Movie Time With Yami – Guest Corner!

 

ryougi_shiki-1567283

[এটা একটা স্পেশাল পর্ব, আজকের সাজেশন লিখেছেন আমাদের গ্রুপের Kara no Kyoukai ব্র্যান্ড রিপ্রেসেন্টেটিভ Subarno Hossain.]

Name: Kara no Kyoukai/Garden of Sinners – Borderline of Emptiness
Range: 8 movies and 3 specials.
MAL score (total average): 8.08

এটা ঠিক রিভিউ না, বরং যারা সিরিজটা দেখেননি, তাদের জন্য কিছুটা প্রিভিউ বলা যেতে পারে। এটা Type-MOON (যারা Fate/Stay Night তৈরি করেছেন) এর প্রথম কাজ। এটা প্রথম লেখা শুরু হয় সেই ১৯৯৮ সালে, এবং প্রথম মুভিটা বের হয় ২০০৭ সালে। এই আনিমেটাকে বলা যেতে পারে ‘চরিত্র-বিষয়ক’ একটি আনিমে, কারণ এখানে প্লট অথবা সেটিং এর চেয়ে চরিত্রদের ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আপনার যদি এই আনিমের প্রথম মুভি ভাল লাগে, তাহলে আপনি পরের মুভি দেখবেন সেখানে ঘটনা কি ঘটে তা জানতে নয়, বরং শুধুমাত্র আনিমের মূল চরিত্র কি করে, তা জানতে।

Kara no Kyoukai এর মূল চরিত্র রিওগি শিকি (Ryougi Shiki), যার রহস্যময় ব্যবহার এবং আচার-আচরণ চোখে পড়ার মত। সংক্ষেপে, শিকি দেখতে মেয়ের মত হলেও তাকে ছেলেই বলা যেতে পারে। এমন না যে তাকে সাধারণ Tomboy বলা যাবে… কারণ তার চরিত্রের শুধু ১টি নয়, ৪ (হ্যাঁ, চার) টা দিক আছে! কোনটা কি আমি তা বললাম না, মুভি দেখে বুঝতে পারলেই ভাল হবে। তার এই দ্বৈত সত্ত্বার সাথে তার রয়েছে এক আলৌকিক ক্ষমতা, যার নাম “Mystic Eyes of Death Perception”; এগুলো তার জীবনে কি প্রভাব ফেলে, এটিই এই আনিমের মূল লক্ষ্যবস্তু।

তার সাথে রয়েছে আরও কিছু চরিত্র, যার মধ্যে আছে ককুতউ মিকিয়া (Kokutou Mikiya) যাকে বলা যেতে পারে শিকির একমাত্র ‘বন্ধু’, এবং আওযাকি তউকো (Aozaki Touko), একজন জাদুকর যার বিশেষত্ব পুতুল বানানো। প্রতিটা মুভিতে একটা ভিন্ন antagonist রয়েছে, এবং মজার বিষয় হল সব সময় তা নাও থাকতে পারে।

তাহলে মুভির প্লটটা আসলে কি? এই প্রশ্নের কোন সহজ উত্তর নেই, কারণ এটা psychological or mystery হিসেবে বলা হলেও আনিমেটাকে একটা খুবই উন্নত ‘Slice-of-Life’, অথবা অন্তস্তলে, simple Romance ও বলা যেতে পারে। প্রত্যেকটা মুভির একটা করে আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে, যার প্রভাব অন্য মুভিতেও ভিন্নভাবে পড়ে। সেটা দেখার পরেই বোঝা যাবে।

আমার নিজের মতে, মুভিগুলোর সবচেয়ে অসাধারণ বিষয় চরিত্র নয়, বরং ওএসটি, আর্টওয়ার্ক এবং অ্যানিমেশনের গুণগত মান মিলে কিভাবে একটা মনমাতানো অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। Ufotable সবসময় উচ্চ মানের আনিমে তৈরি করে থাকে, কিন্তু আমার মতে Kara no Kyoukai তাদের ‘Magnum Opus’. কালাফিনার মিউজিক এখানে seamlessly integrate করা হয়েছে, এবং প্রত্যেকটা সিনে একটা অন্য লেভেলের আবহ তৈরি করেছে।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Gekijouban-Kara-no-Kyoukai-The-Garden-of-Sinners

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 05

distantstar

Name- Voices of a Distant Star / Hoshi No Koe
Duration- 25 minutes
MAL Score- 7.71
Ranked- 947
Genres- Drama, Mecha, Romance, Sci-Fi

এটি আসলে একটি ওভিয়ে, যার ডিরেক্টর এবং ভয়েস অ্যাক্টর মাকোতো শিনকাই। যারা এ নামটির সাথে পরিচিত তারা জানেন, মাকোতো শিনকাই মানেই সম্পূর্ণ অন্যরকম কিছু।

