Afro Samurai review – Monirul Islam Munna

এক বসায় অস্থির একশনের/সামুরাই একশন একটা ছোট এনিমে সিরিজ শেষ করতে চাইলে Afro Samurai উপর কিছু থাকবে না!!

চোখের সামনে এক sword fight এ অপারাজেয় এক ভিলেনের কাছে বাবার(যিনি ছিলেন পৃথিবীর এক নো. সামুরাই) মৃত্যু এক বিষাক্ত কাঁটার মত বুকে বিঁধে যায় ছোট্ট এফ্রর। শুধু একটা লক্ষ্য নিয়েই তার বেড়ে উঠা, বাবার মত পারদর্শী সামুরাই হয়ে সেই অপারাজেয় ভিলেনকে পরাজিত করতেই হবে। কিন্তু পারবে সেই অপারাজেয় ভিলেনকে পরাজিত করতে ছোট্ট এফ্র?
ছোট্ট থেকে বড় হয়ে সেই ভিলেনকে ফেইস করার সময়টা নিয়ে এই এনিমে সিরিজটা। এইটুকু শুনে মনে হতে পারে এমন কি আছে এই এনিমেতে!!
প্রথমে নাম দিয়েই শুরু করি  সামুরাই শুনলেই প্রথমে আমাদের মাথায় আসে জাপানিজদের, কিন্তু ‘এফ্র সামুরাই’ আসলেই একজন ‘মাথায় কোঁকড়ানো চুলের একজন এফ্র’ । লেইম পয়েন্ট, কিন্তু একটা পয়েন্ট তো 
এই এনিমের একশন যেমন অস্থির,সেই সাথে animationও !!! যারা একশনধর্মী এনিমে পছন্দ করেন, চোখ বন্ধ করে এই এনিমে ভালো লাগবে। আর শুধু একশন থাকলে চলে নাকি? সাথে একটু সেইরকম OST না থাকলে তো একটু অপূর্ণ রয়ে যায়!! চিন্তা নাই, OSTও হতাশ করবে না আপনাকে, একশনের সাথে আছে অস্থির র‍্যপ মিউজিক!!! 
এখানেই শেষ নয়! আরও আছে, ব্যাডআস চরিত্র আর অস্থির ডায়ালগ!!! যারা একটু র‍্যপধর্মী জিনিস পছন্দ করেন, খুব বেশীই মজা পাবেন এই এনিমে দেখার সময় 
তবে কিছুটা এচিনেস আর নিউডিটি আছে  তবে খুবই অল্প পরিমান আহামরি স্টোরি হয়তো পাবেন না, আসলে মাত্র ৫ এপিসোডের ছোট্ট সিরিজ। তবে এক সেকেন্ডও বিফলে যাবে না!! শুধু মনে হবে এতো জলদি শেষ হয়ে গেল!!!!
আমার রেটিং ৮.০
এম এ এল রেটিং ৭.৪১

অ্যানিমে রিভিউ: মৌরিঔ নো হাকো(Mouryou no Hako)/Box of Goblins – Fahim Bin Selim

পর্বঃ ১৩+১ ওভিএ
প্রচারকালঃ ২০০৮
জনড়াঃ সেইনেন, রহস্য, রোমাঞ্চ, অতিপ্রাকৃত
প্রোজযকঃ ম্যাডহাউস
এমএএল রেটিংঃ ৭.৪৭(#১৪৮০)

কানাকো ইউজুকি, হাইস্কুল কিশোরী, ট্রেনের সামনে ঝাপ দিয়ে আত্নহত্যার চেষ্টা করল। বাক্সাকৃতির এক রহস্যময় হাসপাতালে ড. মিমাসাকা কৌশিরোর চিকিৎসায় কোনমতে মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরল সে। 
ইয়োরিকো কুশুমোতো, কানাকোর বান্ধবী, এই ঘটনার একমাত্র সাক্ষী। তার মা জড়িয়ে আছে এক রহস্যময় ধর্মীয় দলের সাথে।
একে একে জাপানের বিভিন্ন জায়গায় ছোট ছোট বাক্সে পাওয়া যেতে শুরু করল কিশোরী মেয়েদের অঙ্গপ্রত্যঙ্গ…হাত-পা!
এদিকে আবার হাসপাতালের ঘরভর্তি মানুষের সামনে যেন হাওয়ায় মিলিয়ে গেল কানাকোর দেহ!
এই সবকিছুর যোগ সুত্র কোথায়, আদৌ কি আছে? জট পাকাতে শুরু করল কাহিনী…
আর এই মাথা ঘুড়ানো রহস্য সমাধানে একজোট হল এক এন্টিক-বইসংগ্রাহক, একজন ঔপন্যাসিক, একজন পুলিশ, একজন সাংবাদিক আর একজন গোয়েন্দা।

