Behind the Voices – 08

নাকামুরা ইয়ূইচি

সাধারণত রুক্ষ এবং বড় ভাই টাইপ চরিত্র অসাধারণভাবে তুলে ধরতে পারার খ্যাতি হয়তো নাকামুরা ইয়ূইচিরই সবচেয়ে বেশি । একজন কণ্ঠ অভিনেতা হিসেবে তিনি দক্ষ এবং তার চরিত্রগুলিও ভক্তদের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠে।

তার করা রোলগুলো প্রায় সবসময় এক ধাঁচের দেখালেও কিছু ব্যতিক্রমী চরিত্রও তিনি করেছেন । এই রকম দুইটি চরিত্র হল গেক্কান শৌজো নোযাকি-কুনের নোযাকি এবং হিওকার ওরেকি হৌতারো, আর এই দুইটা চরিত্র তিনি এত সুন্দরভাবে তুলে ধরেছেন যে হয়তো তার জায়গা অন্য কারও পক্ষেই কাজটা বেশ কঠিন হতো । তার রেগুলার ধাঁচের চরিত্রগুলোর মধ্যেও অনেক পছন্দের রোল আছে । সেগুলো হল দুরারারার দোতাচিন, ফেইরি টেইলের গ্রে ফুলবাস্টার ( পুরা সিরিজের হয়তো এই একটা চরিত্ররেই খুব বেশি ভাল্লাগসে ), ফুলমেটাল অ্যালকেমিস্ট ব্রাদারহুডের গ্রিড, মাহৌকা কৌকৌ নো রেত্তোসেই-এর শিবা তাৎসুয়া, ম্যাজাই-এর রেন কৌয়েন, ওয়ারি নো সেরাফের ইচিনোসে গুরেন এই চরিত্রগুলো । তার আরেকটি জনপ্রিয় রোল হল ক্লানাডের ওকাযাকি তোমোয়া, কিন্তু ক্লানাড না দেখার কারণে ঠিক বলতে পারছি না এই রোলটি তিনি কিভাবে তুলে ধরেছেন। আনিমের ওএসটিতে তুলনামুলকভাবে তার কাজ কম।

Yuuichi Nakamura 1

তার জন্ম ১৯৮০ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি । তিনি সুগিতা তোমোকাযুর খুব ঘনিষ্ঠ বন্ধু। ভয়েস এক্টিং ইন্ডাস্ট্রিতে তার অভিষেক ২০০১ সালে, তবে বড় কোন রোলের জন্য তার ২০০৭ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়েছে । এখন হয়তো সেরা কণ্ঠ অভিনেতাদের তালিকায় তিনি একজন । এই বছরও তিনি অনেক রোল পেয়েছেন এবং সামনেও আরো পাবেন আপাতত এই আশা করা যাক।

Yuuichi Nakamura 2

 

নাকাহারা মাই

নাকাহারা মাই এমন একজন যিনি তার শ্রুতিমধুর কণ্ঠ দিয়ে যে কোন ধরণের চরিত্রের সাথে সুন্দরভাবে মানিয়ে নিতে পারেন । তিনি একজন প্রতিষ্ঠিত কণ্ঠ-অভিনেত্রী এবং তার রোলের সংখ্যাও ৮০+।

তার এত্তগুলো রোলের মধ্যে অনেকগুলো রোলই আমার ভালো লেগেছে। পছন্দের রোলগুলো হল ওরেগাইরুর ইউকিনোশিতা হারুনো, সার্ভেন্ট এক্স সার্ভিসের মিয়োশি সায়া, গেক্কান শৌজোর কাশিমা ইঊ, কাতানাগাতারির নানামি, মেকাকু সিটি এক্টর্সের তাতেয়ামা আয়ানো এবং স্পাইস এন্ড উল্ফের নোরা । তার সবচেয়ে জনপ্রিয় দুটি রোল হল ক্লানাডের নাগিসা এবং ফেইরি টেইলের জুভিয়া । বিভিন্ন আনিমের ওএসটিতেও তার কাজ রয়েছে ।

