Arslan Senki (TV) [আনিমে রিভিউ] — Abdullah Ar Rayhan

 

~অ্যানিমে রিভিউ~

Anime Name: Arslan Senki (TV) AKA The Heroic Legend of Arslan
Genre: Action, Adventure, Drama, Fantasy, Historical, Supernatural
Episodes: 25
MAL Rating: 7.90

মুভি, বই, মাঙ্গা বা সিরিজ যা-ই বলুন বর্তমানে ফ্যান্টাসির জয়জয়কার। এ যেন আমাদের ছোটবেলার স্বপ্নকেই একের পর এক স্ক্রিনে রূপ দেয়া। রূপকথার গল্প পড়ে নিজেকে যেমন কল্পনা করতাম অজানা কোন এক রাজ্যের সর্বজয়ী প্রিন্স হিসেবে যে কিনা রাজ্য থেকে সব খারাপ দূর করবে, মানুষ যাকে হিরোর আসনে বসাবে। আরস্লান সেনকি সেরকমই একটি ফ্যান্টাসি সিরিজ যাতে দেখানো হয়েছে এক প্রিন্সের হিরো হয়ে ওঠার গল্প।

The Heroic Legend of Arslan হচ্ছে মূলত ইয়োশিকি তানাকা-র লেখা ফ্যান্টাসি নভেল সিরিজ যা পরে দুইবার মাঙ্গায় অ্যাডাপ্ট করা হয়। এর মধ্য থেকে হিরোমু আরাকাওয়া-র ইলাস্ট্রেট করা মাঙ্গা থেকে অ্যাডাপ্ট করা হয় ২৫ এপিসোডের আরস্লান সেনকি সিরিজটি।

প্লটঃ

মধ্যযুগের ঠিক আগেকার সময়। পূর্ব আর পশ্চিমের মধ্যবর্তী মহাদেশীয় হাইওয়ের পাশে আছে পার্স(Pars) নামের সম্পদশালী এক দেশ যা শাসন করেন প্রতাপশালী রাজা ৩য় অ্যান্ড্রাগোরাস। রাজ্যের একমাত্র প্রিন্স, আরস্লান, যে কিনা রাজার একমাত্র উত্তরাধিকারী, এ সিরিজের কেন্দ্রীয় চরিত্র। প্রিন্সের ১৪বছর বয়সে, পার্স ইরা ৩২০ সালে, শত্রুরাজ্য লুসিতানিয়ানদের সাথে এক রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে পরাজিত হয় রাজা অ্যান্ড্রাগোরাস। পার্স চলে যায় লুসিতানিয়ানদের দখলে। কি এমন হয়েছিল যার কারণে অজেয় পার্স সেনাবাহিনীর এ অসহায় আত্নসমর্পণ? দারিয়ুন, আরস্লানের সবচেয়ে বিশ্বস্ত রক্ষী ও সঙ্গী এবং এবং তার বন্ধু নারসাস যাত্রা করে এক অ্যাডভেঞ্চারে যার মূল লক্ষ্য হারানো রাজধানী পুনরুদ্ধার করা এবং ন্যায়ের শাসন প্রতিষ্ঠা করা। যাত্রার বিভিন্ন পর্যায়ে তাদের সাথে যুক্ত হয় আরো অনেকেই যারা ক্রমে আরস্লানের সবচেয়ে বিশ্বস্ত সহচরে পরিণত হয়। সামনে বাধা হয়ে আছে লুসিতানিয়ানরা আর সিলভার মাস্ক পরে থাকা রহস্যময় এক যুবক। ইতোমধ্যে আমাদের মনে প্রশ্ন জাগে, ‘শক্তিশালী বাধা উপেক্ষা করে রাজ্যোদ্ধার করতে পারবে কি আরস্লান ও তার সঙ্গীরা? পারলে কিভাবে? এ জন্য যে আর্মি লাগবে তা-ই বা কোথায় পাবে?

বুঝতেই পারছেন এটি যুদ্ধ আর রাজ্যজয়ের এক চিরাচরিত গল্প। এমন কিছুই নেই যা আমরা আগে কোথাও দেখিনি। কাহিনীর গতি শুরুতে বেশ ভাল হলেও মাঝে এসে এত ধীর হয়ে যায় যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আবার যখন শেষের দিকে এসে যুদ্ধের সময়গুলো দেখায় তখন বেশ ফাস্ট হয়ে যায় যে যুদ্ধের দৃশ্যগুলো ঠিক বুঝে ওঠা যায় না। তাছাড়া প্রায় সব জায়গায়ই নারসাস-কে এমন এক স্ট্র্যাটেজিস্ট হিসেবে দেখানো হয়েছে যার কিনা কখনো ভুল হতে পারে না। মূলত স্ট্র্যাটেজিগুলো খুবই সাধারণ মানের এবং কোন চমক জাগাতে পারেনি। খানিক অবাস্তবও। আরো যেটার অভাব অনুভব করেছি তা হল ইনটেনসিটি। আপনি যুদ্ধ, রাজ্য, বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে কিছু একটা দেখবেন আপনি একটা টানটান উত্তেজনা আশা করতেই পারেন। এছাড়াও গল্পের সাথে রাজনীতির যে ব্যাপারটা জড়িয়ে আছে তা সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে পারেনি বলেই আমি মনে করি। মনে হয়েছে কাহিনীর স্রোতটা মাঝে এসে কেমন যেন খেই হারিয়ে ফেলেছে। ছোটখাটো কিছু চমক অবশ্য আছে, তবে এগুলো আরো ভালভাবে দেখানো যেত পারতো বলে আমার বিশ্বাস।