//কেন পছন্দ হবে –
মৌরিঔ নো হাকোর সবচেয়ে বড় অস্ত্র কী? অবশ্যই এর কাহিনী। আমি নিজে “অ্যামেচার” ডিটেক্টিভ ফিকশনের বড়সড় ভক্ত। কিন্তু জটিলতম রহস্যগুলোর সমাধান যে যেকোনো রাম-সাম-যদুর দ্বারা সম্ভব না, অনেক বিষয়ে ঞান থাকা প্রয়োজন, তা এই অ্যানিমে বেশ ভালো ভাবে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে। নাতসুহিকো কিয়োগোকুর ১৯৯৫ সালের উপন্যাস অবলম্বনে কাহিনী। আর তাই এর গভীরতা আর ধারাবাহিকতা দুটোই বলার মত।
তারপর আসছে পেসিং এর ব্যাপার। স্লো, কিন্তু কখনোই বোরিং না। প্রথম পাঁচ পর্বে বেশ ভালোভাবে পকেটে রাখা ইয়ারফোনের তারের মত কাহিনী প্যাঁচ লাগানো। তারপর খুবই ধীরে কিন্তু সাটলী একে একে তা খোলা।

মৌরিঔ নো হাকো হল সংলাপ নির্ভর অ্যানিমে। বিশেষ করে, কাহিনীর মাঝখানে দূটো পর্ব আছে, দুটো সম্পূর্ণ পর্ব, যেখানে শুধু তিনজন মানুষ একটা ঘরের মধ্যে বসে নিজেদের মধ্যে কথা বলে! এবং এর সংলাপ, প্রতিটি লাইন, আপনার চোখ নিচের সাবটাইটলের দিকে আটকে রাখার মত।

প্রতিটি চরিত্র মাত্র ১৩ পর্বে যে ভাবে ডেভেলপড হয়েছে তা খুব কম অ্যানিমেই দেখাতে পেরেছে। আর প্রতিটি চরিত্রই কাহিনীর সাথে কোন না কোনভাবে অবিচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। অ্যানিমের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক অসাধারণ। রহস্য অ্যানিমের ইনটেন্স পরিস্থিতি বজায় রাখায় যা ভালো অবদান রেখেছে।

মৌরিঔ নো হাকোর আরেকটি বলার মত দিক হল এর ভিসুয়ালাইজেশন, ডিটেইলিং। প্রতিটি চরিত্রের ফেস এক্সপ্রেশন বাস্তবধর্মী করার জন্য, অ্যানিমের আর্টওয়ার্ক, কিছু কিছু থ্রিডি দৃশ্যায়ন আর ক্ষুদ্র, ক্ষুদ্র জিনিসের ডিটেইলিং-এ যে বেশ ভালো সময় দেওয়া হয়েছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

//কেন নাও পছন্দ হতে পারে – 
সংলাপ। অতি সংলাপ নির্ভরতা। যেটা আগেই বললাম, কাহিনীর মাঝখানে দূটো পর্ব আছে, দুটো সম্পূর্ণ পর্ব, যেখানে শুধু তিনজন মানুষ নিজেদের মধ্যে কথা বলে – এইটা অধিকাংশ মানুষেরই ভালো না লাগার কথা।
পেসিং। অল গান ব্লেজিং, স্টেরোয়েড দেওয়া শৌনেন অ্যানিমের একনিষ্ট ভক্ত হলে পছন্দ নাই হওয়ার কথা। এইটা এলএসডির মত, ধীর এবং স্বর্গীয়!

রেফারেন্স। সিম্বোলিজম। জাপানিজ ও চাইনিজ স্পিরিচুয়ালিটি আর বই সম্পর্কে বেশ বড়সড় কিছু লেকচার আছে। অধিকাংশ জিনিস প্রথমবার না বোঝাটাই স্বাভাবিক। তাই খুবই মনোযোগের দরকার হয় সংলাপ শোনার(পড়ার) সময়। আমার মাঝে মাঝে এক জিনিস দুইবার-তিনবার করে দেখতে হয়েছে। বেশ ভালোভাবেই মাথা খাটাতে হয়।
১৯৫৪ সালের কাহিনী, তাই মেইনস্ট্রিম মোয়ী জাপানিজ কালচারের কিছু পাবেন না।

গোর আর রক্তারক্তি সেভাবে দেখানো না হলেও, কাটা অঙ্গপ্রত্যঙ্গর দৃশ্যগুলো সবার জন্য না। সাথে শেষের দিকে কাহিনীর কিছু ট্যাবু জিনিস পত্র দেখানো হয়েছে।

//আমার রেটিংঃ ৮.৮
কাহিনী-৯
মিউজিক-৮
আর্ট/প্রোডাকশন/অ্যানিমেশন-৯
এন্ডিং-৮
ইন্ট্রিগ-১০

//শেষ কথাঃ আমার মতে অন্যতম আন্ডাররেটেড অ্যানিমে । এর রেটিং থেকে বেশ ভালোভাবেই একটা জিনিস বোঝা যায় যে, অ্যানিমের দর্শকদের অধিকাংশই টিনেজার।
মৌরিঔ নো হাকো শুধু কিভাবে, কেন আর কে-এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ না। ক্রিমিনাল সাইকোলজির সাথে জাপান-চাইনিজ স্পিরিচুয়ালিটি আর সবশেষে সাই-ফাই এর কিছুটা স্বাদ! রহস্য, খাঁটি রহস্য গল্পপ্রেমী হলে এ অ্যানিমে অবশ্যই দেখা প্রয়োজন। আর সাথে সাইকোলজিক্যাল থ্রিলারের মাস্টার ম্যাডহাউসের কথাও মাথায় রাখতে পারেন।
একবার কাহিনীর মধ্যে ঢুকে গেলে আর শেষ না দেখে উঠতে পারবেন না, তাই দেখার আগে অবশ্যই সময় নিয়ে বসবেন!

