এফ এ সি ১০ By Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

 তোকুসাত্সু

 

 

জাপানে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করে বানানো কাইজু মুভি (যারা প্যাসিফিক রিম দেখেছেন তাদের কাইজু সম্পর্কে আইডিয়া হয়ে যাবার কথা) বা সুপারহিরো শো(আল্ট্রাম্যান, কামেন রাইডার) ভীষণ রকম জনপ্রিয়। এই সুপারহিরো শোগুলোর লাইভ ভার্সন আনিমেতে প্রায়ই দেখা যায়।লাইভ অ্যাকশন হিরো শো গুলোর ফর্মুলা মোটামুটি একই, দর্শকসারি থেকে কয়েকটা বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া হয়, কয়েকজন অভিনেতা ভিলেনের কস্টিউম পরে আসে, সুন্দরী উপস্থাপিকা দর্শকদের আহ্বান জানায় হিরোকে ডাকার জন্য, এবং সাথেসাথেই হিরো হাজির হয়ে গিয়ে দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন করে।হিরো শো জাপানি সংস্কৃতির সাথে এমনই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।

১৯৭০ সালের একটা ক্লিপ পাওয়া যাবে এই লিঙ্কে গেলে। কামেন রাইডার এর জাম্পগুলো দারুন।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

 ডেট্রয়েট মেটাল সিটি(Detroit Metal City)

 

 

নেগিশি সোইচি – লাজুক, বিনয়ী, ভদ্র এক তরুণ, যে ভালবাসে রোমান্টিক সব গান, দু চোখ ভরা স্বপ্ন তার, সে হবে বড় মিউজিশিয়ান।

দ্বিতীয় জোহান্নেস ক্রোসার- নরক থেকে উঠে আসা ভয়াবহ সন্ত্রাসী, বিখ্যাত(এবং কুখ্যাত) মেটাল ব্যান্ড ডেট্রয়েট মেটাল সিটির গিটারিস্ট এবং ভোকালিস্ট।

কেমন হবে, যদি এই দুজন আসলে হয় একই ব্যক্তি?

 

 

কেন দেখবেনঃ অবশ্যই দেখবেন।

কেন দেখবেন না: অবশ্যই দেখবেন।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৩৭

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

 চায়না গার্ল(China Girl)

 

 

কামিজো হলো মিস্টার পারফেক্ট, অফিসের সব কাজ সে করছে নিপুণভাবে, মেয়েরা সবাই তার জন্য পাগল। কিন্তু কামিজো তার মন দিয়েছে একজনকেই, হঠাৎ একদিন রেস্টুরেন্টে দেখা ওয়েট্রেস জিয়াংলানকে। কিন্তু তাহলে কি হবে, জিয়াংলান কামিজোর সাথে রোমান্টিক সম্পর্ক গড়তে মতেই আগ্রহী না। কামিজো কি পারবে জিয়াংলানকে আপন করে পেতে? নাকি তার সব চেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে?

 

 

কেন পড়বেনঃ চমত্কার গল্প, আকর্ষনীয় উপস্থাপনা, আঁকাও বেশ ভালো। রোমান্টিক গল্পের ফ্যানদের ভালো লাগার কথা।

কেন পড়বেন নাঃ পুরোই রোমান্টিক ধাঁচের কাহিনী, ঠান্ডা মেজাজের, কাজেই যারা উত্তেজনা পছন্দ করেন মান্গাটা তাদের জন্য না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.০৭

আমার রেটিং ৮

 

Mahou Shoujo Madoka Magical : A personal Review by Nisharggo Niloy



[এটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত দৃষ্টিকোণ থেকে লেখা। নিরপেক্ষ সমালোচনা/রিভিউ ভাবলে ভুল হবে।]

Anime: Mahou Shoujo Madoka Magica
Type: Anime Television Series
Episodes: 12
Release: 2011
Director: Akiyuki Shinbo
Writer: Gen Urobuchi
MAL Rating: 8.68, Ranked:39
My Rating: 8.00, Ranked: 16
Plot: উইকিপিডিয়াঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Mahou_Shoujo_Madoka_Magica#Plot

ম্যাজিকাল গার্ল জাপানি অ্যানিমের বেশ পুরানো আর পপুলার জেনার।(আমি আসল ফ্রেঞ্চ উচ্চারণটা পারিনা/ করতে ভাল্লাগেনা) ম্যাজিকাল গার্ল অ্যানিমের ‘প্রোটোটাইপ’ হল ‘প্রিন্সেস নাইট’ নামের একটা মাঙ্গা, ১৯৫৩ সালে রিলিজ হয়। এরপরে ১৯৬১ সালে ‘হিমিৎসু নো আক্কো চান’ নামে একটা সিরিজ বের হতে শুরু করে রিবন [ http://en.wikipedia.org/wiki/Ribon ] ম্যাগাজিনে। এটাকেই সবচেয়ে পুরোনো ম্যাজিকাল গার্ল মাঙ্গা হিসেবে ধরা হয়। মেইনস্ট্রিম ম্যাজিকাল গার্ল অ্যানিম কিন্তু জাপানিদের পুরোপুরি নিজস্ব সৃষ্টি বলা যাবে না। সত্তরের দশকে অ্যামেরিকান ফ্যান্টাসি সিটকম ‘বিউইচড’ [ http://en.wikipedia.org/wiki/Bewitched ]এর জাপানি ডাব সেখানকার মেয়েদের মধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়। সেখান থেকে ইন্সপায়ার্ড হয়ে তৈরি করা হয় ‘মাহউৎসুকাই স্যালি’ [ http://en.wikipedia.org/wiki/Sally_the_Witch ], প্রথম ম্যাজিকাল গার্ল অ্যানিম।
এই ধরনের অ্যানিম সম্বন্ধে আমি খুব বেশি জানতাম না। পরে একটু আধটু জানার পরে আর দেখার ইচ্ছা হয় নাই। আমি বেশি ছোট থাকতেও মনে হয় দেখার ইচ্ছা হত না। এর থেকে আমাদের মীনা কার্টুন অনেক চিত্তাকর্ষক।