আর্ট ও অ্যানিমেশনঃ

আর্ট আর অ্যানিমেশন এ সিরিজের সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। মাঙ্গার ডিজাইন করেছেন Fullmetal Alchemist আর Silver Spoon এর ইলাস্ট্রেটর হিরোমু আরাকাওয়া। সাথে প্রোডাকশনে ছিল Universal Studio-র জাপানি অঙ্গসংঠন। আর্ট ভালো হওয়াটা প্রত্যাশিতই ছিল। ইনডিভিজ্যুয়াল ফাইটগুলো খুব সুন্দর করে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। তবে যুদ্ধের দৃশ্যগুলো আরেকটু বেশি দেখালেই ভাল হত মনে হয়। তাছাড়া কিছু হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট দেখানো দরকার ছিল। যাই হোক, কিছু কিছু জায়গায় অ্যানিমেশন কোয়ালিটি একটু ফল্টার করলেও পুরো সিরিজের তুলনায় তা একেবারেই নগণ্য।

মিউজিক ও সাউন্ডঃ

Uverworld এর গাওয়া প্রথম ওপেনিং আর Eir Aoi এর গাওয়া এন্ডিং আমার বেশ পছন্দ হয়েছে। ২য় ওপেনিংটিও মোটামুটি কিন্তু এক্ষেত্রে এন্ডিংটা কেন যেন ভাল লাগেনি। সিরিজের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও ভাল করেছে। আর অ্যাকশন দৃশ্যগুলোর সাথে সাউন্ডের মেলবন্ধন বিশেষ করে যুদ্ধের ক্ষেত্রে যেভাবে করা হয়েছে তা প্রশংসনীয়।

চরিত্রায়নঃ

অগভীর চরিত্রায়ন এ অ্যানিমের আরেকটি দুর্বল দিক। মূল চরিত্র আরস্লানের চরিত্রায়নটা বেশ ভাল হলেও পার্শ্বচরিত্রগুলোর সেভাবে কোন গভীরতা দেখানো হয়নি। কেবল তাদের ভূমিকাটাই দেখানো হয়েছে। মাঝে কাহিনীকে টেনে লম্বা না বানিয়ে এ সময়টা চরিত্রায়নে ব্যয় করলে দুর্বুল স্টোরি সত্তেও খুব সুন্দর একটা অ্যানিমে হতে পারতো।

ওভারঅল, এটি কনভেনশনাল এক কাহিনী আর অসাধারণ CGI works এর সমন্বয়ে করা মোটামুটি দেখার মত একটি অ্যানিমে। রেট করলে আমি এটিকে দু’ভাবে রেট করব। এক, নিরপেক্ষ দৃষ্টিতে; দুই, পার্টিকুলারলি হিস্টোরিকাল আর ওয়ার ড্রামার ভক্ত হিসেবে।

নিরপেক্ষঃ ৬.৫/১০
বায়াসডঃ ৮/১০ (অর্থাৎ আপনি ‘বিশেষভাবে এ জনরার’ অ্যানিমের ভক্ত হলে নির্দ্বিধায় দেখে ফেলুন।)

পরিশেষে, আশা করি Season-2 তে ভুলগুলো শুধরিয়ে আমাদের ক্লাসিক একটা ওয়ার ড্রামা উপহার দেবে।

Arslan Senki (TV) AKA The Heroic Legend of Arslan

Gyo [মাঙ্গা রিভিউ] — Rumman Raihan

সমুদ্রের তলদেশে লুকিয়ে আছে কত প্রাণী, কত উদ্ভিদ, কত কালের হারানো রহস্য। সাগর যা ছিনিয়ে নেয় তা কখনো ফিরিয়ে দেয় না। ডুবে যাওয়া জাহাজ তীরে আসে না। আসে চার পা ওয়ালা মাছ, হাঙর, অক্টোপাস, তিমি, ইত্যাদি…
কি? কিছু ভুল বললাম নাকি?

>মাঙ্গা রিভিউ<
_______

“গিয়ো” মাঙ্গাটির মাঙ্গাকা হলেন জুনজি ইতো। গল্পেটির মূল চরিত্র তাদাশি নামের এক যুবক। গ্রীষ্মের ছুটিতে তাদাশি তার গার্লফ্রেন্ড কাওরি কে সঙ্গে নিয়ে অকিনাওয়া সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়েছে। তার আঙ্কেলের অনেক প্রাচুর্য আছে এখানে। হলিডে কাটানোর সামার হাউজ, আর বোটে করে সমুদ্রে স্কুবা ডাইভিং এসব নিয়ে তাদাশির সময় ভালোই কাটছিল। কিন্তু, কাওরি মোটেও স্বস্তি বোধ করছে না। সে সাগরের গন্ধ, তীরে মাছের বাজারের ঘ্রাণ একদম সহ্য করতে পারে না। কাওরির ঘ্রাণশক্তি প্রখর। এমনকি তাদাশির মুখের গন্ধ নিয়েও অভিযোগ করে সে। এ নিয়ে দুজনের মাঝে মনমালিন্যও হয়। তা, এই কাওরি হটাত খুব তীব্র পচা গন্ধ পেতে লাগল। ঘরের মাঝেই কোথা থেকে গন্ধ টা আসছে, যেন কোনো মৃতদেহের পচা গন্ধ। গন্ধের উৎস বের করতে গিয়ে তারা আবিষ্কার করলো অবিশ্বাস্য এক জিনিস এর। জিনিষটা কিলবিল করে খুব তারাতারি ঘরের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে দৌড়ে ছুটে যায়। একটি চার পা ওয়ালা মাছ, তার মাকড়শার মত পাগুলোর নিচ দিয়ে বেরিয়ে আছে দু-তিনটি শুঁড়।

পরদিন তাদাশি দেখতে পেলো বাড়ির বাইরে একটা বিশাল শার্ক লোহার মত বড় পা দিয়ে হেঁটে যাচ্ছে। কাওরির চিৎকারে হিংস্র শার্কটি তেড়ে আসে তাদের দিকে। এদিকে অকিনাওয়ার সমুদ্র তীরের সব মাছগুলো এভাবে উঠে আসছে মাটিতে। কিলবিল করে দ্রুত গতিতে হাজার হাজার সামুদ্রিক প্রাণী মানুষের লোকালয়ে হামলা চালাচ্ছে। পুলিশের ব্যারিকেড ও আটকাতে পারছেনা মাছের আক্রমণ।

