এফ এ সি ১৭

রান্ডম টপিক

শিজু [四獣]

 

 

ফোর বিস্টের রেফারেন্স প্রচুর আনিমেতে পাবেন, ফুশিগি ইউগী, বেব্লেড, তরিকো, ইউ ইউ হাকুশো ইত্যাদি। তবে এর অরিজিন কিন্তু জাপানে না, চীনে। চাইনিজ মিথোলজিতে শিজু বা ফোর বিস্ট দিয়ে মূলত ৪টা প্রানীকে বোঝায়, যারা চাইনিজ সাম্রাজ্যকে রক্ষা করে. প্রতিটি প্রানী একটি করে দিক এবং একাধিক এলিমেন্ট রেপ্রেসেন্ট করে, যেমন সেইরিউ[ব্লু ড্রাগন]- পূর্ব-কাঠ, গেনবু[কৃষ্ণ কাছিম]-উত্তর-পানি, বিয়াককো[শ্বেত ব্যঘ্র]-পশ্চিম-ধাতু, সুযাকু[ফিনিক্স]-দক্ষিণ-অগ্নি। এছাড়া আরো একটি প্রাণী চাইনিজ সাম্রাজ্যকে রক্ষা করে সবার মাঝে থেকে, সেটি হচ্ছে ইয়েলো ড্রাগন। এগুলো মূলত এস্ট্রোলজিক্যাল ব্যাপারস্যাপার। এই ব্যাপারে আরো বেশি কিছু জানার আগ্রহ থাকলে এই লিঙ্কে যেতে পারেন, এছাড়া গুগল তো আছেই। http://www.onmarkproductions.com/html/ssu-ling.shtml

 

 

আনিমে সাজেশন

গোস্ট হান্ট[Ghost Hunt]

 

 

”দুর্ঘটনা”চক্রে সাধারণ মেয়ে তানিয়ামা মাই জড়িয়ে গেল পেশাদার এক্সরসিস্ট শিবুইয়া কাজুইয়ার সাথে। আস্তে আস্তে মাই বুঝতে পারল, বন্ধুদের সাথে ভূতের গল্প শেয়ার করা বেশ মজার হলেও আধিভৌতিক ব্যাপার-স্যাপার আসলে এত সহজ নয়, এতে পদে পদে আছে রক্তজল করা সব অভিজ্ঞতা।

 

কেন দেখবেনঃএটা রেয়ার সেসব হরর আনিমের একটা, যাতে হরর কন্টেন্টকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। ভৌতিক সিকোয়েন্সগুলোর সাথে উপযুক্ত আবহ সঙ্গীত, আর সেই সাথে রোম খাড়া করে দেয়া ওপেনিং থিম. http://www.youtube.com/watch?v=eHaxcnHRJoc

কেন দেখবেন না:না দেখার তেমন কোনো কারণ নেই.

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.১৪

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

আজকে দুটো ওয়ান শট সাজেস্ট করব.

 

আদাবানা[Adabana]

 

ম্যাল রেটিং ৭.২৮

আমার রেটিং ৭

 

 

আকুমা গা কিতারিতে[Akuma ga Kitarite]

 

ম্যাল রেটিং ৭.৬৪

আমার রেটিং ৮

 

 

ওয়ান শট বলে আর ইউজুয়াল কাহিনী সংক্ষেপ ইত্যাদি বলছি না, অল্প ৩০-৪০ পেইজের, সাজেস্ট করব এখনি পড়ে এসে মতামত জানাতে।

আর এই দুটো ওয়ান শটের কাহিনীর সাথে খুবই জনপ্রিয় দুটো আনিমের মিল আছে.

 

Samurai Champloo reaction by Monirul Islam Munna

সামুরাইদের নিয়ে এনিমে দেখতে গেলেই, সব সময়ই মনে করতাম যে এনিমেটা হবে খুবই ফাস্ট ধরণের আর অস্থির একশন, sword fight,ব্যাডএস character ভরপুর কিছু। কিন্তু Samurai champloo দেখে আমার সেই ভুল ভাঙল।

মূলত ৩ চরিত্র মুগেন, জীন আর ফু কে নিয়েই এনিমেটা। কিন্তু একজন থেকে একজনের দূরদুরান্তে কোন মিল নেই। মুগেন ruthless, মাথা নষ্ট একটা character আর জীন ঠাণ্ডা মাথার, cool একটা সামুরাই। অন্যদিকে ফু খুবই সাধারণ, cute , sweet মেয়ে