মাহউ শোজো মাদোকা ম্যাজিকা দেখতে হল আসলে এটা গেন উরোবুচির লেখা বলে। আর দশটা ম্যাজিকাল গার্ল অ্যানিমের মত হবে না এটা ধরেই নেওয়া যায়। গ্রুপে একদিন এটা কে যেন আমাকে সাজেস্ট করল। পিসিতে ছিল, দেখে ফেললাম। ব্যস, কাহিনী শেষ।
কাহিনী আসলে পুরাপুরি শেষ না, তাহলে আমি এইটা নিয়ে লিখতে বসতাম না। দেখার পরে মাথার ভিতরে বহুদিন ধরে ঘুরপাক খাচ্ছিল জিনিসটা।

উরোবুচির অ্যানিমের সাথে পরিচয় মূলত ফেট/জিরো দেখা দিয়ে। এই একটা দেখলেই মনে হয় চলে, উরোবুচির সম্বন্ধে ভাল ধারণা হয়ে যায়। উরোবুচির ট্রেডমার্ক দুইটাঃ এক. ডিস্টোপিয়া, দুই. ‘হার্ডকোর’ নিহিলিজম। আমার দেখা তিনটা অ্যানিমেই(Fate/Zero,Psycho-Pass, Madoka Magica) এই ধরনের প্যাটার্ন। ডেভিল উইদাউট ইভিল, সুপারহিউম্যান, অস্তিত্ববাদ– এসব কনসেপ্ট খুব ভালভাবেই উঠে এসেছে।

উরোবুচির এতকিছু থাকতে মাহউ শোজো নিয়ে লিখার কারণ হল এই অ্যানিমটা পুরাপুরি মডার্ণ ফিলোসফি নিয়ে করা। ম্যাজিকাল গার্ল কনসেপ্টটাকে বলা যায় একটা ক্যামোফ্লেজ। মূল থিম হল এক্সিস্টেশিয়াল নিহিলিজম [ http://en.wikipedia.org/wiki/Existential_nihilism ]. ঘটনা স্বাভাবিক জগতে শুরু হলেও এটা অ্যানিমের আসল জগতটা হল মাহউ শোজোদের জগত– ডিস্টোপিয়া তৈরির জন্য অসাধারণ আর চমকপ্রদ এক আইডিয়া।

অ্যানিমে দেখা যায়, মাদোকার ফেট বা নিয়তি হল তাকে একটা ম্যাজিকাল গার্ল হতেই হবে। অথচ এর জন্য সে নিজে দায়ী নয় কোনভাবেই। She has to suffer from choices not made by her. ম্যাজিকাল গার্লদের জগতের সাথে পরিচিত হবার সাথে সাথে সে জানতে পারে ম্যাজিকাল গার্ল হবার পরিণতি। তাদের একসময় রূপান্তরিত হতে হয় ডাইনিতে, যাদের বিরুদ্ধে লড়াই করাই হল ম্যাজিকাল গার্লদের জীবনের লক্ষ্য। তবে তাদের অস্তিত্ব, বা তাদের existence এর অর্থ কী? ধ্বংস অনিবার্য হলে অস্তিত্ব থাকাটা কি একদিক থেকে নিরর্থক হয়ে পড়ে না? অ্যানিমে মাদোকাকে বারবার দেখা যায় এই প্রশ্ন নিয়ে অন্তর্দ্বন্দ্বে লিপ্ত হতে।

ম্যাজিকাল গার্ল হওয়ার বদলে প্রত্যেক জাদুকরীকে একটা ইচ্ছাপূরণের সুযোগ দেওয়া হয়। কিন্তু মাদোকা একসময় বুঝতে পারে এই ইচ্ছার কোন মূল্য নেই, ম্যাজিকাল গার্লদের জগত আদতে একটা হেল। তাদের নিয়তি অবধারিত। এই ডিস্টোপিয়ায় নেই কোন কামি-সামা, যে তাদের রক্ষা করবে। অবশেষে মাদোকা বুঝতে পারে Gott ist tot, God is dead. And she killed Him herself. নিরর্থককে অর্থবহ করে তুলতে সে হয়তো মনে করেছিল কোন এক কামি-সামার কথা। সে হতে পারে ইনকিউবেটর, হতে পারে অন্য কেউ। কিন্তু অবধারিত ভাগ্যকে সে আর বদলাতে পারে না। তখন সে বুঝে যায় এই জগতে কোন কামি-সামা নেই। তবে তার অস্তিত্বের অর্থ কে দেবে? একটা রাস্তার কুকুর যেরকম কুকুর, বিড়াল যেরকম বিড়াল, ম্যাজিকাল গার্লও সেরকম ম্যাজিকাল গার্ল। এর আলাদা কোন বৈশিষ্ট্য নেই। তবে সে কী করতে পারে? অবশেষে মাদোকা বুঝতে পারে, যদি তার অস্তিত্বকে অর্থ দিতে হয়, তাকে হতে হবে অতিমানবীয়, Übermensch. সে তখন ইনকিউবেটরের সাথে কন্ট্রাক্ট করে, ইচ্ছাপূরণের মাধ্যমে নিজেকে করে তোলে অতিমানবীয় ম্যাজিকাল গার্ল, যেন সে নিজেই এখন মাহউ শোজো-দের কামি-সামা। শেষ পর্বে দেখা যায়, মাদোকা সমস্ত ম্যাজিকাল গার্লদের অবধারিত ফেট পরিবর্তন করে দেয় তার সুপারহিউমেন অ্যাবিলিটি দিয়ে। অবশ্য স্টোরিলাইন সেখানেই শেষ হয় নি। মাহউ শোজো মাদোকা ম্যাজিকা-র যে দুইটা নতুন ফিল্ম রিলিজ হয়েছে, সেগুলোতে সম্ভবত স্টোরিলাইন শেষ হয়েছে।

