুরানো দোষ, সাসকি নিজের শরীর দিতে নয়, পেদোসামার শরীরই পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলো। এবং চক্ষু দিয়ে খুটিয়ে খুটিয়ে পেদোরাজের সমস্ত শরীর নিজের করে নিল!

পেদো হয়ে গেল সাসকিকুনের, এখন সে মুক্ত! কিন্তু যেমন গুরু তেমন শিষ্য বলে কথা। পরের শরীর ভোগের সেই লালসা সাসকির এখনও যায় নি। এবার পালা তার ছ্যাছড়া ডিজুস দলের। একে একে তিনজনকেই মুক্ত করে নিল সাসকি। যখন শরীর নিস্তেজ হয়ে পরে, তখন রাক্ষুসে জুগুকে শরীর শোষণ করে নেয়। পানির ছলনা দেখে মোহিত হতে গেলে চুইগেতুসকে নিয়ে ছেলেখেলায় মত্ত হয়। আর কারিনার তো কথাই নাই! ক্ষুধা লাগলেই কামড়িয়ে বসে!!!

এভাবেই সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো সাসকিকুন ও তাহার তাকু নামক দলটি।

~~ আমার কাথাটি মুড়িল, জুবি-গাছটি ফাটিল ~~

অ্যানিমেঃ ট্রাপিজ- কুচু বুরাঙ্কো by Fahim Bin Selim

ড. ইরাবু হল “ইরাবু জেনারেল হসপিটাল”-এর ভাইস চেয়ারম্যান এবং মনোচিকিত্সক। অদ্ভুত অদ্ভুত সব সমস্যা নিয়ে লোক আসে তার কাছেঃ একজন ছাত্র যে মোবাইল ছাড়া এক মিনিটও থাকতে পারে না, একজন বিখ্যাত বেসবল খেলোয়ার যে হঠাৎ করে সাধারণ থ্রো করতেও ভুলে যায়, আরেকজন মনোচিকিত্সক যে কিনা নিজেই প্যারানয়ায় আক্রান্ত! আর এ সব সমস্যার সমাধান হল ইরাবুর লাস্যময়ী সহকারী মায়ুমী-র দেওয়া এক সিরিঞ্জ ভিটামিন ইঞ্জেকশন! ইরাবুর আচরন যতই বাচ্চাদের মত হোক, তার প্রক্রিয়া যতই উদ্ভট হোক, সবশেষে ঠিকই সবাই তাদের সমস্যা থেকে মুক্তি পেয়ে যায়।

এগারোটি পর্ব, এগারটী ভিন্ন কাহিনী। আবার সবগুলোই একটা আরেকটার সাথে কোন না কোন ভাবে জড়িত। বেশিরভাগ মানুষই হয়ত এটা দেখবেন না, অথবা এক পর্ব দেখে রেখে দিবেন। কারণঃ
১। প্রচন্ড রঙ্গিন কিন্তু বেসিক ব্যাকগ্রাউন্ড কালারিং (অনেকটা মাওয়ারু পেঙ্গুইন্ড্রামের মত)।
২। চরিত্রগুলো হোক আর কাহিনী হোক – সবই আপনার দেখা যেকোনো অ্যানিমে থেকে আলাদা।
৩। জনড়া সাইকোলজিক্যাল আবার তার সাথে কমেডি!
৪। সত্যিকারের ফুটেজ আর অ্যানিমেশনের মিশ্রনে উদ্ভট সব ফেস এক্সপ্রেশন।
৫। আর্ট স্টাইল।
৬। আর্ট স্টাইল!

