Movie Time With Yami – Guest Corner!

 

ryougi_shiki-1567283

[এটা একটা স্পেশাল পর্ব, আজকের সাজেশন লিখেছেন আমাদের গ্রুপের Kara no Kyoukai ব্র্যান্ড রিপ্রেসেন্টেটিভ Subarno Hossain.]

Name: Kara no Kyoukai/Garden of Sinners – Borderline of Emptiness
Range: 8 movies and 3 specials.
MAL score (total average): 8.08

এটা ঠিক রিভিউ না, বরং যারা সিরিজটা দেখেননি, তাদের জন্য কিছুটা প্রিভিউ বলা যেতে পারে। এটা Type-MOON (যারা Fate/Stay Night তৈরি করেছেন) এর প্রথম কাজ। এটা প্রথম লেখা শুরু হয় সেই ১৯৯৮ সালে, এবং প্রথম মুভিটা বের হয় ২০০৭ সালে। এই আনিমেটাকে বলা যেতে পারে ‘চরিত্র-বিষয়ক’ একটি আনিমে, কারণ এখানে প্লট অথবা সেটিং এর চেয়ে চরিত্রদের ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আপনার যদি এই আনিমের প্রথম মুভি ভাল লাগে, তাহলে আপনি পরের মুভি দেখবেন সেখানে ঘটনা কি ঘটে তা জানতে নয়, বরং শুধুমাত্র আনিমের মূল চরিত্র কি করে, তা জানতে।

Kara no Kyoukai এর মূল চরিত্র রিওগি শিকি (Ryougi Shiki), যার রহস্যময় ব্যবহার এবং আচার-আচরণ চোখে পড়ার মত। সংক্ষেপে, শিকি দেখতে মেয়ের মত হলেও তাকে ছেলেই বলা যেতে পারে। এমন না যে তাকে সাধারণ Tomboy বলা যাবে… কারণ তার চরিত্রের শুধু ১টি নয়, ৪ (হ্যাঁ, চার) টা দিক আছে! কোনটা কি আমি তা বললাম না, মুভি দেখে বুঝতে পারলেই ভাল হবে। তার এই দ্বৈত সত্ত্বার সাথে তার রয়েছে এক আলৌকিক ক্ষমতা, যার নাম “Mystic Eyes of Death Perception”; এগুলো তার জীবনে কি প্রভাব ফেলে, এটিই এই আনিমের মূল লক্ষ্যবস্তু।

তার সাথে রয়েছে আরও কিছু চরিত্র, যার মধ্যে আছে ককুতউ মিকিয়া (Kokutou Mikiya) যাকে বলা যেতে পারে শিকির একমাত্র ‘বন্ধু’, এবং আওযাকি তউকো (Aozaki Touko), একজন জাদুকর যার বিশেষত্ব পুতুল বানানো। প্রতিটা মুভিতে একটা ভিন্ন antagonist রয়েছে, এবং মজার বিষয় হল সব সময় তা নাও থাকতে পারে।

তাহলে মুভির প্লটটা আসলে কি? এই প্রশ্নের কোন সহজ উত্তর নেই, কারণ এটা psychological or mystery হিসেবে বলা হলেও আনিমেটাকে একটা খুবই উন্নত ‘Slice-of-Life’, অথবা অন্তস্তলে, simple Romance ও বলা যেতে পারে। প্রত্যেকটা মুভির একটা করে আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে, যার প্রভাব অন্য মুভিতেও ভিন্নভাবে পড়ে। সেটা দেখার পরেই বোঝা যাবে।

আমার নিজের মতে, মুভিগুলোর সবচেয়ে অসাধারণ বিষয় চরিত্র নয়, বরং ওএসটি, আর্টওয়ার্ক এবং অ্যানিমেশনের গুণগত মান মিলে কিভাবে একটা মনমাতানো অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। Ufotable সবসময় উচ্চ মানের আনিমে তৈরি করে থাকে, কিন্তু আমার মতে Kara no Kyoukai তাদের ‘Magnum Opus’. কালাফিনার মিউজিক এখানে seamlessly integrate করা হয়েছে, এবং প্রত্যেকটা সিনে একটা অন্য লেভেলের আবহ তৈরি করেছে।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Gekijouban-Kara-no-Kyoukai-The-Garden-of-Sinners