এছাড়া ছোটখাট যেসব ব্যাপার উল্লেখ করা যায়ঃ অ্যানিমের স্টোরিলাইন অনেক ভাল। সাউন্ডের কাজ ভাল। আকিয়ুকি শিনবোর ডিরেক্টিং অ্যানিমে যেমন একটা ‘typical girl-ish’ ভাব আনে, তেমনি একটা প্যারানরমাল আবহ তৈরি করে। মাদোকার মাহউ শোজো আউটফিটটা বেশ ভাল লেগেছে। মিকি সায়াকার শেষ দৃশ্যে কেন দ্বিতীয়বার মৃত্যু হয় সেটা বোঝা গেল না। আমার ধারণা সে স্বেচ্ছামৃত্যু বেছে নেয়। হোমুরা চরিত্রটা ছিল খুবই মানবিক।

আমার দেখা সবচেয়ে ভয়াবহ ডিস্টোপিয়া কোন অ্যানিম না, স্ট্যানলি কুব্রিকের ‘A Clockwork Orange’. ডিস্টোপিয়া হিসেবে তর্কসাপেক্ষে পরের পজিশনটা মাহউ শোজো মাদোকা ম্যাজিকা-কে দিতে পারি।

শেষ কথাঃ অনেকে হয়তো বলতে পারে একটা সহজ জিনিসকে আমি এরকম দাঁতভাঙ্গা ব্যাখ্যা কেন দিলাম? দেওয়াটা কতটা যুক্তিযুক্ত? হ্যাঁ, কেউ চাইলে সে সহজ একটা ব্যাখ্যা দিতে পারে। সেটা তার ইচ্ছা, তার ভাললাগার উপর নির্ভরশীল। আমার এইভাবে ব্যাখ্যা করতে ভাল লাগল, তাই এভাবে করলাম। সবকিছু যে একইরকম হতে হবে সেটা কে বলেছে? আমার ব্যাখ্যা কারো কাছে ভাল না-ও লাগতে পারে। খ্যাত-ও মনে হতে পারে। সেটা অস্বাভাবিক কিছু না। তবে বেশি প্রতিক্রিয়াশীলতা অস্বাভাবিক। সেটা ক্ষতিকর।
আসলে জীবনে এত ismএর হয়তো কোনই দরকার নাই। সহজ-সুন্দর করে চিন্তা করলে সেটা অনেক সুন্দর। একটা অ্যানিম দেখলাম। ভাল লাগলে হাসব। খারাপ লাগলে মন খারাপ করব, হয়তো একটু কাঁদব। তারপর রাস্তায় গিয়ে খানিক হাঁটাহাঁটি করব। চা-ওয়ালার চা বানানো দেখব। টুং টুং করে চলে যাওয়া রিক্সাটা দেখব। স্কুলফেরত বাচ্চাদের লাফাতে লাফেতে বাড়িফেরা দেখব। উউই বিলবোর্ডের উপরে দেখব হয়তো কাকদের সভা, কিংবা চড়ুই দম্পতির খুনসুটি। তারপর মন ভাল হয়ে গেলে একটা হাসি দিব। এই তো… সব জীবন সাতাশে শেষ হয়ে যাবে, এটা কি কোন কথা হল?

hokuto no ken : deadly killing technique Anime Review by মেঘময়

মনে করুন এমন এক martial artist এর দেখা পেলেন যার একটি আঙ্গুলের চাপে ভিলেনদের মাথা ঘার থেকে আলাদা হয়ে গেল এবং দেহের সব মাংসপেশি বিছিন্ন হয়ে মৃত্যুবরন করল, ঠিক এইরকম এক deadly killing technique এর গল্প নিয়েই আনিমে hokuto no ken.

 

      

                                         

গল্পের শুরু হয় পারমানবিক যুদ্ধে বিদ্ধস্ত এক পৃথিবী এর প্রেক্ষাপটে যেখানে টাকা মূল্যহীন, সোনা মূল্যহীন কিন্তু পানি হিরার চেও দামি। এই পানিকে পুজি করেই অসহায় মানুষ বেচে থাকতে পারে। এই পানিকে কেন্দ্র করেই গরে উঠে শোষণ আর নিপীড়ন। আর সেই সময় মানুষের সাহায্যে এগিয়ে আসে Kenshiro যে কিনা ২০০০ বছর পুরান মার্শাল আর্ট hokuto no ken এর উত্তরধিকারি। hokuto no ken technique এ শত্রু এর দেহের লুকান pressure point এ আঘাত করলেই শত্রু এর মৃত্যু অবধারিত।  kenshiro এর এই মিশন এ দেখা হয় অনেক মার্শাল আর্টিস্ট এর সঙ্গে। কেউ হয় বন্ধু কেউ আবার শত্রু। hokuto no ken কে বলা হয় the manliest anime তার কারন এর আর্ট। এইরকম আর্ট এখনকার আনিমে তে বিরল। শুধু action genre এর আনিমে বললে এর উপর অবিচার করা হবে কারন এই আনিমে তে comedy, supernatural phenomenon আর emotion এর কন অভাব নেই। প্রতিটা character এমন ভাবে সাজান হয়েছে যে সেগুলো আপনার মনে দাগ কাটবে। আর hero এর যদি sidekick না থাকে তবে কি গল্প জমে? এখানেও তার বাতিক্রম না। kenshiro এর সাথে সবসময় bart আর lyn নামের দুই কিশর কিশরি কে দেখবেন। যারা আপনার হাসির খোরাক জাগাবে।

                                                     

soundtrack এর কথা যদি বলি তাহলে কোন কথাই নেই। soundtrack গুলাও বলা যায় manly। সব soundtrack গুলাই awesome. উদাহরন স্বরূপ ১ম starting theme এর লিঙ্ক দিলাম চেখে দেখতে পারেন।

 

http://www.youtube.com/watch?v=VjHeTGtEgpg

 

80’s এর আনিমের যারা craze আছে তাদের জন্য আমি বলব “না খাইলে পস্তাইবেন” ।

 

                     

এক নজরে hokuto no ken

Japanese name: Hokuto no ken

English name: Fist of the north star

Episodes: 152( Season 1 and SEason 2)

Creator:Tetsuo Hara andBuronson.

