Eden of the East :review by Fahim Bin Selim

 

“Every revolution needs a leader. Every leader needs to sacrifice”

হঠাৎ দেখলেন আপনি হোয়াইট হাউসের সানে দাঁড়ানো, গায়ে এক চিলতে কাপড়ও নেই। কিছু মনে ও করতে পারছেন না: আপনার নাম কী, কে আপনি, কিছুই না! এমনকি এক মিনিট আগের কথাও না! কী করবেন আপনি?
নভেম্বর ২২, ২০১০। জাপানে আঘাত হানল ১০-১০ টি মিসাইল, কোন মানুষ মারা গেল না, কিন্তু সেটা ছিল এক অভুতপুর্ব পরিস্থিতি, যা পরিচিতি পেল “কেয়ারলেসস মানডে” নামে।
তিন মাস পর। 
আকিরা তাকিজাওয়া নিজেকে এই অবস্থায় আবিস্কার করল। স্মৃতিহীন। সম্পূর্ণ নগ্ন আর হাতে শুধু একটা পিস্তল আর একটা সেলফোন। যাতে আছে ৮.২ বিলিয়ন ডিজিটাল ইয়েন! কেঁচো খুড়তে গিয়ে সাপ বেরল, তাকিজাওয়া জানতে পারল সে জড়িয়ে আছে এক ভয়ঙ্কর সারভাইভাল খেলায়, যাতে তাকে ১০ বিলিয়ন ইয়েন দিয়ে জাপানকে বাঁচাতে হবে! ১২ জন সেলেকাও, প্রত্যেকের কাছে ১০ বিলিয়ন ইয়েন, আর তা দিয়ে “পাল্টাতে” হবে জাপানকে। সহজ না? শুধু কোন স্বার্থপর কাজে তা ব্যবহার করলেই হারাতে হবে প্রাণ। আর শেষ পর্যন্ত কেবল একজনই বিজয়ী হবে।
নিজের অতীত আবিষ্কারের চেষ্টা, অন্য সেলেকাওদের কাছ থেকে বেঁচে থাকা, আর জাপানের পরিবর্তন ঘটানোর প্রচেষ্টায় তাকিজাওয়ার সাথে জড়িয়ে গেল সাকি মরিমি আর তার বন্ধুদের ক্লাব “ইডেন অফ দ্য ইষ্ট”।

রাজনৈতিক ফিলোসফি, রহস্য, কমেডি, ড্রামা, সাইফাই আর রোমান্সের মিশেলে এই অ্যানিমে। প্রথম পর্ব থেকে যে সাসপেন্স শুরু হয় তা বজায থাকে একেবারে শেষ মুভি পর্যন্ত। সাথে অসাধারণ ভিসুয়াল সৌন্দর্য তো আছেই। ইন্ট্রিগিং আবার অন্যান্য রহস্য অ্যানিমের মত অতটা সিরিয়াসও না!
আমার দেখা প্রথম দিককার অ্যানিমে, তাই অন্যতম পছন্দেরও। সাব কেমন জানি না; ডাবে দেখেছিলাম, ওইটাও অনেক ভালো।

ইডেন অফ দ্য ইষ্ট – চিন্তা উদ্দীপক, রোমাঞ্চকর আর অসাধারণ নৈপুন্যে পরিচালিত।

ইডেন অফ দ্য ইষ্ট = ইডেন অফ দ্য ইষ্ট (টিভি) ১১ পর্ব + ইডেন অফ দ্য ইষ্ট মুভি ১ – দ্য কিং অফ ইডেন + ইডেন অফ দ্য ইষ্ট মুভি ২ – প্যারাডাইস লষ্ট।
প্রচারকাল : ২০০৯-২০১০
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং : ৮.২৭ (#২২৬)
আমার রেটিং: ৯.৫ (#৫)
পুরষ্কার : *TV Feature Award – 2009 Animation Kobe Festival
*Best Television Series of the Year – Tokyo International Anime Fair

