”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৯ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪৯তম লেসন

আজকের লেসনে আরো কিছু “japanese idioms and phrases” শিখাব…

১. বাকা মো ইচি গেই

বাকা-fool, ইচি-one, গেই-tricks

Literally: Even a fool has one talent.

Meaning: Even a fool may be good at something.

 

২.ইসসেকি নিচৌ

ইসসেকি-one stone, নি-two, চৌ-bird

Literally: One stone, two birds.

Meaning: “To kill two birds with one stone”.

 

৩.উমা নো মিমি নি নেনবুতসু

উমা-ঘোড়া, মিমি-কান, নেনবুতসু-Buddhist prayer

Literally: A sutra (Buddhist prayer) in a horse’s ear.

Meaning: A wasted effort.

 

৪.ওন্না সাননিন ইয়োরেবা কাশিমাশিই

ওন্না-women , সাননিন-৩ জন,ইয়োরেবা-gather, কাশিমাশি-noisy

Literally: If three women visit, noisy.

Meaning: Wherever three women gather it is noisy.

 

৫.তোনারি নো শিবাফু ওয়া আওই

তোনারি-পাশে অবস্থিত কিছু বুঝায় এখানে neighbor বুঝাইছে , শিবাফু-lawn, আওই-blue 

Literally: The neighbor’s lawn is blue.

Meaning: “The grass is always greener on the other side”.

 

আজকে এটুকুই থাক.. নেক্সট দিন নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব.. মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ২৬তম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি “cat” এর কানজি .. এটার উচ্চারণ হল “নেকো/বিঔ”

neko

“নেকো” মানে হল cat (বিড়াল)…”কোনেকো”-kitten..

নোরা নেকো-stray cat.. ইয়ামানেকো-wild cat..

মানেকি নেকো-lucky cat sculpture (বিড়ালের মুর্তি টাইপের ..জাপানের মানুষরা অনেকেই মনে করে এটা সৌভাগ্য বয়ে আনে )

নেকো জিতা ..literally mean করে “cat’s tongue” …এমনিতে বুঝায় হল “sensitive tongue”..(গরম খাবার খেতে গেলে সহজেই জিহ্বা পুড়ে যায় এমন)..

উপরের সব ক্ষেত্রেই “নেকো”র জায়গায় এই কানজি টা বসে…

আই বিঔ কা-cat lover..এখানে “বিঔ”র জায়গায় এই কানজি টা বসে…

নেকোর কানজি টা দেখতে নেকোর মতই কাওয়াইই :v আজকে এপর্যন্তই..মাতা নে

Behind the Voices – 02

কিমুরা রিয়োহেই
যে কোন অবস্থায় চরিত্রের ঠিক সেই অবস্থার মুডটি নির্ভুলভাবে তুলে ধরার দক্ষতা খুব কম মানুষের-ই থাকে,এমনকি হাতে-গোনা কয়েকজন দক্ষ কণ্ঠ-অভিনেতা বাদে আর কেউ-ই এতো সুন্দরভাবে কাজটি উপস্থাপন করতে পারে না। তবে এই বিষয়ে সবচেয়ে সেরা যিনি সে হল কিমুরা রিয়োহেই। সাধারণত হাসি-খুশি,উচ্ছল কিন্তু সিরিয়াস মোমেন্টে দৃঢ় এই সকল চরিত্র কণ্ঠ দিয়ে প্রতিনিধিত্ব করে থাকেন তিনি। তবে আরও নানা রকম ব্যক্তিত্বের চরিত্র কণ্ঠ-অভিনয় নির্ভুলভাবে তুলে ধরার সুনাম আছে তার।

আমার দেখা তার সেরা চরিত্র হল কুরোকো নো বাস্কেটের কিসে রিয়োতা, এডেন অফ দ্যা ইস্টের তাকিযাওয়া আকিরা,মাওয়ারু পেঙ্গুইনড্রামের তাকাকুরা শৌমা, হাগানাই-এর হাসেগাওয়া কোদাকা এবং গেক্কান শোজো নোযাকি-কুন আনিমেটির ওয়াকামাৎসু। আরও যে সকল চরিত্র আমার ভালো লেগেছে তা হল কাকুমেইকি ভাল্ভরেভের এল-এল্ফ, সাইকো পাস ২য় সিজনের কামুই কিরিতো, টকিয়ো রাভেন্সের তৌজি, ম্যাজাই-এর জুদাল, সাঙ্কারেয়া-এর ফুরুয়া চিহিরো অ্যান্জেল বিট্সের হিনাতা, ব্লাড ল্যাড-এর ব্র্যায ডি.ব্লাড, কুরোশিৎসুজি: বুক অফ মার্ডারের চার্লেস গ্রে এবং নাৎসুমে ইয়ুজিনচৌ-এর একটি ছোট্ট চরিত্র নিশিমুরা। আরও যে সকল রোল আছে তার তা হল গিন নো সাজির হাচিকেন, কিমি তো বকু-এর আসাবা ইয়ুকি, কামিসামা ডল্স-এর কুগা আকি, রোবোটিক নোট্সের ইয়াশিও কাইতো, সাকামিচি নো আপ্যোলোনের নিশিমি কাওরু।