শুনতে যেমন অদ্ভুত লাগছে, মাঙ্গাটি পড়তে গেলে তার চেয়েও উদ্ভট লাগবে। মাঙ্গার প্যানেলে প্যানেলে বিদঘুটে আর কিম্ভুতকিমাকার প্রাণীগুলোর অংকনে আশ্চর্য হতে হয়। কুৎসিত দৃশ্যগুলোর ডিটেইলস এ একটুও কমতি পরেনি। মাঙ্গাটির চরিত্রগুলি সাদামাটা। তাদাশি চরিত্রটির প্রতি সহানুভুতি থাকলেও, কাওরি চরিত্রটি আমার কাছে খুব একটা আকর্ষণীয় লাগে নি। কিন্তু কাওরিকেই গল্পে সবচেয়ে বেশি ভুগতে হয়েছে। এর চাইতে তাদাশির আঙ্কেলের চরিত্র ডক্টর কায়ানাগি, একজন ম্যাড সায়েন্টিস্ট হিসেবে ভালোই ফুটে উঠেছে।

২ ভলিয়মের এই মাঙ্গাটিতে বিশেষ যেই ত্রুটি রয়েছে তা হল গল্পের প্রথমে সায়েন্স ফিকশন দিয়ে ঘটনাক্রমের বিস্লেশন করা হয়েছে। কিন্তু শেষের অংশে মাঙ্গাকা সেই বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনির সাথে অতিপ্রাকিতিক উপাদান জুড়ে দিয়েছেন। এবং গল্পে মাছগুলোর এই আচরণের ব্যাখ্যাটি এমন ভাবে দেয়া হয়েছে যে, এটি গোপন রাখলেই গল্পের সাসপেন্স টিকে থাকত। মাঙ্গার শেষ ভাগে সার্কাসের একটি দৃশ্য আছে যেটি কিনা গল্পের সাথে খুবই বেমানান লেগেছে আমার কাছে।

এছাড়া মাঙ্গাটিতে তেমন কোনো ত্রুটি খুঁজে পাইনি। “উজুমাকি” মাঙ্গাতে যেমন রহস্য উদ্ঘাটনের আবহ ছিল, ক্লাইম্যাক্স ছিল, এখানে সেরকম না থাকলেও, এখানে যেসব চিত্র দেখানো হয়েছে তা দেখে অস্বস্তি লাগবে। যাকে বলে সুন্দর বীভৎসতা। আমি একজনকে বলতে শুনেছি যে, “আপনি কি কখনো গন্ধ চোখে দেখেছেন? এই মাঙ্গাতে গন্ধ দেখা যাবে।” এবং সত্যিই তাই। মাঙ্গাটি অত বড় না। এক বসাতেই পড়ে শেষ করতে পারবেন। তবে পড়ার সময় কিছু খেতে বসবেন না কিন্তু।

মাঙ্গাটির ২ ভলিয়মের শেষে একটি করে ওয়ানশট মাঙ্গা আছে। প্রথমটির নাম “দা স্যাড টেল অফ দা প্রিন্সিপাল পোষ্ট”, গল্পটি হরর কমেডি বলতে পারেন। দ্বিতীয় গল্পটির নাম “দা এনিগমা অফ আমিগারা ফল্ট”, এখানে জুনজি ইতোর ঠিক আগেকার মত আদিভৌতিক আবহ পাওয়া যাবে।

গিয়ো মাঙ্গাটি একবার পড়েছি। আবার পড়তে চাইনা। এক্কেবারে খাপছাড়া দুঃস্বপ্নের মত বলতে পারেন। গিয়োর উপর ভিত্তি করে একটি এনিমে তৈরি হয়েছে। তবে এনিমেটাতে মাঙ্গার কাহিনী বদলে দেয়া হয়েছে এবং (আমার মতে) মাঙ্গার মতন বীভৎসতা ফুটে উঠেনি।

Name: Gyo
Alternative Name: Gyo: The Death-Stench Creeps, Gyo Ugomeku Bukimi
Art & Story: Junji Ito
Genre: Horror, Sci-fi, Supernatural, Psychological, Seinen, Tragedy, Mystery, Drama.
Volumes: 2
Chapters: 20 + 2 oneshots
Status: Completed
Published: Feb 28, 2002 to May 30, 2002
MAL score: 7.38Gyo

Jigokusei Remina [মাঙ্গা রিভিউ] — Rumman Raihan

শুধু হরর আর সায়েন্স ফিকশান বললেই চলে না। “জিগোকুসেই রেমিনা” মাঙ্গাটির বিশেষ বৈশিষ্ট্য বা জনরা হিসেবে বলা যায় স্বয়ং মাঙ্গাকার নাম, জুনজি ইতো। মুহম্মদ জাফর ইকবাল এর “ট্রাইটন একটি গ্রহের নাম” বা “অন্ধকারের গ্রহ” পড়েছেন? তাহলে এই গল্পের কাহিনী বুঝতে বেশি অসুবিধা হবে না।

পৃথিবী থেকে বহু আলোকবর্ষ দূরে এক ওয়ার্মহোল এর ভেতর দিয়ে কিছু একটা এই মহাজগতে প্রবেশ করেছে। অন্য ডাইমেনশন এর জগত থেকে আসা এটি এক নক্ষত্র যা কিনা পদার্থবিজ্ঞান অথবা মহাকাশবিজ্ঞানের যেকোনো নিয়মের বাইরে আচরন করছে। এমনকি এই নক্ষত্র অনেক দূরের গ্যালাক্সির গ্রহ গিলে ফেলছে। পৃথিবীর এক মহকাশবিজ্ঞানী এই আজব নক্ষত্রের আবিষ্কার করেন। নিজের একমাত্র মেয়ের নামে এই নক্ষত্রের নাম দিলেন “লেমিনা”… থুক্কু… “রেমিনা”।

নরক-নক্ষত্র রেমিনা অসম্ভব গতিতে ধেয়ে আসছে সৌরজগৎ এর দিকে। না, এ কোনো নক্ষত্র নয়, নয় গ্রহ। এ এক জীবন্ত প্রাণী।

পৃথিবী ধ্বংস হবার ঠিক আগে দুনিয়া জুড়ে মানুষ উন্মাদ হয়ে গেল। তাদের অস্তিত্ব মুছে যাবে মহাজগতের পৃষ্ঠা থেকে। কিন্তু এর জন্য দায়ী কে? না, এখনো সময়ে ফুরায়নি। সেই দায়ী মানুষটিকে উৎসর্গ করতে হবে। রেমিনা নামের ডাইনীকে হত্যা করে রেমিনা নামের জিন্দা নক্ষত্র কে তুষ্ট করতে হবে। শহর এর সব লোক তাই রেমিনাকে শিকার করতে বেরিয়ে পরল।
রেমিনা কি আসলেই পৃথিবীর এই দুর্ভাগ্যের রচয়িতা?