এক রহস্যময়ই সামুরাইর খোজে মত্ত ছিল ফু। আর ভাগ্যের জের ধরেই, ফু এর সেই যাত্রার মধ্যে পরিচয় জীন আর মুগেনের সাথে। ২ মেরুর ২জগতের বাসিন্দা হলেও, সেই রহস্যময়ই সামুরাইর খোজে যোগ দেন ২জন। যাত্রাটাকে বেশ সুন্দর একটা adventure হিসেবে দেখানো হয়েছে এনিমেটাতে। লম্বা সময়ের সেই যাত্রায় হরেক রকমের যায়গায়,হরেক রকমের মানুষের সাথে হরেক রকমের অনুভূতি ছিল। কেমন যেন একটা উনিকনেস আছে এর কাহিনীর মধ্যে।

এনিমেটার উনিকনেস যেন সব কিছুতেই ছিল,কমেডিগুলো, ফু এর facial expression আর বিশেষ করে OST গুলা। একবার শুনলে বার বার শুনতে ইচ্ছা করবে। আমার সব চেয়ে বেশী পছন্দের OST এখন এটাঃ http://www.youtube.com/watch?v=9lhqg-hO61Q

খুব ফাস্টও না, আবার খুব স্লোও না,কিছুটা ঠাণ্ডা ধাঁচের মজার একটা এনিমে। খালি একশন না দেখে, ভালো কাহিনী সহ কোন সামুরাই/একশন based এনিমে দেখতে চাইলে সামুরাই চাম্পলো অবশ্যই দেখা উচিৎ। খুবই ভালো সময় কাটবে নিশ্চিত।

MAL rating 8.51
My Rating 8.2

স্পেস ব্রাদার্স-নতুন এক ভুবন by Monirul Islam Munna

 

মাত্র ১২ এপিসোড দেখেছি , কিন্তু এনিমেটা নিয়ে লিখতে প্রচণ্ড ইচ্ছা করল, তাই লিখতে বসে গেলাম 

খুব কম এনিমের ১ম এপিসোড দেখেই মনে ধরে যায়, ‘স্পেস ব্রাদার্স’ সেই বিরল লিস্টের ১ম দিকে থাকবে কোন সন্দেহ নেই। এনিমেটার মধ্যে কেমন যেন একটু আলাদা স্বাদ আছে, প্রতি এপিসোড দেখলেই একই রকম একটা তৃপ্তি পাওয়া যায়, আর কেন যেন মন ছুঁয়ে যায়।

এনিমেটা মুলত ২ভাই ‘নানবা মুত্তা’ আর ‘নানবা হিমিত’কে নিয়ে। ছোট থেকেই ২জনের মন জুড়ে ছিল, আমাদের মাথার উপর বিস্তর এই রহস্যময়ই মহাশুন্য। কখনও মহাশূন্য নিয়ে কিছু দেখলেই কে পায় তাদের, এর মধেই হারিয়ে যেত ২জন!!! যে ছোট্ট মনের মধ্যে খেলনা ,খেলাধুলা নিয়ে মেতে উঠার মজার স্মৃতি ভরপুর থাকার কথা, সেই মনের মধ্যে শুধু ভিড় করছে মহাশূন্য নিয়ে খুঁটি নাটি কত তথ্য,কত রহস্য। একদিন রাতে আকাশের মধ্যে গোলাকার কি যেন একটা দেখতে পেল ২জন, ধরেই নিল কোন ‘UFO’ দেখেছে ওরা। সে দিন পন করেই বসলো, ২জনকেই নভোচারী হতেই হবে।

ছোটবেলায় থেকে মুত্তা মেধার জ্যোতি ছড়ালেও, ছোট ভাই হিমিত,বড় ভাই মুত্তার চেয়ে একটু পিছিয়ে ছিল। একটু কম মেধাবী থাকলেও, প্রতি পদক্ষেপে হিমিতর ছায়ার মত হয়ে থাকতো মুত্তা। পড়ালেখার খুঁটিনাটি ধড়িয়ে দেওয়া, মেথে সাহায্য সবই করতো মুত্তা। আস্তে আস্তে ভালো করতে শুরু করল হিমিত। কিন্তু বড় ভাই মুত্তারও একটা আদর্শ ছিল, ‘বড় ভাই হিসেবে কখনও পিছিয়ে থাকা যাবে না ছোট ভাইয়ের থেকে, অবশ্যই এগিয়ে থাকতে হবে।’ কিন্তু সময়ের সাথে হিমিত নভোচারী হয়ে গেলেও, পিছিয়ে পরে মুত্তা। পিছিয়ে থাকলেও অনেক বছর পর আবার নভোচারী হওয়ার এক সুযোগ পায় মুত্তা। কিন্তু এতো দিন পর, এতো প্রতিযোগিতার মধ্যে, কঠিন পরীক্ষার মধ্যে দিয়ে নভোচারী হওয়ার ছোট বেলার সেই পন কি রক্ষা করতে পারবে মুত্তা??