তার ইনসার্ট সং এবং ক্যারাক্টার সং-এও অসাধারণ কাজের নমুনা আছে। এর মধ্যে যা যা ভালো লেগেছে তা হল ‘FLOWER’ গানটা,যেটা হাগানাই আনিমেটিতে ইনসার্ট সং হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে এবং জুদাল চরিত্রটির ক্যারাক্টার সং ‘Black Sun(কুরোই তাইয়ো)’ গানটি। এই দুইটি গান শুনে দেখতে পারেন https://goo.gl/5k6bi6 এবং https://goo.gl/96GJwp এই দুইটি লিঙ্কে প্রবেশ করে।

তার জন্ম ৩০ জুলাই,১৯৮৪ সালে। ২০১২ সালের Seiyu Awards-এ “Best Supporting Actor” খেতাব জিতেছেন তিনি। তার দক্ষতা অনুজায় আরও ভালো ভালো চরিত্র পাওয়া উচিৎ বলে আমি মনে করি। সামনে আরও অসাধারণ চরিত্রের কণ্ঠে তার অবদান থাকবে এই আশা রইলো।

কিমুরা রিয়োহেই

 

ইনৌয়ে মারিনা
আমার সবচেয়ে প্রিয় কণ্ঠ অভিনেত্রীদের তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে যাকে রাখবো সে হল ইনৌয়ে মারিনা। আমার দেখা সবচেয়ে দক্ষ কণ্ঠ অভিনেত্রীদের মাঝে একজন হলেন তিনি এবং তার কণ্ঠ অভিনয়ও আমার বেশ অসাধারণ লাগে। তার কণ্ঠ অভিনয়ের সবচেয়ে শ্রেষ্ঠ দিক হল তার যেমন অনেক কিউট কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রও আছে ঠিক তার টমবয়িশ কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রের পরিমাণও কম না। তার চরিত্রগুলোতে রাগের স্বরে কথা বলার ধরণটা সে এতো সুন্দর করে তুলে ধরে,এই পর্যন্ত আমার দেখা আর কোন কণ্ঠ অভিনেত্রী সেটা এত সুন্দর করে তুলে ধরতে পারে নাই।

তার যেই দুইটা রোল আমার কাছে সবচেয়ে ভালো লাগে তা হল স্কেট ডান্সের কিবিৎসু মোমোকা এবং হাগানাই আনিমেটির ইয়োযোরা চরিত্রটি। তবে তার আরও কিছু রোল আমার অনেক ভালো লেগেছে তা হল গুরেন লাগানের ইয়োকো লিটনার, H.O.T.D-এর রেই, স্কিপ বিটের মোগামি কিয়োকো, ওরেগাইরুর ইউমিকো, মাহৌকা কৌকৌ নো রেত্তোসেই-এর ওয়াতানাবে মারি, ক্যাম্পফারে নাৎসুরু,ফ্রিজিং-এর শিফন ফেয়ারচাইল্ড, ইনফিনিট স্ট্রাটোসের লউরা এবং সায়োনারা যেৎসুবৌ সেনসেই-এর চিরি-চান। তার আরও যে সকল ভালো ভালো চরিত্রের কাজ আছে তা হল শিঙ্গেকি নো কিয়োজিনের আরমিন, ডেট আ লাইভের তোহ্কা, হায়াতে দ্যা কম্ব্যাট বাটলারের ওয়াতারু, ব্রেক ব্লেডের নার্ভি,লগ হোরিজনের কানামি এবং আরও অনেক। আর এবার ওয়ারিমোনোগাতারিতে যেই নতুন চরিত্রটি আসলো ওইকুরা সোদাচি এবং গিনতামার নতুন সিজনের নতুন চরিত্র ইকেদা আসাএমোন তাদের কণ্ঠও দিয়েছেন মারিনা ইনৌয়ে।

আনিমের ওপেনিং-এন্ডিংগুলাতেও তার অবদান আছে। তবে যা করেছে তার বেশির ভাগ আরও অনেক কণ্ঠ অভিনেত্রীদের সাথে মিলে। তবে তার গাওয়া হাগানাই আনিমেটির প্রথম সিজনের এন্ডিং ‘ওয়াতাশি নো কিমোচি’ গানটা আমার বেশ ভালো লেগেছে। আর তার কিছু কিছু ইভেন্টে গাওয়া গানগুলো আমার ভালো লেগেছে। যেমন মিকুনি শিমোকাওয়ার সাথে এই লাইভ ইভেন্টে তিনি নিওন জেনেসিস এভান্জেলিওনের ওপেনিং ‘যাংকোকু না তেনশি’ গানটা গেয়েছিল এবং তাদের গাওয়া গানের এই ভার্শনটাও আমার ভালো লেগেছে। দেখতে এই লিঙ্কে ক্লিক করুন https://goo.gl/zReKKg

তার জন্ম ২০ জানুয়ারি,১৯৮৫। কণ্ঠ অভিনয়ের জগতে তার অভিষেক ২০০৪ শালে। এরপর থেকে বেশ ভালো ভালো চরিত্রের রোল পেয়েছেন তিনি। সামনে আরও ভালো ভালো চরিত্রের কণ্ঠ দিবেন তিনি এই প্রত্যাশা রইলো।

ইনৌয়ে মারিনা

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৮ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪৮তম লেসন

আজকের লেসনে কিছু “japanese idioms and phrases” শিখাব…

1.নানাকোরোবি ইয়াওকি

এখানে “নানা” মানে হল “সাত”..”কোরোবি” মানে “fall down” …”ইয়াও” মানে “আট”..”কি” মানে হল “stand up/get up”

Literally: Fall seven times and stand up eight.