Mai Nakahara 1

তার জন্ম ২৩ ফেব্রুয়ারি, ১৯৮১ । তার কণ্ঠ অভিনয় বরাবরের মতই সুন্দর এবং ২০০৩ থেকে এই পর্যন্ত কোন বছরেই ৪ টির নিচে রোল পায় নাই । আনিমে জগতে তার অভিষেক ২০০২ সালে এবং সেই বছরও ৩ টি রোল পেয়েছেন। তার দক্ষতা এবং মেধা দিয়ে বলা যায় সামনেও সে অনেক রোল পাবেন আর তার রোলের হিসাবে সেঞ্চুরি করতে আর বেশি দিন বাকি নেই । শেষে বলব তার MAL-এর ছবিটা দেখতে অনেকটা নিকি মিনাজের মত লাগে।

Mai Nakahara 2

রুফিয়াসের মাঙ্গা থিওরি- পর্ব ১ঃ টোকিও ঘোউল – কানেকির উপর জেসনের আসল অত্যাচার

( কন্টেইন্স এ ভেরি কন্ট্রোভারশাল টপিক )

আচ্ছা, যে বিষয়টা নিয়ে কথা বলতে চাই, সেটি হল, টোকিও ঘোউল মাঙ্গায় আওগিরি ইনভেশন আর্ক এ কানেকি কে ইয়ামরি/জেসন ধরে টরচার করে, কিভাবে টরচার করে সেটা অনেকেরই জানা। হাত আর পায়ের আঙ্গুল কেটে ফেলা, কানের ভেতর চাইনিজ সেন্টিপিড ঢুকিয়ে দেয়া। শারীরিক টর্চার এর পাশাপাশি মানসিক অত্যাচার ও করা হয়েছিল। মা ঘোউল আর ছেলে ঘোউল এর মাঝে কানেকি কে বেছে নিতে বলা হয়েছিল, কাকে সে রক্ষ্যা করবে, কাকে হত্যা হতে দেবে। যাই হোক, আমি সেদিকে যেতে চাচ্ছি না, শারীরিক অত্যাচার এর দিকটাই বিশ্লেষণ করতে চাই।

এমন কি হতে পারে, যে ইয়ামরি আসলে একজন সমকামী!?!?

এমন কি হতে পারে, যে ইয়ামরি কানেকি কে সেক্সুয়ালি টরচার করেছিল?

বিষয়টি বোঝাবার জন্য নিম্নোক্ত যুক্তি পেশ করা হলঃ

১। ইয়ামরি এর পার্টনার নিকো একজন হোমোসেক্সুয়াল পুরুষ।

tg 1

২। ইয়ামরি আওগিরি এর আস্তানায় কানেকি কে দেখে কেমন এক ধরনের লোভ দেখিয়েছিল। একি শুধু শারীরিক অত্যাচার করার ইচ্ছা?

tg 2

৩। কানেকি কে ইয়ামরি যখন তার টর্চার রুমে নিয়ে আসে, আমরা চেয়ারের সাথে বাঁধা একজনকে দেখতে পাই। যে কিনা ইয়ামরির আগের অত্যাচারের খেলনা ছিল। সেও একজন পুরুষ। তার গায়ে পোশাক নেই। কিন্তু সেক্সুয়ালি টর্চারের চিহ্ন পাওয়া যাবে।

tg 3

৪। কানেকি কে টর্চারের মাঝে কেউ কি লক্ষ্য করেছেন যে তার গায়ের শার্টটি বদলে দেয়া হয়েছে! কানেকির সাদা শার্টের বদলে সেখানে ইয়ামরির টিশারটটি পরানো হয়েছে।

tg 4

৫। টর্চারের পর কানেকির প্যান্টের বোতাম খোলা ছিল। শার্ট ছেড়া ছিল।

tg 5

৬। কানেকির পায়ের রগ কাটা ছিল, তাকে চেয়ার থেকে সরালে যেন পালাতে না পারে, তাই। চেয়ার থেকে কানেকি কে কেন সরানো হয়েছিল?

tg 6

 

tg 7

 

৭। কানেকির হ্যালোসিনেশানে কানেকি কে অসহায়, উলঙ্গ দেখানো হয়েছে।

tg 8

৮। কদিন আগে টোকিও ঘোউলঃরে মাঙ্গায় কানেকির এক্স রে ছবি তে দেখানো হয়েছিল অতীতে শরীরের কোথায় কোথায় কানেকি আঘাত পেয়েছিল । সেই ছবিটিও সেক্সুয়াল টর্চারের প্রমান।

tg 9

৯। মাঙ্গাকা ইশিদা সুই সেক্সুয়াল এসল্ট এর বিষয়ে চুপ থাকেন নি। জুঝোউ, টরসো, নাটক্র্যাকার তার উদাহরণ।