এনিমেটার এপ্রোচটা খুবই উনিক লেগেছে আমার কাছে, সাথে মুত্তা চরিত্রের ভয়েস এক্ত্যরও প্রশংসা না করে পারলাম না। ইমসনটা এমন ভাবে ফুটিয়ে তুলে ভয়েস শুনেই হাসতে বাধ্য হবেন!! সাথে এনিমেজুড়ে রহস্যময়ই মহাকাশ, ‘NASA’,’JAXA’ আরও কত কিছু জানতে পারবেন। নতুন এক ভুবনের সাথে জড়িয়ে ফেলে এনিমেটা।

Barefoot Gen(1983) রিভিউ লিখেছেন মেঘময়

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রায় শেষের দিকে, সবার প্রত্যাশা এবার যুদ্ধ শেষ হবেই। জাপানের জনগন তাকিয়ে রয়েছে তাদের সরকারের দিকে, কখন সরকার যুদ্ধ শেষ হবার ঘোষণা দেবে। কিন্তু জাপান সরকার নির্বিকার। জনগন এদিকে অভাব অনটনে নিক্ষিপ্ত। সরকারি ration প্রয়োজন অনুযায়ী একেবারেই সামান্য। এইরকম অভাব অনটনে নিক্ষিপ্ত পরিবার এর সদস্য Gen. Gen,তার মা বাবা, বড়বোন আর এক ছোট ভাইকে নিয়েই এই গল্প শুরু হয়। Gen এর বাবা নানা রকম কাজ করে তার পরিবারের চাহিদা মিটাতে বদ্ধপরিকর। কারন gen এর মা আবার অন্তঃসত্ত্বা। নতুন অতিথি কে বরন করবার জন্য gen আর তার ভাই সবসময়ই চিন্তা করে। কিন্তু Gen এর জীবনে নেমে আসে এক নির্মম দুঃখ। আর সেই দুঃখের নাম পারমানবিক বোমা। পারমানবিক বোমা কেরে নেয় Gen এর হাসি। ভাজ্ঞক্রম্রে বেচে  যায় তার মা। কিন্তু বোমার radiation চারদিকে মৃত্যুর হাহাকার তোলে। Gen কি পারবে তার মাকে বাঁচাতে? পারবে কি তার সদ্য জন্ম নেয়া ভাই কে বাঁচাতে? জানতে হলে দেখতে হবে Barefoot Gen.

              454


মুভিটা দুই পার্ট এ বিভক্ত। Barefoot Gen এর সাথে যদি আমি Ghibli এর “grave of the fireflies” এর তুলনা দেই তবে আমি বলব Barefoot Gen একটু হলেওএগিয়ে থাকবে tragedy এর দিক থেকে। Grave of the fireflies যেখানে simplicity বজায় রেখে তার গল্প সম্পন্ন করেছে সেখানে আপনি হয়ত বলতে পারেন Barefoot Gen এর স্টোরি slow আর incomplete। তবে আপনি যদি এইসব বাদ দেন তবে Barefoot Gen দেখার মত একটি মুভি এবং একটি masterpiece.

 

 

545

 

একনজরে Barefoot Gen:

 

Director:Mori Masaki(Mamoru Shinzaki)

Writer:Keiji Nakazawa(manga)

Release Date: 1983

IMDB rating:8.1

MAL Rating: 8

My rating:8.6

 

         989

 

সামার ওয়ার্স (summer wars) লিখেছেন Torsha Fariha

 1513308_725623344116479_1745633721_n
ডিরেক্টর- মামোরু হোসোদা। (যার কিছু বিখ্যাত মুভির নাম- the girl who leapt through time, wolf children ইত্যাদি।)

জানরা- সায়েন্স-ফিকশন।

IMDb rating- 7.6

প্লট- এই গল্পের নায়ক নায়িকা হচ্ছে কেনজি আর নাৎসুকি। তারা দুইজনই একই হাইস্কুলে পড়ে। কেনজি পার্টটাইম মডারেটর হিসেবে কাজ করে একটা ইন্টারনেট বেইজড ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ড ‘OZ’ এ। নাৎসুকি হচ্ছে স্কুলের খুব বিখ্যাত একটা মেয়ে । কেনজির সেনপাই।

এক গ্রীষ্মে সে কেনজি আর তার ফ্রেন্ড তাকাশিকে বলে তারা একটা পার্টটাইম জব করবে কিনা! যে কোন একজনকে দরকার তার। গ্রামে যেতে হবে তার সাথে। দুইজনই তো শুনে সাথে সাথে রাজি! পরে রক-পেপার-সিসর খেলে সুযোগটা জিতে নেয় কেনজি।

গ্রেট-গ্র্যান্ডমাদার সাকায় জিন্নোচির ৯০ তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে নাৎসুকি গ্রামের বাড়ি যাচ্ছে। সেই সাথে আছে কেনজি যে তখনো বুঝেনি তার পার্টটাইম জবটা কি!
যা হোক পৌঁছানোর পর জানা গেল আসল কাহিনীটা কি! নাৎসুকি কেনজিকে ধরে নিয়ে এসেছে তার ফিয়ন্সে হিসেবে অভিনয় করার জন্য!