Meaning: When life knocks you down, stand up / Keep trying.

 

2.সারু মো কি কারা ওচিরু

“সারু”-বানর,কি-গাছ ,কারা-থেকে,ওচিরু-পড়ে যাওয়া

Literally: Even monkeys fall from trees.

Meaning: Anyone can make a mistake.

 

3.জুনিন তৌইরো

এখানে ৪ টা কানজি পাশাপাশি বসে..এইগুলাকে 4 character idioms বলে…

কানজিগুলার মিনিং হলঃ জু-১০,নিন-পারসন,তৌ-১০,ইরো-রং

Literally: ten persons, ten colors.

Meaning: Different strokes for different folks.

 

4. জাকু নিকু কিও শোকু

এটাও একটা 4 character idioms

জাকু-weak, নিকু-meat, কিও-strength/power, শোকু-eating/food

Literally: The weak are meat; the strong eat.

Meaning: Survival of the fittest.

 

5.শিরানু গা হোতোকে

শিরানু-কিছু না জানা আর হোতোকে-বুদ্ধা

Literally: Not knowing is Buddha.

Meaning: Ignorance is bliss. / What you don’t know can’t hurt you.

 

আজকে এই ৫ টাই থাক..নেক্সট লেসনে আরো কিছু idioms and phrases নিয়ে হাজির হব 🙂 মাতা নে.. 🙂

Ghost Hunt রিভিউ — Maruf Raihan

অন্ধকার ঘরে একা থাকলে অনেকেই অজানা কারণে ভয় পেয়ে যান বা তটস্থ হয়ে যান। ভূত!! হ্যা,আমি সেই চিরন্তন সত্তার কথা বলছি যাতে অনেকে শক্তভাবে বিশ্বাস করেন আবার অনেকে লেইম গুজব বলে উড়িয়ে দেন।

এখনই হয়ত ভূত আছে কি নেই তাই নিয়ে ঝগড়া শুরু হয়ে যেতে পারে তাই সেদিকে না যাওয়াই ভাল। তবে এই আত্না,ভূত, প্রেত আর মনস্তাত্ত্বিক ব্যাপারগুলো নিয়ে একটি এনিমের কথা বলা যাক। ৮৯,৯৪ এর লাইট নোভেল থেকে ২০০৭ এর ‘Ghost Hunt’। নাম শুনে যা ভাবছেন,এনিমেটা অনেকটা সেরকমই।

Ghost Hunt

সম্মিলিত কোন কাহিনী হিসেবে নয় এর গল্পের আবর্তন হয় কেস/ফাইল ভিত্তিতে। এক একটি ফাইল যেন স্বতন্ত্র মুভির মত,আর ফাইলগুলোর মধ্যে আন্ত:সম্পর্ক তেমন নেই।মোট ফাইল আছে ৮ টি। এনিমের প্রতিটি এপিসোড শুরু হয় তারিখ আর বার দিয়ে। প্রকৃতপক্ষে একে ‘SPR’ এর দিনপঞ্জিকা বলাও যায়। ‘SPR’ এটা আবার কী- ‘শিবুয়া সাইকিক রিসার্চ’ এর সংক্ষিপ্তরুপ। গল্পের প্রধান চরিত্র শিবুয়া কাজুয়া, SPR এর প্রধান। এই প্রতিষ্ঠানটির কাজই হল এসকল অশরীরী ও মনস্তাত্ত্বিক বিষয়ে গবেষণা আর তদ্রুপ অস্বাভাবিক ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানে অর্থ এর বিনিময়ে কাজ করে। গল্পের আরেক প্রধান চরিত্র তানিয়ামা মাই এর স্কুলই ভাগ্যক্রমে SPR এর ১ম কেসের ঘটনাস্থল হয়ে দাড়ায়। সেখান থেকেই অনেকটা নাটকীয়ভাবেই মাইকেও বেশ জোর করেই SPR এর সদস্য বানায় শিবুয়া।

অনেকেই ভাবছেন ‘খুইজা খুইজা ভূত ধইরা বেড়ায়। ধুর! এই এনিমে আর রিভিউ – দুইটাই ফালতু। ভাবনাটি ১৮০ ডিগ্রি ঘুরিয়ে ফেলুন কেননা আর পাচটা সাধারণ ভূত ধরা ও তাড়ানো সিরিজের মত এই এনিমেটা নয়। ২৫ এপিসোডের এই এনিমেতে সুপারন্যাচারাল একটিভিটির পাশাপাশি খ্রিষ্টীয় ক্যাথলিকদের আত্নাশুদ্ধি থেকে শুরু করে বৌদ্ধ ধর্মতাত্ত্বিক রিচুয়াল এমনকি উপমহাদেশীয় সমাতন প্রেতাচার কেও তুলে ধরা হয়েছে। আর ডিটেকটিভ আর সাইকোলজিক্যাল ভাইব থাকায় এনিমেটা ফার্স্ট ক্যালিবারের নি:সন্দেহে।