এটির কাহিনী ভবিষ্যতে, তখন টেকনোলজি অনেক উন্নত হয়েছে। মানুষ মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেছে এবং সেটাকে পরিদর্শন করার জন্যে স্পেসশিপ পাঠাচ্ছে। এমনই এক যুগের দুই স্কুলপড়ুয়া বন্ধু মিকাকো নাগামিনে ও তেরাও নোবোরু। তাদের যখন সিনিয়র হাইস্কুলে ওঠার সময় হয়, তখন নাগামিনে তার যোগ্যতার কারণে স্পেসশিপে করে পৃথিবীর বাইরে যাওয়ার জন্যে নির্বাচিত হয়। সে স্পেসশিপে চলে যাওয়ার পর দুই বন্ধুর যোগাযোগের একমাত্র উপায় হিসেবে থাকে সেলফোনের টেক্সট মেসেজ, যা একে অপরের কাছে পৌছতে মাস পার করে দেয়। পৃথিবীর সাথে স্পেসশিপের দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, মেসেজ পৌঁছানোর সময়কালও বাড়তে থাকে। তাদের ভবিষ্যৎও পূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে অনিশ্চয়তায়।

নাগামিনে ও নোবারু দুইজনই স্বপ্ন দেখে, একদিন নাগামিনে ফিরে আসবে স্পেস থেকে, তখন তাদের আর এভাবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না একটা টেক্সটের জন্য। এবং তারা একসাথে সেই সব করতে পারবে, যা নরম্যাল হাইস্কুল স্টুডেন্টরা করে।

আমার মতামত, একটু ধীরগতিতে আগায় কাহিনী, কিন্তু কিছু একটা আছে এর মাঝে, শেষ পর্যন্ত দেখলে ভাল লাগে । শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে হয়।

২০০২ সালে রিলিজ হওয়া এই ওভিয়েটির একটা বিশেষত্ব হল, শুধুমাত্র এর ডিরেক্টর মাকোতো শিনকাই এবং তার মেয়েবন্ধু ছাড়া এটি বানাতে আর কেউ কাজ করেনি। মাত্র দুজন মানুষ মিলে এরকম একটা কাজ দাড়া করিয়ে ফেলেছে, ভাবতেই অবাক লাগে।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন এই ওভিয়েটি।

Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Voices-of-a-Distant-Star

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 04

Grave-of-the-Fireflies_background_wallpaper

 

Name- Grave of the Fireflies/Hotaru no Haka 
Duration- 1 hour 28 minutes 
MAL Score- 8.60 
Ranked- 65 

আমরা সবাই সাধারণত আনিমে দেখি মজা পাওয়ার জন্যে, মন ভালো করার জন্যে অথবা রুঢ় বাস্তবতাকে ভোলার জন্যে। কিন্তু আনিমেও মাঝে মাঝে আমাদের আরও কঠিন বাস্তবতার সামনে দাড়া করিয়ে দিতে পারে। রিয়ালিটি চেক যাকে বলে আরকি। এমনই একটা মুভি এটি। 

কাহিনীর পটভূমি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের জাপানে, মানবতার অবক্ষয় ঘটেছে যেখানে। যখন তখন বম্বার প্লেন এসে বোমা ফেলে যাচ্ছে এখানে সেখানে, আর প্রাণহানি ঘটছে অসংখ্য মানুষের, স্বজনহারা হচ্ছে মানুষ। তেমনি এক বালক সেইটা। সে তার মা ও ছোট বোন সেতসুকোকে নিয়ে থাকত। তার বাবা একজন সৈনিক এবং তিনি তার কাজের জন্যে দূরে থাকেন। বোমার আঘাত থেকে বাঁচতে ছোট বোনকে নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে বাড়ি থেকে বের হয়ে যায় সেইটা। শারীরিক অসুবিধার কারণে তাদের মা বের হতে পারেনা এবং বোমার আঘাতে খুব বাজেভাবে আহত হয়ে তিনি মারা যান। এরপর আশ্রয়হীন সেইটা ও তার ছোট বোনের ঠাই হয় একজন আত্মীয়ের বাড়িতে। এরপর অভাব, অবহেলা এবং অসহায়তার মাঝে দিন কেটে যেতে থাকে তাদের। বেঁচে থাকার এবং নিজেদের আত্মসম্মান রক্ষার কঠিন লড়াইয়ের মুখোমুখি হয় দুই ভাইবোন। 

আমার কাছে মুভিটার যা সবচেয়ে ভালো লেগেছে, মানুষের জীবনে হঠাত করে কখন কি বিপর্যয় আসতে পারে এবং বাস্তবতা মাঝে মাঝে কতটা কঠিন হতে পারে, এটা খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে। কিছুক্ষণের জন্যে থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে বাধ্য হয়েছিলাম। 

১৯৮৮ সালের এপ্রিল মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি জাপানে বেশ কয়েকটি পুরষ্কার জিতেছে। স্টুডিও জীবলির অন্যতম সেরা মুভিগুলোর একটি এটি। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Grave-of-the-Fireflies 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 03

howl

 

Name: Howl’s Moving Castle/Hauru no Ugoku Shiro 
Duration: 1 hour 57 minutes 
MAL Score: 8.74 
Ranked: 33 

এটিও স্টুডিও জিবলীর মুভি, অসামনেসে ভরপুর!! 