বাঁধছাড়া কল্পনার এক অদ্ভুত গল্প হল্ জিগোকুসেই রেমিনা। মাঙ্গার পাতাতে আঁকা কেয়ামতের দুঃস্বপ্ন!

জিগোকুসেই রেমিনার পর একই মাঙ্গাতে আছে একটি ওয়ানশট, “আর্মি অফ ওয়ান”।

Name: Jigokusei Remina
Alternative Name: Jigokusei Lemina, Hellstar Remina, Hellstar Lemina, Army of one.
Art & Story : Junji Itou
Genre: Horror, Sci-fi, Psychological, Mystery, Seinen, Tragedy, Drama
Chapters: 6 + 1 oneshot
Status: Completed
Published: Aug 16, 2005

Jigokusei Remina

Ashita Dorobou [মাঙ্গা রিভিউ] — শাহরিয়ার শুভ

Manga: Ashita Dorobou
Other name: 再見明日; 明日泥棒; Ashita’s Thief; Tomorrow’s Thief
Genres: Action, Drama, Mature, Romance, Seinen, Supernatural
Author: Hokazono Masaya, Betten Court
Status: Completed

Summary: গল্পের নায়ক,কিয়শি মিয়াসাকো একটা সফটওয়্যার কোম্পানিতে চাকরি করে। সারাক্ষণ নিজেকে কাজের মধ্যে ডুবিয়ে রাখে।এমনকি কাজের জন্য প্রায়ই অফিসে রাত কাটায়। নিজেও জানেনা কেন সে নিজেকে সারাক্ষণ কাজে ব্যাস্ত রাখে, কিন্তু সে সবসময় তার Ex-Girlfriend কথা চিন্তা করে এবং তাকে অনেক মিস করে। কিয়শির GF আশিতার সাথে কিয়শির নয়বছর আগে Break Up হয় আশিতার হবির কারনে। কিন্তু নয় বছর হয়ে যাবার পরও আশিতাকে ভুলতে পারেনা। আশিতাকে আরেকবার দেখতে চায় ক্ষমা চাওয়ার জন্য।
হঠাৎ একদিন আকাশে একটা অলক্ষুনে রহস্যময় বলয় উদয় হয়। সেই অলক্ষুনে রহস্যময় বলয় থেকে আশিতার আবর্তন ঘটে এবং সেখান
থেকেই কিয়শির জীবন বদলাতে শুরু হয়।

ভাল ছিল মাঙ্গাটা 😀 অনেকদিন পর ভাল একটা রোমান্স মাঙ্গা পড়লাম।
বাট পুরা কাহিনীটাই নাইকার জন্য হইছে! আগে জানতাম Yandere নাইকাগুলাই বেশি ঝামেলা পাকাইতো। বাট Tsundere নাইকাও যে এইরকম ঝামেলা করতে পারে জানতাম না । এর থেকে বেশি বললে স্পয়লার হয়ে যাবে। তাই পড়ে দেখতে পারেন। বেশি বড় না মাঙ্গাটা। মাত্র ৩১টা চ্যাপ্টার 😀 পড়ার পর সময় নষ্ট হবে না এইটার গ্যারান্টি দিতে পারি 😀

My Rating:
for storyline:5.5/10
for Romance: 9/10
for feelings: 7/10
overall rating: 7.5/10

ashita dorobou

Behind the Voices – 03

তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া

ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্র কম বেশি সবার-ই ভালো লাগে আর এক অসাধারণ ব্যক্তিত্বসম্পন্ন চরিত্রের আকর্ষণীয় দিকগুলার একটি হল তার কণ্ঠ। এই সকল চরিত্রের ক্ষেত্রে সেরা কণ্ঠ দিতে পারেন এমন একজন হল তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া। অনেক অসাধারণ এবং গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি, এর মধ্যে বলতে পারেন আনিমে জগত-এর দুই জনপ্রিয় শৌনেন হিরো নারুতো উজুমাকি এবং কুরোসাকি ইচিগোর পিতা মিনাতো এবং ইশ্শিন এই দুইটি চরিত্র।

তিনি অনেক ভালো লাগার মত চরিত্রের কণ্ঠ অভিনেতা এবং আমার কাছে তার যে সকল রোল ভালো লেগেছে তা হল ইনু ইয়াশার নারাকু, ডি.গ্রে-ম্যানের টিকি মিক, নারুতোর মিনাতো এবং কিমিমারো, ব্লিচে তৌসেন এবং ইশ্শিন, বার্যার্কের গ্রিফ্ফিথ ( অবশ্য মুভিগুলোতে তিনি চরিত্রটির কণ্ঠ-অভিনেতা ছিলেন না ), ব্ল্যাক ল্যাগুনের চ্যাঙ, সেঙ্গোকু বাসারার কৌজিরো। এছাড়া দেখতেই পাচ্ছেন আরও কত চরিত্রের কণ্ঠ তিনি দিয়েছেন।

তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া

তার আনিমে ওএসটিতে তুলনামুলকভাবে কম কাজ আছে। এছাড়া তার সফলতা সুধু আনিমের চরিত্রের মধ্য দিয়েই নয় বরং গেম এবং হলিউড মুভির জাপানি ডাব-এও তার বড় রোল আছে।