কেনজি হতভম্ব হয়ে দেখতে থাকল আশেপাশের পরিস্থিতি। ইয়া বিশাল একটা বাড়ি নাৎসুকির আত্মীয়-স্বজনে ভর্তি! এঁদের মাঝে তাকে অভিনয় করতে হবে বয়ফ্রেন্ড হিসেবে!

যা হোক কোনোমত সামলে নিয়ে ঘুমাতে গেল সে। রাতে হুট করে তার ফোনে একটা দুর্বোধ্য সংখ্যায় ভর্তি মেসেজ আসলো। ম্যাথ পাগলা কেনজি সাথে সাথে বসে গেল সলভ করতে। সলভ করে সেটা সে পাঠিয়ে দিল রিপ্লাই হিসেবে।

পরদিন সকালে কেনজি জানতে পারলো আসলে গতরাত্রে সে ‘OZ’ এর পাসওয়ার্ড সলভ করে একজনকে পাঠিয়ে দিয়েছে। ‘লাভ মেশিন’ নামে এক আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স কেনজির অ্যাকাউন্ট আর তার অ্যাভাটার ইউজ করে ‘OZ’ এর ইনফ্রাস্ট্রাকচার হ্যাক করে ফেলে। যার ফলে সারা পৃথিবীতে নানারকম সমস্যা শুরু হয়।

কেনজি বুঝতে পারে সে যদি এই লাভ মেশিনকে থামাতে না পারে তবে সামনে আরও বড় বিপদ হবে। তাই সে, নাৎসুকির কাজিন কাজুমা আর নাৎসুকির বিশাল পরিবার নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ে এক যুদ্ধে- যে যুদ্ধ পিসির চারকোণার পর্দার ভেতর সীমাবদ্ধ হলেও এর উপর নির্ভর করে আছে পুরো পৃথিবীর ভবিষ্যৎ।

সংক্ষেপে এই হল কাহিনী। সত্যি বলতে যেমন জটিল শুনাচ্ছে কাহিনীটা আসলে দেখলে সেরকম মোটেও মনে হবে না। নাম সামার ওয়ার্স হলেও এটা কোন সিরিয়াস ধরনের মুভি না। বরং খুবই মজার, হালকা মেজাজের। পৃথিবীর এত বড় বিপদের মাঝেও তারা যেমন মন-প্রাণ ঢেলে সেটা ঠেকানোর চেষ্টার করছে তেমনি মজা-মস্করাও করছে। এই মুভির মূল থিমটাই হল- একতাই বল।

নাৎসুকিদের জিন্নোচি ক্ল্যান টা দেখে আপনি একবার হলেও আফসোস করবেন ‘ইশ! এরকম একটা জয়েন্ট ফ্যামিলি যদি থাকতো আমার!’ হ্যা। আমারও সেরকম মনে হয়েছে। সবাই হাত-পা ছড়িয়ে গল্প করছে, কাজ করছে, একসাথে খাওয়াদাওয়া করছে- ইশ! কি মজারই না ব্যাপারটা ! অ্যানালগ আর ডিজিটাল- দুই রকম ওয়ার্ল্ডের এত সুন্দর সমন্বয় আর কোথাও দেখিনি এখন পর্যন্ত!
একদম স্বপ্নের মত সুন্দর, হাশিখুশি আর রঙিন মুভিটা।

 

1512250_725623977449749_967160331_o

ডি-ফ্রয়াগ(মেন্টস) [D-Frag(ments)] অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

ডি-ফ্রয়াগ(মেন্টস) [D-Frag(ments)]
জনরা: কমেডি, সেইনেন, স্কুল
প্রচার শুরু: ৭ জানুয়ারী, ২০১৪
পর্ব: অজানা

কাজামা কেনজি, স্কুলের ডেলিঙ্কুয়েন্ট নেতা। কিন্তু চিতোসে, সাকুরা, মিনামি, রোকি ― চারজন উদ্ভট মেয়ে তাকে বাধ্য করে তাদের ‘গেম ক্রিয়েশন ক্লাব’-এ যোগ দিতে! তার গ্যাঙ্গকে নিয়ে কাজামার সাধাসিধে স্কুল জীবন পাল্টে যায় আগাগোড়া।
১ জন ছেলে, ৪ জন মেয়ে; কিন্তু হারেম না! রোমান্স-ও সেভাবে নেই! কমেডিটাই এর মূল আকর্ষণ। কাজামা আর তার ক্লাব সদস্যদের স্কুল জীবনে ঘটা বিভিন্ন মজার, বিব্রতকর আর অদ্ভূত ঘটনা কেন্দ্র করেই এই ‘মানজাই’, যাকে বলা যায় একপ্রকার জাপানিজ স্ট্যান্ড-আপ কমেডি।

প্রত্যাশা: ৭-৮

সৌল ইটার নট![Soul Eater Not!] অ্যানিমে প্রিভিউ/ফাহিম বিন সেলিম

সৌল ইটার নট![Soul Eater Not!]