মুভিটির কাহিনী হ্যাটশপের কাজপাগল কর্মী সোফিকে নিয়ে, সারাদিন কাজের মাঝে ডুবে থেকে যে আনন্দ খুঁজে পায়। সাজগোজের পরোয়া করেনা, কিন্তু তার এক ধরণের অগোছালো সৌন্দর্য রয়েছে। এক রাতে তার হ্যাটশপে এসে হাজির হয় ডাইনী। সোফির হ্যাটশপকে তুচ্ছ করে সে। সোফি তাকে চলে যেতে বললে ডাইনী ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয় সোফিকে। ডাইনীর অভিশাপে অদ্ভুত এক পরিবর্তন আসে সোফির মাঝে। অভিশাপ কাটানোর জন্য বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে সে, এক জীবন্ত কাকতাড়ুয়ার পরামর্শে চড়ে বসে জাদুকর হাউলের চলন্ত দুর্গে। জাদুকর হাউল আর তার অদ্ভুত সঙ্গীসাথীদের নিয়ে এগিয়ে চলে কাহিনী। 

আমার কাছে এই মুভির যা ভাল লেগেছে; প্রথমত এই অদ্ভুত জুটির অদ্ভুত সম্পর্ক বেশ লেগেছে। আর হাউলের চলন্ত দুর্গ খুব মজার একটা জায়গা, দেখে মজা পেয়েছি। পছন্দ তালিকায় বেশ ওপরের দিকেই থাকবে এ মুভিটি। 

২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি বিভিন্ন সময়ে দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল মুভিগুলোর মাঝে একটি এবং অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Howl-s-Moving-Castle-Dub 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 02

Laputa

Name- Laputa: Castle in the Sky / Tenkuu no Shiro Rapyuta
Duration- 2 hr. 5 min.
MAL Score- 8.38
Ranked- 164
Genres- Adventure, Fantasy, Romance, Sci-Fi

প্রথমেই যে কথাটা অবশ্যই উল্লেখ করতে হয়, এটা স্টুডিও জিবলীর মুভি, হায়াও মিয়াজাকি পরিচালিত। আর মিয়াজাকি মানেই অসম্ভব সুন্দর পরিচালনা!!

ছোট্ট মেয়ে শীটাকে কিডন্যাপ করেছে মুশকা এর লোকেরা। এয়ারশিপে করে তাকে নিয়ে যাচ্ছে কোন এক জায়গায়। এমন সময় হঠাত এয়ারশিপ আক্রমণ করল দস্যুরা। তাদের লক্ষ্যও শীটাকে নিজেদের কব্জায় নেয়া। কিডন্যাপার ও দস্যুদের হাত থেকে বাঁচতে চেষ্টারত শীটা হাত ফস্কে পড়ে গেল এয়ারশিপ থেকে। কোন সে অলৌকিক উপায়, যা শীটাকে রক্ষা করে বিপদ থেকে?

শীটার সাথে দেখা হয় পাজুর। যার স্বপ্ন গুজব ছড়ানো ভাসমান দুর্গ লাপুতা খুঁজে বের করে তার বাবার কথাকে সত্য প্রমাণ করা। পাজু বিপদাপন্ন শীটাকে দস্যু ও কিডন্যাপারদের হাত থেকে রক্ষা করতে চায়। আর শীটা পাজুকে লাপুতা খুঁজে বের করতে সাহায্য করতে চায়। এভাবে দুজন জড়িয়ে পড়ে এক রূদ্ধশ্বাস অভিযানে।

আমার সবচেয়ে ভাল লেগেছে যেটা, উড়োজাহাজের অসম্ভব উত্তেজনাকর কিছু মূহুর্ত আছে, দম বন্ধ করে দেখেছি। আর লাপুতার দৃশ্য অসম্ভব সুন্দর, মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা হয়।

মুভিটি বিভিন্ন সময়ে জাপানে অনেকগুলো পুরষ্কার জিতেছে। এর সাবড এবং ডাবড ভার্সনে কিছুটা পার্থক্য আছে যা হায়াও মিয়াজাকির অনুমতিপ্রাপ্ত।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Tenkuu-no-Shiro-Laputa

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

 

কিছু নট সো পপুলার আনিমে মুভি – Movie suggestion by Pasha Yap

কিছু নট সো পপুলার আনিমে মুভি.এইগুলো ghibli,সাতশি কন বা মাকত শিনকাই এর মুভি এর মত খুব ভাল না তবে তাই বলে খারাপও না।


‪#‎Origin‬:spirits of the past
এক ব্যর্থ গবেষণার ফলে মানবজাতি প্রায় ধ্বংস হয়ে যায় বুদ্ধিমান গাছদের কারনে।অল্প কিছু মানুষ সংরাম করে বেঁচে থাকে।এক গ্রামের ছেলে আগিতো ঘটনাক্রমে জাগিয়ে তোলে বিশেষ যন্ত্রে ৩০০ বছর ঘুমিয়ে থাকা তুলাকে।তুলা পরে শুনাক এর কথায় বিভ্রান্ত হয়র যায় রাগ্নাক এ,যারা গাছদের পুরোপুরি ধ্বংস করে দিতে।এর পরিনাম বুঝতে পেরে তাদের থামাতে ছায় আগিতো।
Mal rating:7.39