তার জন্ম ১৯৬৭ সালের ২৬ জানুয়ারি। সে Axl One এই সেইয়ূ অ্যাজেন্সীর প্রতিষ্ঠাতা, এই অ্যাজেন্সির অংশ জুন ফুকুয়ামা, সাতোশি হিনো, নোরিয়াকি সুগিয়ামা, তাচিবানা শিন্নোসকে, নাকামুরা চিয়ে, কোশিমিজু আমি এদের মত নামকরা কণ্ঠ অভিনেতা-অভিনেত্রী । শুধু তাই নয় তিনি সেকি তোমোকাজু, কোনিশি কাৎসুইয়ুকি এবং হিরাকাওয়া দাইসকে এই ৩ জন দক্ষ কণ্ঠ-অভিনেতাদের পর্যন্ত প্রশিক্ষন দিয়েছেন। ১৯৯২ সালে তার অভিষেক এবং আজকে সফল কণ্ঠ অভিনেতাদের মধ্যে তিনি একজন।

তোশিয়ুকি মোরিকাওয়া 2

আসুমি কানা
 
আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে অনেক ব্যাতিক্রম কণ্ঠের অধিকারী কণ্ঠ অভিনেত্রী আছে,যাদের রোলও অনেক কিন্তু জনপ্রিয়তা কম। তাদের মধ্যে একজন আসুমি কানা। এক অনন্য কণ্ঠ দিয়ে অনেক অসধারণ চরিত্রদের তুলে ধরায় সক্ষম তিনি। তার কণ্ঠটা বেশ প্রাণবন্ত এবং সাধারণ মোএ আনিমের চরিত্রগুলার জন্য মানানসই। তবে কিছু সিরিয়াস চরিত্র সে অনেক ভালো ভাবেও তুলে ধরেছেন।
তার যে সকল রোল আমার কাছে খুব অসাধারণ লেগেছে তা ওয়ার্কিং-এর তানেশিমা পোপুরা, নিসেকোই-এর তাচিবানা মারিকা, কামি নোমি যো শিরু সেকাইয়ের চিহিরো এবং হানামোনোগাতারির নুমাচি রিয়োকা। তার আরো কিছু রোল অনেক ভালো লেগেছে সেগুলা হল মেকাকুসিটি অ্যাক্টর্সের এনে, হাইয়োরে নিয়ারুকো-সানের নিয়ারুকো, গুরেন লাগানের কিয়াল, ইয়ামা নো সুসুমেতে হিনাতা, মেইড সামার হোনোকা, ক্যাম্পফারের মিকোতো, নুরারিহিয়নের মাকি, রিয়ুগাজৌ নানানা নো মাইযৌকিনের ইক্কিউ তেনসাই এবং আরো অনেকে। তার আরো অনেক ভালো রোল আছে,যার মাঝে আপনার কোন পছন্দের চরিত্রকেও পেতে পারেন ।
আসুমি কানা 1
আনিমের ওএসটিতেও তার কাজ আছে। ওয়ার্কিং, হাইয়োরে নিয়ারুকো-সান, নিসেকোই, কামি নোমি যো শিরু সেকাই, বুসৌ শিঙ্কি, হিদামারি স্কেচ এই আনিমেগুলার ওপেনিং-এন্ডিং এ তার কাজ আছে। এছাড়া কামি নোমির তৃতীয় সিজন মেগামি আর্কের শেষে স্কুল ফেস্টের শেষে চিহিরো তার ব্যান্ডের সাথে গায়,’হাজিমেতে কোই য়ো শিতা কিয়োকু’ এই গানটা আমার বেশ ভালো লেগেছে (https://goo.gl/KkZg0j) ।
আগস্ট ১২,১৯৮৩ সালে তার জন্ম। সবার কাছে কানা আসুমি হিসেবে পরিচিত হলেও জন্মগত নাম কানা হারাদা। তিনি বিবাহিত এবং বিয়ে করেছেন জানুয়ারি,২০১৪ সালে। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত ৭ম সেইয়ূ অ্যাওয়ার্ডসে তিনি ‘Best Lead Actress’ খেতাব জিতেছিলেন। তার কণ্ঠ অভিনয় আমার বরাবর-ই ভালো লাগে এবং চাই যাতে সামনেও সে আরো ভালো ভালো চরিত্র পাবেন।
আসুমি কানা 2

Movie Time With Yami – 65

8202163_orig

Name: Persona 3 Movie 2: Midsummer Knight’s Dream
Duration: 1 hr. 38 min.
MAL Score: 8.05
Ranked: 466
Genres: Action, Fantasy, Seinen, Supernatural

ডার্ক আওয়ারের ছায়ায় ঘুরে বেড়ানো ভয়ানক দানবগুলোর সাথে লড়াই করার মাধ্যমে জীবনে এগিয়ে যাওয়ার স্পৃহা খুঁজে পায় ইউকি মাকোতো। কিন্তু এই ডার্ক আওয়ারের পেছনের রহস্যটা কি? কিভাবে উদ্ভব হল এই আওয়ারের? পার্সোনা ইউজাররা একসময় জানতে পারে সেই রহস্যের কথা, এবং সেইসাথে এই সময়টা বিনাশ করার উপায়। কিন্তু সত্যিই কি এই আওয়ারকে ধ্বংস করা সম্ভব? পার্সোনা ইউজারদের সবারই কি একই লক্ষ্য, যে লক্ষ্যের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে রয়েছে তাদের ক্ষমতা হারানোর সমূহ সম্ভাবনা?