Producer: Toei Animation. 1984

Mal Rating:8.12

MY rating: 9

Download link: http://chauthanh.info/anime/view/hokuto-no-ken.html Season 1

                      http://chauthanh.info/anime/view/hokuto-no-ken-2.html  Season 2

 

আশা করি আনিমেটি আপনাদের খুবই ভাল লাগবে। 

Paprika: review by Tariqul Islam Ponir

পাপরিকা মনে হয় না আমার টপ তেণ এ থাকবে। শুধু আনিমে ফিল্ম এর টপ টেন লিস্ট করা হলে থাকতে পারে। 

Paprika এর খাঁটি বাংলা হল গুড়া মরিচ বাট মরিচের ঝাল/স্পাইস কম (ইন্ডিয়ান রিজিওনে), স্পাইসি (অন্যান্য রিজিওনে)। 

আমি সিনেমাটা অনেক আগে দেখেছি (২০০৯ এ যতটুকু মনে পোড়ে)। স্টোরি তেমন মনে আসছে না, আপাতত। আমার কাছে মনে হয়েছে, পাপরিকাতে দেখানো হয়েছে, মানুষের ড্রিমগুলো যদি বাস্তব হওয়া শুরু করে তাহলে কি হতে পারে। যেমন, ডিসি মিনি বিজ্ঞানী দলের প্রধান/চিফ যখন আক্রান্ত হন, তখন তিনি বাচ্চাদের মত দৌড়াতে থাকেন। আর ডিসি মিনি এর আবিষ্কারক যখন আক্রান্ত হন, তখন তিনি একটা রোবোটে পরিণত হন। যখন ড্রিম আর রিয়েল ওয়ার্ল্ড একসাথে হয়ে যায় তখন সবার ড্রিমই একটা বাস্তব ম্যানিফেস্টেশন রূপে আসে। পাপরিকা যে কিনা ড্রিমে মানুষের ত্রানকর্তা এখানেও ত্রানকর্তা হিসেবেই আসে, আর সে চিবার অল্টার ইগো হওয়ায় চিবা এর থেকে পুরো আলাদা হয়ে যায়। তখন ডক্টর ওসানাই তার ফিলিংসকে আর অবদমিত করে রাখতে পারে না, তাই করতে চায় রেপ। চ্যায়ারম্যান বাস্তবে একটি বড় ফ্যাসিলিটির কর্তা, তার কথায় প্রজেক্ট বন্ধ হয়ে যায়, কিন্তু এতে সে খুশি নয়, তার আরো ক্ষমতা দরকার। তার ড্রিমের ম্যানিফেস্টেশনে সে পুর টোকিওকে গলে খেতে থাকে। আর অন্যান্য সবার ছোট ছোট ড্রিম মিলে এটা পরিণত হয় একটি প্যারেডে, যেখানে কোন বাঁধা নেই, তাই সেখানে থাকে ক্রিপি ডল, সেক্স এডিক্ট বা কোন ইনোসেন্ট ড্রিম। যেখানে পাপরিকা প্রটেক্টর হিসাবে নিজেই সবকিছু শুষে নেয়। কিন্তু তারপরেও প্রশ্ন থাকে, “What about the rest of it.” স্বপ্ন শেষ হবার নয়।

সবকিছু মিলে বেশ কালারফুল আর লাইভলি একটা ফিল্ম। সাতোশি কন মাস্টার। 

Anime: Paprika review by Nisharggo Niloy

[ এই লেখাটিকে আমার ব্যক্তিগত চিন্তাভাবনা বলে ধরে নিলে ভাল হবে। আমি অনেকটা নিজের মত করে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছি, কোন নিরপেক্ষ দৃষ্টিভঙ্গি থেকে না। এটাকে রিভিঊ অথবা ক্রিটিসিজম, কোনটাই বলা যাবে না। ]

Anime: Paprika
Type: Video Animation Film
Release: 2006
Director: Satoshi Kon
Based on: Yasutaka Tsutsui’s 1993 novel of the same name.
MAL Rating: 8.20/10.0, Ranked: 277
My Rating: 8.27/10.0, Ranked: 10
Plot: উইকিপিডিয়াঃ http://en.wikipedia.org/wiki/Paprika_(2006_film)#Plot

মজার ব্যাপার, পাপরিকার মূল থিমকে আমি এইভাবে ব্যাখ্যা করতে পারিঃ Paprika is a motion video artwork which has the aim to “resolve the previously contradictory conditions of dream and reality.” অর্থাৎ সাররিয়ালিজমের মূল চিন্তাধারাকেই চলচ্চিত্রের মধ্যে তুলে এনেছে পাপরিকা। সাতোশি কোন নিজে এই মুভি সম্বন্ধে বলেছেনঃ “Everything but the fundamental story was changed.” সুতরাং আমার মনে হয় ৎসুৎসুই ইয়াসুতাকার উপন্যাসটা না পড়েও আমি যদি শুধু কোনের মাস্টারপিস মুভি হিসেবে এটা নিয়ে ডিসকাস করতে যাই খুব বেশি ভুল হবে না।