‪#‎steamboy‬
রে এর দাদা একটা স্টিম বল তৈরি করেন যাতে প্রচুর পরিমান স্টিম অর্থাৎ শক্তি সঞ্চিত আছে।দুষ্টু লোকেরা চায় সেই শক্তি খারাপ কাজে ব্যবহার করতে।
Mal rating:7.51
‪#‎Bayonetta‬:bloody fate
সাধু(saint) আর ডাইনি(witch)দের মাঝে ছিল চরম শত্রুতা।এর মাঝে এক সাধু আর ডাইনি উলটো বিয়ে করে একটা মেয়ে জন্ম দিয়ে বসল।ঘটনাক্রমে মেয়েটাকে সিল করে দেয়া হলও।৫০০ বছর পর হঠাৎ জেগে উঠল সে।কিন্তু তার কিছুই মনে নেই।বায়নেত্তা নামে সে ঘুরে বেরায় নিজের হারানো স্মৃতি এর খোঁজে।কিন্তু তাকে নিয়ে সাধুরা কি পরিকল্পনা করসে?কি চায় তারা?


‪#‎Brave‬ story
১১ বছর বয়স এর ওয়াতারু এর বাবা বাড়ি ছেড়ে চলে গেসে,মা হাসপাতাল এ।সে ঠিক করলো নিজের ভাগ্য বদলাবে,বন্ধু এর দেখান দরজা দিয়ে এক জাদুর জগতে প্রবেশ করলো সে।সেখানে তাকে বিভিন্ন বিপদ কাটিয়ে খুজতে হবে ভাগ্যের দেবীকে।
Mal rating:7.63

Children Who Chase Lost Voices – Anime movie review by Torsha Fariha

ডিরেকটর- মাকোতো শিনকাই
আইএমডিবি রেটিং- ৭.৩/১০

যারা মাকোতো শিনকাই এর নাম শুনেই ৫ সিএম পার সেকেন্ড কিংবা কোতোনোহা নো নিওয়া’র মত ম্যাচিউরড অ্যানিমেশন মুভি আশা করছেন তাদের বলছি এই মুভিটা ফিকশনাল( অনেকটা মিয়াজাকির ঘিবলি মুভিগুলার মত)। তাঁর নরমাল কাজের তুলনায় বেশি লাইভলি, অ্যাডভেঞ্চারাস। তবে একেবারে বাচ্চাদের কাহিনী এটা না। বোঝার, ফীল করার, কষ্ট পাবার, শূন্যতা অনুভব করার সব উপকরণই আছে। 

এই কাহিনীর নায়িকা আসুনা নামের একটা মিডল স্কুলে পড়া মেয়ে। আসুনার বাবা মারা যায় ছোট থাকতেই আর মা নার্স। যেহেতু কাজের চাপে মা খুব একটা সময় দিতে পারে না আসুনাকে। তাই দিনের অনেকটা সময়ই সে একা একা তার বাবার দেয়া ক্রিস্টাল রেডিও শুনে কাটায়। মাঝে মাঝেই সে খুব অদ্ভুদ সুর শুনতে পেত রেডিওতে। খুব সুরেলা কিন্তু কেমন যেন মনকে বিষাদ করে দেয়া একটা ভিনদেশী গান।
একদিন ক্লাব হাউজে যাবার পথে আসুনাকে হঠাৎই একটা অদ্ভুত জন্তু আক্রমন করে বসে। এবং তাকে বাঁচায় শুন নামের এক রহস্যময় ছেলে। এভাবেই দেখা হয় শুন আর আসুনার।
পর পর দুইদিন দেখা হয় তাদের। আসুনা শুনকে তার হাইড আউটে নিয়ে আসে, তার ক্ষত পরিষ্কার করে দেয়, তাকে ক্রিস্টাল রেডিওতে সেই অদ্ভুত গান শুনায়।

শুন জানায় সে আগার্থা নামের এক দেশ থেকে এসেছে একটা জিনিস খুঁজতে। শেষ দিন শুন বিদায় নেয়ার সময় আসুনার কপালে কিস করে ব্লেসিং হিসেবে। আসুনা তো লজ্জায় লাল হয়ে কোন মতে পরের দিন আসবে বলে পালিয়ে আসে।

কিন্তু পরের দিন তার মা তাকে জানায় পাহাড়ের কাছে এক ছেলের মৃতদেহ পাওয়া গেছে। এবং দেখা গেল সেটা শুনের মৃতদেহ ছিল। আসুনা কোনভাবেই বিশ্বাস করে না শুন মারা গেছে। 
সে এরপর একদিন ক্লাসে আগার্থা নামে দেশের কথা জানতে পারে তাদের নতুন টিচারের কাছ থেকে। আগার্থা হল মৃতদের দেশ। এর কিছুদিন পর তার সাথে শুনের জমজ ভাইয়ের সাথে দেখা হয় যে শুনকে খুঁজতে এসেছিল।