*ওভিএ টাও বেশ ভালো। কাহিনীর অনেক কিছু ভালোভাবে বুঝতে সাহায্য করবে।

fahim_review

মাঙ্গা-আনিমে মিক্সড রিভিউ: বাকুমান (Bakuman) – ফরহাদ মহসিন

বাকুমান মাঙ্গা পড়া এবং আনিমে দেখা, দুই ধরণের অভিজ্ঞতা হওয়ার পরেই রিভিউ লিখছি। কিছুটা পার্শিয়াল হতে পারি, আমার প্রথম পড়া স্লাইস অফ লাইফ। এবং সম্ভবত প্রথম আনিমে, যেটার মাঙ্গা পড়া থাকার পরেও অনেক আগ্রহ নিয়ে আমি আনিমেটা দেখেছি। এবং সত্যি বলতে এরকম মাঙ্গা আর হওয়া সম্ভব বলেই আমার মনে হয় না। পড়া শুরু করেছিলাম শুধুমাত্র এই কারণে যে বাকুমানের লেখক-আর্টিস্ট হচ্ছেন ডেথ নোটের লেখক-আর্টিস্ট সুগুমি ওহবা, তাকেশি ওবাতা। ডেথ নোটের কারণেই হয়তো অন্য কিছু আশা করে গেছিলাম। গিয়ে পেয়েছি পুরোপুরি অন্যরকম এক জিনিস। যাই হোক শুরু করি।

মরিতাকা মাশিরো আপাতদৃষ্টিতে একজন সাধারণ জাপানিজ মিডল স্কুল ছাত্র। সে একসময় খুব ভালো ছবি আঁকাতো, হতে চাইতো তার চাচা, মরিতাকা নবুহিরোর (যে কিনা কাওয়াগুচি তারো ছদ্মনামে মাঙ্গা লেখে) মত। কিন্তু চাচার মৃত্যুর পর বড্ড বেশি উদাসীন হয়ে পড়ে সে। তার বাবা-মা ভবিষ্যত কর্মপরিকল্পনা সম্বন্ধে জানতে চাইলে কিছু বলতে পারে না, নিজের মত করে কোন স্বপ্ন দেখতে পারে না, পারে না আজুকি মিহো, যাকে অনেকদিন ধরে পছন্দ করে সে, তার সাথে গিয়ে কথা বলতে।

এই অবস্থায় হঠাৎ করেই তাকে অ্যাপ্রোচ করে ক্লাসের সবচেয়ে ভালো ছাত্র তাকাগি আকিতো। জানায় তার স্বপ্নের কথা, সে হতে চায় জাপানের সবচেয়ে বড় মাঙ্গাকা। সে চায় মাশিরো তার লেখা গল্পের সাথে ছবি আঁকাক। মাশিরোকে কনভিন্স করানর জন্য সে তাকে নিয়ে যায় আজকি মিহো’র বাসায়। সেখানের কথোপকথন থেকেই মাশিরো আবার নতুন করে স্বপ্ন দেখা শুরু করে, যে স্বপ্ন জড়িয়ে যায় আজুকি আর তাকাগির সাথে। বাকুমানের বাকি কাহিনী তাদের স্বপ্নপূরণের কাহিনী।

bakuman-349320

সামারি দেওয়া শেষ, এবার রিভিউ:

বাকুমানের ক্যারেক্টারাইজেশন বেশ ইন্টারেস্টিং। প্রধান দুই প্রোটাগোনিস্টের চরিত্র শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত খুবই ভালোভাবে ডেভেলপড হয়েছে। তাকাগি’র লেখার স্টাইল, মাশিরোর আঁকার স্কিল, মোটকথা তাদের মাঙ্গার ধরণ নিয়ে এক্সপেরিমেন্টের সাথে সাথেই যেন তারা নিজেদের জীবন নিয়েও এক্সপেরিমেন্ট করতে থাকে।

এর প্যারালালি চলতে থাকে মাশিরো আর আজুকির প্রেমকাহিনী। এটা সম্বন্ধে আমি এতটুকুই বলব, বাকুমান পড়া/দেখার সময় একটা সময় গিয়ে এরকম একটা সম্পর্ক থাকার কথা আপনি নিজে চিন্তা করবেন না তা সম্ভবই না।