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 05

distantstar

Name- Voices of a Distant Star / Hoshi No Koe
Duration- 25 minutes
MAL Score- 7.71
Ranked- 947
Genres- Drama, Mecha, Romance, Sci-Fi

এটি আসলে একটি ওভিয়ে, যার ডিরেক্টর এবং ভয়েস অ্যাক্টর মাকোতো শিনকাই। যারা এ নামটির সাথে পরিচিত তারা জানেন, মাকোতো শিনকাই মানেই সম্পূর্ণ অন্যরকম কিছু।

এটির কাহিনী ভবিষ্যতে, তখন টেকনোলজি অনেক উন্নত হয়েছে। মানুষ মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেছে এবং সেটাকে পরিদর্শন করার জন্যে স্পেসশিপ পাঠাচ্ছে। এমনই এক যুগের দুই স্কুলপড়ুয়া বন্ধু মিকাকো নাগামিনে ও তেরাও নোবোরু। তাদের যখন সিনিয়র হাইস্কুলে ওঠার সময় হয়, তখন নাগামিনে তার যোগ্যতার কারণে স্পেসশিপে করে পৃথিবীর বাইরে যাওয়ার জন্যে নির্বাচিত হয়। সে স্পেসশিপে চলে যাওয়ার পর দুই বন্ধুর যোগাযোগের একমাত্র উপায় হিসেবে থাকে সেলফোনের টেক্সট মেসেজ, যা একে অপরের কাছে পৌছতে মাস পার করে দেয়। পৃথিবীর সাথে স্পেসশিপের দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, মেসেজ পৌঁছানোর সময়কালও বাড়তে থাকে। তাদের ভবিষ্যৎও পূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে অনিশ্চয়তায়।

নাগামিনে ও নোবারু দুইজনই স্বপ্ন দেখে, একদিন নাগামিনে ফিরে আসবে স্পেস থেকে, তখন তাদের আর এভাবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না একটা টেক্সটের জন্য। এবং তারা একসাথে সেই সব করতে পারবে, যা নরম্যাল হাইস্কুল স্টুডেন্টরা করে।

আমার মতামত, একটু ধীরগতিতে আগায় কাহিনী, কিন্তু কিছু একটা আছে এর মাঝে, শেষ পর্যন্ত দেখলে ভাল লাগে । শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে হয়।

২০০২ সালে রিলিজ হওয়া এই ওভিয়েটির একটা বিশেষত্ব হল, শুধুমাত্র এর ডিরেক্টর মাকোতো শিনকাই এবং তার মেয়েবন্ধু ছাড়া এটি বানাতে আর কেউ কাজ করেনি। মাত্র দুজন মানুষ মিলে এরকম একটা কাজ দাড়া করিয়ে ফেলেছে, ভাবতেই অবাক লাগে।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন এই ওভিয়েটি।

Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Voices-of-a-Distant-Star

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 04

Grave-of-the-Fireflies_background_wallpaper

 

Name- Grave of the Fireflies/Hotaru no Haka 
Duration- 1 hour 28 minutes 
MAL Score- 8.60 
Ranked- 65 

আমরা সবাই সাধারণত আনিমে দেখি মজা পাওয়ার জন্যে, মন ভালো করার জন্যে অথবা রুঢ় বাস্তবতাকে ভোলার জন্যে। কিন্তু আনিমেও মাঝে মাঝে আমাদের আরও কঠিন বাস্তবতার সামনে দাড়া করিয়ে দিতে পারে। রিয়ালিটি চেক যাকে বলে আরকি। এমনই একটা মুভি এটি। 

কাহিনীর পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপানে, মানবতার অবক্ষয় ঘটেছে যেখানে। যখন তখন বম্বার প্লেন এসে বোমা ফেলে যাচ্ছে এখানে সেখানে, আর প্রাণহানি ঘটছে অসংখ্য মানুষের, স্বজনহারা হচ্ছে মানুষ। তেমনি এক বালক সেইটা। সে তার মা ও ছোট বোন সেতসুকোকে নিয়ে থাকত। তার বাবা একজন সৈনিক এবং তিনি তার কাজের জন্যে দূরে থাকেন। বোমার আঘাত থেকে বাঁচতে ছোট বোনকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সেইটা। শারীরিক অসুবিধার কারণে তাদের মা বের হতে পারেনা এবং বোমার আঘাতে খুব বাজেভাবে আহত হয়ে তিনি মারা যান। এরপর আশ্রয়হীন সেইটা ও তার ছোট বোনের ঠাই হয় একজন আত্মীয়ের বাড়িতে। এরপর অভাব, অবহেলা এবং অসহায়তার মাঝে দিন কেটে যেতে থাকে তাদের। বেঁচে থাকার এবং নিজেদের আত্মসম্মান রক্ষার কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় দুই ভাইবোন। 