জনরা: কমেডি, শৌনেন, সুপারন্যাচারাল
প্রচার শুরু: ৬ জানুয়ারী, ২০১৪
প্রযোজক: বোনস
পর্ব: অজানা

বহুল জনপ্রিয় শৌনেন অ্যানিমে সৌল ইটারের স্পিন-অফ। যার কাহিনী গড়ে উঠেছে ফ্রেশ্মেন সুগুমি হারুদরি আর তার দুই মাইস্টার বন্ধু মেমে তাতানে ও আনিয়া হেপবার্নকে কেন্দ্র করে। যারা DWMA তে যোগ দেয় NOT(Normally Overcome Target) ক্লাসের অংশ হিসেবে। [যেখানে সৌল, মাকা, কিড রা ছিলো EAT(Especially Advanced Talent)-এর অন্তর্ভুক্ত।]

প্রত্যাশা: ৬-৭.৫

রিভিউ নয়, ব্যক্তিগত অনুভূতি_ বাকুমান – লিখেছেন সাদিয়া হুমায়রা মৌনতা

1558622_10201703298878787_1222419740_n

Baku(chi) Man(ga)- Gambling Manga
রাইটারঃ অহবা সুগুমি
আর্টিস্টঃ অবাতা তাকেশি
আনিমে জেনারে স্লাইস অফ লাইফের উৎকৃষ্ট উদাহরণ ‘বাকুমান’ আনিমেটি। জীবনের প্রতিটা দিকই এই আনিমেতে সুন্দর ভাবে তুলে ধরা হয়েছে। ডেথ নোট এর পরেই অহবা সুগুমি আর অবাতা তাকেশি কম্বোর আরেকটি সৃষ্টি এই মাঙ্গা। যদিও ডেথ নোট নামটাই একটা সেলিং পয়েন্ট হিসেবে কাজ করবে দেখার আগেই, কিন্তু যা পাবেন তাতে আশাহত হবেন না, বরং বিস্মিত ও মুগ্ধ করবে মাঝে মাঝে। তারা তাদের জনপ্রিয়তা ও মানদন্ড অক্ষুণ্ন রেখেছেন।

প্লট সংক্ষেপঃ মাশিরো মরিতাকা ও আকিত তাকাগি দুই নাইন গ্রেডের ছাত্র। তাকাগির প্রেরণায় ও আগ্রহে মাশিরো রাজি হয় তাকাগির লেখা কাহিনীকে মাঙ্গার রূপ দিতে। তাকাগি-রাইটার ও মাশিরো-আর্টিস্ট, এভাবেই একদিন ওদের জীবনের যুদ্ধ শুরু হয় এমন এক মাঙ্গা সৃষ্টির যা মাস্টারপিস হিসেবে আলোচিত হবে, এবং পরবর্তীতে আনিমে হবে। প্রেরণা হিসেবে করেছিল মাশিরোর চাচা এবং আযুকি মিহোর সাথে তার প্রতিশ্রূতি এবং অনুঘটক হিসেবে ছিল তাকাগির উচ্ছাভিলাষ। এইযাত্রার শুরু থেকে শেষ নিয়েই এই আনিমেটা।
প্রেরণা, প্রতিদ্বন্দিতা, প্রতিযোগিতা, সংগ্রাম, সাফল্য, ব্যর্থতা, অনুরাগ, ভালোবাসা সবই খুঁজে পাওয়া যায়। কিছু অংশে আলোকপাত করা হলো-