এবং তার সাথে আরেকটা যে সম্পর্কের কথা না বললেই না তা হল মাশিরো-তাকাগির সাথে, তাদের রাইভাল, নিজুমা এইজির সম্পর্কে। নিজুমা এইজি সম্ভবত বাকুমানের সবচেয়ে ‘রঙচঙে’ ক্যারেক্টার। পুরো সিরিজ জুড়েই যখনই প্যানেলে এইজি থাকে, মনোযোগ তার দিকে যেতে বাধ্য। ওয়ান পিস ফ্যানদের উদ্দেশ্যে বলছি, এইজির চরিত্র অনেকটাই ওয়ান পিসের মাঙ্গাকা এইচিরো ওদার কথা ভেবে লেখা। যাইহোক বাকুমান, সবকিছুর পরেও একটা শৌনেন মাঙ্গা। সুতরাং, এটাতে লড়াই থাকবেই। কিন্তু টিপিক্যাল শৌনেন লড়াই থেকে এখানকার সব লড়াইও অন্যরকম, প্রতিপক্ষরাও সবাই, শুধু এইজি না, অন্যরকম। এবং ‘Rivalry’ শব্দটা এত সুন্দরভাবে ডিফাইনড হতে আর কোন মাঙ্গা/আনিমেতে দেখেছি বলে মনে পড়ে না।

বাকুমানের সাপোর্টিং কাস্ট খুবই ভালো, শুধুমাত্র মূল চরিত্রগুলো না। সাইড ক্যারেক্টার হিসেবে এসে ফুকুদা শিনতা বা আওকি কো যদি আপনার প্রিয় চরিত্র হয়ে যায়, তাও আসলে কিছু বলার নাই। বাকুমানের ব্যাপারে একটা অভিযোগ আসে যে এর নারী চরিত্রগুলো সেভাবে ডেভেলপড না। প্রথম দিকে কখনো কখনো এটা মনে হলেও পরের দিকে গিয়ে এটা মোটামোটি কাটিয়ে ওঠেন ওহবা সেনসেই।

ক্যারেক্টারাইজেশন নিয়ে অনেক কথা হয়ে গেছে। গল্প নিয়ে একটু বলি। মনে হতে পারে দুজন উঠতি মাঙ্গাকার জীবনে কি এমন ঘটতে পারে যা নিয়ে মাঙ্গাই লিখে ফেলা সম্ভব। বাস্তব-অবাস্তব সব ধরণের সিনারিও মিলিয়ে পুরো গল্পটা আসলেই অনেক অসাধারণ। আর আগে যেরকম বললাম, শৌনেন মাঙ্গার লড়াই সম্বন্ধে আপনার আইডিয়াটাই পরিবর্তিত হয়ে যাবে বাকুমানের পর। তারপর, ডেথ নোটের আর এটার মাঙ্গাকা একই শুনে যারা ভাবছেন, তাহলে নিশ্চয়ই খুব গম্ভীর ধরণের সেটাপ হবে, হাসির এলিমেন্ট থাকবে না, তারাও ভুল করছেন। বাকুমান স্টোরির সেটাপ, ডায়ালোগ, ক্যারেক্টার বিহেভিয়ার সব কিছু মিলিয়েই প্রচণ্ড হাস্যরসাত্মক একটি মাঙ্গা, গ্যাগ মাঙ্গা না হয়েও।

যাই হোক, শেষ কথা হচ্ছে: কখনো যদি আপনি লিখালিখি বা এ ধরণের কিছুর জন্য কলম হাতে নিয়ে থাকেন, ছবি আঁকা যদি আপনার প্যাশন হয়ে থাকে, যদি মারত্মক উচ্চাভিলাষী কোন স্বপ্ন থেকে থাকে আপনার, অথবা আপনি যদি এখনও ভীষণ রোমান্টিক কোন আইডিয়া নিয়ে বসে থাকেন, বাকুমান আপনার ভাল্লাগবেই।

এবং নিশ্চিত ভাবেই প্রকৃত মাঙ্গাকাদের জন্য, মাঙ্গা/আনিমের সাথে জড়িত সবার জন্য একটা অন্যরকমের সম্মান তৈরি হয়ে যাবে।

রেটিং:

মাঙ্গা: MyAnimeList rating: 8.54, আমার রেটিং: 9.5

আনিমে: MyAnimeList: 8.36, আমার রেটিং 8

Bakuman。.full.1225692

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সংখ্যার কানজির দ্বিতীয় পাঠ

এবার একসাথে বেশ কয়েকটা কানজি দেই। প্রথমে ৩ আর ৪ এর কানজি।

সান মানে তিন আর ইওন/শি মানে চার। মিততসু মানেও ৩ আবার ইওততসু মানেও ৪।
মার্চ হইল সানগাতসু, তাহলে এপ্রিল হয় শিগাতসু।


সানজি মানে 3 O’clock ইওজি মানে 4 O’clock, এইসব জায়গায়ও ৩ আর ৪ এর কানজি ইউজ হয়।
উপরে ৩ টানের ঐটা দিয়ে ৩ বুঝায় আর অন্যটা ৪ বুঝায়।

 

 

এরপরের কানজি, পাঁচের কানজি  গো/ইতসুতসু।

রকিং চেয়ারের মত দেখতে (বাকন্তী ওরফে অবন্তীর থেকে মারা কথা)
আগের মতই একই প্যাঁচাল। গোগাতসু – মে(May), গোনিন – ৫ জন, ইতসুকা – ৫ দিন। উপরের সব জায়গায়ই এই কানজি ইউজ হয়। 