মুভিটি স্প্রিং অফ বার্থ মুভিটির সিক্যুয়াল, এটি আগের মুভিটির কাহিনী খুব ভালভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়। এখানে আর্টওয়ার্ক অনেক ইম্প্রুভ করেছে, ডার্ক শেডের মাঝে মাঝে কড়া রঙের ব্যবহারে যে কন্ট্রাস্টটা এসেছে সেটা অনেক নজরকাড়া ছিল। ব্যাকগ্রাউন্ড সাউন্ড ভাল ছিল, মুভির থিমের সাথে মানানসই। এই মুভিটিতে আগেরটির তুলনায় ফাইট একটু কম, এখানে মূলত রহস্যের ব্যাখার দিকে বেশি জোর দেয়া হয়েছে। পার্সোনা ইউজারদের নিজেদের মধ্যেকার সংঘাত এবং কনফিউশনটা খুব ভালভাবে দেখানো হয়েছে।

সবমিলিয়ে সিক্যুয়াল মুভি হিসেবে এটি আমার খুব ভাল লেগেছে, তাই আমি সাজেস্ট করব পার্সোনা সিরিজের দুটো মুভিই দেখে ফেলতে।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/…/Persona-3-the-Movie-2-Midsummer…

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Kyoukai no Kanata রিভিউ — Maruf Raihan

KyoAni শব্দটির সাথে কমবেশি আমরা অনেক এনিমখোরই পরিচিত। যাদের জানা নেই তাদের জন্য বলে রাখা ভালো – ‘KyoAni’ মূলত ‘Kyoto Animation’ স্টুডিও এর সংক্ষিপ্ত রূপ। KyoAni এর অনন্য কাজ নিয়ে আজকে আলোচনা করা যাক।

“Kyoukai no Kanata” ১২ এপিসোডের একটি এনিমে,যা আর পাঁচটা শর্ট লেন্থ এনিমের মত আপনার স্মৃতির এলবামের পিছনের দিকে ঢাকা পড়ে যাবার মত নয়। ভালো গ্রাফিক্স,খুব মনোরঞ্জক কিছু চরিত্র,উপস্থাপনা ও ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, অসাধারণ OST এর কারণে যারা দেখেছেন তাদের অনেকেরই পছন্দের প্রথম সারিতে এনিমেটি রয়েছে বলে আমার বিশ্বাস।

এনিমে: Kyoukai no Kanata (Beyond The Horizon)

এপিসোড : ১২

জেনরা: ফ্যান্টাসি,স্লাইস অফ লাইফ,সুপারন্যাচারাল

স্টুডিও ও প্রযোজনা: কিয়োতো এনিমেশন, পনি ক্যানিয়ন, টিবিএস

লাইট নোভেল রচয়িতা : নাগোমু টেরি

এনিমে পরিচালনা: টাইচি ইশিদাতে

Kyoukai no Kanata 1

প্রথমত,এনিমেটা দেখা শুরু করলে প্রথমে একটু কৌতূহল জাগবে। এক মেয়েকে ছাদ থেকে লাফিয়ে আত্নহত্যা হতে বাঁচাতে এগিয়ে গেল এক ছেলে,অথচ সেই মেয়েই কিনা ছেলেটার বুকে ছুরি ঢুকিয়ে দিল। মানুষের ভাবনা ও চিন্তাশক্তি এসকল অস্বাভাবিক
ঘটনার প্রতি সংবেদনশীল।তাই নিছক আগ্রহ নিয়ে ঘটনাটা কী- সেটা দেখার জন্য হলেও অজান্তেই দেখা শুরু করে দিতে পারেন এনিমেটা ।

প্রথমে কোন পরিচিতিমুলক অংশ নেই।যেমন-বিশেষভাবে চরিত্র পরিচিতি,সুপারন্যাচারাল পাওয়ার গুলোর সংজ্ঞা ,প্লটটার ভিত্তি ইয়াদি আলাদা করে দেখানো হয়নি।এজন্যই অনেকের কাছে প্রথম প্রথম কিছুটা বিরক্তিকর বা বিব্রতকর লাগতে পারে।
“আরে ভাই দেখা শুরু করলাম,বলা নেই কওয়া নেই,স্পীরিট হান্টার,Youmu,এগুলা কী?!” আমার ক্ষেত্রেও তেমনটা ঘটেছিল। তবে মজার বিষয় হল এই যে, ধৈর্য সহকারে দেখতে থাকলে নিজেই এগুলোর মানে বুঝে নিতে পারবেন,যা আরো বেশি
আনন্দদায়ক হবে।

চরিত্রগুলার কথায় আসা যাক।যারা এনিমেটি দেখেননি,তারাও বিভিন্ন ওয়েবসাইট,গ্রুপ ও ব্লগে লাল ফ্রেমের বাদামী চশমা পড়া ভারী কাওয়াই একটা এনিমে ক্যারেক্টারের ছবি হয়ত দেখে থাকবেন।অধিকাংশ রোমান্টিক AMV তেও তার উপস্থিতি দেখা যায়।
সে আর কেউ নয়, KnK এর কুরিয়ামা মিরাই। আমার দেখা সেরা Female ক্যারেক্টারগুলার মধ্যে অন্যতম।তার চশমা পরা অবস্থায় মুখের হাসি কোন অংশে লিওনার্দো দ্যা ভিঞ্ছির মোনালিসার হাসির চেয়ে কম নয়।

গল্পের আরেক প্রধান চরিত্র কানবারা আকিহিতো। চরিত্র না বলে গল্পের সমস্ত ঘটনার উৎস বললেও অত্যুক্তি হবে না।গল্পের শুরু থেকেই আকিহিতো চরিত্রটিকে অন্ধকারে রেখে একটা সাসপেন্স তৈরি করা হয়েছিল,যা চরিত্রটির বিশেষায়ণে সাহায্য করেছে।

আর অন্যান্য চরিত্রগুলোর মধ্যে আমার বিশেষভাবে ভালো লেগেছে কানবারা ইয়াওই কে । সে আকিহিতোর মা। আর সত্যি কথা বলতে বাস্তবে এরকম মা থাকলে যে কীরকম হত তা কল্পনা করতেই কষ্ট হয়।যারা এনিমেটি দেখেছেন তারা বোধ হয় কথাটির
মানে বুঝতে পেরেছেন। :v

এনিমেটির শেষের দুই এপিসোড খুবই বিচিত্র।এই আপনি আবেগপ্রবন হয়ে পড়লেন,চোখে জল চলে এল,এই আবার মুখের কোণে মুচকি হাসি। আর বলা বাহুল্য,এনিমেটির কোনো দুঃখজনক এন্ডিং নেই। [এটা স্পয়লার হইল নাকি?]