Hyouka: sort review from Shafiul Munir

এনিমেটার প্রোটাগনিস্ট কোন সুপার পাওয়ারের অধিকারী নয়, এতে কোন গা ছমছম করা হরর কাহিনী নেই, স্পোর্টস এনিমের মত নেই টান টান উত্তেজনা, নেই খুব বেশি হাস্যরস কিংবা তেমন কোন স্পেশালিটি, অতি সাধারণ একটা এনিমে, যেটা দেখলে কোন অনুভূতির আতিশয্য হবে না, কিন্তু আবার বোরিং ও লাগবে না। সাধারণত্বের যে একটা অপূর্ব সৌন্দর্য্য আর আকর্ষণ আছে তার একটা জলন্ত প্রমাণ হলো ২২ পর্বের ছোট্ট, সহজ-সরল এনিমে “Hyouka”।

হাইস্কুল লাইফে সবাই চায় বিভিন্ন ক্লাবে সংযুক্ত হতে, রেখে যেতে অনেক অনেক সুন্দর স্মৃতি, যেগুলো রোমন্থন করে পরবর্তী জীবনে হঠাৎ ফিরে যেতে পারবে ফেলে আসা স্বপ্নময়তায়। কিন্তু ‘ওরেকি’ এর সম্পূর্ণ ব্যতিক্রম,তার মূলনীতি হলো, “যা করতে হবে না, তা করবে না আর যা এক্কেবারেই না করে পারা যাবে না তা দ্রুত করে ফেলবে”, ঠিক হিক্ককোমরি না হলেও প্রায় নিষ্ক্রিয় এবং সবকিছুতে আগ্রহহীন একজন সে। তাই বড়বোনের পীড়াপিড়িতে সে যোগ দেয় স্কুলের ক্লাসিক ক্লাবে যেটায় কোন সদস্য নেই, যাতে কেউ তাকে বিরক্ত করতে না পারে।
কিন্তু তার আগেই ওই ক্লাবে যোগ দেয় ক্লাবের এক লিজেন্ডারী প্রেসিডেন্টের ভাতিজী “এরু” (খুব কিউট)। তার সবকিছুতে অত্যাধিক আগ্রহ আর উৎসাহের কারণে ওরেকির ‘শক্তি সংরক্ষণ নীতির’ জীবন ধারা পুরোপুরি পালটে যেতে থাকে ধীরে ধীরে, বাড়তে থাকে ওরেকির ‘না করে পারা যাবে না’ টাইপ কাজের সংখ্যা।

স্কুলের খুব সাধারণ কিছু রহস্য সমাধান হলো এই ক্লাসিক ক্লাবের কাজ, এর উপরই গড়ে উঠেছে এনিমেটির ভিত্তিপ্রস্তর।
বড় কিংবা ইন্টেন্স এনিমে দেখতে দেখতে মুক্ত হাওয়ার সন্ধানে এক ফাঁকে দেখে নেবার মত খুব ভালো একটা এনিমে ‘হিউকা’।
পারসোনাল রেটিংঃ ৯ (১০ এ)
Genre: Slice of Life, মিস্ট্রি (Probably, I am always confused about these)

 

 

“মাঙ্গানুবাদ প্রতিযোগিতা”

 

0

শুদ্ধ বাংলায় এনিম চর্চার লক্ষ্যকে সামনে রেখে এনিমখোর নিয়মিতই স্বল্প এবং বৃহৎ পরিসরে নানা আয়োজন চালিয়ে যাচ্ছে। দুই ঈদে “কভার ফটো কন্টেস্ট” এবং “লোগো কন্টেস্ট” তারই সাক্ষর বহন করে। দুটো ইভেন্টেই অংশগ্রহণ ছিল বেশ চোখে পড়ার মত। এরই ধারাবাহিকতায় এনিমখোর এবার আয়োজন করতে যাচ্ছে “মাঙ্গানুবাদ প্রতিযোগিতা” এর। 

প্রক্রিয়াঃ নিচে চারটি মাঙ্গা চ্যাপ্টারের লিঙ্ক দেওয়া আছে। আমাদের দেশের মাঙ্গা ফলোয়াররা একটা মাঙ্গা সম্ভবত প্রায় সবাইই ফলো করেন, নারুতো। তাই চারটিই নারুতোর চ্যাপ্টার। যে কোন একটি চ্যাপ্টার সিলেক্ট করুন; ন্যূনতম ৬ পৃষ্ঠা থেকে পুরো মাঙ্গাটিই যে কোন ইমেজ এডিটিং সফটওয়ারে এডিট করে বাংলা অনুবাদ করে জিপ করে পাঠিয়ে দিন “animekhor@gmail.com” এই ঠিকানায়। সাথে করে কোন মাঙ্গা; কয় পেইজ; এবং আপনার ফেইসবুক নাম দিতে ভুলবেন না যেন!!! 