– অরিন শারমিন

 

The Wolf Children Ame and Yuki – মুভি রিভিউ

Hana- ১৯ বছর বয়স্ক এক মেয়ে হটাত করেই তার জীবনের ভালবাসা খুজে পায়। তার ভালবাসার মানুষ kare – সবার থেকে একটু আলাদা; একজন নেকড়ে মানুষ (wolf man); এবং তার গোত্রের সর্বশেষ সদস্য। তা সত্ত্বেও তারা পরস্পরকে ভালবেসে কাছে আসতে শুরু করে এবং একটা পরিবার গড়ে তোলে। কিন্তু কিছুদিন পরেই এক ট্রাজিক ঘটনায় মারা যায় kare;yuki’র সাথে রেখে যায় এক মেয়ে-yuki আর এক ছেলে-Ame কে। যাদের দুজনই স্বতঃস্ফূর্তভাবে এবং মাঝে মাঝে নিয়ন্ত্রণহীনভাবেই নেকড়ে-মানুষ জগতে আসা যাওয়া করতে পারে। শহরের চারদেয়ালের মাঝে এদেরকে বড় করা অসম্ভব হয়ে পড়ায় hana বাচ্চাদের নিয়ে একরকম পালিয়ে আসে পাহাড়ের কাছে এক বিরান গ্রামে। এখানেই শুরু হয় বাচ্চাদের নিয়ে তার সংগ্রামের গল্প; yuki আর ame’র নিজেদেরকে খুজে পাবার গল্প; নিজেদের ভবিষ্যৎ ডিসাইড করার গল্প !!!!

Studio ghibli এনিমেটেড মুভির জগতে মোটামুটি একটা স্ট্যান্ডার্ড সেট করে দিয়েছে; এবং তাকে ধরাছোঁয়া খুব একটা সহজ কাজ নয়। কিন্তু Mamoru Hosodaর নির্দেশনায় Madhouse Studios এর এই মুভিটা সেই স্ট্যান্ডার্ডকে খুব সফলতার সাথেই চ্যালেঞ্জ করেছে।

মুভির মুল হাইলাইটগুলার মধ্যে ছিল – ন্যারেটিভ স্টাইল – মোটামুটি একটা অবিশ্বাস্য গল্প বেশ বিশ্বাসযোগ্য উপস্থাপন এবং এর ন্যুনতম সংখ্যক চরিত্র – প্রত্যেকটা চরিত্রই fully developed।

গল্পে বেশ কিছু চমৎকার মুহূর্ত আছে; যেখানে রীতিমত আবেগের রংধনু খেলা করে। Ame আর yuki র সরলতা; তাদের সংগ্রাম; ame’র তার ক্লাস থেকে ধীরে ধীরে আলাদা হয়ে যাওয়া; সংলাপহীন বেশ অনেকগুলো মুহূর্ত – দুর্দান্ত !!!

দিনশেষে The Wolf Children Ame and Yuki তাই জীবনের গল্প বলা; সংগ্রামের গল্প বলা; হাসি কান্না আর দৈনন্দিন জীবন জাপনের খুনসুটিতে বেচে থাকার গল্প; একটা must watch মুভি !!!

 

 

Ookami Kodomo no Ame to Yuki review by Mydul Islam Mahi

[ প্রথমেই বিশাল Spoiler Alert দিয়ে রাখি ]

এই এনিমে মুভি নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এরপরেও বলি – “অসাধারণ মাপের মুভি”! কাহিনীর মূল চরিত্র Hana, যে কলেজে পড়াশুনা করে। আপনজন কেউ নেই। কলেজে পড়ার সময়ই তার পরিচয় হয় এক ছেলের সাথে। তার সাথে সে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ে। আর এক সময় Hana সেই ছেলের কাছ থেকেই জানতে পারে, ছেলেটি আসলে Wolf (OOkami). তার মাঝে Human আর Wolf – দুই সত্ত্বাই বিদ্যমান। কিন্তু এটা জানার পরেও Hana ভালোবাসে সেই ছেলেকে। তাদের দুই সন্তান জন্ম নেয়। বড় মেয়ে Yuki, ছোট ছেলে Ame. কিন্তু Ame এর জন্মের পর পরই তাদের বাবা মারা যায়। Hana পড়ে অকূল পাথারে। এই দুই Wolf Children কে কীভাবে বড় করবে? ৪ বছর পর সে চলে যায় অনেক দূরের এক পাহাড়ে, যে জায়গায় বাস করাটা মোটামুটি সংগ্রামের পর্যায়ে পড়ে। সেখানে চলে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য – সবার চোখের আড়ালে, নিঃসঙ্গভাবে কাউকে না জানিয়ে বাচ্চাদের বড় করে তোলা। দুই বাচ্চাকে নিয়ে Hana কে অবতীর্ণ হতে হয় জীবন যুদ্ধে। আর প্রতি পদক্ষেপে সে অভাব অনুভব করতে থাকে তার স্বামীর। এক সময় দুই সন্তানকে Hana স্কুলে ভর্তি করে। Yuki যেমন দুরন্ত, Ame ঠিক তেমন চুপচাপ। কিন্তু ঘটনার প্রবাহে তাদের চরিত্রে চলে আসে বৈপরীত্য। Yuki নিজের মানব-বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। আর অন্যদিকে Ame’র রক্তে খেলা শুরু হয় তার অন্য সত্ত্বার! সময় আসে তাদের নিজেদের পথ নিজেদেরই বেছে নেওয়ার।