তবে যারা ভিন্নধর্মী অ্যানিমে পছন্দ করেন, বা কোনমতে কয়েকটা পর্ব দেখে ফেলবেন, তাদের কাছে ভালো না লাগার কোন কারণ দেখি না।

পর্বঃ ১১
প্রচারকালঃ ২০০৯
প্রযোজকঃ তোয়েই অ্যানিমেশন
জনড়াঃ সাইকোলজিক্যাল, সেইনেন, ড্রামা, কমেডি
এমএএল রেটিং: ৮.১৯ (#২৮২)
http://myanimelist.net/anime/6774/Kuuchuu_Buranko
আমার রেটিং: ৮.৬

Coffee With Asif (CWA): লিজেন্ড অফ কোরা – দ্বিতীয় সিজন সমাপ্তি পর্যালোচনা

(This review contains spoiler about avatar: Legend of Korra: Season 2)

মুভি; ইংলিশ টিভি সিরিজ কিংবা এনিম সিরিজ – সবজায়গাতেই মাঝে মাঝেই একটা বিষয় লক্ষ্য করা যায়; প্রথম সিজনের প্রবল সাফল্যের পিছু পিছু যখন দ্বিতীয় সিজন বাজারে আসে; প্রথমটার সাথে মিলিয়ে তুলনায় প্রায়শই সেটা হতাশায় পরিণত হয়। Avatar – legend of korra কমবেশি সেই দলেরই নতুন সংযোজন। আলাদাভাবে সিরিজটা যতই উপভোগ্য হোক না কেন; avatar ang এর সাথে মিলিয়ে প্রায় অনেকেই avatar korra কে “হতাশাজনক” বলেই মনে করেন। তবে আমি অন্য কারো সাথে তুলনায় না গিয়ে যদি আলাদাভাবে এই সিরিজটাকে মূল্যায়ন করি তাহলে আমার কাছে legend of korra A+ মার্কসই পাবে। I have at least enjoyed the show; to say the list. 

(এভাটারঃ লিজেন্ড অব কোরা দেখে প্রতি মুহূর্তে যেটা মনে হয়, এং এর মধ্যে যে অস্থির স্মার্টনেসটা ছিল কোরা তার ধারে কাছেও নাই, এভাটারের ফানটা খুবই ক্লাস ছিল যেখানে কোরার ক্ষেত্রে পুরা মাঠে মারা গেছে, সবচেয়ে বেশি গায়ে লাগে যেটা, এং প্রথমে শুধু এয়ারবেন্ডার ছিল দেন আস্তে আস্তে সব শিখছে, কিন্তু তারপর ও কোন ফাইটেই তার খুব একটা আউটক্লাসড হতে হয় নি, সব সময় ই সে কিছু না কিছু করে চালিয়ে নিত, আর কোরা এত্তগুলা এলিমেন্ট পেরেও শুধু মাইর খায়। – পাব্লিক রিএকশন) 

এই রিভিউ মুলত korra এর দ্বিতীয় সিজনের মতামত নিয়ে লেখা; সুতরাং সেদিকেই দৃষ্টি ফেরানো যাক। আগের সিজনের বেশ কিছু হতাশাজনক দিক – যেমন স্পিরিট জগতের সাথে korraর যোগাযোগ দৃশ্যত বর্জিত ছিল প্রথম সিজনে (একজন এভাটারের বড় একটা দিকই যেখানে স্পিরিট জগতের সাথে যোগাযোগ রাখা); কিন্তু পুরো সিরিজের মাঝে এবং শেষে বেশ কিছু প্রশ্ন এবং বেশ কিছু হতাশাজনক ক্লিশে দৃশ্য পুরো সিরিজটিকে “শতভাগ সফল” হতে দেয় নি। একে একে সবগুলো ইস্যুই দেখা যাক।