অসাধারণ কম্বিনেশনের তিনটি গান (একটি ওপেনিং,একটি এন্ডিং,Future Star) থাকায় সেরা মিউজিক ধারী এনিমেগুলোর মধ্যে নিঃসন্দেহে এটি থাকবে। গানগুলি চয়েজ যিনি বা যারা করেছেন তাদেরকে ১০০ তে ১০০ দিতেই হবে।
ওপেনিং টা “মিনোরি চিহারা” র গাওয়া । পুরোপুরি বিমূর্ত ধরনের লিরিক্স থাকায়,এনিমেটির প্রতি আকর্ষণ এই গানটিই জাগিয়ে দেয়।

গানটি এখনই দেখে ফেলুন–
https://www.youtube.com/watch?v=g-_4piNFe4M

এন্ডিং টা ওপেনিং কেও ছাড়িয়ে গেছে। কারণ এন্ডিংটার ভোকাল ও লিরিক্স টা এনিমের প্লটের সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্যপূর্ণ হওয়ায় মনে বেশি রেখাপাত করেছে।আর সবচেয়ে সুন্দর ব্যাপার হল এই যে ,এনিমেটা শেষ হওয়ার কিছুক্ষণ আগে কখন যে এন্ডিংটার
মিউজিক শুরু হয়ে যায় তা টেরই পাওয়া যায় না। আমার শোনা সেরা জাপানিজ গানগুলোর মধ্যে একটা