জাজিং ক্রাইটেরিয়াঃ মুল কাহিনীর অর্থ বহন করার ক্ষমতা; প্রাঞ্জলতা; ফন্ট ব্যাবহারের সৌন্দর্য এবং উপযুক্ততা। এই কন্টেস্টে সকল এন্ট্রি হাতে পাওয়ার সাথে সাথেই গ্রুপে প্রদর্শনের জন্য আপলোড করা হবে; তবে সকল মার্কস থাকছে জাজদের হাতেই; লাইক থেকে কোন মার্কস এই কন্টেস্টে থাকছে না। এডমিন প্যানেল থেকেই জাজ প্যানেল গঠন করা হবে এবং তারা তাদের মারকিং করবেন। 

সাবমিটের শেষ সময়ঃ ডিসেম্বর ১০; ২০১৩।
ফলাফল ঘোষণার সম্ভাব্য তারিখঃ ১৬ ডিসেম্বর; ২০১৩। 
হায়েস্ট মার্ক্সধারীর বিজয়ীর জন্য থাকবে আকর্ষণীয় পুরস্কার। এর সাথে প্রথম কয়েক স্থান ধারণকারীদের অনুবাদ আমরা আপলোড করে দিব গ্রুপে রেজাল্ট ঘোষণার পরবর্তী সময়েই।

মাঙ্গা চ্যাপ্টার লিঙ্কঃ

My Real decision
http://www.mangareader.net/93-387-1/naruto/chapter-382.html
In Hell
http://www.mangareader.net/93-405-1/naruto/chapter-400.html
Hatake Kakashi
http://www.mangareader.net/93-430-1/naruto/chapter-425.html
Memento
http://www.mangareader.net/93-453-1/naruto/chapter-448.html

অতিরিক্ত নিয়মকানুনঃ 
১/ ছবির ফরম্যাট অবশ্যই PNG বা JPEG হতে হবে; অন্য কোন ফরম্যাট গ্রহণযোগ্য নয়।
২/ কোন এন্ট্রি ফি নেই।
৩/ একজন প্রতিযোগী যতগুলো ইচ্ছে এন্ট্রি দিতে পারেন।

এনিমখোর স্বপ্ন দেখে বাংলাতে এনিম চর্চা আরও বিস্তৃত হবে; একদিন হয়ত বাংলাতেও স্ক্যানলেশন বের করব আমরা। সেই প্রতীক্ষায়; সবাইকে আবারও ধন্যবাদ। 