শেষের দিকের ফাইলগুলো দেখে বেশ ভয় পেতে পারেন,যদি কঠিন যকৃতের মানুষ না হন। বিশেষ করে ফাইল নং ৭ (The Bloodstained Labyrinth) রাত জেগে না দেখার রিকমেন্ড করবো।

চরিত্রগুলোর মধ্যে শিবুয়া কাজুয়া আর তানিয়ামা মাই ছাড়া তেমন কোন ব্যতিক্রমী এনিমে ক্যারেক্টার নেই। তবে প্রথম দিকে কিছু কিছু চরিত্রকে অথর্ব ও শুধু সং সাজিয়ে রাখা হয়েছে ভাববেন শেষের দিকে তাদের কন্ট্রিবিউশন দেখে অবাক হয়ে যাবেন।

অত্যধিক আন্ডাররেটেড এই এনিমেটি আমার কাছে অত্যধিক ভালো লেগেছে। দেখে ফেলুন,ভালো লাগলে জানাবেন আর ভয় পেলে বা কোন অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে রিভিউদাতা কোনক্রমেই দায়ী থাকবে না :v

—-অনন্য রিকমেন্ডস—-

পুরো এনিমে দেখতে না চাইলে ফাইল ফাইল ভাগ করে দেখতে পারেন:::

ফাইল-১:( এপি. ১-৩)

‘Filled with Evil Spirits?!!’ @Mai’s School

ফাইল-২:( এপি. ৪-৬)

‘Doll House’

ফাইল-৩:( এপি. ৭-১০)

‘The One who curses after School’

ফাইল-৪:( এপি. ১১)

বি:দ্র: না দেখলেও চলবে
A Ghost Story in the Path

ফাইল-৫:( এপি. ১২-১৩)

‘Silent Christmas’

ফাইল-৬:( এপি. ১৪-১৭ )

‘The Forbidden Play’

ফাইল-৭:( এপি. ১৮-২১ )

‘The Bloodstained Labyrinth’

ফাইল-৮:( এপি. ২২-২৫ )

‘The Home of the Curse’

Behind the Voices – 01

কোনিশি কাৎসুইয়ুকি

কণ্ঠ অভিনেতাদের মধ্যে বড় বড় নাম মামোরু মিয়ানো, হিরোশি কামিয়া, ওনো দাইসুকে, জুন ফুকুয়ামা, সাকুরাই তাকাহিরো। তাদের মতই বেশ অভিজ্ঞ এবং বিপুল সংখ্যক রোল করেছেন কোনিশি কাৎসুইয়ুকি। কামিনা, ওগা, হিসাগি শুহেই, ল্যাক্সাস এদের মত ভালো ভালো চরিত্রের কণ্ঠদাতা এই ভদ্রলোক। কিন্তু পাবলিক হাইপ এই লোকটিকে নিয়ে যত হওয়া দরকার তার চেয়ে অনেক কম।

যাই হোক, আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে তার অভিষেক ১৯৯৭ সালে। তার জন্ম ২১ এপ্রিল, ১৯৭৩। আমার কাছে তার সেরা রোল ওগা তাতসুমি, কামিনা আর কমুই লি এছাড়া আরো অনেক রোল ভালো লেগেছে তা হল D-frag!- এর কাযামা কেন্জি, হেতালিয়ায় আমেরিকা যেই রোলটিতে তার ভয়েস শুনার জন্য হেটালিয়ায় আমেরিকার পার্ট এলেই জাপানিজ ডাব্ডটা শুনতাম (ডুয়াল অডিও নামিয়েছিলাম BTW), প্রিজন স্কুলের গাকুতো হিসেবে তার “গোযারু গোযারু” বলার ধরনটা বেশ মজা লেগেছে আর নুরারিহিয়নে রিয়ুজি চরিত্রটিতে তার সিরিয়াস টোন বেশ ভালো লেগেছে।

তার আরো অনেক ভালো ভালো রোল আছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য টোকিও ঘুলে আমোন, তেগামি বাচিতে লার্গো লয়েড, ব্লিচে আরেকটি রোল আসানো কেইগো (এই চরিত্রটিকে আমার বেশ মজা লাগছিলো), আকামে গা কিলে বুলাত, দুরারারার তানাকা টম, স্কিপ বিটে সুরুগা রেন, ব্লাড +-এ হাজি, কিল লা কিলে মোহক থুক্কু কিনাগাসে সুমুগু আর গিন নো সাজির হাচিকেন। এছাড়াও দক্ষতার সাথে আরো অনেক চরিত্রের কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি।

তার গাওয়া কোন গান আমার শুনা হয় নি। কোন আনিমেতেও ওপেনিং-এন্ডিং তার গাওয়া গান শুনিও নাই, সুধু হেটালিয়ায় আমেরিকা চরিত্রটির পরিপ্রেক্ষিতে গাওয়া এন্ডিংটি বাদে।

তার বয়স বর্তমানে ৪২ কিন্তু এখনো অসাধারণ কণ্ঠ অভিনয় করে যাচ্ছেন তিনি। আশা করি ভবিষ্যতে আরো অসাধারণ চরিত্রের কণ্ঠ দিয়ে যাবেন এই সেইয়্যু।

konishi katsuyuki

 