আমি বলছিনা কানেকি কে রেইপ করা হয়েছে। আমি বলছি কানেকি কে হয়ত সেক্সুয়ালি মিউটিলেট করা হয়েছিল। কানেকি নিজে কখনো এটা বলেনি। যেহেতু কানেকির সিলেক্টিভ মেমরি, হয়তো বা তাই।

কি জানি…

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৫৩ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৫৩ তম লেসন

আজকের লেসন হল আগের লেসনে শিখান adverb এর বাকি অংশ শিখাব…

আগের লেসনে কিভাবে i-adjective আর na-adjective থেকে adverb বানান যায় তা কিছুটা দেখাইছিলাম..আজকে আরো কিছু উদাহরণ দিব…

১মে আসি i-adjective থেকে adverb এ(আগের দিনই বলেছি “i” এর বদলে “ku” বসালেই adverb হয়)

ওওকিই-big (adjective)..ওওকিকু-big (adverb)…

ওওকিই কুরুমা দেসু-big car … আনো কোদোমা ওয়া ওওকিকু নারিমাশিতা-that child has become big..

ওসোই-late/slow…(adjective)…ওসোকু-late/slowly (adverb)…

আনো কুরুমা ওয়া ওসোই দেসু-that car is slow…ওয়াতাশি ওয়া উচি দে ওসোকু কাএরিমাশিতা-i returned home late…

এবার আসি na-adjective থেকে adverb এ(“na” এর বদলে “ni” বসালেই adverb হয়)

গেনকি না -healthy (adjective)..গেনকি নি -healthy (adverb)…

গেনকি না কোদোমো দেসু-healthy child..ওয়াতাশি ওয়া গেনকি নি নারিমাশিতা-i have become healthy..

নিগিইয়াকা না-lively (adjective)..নিগিইয়াকা নি-lively (adverb)..

নিগিইয়াকা না মাচি দেসু-lively city…আনো পাআতি ওয়া নিগিইয়াকা নি নারিমাশিতা-that party has become lively…

এরকম যত i-adjective আর na-adjective আছে সবই এই নিয়মে পরিবর্তন করে adverb করা যায়

এবার আসি রেগুলার টাইপের adverb এ… এইগুলা কোন কিছু থেকে আসেনা… কিছু উদাহরণ দেয়…

হাক্কিরি,ইউক্কিরি,সুকোশি,আমারি,জেনজেন ইত্যাদি..

হাক্কিরি- clearly… হাক্কিরি কিইতে কুদাসাই-please listen clearly..

ইউক্কিরি-slowly…ইউক্কিরি আরুইতে-walk slowly..

সুকোশি-little/few…ওয়াতাশি ওয়া সুকোশি তসুকারেতে ইমাসু- i am a little tired

আমারি-not very/not much…কারে ওয়া আমারি তাকাকু নাই-he is not very tall..(used with negative )

জেনজেন-completely/not at all…ওয়াতাশি ওয়া জেনজেন নিকু ও তাবেনাই-i won’t eat meat at all (negative)

এই ছিল মোটামোটি adverb সম্পর্কে আমার জ্ঞান … আশা করি কিছুটা হলেও বুঝাতে পেরেছি 🙂 মাতা নে..

Girls und Panzer: Anime Review — ইমামুল কবির রিভু

Girls und Panzer
জনরা: মিলিটারি, স্কুল

স্টোরি: গার্লস উন্দ পানযারের কভারটা দেখলে অনেকেই ধারণা করতে পারেন হয়তো ললি দিয়ে ভরা সাধারণ কোন মোয়ে আনিমে। যদি তা ভেবে থাকুন, তাইলে বলব আপনার ধারণা কিছুটা ভুল । আনিমেটার কাহিনী মূলত ন্যাশনাল ট্যাঙ্কয়োন্দো চ্যাম্পিয়নশিপকে ঘিরেই । বেশ সাধারণ কাহিনী, তবে বিস্ময়কর বিষয়গুলো হল ম্যাচের মাঝে মূল চরিত্রের ব্যবহার করা ট্যাকটিক্সগুলো । ম্যাচ যখন তাদের প্রতিকুলে তখন বেশ অসাধারণ ভাবে ম্যাচকে নিজেদের অনুকুলে নিয়ে আসার উপায়গুলো সত্যি অসাধারণ ছিল। আর বেশি কিছু বলব না, মাত্র ১২ পর্বের বেশ ভালো আনিমে আর বাকিটুকু আপনার দেখে নেওয়ার দায়িত্ব।