এনিমখোর এডমিন প্যানেল।

Unbreakable Machine Doll: anime review by Kazi Rafi

Unbreakable Machine Doll দেখা শুরু করলাম। ইন্ডাস্ট্রিয়াল যুগে লন্ডন শহর ঘিরে গড়ে উঠা কাহিনী , মিলিটারি আবহ, এত অটোমেশন, আর কলকব্জা নিয়ে ব্যাপার স্যাপার, মূল চরিত্রের বিশেষ পারিবারিক ঘটনা, প্রতিশোধ নেওয়ার বাসনা, (মূল চরিত্রের মধ্য বয়স্ক মহিলা শিক্ষিকা ;)) বড়ই fma/fmab ভাইব পাচ্ছি এনিমেটা থেকে !!!! প্রথম ৫ এপি দেখলাম, মোটামুটি ভালই বলব, Raishin Akabane মূল চরিত্র হিসেবেও মানাসই, আমি বলব ! এখন আসি এনিমের সমস্যাগুলায়- ইয়াইয়া চরিত্রটা ধীরে ধীরে কিছুটা একঘেয়ে এবং বিরক্তিকর হয়ে উঠতেছে তার রাইশিনের প্রতি একদম প্রথম পর্বেই প্রতিষ্ঠিত করে দেওয়া মনোভাব প্রতি পর্বেই ঘুরায় ফিরায়ে বারবার দেখানোর জন্য ( এটা সম্পূর্ণই আমার একান্ত মনোভাব ও মতামত !!! এর সঙ্গে যে সম্মত হতে হবে এমন কোন কথা নাই ) !!! এবার আসি এনিমের এনিমেশনের প্রসঙ্গে, চরিত্রদের ডিজাইনে ‘কালার প্যালেট’ সমগ্রভাবে যে পরিমান উজ্জল দেওয়া হইছে, যার কারনে চরিত্রদের মুখভঙ্গি এক বিন্দুও দেখা যায়না, যেন ‘সেন্সরড’ করে রাখা হইছে !! আর সবশেষে হচ্ছে এনিমের অ্যাকশন CGI !! চোখের জন্য সে যে কি ভয়াবহরকম পীড়াদায়ক তা আর নাইবা বললাম !!! এরচেয়ে বলা যায় টোকিও র‍্যাভেন্স এর cgi ও বহুতগুনে ভালো !

এনিমেটার হিট করার মতো অনেক ভালো ভালো এলিমেন্ট আছে, কিন্তু সমস্যা হচ্ছে এর মাত্র ১২ পর্ব বের হবে, অথচ ২৪ পর্ব বানানর মতো উপাদান এদের আছে, যে দুঃখজনক কারনে এনিমেটা হিট করার যত লুকানো অপার সম্ভাবনা আছে তা প্রদর্শনের আগেই শেষ হয়ে যাবে !! বড়ই আফসসের ব্যাপার !!!

 

Sword Art Online: review from Tahsin Faruque Aninda

Sword Art Online অবশেষে শেষ দিলাম। আর ভাগ্য ভাল অন্যদের কথা শুনে মাঝপথে দেখা থামাই নাই! আমার কাছে মারাত্মক ভাল লাগসে এইটা!!! 

বেশিরভাগ দর্শককেই বলতে শুনসি যে মাঝপথ থেকে হিন্দি সিনেমা বানায় দিসে। আমার কাছে একদমই লাগে নাই!
এই আনিমেটার মেইন থিম VRMMO এবং প্রেমকাহিনি, শুধু গেমিং নিয়ে আনিমে বললে ভুল হবে।

ALO আর্কটাতে নায়িকা পুরাটাই অন্য আরেকজন [স্পয়লারের জন্য বলছি না  ]
সবমিলিয়ে এই আর্কটাও ভালই করেছে 

যাই হোক, দুর্দান্ত কিছু OST আছে যা এখনই সব ডাউনলোড করতে দিতেসি 

ওভারঅল, I LOVED IT! 

যারা এখনও দেখে নি, তারা অন্যদের কথা না শুনে নিজে দেখে বিচার করুন। একদল বলে এটা বিরক্তিকর, আর আমার মত আরেকদলের কাছে খুবই সুন্দর লেগেছে 
MAL রেটিংটা আমার কাছে যুতসুই লেগেছে 

[এটার অন্য আরেকটা VRMMO নিয়ে কাহিনি আছে শুনেছি, সেইটা দেখার আশায় আছি! ]

 

 

এফ এ সি ৮ by Farsim Ahmed

Farsim Ahmed's photo.

 

 

রান্ডম টপিক

 ইয়ায়বা(Yaeba)

 

 

অন্য দেশের মহিলারা যেখানে দাঁত সামান্য আঁকাবাঁকা হলেই ব্রেইস নিয়ে টানাটানি শুরু করে, এবং এই ফ্যাক্টটা যতটা সম্ভব লুকিয়ে রাখার  চেষ্টা করে,সেখানে কিছু জাপানি মহিলা কৃত্তিমভাবে তাদের দাঁত বাঁকিয়ে নেয়। কারণ তারা মনে করে এতে তাদেরকে ”কাওয়াই” মনে হয়। তারা আরেকটা কাজ করে, কৃত্তিম শ্বদন্ত স্থায়ী বা অস্থায়ীভাবে লাগিয়ে নেয়। এই ফ্যাশন ট্রেন্ডটা ইদানিং খুব জনপ্রিয়। আনিমেতেও এমন কিছু ফিমেইল ক্যারেক্টার আছে যাদের শ্বদন্ত স্পষ্ট, এদেরকে বলা হয় ফ্যাং-তান,যেমন কৌসাকা কিরিনো বা ইন্ডেক্স। এখন যদি বলেন ২ ডি  ভালো নাকি ৩ ডি ভালো, সিদ্ধান্ত নেয়ার ভার আপনার উপরে, প্রথম কমেন্টে দুটোরই ছবি দেয়া আছে।