কিতামুরা এরি

আয়া হিরানো, নোতো মামিকো, হোরিয়ে ইয়ুই, কুগিমিয়া রিয়ে, পাকু রোমি এদের মত অনেক ভালো ভালো কণ্ঠ অভিনেত্রী আছে সেগমেন্ট শুরু করার জন্য, তবে আমি কিতামুরা এরিকে দিয়েই শুরু করছি কারণ আমার সবচেয়ে প্রিয় কণ্ঠ অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন তিনি।

আমার কাছে তার কণ্ঠটা বেশ ব্যতিক্রমধর্মী এবং কিউট মনে হয়, আর তার কণ্ঠ দেওয়া চরিত্রগুলির কণ্ঠ শুনলেই বেশ সহজেই ধরা যায়। তার কণ্ঠ দেওয়া আমার দেখা চরিত্রগুলোর মধ্যে যেই কমন ফিচার পেয়েছি তা হল, চরিত্রগুলো সাধারণত প্রাণবন্ত হয় নাইলে বেশ ঢঙ্গী হয়। অবশ্য এক্সেপশনাল কিছু চরিত্র আছে যেমন ওয়ার্কিং আনিমের ইয়াচিও চরিত্রটি।

আর তার গাওয়া কিছু গান আমার বেশ ভালো লাগে, যার মধ্যে আছে নিসেমোনোগাতারির দ্বিতীয় ওপেনিং মার্শম্যালো জাস্টিস এবং সিডোনিয়া নো কিশিএর প্রথম এন্ডিং তেনোহিরা শো। এছাড়া তার গাওয়া বার্থ এবং রি-স্টোরি গান দুটাও আমার বেশ পছন্দের।

১২ আগস্ট,১৯৮৭ শালে তার জন্ম। তার কণ্ঠ অভিনয়ে অভিষেক ২০০৩ সালে। আর এখন মাত্র ২৮ বছর বয়সে এই ট্যালেন্টেড ভয়েস এক্ট্রেস এখন আনিমে ইন্ডাস্ট্রিতে সেরা কণ্ঠ নায়িকাদের মধ্যে একজন। তার সর্বপ্রথম বড় রোল হল ব্লাড + আনিমেটির প্রধান চরিত্র ওতোনাশি সায়া।

তার যে রোলগুলা আমার বেশ ভালো লেগেছে তা হল মোনোগাতারি সিরিজের আরারাগি কারেন, ব্লাড +-এর সায়া ওতোনাশি, ওয়ার্কিং-এর ইয়াচিয়ো তোদোরোকি এবং মাদোকা মাজিকার মিকি সায়াকা। তার আরও কিছু ভালো রোল তোরাডোরার কাওয়াশিমা আমি, H.O.T.D-এর তেনসাই শোজো তাকাগি সায়া, ইয়ামাদা-কুনের ওদাগিরি নেনে, Angel Beats-এর ইয়ুই, ব্লু এক্সোরসিস্টের ইযুমো, দুরারার ওরিহারা মাইরু, ফেইরি টেইলের কানা এবং একুইরিয়াস, তাসোগারে ওতোমে আম্নেশিয়ার কিরিয়ে কানোএ, ব্ল্যাক রক শুটারের কাগারি।

ওহ আর তার শখ হল মাঙ্গা আঁকা,তিনি ছোট বেলা অভিনয়ের পাশাপাশি মাঙ্গাও আঁকতেন। তার আরেকটা জিনিস আমার ভাল্লাগে সেটা হল সে কিন্তু ভয়েস এক্টিং শুধু বেতনের জন্য করে না তার এই পেশার প্রতি ছোট বেলা থেকেই একটা আলাদা টান ছিল এবং এর জন্য তার কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে অনেক। সামনেও যাতে সে আরও ভালো ভালো চরিত্রের রোল পায় সেটাই আমার আশা রইল। একটা জিনিশ খেয়াল করলাম তার রোলগুলার মধ্যে দেখি সায়ায় ভরা মানে দুইটা সায়া আর একটি সায়াকা।

kitamura eri

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – পঞ্চবিংশতম পাঠ

অনেকদিন পোস্ট দেয়া হয় না … আজকে অনেকদিন পর কানজি নিয়ে আবারও হাজির হইছি

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি “dog” এর কানজি .. এটার উচ্চারণ হল “ইনু/কেন”

inu-ken

এমনিতে “ইনু” মানে হল “কুকুর”
“কো ইনু-puppy”
“ইনু জিনি সুরু-die in vain”
এসব ক্ষেত্রে “ইনু”র জায়গায় এই কানজি টা বসে.. ওয়ান পিসে “আকাইনু” (লাল কুত্তা) আছে 😛

মৌকেন-রাগী কুকুর
বানকেন-watch dog
এখানে “কেন”এর জায়গায় এই কানজি টা বসে..

এই কানজি টা সোজা আছে…সহজেই লিখা যায়.. মানুষের কানজির সাথে কিছুটা মিলও আছে.. আজকে এপর্যন্তই থাক..মাতা নে..

Noragami রিভিউ — Maruf Raihan

অনেক সুপার হাইপ এনিমে দেখতে অভ্যস্ত হয়ে যদি গিয়ে থাকেন তবে একটু শর্ট ঠাণ্ডা গল্পের এনিমে দেখলে ক্ষতি কি!!