1512349_10201703181475852_2092669348_n

প্রেরণাঃ three rule of being mangaka if you arn’t genius
1. be conceited (believe you can do better than anyone else)
2. work hard
3. be lucky
এই কথাটি আসলে যেকোন লক্ষ্য পুরণ করার জন্য সত্যি, শুধু মাঙ্গাকা হওয়ার জন্যই না। সবসময়ই আমরা লক্ষ্য তৈরি করি, পরিশ্রম করি। কিন্তু ভুলে যাই সৌভাগ্যও একটা বড় অবদান আছে। তাছাড়া আমাদের হীনমন্যতাই মাঝে মাঝে আমাদেরকে পিছিয়ে নিয়ে যায়, সামনে আগাতে হলে কিছু দাম্ভিকতা থাকতেই হবে। তাকাগি ও মাশিরোর মাঙ্গা এডিটর কে নিয়ে আমরা ভাগ্যের উদাহরণ দেখতে পাই। একটা ভালো মাঙ্গা সৃষ্টী করার জন্য একজন ভালো এডিটর ও দরকার। এবং একজন উইনার এডীটর পাওয়া ভাগ্যের ব্যপার। আর দেখা যাবে তাদের দুজনের একগুয়েমি সিদ্ধান্ত তাদের এগিয়ে নিয়ে গেছে! তাদের পরিশ্রম তাদেরকে সহয়তা করেছে এবং সঠিক সময়ে সঠিক সুযোগের কারণেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পেরেছে।

1531599_10201703200756334_1864367_o

অনুরাগঃ Love has many different types of form
এই আনিমেতে অনেক ধরনের রোমান্স দেখতে পাই। প্রতিটাই প্রতিটা থেকে আলাদা এবং অনন্য। মাশিরো-মিয়োর প্ল্যাটোনিক ভালোবাসা যেমন আপনাকে বিস্মিত করবে তেমন তাকাগি-কায়া’র সহজ সম্পর্ক আপনাকে আনন্দিত করবে। তাছাড়া পার্শ্ব চরিত্রের প্রেমের একটা বিরাট ভূমিকা আছে এই আনিমেতে। আইকো, হিরামারু, নাকাই, আওকি এদের প্রত্যেকের অনুভূতির গভীরতা, উত্থান-পতন, কৌতুক, হাস্যরস, দৃঢ়তা, কলহ খুব সুন্দর ভাবে প্রকাশ পেয়েছে।

 

1537414_10201703198116268_1552219425_o

প্রতিদ্বন্দিতাঃ “Eternal rivals, it should be written as formidable enemy but pronounced friend.”
শক্তিশালী ও বন্ধুত্বপূর্ণ প্রতিদ্বন্দির উপস্থিতি এই আনিমেতে এক আকর্ষিত ও ভিন্ন দিক। ততকালীন মাঙ্গাকাদের নিয়ে গঠিত ফুকুদা টিম এর যেকাউকেই পছন্দ হবে,তারা তাদের পরস্পরের কাজকে সম্মান করে, অনুপ্রেরণা দেয়, সাহায্য করে আবার প্রতিযোগিতাও করে।এইযি দ্য জিনিয়াস ও তাকাগি-মাশিরো দুই পক্ষই অপর পক্ষকে দেখে উৎসাহিত হয়ে এগিয়ে যায়। নাকামা শব্দের নতুন এক দিক তুলে ধরা হয়েছে। টিপিকাল শৌনেন এর মত ব্যাটেল ফিল্ড না থাকলেও নিজেদের দক্ষতা দিয়ে তাদের মাঝের যে এগিয়ে যাওয়ার যুদ্ধ, সেটা কোন অংশে কম না।

সবশেষে, এই আনিমে থেকে আপনি ইন্সপায়ার হওয়ার প্রচুর কারণ ও সুযোগ পাবেন। আপনার জীবন বদলে যাওয়া টাইপ অনুঘটক হিসেবে কাজ করতে পারে।এবং স্বাগতম আপনাকে এই দুই তরুণের মাঙ্গাকা হওয়ার সফর-যাত্রায়। 🙂

 

এফ এ সি ১৬– Farsim Ahmed

লাস্ট উইকে বলা ফ্যাশনেবল কথাটা নিয়ে বেশ কিছু স্পেকুলেশন দেখেছিলাম। আসলে আজকের সবগুলো সেগমেন্টই ফ্যাশন নিয়ে।

 

 

রান্ডম টপিক

সেরাফুকু

 

জাপানি স্কুলের সেইলর ইউনিফর্ম(Sailor Uniform—>Serafuku[fuku=dress/uniform]) এর আইডিয়া এসেছে মূলত ইউরোপের অভিজাত পরিবারগুলোর বাচ্চাদের ইউনিফর্ম থেকে। এই আইডিয়া এডাপ্ট করার কারণ হলো, সেরাফুকুর ডিজাইন বেশ সুন্দর, আর সেই সাথে এগুলো সেলাই করাও সহজ। ঋতুভেদে সেরাফুকুর মেজারমেন্ট পাল্টে যায়। মোটামুটি ৫০% জুনিয়র হাইস্কুলে আর ২০% সিনিয়র হাইস্কুলে সেরাফুকু পরা হচ্ছে। তবে সেরাফুকুর ব্যাপারটা জাপানের একচেটিয়া নয়, সাউথ কোরিয়া আর চীনেও এর ব্যবহার আছে।

 