আমার কাছে মুভিটার যা সবচেয়ে ভালো লেগেছে, মানুষের জীবনে হঠাত করে কখন কি বিপর্যয় আসতে পারে এবং বাস্তবতা মাঝে মাঝে কতটা কঠিন হতে পারে, এটা খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে। কিছুক্ষণের জন্যে থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। 

১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি জাপানে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতেছে। স্টুডিও জীবলির অন্যতম সেরা মুভিগুলোর একটি এটি। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Grave-of-the-Fireflies 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 03

howl

 

Name: Howl’s Moving Castle/Hauru no Ugoku Shiro 
Duration: 1 hour 57 minutes 
MAL Score: 8.74 
Ranked: 33 

এটিও স্টুডিও জিবলীর মুভি, অসামনেসে ভরপুর!! 

মুভিটির কাহিনী হ্যাটশপের কাজপাগল কর্মী সোফিকে নিয়ে, সারাদিন কাজের মাঝে ডুবে থেকে যে আনন্দ খুঁজে পায়। সাজগোজের পরোয়া করেনা, কিন্তু তার এক ধরণের অগোছালো সৌন্দর্য রয়েছে। এক রাতে তার হ্যাটশপে এসে হাজির হয় ডাইনী। সোফির হ্যাটশপকে তুচ্ছ করে সে। সোফি তাকে চলে যেতে বললে ডাইনী ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয় সোফিকে। ডাইনীর অভিশাপে অদ্ভুত এক পরিবর্তন আসে সোফির মাঝে। অভিশাপ কাটানোর জন্য বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে সে, এক জীবন্ত কাকতাড়ুয়ার পরামর্শে চড়ে বসে জাদুকর হাউলের চলন্ত দুর্গে। জাদুকর হাউল আর তার অদ্ভুত সঙ্গীসাথীদের নিয়ে এগিয়ে চলে কাহিনী। 

আমার কাছে এই মুভির যা ভাল লেগেছে; প্রথমত এই অদ্ভুত জুটির অদ্ভুত সম্পর্ক বেশ লেগেছে। আর হাউলের চলন্ত দুর্গ খুব মজার একটা জায়গা, দেখে মজা পেয়েছি। পছন্দ তালিকায় বেশ ওপরের দিকেই থাকবে এ মুভিটি। 

২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি বিভিন্ন সময়ে দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল মুভিগুলোর মাঝে একটি এবং অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Howl-s-Moving-Castle-Dub 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 02

Laputa

Name- Laputa: Castle in the Sky / Tenkuu no Shiro Rapyuta
Duration- 2 hr. 5 min.
MAL Score- 8.38
Ranked- 164
Genres- Adventure, Fantasy, Romance, Sci-Fi

প্রথমেই যে কথাটা অবশ্যই উল্লেখ করতে হয়, এটা স্টুডিও জিবলীর মুভি, হায়াও মিয়াজাকি পরিচালিত। আর মিয়াজাকি মানেই অসম্ভব সুন্দর পরিচালনা!!

ছোট্ট মেয়ে শীটাকে কিডন্যাপ করেছে মুশকা এর লোকেরা। এয়ারশিপে করে তাকে নিয়ে যাচ্ছে কোন এক জায়গায়। এমন সময় হঠাত এয়ারশিপ আক্রমণ করল দস্যুরা। তাদের লক্ষ্যও শীটাকে নিজেদের কব্জায় নেয়া। কিডন্যাপার ও দস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে চেষ্টারত শীটা হাত ফস্কে পড়ে গেল এয়ারশিপ থেকে। কোন সে অলৌকিক উপায়, যা শীটাকে রক্ষা করে বিপদ থেকে?