আর্ট: আনিমেটার আর্ট বেশ ভালোই । কিছু কিছু জায়গায় CG এফেক্টের কাজও ছিল, সাধারণত CG এফেক্ট একটুও ভাল্লাগে না । তবে আমার এই পর্যন্ত দেখা কোন আনিমের মধ্যে এই আনিমেটায় সবচেয়ে অসাধারণ CG এফেক্টের কাজ ছিল এই আনিমেতে । এই CG এফেক্টের ব্যবহারের জন্যই হয়তো এই ট্যাঙ্কগুলোর চলাচল নির্ভুলভাবে আনিমেটিতে তুলে ধরতে পেরেছে ।

gnp 1
সাউন্ড: আনিমেটার ওএসটি অত্যন্ত সুন্দর । ওপেনিং-এন্ডিংগুলাও বেশ ভালো । এন্ডিং-এর ‘Enter Enter MISSION!’ গানটা বেশ ভালো লেগেছে । এছাড়া ইন্সার্ট মিউজিকগুলাও অসম্ভব রকমের ভালো । আনিমেটায় ট্যাঙ্কের মাঝে লড়াইয়ের সময় যুদ্ধের থিম ব্যবহার করেছে, যা একেবারেই পরিস্থিতির সঙ্গে বেশ মানানসই ছিল । ইন্সার্ট মিউজিকের মধ্যে ‘কাৎয়ুশা’ (https://goo.gl/rH32AY) বেশ ভালো লেগেছিল । আর এই ভিডিওটি দেখার পর বলে দেওয়া লাগবে না যে ভুলেও আনিমেটির ইংরেজি ডাব্ড ভার্সন ধরতে না । আনিমেটার ভয়েস আক্টিং বেশ ভালো ছিল । বিশেষ করে কায়ানো আই, ইগুচি ইয়ূকা, কানেমোতো হিসাকো, তানাকা রিয়ে, নাবাতামে হিতোমি, কাওয়াসুমি আয়াকো, কিতামুরা এরি এদের কণ্ঠ-অভিনয় অসম্ভব রকমের ভালো ছিল আনিমেটিতে । এছাড়া আরও অনেক ভালো কণ্ঠ-অভিনেত্রীরাও আনিমেটিতে ছিল, যেমন ফুকুয়েন মিসাতো,আয়া হিরানো, উয়েসাকা সুমিরে, উয়েদা কানা । আকেসাকা সাতোমি, কোমাৎসু মিকাকো এবং ইসে মারিয়াও ছিল কিন্তু বেশ মাইনোর রোলে অবশ্য ।

চরিত্র: আনিমেটাতে অনেক রকমের চরিত্র ছিল । বিশেষ করে অনেক চরিত্র-ই দ্বীতিয় বিশ্ব যুদ্ধের রণ নায়কদের প্রতিনিধিত্ব করেছেন । আনিমেটার ন্যাশনাল ট্যাঙ্কয়োন্দো চ্যাম্পিয়নশিপে একেক স্কুল একেক জাতিকেই প্রতিনিধিত্ব করেছেন, আপনি আনিমেটি দেখলে সহজেই বিষয়টি ধরতে পারবেন এবং কারা কোন জাতির প্রতিনিধি তাও বুঝতে পারবেন। ওয়ারাই গার্ল্স হাইস্কুলের চরিত্রদের মধ্যে বেশ ভালো রকমের ক্যারাক্টার ডেভেলপমেন্ট ঘটেছে, যদিও তা অন্য চরিত্রগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য না অবশ্য তারা মূল চরিত্রও না । এত্তগুলো চরিত্রর মাধে কেউ কে না কেউ আপনার ভালো লাগবেই, আমার ব্যক্তিগত পছন্দ কাৎয়ুশা, নিশিযুমি মাহো এবং তাকেবে সাওরি এই তিনটি চরিত্র।