বি.দ্র.(শুধু ছেলেদের জন্য)জাপানের বিভিন্ন এলাকায় সেরাফুকুতে ব্যবহৃত স্কার্টের দৈর্ঘ্য বিভিন্ন রকম. কাজেই জাপানে ইমিগ্র্যান্ট হতে চাইলে কোন এলাকায় থাকবেন তার একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসাবে এটাকে কনসিডার করতেই পারেন।হেহেহে।

 

 

আনিমে সাজেশন

প্যারাডাইস কিস(Paradise Kiss)

ইউকারীর একঘেয়ে হাইস্কুল লাইফের মধ্যে ধুমকেতুর মত এসে হাজির হলো “প্যারাডাইস কিস”, কয়েকজন ফ্যাশন ডিজাইনিং স্টুডেন্টের গড়ে তোলা একটা প্রতিষ্ঠান। ইউকারীকে মডেল হবার প্রস্তাব দিল তারা। আমতা আমতা করে রাজিও গেল ইউকারী। তাদের সাথে ইউকারীর রসায়ন হলো চমত্কার, বুঝতে পারল, সে আসলে এমন রোমাঞ্চকর ঝলমলে জীবন চেয়েছিল, সাধারণ ম্যাড়মেড়ে জীবন নয়।ঘটনা মোড় নিল অন্যদিকে, যখন ইউকারী প্রেমে পড়ে গেল প্যারাডাইস কিসের নেতা জর্জের সাথে। ইউকারীর প্রাধান্য কি হবে, তার প্রেম, নাকি তার মডেলিং ক্যারিয়ার?

 

 

কেন দেখবেনঃম্যাচিউর স্লাইস অব লাইফ, অনেকটা হানি এন্ড ক্লোভার এর মত। যারা হাইস্কুল স্লাইস অব লাইফ(পড়ুন ফ্যানসার্ভিস) দেখতে গিয়ে ক্লান্ত, তারা টেস্ট বদল করতে পারেন এটা দেখে।ঝলমলে এবং ডিফরেন্ট ধরনের ভিজুয়াল, ওপেনিং সংটা প্রচন্ড ক্যাচি, শুনলে আপনাআপনি পা নাচা শুরু হয়ে যায়। http://www.youtube.com/watch?v=1nQJgzF6g6M

 

ইন্টারেষ্টিং এন্ডিং, আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

 

ম্যাল রেটিং ৮.০১

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

দ্য ওয়ান(The One)

 

 

সুপার মডেল মা-বাবা যদি প্লেন ক্র্যাশে মারা যায় তাহলে নিশ্চই তাদের মেয়ের ফ্যাশন জগতে আসার আগ্রহ থাকে না। কিন্তু কেইন লেলেকে তার আন্টি বুঝিয়ে শুনিয়ে শেষ পর্যন্ত একটা ফটোশুটের জন্য রাজি করাতে পারলেন।দেখা হয়ে গেল তার জনপ্রিয় মডেল আঙ্গাস এর সাথে। কিন্তু সে তখন জানত না, আঙ্গাস এর জমজ ভাই এরোস ঘুরঘুর করছে আশেপাশেই। সুদর্শন দুই তরুণ, আর ফ্যাশন জগতে নবাগতা এক তরুণী- ত্রিভুজ প্রেমের গল্পের জন্য আর কি মশলা লাগে?

 

 

কেন পড়বেনঃরীতিমত আকর্ষনীয় আঁকা, প্লটটা বহুল ব্যবহৃত মনে হতে পারে, কিন্তু প্রয়োজনীয় টুইস্ট আছে, ক্যারেক্টারদের ভালো ডেপথ আছে, সব মিলিয়ে বেশ ভালো প্যাকেজ।আর এর একটা সাইড স্টোরি আছে, ইটারনাল টেম্পটেশন, ওটা যদি শুধু একটা ওয়ান শট হত তাহলে আমি প্রবাবলি ওটাকে ১০ এ ৯ দিতাম। লিংক দিয়ে দিচ্ছি, আগে এটা পড়ে তারপর ঠিক করতে পারেন মূল কাহিনী পড়বেন কিনা।

 

http://mangafox.me/manga/the_one/v03/c017.5/3.html

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪২

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

 

 

 

কেন দেখবেন না/পড়বেন না: আজকের সাজেস্ট করা দুটো সিরিজই মূলত স্লাইস অব লাইফ জোসেই। অ্যাকশন/কমেডির হার্ডকোর ফ্যানদের না দেখা/পড়াই ভালো।

 