যাহোক ঘটনাক্রমে আসুনা জানতে পারে তাদের নতুন টিচার মুরাসাকি আগার্থায় যেতে চায় তার মৃতা স্ত্রীকে ফিরিয়ে আনতে। এভাবেই আসুনা, শুনের যমজ ভাই আর মুরাসাকি সেন্সেই এর আগার্থা অভিযান শুরু হল। একদিকে সেই গানের রহস্য অন্যদিকে শুনের অন্তর্ধানের রহস্য- সব কিছুর সমাধানে বিপদ সংকুল পথে পা বাড়ায় আসুনা।

মোটামুটি এটাই হল কাহিনী। চমৎকার একটা মুভি। যদিও আমি প্রথমে বলেছি ঘিবলির হাসিখুশি মুভির মত এটা । প্রথমে হয়তো যে কারোই সেরকম মনে হবে। কিন্তু দেখা শুরু করলে বোঝা যাবে মাকোতো শিনকাই এর হাতের কাজ কতটা ইউনিক… কতটা অন্যরকম!

Grave of the Fireflies – Reactional Post by Monirul Islam Munna

এনিমে দেখেও মন খারাপ হয়ে যাবে, এমনটা হয়তো সাধারণত কেউ চিন্তা করে না। কিন্তু প্রচুর এমন অনেক মুহূর্ত রয়েছে মনটা যেন ভালো হতেই চায় না। মনে ঘুরে ফিরে একই প্রশ্ন জাগে, একটু ভিন্ন কিছু না হয় হতো। এমন একটা অনুভূতির মধ্যে ফেলে দেওয়ার মত একটা মুভি ‘Grave of fireflies’

স্টুডিও গিব্লির মুভি ‘গ্রেভ অফ ফায়ার ফ্লাইস’, এমন একটা স্টুডিওর নাম শুনলেও ১ম এই আমরা ধরেই নি, ভালো কিছু একটা আছে। হ্যাঁ, এই মুভিটাতেও আছে, শুধু আছেই যে তা নয়, হয়তো আপনার চোখ দিয়ে নিজের অজান্তে ছলছল করে পানি পরবে!!!

২য় বিশ্বযুদ্ধের সময় জাপানে বসবাসরত ২ ভাই বোন ‘সেতস্কু’ and ‘সেইতা’কে নিয়ে মুভিটা। যুদ্ধের দুর্যোগপূর্ণ মুহূর্তে মাকে হারিয়ে, আর সৈনিক বাবার কোন খোঁজ না পেয়ে এক নিকট আত্মীয়ের বাসায় ঠাই নে ২জন। কিন্তু সেই আত্মীয়ের কাছে বেশ অবহেলিত হল ২ ভাই বোন। সৈনিকের ছেলে বলে, সেতস্কু অবহেলা মেনে না নিয়ে বোনকে নিয়ে পরিত্যক্ত এক স্থানে আশ্রয় নেয়। কিন্তু নিজের কাছে সম্বল বলতে কিছু নেই, কোন মতে খেয়ে না খেয়ে দিন পার করার চেষ্টায় লিপ্ত সেতস্কু আর সেইতা। আর সাথে রাতের তারার মত আলো ছড়ানো জোনাকি পোকাগুলা যেন ছোট প্রান ২টাকে আবার সতেজ আর সজিব করে তুলে। 

সেই ১৯৮৮ সালের মুভি কিন্তু মুভিটার আর্ট দেখে সত্যিই মুগ্ধ। এতো ভালো লেগেছে শুধু আর্টওয়ার্কের জন্য ১০ এ ১০ দিয়ে দিতে ইচ্ছে করবে। সাথে ভয়েস অ্যাক্টরগুলোর অ্যাক্টইং আর ওএসটিগুলোও বেশ ভালো। মাঝে মাঝে এনিমের কাল্পনিক জগত থেকে বাস্তব জগত যে কতটা কঠিন বা কষ্টের হতে পারে, সেই অনুভূতি সৃষ্টির জন্য ভিন্ন কিছুর মধ্যে খুজতে যেতে হবে না, এমন একটা এনিমে দেখেই সেটা ফীল করতে পারবেন।

Grave of the Fireflies

 

ব্যাটল রয়াল মাঙ্গা প্লাস মুভি রিভিউ – Torsha Fariha

মাঙ্গা- ব্যাটল রয়াল
ভলিউম- ১৫ (প্রতি ভলিউমে ৮ টা করে চ্যাপ্টার)
জানরা- Dystopian, thriller, horror Alternative history.
মুভি- ১১৩ মিনিট (অরিজিনাল রিলিজ)
ডিরেক্টর- কিনজি ফুকাসাকু।

১৯৯৬ সালে কউশুন তাকামি একটি নভেল লেখেন ‘ব্যাটল রয়াল’ নামে। যদিও সেটা ১৯৯৯ সালের আগে পাবলিশ করা যায় নি। যার পেছনে একটা কারণ ছিল এর কন্টেন্ট। এমনকি এই নভেলটা ১৯৯৭ সালে এক হরর বই কন্টেন্টের ফাইনাল রাউন্ড থেকে রিজেক্ট করা হয়। কারণ যেই একই- বই এর কন্টেন্ট। 