সাদা চোখে দেখলে পাপরিকা একটা সায়েন্স ফিকশন, যেখানে স্বপ্নকে বাস্তবে তুলে আনার প্রচেষ্টায় যেসব অদ্ভূত ভয়াবহতার সৃষ্টি হয় সেগুলো তুলে ধরা হয়েছে। অন্যভাবে যদি দেখতে যাই, এখানে আমি অনেক কিছুই দেখতে পাই। পরাবাস্তবতাকে সাহিত্য এবং চিত্রকর্মে একটি শক্তিশালী বাদ বা ism হিসেবে দাঁড়া করানো গেছে। কিন্তু চলচ্চিত্রে? আমার জানামতে এরকম কোন বড় সাফল্য চলচ্চিত্রে আর্টিস্টরা পাননি। দালি তার জীবদ্দশায় ডিজনির সাথে এইধরনের একটা কিছু সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন ১৯৪৬ সালের দিকে। তবে তিনি সেটা দেখে যেতে পারেননি। অসম্পূর্ণ অবস্থায় দীর্ঘদিন পড়ে থাকার পর ২০০৩ সালে মুক্তি পায় “Destino”. [http://www.youtube.com/watch?v=1GFkN4deuZU ] প্রায় সমসাময়িক মুভি পাপরিকা (২০০৬), তবে পাপরিকা যেন পরাবাস্তবতাকে বাস্তবে নিয়ে আসার বিষয়টা বিস্তারিতভাবে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করেছে। পাপরিকায় প্রথম এই ব্যাপারটিই চোখে পড়ে।

আরো ভাল লাগে পাপরিকার মিউজিক। বিশেষভাবে, থিম সংয়ে ভোকালয়েডের ব্যবহার। মিউজিকটাও সাররিয়াল। একই সাথে অবাস্তব এবং সুন্দর।

ভিতরের দৃশ্যগুলোর মধ্যে ভাল লেগেছে পুতুলের মিছিল। দৃশ্যটা কেমন অশুভ, ভয় লাগে দেখলে। কিংবা বাস্তবের সাথে যখন আসলেই স্বপ্নগুলো মিশে যায়, তখন মানুষগুলোর ল্যাম্পপোস্ট, অদ্ভূত প্রাণী কিংবা খেলনা রোবট হয়ে নাচতে থাকা, দৃশ্যগুলোকে স্বপ্ন মনে হয় না।

আরো একটা চোখে পড়ার মত বিষয় হল রেফারেন্স। বহু ফিল্ম, আর্টওয়ার্ক, সাহিত্যকর্মের রেফারেন্স আছে। সাতোশি কোনের অন্যান্য মুভি গুলো- টোকিও গডফাদার, পারফেক্ট ব্লু; সফোক্লিসের ইদিপাস; দ্য গ্রেটেস্ট শো অন আর্থ, রোমান হলিডে; পিনোচ্চিও, অ্যান্ডারসেনের মারমেইড– আরো বহু রেফারেন্স। পুরাপুরি সবগুলো সিন বুঝতে হলে কমপক্ষে শখানেক জিনিসপাতি সম্বন্ধে ভাল জানতে হবে।

মুভির নাম কেন পাপরিকা, সেটা মুভির দুইটা কোটেশন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়ঃ
“That’s right, keep running. There are no boundaries to dreams.The spirit will be freed from the constraints of the body and gain limitless freedom. Including me! I will also be free!!”
“The one I’ve been waiting for since historic times! Your flute melody is a sound for sore neurons!…….. A fragrant fat is a first class lunch…. It needs a little more spice, maybe some paprika?”

শেষ দিকের দৃশ্যে যখন দানবীয় পাপরিকা/ড. আতসুকো শুষে খেয়ে ফেলে চেয়ারম্যানকে, সেই দৃশ্যটা ভাল লাগে। পুরুষতন্ত্রের প্রতি একটা বিদ্রূপ মনে হয় দৃশ্যটাকে। সেই সাথে কেন জানি আদি টাইটান, মাদার নেচার গায়া-র কথাও মনে পড়ে। অবশ্য র‍্যাডিকাল ফেমিনিজম দিয়েও ভাল ব্যাখ্যা করা যায় এটাকে।

একটা প্রশ্ন থাকে, ড. আতসুকো কেন স্বপ্নের মাঝে পাপরিকা হয়ে যান? তিনি ডিসি মিনি-র টেকনোলজিকে সাইকোথেরাপির কাজে ব্যবহার করেন কেন পাপরিকার রূপ নিয়ে? সেই রূপ কি আসলে তাকে একটু বেশি অতিমানবে পরিণত করে? পরাবাস্তবতায় তিনি নিজের অপূর্ণ আকাঙ্খাগুলো পূরণ করতে চান? সেই জগতের নিরর্থকতাকেও তিনি অর্থপূর্ণ করতে চান? এ প্রশ্নগুলো নীৎসের ‘উবেরমেনশ’ কনসেপ্টকেও খানিকটা টেনে আনে।

শেষ কথা, সালভাদর দালি, ম্যাক্স আর্ন্সট-রা যদি জীবদ্দশায় এই মুভিটা দেখে যেতেন তবে তাদের প্রতিক্রিয়া কী হত খুব জানার ইচ্ছা হয়। আর এই অ্যানিমটা যদি কারো টপ টেনের বাইরে থাকে, তবে তা শুধুমাত্র এর দুর্বোধ্যতার জন্যই। 

এটার মর্মার্থ যাদের মাথার দুই হাত, তিন হাত, মাইল খানেক/দুয়েক উপর দিয়ে যাবে তাদের জন্য রইল আমার সমবেদনা। তারা এক কাজ করতে পার, শান্তচিত্তে ও পবিত্র দেহে কঠোর যোগসাধনা করতে থাক। একসময় লাইটবাল্বের ন্যায় তোমাদের মাথার ভেতর আবির্ভূত হবে তান্ত্রিক তরিকা। সেই তরিকা দিয়ে সবই বোঝা যাবে।
আর যারা বুঝতে পারবে, তাদের মহান পরিণতির কথা ভেবে ডেডিকেট করছি এই গানটিঃ

https://www.youtube.com/watch?v=VLnWf1sQkjY

Legendary anime!!! slam dunk!! review by Monirul Islam Munna

 

সেমিস্টার ব্র্যাকের বন্ধটা এর চেয়ে ভালো ভাবে কাঁটাতে মনে হয় না পারতাম, যতটা ‘স্লাম ডাঙ্ক’ দেখে কেটেছে।!!  এমন একটা এনিমে, কোনটা ছেড়ে যে কোনটা যে আগে বলবো!!!