এফ এ সি ১৫ – Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

সেন্পাই-কোউহাই

সেন্পাই-কোউহাই মূলত রিলেশনশিপসূচক শব্দ, যা ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে, যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, চাকরিতে সহকর্মীর সাথে বা কোনো ক্লাবে সতীর্থদের সাথে।সহজ কথায়,  সেন্পাই দিয়ে বোঝানো হয় সিনিয়র, আর কোউহাই দিয়ে জুনিয়র। তবে সেন্পাই বা কোউহাই সম্বোধন করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে এটা যথাযথ হচ্ছে কিনা। একই প্রতিষ্ঠানের সরাসরি সিনিয়র বা জুনিয়রের ক্ষেত্রে এই পন্থা অনুসরণ করা হলেও অন্য প্রতিষ্ঠানের মানুষের সাথে এসব কেইগো(সম্মানসূচক শব্দ) পরিহার করাটাই শ্রেয়। যেমন বাংলাদেশে ভাই, ভাইয়া ইত্যাদি টার্ম ব্যবহার করা হয়।

 

 

আনিমে সাজেশন

নাত্সুমে ইউজিন চো (Natsume Yuujinchou)

 

ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা হারা নাত্সুমে তাকাশি ইওকাইদের(ভুতপ্রেত) দেখতে পেত, এই অস্বাভাবিক ক্ষমতার কারণে সবাই তাকে এড়িয়ে চলত। আত্মীয়রা কেউই তার ভার নিতে চাইলেন না, সবাই তাকে চাপিয়ে দিলেন অন্যদের ঘাড়ে। একের পর এক আত্মীয়ের বাড়ি ঘুরে ঘুরে যখন নাত্সুমে এক জায়গায় থিতু হলো, তখন সে খুঁজে পেল একটা বই, যে বইয়ে লেখা আছে হাজারখানেক ইওকাই এর নাম। ইওকাই মাদারার মাধ্যমে সে পারল, এই বইটা তার দাদী নাত্সুমে রেইকোর, যিনি ছিলেন অসাধারণ আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী। ইওকাইদের হারিয়ে তাদের আনুগত্যের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এই নামগুলো যোগাড় করেছিলেন।তাকাশি ঠিক করলো সে এই ইওকাইদের মুক্ত করে দেবে, তার সাথী হলো মহা পরিক্রমশালী মাদারা।

 

কেন দেখবেনঃঅসাধারণ স্লাইস অব লাইফ।

কিছু আনিমে আছে, যেগুলো দেখলে মন ভীষণ শান্ত হয়ে যায়, কাম এন্ড সিরিন একটা ভাব আসে, আমি এই পর্যন্ত এমন  দুটো আনিমে দেখেছি, তার মধ্যে এটা একটা। ৪টা সিজন বেরিয়েছে, একটার চেয়ে এর পরেরটার রেটিং বেশি, তার মানে বোঝাই যাচ্ছে প্রতি সিকুয়েলেই আনিমেটা দর্শকদের মন ভরাতে সক্ষম হয়েছে।

 

কেন দেখবেন না:স্লো পেসিং, যেটা স্লাইস অব লাইফে মাস্ট। কাজেই ঘোর অ্যাকশনপ্রেমীর না দেখাই ভালো।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬+৮.৬৮+৮.৭০+৮.৮০

আমার রেটিং ৯+৯+৯+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

গুড এন্ডিং(Good Ending)

টেনিস ক্লাবের সিনিয়র ইকেতানি শো-কে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হলো উত্সুমি সেইজি। মন ভেঙ্গে গেল তার।তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এলো একই ক্লাবের সদস্য, রহস্যময়ী এক সুন্দরী, কুরোকাওয়া ইউকি।চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। সেই বন্ধুত্ব গড়ালো প্রেমে। কিন্তু একদিন সেইজি দেখতে পেল বিধ্বস্ত শো-কে, তার প্রেমিক তার সাথে করেছে প্রতারণা। পুরনো অনুভূতিগুলো সব বাঁধ ভেঙ্গে ছুটে এলো সেইজির মাঝে। কি করবে এখন সে?

 

কেন পড়বেনঃবেশ ভালো রোমান্টিক গল্প, ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী এগিয়েছে ভালোভাবেই, গুড এন্ডিং নামটা মানানসই।বলে রাখা ভালো, গুড এন্ডিং প্রথমে ছিল ওয়ানশট, পরে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তায় কাহিনীটা নিয়ে পুরো ১৬ ভলিউমের মাঙ্গা বানিয়ে ফেলা হয়।

 

কেন পড়বেন নাঃ **স্পয়লার** সেইজি অনেকটা স্কুল ডেইস এর মাকোতোর মত, এটুকু বলাই যথেষ্ট। তার কিছু অ্যাকশন আমি কখনোই ক্ষমা করতে পারব না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯১

আমার রেটিং ৮

 

 

 

পরের সপ্তাহে এই বছরের শেষ এফ এ সি, আর তা হবে ফ্যাশনেবল। রেডি থাকুন।