 

 

আনিমে সাজেশন

শিকি(Shiki)

 

সতোবা ছিল চমকার একটা গ্রাম, ছায়া সুনিবিড় শান্তির নীড়। কিন্তু এসবি পাল্টে গেল, যখন গ্রামে অদ্ভুত এক পরিবার পরিত্যক্ত ম্যানশনে থাকতে এলো।লোকজন হারিয়ে যেতে শুরু করলো খুব দ্রুত, পাওয়া যেতে লাগলো রক্তশুন্য লাশ।তদন্তে নামল নাত্সুনো ইউকি।

কেন দেখবেনঃ এখনকার মিডিয়ায় ভ্যাম্পায়ারদের মত ভালো মানুষ আর হয় না। তারা খুবই সামাজিক, ভীষণ আকর্ষনীয় চেহারা ও ব্যক্তিত্বের অধিকারী, তারা মানুষের ক্ষতি একদমই করতে চায় না, টমেটো জুস খায় নাহলে আইরন ট্যাবলেট আর হিমোগ্লোবিন খায়, নাহলে ব্লাড ব্যাংক থেকে রক্ত কিনে আনে। কেউ বা অল্প বয়সী মেয়েদেরকে স্টক করে, হীরার মত জ্বলতে থাকে। কেউ সানস্ক্রিন মেখে বাইরে বেরোতে পারে। কিন্তু একটা সময় ছিল যখন ভ্যাম্পায়ার ছিল আতঙ্কের আরেক নাম। তাদেরকে মারা যেত শুধু বুকে গজাল ঢুকিয়ে দিয়ে। শিকি সেই ট্রাডিশনাল কনসেপ্টকে ফুটিয়ে তুলেছে অসাধারনভাবে। সেই সাথে আছে সময়োপযোগী মুগ্ধ করা সাউন্ডট্র্যাক, যেগুলো শুনলে আপনি অবশ্যই মিউজিকগুলো কালেকশনে রাখতে চাবেন।

কেন দেখবেন না:ইন্ডেফিনিট এন্ডিং, ভিজুয়াল একটু অন্যরকম, সবাইকে সুট নাও করতে পারে।

 

ম্যাল রেটিং ৮.১৯

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

সরা ওয়া আকাই কাওয়া নো হতোরি(Sora wa Akai Kawa no Hotori/Red River)

 

 

ইউরি ছিল সাধারণ এক জাপানি মেয়ে। তার দৈনন্দিন জীবন বদলে গেল যখন আনাতোলিয়া, বা প্রাচীন তুরস্ক এর এক রাণী তাকে জাদুবলে টাইম ট্রাভেল করিয়ে নিয়ে আসল, উদ্দেশ্য, তার ছেলে বাদে সিংহাসনের সব উত্তরাধিকারকে জাদুবলে  খুন করা।ইউরি এই প্রক্রিয়ার বলি। ঘটনাচক্রে ইউরির দেখা হলো সুদর্শন রাজপুত্র কাইল এর সাথে। ক্ষমতার লড়াইয়ে আরো দানা বাঁধলো, যখন ইউরি মর্যাদা পেল যুদ্ধের দেবী, ইউরি ইস্টারের।

কেন পড়বেনঃচমত্কার কাহিনীর বুনোট, কোথাও ঝুলে যায়নি, আর ভীষণ আকর্ষনীয়। একবার শুরু করলে শেষ না করে উঠা মুশকিল। এন্ডিংও

দারুন সন্তোষজনক।

কেন পড়বেন নাঃ না পড়ার কোনো কারণ নেই।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৭