দেখে ফেলুন–
https://www.youtube.com/watch?v=nMlwer-lbow

এনিমেটা দেখে ফেলুন। ১২ এপিসোডে অনেক কিছু পাবেন যা অনেক সময় ২২০ এপিসোডেও পাওয়া যায় না——-

~~~অনন্য রিকমেন্ডস~~~

Kyoukai no Kanata 2

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৯ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪৯তম লেসন

আজকের লেসনে আরো কিছু “japanese idioms and phrases” শিখাব…

১. বাকা মো ইচি গেই

বাকা-fool, ইচি-one, গেই-tricks

Literally: Even a fool has one talent.

Meaning: Even a fool may be good at something.

 

২.ইসসেকি নিচৌ

ইসসেকি-one stone, নি-two, চৌ-bird

Literally: One stone, two birds.

Meaning: “To kill two birds with one stone”.

 

৩.উমা নো মিমি নি নেনবুতসু

উমা-ঘোড়া, মিমি-কান, নেনবুতসু-Buddhist prayer

Literally: A sutra (Buddhist prayer) in a horse’s ear.

Meaning: A wasted effort.

 

৪.ওন্না সাননিন ইয়োরেবা কাশিমাশিই

ওন্না-women , সাননিন-৩ জন,ইয়োরেবা-gather, কাশিমাশি-noisy

Literally: If three women visit, noisy.

Meaning: Wherever three women gather it is noisy.

 

৫.তোনারি নো শিবাফু ওয়া আওই

তোনারি-পাশে অবস্থিত কিছু বুঝায় এখানে neighbor বুঝাইছে , শিবাফু-lawn, আওই-blue 

Literally: The neighbor’s lawn is blue.

Meaning: “The grass is always greener on the other side”.

 

আজকে এটুকুই থাক.. নেক্সট দিন নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব.. মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ২৬তম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি “cat” এর কানজি .. এটার উচ্চারণ হল “নেকো/বিঔ”

neko

“নেকো” মানে হল cat (বিড়াল)…”কোনেকো”-kitten..

নোরা নেকো-stray cat.. ইয়ামানেকো-wild cat..

মানেকি নেকো-lucky cat sculpture (বিড়ালের মুর্তি টাইপের ..জাপানের মানুষরা অনেকেই মনে করে এটা সৌভাগ্য বয়ে আনে )

নেকো জিতা ..literally mean করে “cat’s tongue” …এমনিতে বুঝায় হল “sensitive tongue”..(গরম খাবার খেতে গেলে সহজেই জিহ্বা পুড়ে যায় এমন)..

উপরের সব ক্ষেত্রেই “নেকো”র জায়গায় এই কানজি টা বসে…

আই বিঔ কা-cat lover..এখানে “বিঔ”র জায়গায় এই কানজি টা বসে…

নেকোর কানজি টা দেখতে নেকোর মতই কাওয়াইই :v আজকে এপর্যন্তই..মাতা নে

Behind the Voices – 02

কিমুরা রিয়োহেই
যে কোন অবস্থায় চরিত্রের ঠিক সেই অবস্থার মুডটি নির্ভুলভাবে তুলে ধরার দক্ষতা খুব কম মানুষের-ই থাকে,এমনকি হাতে-গোনা কয়েকজন দক্ষ কণ্ঠ-অভিনেতা বাদে আর কেউ-ই এতো সুন্দরভাবে কাজটি উপস্থাপন করতে পারে না। তবে এই বিষয়ে সবচেয়ে সেরা যিনি সে হল কিমুরা রিয়োহেই। সাধারণত হাসি-খুশি,উচ্ছল কিন্তু সিরিয়াস মোমেন্টে দৃঢ় এই সকল চরিত্র কণ্ঠ দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন তিনি। তবে আরও নানা রকম ব্যক্তিত্বের চরিত্র কণ্ঠ-অভিনয় নির্ভুলভাবে তুলে ধরার সুনাম আছে তার।

আমার দেখা তার সেরা চরিত্র হল কুরোকো নো বাস্কেটের কিসে রিয়োতা, এডেন অফ দ্যা ইস্টের তাকিযাওয়া আকিরা,মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রামের তাকাকুরা শৌমা, হাগানাই-এর হাসেগাওয়া কোদাকা এবং গেক্কান শোজো নোযাকি-কুন আনিমেটির ওয়াকামাৎসু। আরও যে সকল চরিত্র আমার ভালো লেগেছে তা হল কাকুমেইকি ভাল্ভরেভের এল-এল্ফ, সাইকো পাস ২য় সিজনের কামুই কিরিতো, টকিয়ো রাভেন্সের তৌজি, ম্যাজাই-এর জুদাল, সাঙ্কারেয়া-এর ফুরুয়া চিহিরো অ্যান্জেল বিট্সের হিনাতা, ব্লাড ল্যাড-এর ব্র্যায ডি.ব্লাড, কুরোশিৎসুজি: বুক অফ মার্ডারের চার্লেস গ্রে এবং নাৎসুমে ইয়ুজিনচৌ-এর একটি ছোট্ট চরিত্র নিশিমুরা। আরও যে সকল রোল আছে তার তা হল গিন নো সাজির হাচিকেন, কিমি তো বকু-এর আসাবা ইয়ুকি, কামিসামা ডল্স-এর কুগা আকি, রোবোটিক নোট্সের ইয়াশিও কাইতো, সাকামিচি নো আপ্যোলোনের নিশিমি কাওরু।

তার ইনসার্ট সং এবং ক্যারাক্টার সং-এও অসাধারণ কাজের নমুনা আছে। এর মধ্যে যা যা ভালো লেগেছে তা হল ‘FLOWER’ গানটা,যেটা হাগানাই আনিমেটিতে ইনসার্ট সং হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং জুদাল চরিত্রটির ক্যারাক্টার সং ‘Black Sun(কুরোই তাইয়ো)’ গানটি। এই দুইটি গান শুনে দেখতে পারেন https://goo.gl/5k6bi6 এবং https://goo.gl/96GJwp এই দুইটি লিঙ্কে প্রবেশ করে।

তার জন্ম ৩০ জুলাই,১৯৮৪ সালে। ২০১২ সালের Seiyu Awards-এ “Best Supporting Actor” খেতাব জিতেছেন তিনি। তার দক্ষতা অনুজায় আরও ভালো ভালো চরিত্র পাওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি। সামনে আরও অসাধারণ চরিত্রের কণ্ঠে তার অবদান থাকবে এই আশা রইলো।

কিমুরা রিয়োহেই

 

ইনৌয়ে মারিনা
আমার সবচেয়ে প্রিয় কণ্ঠ অভিনেত্রীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে যাকে রাখবো সে হল ইনৌয়ে মারিনা। আমার দেখা সবচেয়ে দক্ষ কণ্ঠ অভিনেত্রীদের মাঝে একজন হলেন তিনি এবং তার কণ্ঠ অভিনয়ও আমার বেশ অসাধারণ লাগে। তার কণ্ঠ অভিনয়ের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিক হল তার যেমন অনেক কিউট কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রও আছে ঠিক তার টমবয়িশ কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রের পরিমাণও কম না। তার চরিত্রগুলোতে রাগের স্বরে কথা বলার ধরণটা সে এতো সুন্দর করে তুলে ধরে,এই পর্যন্ত আমার দেখা আর কোন কণ্ঠ অভিনেত্রী সেটা এত সুন্দর করে তুলে ধরতে পারে নাই।

তার যেই দুইটা রোল আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে তা হল স্কেট ডান্সের কিবিৎসু মোমোকা এবং হাগানাই আনিমেটির ইয়োযোরা চরিত্রটি। তবে তার আরও কিছু রোল আমার অনেক ভালো লেগেছে তা হল গুরেন লাগানের ইয়োকো লিটনার, H.O.T.D-এর রেই, স্কিপ বিটের মোগামি কিয়োকো, ওরেগাইরুর ইউমিকো, মাহৌকা কৌকৌ নো রেত্তোসেই-এর ওয়াতানাবে মারি, ক্যাম্পফারে নাৎসুরু,ফ্রিজিং-এর শিফন ফেয়ারচাইল্ড, ইনফিনিট স্ট্রাটোসের লউরা এবং সায়োনারা যেৎসুবৌ সেনসেই-এর চিরি-চান। তার আরও যে সকল ভালো ভালো চরিত্রের কাজ আছে তা হল শিঙ্গেকি নো কিয়োজিনের আরমিন, ডেট আ লাইভের তোহ্কা, হায়াতে দ্যা কম্ব্যাট বাটলারের ওয়াতারু, ব্রেক ব্লেডের নার্ভি,লগ হোরিজনের কানামি এবং আরও অনেক। আর এবার ওয়ারিমোনোগাতারিতে যেই নতুন চরিত্রটি আসলো ওইকুরা সোদাচি এবং গিনতামার নতুন সিজনের নতুন চরিত্র ইকেদা আসাএমোন তাদের কণ্ঠও দিয়েছেন মারিনা ইনৌয়ে।

আনিমের ওপেনিং-এন্ডিংগুলাতেও তার অবদান আছে। তবে যা করেছে তার বেশির ভাগ আরও অনেক কণ্ঠ অভিনেত্রীদের সাথে মিলে। তবে তার গাওয়া হাগানাই আনিমেটির প্রথম সিজনের এন্ডিং ‘ওয়াতাশি নো কিমোচি’ গানটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। আর তার কিছু কিছু ইভেন্টে গাওয়া গানগুলো আমার ভালো লেগেছে। যেমন মিকুনি শিমোকাওয়ার সাথে এই লাইভ ইভেন্টে তিনি নিওন জেনেসিস এভান্জেলিওনের ওপেনিং ‘যাংকোকু না তেনশি’ গানটা গেয়েছিল এবং তাদের গাওয়া গানের এই ভার্শনটাও আমার ভালো লেগেছে। দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন https://goo.gl/zReKKg

তার জন্ম ২০ জানুয়ারি,১৯৮৫। কণ্ঠ অভিনয়ের জগতে তার অভিষেক ২০০৪ শালে। এরপর থেকে বেশ ভালো ভালো চরিত্রের রোল পেয়েছেন তিনি। সামনে আরও ভালো ভালো চরিত্রের কণ্ঠ দিবেন তিনি এই প্রত্যাশা রইলো।

ইনৌয়ে মারিনা