gnp 2

শেষে যা বলব, সবমিলিয়ে আনিমেটি বহুত উপভোগ করেছি । ট্যাঙ্ক ফাইটের মাঝে ব্যবহার করা ট্যাকটিক্সগুলো বেশ ভালো লেগেছিলও । প্রাভডা গার্ল্স হাইস্কুলের বিপক্ষে সেমি-ফাইনাল ম্যাচটা আমার মতে সেরা ম্যাচ ছিল । আনিমেটি দেখার সময় কেন জানি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের উপর ভিত্তি করে কিছু ফার্স্ট পার্সন শুটিং গেমের ভাইব পেয়েছি, যদিও আনিমের আক্শনগুলো পুরোটাই ট্যাঙ্কের মধ্যে লড়াইয়ের উপর ভিত্তি করে । ম্যাচের টুইস্টগুলো দেখে অনেকটা আইশিল্ড ২১-এর কথাও মনে পরেছিল । আনিমেটায় অনেক শিক্ষণীয় জিনিশপত্র ছিল । ট্যাঙ্ক এবং বিভিন্ন যুদ্ধ সম্পর্কে প্রচুর ধারণা পাবেন আনিমেটি দেখলে। আমার যেই বিষয়টি বিস্ময়কর লেগেছিল তা হল, এত দিন জানতাম পোর্শে একটি গাড়ির কোম্পানি কিন্তু দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে যে তারা অনেক ভয়ানক ট্যাঙ্কও তৈরি করেছে তা হয়তো এই আনিমেটি না দেখলে জানতামও না। ট্যাঙ্কয়োন্দো চ্যাম্পিয়নশিপের প্রত্যেকটি ম্যাচই অনেক প্রতিযোগিতামূলক ছিল । মাত্র ১২ পর্বের আনিমে কিন্তু অনেক ভালো । মিলিটারি জনরার কথা উঠলেই মানুষ সাধারণত কানতাই কালেকশনের কথা মাথায় আনে তবে বলতে পারবো যে কানতাই কালেকশন এবং স্ট্রাইক উইচেসের চেয়ে তুলনামূলক-ভাবে এই আনিমেটি বেশি ভালো । আনিমেটির ৩ টি পর্ব ধৈর্য ধরে দেখুন, যদি ভালো লেগে যায় তাইলে বলতে পারবো এক টানে শেষ না করে উঠতে পারবেন না । আর ট্যাঙ্কয়োন্দো যদি ভালো লেগে থাকে তাইলে ওভিএটিও দেখতে পারুন ওইখানেও আরেকটি স্কুলের বিরুদ্ধে ম্যাচ আছে আর একটি সিকুয়েল মুভিও আছে আনিমেটির কিন্তু মুভিটির সাব এখনও বাইর হয় নি। যাই হোক, আশা করি সময় নিয়ে আনিমেটি দেখবেন এবং হয়তো ভালোও লাগবে।

Ayakashi : Japanese Classic Horror রিভিউ — Rahima Jahan Mitu

Ayakashi 3

Ayakashi : Japanese Classic Horror
Episodes – 11
Rating – 8/10

Horror মানে আসলে কি? ভূত-প্রেতাত্মা, খুন, রক্তারক্তি? আমার মনে হয় হরর সেটাই, যখন মানুষের কিছু কাজ ট্রাজেডি সৃষ্টি করে, আর সেটা দেখে আপনার মুখ দিয়ে আপনা-আপনা বেরিয়ে আসবে – “Truly horrific.” এই সিরিজের দ্বিতীয় কাহিনী দেখে সেটাই মনে পড়ে গেল।