আমার রেটিং ৯

Silver Spoon or Gin no Saji : Manga Review by Farhad Mohsin

Silver Spoon বা Gin no Saji পড়া শুরু করেছি আবার রিসেন্টলি। চ্যাপ্টার ৩০+ কিছু একটা পর্যন্ত পড়েছি। এটা স্বীকার করে নিব যে এ মাঙ্গাতে ইন্টারেস্ট হওয়ার মূল কারণ এর মাঙ্গাকা। ফুলমেটাল অয়ালকেমিস্টের আরাকাওয়া হিরোমু সেনসেই’র অন্যান্য কাজ খুঁজতে গিয়েই এটাতে আসা(তার অন্যান্য কাজের মধ্যে অন্তত রেইডেন-১৮ এর ওয়ানশটটা যারা মাঙ্গা পড়েন তাদের পড়ে দেখার অনুরোধ করব)।
মাঙ্গার genre স্লাইস অফ লাইফ, কমেডি, স্কুল। 
মূল চরিত্র ইউগো হাচিকেন। কাহিনী প্রায় পুরোটাই একটা এগ্রিকালচারাল স্কুলে। যে স্কুলের ধরণ-ধারণই অন্য। ম্যাথ, ল্যাঙ্গুয়েজ, সায়েন্স ইত্যাদির জায়গায় সেই স্কুলের ফোকাল সাব্জেক্ট হল গিয়ে Dairy Farming, Farming Technology, Food & Nutrition Sciences ইত্যাদি। স্কুলের এক্টিভিটি ক্লাব হল গরুপ্রেমীদের ক্লাব, ঘোড়সওয়ারদের ক্লাব এইসব।
স্কুলের নতুন ক্লাসের প্রায় সবাইই কোন না কোন ফার্মিং ফ্যামিলি থেকে আসা, কারও পরিবারের ডেয়ারি ফার্ম আছে তো কারও বা পোল্ট্রি ফার্ম। সবারই আছে ফার্মিং বিষয়ক নিজস্ব কোন স্বপ্ন । এদের সবার মধ্যে একরকম জোর করে একদম ভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসে উদয় হয় হাচিকেন। যে জীবনে ফার্মে যায় নি, পশু-পাখি বা গাছ-পালার সাথে যার কোন সম্পর্ক নেই, এতদিন শুধু পড়াশোনাই করে গেছে, তার কাছে এসবকিছু খুব নতুন।
এই স্কুলে এসে এ সবকিছুর মধ্য দিয়েই শুরু হয় হাচিকেনের এডাপ্ট করার গল্প। নিজেকে চেনা, নিজের স্বপ্ন খুঁজে ফেরার গল্প।
এখন পর্যন্ত যা পড়েছি বেশ ভাল্লাগসে। এনিমে অ্যাডাপশান আছে। ১১ পর্বে মাঙ্গার ৮ ভল্যুমের মত মনে হয় কভার করে। ওটাও ভালো হওয়া উচিত।
আর যদিও এফেমে থেকে কনসেপ্ট পুরোপুরি আলাদা, তারপরেও আর্ট-স্টাইল, স্টোরি-টেলিং, ক্যারেক্টার ডিজাইন ইত্যাদির কারণে এফেমের কথা নিয়মিতই মনে পড়বে সম্ভবত। আমার ক্ষেত্রে হ

Ore no Nounai Sentakushi ga, Gakuen Love Comedy wo Zenryoku de Jama Shiteiru: Review by Kazi Rafi

কেও কি Ore no Nounai Sentakushi ga, Gakuen Love Comedy wo Zenryoku de Jama Shiteiru সর্টে Noucome নামের এনিমেটা ফলো করতেছেন ? অস্থির হাসির একটা এনিমে !!! Kanade Amakusa এক জটিল মানসিক ব্যাধি দ্বারা আক্রান্ত, যেখানে আমাকুসার মাথার মধ্যে এক কণ্ঠ তাকে একটি মাল্টিপেল চয়েস প্রশ্ন দেয় এবং সে যে উত্তরটা বেছে নিবে সেইটা বাস্তবে পরিণত হবে বা আমাকুসাকে তা বাস্তবে পরিনত করতে হবে, আর সে এটা না মানলে মাথায় তার প্রচণ্ড ব্যাথা শুরু হবে !!!! এইভাবেই বিভিন্ন হাস্যকর ঘটনার মধ্যে দিয়ে কাহিনী আগিয়ে যায় ! যারা কমেডি আর প্যারোডির ভক্ত তাদের জন্য এই এনিমে অবশ্যক !!! 