(এং-এর সাথে কারও তুলনা চলেই না! সে অন্যান্য এভাটারদের তুলনাতে আগে থেকেই স্পেশাল।
আর কোরা পুরাই আনকোরা টাইপ এভাটার। দুইজন পুরাই দুই মেরুর ক্যারেক্টার। এং যেখানে মঙ্ক, সেখানে কোরা হলো পিচ্চিকাল থেকেই খেপাটে আর শো-অফ পছন্দ করে!
এই দুই টাইপ এভাটারের আচরণ, কৌশল, সাফল্য অবশ্যই এক হবে না।
তারউপর এং এর কাহিনি যখন শুরু হয় তখন ১০০ বছর ধরে চলে আসা দ্বন্দ্ব যুদ্ধ ছিল, অস্থিরতা ছিল। কোরা যখন আসে, তখন অলরেডি এং একটা সুন্দর আর এডভান্সড দুনিয়া রেখে যায়
তাই এং এর কাহিনির মত কিছু পাব না এইটা জেনেই কোরা দেখি। সব কিছু মিলিয়ে আমার এইটা বেশ ভালই লাগে !!! 
– পাব্লিক রিএকশন) 

## প্রথম সিজনের মতই এই সিজনেও শেষটা কেমন যেন জোর করে এবং তাড়াহুড়া করে হয়েছে বলেই মনে হয়েছে। স্পিরিট জগতের সাথে দৃশ্যত যোগাযোগবিচ্ছিন্ন কোরা হটাত করেই এতো অল্প সময়ের মাঝে এতো বিচরন এবং এতো শক্তি কিভাবে পেল যে রাভার সাহায্য ছাড়া নিজের শক্তিতে ভাতুর মতন স্পিরিট এবং উনালকের যৌথ শক্তির সাথেও সে ফাইট করে জিতে গেল? আর সময় বৃক্ষের মাঝে বসে কসমিক লাইট খুজে পাওয়ার দৃশ্য দেখে একটা কথাই মনে পড়ে গেসে – “There is a magical solution of every problem of the hero”.

(জিনোরার রোলটা ক্লিয়ার হলো না। এরা পার সিজন কাহিনী শেষ করে, লেজেন্ড অব আং এর মত না, কাজেই ব্যাখ্যা দরকার ছিল।
বুমির ক্যারেক্টারটা একদম শেষদিকে গিয়ে সোক্কার কথা মনে করিয়ে দিয়েছে, ওয়ান আর বুমিই আসলে এই সিরিজের পাওয়া।
আর ১০০০০ বছরের ডার্কনেসকে এত সহজে হারানো, কিভাবে কি। ডার্ক অবতারকে আরো কয়েক পর্ব ধরে দেখানো দরকার ছিল, কিভাবে সে ত্রাস ছড়ায়। পরের সিজনে ব্যাপারটা নিয়ে যেতে পারত। তারপর ভালো একটা সৌনেন ভাইব আনা যেত। ডার্ক অবতারের চেহারাও খুব একটা সুবিধার না, টিপিক্যাল পাওয়ার রেঞ্জার এর ভিলেনগুলোর মত দেখতে। এপিসোড ৭ থেকে বিল্ডাপ বেশ ভালো ছিল, কিন্তু শেষমেষ তো ব্যাপারটা খুব বেশি ক্লিশে হয়ে গেল। – পাবলিক রিএকশন) 

## জেনোরা কে; তার শক্তির রহস্য কি; প্রকৃতি কি; কোরাকে যখন সে হেল্প করেছে সেটার প্রকৃতি কি ছিল – এইরকম হাজারো প্রশ্ন অমীমাংসিত রেখেই সিরিজ শেষ হয়ে গেসে। অবস্থাদৃষ্টে মনে হয়েছে; আলাদা সিগ্নিফিক্যান্ট কোন চরিত্র নয়; বরং কোরার দুর্বলতা কাটানোর জন্য আরেকটা “magical solution” এই জেনোরা। 

## উনালক শুধু একজন ওয়াটার বেন্ডার। সে কিভাবে “এভাটার” হতে চেয়েছিল বা হয়েছিল তারও মীমাংসা হয় নি সিরিজে (যদিও এটা তেমন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যু না; আর “রাভা তাকে সব বেন্ডিং পাওয়ার দিয়েছে” ব্যাখ্যার মাধ্যমে এইটা উৎরে যাওয়া যায়। 