Mononoke আমার অত্যন্ত প্রিয় একটি সিরিজ। Ayakashi, Mononoke এর প্রিকুয়েল জেনে আমি এটা আজকে দেখে শেষ করলাম। ১১ টা পর্ব ৩ টা স্টোরি আর্কে ভাগ করা। প্রথম, দ্বিতীয় কাহিনী জাপানিজ ক্লাসিক হরর। ৩য় কাহিনীতে Mononoke এর সেই medicine-seller আছে। ১ম কাহিনী Tenshu Monogatari। এটাকে আসলে আমার কাছে হররের বদলে অনেকটা একটা রোমান্টিক কাহিনীই মনে হয়েছে। ২য় কাহিনী Yotsuya Kaidan। এটা সম্পর্কে প্রথমেই বলেছি। প্রায় দু’শ বছর আগের একটা কাবুকি নাটকের কাহিনী এটি। তবে মূল কাহিনী থেকে এনিমেটি একটু ভিন্ন। ৩য় কাহিনী Bake Neko। Mononoke এর তুলনায় এটাতেই বরং আমি medicine-seller এর চেহারায় বেশি এক্সপ্রেশন দেখতে পেয়েছি। হয়ত এই চরিত্রকে দর্শকদের কাছে আরো বেশি intriguing করে তোলার জন্য পরে Mononoke তে তাকে আগের তুলনায় ভাবলেশহীন দেখানো হয়েছে। অথবা কাহিনীর কারণেও হতে পারে।

Ayakashi 1

Mononke তে আমি বিভিন্ন জায়গায় যে ost শুনেছি এখানেও সেগুলো পেয়েছি। Creepy when creepy, touchy when touchy. Ost আমার কাছে ভাল লেগেছে। ওপেনিং সংটা র‍্যাপ। আমি ঠিক র‍্যাপের ভক্ত না হলেও এটা চলার সময় খারাপ লাগেনি। তবে এন্ডিং সংটা আসলেই ভাল লেগেছে। লিরিকস আহামরি মনে না হলেও ভয়েসটা খুব soothing. Natsume Yuujinchou ১ম সিজনের এন্ডিংটাও এই ধরনের স্টাইলে গাওয়া।

Bake Neko এর আর্ট স্টাইল Mononoke এর। এর আগের পর্বগুলোতে এই ইউনিক স্টাইলটি ব্যবহার করা হয়নি, তবে খারাপ না।

যারা আমার মত Mononoke দেখে শেষ করে এটাকে মিস করছেন তারা নিশ্চিন্তে এই সিরিজ দেখে ফেলতে পারেন, এটা পুরোপুরি Mononoke এর মত না হলেও হতাশ হবে না। আর যারা কোনোটিই দেখেননি তাদের আমি আগে আয়াকাশি দেখে পরে মনোনকে দেখতে সাজেস্ট করব।

কেন দেখবেন এই সিরিজ? সহজ কথা, যদি horrified হতে চান তাহলে দেখুন। আমি অনেক হরর মুভি, এনিমে, হ্যান-ত্যান দেখেছি। ভালগুলো scary, বাকিগুলো boring. একমাত্র এটি এবং Mononoke আমার কাছে horrific মনে হয়েছে।

Ayakashi 2

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ২৯তম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “insect” এর কানজি…. উচ্চারণ “মুশি/চুউ”…

mushi

মুশি-পোকা…

কে মুশি -catepillar…ইয়োওয়ামুশি-weakling,coward…
মুশি মেগানে-magnifying glass ….মুশি বা-cavity (tooth)….
নাকিমুশি-crybaby….

এইসব জায়গায় “মুশি”র জায়গায় এই কানজি বসে…

কোনচুউ-পোকা… হাচুউরুই-reptiles…. কিসেইচুউ-parasite…

এসব ক্ষেত্রে “চুউ” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

কানজি টা লিখাও সোজা আছে.. আজকে এপর্যন্তই… মাতা নে 🙂 (মুশি শি নামে একটা আনিমেও আছে.. কিছুটা স্লো হলেও চোখ জুড়ান আনিমে :3 )

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৪৫ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৪৫তম লেসন

আজকে শিখাব “japanese counter”জাপানিজরা বিভিন্ন প্রকারের জিনিসের জন্য বিভিন্ন ধরণের কাউন্টার ইউজ করে… অনেক অনেক কাউন্টার আছে জাপানিজে…আজকের লেসনে কিছু শিখাব…পরের লেসনগুলোতে বাকিগুলা শিখাব 🙂

১মে শিখাই অলরাউন্ড কাউন্টার…সকল টাইপের জিনিস গোণার জন্যই এই কাউন্টার ইউজ করা যায়…

১. হিতোতসু (১ টা)
২. ফুতাতসু (২ টা)
৩.মিততসু (৩ টা)
৪. ইয়োততসু (৪ টা)
৫.ইতসুতসু (৫ টা)
৬.মুততসু (৬ টা)
৭.নানাতসু (৭ টা)
৮.ইয়াততসু (৮ টা)
৯.কোকোনোতসু (৯ টা)
১০.তোও (১০ টা)
ইকুতসু দেসু? (কয়টা)