কম্পিউটার অন রেখে একবার বাইরে গেলাম ফ্লেক্সিলোড করতে।এসে দেখি আমার ৭ বছর বয়সী খালাতো ভাই কম্পিঊটারে কি জানি একটা ভিডিও ছেড়ে হা করে দেখছে,গিলছে বললেও ভুল হবে না। আমি ওকে বুঝতে না দিয়ে পিছন থেকে উকি মেরে দেখতে লাগলাম যে কি দেখছে ও,দেখি এনিমে চলছে কোন একটা,কালো কাপড় পড়া একজন বিশাল লম্বা এক তলোয়ারের মত কিছু একটা নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে আর ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে সামুরাই টাইপ মিউজিক। আর এভাবেই আমার দেখা শুরু Noragami……

এনিমের গল্পের কেন্দ্রবিন্দু হল প্রধান চরিত্র ইয়াতো-গামি।আরও রয়েছে ইকি হিয়োরি,ইউকিনে সহ আরো অনেক মুখ……

ইয়াতো এক ভবঘুরে গড যে তার উপাসক ও ভক্তের খোঁজে আত্নভোলা,তার স্বপ্ন। আর এজন্য সে বিড়াল খোঁজা থেকে শুরু করে বাথরুমের ট্যাপ ও ঠিক করার কাজ করতেও রাজি। আর অনেকটা অদ্ভুতভাবেই ইকি হিয়োরি সহ অন্যান্য চরিত্রের আগমন ঘটে।

এনিমের শুরুটা বেশ অগোছালো লাগলেও পরবর্তীতে তা অনেকটা মানানসই হয়ে গেছে।কিন্তু এই এনিমের প্রথম এপিসোড দেখার পর ‘খারাপ না তো।পরের এপিসোড টা দেখা যাক’ এটা ভেবেই এনিমেটা দেখা শুরু করতে পারেন,অন্তত আমার সাথে এমিনটিই হয়েছে।

মানগাতে আহামরি কোন অতিরিক্ত ডিটেইলিং নেই।আর এনিমেটির ক্যারেক্টার গুলোর মুখমণ্ডল অনেকটা ছোকলা ছাচা নাশপাতির মত দেখতে,কিছু কিছু দৃশ্যে মনে হবে যেন নাককাটা পড়েছে সবার।

এনিমেটির শেষের দিকে একটি অনন্য প্লট টুইস্ট আছে যা শুরুর দিকে ইয়াতো চরিত্রের ইমেজ আপনার কাছে পুরোপুরি পালটে দেবে এবং ১২ পর্বের এনিমেটি উপভোগ করতে শুরু করবেন।

১২ এপিসোড গল্পের তুলনায় খুবই কম সময়।তাছারা অতি সমালোচকরা তো MAL এ রীতিমতো একে ‘অল্প এপিসোডের জগাখিচুড়ি’ বলেছেন,তবে আশ্বস্ত করতে পারি এতটা খাপছাড়া এই এনিমেটা নয়।

আর যাই হোক…. টাইম ওয়েস্ট মনে হবে না…..

আর দৃঢ় ইচ্ছা ও প্রতীক্ষা থাকলেও Noragami ২য় সিজন বের হবে কি না তা এখনও অস্পষ্ট……

#এনিমে: Noragami
#এপিসোড: ১২
#জেনরা: একশন,এ্যাডভেন্চার,শোউনেন,সুপারন্যাচারাল
#স্টুডিও: বোনস মাল্টিমিডিয়া
#MALস্কোর: ৮.১৫
#ব্যক্তিগত_রেটিং: ৭.৪

Noragami

Hotarubi no Mori e রিভিউ — Amor Asad

Hotaru 1

Hotarubi no Mori e
(হোতারু বিবির মৃত্যু নাই 😉 )
AKA Into the Forest of Fireflies’ Light (2011)

এই অ্যানিমে আমাকে বানাতে দিলে আমি নাম দিতুম, “হারিয়ে যাওয়া দিনগুলো’, যেন মুভি শেষ করে দর্শক নামটা দেখে কাহিনীর সাথে মনে মনে সংযোগ করে নিতে পারে।

সারসংক্ষেপঃ ছোট্ট দুরন্ত এক বালিকা Hotaru, বয়স মাত্র ছ’বছর, ছুটোছুটি করতে করতে জঙ্গলে হারিয়ে গেলো। যে সে জঙ্গল না, কথিত আছে, এখানে নাকি মাউন্টেইন গড এবং স্পিরিটদের বসবাস।
Hotaru উদ্ধার পেলো, কিন্তু সেই সাথে একজন বন্ধুও জুটিয়ে ফেললো। তবে সময় নামক বেরসিক হতচ্ছাড়াটা বাগড়া না বাঁধালে বোধকরি ভালোই হত। আর না বলি, স্পয়লার দেয়া হয়ে যাবে। এমনিতেই রানটাইম অনেক কম।