সবার আগ্রহ হতেই পারে কি সেই বিষয়বস্তু যা এত কন্ট্রোভার্সির জন্ম দিয়েছে সেই সময়।

সে এক কাল্পনিক সময়ের কথা। জাপান তখন রিপাবলিক অফ গ্রেটার ইস্ট এশিয়ার মেম্বার। Shiroiwa junior high school এর এক সেকশন ভর্তি ছেলে মেয়েকে স্টাডি ট্যুরের নাম করে স্কুল অথরিটি নিয়ে যায় একটা জনমানুষ শূন্য দ্বীপে। 

সেখানে পৌঁছে তারা জানতে পারে একটা মিলিটারি রিসার্চ প্রজেক্টে তাদের অংশগ্রহণ করতে হবে। রিসার্চের উদ্দেশ্য হচ্ছে মানুষের মনে ভয় ঢুকিয়ে দেয়া- যাতে তারা কোন ধরণের অর্গানাইজড বিদ্রোহের কথা মাথায় না আনতে পারে। প্রত্যেক বছর খুব গোপনীয়তার সাথে কোন স্কুলের কোন সেকশান এই প্রোগ্রামে অংশ নিবে সেটা ঠিক করা হয়। 

তো এই প্রজেক্টে (গেইম বলা বেশি যুক্তিযুক্ত) তাদেরকে এই দ্বীপের মধ্যে ছেড়ে দেয়া হবে অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য। প্রত্যেকের মূল লক্ষ্য থাকবে সারভাইভাল। সেটা প্রতিকূল পরিবেশের জন্য না বরং তাদের এতদিনের ক্লাসমেটদের জন্য। কারণ তাদের প্রত্যেকের টাস্ক হচ্ছে – একে অপরকে খুন করা। ততক্ষণ পর্যন্ত- যতক্ষণ না শুধু একজন বেঁচে থাকে। 

এটা এমন একটা গেইম যেখান থেকে কোন এস্কেপ নেই- এমনকি কেউ যদি চায়ও সে আর তার ফ্রেন্ড শুধু বেঁচে থাকবে – সেটাও সম্ভব না। একটা ট্র্যাকিং ডিভাইস সবসময় তাদের গলায় মেটাল কলার হিসেবে লাগানো থাকে। আমাদের নায়ক Shuya nanahara আর নায়িকা noriko nakagawa. পুরো কাহিনীতে আমরা দেখতে পাব কিভাবে তারা এই জটিল পরিস্থিতির ভেতর নিজেদের রক্ষার করছে। সেই সাথে আছে ক্লাসের অন্যান্যদের কাহিনীও।

সংক্ষেপে এটাই ব্যাটল রয়ালের কাহিনী। কাহিনী পড়ে কি সাম্প্রতিক কালের হাঙ্গার গেইমসের কথা মনে পড়ছে? খুব স্বাভাবিক। উইকি পড়লে সহজেই জানতে পারবেন মুভিটা রিলিজ হওয়ার পর একটা জোর সমালোচনা উঠেছিল আইডিয়া নকলের অভিযোগে। যদিও লেখিকা বলেছেন সমালোচনার আগে তিনি ‘ব্যাটল রয়াল’ এর নামই জানতেন না।  

অবশ্য এটা নতুন না। ক্রিটিকরা এরকম আরো কিছু মুভির ভেতর ব্যাটল রয়ালের ইনফ্লুয়েন্স লক্ষ্য করেন। যেমন- কিল থিওরি, দ্য টুর্নামেন্ট, গান্টজ আর একটা ভিডিও গেইম ‘দ্য ওয়ার্ল্ড এন্ডস উইথ ইউ’। আসলে তাকামির বইয়ের আইডিয়া এত বেশি মৌলিক যে সেটা ক্রিটিকরা লক্ষ্য না করে পারেননি। (ব্যাটল রয়ালের সাথে কিঞ্চিৎ একটা সিমিলারটি আছে স্টিফেন কিং এর ‘লং রান’ এর। স্টিফেন কিং সেটা নিজে বলেন। অবশ্য মিলটা খুবই অল্প। বই এর কাহিনী পড়ে আমার তাই মনে হয়েছে। কিং নিজেও পরে বলেছেন এটা তেমন কোন ম্যাটার না।) 
এবার আসি জনপ্রিয়তার কথায়। এটা সেসময়ের একটা বেস্ট সেলার বই ছিল – তার এমন বিষয়বস্তু থাকার কারণেও। উইকিতে সেসব বিশদ আছে। সেই নভেল ইংলিশ, ফ্রেঞ্চ, ইটালিয়ান,হাঙ্গেরিয়ান, রাশিয়ান- এরকম বহু ভাষায় অনুবাদ হয়েছে।