১৯৯৩ সালের এনিমে তাই animation বা গ্রাফিক্সের অনেক লো এক্সপেকটেশন নিয়েই দেখা শুরু করি, কিন্তু এতো পুরনো একটা এনিম দেখতে একদমই খারাপ লাগে নি। এমনকি কেউ এইরকম স্পোর্টস এনিমে প্রথম দেখলে গায়ের লোম খাঁড়া হয়ে যাবে নিশ্চিত!!! আমি নিজে ‘কুরকোনো নো বাসুকে’ আগে দেখছি বলে একটু আমার চোখে একশন একটু কম ফীল করসি, কিন্তু স্লাম ডাঙ্ক অনেক বেশী রিয়ালেস্তিক!!! গল্পের সব চেয়ে বড় কেন্দ্র বিন্দু ‘হানামিচি সাকুরাগি’ ফিজিক্যালই হয়তো অমানুষের মত শক্তিশালী সে, কিন্তু একজন শুন্য থেকে কীভাবে পূর্ণ বাস্কেট বল প্লেয়ার হয়ে উঠে খুব সুন্দর করে তুলে ধরছে এই এনিমে! তাই বলে বাকিরা যে কম তা কিন্তু না, মেইন ৫~৬ প্লেয়ারের এক জন থেকে একজন সেরা,সবাই নিজের দলগত ভূমিকায় সেইরকম পারদর্শী!!!! 

আরেকটা ব্যাপার যেটা ভালো লাগসে, যে বাস্কেট বল কিছুই বুঝে না তাদের জন্য ছোট খাটো ২-১ মিনিটের একটা পার্ট আছে, তাই এনিমে বুঝতে একদমই সমস্যা হয় না!!! 

এই এনিমেটাকে রেটিং দিতে গেলে অতিরিক্ত ১.৫ থেকে ২ পয়ন্ত মনে হয় এটার কমেডির জন্য। একটা এনিমে দেখে এতো হাসি নাই মনে হয় কোন দিন!!! মাঝে তো বাসায় পাগল হয়ে গেছে মা এটা কয়েকবার জিজ্ঞেস করসে!!  ফেসিয়াল এক্সপ্রেশন, চিবি গুলার এক্সপ্রেশন , অঙ্গ ভঙ্গি, বিভিন্ন সময় ব্যাক গ্রাউন্দ মিউজিক,আঞ্জাই সেন্সেইর হাসি(হ হ হ হ), রিয়োকোর ‘আয়া চান’ বলার স্টাইল, রুকাওার ‘দুয়াহ বলার ভঙ্গি’, গরিলার ঘুষি, কোনটা দেখে যে হাসি নাই, নিজেও জানি না!!!! যে কোন বয়সই, যে কারও ভালো লাগার মত একটা এনিমে!!! 

অনেকেই বলসে এই এনিমেটার ডাব অনেক ভালো, আবার অনেকেই সাব দেখার জন্য অনুরোধ করসে। প্রথমে ডাব দিয়েই শুরু করি, ডাব আসলেই ভালো কিন্তু সাবের ‘হানামিচি আর বাকিদের যা ভয়েস!!! অনেক বড় একটা মিস করতাম। অনেক অনেক ধন্যবাদ যারা আমাকে সাব দেখার জন্য এতবার বলছে  আর কেউ এনিমেটা দেখলে অবশ্যই সাব দেখবেন 

অনেক কিছুই বলার আছে, লিখলে হয়ত শেষ হবে না, তাই আর কিছু লিখলাম না  একটা এনিমে দেখার পর এতো ভালো লাগলে, দেখা সার্থক হয়।  টুপী খুলে সম্মান এই মাঙ্গাকা , যারা এনিমেসন বানাইসে, যারা ভইস একটর, যারা OST গুলা তৈরি করছে। স্যালুট সবাইকে!! বিশাল আরিগাত আমার পক্ষ থেকে 
#Legendary anime!!! slam dunk!! 
আমার রেটিং ৯!!! 

 

 

 

CLANNAD : Anime Review by SaZid D. SupTo

আমি কান্নাকাটির ব্যাপারে বেশ খারাপ! মুভি টুভি দেইখাও কান্না আসে নাহ! লাস্ট কোন মুভি দেখে কাঞ্ছিলাম ২ বছর আগে। মুভি দুইটা ছিল- ‘THE NOTEBOOK’ আর ‘A WALK TO REMEMBER’! সারাদিন বেশ হাসি! কিন্তু উল্টাটাও করতে মন চাইলো!
এমন সময় এক পোলা কইল- ‘ভাই CLANNAD দেখছেন? এইটা দেইখা আমি ৩ দিন কানছি’. আমি ভাবলাম পোলায় কয় কি?? এরপর একটা মেয়েও সেম কথা বলল-‘CLANNAD অসাধারণ। আমি ৪ দিন কাদছি’! আমি ভাবলাম-‘হোয়াট দ্যা হেল। চেক করে দেখি’!
দেখলাম ‘THE KING OF FEELS’ Jun Maeda লিখছে এই নোভেল! এই লোক অস্থির। এর আগেই তার ‘GRAVE OF THE FIREFLIES’ নামে একটা মুভি IMDB te TOP 50 or 60 এর মদ্ধে আসছে । ঠিক আছে। CHALLENGE ACCEPTED. দেখব কিন্তু কাদব নাহ

কি আর বলব। Clannad এর দুইটা সিরিজ। প্রথম টা ‘PROLOGUE’ বলা যায়। দ্বিতীয়টা ‘AFTER STORY’. আমার তো প্রথম টা দেইখাই চোখের কোনায় পানি দেখা গেল।
আর দ্বিতীয়টা টা দেখতে গিয়ে কয়বার কানলাম মনে নাই! পুরাই মাস্টারপিস! মানুষের ইমোশন নিয়ে খেলা করা ঐ বেটা অস্থির পারে। এর মিউসিক শুনলেই এখন আমার কান্না পায়। আর স্টোরি চিন্তা করলেই মাথা জ্বালা করে। এনিমে টার রেটিং 9.37 out of 10! একটুও বেশি নাহ!