Hotaru 2

অ্যানিমে শর্ট ফিল্ম কালে ভদ্রে দেখা হয়। পূর্ণদৈর্ঘ্য অ্যানিমে ছায়াছবির চেয়ে শর্ট ফিল্ম গুলোতে স্বভাবতই কম সময় পাওয়া যায়; এ অল্প সময়ে পরিপূর্ণ কোন ভাব প্রকাশ করা চাট্টিখানি কথা না।
উৎরে গেছে Hotarubi no Mori e. গল্পে কোন ইন্টেনসিটি নেই, অতিরিক্ত ভাবাবেগ নেই; বরঞ্চ একটা মানানসই প্রাঞ্জলতা কাজ করছে। মুভির গল্পকথন আপনাকে চেয়ারে আঠা মেরে রাখবে না, আবার উঠে যাওয়ার অনুমতিও দিবে না। ক্যারেক্টার ইন্ট্রোডিউস করতেও বাড়তি সময় নেয়া হয়নি, কাহিনী এগোনোর তালেই দর্শক ঠাওর করতে পারে।

প্রধান চরিত্র Hotaru সিনেমার শুরুতে অতীত-কীর্তন শুরু করে অর্থাৎ, শুরুটা ন্যারেটিভ ভঙ্গিমার। এবং একটা সময়ে কাহিনী ক্যাচ আপ করে বর্তমান সময়ে চলে আসে। গোটা সিনেমার কাহিনীর সাথে ফিল্ম এডিটিং এর এই অনিবার্য মিল খেয়াল করে বেশ মজা পেলাম।

তবে সময়কে অনুভব করার শিক্ষা পেলাম নতুন করে। অযথা দুশ্চিন্তা করে লাভ নাই বাহে, এসো বর্তমানে বাচি।

আমার রেটিং ৮.৫/১০

Hotaru 3

Tokyo Ghoul Anime vs Manga — Rezo D. Skylight

TG

টপিকটি শুরু করার পূর্বে আমি বলে নিতে চাই আমি Tokyo Ghoul এনিমের দুইটা সিজনই দেখেছি, সাথে মাঙ্গাও পড়েছি। তবে মাঙ্গাটা আমি আগে পড়েছি তারপর এনিমেটা দেখেছি।

টপিকঃ Tokyo Ghoul Anime vs Manga / Tokyo Ghoul Complete Review.

আলোচনা শুরু করি Tokyo Ghoul এর এনিমে দিয়েই। গতবছর যখন Tokyo Ghoul এর এনিমে বের হল তখন এটি প্রায় সব Anime Community তে তুমুল সাড়া জাগিয়েছিল। অনেকেরই ধারণা ছিল যে এটি বছরের সেরা এনিমে হতে যাচ্ছে। কিন্তুু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে “Studio pierrot” Tokyo Ghoul কে পুরুপুরি নষ্ট বানিয়ে ফেলেছে। সোজা কথায় বলতে গেলে যাকে “Trash adaption” বলা হয়ে থাকে। এখন যারা শুধু এনিমে দেখেছেন অনেকেই ভাবছেন যে, “কই কাহিনী তো ভালোই ছিল, Trash adaption হল কিভাবে?” আমি এখন সেটাই ব্যাখ্যা করবো।

Tokyo Ghoul (Anime 1st season):
শুরুর এপিসোডটা খারাপ ছিল না যদিও ৬ চ্যাপ্টার মিলে এপিসোডটি বানানো হয়েছিল। কিন্তু এর দুই তিন পর্বের পরেই পুরো “Dove Arc” টা বাদ দিয়ে পরের আর্কটা শুরু করেছিল। আবার সেই আর্ক শেষে আবার “Dove Arc”টা লাস্টের দিকে নিয়ে এসেছে। এরপর কয়েকটা আর্ক বাদ দিয়ে একেবারে “Aogiri Arc” এর লাস্টের দিকের কাহিনী দেখানো হয়েছে। বলতে গেলে পুরা কাহিনীকে জগাখিচুড়ি বানিয়ে ফেলেছে। আর শেষ এপিসোডের কানেকির চুল সাদা হয়ে যাওয়া দেখে আমার বেশ হাস্যকর লেগেছিল। আমি শুধু বলেছিলাম, “এইটা কিছু হইলো? কি জিনিসকে কি বানায় ফেলছে এরা। এত দ্রুত চুল সাদা বানায়ে ফেলল।” যাই হোক এনিমের ১ম সিজনটা প্রচণ্ড বাজে ছিল। মাঙ্গার পুরো ৬৫ চ্যাপ্টার মিলে ১২ এপিসোডের একটা এনিমে বানাতে গেলে কেমন হবে এইবার বুঝে নিন। তবে “Unravel” গানটা আর OST গুলো ছিল প্রশংসা করার মতো, এতে আমার কোন অভিযোগ নেই।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 8.11
বেক্তিগত রেইটিং: 4/10

Tokyo Ghoul √A (Anime 2nd season):
Tokyo Ghoul √A এর কথা বলতে গেলে আমি বলব এইটা ছিল Tokyo Ghoul এর “Spin-off” সিরিজ ছাড়া কিছুই না। এর সাথে মাঙ্গার কাহিনীর কোন মিল নেই। সম্পূর্ণ আলাদা রুটে তৈরি কাহিনী। “√A” বলতে “Root Aogiri” বুঝানো হয়েছে। যদিও এর কিছু কিছু জায়গা মাঙ্গার কাহিনীর সাথে মিলে গিয়েছিল। তাও কাহিনীটা কেমনজানো খাপছাড়া টাইপের ছিল। ওভারঅল আমার কাছে তেমন ভালো লাগেনি। এর থেকে মাঙ্গার ষ্টোরি রুট হাজার গুনে ভালো ছিল।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 7.59
বেক্তিগত রেইটিং: 3/10