মাঙ্গা এডাপ্টেশনের কথায় আসি। এই নভেলের মাঙ্গা নভেলের লেখক নিজেই লিখেছেন। তিনি তার এ সম্পর্কে বলেছেন – নভেলের চেয়ে আরো বেশি বিস্তৃত মাঙ্গাটা। প্রত্যেকটি চরিত্রের উপর প্রায় সমান নজর দেয়া হয়েছে- তাদের ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে শুরু করে সারভাইভাল- সব। 
এটা সত্যি যে আমি মাঙ্গা পড়ি নাই। উইকি ঘেঁটে কথাগুলা বললাম।

এবার মুভির কথা। মুভি নিয়ে কথা বলার আগে আমি একটা জিনিস উল্লেখ করতে চাই। সেটা হল মুভিটা ঠিক নভেলের মতই সুন্দর। অনেক সময় মুভিতে যেটা হয় অনেক কাহিনী বাদ পড়ে যায় যেটা অনেকেই পছন্দ করেননা। এখানেও একই জিনিস হয়েছে তবে পার্থক্য আছে। মেকিংটা এত সুন্দর আর বাস্তবসম্মত যে কোন খুঁত ধরার অবকাশই থাকে না। (মুভির IMDb রেটিং ৭.৮)
মুভিটা আমি দেখেছি এবং এটা আমার খুব পছন্দের। আমি আনন্দের সাথে বলতে চাই এই মুভিটা বিখ্যাত ডিরেক্টর টারান্টিনোর খুব পছন্দের। তিনি এই মুভিটা সতেরো বার দেখেছেন এবং উল্লেখ করেছেন এই মুভির মেকিং এবং কাহিনী তাঁকে খুব ইন্সপায়ার করেছে।

তাই বলছি কেউ যদি মাঙ্গা নাও পড়েন অ্যাটলিস্ট মুভিটা দেইখেন। যথেষ্ট ইন্টারেস্টিং। 
কেন দেখবেন/পড়বেন- কারণটা হল কাহিনীটা খুবই মৌলিক। অনেকটা সেই মধ্যযুগের গ্রিক গ্ল্যাডিয়েটরদের গেইমের মত। পার্থক্য আছে অবশ্য। ওরা ছিল গ্ল্যাডিয়েটর যারা নিজেদের পেশাই করে নিয়েছিল সেটা। আর এদিকে কিছু টিনএজ ছেলেপিলে যারা একটু আগ পর্যন্তও বন্ধু ছিল একে অপরের। এবং এই কারণেই কাহিনীটা অনেক বেশি রোমাঞ্চকর, কৌতূহল উদ্দীপক। একদিকে নিষ্ঠুরতা অপরদিকে ফ্রেন্ডশিপ, প্রেম – সবার উপরে এক অমোঘ নিয়তি- সব মিলিয়ে যেমন অস্বস্তিকর তেমনই খুব মানবিক এক কাহিনী। নিজেকে ওদের জায়গায় কল্পনা করে আপনার গা শিউরে উঠবে একই সাথে কৌতূহলও জাগবে ‘শেষে কি হল?’

কেন দেখবেন/পড়বেন না- সত্যি বলতে একটা সেইরকম হরর মুভিও আপনার মনে এতটা ছাপ ফেলবে না- যতটা ফেলবে ‘ব্যাটল রয়াল’। মুভিতে প্রচুর ভায়োলেন্স সীন আছে যেগুলো দেখলে সত্যি গা গুলায় আসে। manga is far more sexually graphic than the novel and film versions, but like them, is noted for its intense, gory violence. তাই যারা এসব সহ্য করতে পারেননা তাদের না দেখাই বা পড়াই ভালো।

ব্যাটল রয়াল নিয়ে আমার অনুভূতির কথা বলি। আমি এক সকালে মুভিটা দেখে মিশ্র একটা অনুভূতি হয়েছিল। একই সাথে রাগ, ঘৃণা, ভয় – এই তিনটা এক সাথে কাজ করেছিল আমার উপর। এবং শেষ হওয়ার পর সত্যি মনে হচ্ছিল আমি যেন এই মাত্র সেই দ্বীপ থেকে আমার বাসায় এসে পড়লাম। একটা মুভি কতটা গভীরেই না মানুষকে নিয়ে যেতে পারে! 

হুট করে আমাদের মত কাউকে যখন এরকম জীবন- মৃত্যুর একটা খেলায় নামিয়ে দেয়া হবে তখন আমাদের মধ্যে কিছু স্বাভাবিক রিফ্লেক্স কাজ করবে। এই রিফ্লেক্স পারসোনালিটি অনুযায়ী ভ্যারি করে। কেউ শুরু থেকেই পাগলের মত কাউকে মারা শুরু করবে, কেউ গা ঢাকা দেবে, কেউ অপেক্ষা করবে বাকিরা কখন শেষ হবে , কেউ এই চাপ সহ্য করতে না পেরে সুইসাইড করবে, কেউ কেউ যৌথ বাহিনীর গড়ার পরও শেষ পর্যন্ত দেখা যাবে অবিশ্বাস আর প্যানিকের মধ্যে একজন আরেকজনকে খুন করবে আর কেউ হয়তো নিজের চরিত্রের গভীরে লুকিয়ে থাকা খুনিটাকে এক ঝটকায়বের করবে, আর কেউ হয়তো বিদ্রোহী হয়ে পালানোর চিন্তা করবে। হ্যা এরকমই হবে আমাদের ক্ষেত্রে। কারণ আমরা ট্রেইনড না, কারণ আমরা প্রস্তুত না। 