শীটার সাথে দেখা হয় পাজুর। যার স্বপ্ন গুজব ছড়ানো ভাসমান দুর্গ লাপুতা খুঁজে বের করে তার বাবার কথাকে সত্য প্রমাণ করা। পাজু বিপদাপন্ন শীটাকে দস্যু ও কিডন্যাপারদের হাত থেকে রক্ষা করতে চায়। আর শীটা পাজুকে লাপুতা খুঁজে বের করতে সাহায্য করতে চায়। এভাবে দুজন জড়িয়ে পড়ে এক রূদ্ধশ্বাস অভিযানে।

আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে যেটা, উড়োজাহাজের অসম্ভব উত্তেজনাকর কিছু মূহুর্ত আছে, দম বন্ধ করে দেখেছি। আর লাপুতার দৃশ্য অসম্ভব সুন্দর, মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা হয়।

মুভিটি বিভিন্ন সময়ে জাপানে অনেকগুলো পুরষ্কার জিতেছে। এর সাবড এবং ডাবড ভার্সনে কিছুটা পার্থক্য আছে যা হায়াও মিয়াজাকির অনুমতিপ্রাপ্ত।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Tenkuu-no-Shiro-Laputa

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

 

Barefoot Gen(1983) রিভিউ লিখেছেন মেঘময়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে, সবার প্রত্যাশা এবার যুদ্ধ শেষ হবেই। জাপানের জনগন তাকিয়ে রয়েছে তাদের সরকারের দিকে, কখন সরকার যুদ্ধ শেষ হবার ঘোষণা দেবে। কিন্তু জাপান সরকার নির্বিকার। জনগন এদিকে অভাব অনটনে নিক্ষিপ্ত। সরকারি ration প্রয়োজন অনুযায়ী একেবারেই সামান্য। এইরকম অভাব অনটনে নিক্ষিপ্ত পরিবার এর সদস্য Gen. Gen,তার মা বাবা, বড়বোন আর এক ছোট ভাইকে নিয়েই এই গল্প শুরু হয়। Gen এর বাবা নানা রকম কাজ করে তার পরিবারের চাহিদা মিটাতে বদ্ধপরিকর। কারন gen এর মা আবার অন্তঃসত্ত্বা। নতুন অতিথি কে বরন করবার জন্য gen আর তার ভাই সবসময়ই চিন্তা করে। কিন্তু Gen এর জীবনে নেমে আসে এক নির্মম দুঃখ। আর সেই দুঃখের নাম পারমানবিক বোমা। পারমানবিক বোমা কেরে নেয় Gen এর হাসি। ভাজ্ঞক্রম্রে বেচে  যায় তার মা। কিন্তু বোমার radiation চারদিকে মৃত্যুর হাহাকার তোলে। Gen কি পারবে তার মাকে বাঁচাতে? পারবে কি তার সদ্য জন্ম নেয়া ভাই কে বাঁচাতে? জানতে হলে দেখতে হবে Barefoot Gen.

              454


মুভিটা দুই পার্ট এ বিভক্ত। Barefoot Gen এর সাথে যদি আমি Ghibli এর “grave of the fireflies” এর তুলনা দেই তবে আমি বলব Barefoot Gen একটু হলেওএগিয়ে থাকবে tragedy এর দিক থেকে। Grave of the fireflies যেখানে simplicity বজায় রেখে তার গল্প সম্পন্ন করেছে সেখানে আপনি হয়ত বলতে পারেন Barefoot Gen এর স্টোরি slow আর incomplete। তবে আপনি যদি এইসব বাদ দেন তবে Barefoot Gen দেখার মত একটি মুভি এবং একটি masterpiece.

 

 

545

 

একনজরে Barefoot Gen:

 

Director:Mori Masaki(Mamoru Shinzaki)

Writer:Keiji Nakazawa(manga)

Release Date: 1983

IMDB rating:8.1

MAL Rating: 8

My rating:8.6

 

         989

 

সামার ওয়ার্স (summer wars) লিখেছেন Torsha Fariha

 1513308_725623344116479_1745633721_n
ডিরেক্টর- মামোরু হোসোদা। (যার কিছু বিখ্যাত মুভির নাম- the girl who leapt through time, wolf children ইত্যাদি।)

জানরা- সায়েন্স-ফিকশন।

IMDb rating- 7.6

প্লট- এই গল্পের নায়ক নায়িকা হচ্ছে কেনজি আর নাৎসুকি। তারা দুইজনই একই হাইস্কুলে পড়ে। কেনজি পার্টটাইম মডারেটর হিসেবে কাজ করে একটা ইন্টারনেট বেইজড ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড ‘OZ’ এ। নাৎসুকি হচ্ছে স্কুলের খুব বিখ্যাত একটা মেয়ে । কেনজির সেনপাই।

