Sword of the Stranger সামুরাই গল্প, আনুমানিক ১৩৬৮ হতে ১৬৪৪ সালের কোন এক সময়ে।
সোর্ড অফ দ্য স্ট্রেঞ্জার একই সাথে টানাপোড়েন ছিন্ন সামুরাই, রক্তলোলুপতা আর অমরত্বের পেছনে ছোঁটার গল্প। —
প্রোটাগনিস্ট নামহীন সামুরাই Nanashi পোড়ো মন্দিরে কুলহীন ছোট্ট Kotaru আর তাঁর কুকুরের সাথে পরিচিত হয়। পরবর্তীতে Kotaru’কে নির্দিষ্ট এক মন্দিরে পৌঁছে দিতে সফরসঙ্গী এবং বডিগার্ড হিসেবে যাত্রা শুরু করলে ঘটনাক্রমে মিং-ডাইনাস্টি এবং তৎকালীন কোন এক জাপানিজ প্রদেশের মাঝে বিদ্যমান অস্থিতিশীল এক পরিবেশে আঁটকে পড়ে। জানতে পারি, পিচ্চি Kotaru ব্যপারটার সাথে ভালোভাবে জড়িত।
মুভির গল্প আহামরি নতুন না— তবে গল্পের রুপায়ন প্রশংসার দাবী রাখে। বিশেষ করে সোর্ড ফাইটগুলো নান্দনিক; সচরাচর এমন সোর্ড ফাইট এবং অন্যান্য সামুরাই অস্ত্রের প্রদর্শনীর দেখা মিলে না। সিনেমার নাম অনেকটা ভিতরের বিষয়বস্তুকে প্রকাশ করে দেয়, তাই দেখতে বসে সোর্ড ফাইট আশা করবেন এ লিখে দেয়া সম্ভব। কথা হচ্ছে, হতাশ হবেন না। তাছাড়া মুভির প্রথম কয়েক মিনিটের ধাওয়া, হত্যা তথা নির্বিচারে রক্তারক্তি গোটা সিনেমার ভাষারীতির জানান দিয়ে দেয়। আপনার পছন্দের সাথে যাচ্ছে কিনা তা শুরুতেই বুঝে ফেলবেন।
অ্যানিমেশন পরিষ্কার এবং ডিটেইল্ড। মাকোতো শিনকাই লেভেলের না হলেও আর্টস্টাইল চমৎকার।
মুভির শর্টকামিং হচ্ছে কিছুটা প্রেডিক্টেবল এবং অ্যামবিয়েন্ট মিউজিকের অতিব্যবহার বা ভুল ব্যবহার। আবহকে দর্শকের মনে গেথে দিতে এপিক কোন চোখ ধাঁধানো দৃশ্যে এ-ধরনের ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ভালো মানায়, কিন্তু থেকে থেকেই একটুক্ষণ পরপর সাধারণ দৃশ্যে ব্যবহার করলে ভার কমে যায়, বেমানান লাগে। এছাড়া, প্রোটাগনিস্টকে নির্দিষ্ট প্রোফাইলে না ফেলে দিলে ভালো হত।
আমার রেটিং ৭.৫/১০