Tokyo Ghoul (Manga):
এখন মাঙ্গার কথা শুরু করি। বলতে গেলে মাঙ্গাটা আমার পড়া “মাস্টারপিছ” মাঙ্গাগুলার মধ্যে একটা। মাঙ্গার কাহিনীর সিকুয়েঞ্ছ ঠিক ছিল, সবকিছু ঠিকঠাক মতো এক্সপ্লেইন করা হয়েছিল। যেমন-

[এরপর থেকে পড়লে সতর্ক থাকুন। কিছু মাইনর স্পয়লার রয়েছে। স্পইলার এড়িয়ে পড়তে চাইলে একেবারে শেষের “>” পেরাটি পড়ুন।]

১. এনিমেতে কানেকির কোন ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট দেখানো হয় নাই। মাঙ্গাতে
Yomo আর Touka মিলে কানেকিকে ফাইটিং স্কিল শিখেয়েছিল। এনিমেতে তার সিংহভাগ অংশ স্কিপ করা হয়েছে। এছাড়া আরও বহুত ফাইটিং সিন এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। মাঙ্গাতে এগুলো ঠিকমতো দেখানো হয়েছে।

২. Dove আর্কের পর কতগুলো আর্ক ছিল। যা এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। আর্কগুল খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

৩. Amon, Nishiki, Akira, Suzuya সহ আরও অনেক ক্যারেক্টারের ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। এই ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরিগুলো মাঙ্গায় খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।

৪. “Aogiri Arc” এর শতকরা ৫% কাহিনী এনিমেতে দেখানো হয়েছে। শুধু জেসন কানেকিকে ধরে নিয়ে টর্চার করে সেই সিনটুকু দেখিয়েছে। কিন্তু মাঙ্গাতে এর অনেক কাহিনী এক্সপ্লেইন করা হয়েছে। আর কানিকির চুল এনিমের মতো হটাত করে সাদা হয়ে যাইনি। মাঙ্গাতে ধীরে ধীরে ওর মাথার চুল সাদা হতে থাকে প্রতিনিয়ত মানুষিক ও শারীরিক টর্চারের কারনে। একসময় সে বাস্তবতা বুঝতে পেরে সে মানুষিক ভাবে পরিবর্তন হয়ে পরিণত হয় নতুন কানেকিতে।

৫. এরপর “√A”তে Ayatoর সাথে নামমাত্র ফাইটিং দেখিয়েছে। আর আপনারা মাঙ্গাতে সেই ফাইটিং সিন দেখলে মানব শরীরের ২০৬ টা হাড়ের নাম মুখস্ত হয়ে যাবে।

> এরপর আর কাহিনীর মিল নেই। আর মাঙ্গার কাহিনীও আর বলছি না। বাকিটুকু আপনারা মাঙ্গাটা পড়ে জেনে নিয়েন। আমি রিকোয়েস্ট করবো মাঙ্গাটা একেবারে ১ম চ্যাপ্টার থেকে পড়ার জন্যে। তাহলে ওরিজিনাল “Tokyo Ghoul” এর কাহিনী উপভোগ করতে পারবেন। এইটা সত্য মাঙ্গাটা ভালো হওয়া সত্তেও এনিমের কারণে ঢাকা পড়ে গিয়েছে এবং মানুষজন Tokyo Ghoul নিয়ে অনেক নেগেটিভ মন্তব্য করছে। আর এই উদ্দেশেই আমি এই টপিকটি লিখলাম Tokyo Ghoul নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করার জন্যে।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 8.79
বেক্তিগত রেইটিং: 9.5/10

*F.A.Q-

১. কানেকির চুল হটাত সাদা হয়ে যাওয়ার কারণ কি? এর কোন এক্সপ্লেনেশন আছে?
=> কানেকির আসলে “Marie Antoinette syndrome”-এ ভুগেছিল। এইজন্যই তার চুল হটাত সাদা হয়ে গিয়েছে। প্রচণ্ড মানুষিক চাপ, ভয়, দুঃখ ইত্যাদি কারণে চুলের সাদা রঙের জন্য দায়ী হরমোনগুলো অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। আর এই কারণেই হটাত চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। [ তথ্যসূত্র –https://en.wikipedia.org/wiki/Marie_Antoinette_syndrome ]

২. Tokyo Ghoul এর মাঙ্গাকা Ishida Sui এর আসল পরিচয় কি?
=> এখনো তা জানা সম্ভব হয়নি। কারণ সে এখনো মানুষের সামনে অফিসিয়াল ভাবে দেখা দেয়নি। এজন্য তার পরিচয় এখনো গোপন রেয়েছে।

৩. কানেকি যে বইগুলো পড়ে সেগুলো কি আসলেই আছে?
=> ‘The Black Goat’s Egg’ এর মতো আরও কিছু কিছু কাল্পনিক বই ছিল। কিন্তুু কিছু বই আসলেই আছে। যেমন- Franz Kafka’s ‘Crossbred’ এবং Brothers Grimm’s ‘Grimms Märchen’ বইদুটি আসলেই আছে।

ধন্যবাদ এত কষ্ট করে লিখাটা পড়ার জন্য। আশা করি আপনারা মাঙ্গাটা পড়ে দেখবেন।