 

আমার মনে হয় এই এনিমের মধ্যে মা-সন্তানের ভালোবাসা বেশ ভালোভাবেই তুলে ধরা হয়েছে; বিশেষ করে Yuki আর Ame কে নিয়ে Hana’র Struggle করার মুহূর্তগুলো, তাদেরকে নিয়ে ছুটে বেড়ানো, Ame’র পানিতে ডুবে যাওয়া, শেষ দিকে Ame কে জঙ্গলে খুঁজে বেড়ানো – সব দৃশ্যই মনে জায়গা করে নেওয়ার মত। এই মুভিতে আরো একটা জিনিস কিন্তু ভালো লাগার মত – মানুষের সামাজিক জীবনের উপর নির্ভরশীলতা। আবার এখানেই নিঃসঙ্গতার কষ্টটাও তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতির জীবন? নাকি সামাজিক ধরাবাঁধা জীবন? এই চিরন্তন প্রশ্নটাই যেন এই মুভিতে ভিন্ন আঙ্গিকে, ভিন্ন চিন্তার মধ্য দিয়ে আমাদের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। জবাবটা আসলে নিজেকেই খুঁজে পেতে হবে …

এই পোস্টেই মনে হয় কাহিনীর বেশিরভাগটাই বলে দেওয়া হয়ে গেছে। যারা এই এনিমে মুভিটা দেখেন নাই তাদের নিজ দায়িত্বে পুরো মুভিটা অবশ্যই দেখে নিতে বলা হল।  [ বি.দ্রঃ এই পোস্টে উল্লেখিত মতামত একান্তই নিজস্ব। কারো সাথে কাকতালীয়ভাবে মিললে দায়ী নই, আর না মিললেও কেউ দায়ী থাকবে না! ]

ড্রিফটিং ক্লাসরুম মাঙ্গা রিভিউ বাই মাহমুদা ইশরাত

যদিও গ্রুপটা আনিমেখোরদের নিয়ে তবুও এখানে আমার মত বেশ কিছু মাঙ্গাখোর ও আছে। এই রিভিউ পোস্ট তাদের জন্য। আগে কেউ এটা নিয়ে লিখে থাকলে দুঃখিত।

যারা যারা সারভাইভাল- হরর genre পছন্দ করে তাদের জন্য একটা আদর্শ রিকমেন্ডেশন হল drifting classroom।

শো তাকামাতসু হল যাকে বলে গিয়ে একেবারে পাজির পা ঝাড়া এক পিচ্চি। মায়ের সাথে ঝগড়া করে সেদিন স্কুলে গেছিল সে, যাবার আগে বলে গেছিল আর কোনদিন ফিরবে না। সেদিনই ঘটে এক আশ্চর্যজনক ঘটনা। শহরের মানুষ আবিষ্কার করে ৮০০+ মানুষ সুদ্ধ একটা বিশাল স্কুল রীতিমত গায়েব হয়ে গেছে, সেখানে আছে শুধু এক বড়সড় গর্ত। আর স্কুলের মানুষজন আবিষ্কার করে তাদের আশে পাশে গাড়ি বাড়ি রাস্তা দোকানপাট গাছপালা সবকিছুরই বদলে কেবল ধুলাবালি। ভীত সন্ত্রস্ত মানুষগুলা আরও আবিস্কার করে সেখানে খাবার নেই পানি নেই এবং জীবিত একটা প্রানি পর্যন্ত নেই। ভয়ংকর এক অজানায় আটকা পড়েছে তারা। ভেঙে পড়ছে তাদের এতদিনের শিখে আসা সামাজিক, মানবিক জীবন ব্যাবস্থা। পারবে কি শো তার বন্ধুদের সাথে টিকে থাকতে? পারবে কি নিজেদের প্রিয়জনদের কাছে ফিরে যেতে?

১৯৭২ সালের মাঙ্গা drifting classroom। বলা হয় সেই সময়কার সেরা হরর মাঙ্গা এটি। এর মাঙ্গাকা কাজুও উমেজু কে বলা হয় হরর মাঙ্গার গ্র্যান্ডমাস্টার। তবে এখনকার প্রেক্ষাপটে সার্বিকভাবে সেরা না বলতে পারলেও সারভাইভাল- হরর হিসেবে অন্যতম বলতেই হবে। আঁকা আঁকি এখনকার থেকে অত্যন্ত অন্য ধরনের এবং ডায়নামিক।

বিঃদ্রঃ সবার জন্য এই মাঙ্গা নয়। কেবল হরর-সারভাইভাল ফ্যানদের জন্য। বিশেষ করে বাচ্চা কাচ্চাদের মরতে দেখতে যাদের সমস্যা আছে তাদের জন্য তো অবশ্যই নয়।

547817_10151758496550493_1672270980_n

Tokyo Godfathers review by Torsha Fariha

অবশেষে দেখলাম Tokyo Godfathers. 