এক গ্রীষ্মে সে কেনজি আর তার ফ্রেন্ড তাকাশিকে বলে তারা একটা পার্টটাইম জব করবে কিনা! যে কোন একজনকে দরকার তার। গ্রামে যেতে হবে তার সাথে। দুইজনই তো শুনে সাথে সাথে রাজি! পরে রক-পেপার-সিসর খেলে সুযোগটা জিতে নেয় কেনজি।

গ্রেট-গ্র্যান্ডমাদার সাকায় জিন্নোচির ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নাৎসুকি গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে। সেই সাথে আছে কেনজি যে তখনো বুঝেনি তার পার্টটাইম জবটা কি!
যা হোক পৌঁছানোর পর জানা গেল আসল কাহিনীটা কি! নাৎসুকি কেনজিকে ধরে নিয়ে এসেছে তার ফিয়ন্সে হিসেবে অভিনয় করার জন্য!

কেনজি হতভম্ব হয়ে দেখতে থাকল আশেপাশের পরিস্থিতি। ইয়া বিশাল একটা বাড়ি নাৎসুকির আত্মীয়-স্বজনে ভর্তি! এঁদের মাঝে তাকে অভিনয় করতে হবে বয়ফ্রেন্ড হিসেবে!

যা হোক কোনোমত সামলে নিয়ে ঘুমাতে গেল সে। রাতে হুট করে তার ফোনে একটা দুর্বোধ্য সংখ্যায় ভর্তি মেসেজ আসলো। ম্যাথ পাগলা কেনজি সাথে সাথে বসে গেল সলভ করতে। সলভ করে সেটা সে পাঠিয়ে দিল রিপ্লাই হিসেবে।

পরদিন সকালে কেনজি জানতে পারলো আসলে গতরাত্রে সে ‘OZ’ এর পাসওয়ার্ড সলভ করে একজনকে পাঠিয়ে দিয়েছে। ‘লাভ মেশিন’ নামে এক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কেনজির অ্যাকাউন্ট আর তার অ্যাভাটার ইউজ করে ‘OZ’ এর ইনফ্রাস্ট্রাকচার হ্যাক করে ফেলে। যার ফলে সারা পৃথিবীতে নানারকম সমস্যা শুরু হয়।

কেনজি বুঝতে পারে সে যদি এই লাভ মেশিনকে থামাতে না পারে তবে সামনে আরও বড় বিপদ হবে। তাই সে, নাৎসুকির কাজিন কাজুমা আর নাৎসুকির বিশাল পরিবার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক যুদ্ধে- যে যুদ্ধ পিসির চারকোণার পর্দার ভেতর সীমাবদ্ধ হলেও এর উপর নির্ভর করে আছে পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যৎ।

সংক্ষেপে এই হল কাহিনী। সত্যি বলতে যেমন জটিল শুনাচ্ছে কাহিনীটা আসলে দেখলে সেরকম মোটেও মনে হবে না। নাম সামার ওয়ার্স হলেও এটা কোন সিরিয়াস ধরনের মুভি না। বরং খুবই মজার, হালকা মেজাজের। পৃথিবীর এত বড় বিপদের মাঝেও তারা যেমন মন-প্রাণ ঢেলে সেটা ঠেকানোর চেষ্টার করছে তেমনি মজা-মস্করাও করছে। এই মুভির মূল থিমটাই হল- একতাই বল।

নাৎসুকিদের জিন্নোচি ক্ল্যান টা দেখে আপনি একবার হলেও আফসোস করবেন ‘ইশ! এরকম একটা জয়েন্ট ফ্যামিলি যদি থাকতো আমার!’ হ্যা। আমারও সেরকম মনে হয়েছে। সবাই হাত-পা ছড়িয়ে গল্প করছে, কাজ করছে, একসাথে খাওয়াদাওয়া করছে- ইশ! কি মজারই না ব্যাপারটা ! অ্যানালগ আর ডিজিটাল- দুই রকম ওয়ার্ল্ডের এত সুন্দর সমন্বয় আর কোথাও দেখিনি এখন পর্যন্ত!
একদম স্বপ্নের মত সুন্দর, হাশিখুশি আর রঙিন মুভিটা।

 

1512250_725623977449749_967160331_o