একজন মানুষের বোরিং জীবন কিভাবে চেঞ্জ হয় জাস্ট একটা মাত্র ভালোবাসা থেকে! কিভাবে সবাইকে ভালোবাসা যায়। কিভাবে নিজের জীবন টা একজনের সাথে শুরু করে কঠিন সময় পার করতে হয়! আর কিভাবে প্রকৃতি হঠাত করেই নিষ্ঠুরভাবে সব ভালোবাসার জিনিস কেড়ে নেয় এইগুলাহ না দেখলে কিছুই বুঝতাম নাহ! এক একটা এপিসোড দেখতেছি আর হৃদয় ভেঙ্গে কান্না আসতেছে। একটুও বাড়ায় বলতেছি নাহ। একটু গুগুল সার্চ দিলেই পাওয়া যাবে এইটা কি জিনিস। কয় কোটি মানুষ এইটা দেখে কাদছে!! হ্যাপি এন্ডিং না দেখলে মইরাই যাইতাম মনে হয়।

১. মানুষ বড়ই একা! একা থাকতে থাকতে সে অন্নরকম হয়ে যায়! তাকে যারা ঠিক রাখতে পারে তারা হলো ভালোবাসার মানুষ! সেটা হতে পারে মা বাবা, বন্ধুরা, অথবা অন্য কেউ।
২. একজন বাবা মা সবসময় একজন সন্তান কে ভালোবাসে। যাই হোক না কেনো। তোমার বাবা মা এখন হয়ত জোয়ান আছে। কিন্তু কয়দিন পরে তারাও বৃদ্ধ হবে। তাই ভালোবাসো তাদের। কষ্ট দিও নাহ! তারা তাদের জীবন তোমার জন্যই উৎসর্গ করছে।

৩.ভালোবাসা হঠাত করেই হয়! যে তোমাকে ভালোবাসে তাকেই ভালোবাসো। যদি সে তোমাকে ভালোবাসে দেখবা জীবনটা সুন্দর হবে।

৪.যদিও এটা সম্পর্কে ধারণা নেই তবুও এটা দেখে যা শিখলাম তা হলো-‘ জীবনের সব থেকে সুখের মুহূর্ত হলো তোমার সন্তান আর ভালোবাসার মানুষ নিয়ে সুখে থাকা। একজন ছেলে একজন পুরুষে পরিনত হয় সেই মুহূর্তে যখন তার কোলে সন্তান আসে। তখন পুরা মানুষটাই পালটে যায়।

৫. আর এই এনিমে টার সবথেকে বড় শিক্ষা- ‘ সবাইকে ভালোবাসো। ভালোবাসা MIRACLE ঘটাতে পারে! —

Perfect blue : Anime Review by Torsha Fariha

কিরিগোয়ে মিমা। জাপানের খুব জনপ্রিয় এই পপ আইডল হঠাৎ করেই তার ক্যারিয়ার চেঞ্জ করে ফেলে। অ্যাকট্রেস হবার ধ্যানজ্ঞান নিয়ে সে একদম গোড়া থেকে আবার তার ইমেজ গড়া শুরু করে। কিন্তু মিষ্টি মিষ্টি হাসিখুশি কিশোরী পপ আইডল ইমেজ যেন তাকে ছেড়েই যায় না। তাই বাধ্য হয়েই সে একসময় একটি ড্রামাতে রেপ সীন করতে রাজি হয়।

এই দৃশ্যে অভিনয় করে মিমা রাতারাতি তার আগের খোলস ছেড়ে মিডিয়ার লাইম লাইটে চলে আসে। শুরু হতে থাকে একের পর এক ইন্টারভিউ আর ফটোশ্যুট। এর মাঝে কিছু ন্যুড পিকও থাকে যার কারণে দর্শকরা তাকে নতুন করে পরিণত মিমা হিসেবে ধীরে ধীরে গ্রহণ করতে থাকে।

কিন্তু এতে করে খুব বাজে একটা ইফেক্ট পড়ে মেয়েটার উপর। তার ভেতর অপরাধবোধ জন্ম নেয় এই ধরণের কাজের জন্য। মনের গভীরে সে অনুতপ্ত হতে থাকে কেন সে আইডল মডেল থেকে অ্যাকটিং এর দিকে পা বাড়ালো।

ঠিক সেই সময় মিমা ইন্টারনেটে খোঁজ পায় ‘মিমা’স বেডরুম’ নামে একটা রহস্যময় হোমপেইজের। যেখানে একটা অপশন থাকে ‘মিমা’স ডায়েরি’। সে অবাক হয়ে দেখে ঠিক সে যা যা করেছিল গতকাল, কিংবা আজকে সবই নিখুঁত করে লেখা সেখানে। এবং সেই রেপ সীনের পরের দিন থেকে সেই ডায়েরিতে বারবার লেখা ‘হেলপ মি’ , ‘আমার এই জগতে আসাই ঠিক হয় নি…’ , ‘আমি পপ আইকন হিসেবেই ভালো ছিলাম…’ ইত্যাদি কথাবার্তা। ঠিক মনের গভীরে মিমা যেই সব কথা ভাবছিল সেইগুলাই সেখানে লেখা…

এভাবে ওর মনের ভেতর দুটো সত্ত্বার টানাপড়েন চলতেই থাকে । একসময় মিমা তার চারপাশের বাস্তবতা আর কল্পনাকে এক করে ফেলে…

তার মনে হতে থাকে ঘুমের মধ্যে সে যে স্বপ্নটা দেখেছে কিংবা মিমা’স ডায়েরিতে যেসব কথা লেখা হতে থাকে প্রতিদিন হয়তো সেগুলোই সত্যি… আর তার রিয়েলিটি দিন দিন ধোঁয়াটে হতে থাকে…

মোটামুটি এই রকম একটা কাহিনী নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘পারফেক্ট ব্লু’ অ্যানিমেশন মুভিটা। জ্যাপ অ্যানিমেশন মুভির মধ্যে এই ধরণের আর্ট আমার খুব ভালো লাগে। কাহিনীটা একটু গ্লুমি বাট আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