অনেকটা এরকম সাইকোলোজি নিয়েই একটা স্টাডি আছে বইটায়, মুভিটায়। না দেখলে বা পড়লে সত্যি একটা ইন্টারেস্টিং জিনিস মিস করবেন। 

(ব্যাটল রয়ালের একটা সেকেন্ড সিজন এবং মুভি আছে। কিন্তু সেটা তাকামির লেখা না বলে রিভিউ দিলাম না। )

 

Ookami Kodomo no Ame to Yuki review by Mydul Islam Mahi

[ প্রথমেই বিশাল Spoiler Alert দিয়ে রাখি ]

এই এনিমে মুভি নিয়ে নতুন করে কিছুই বলার নেই। এরপরেও বলি – “অসাধারণ মাপের মুভি”! কাহিনীর মূল চরিত্র Hana, যে কলেজে পড়াশুনা করে। আপনজন কেউ নেই। কলেজে পড়ার সময়ই তার পরিচয় হয় এক ছেলের সাথে। তার সাথে সে ঘনিষ্ঠ হয়ে পড়ে। আর এক সময় Hana সেই ছেলের কাছ থেকেই জানতে পারে, ছেলেটি আসলে Wolf (OOkami). তার মাঝে Human আর Wolf – দুই সত্ত্বাই বিদ্যমান। কিন্তু এটা জানার পরেও Hana ভালোবাসে সেই ছেলেকে। তাদের দুই সন্তান জন্ম নেয়। বড় মেয়ে Yuki, ছোট ছেলে Ame. কিন্তু Ame এর জন্মের পর পরই তাদের বাবা মারা যায়। Hana পড়ে অকূল পাথারে। এই দুই Wolf Children কে কীভাবে বড় করবে? ৪ বছর পর সে চলে যায় অনেক দূরের এক পাহাড়ে, যে জায়গায় বাস করাটা মোটামুটি সংগ্রামের পর্যায়ে পড়ে। সেখানে চলে যাওয়ার মূল উদ্দেশ্য – সবার চোখের আড়ালে, নিঃসঙ্গভাবে কাউকে না জানিয়ে বাচ্চাদের বড় করে তোলা। দুই বাচ্চাকে নিয়ে Hana কে অবতীর্ণ হতে হয় জীবন যুদ্ধে। আর প্রতি পদক্ষেপে সে অভাব অনুভব করতে থাকে তার স্বামীর। এক সময় দুই সন্তানকে Hana স্কুলে ভর্তি করে। Yuki যেমন দুরন্ত, Ame ঠিক তেমন চুপচাপ। কিন্তু ঘটনার প্রবাহে তাদের চরিত্রে চলে আসে বৈপরীত্য। Yuki নিজের মানব-বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দিতে শুরু করে। আর অন্যদিকে Ame’র রক্তে খেলা শুরু হয় তার অন্য সত্ত্বার! সময় আসে তাদের নিজেদের পথ নিজেদেরই বেছে নেওয়ার।

 

আমার মনে হয় এই এনিমের মধ্যে মা-সন্তানের ভালোবাসা বেশ ভালোভাবেই তুলে ধরা হয়েছে; বিশেষ করে Yuki আর Ame কে নিয়ে Hana’র Struggle করার মুহূর্তগুলো, তাদেরকে নিয়ে ছুটে বেড়ানো, Ame’র পানিতে ডুবে যাওয়া, শেষ দিকে Ame কে জঙ্গলে খুঁজে বেড়ানো – সব দৃশ্যই মনে জায়গা করে নেওয়ার মত। এই মুভিতে আরো একটা জিনিস কিন্তু ভালো লাগার মত – মানুষের সামাজিক জীবনের উপর নির্ভরশীলতা। আবার এখানেই নিঃসঙ্গতার কষ্টটাও তুলে ধরা হয়েছে। প্রকৃতির জীবন? নাকি সামাজিক ধরাবাঁধা জীবন? এই চিরন্তন প্রশ্নটাই যেন এই মুভিতে ভিন্ন আঙ্গিকে, ভিন্ন চিন্তার মধ্য দিয়ে আমাদের সামনে উপস্থাপিত হয়েছে। জবাবটা আসলে নিজেকেই খুঁজে পেতে হবে …

এই পোস্টেই মনে হয় কাহিনীর বেশিরভাগটাই বলে দেওয়া হয়ে গেছে। যারা এই এনিমে মুভিটা দেখেন নাই তাদের নিজ দায়িত্বে পুরো মুভিটা অবশ্যই দেখে নিতে বলা হল।  [ বি.দ্রঃ এই পোস্টে উল্লেখিত মতামত একান্তই নিজস্ব। কারো সাথে কাকতালীয়ভাবে মিললে দায়ী নই, আর না মিললেও কেউ দায়ী থাকবে না! ]