একটি উদাহরণ- দুই নং অপশনটি বেচে নিয়েই কিন্তু এভাবেই আইনস্টাইন থিওরি অফ রিলেটিভিটির সূত্র আবিষ্কার করেছেন !!!!!

৪ নং পর্বে যখন God ফোন দিয়ে যে ভঙ্গিতে বলে “Hello Hello Kanade San” শুইনা হাসতে হাসতে অবস্থা খারাপ হয়ে গেছে !!! আর কিযে একেকটা চয়েস !!! লোল !!!!!!! XD আর এতো অস্থির এনিমের মাত্র ১০ এপি আসলেই দুঃখজনক ! ২৪ পর্বের হইলে জোস হইত !!!! আফসোস !!!

 

Coffee With Asif (CWA): Sports Corner – পর্ব ২ – Giant Killing By Md Asiful Haque

Giant Killing

এনিম – Giant Killing

রিলেটেড স্পোর্টস – Football/ Soccer
অবস্থা – Completed
টোটাল এপি সংখ্যা – ২৬
রিলেটেড এনিম – Inazuma 11; Captain Tsubasa; Ginga e kickoff; Whistle!, Aoki Densetsu Shoot, Area no kishi Etc.

 স্টোরি লাইন –

East Tokyo United (ETU) – জাপানের টপ ফুটবল লীগে টিকে থাকার জন্য লড়াই করে যাচ্ছে কয়েক বছর ধরেই। এই সংগ্রামে অনেকটা জুয়ার চালেই তারা নতুন ম্যানেজার হিসেবে নিয়োগ দেয় তাতসুমি তাকেশিকে। তাতসুমি এককালে এই দলেরই স্টার প্লেয়ার ছিল; পরে অবশ্য দল ফেলে বিদেশ পাড়ি দেয়; সেই থেকেই মুলত দলের পতনের শুরু!!! সেই জন্য ভক্তদের কাছে যথেষ্ট অজনপ্রিয় সে; এছাড়াও তার অদ্ভুত জীবন জাপন; কোচিং স্টাইল; চাঁছাছোলা কথাবার্তা – সব মিলিয়ে সে নিজ দলেই বেশ বিরাগভাজন। তার সাম্নের চ্যালেঞ্জ মোটেও সহজ নয়; একটা ভাঙ্গাচোরা; স্পন্সর হারাতে হারাতে বাজেট শূন্যর কোটায় চলে আসা একটা দলকে জাগিয়ে তোলা !!! তাতসুমির পথচলাটা কেমন ছিল; কি করে একটা সাধারণ দল নিয়ে “Giant” টিম গুলোকে একের পর এক “বধ” করে তারই গল্প – giant killing !!!

কেন দেখবেন –

 এই এনিমে আর যা-ই হোক বলে কিক করলে বল থেইকা আগুন বের হয় না !! যারা সুপার পাওয়ার ধরণের শোনেন তাইপ স্পোর্টস এনিম দেখে খানিকটা হতাশ; এই এনিমটা হতে পারে তার জন্য পারফেক্ট রিলিফ !!! একদম বাস্তবধর্মী; প্লেইন স্ট্র্যাটেজিক এনিম !!! আর ম্যানেজারকে কেন্দ্র করে ঘটনা আবর্তিত হয় বলে ফোকাস শুধু প্লেয়ারদের উপরই না; বরং প্লেয়ার; কোচ; ম্যানেজার; টিম ওনার; ফ্যান – সবাইকেই যথেষ্ট গুরুত্ব দিয়ে দেখানো হইসে। টিমের মেম্বাররা সবাই এডাল্ট; সুতরাং আরও রিএলিস্টিক ফিল পাওয়া যাবে।

AMV লিঙ্ক –

https://www.youtube.com/watch?v=YMZLj1CrjAI

স্পয়লারের ভয় না করে এইটা দেইখেন; আশা করি দেখার পরার কিছু বলা লাগবে না !!!