 

http://www.youtube.com/watch?v=eN_XcMuvOz0

এফ এ সি ৯ By Farsim Ahmed

 

রান্ডম টপিক

ইয়ামাতো নাদেশিকো

 

 

কয়েকদিন আগে দ্য ওলভারিন মুভিটা দেখতে গিয়ে কিমোনো পরা তাও ওকামতোকে দেখে যে কথাটা মাথায় আসল, সেটা হচ্ছে ইয়ামাতো নাদেশিকো। এই টার্মটা মূলত ব্যবহার করা হয় সেসব জাপানি মহিলাকে বর্ণনা করতে, যারা হচ্ছে নারীত্বের শিখরে, অর্থাৎ অসাধারণ সুন্দরী, সব ধরনের আদব-কায়দা জানা, রুচিশীল, সংসার সামলাতে পটু, সেই সাথে ঘরের বাইরের কাজেও সিদ্ধহস্ত, অর্থাৎ, এরা হলো পারফেক্ট ওয়াইফু ম্যাটেরিয়াল।তবে এখনকার সময়ে এমন পারফেক্ট নারী রেয়ার, তাই জাপানেও এই টার্মটা তার প্রচলিত অর্থ হারিয়েছে। নাদেশিকো এখন জাপানি মহিলা ফুটবল টিমকে ডেসক্রাইব করতে ব্যবহার করা হয়।

বাংলাদেশে এরা আছে কিনা, সেই ব্যাপারে আমি নিশ্চিত নই। এই গ্রুপে কেউ থাকলে প্লিজ এই পোস্টে একটা কমেন্ট করে যাবেন।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

আরিয়া (Aria)

 

 

মিজুনাশি আকারি উন্ডিনে হিসেবে কাজ করে মঙ্গল গ্রহের নিও ভেনেজিয়া শহরের এক টুরিস্ট গাইড কোম্পানি আরিয়াতে। নিও-ভেনেজিয়া হচ্ছে পৃথিবীর ভেনিস নগরের রেপ্লিকা। নিও ভেনেজিয়ার নৈসর্গিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে আসে বহু পর্যটক, তাদের জন্য ট্যুর গাইড হিসেবে কাজ করে এই উন্ডিনেরা, গনদোলায় চড়িয়ে ঘুরিয়ে নিয়ে আসে পর্যটকদের। আরিয়া আনিমের গল্প এই আকারিকে ঘিরে, আকারির মেন্টর, তার বন্ধুদের সাথে সময় কাটানো, নিও ভেনেজিয়ার অধিবাসীদের সাথে আকারির ইন্টারঅ্যাকশন, এই হলো আরিয়ার মূল কাহিনী।

 

কেন দেখবেনঃ আরিয়া নিঃসন্দেহে পিউরেস্ট স্লাইস অব লাইফ আনিমেগুলোর মধ্যে অন্যতম সেরা, সেই সাথে এটা কামিং অব এইজ জনরাকেও কভার করে চমত্কারভাবে। চরিত্রগুলো এত আকর্ষনীয়, এদের সবাইকেই খুব আপন মনে হয়। ৩ সিজন দেখার ক্রম: অ্যানিমেশন, ন্যাচারাল, অরিজিনেশন।

 

কেন দেখবেন না:কোনো ধরনের উত্তেজনা নেই, স্লো পেসে কাহিনী এগিয়েছে, যেটা আনিমেটার জন্য জরুরী, কিন্তু শুধু অ্যাকশন আনিমে ফ্যান যারা তাদের সহ্য করার মত নয়।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯০+৮.৩৯+৮.৭৩

আমার রেটিং ৮+৮+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

চিকান ওতোকো (Chikan Otoko/Molester Man)

 

 

মলেস্টার ম্যান মহা সমস্যায় পড়ে গেল, যখন মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং তাকে স্টকার ভেবে ভুল বুঝলো। এরপর?টুচ্যানারে পোস্ট হওয়া এক সত্যি কাহিনী নিয়ে এই দৌজিন।

 

কেন পড়বেনঃবেশ ভালো কাহিনী, জায়গামত চমত্কার গ্যাগ এলিমেন্ট আছে, ফিনিশিংটাও ভালো।

 

কেন পড়বেন নাঃআর্ট খুব একটা সুবিধার না।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৮৯

আমার রেটিং ৮

Katanagatari : sort Review by Çärbonn Çhistý

 

শিকিজাকি কিকি, জাপানের একজন কিংবদন্তি সোর্ডস্মিথ, যিনি বারোটি পারফেক্টেড ডেভিয়ান্ট ব্লেড তৈরি করে গিয়েছেন! বহু বছর পর তার তৈরি করা এই ব্লেড সংগ্রহে নামলো শৌগান্তের স্ট্রাটেজিয়ান তোগামে এবং ইয়াসুরি শিচিকা, দ্যা সোর্ডম্যান হু ক্যান্ট ইউজ সোর্ডস! তাদের পথে বাধা হয়ে দাড়ালো সামুরাই, নিনজা, জলদস্যু, ডাকাত এবং তোগামের চিরশত্রু প্রিন্সেস হিতেই ও তার ডানহাত এমোনজায়মন! শেষ পর্যন্ত কি তোগামে আর শিচিকা পারবে সেই ব্লেডগুলো সংগ্রহ করতে? জানতে হলে আপনাকে দেখতে হবে কাতানাগাতারি নামের এ্যানিমেটি! এ্যাকশন, এ্যাডভেন্চার এবং কিছুটা মিস্ট্রি ধাচের এই এ্যানিমেটিতে মোট ১২টি পর্ব আছে! হাতে সময় থাকলে চলে যেতে পারেন তোগামের সাথে তলোয়ার সংগ্রহে! 

Cheerio! 

[একটা রিভিউ লেখার অপচেষ্টা! ভুল-ভ্রান্তি ক্ষমার চোখে দেইখেন!  ]