## কোন রকম ইন্টারেকশন; কথাবার্তা ছাড়াই দুটো জায়ান্ট মারামারি করে যাচ্ছে – এই জায়গাটা আমার তেমন একটা পছন্দ হয় নি। পুর ফাইটের দৃশ্য যথেষ্ট ভাল হলেও অনেক ক্ষেত্রেই বোরিং লেগেছে। 

## জেনারেল আয়রোর স্পিরিট ওয়ার্ল্ডে ঘুরাফেরার প্রক্রিয়াটা আমার কাছে ঠিক পরিষ্কার না। এইটা আরেকবার সিরিজটা রিভিশন দেওয়ার সময় বুঝতে পারব বলে আশা করতেসি। 

## কিছু কিছু চরিত্রের উপর থেকে গুরুত্ব একেবারেই তুলে দেওয়া; যেমন – asami. এছাড়া মাকো – কোরা; মাকো – আসামি; বোলেন – এস্কা – এই সম্পর্কগুলোও মোটামুটি unresolved অবস্থায় শেষ হয়েছে। সেটা অবশ্য “সাম্নের সিজনে পরিষ্কার হবে” যুক্তিতে মেনে নেওয়া যায়। 

(সিজানটা শুরুতেই, তুলনামূলক ভাবে আগের সিজান থেকে মোটামুটি ভালোই শুরু করে। আভাটার wan আসার পর তো Avatar the legend of korra এর মোরটাই ঘুরে গেল। অস্থির হওয়া শুরু করল অল থেঙ্কস তো আভাটার ওয়ান! এরপরের এপিগুলার ফাইট,স্টোরি সব বেশ ভালো ছিল। কিন্তু ‘কররা’ থেকে ‘জিনরা’ যেন বেশী অস্থির ছিল এই সিজানে, এমনকি শেষ এপিতে তো মনে হল যেন ‘জেনরাই’ পৃথিবীকে সেইভ করল। কিন্তু কোন ক্রেডিট দিলো না!! অদ্ভুত লাগলো আর একটা ব্যাপার ক্লিয়ার না, ‘জিনোরা’ যে লাইট নিয়ে নামলো সেটা কি ভাবে সেটা দেখাল না হয়তো পরের সিজানে দেখাব!! আর আশা করি নেক্সট সিজানে আভাটার আরও মেচিউর হবে । – পাবলিক রিএকশন) 

## এই সিরিজের সবচেয়ে বড় পাওয়া বোধহয় টেনজেনের টেনযেন হয়ে ওঠা। তার “I am Tenzin. I am Tenzin!” মন্ত্র যেন আমার জন্যই বলা; আমাকেই বলা!!! Avatar Ang এর ছায়া থেকে বেড়িয়ে টেনজেনের নিজেকে খুজে পাওয়া তাই এই সিরিজে আমার সবচেয়ে প্রিয় দিক। 

## পুরো সিরিজের সবচেয়ে পাওয়ারফুল চরিত্র আমার দৃষ্টিতে প্রথম এভাতার wan. চরিত্রটি বেশ ভালভাবে তৈরি করা এবং যথেষ্ট likeable. 

## বুমির এককভাবে সম্পূর্ণ একটা ইউনিট শেষ করে ফেলার দৃশ্যটা বেশ চমকপ্রদ ছিল। at least we came to know spirit likes music !!! Well; at least most of them!!! :P 

দিনশেষে ang এর সাথে তুলনা না করে এবং পুরো সিরিজের সাথে emotional attachment এর কথা মাথায় না নিয়ে শুধু এন্টারটেনমেন্ট এর ভিউ থেকে দেখলে korra অবশ্যই সফল। তবে প্রোডাকশন হাউজ অল্প কিছু পর্বে অনেক কিছু দেখানোর চেষ্টা করার ভুলের মাশুল দ্বিতীয়বার গুণতেছে বলেই মনে হচ্ছে আমার !!!