নাম শুইন্যা মনে হইসিলো এটা কোন ফাইটিং বেইজড মুভি। (আমি সম্প্রতি Godfather পড়সি কিনা  )

যাই হোক… নামাইতে দিসিলাম এই কারণেই। পরে দেখলাম এক রত্ন খুঁজতে এসে আরেক রত্ন পাইলাম  

tokyo_godfathers

রাস্তার তিন হোমলেস মানুষ গিন, হানা আর মিয়ুকি। গিন হল ফ্যামিলি ছেড়ে আসা মধ্যবয়সী লোক, হানা হল ট্রান্সউইমেন আর মিয়ুকি বাসা থেকে পালানোর টিনএজ মেয়ে। 
এক ক্রিসমাসের আগে তারা জঞ্জালের ভেতর থেকে আবিষ্কার করে একটা বাচ্চাকে। যার বয়স বড়জোর ১-২ মাস। গিন আর মিয়ুকি সাথে সাথেই পুলিশের কাছে বাচ্চাকে দেয়ার চিন্তা করে। কিন্তু হানার জোড়াজুড়িতেই তাকে নিয়ে তাদের বাসায় আসতে হল। 

আসলে হানা চাচ্ছিলো না বাবা মার নাম পরিচয়হীন একটা মেয়ে ফোস্টার প্যারেন্টসের কাছে বড় হোক। তাই তারা তিনজন মিলে বাচ্চাটার বাবা মা খুঁজতে বের হয়। 

এভাবে যাত্রা শুরু হয় তাদের। মুভিটা শুধু কিন্তু বাচ্চাটাকে ঘিরেই আবর্তিত হয় না বরং এখানে উঠে আসে তিন হোমলেসের প্রত্যেকের নিজস্ব কাহিনী। 

এমন একটা কাহিনী নিয়েই টোকয়ো গডফাদার চলতে থাকে। এখানে হিউমার যেমন আছে তেমনি মন ভারী করে তোলার উপকরণও আছে। শেষের দিকে আছে চমৎকার টুইস্টও।

যেহেতু মুভিটা সাতোশি কোনের ডিরেকশনে তৈরি তাই না দেখার কোন কারণই নেই।  

আমি জানি প্রায় সবাই এই মুভিটা দেখে ফেলেছেন। তবু আশা করছি কেউ হয়তো দেখেননি এখনো কিন্তু এটা পড়ার পর দেখার আগ্রহটা তৈরি হবে।

 

ট্রেলার:

http://www.youtube.com/watch?v=7Q6mcx2qF4Q

এফ এ সি ১৩ by Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হানাকো-সান

hanako

জাপানের স্কুলে থার্ড ফ্লোরে মেয়েদের টয়লেটের থার্ড স্টলে যদি তিন বার নক করে বলেন, ”হানাকো-সান, তুমি কি ওখানে আছ?” জবাব পাওয়া যাবে, ”হ্যা।” স্টলে ঢুকলে আপনি দেখতে পাবেন লাল স্কার্ট পরা এক ছোটো মেয়েকে, যে কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মারা গেছে।

জাপানের সবচেয়ে সেলিব্রেটেড ভূতগুলোর মধ্যে একটা হলো হানাকো সান। একে নিয়ে মাঙ্গা হয়েছে, আনিমে হয়েছে, মুভিও হয়েছে। ফ্র্যান্কলি, সবচেয়ে পিকুলিয়ার ভূতের গুজব আছে সম্ভবত মালয়েশিয়াতে, এরপরে জাপানে। জাপানের ভুত্গুলোকে নিয়ে আরো জানতে চলে যান এই লিঙ্কে।http://www.cracked.com/funny-7186-8-scary-japanese-urban-legends/

 

 

 

আনিমে সাজেশন

শিনসেকাই ইওরী(Shinsekai Yori)

shinsekai yori

বর্তমান সময়  থেকে এক মিলেনিয়াম পরে জাপানে এক সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায় শাসক শ্রেণী হলো কান্তাস(এক ধরনের সাইকিক পাওয়ার) ব্যবহার করতে পারদর্শী মানুষ, আর শাসিত শ্রেণী হচ্ছে বাকেনেজুমি(ইঁদুরমুখো দু-পেয়ে এক প্রজাতি )। কাহিনীর নায়িকা সাকি তার কান্তাসকে আরো ভালোভাবে ব্যবহার করতে শেখার জন্য ট্রেনিং স্কুলে গেল তার বন্ধুদের সাথে। এই অবস্থায় তারা এক যন্ত্রের কাছ থেকে আবিষ্কার করলো, তাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে ১০০০ বছরের রহস্যময় ইতিহাস, যা প্রকাশ পেলে পাল্টে ফেলতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই। সাকির দুই বন্ধু নৃশংসভাবে খুন হলো, আরেক বন্ধু রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেল। কি করবে এখন সাকি?