 

 

পাব্লিক রিএকশনঃ (ফাহিম বিন সেলিম) –

Started watching Giant Killing. Finally an anime about Football not with Superpowers or about highschool school team, real proffessional Football! Loving it! And the best thing about sports anime are, they are hardly boring and almost every episode ends witha cliffhanger.

আমার রিএকশনঃ 

ফুটবল ভক্ত কাউকে স্পোর্টস এনিমে এডিক্টেড করে দিতে হইলে এইটা হাতে ধরায় দেওয়াই এনাফ !! এর পর নিজ দায়িত্বে অন্য সাজেশনের জন্য মাথা খারাপ করে ফেলবে ইনশাল্লাহ !!!

 

ছায়া অবলম্বনেঃ  

One Outs – রিএলিস্টিক; এডাল্ট প্লেয়ার; স্বল্প দৈর্ঘ্য।

 

Giant Killing ট্রিভিয়াঃ 

 

# ETU এর দুটি ম্যাচ কিট রয়েছে। তাদের মুল জার্সির কালার লাল কালো; away ম্যাচে সাধারণত সাদা জার্সি ব্যাবহার করে থাকে তারা। 

#ETU এর মাস্কট Pakka (১২ নম্বর জার্সি)

# জাতীয় দলে ETU এর একজন খেলোয়াড় রয়েছেন। তিনি akasaki. পজিশন – গোলকিপার (ফিকশনাল ক্যারেক্টার অবশ্যই )

 

– CWA প্রচারিত হচ্ছে প্রতি শুক্রবার; এনিমখোরে!! আমাদের আর কোথাও কোন শাখা নেই !!! স্পোর্টস এনিম নিয়ে আপনার যে কোন আবদার; আবেদন; আহ্লাদ; হুমকি; জিজ্ঞাসা – সব কিছুই জানাতে পারেন আমাদের; আমরা তার সমাধান দেবার চেষ্টা করব কোন না কোন সময় ইনশাল্লাহ !!! আমাদের সাথেই থাকুন !!!

Cowboy Bebop: The best anime for ‘grown-ups’ – Farhad Mohsin

 

cowboybebop0003

আমার বেশ অনেকবার ভাবতে হয়েছে যে জীবনে এনিমে দেখে নাই এমন না বরং এনিমে দেখতে গিয়ে সেভাবে আগ্রহ পায় নাই(এমনটা হতেই পারে, এইরকম লোকজনকে গালাগালি করারও কিছু নাই) এমন কাউকে সাজেস্ট করার জন্য একটা পারফেক্ট এনিমে কি হতে পারে? অনেক লম্বা কিছু না, এপিসোডের সঙ্খ্যা দেখে ভয় পাইতে পারে। আগে মনে হত এরকম লোকজনের জন্য ডেথ নোট খুব ভালো সাজেশন। 
কিন্তু আজকাল মনে হয় হিউমারওয়ালা কিছু হলে আরও বেশি ভাল হয়, আবার গ্যাগ জাতীয় কিছু হইলেও খারাপ।
যাইহোক, কাউবয় বিবপ দেখছি। আমার মনে হয় আমার দেখা এনিমের মধ্যে এরকম সাজেশন দিতে গেলে বিবপ একদম শুরুর দিকে থাকা উচিত। স্পেশালি সাজেশনগ্রহীতা যদি স্কুল-কলেজের পাট চুকিয়ে থাকে। অ্যাকশন, হিউমার, ড্রামা, প্লট প্রায় সব দিক দিয়েই অসাধারণ একটা এনিমে। (এন্ডিং কেমন জানতে আরও কয় ঘণ্টা বাকি আছে, কেউ স্পয়েল কইরেন না), আর আর্কগুলো যেহেতু অনেকগুলো পর্ব ধরে চলে না তাই অনেক ফ্রিলি দেখা যায়। 
এখন থেকে আমার টপ টেন এনিমের মধ্যে কাউবয় বিবপ মনে হয় সবসময়ই থাকবে।

cowboy_bebop_desktop_1024x768_wallpaper-276818