কেন দেখবেনঃ সাইকোলজিক্যাল-হরর ঘরানার এই আনিমের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট হলো এর প্লট, এটা বলে দেয়া যায়, এরকম ইউনিক প্লট খুব কম পাবেন। অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক সঠিক সব জায়গায়, সেই সাথে ভয়াবহ শকিং লাস্ট এপিসোড, এক কথায় ২০১৩ এর টপ ১০ এ থাকার মত এই আনিমে। এর প্রশংসা একটু বেশিই করছি, কারণ আনিমেটা বাংলাদেশে রীতিমত আন্ডার এপ্রিশিয়েটেড।

কেন দেখবেন না: বিল্ডিং আপ একটু স্লো, আর খানিকটা ইয়াওই এবং ইউরি এলিমেন্ট আছে, তবে সবই কাহিনীর প্রয়োজনে, এবং কখনোই মাত্রাতিরিক্ত নয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

নব্লেস(Noblesse)

노블레스2-1표지.indd

হান শিনউর হঠাত দেখা হয়ে গেল বোকাসোকা রাইয়ের সাথে। তার স্কুলের হেডমাস্টার ফ্র্যান্কেনস্টাইনের কথামত রাইকে সে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলো, চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। কিন্তু শিনউ কি জানত, রাই আসলে ৮২০ বছরের দীর্ঘ নিদ্রাভঙ্গ করে কফিন থেকে উঠে আসা এক ভয়াবহ অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাশালী নোবেল, কাদিস এত্রামা ডি রাইজেল? আর সে হচ্ছে সব নোবেলদের রক্ষক, সবচেয়ে শক্তিশালী নোবেল, ”নব্লেস”?

 

কেন পড়বেনঃদারুন কাহিনী, কোথাও ঠেকে যাবার জো নেই, চমত্কার সব ফাইটিং সিন, প্রয়োজনে জায়গামত কোয়ালিটি গ্যাগ এলিমেন্ট আছে। ওয়েবটুন্, তাই পুরোটাই রঙিন, আনিমে দেখার স্বাদ মাঙ্গা পড়ে পাওয়া যায়। এছাড়া টিপিক্যাল সৌনেন মাঙ্গাতে যেমন নায়ককে যথেষ্ঠ স্ট্রাগল আর ট্রেনিং করে শক্তিশালী হতে হয়, এখানে নায়ক অলরেডি সবচেয়ে শক্তিশালী, কাজেই অন্য রকম একটা টেস্ট পাওয়া যাবে।

 

কেন পড়বেন নাঃনা পড়ার কোনো কারণ নেই। 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৯

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – সংখ্যার কানজির প্রথম পাঠ

কানজি শিক্ষা কার্যক্রম আবার ১ম থেকে শুরু করলাম তাইলে।

 

ইচির কানজি দিয়াই শুরু করি। ইচি মানে তো এক, সবাই জানে।

হিরাগানায় ইচি লিখে হইল এমনে “いち”, এইখানে “ই”র হিরাগানা হইল “い” এইটা আর “চি”র হিরাগানা হইল এইটা “ち”
এই সুযোগে ২ টা হিরাগানাও শিখা হইয়া গেল।
একটানে ইচি বুঝাই, এই কানজি দিয়া কোন কোন জায়গায় হিতোতসুও বুঝাই। হিতোতসু মানেও one ।
তারপর হিতোরি লিখার সময় যে দুই টা কানজি ইউজ করে তার মধ্যে একটা হইল ইচির কানজি। হিতোরি মানে alone/একা, এই জন্য হিতোরি লিখার সময় হিরাগানায় না লিখে ২ টা কানজি ইউজ করে একটা হল ইচির কানজি আরেকটা হল হিতোর কানজি। হিতো মানে person ।
আবার জানুয়ারির কানজি লিখার সময়ও যে ২ টা কানজি ইউজ করে তার মধ্যে একটা এটা। ইচিগাতসু মানে জানুয়ারি, জানুয়ারি যেহেতু ১ নাম্বার মাস।

এইরকম যত জায়গায় ১ জাতীয় জিনিসপত্র আছে, যেমন ইচিবান(best/most), ইচিনেনসেই(fresher), ইক্কাই(once) ইত্যাদি ইত্যাদি ক্ষেত্রে এই কানজি টা ইউজ করে।

 

এরপরের কানজি: ২ এর কানজি।
দুই টানে ২ বুঝাই,এটাও সোজা। “নি” মানে ২, আবার এই কানজি দিয়ে ফুতাতসুও বুঝাই। ফুতাতসু মানেও ২, জানুয়ারী যেমন “ইচিগাতসু” ছিল তেমনি “নিগাতসু” মানে ফেব্রুয়ারী। ফেব্রুয়ারীর কানজি লিখার সময়ও “নি” এর কানজি ইউজ করা হয়।
এরকম ২ জাতীয় যতকিছু আছে সব জায়গায় এই কানজি ইউজ হয়। যেমন ফুতারি,নিবাই। “ফুতারি” মানে “two people”, “নিবাই” মানে “double”।
আর “নি” হিরাগানায় এমনে লিখে “に”

আর আমি আসলে তেমন কিছু জানিনা, ভুল হইলে সরি।

– অরিন শারমিন