একটা উদাহরণ দেই…ধর কেউ একজন রেস্টুরেন্টে গেছে কারো সাথে…ওয়েটার আসার পর ওর্ডার করল “সুমিমাসেন..কোহি ফুতাতসু ওনেগাইশিমাসু”….মানে হলে “excuse me..two coffee please”….এইরকম যেকোন টাইপের জিনিস এই কাউন্টার ইউজ করে ওর্ডার করতে পারবা…যেমনঃ ” কারে রাইসু ফুতাতসু তো আইসুকুরিমু হিতোতসু ওনেগাইশিমাসু”…”two curry rice and one ice-cream please”…

অল রাউন্ড কাউন্টার তো গেল…এবার আসি বাকি কাউন্টার গুলাতে….একটা জিনিস আবারো বলি নিচে যা যা শিখাব সবার জন্যই কিন্তু অলরাউন্ড কাউন্টারও ইউজ করা যায়..

লম্বা চিকন সিলিন্ডার টাইপের জিনিস যেমনঃ কলম, ছাতা,কলা এই আকারের যেসব জিনিস আছে শুধু তাদের জন্যই নিচের কাউন্টার খাটে…

১.ইপ্পোন (১ টা)
২.নিহোন (২টা)
৩.সানবোন (৩টা)
৪.ইয়োনহোন (৪টা)
৫.গোহোন (৫ টা)
৬.রোপ্পোন (৬টা)
৭.নানাহোন(৭টা)
৮.হাপ্পোন(৮টা)
৯.কিউউহোন(৯টা)
১০.জুপ্পোন(১০টা)
নানবোন? (কয়টা?)

কেউ ধর কলা কিনতে গেছে কলাওয়ালা জিজ্ঞেস করলঃ নানবোন দেসু? (how many?)..তখন উত্তর দিলাঃ রোপ্পোন দেসু (৬টা)…এই টাইপের যত জিনিস আছে সবই এই কাউন্টার ইউজ করে গোণা যায়…

কাগজ টাইপের পাতলা জিনিস যেমনঃ টি-শার্ট, স্ট্যাম্প, পেপার ইত্যাদি এই টাইপের যত জিনিস আছে সবার জন্য নিচের কাউন্টার খাটে…

১.ইচিমাই(১টা)
২.নিমাই(২টা)
৩.সানমাই(৩টা)
৪.ইয়োনমাই(৪টা)
৫.গোমাই(৫টা)
৬.রোকুমাই(৬টা)
৭.নানামাই(৭টা)
৮.হাচিমাই(৮টা)
৯.কিউমাই(৯টা)
১০.জুউমাই(১০টা)
নানমাই? (কয়টা?)

আরো বিভিন্ন আকারের বিভিন্ন ধরণের জিনিসের জন্য আরো অনেক কাউন্টার আছে….পরের লেসনগুলাতে আরো শিখাব …আজকে এইটুকুই থাক…মাতা নে.. 🙂

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৫২ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৫২ তম লেসন

আজকের লেসনে ১মে ছোট্ট একটা জিনিস শিখাব.. “কিশৌতেনকেতসু”

১মে আসি..ইহা কি জিনিস? ইহা হল জাপানিজ গল্প,কবিতা,উপন্যাসের ব্যাসিক স্ট্রাকচার (শুধু জাপানিজ না কোরিয়ান,চাইনিজও)..

কি-কি মানে হল কোন একটা গল্প,কবিতা,উপন্যাসের introductory part
শৌ-শৌ হল development part
তেন-তেন হল twist
কেতসু-কেতসু হল ending…

**(দুরারারা আনিমের ১ম সিজনকে “কি” ধরলে ২য় সিজনের ৩ ভাগ হল “শৌ”,”তেন”আর “কেতসু”)

এবার আসি আজকের লেসনের আসল অংশে..

আজকে adjective কে কিভাবে adverb এ convert করা যায় সেটা শিখাব.. এর আগের ২ লেসনে i-adjective আর na-adjective শিখান হয়েছে.. তো adjective সম্পর্কে মোটামোটি একটা ধারণা থাকার কথা..

যেকোন i-adjective এর শেষের “ই” বাদ দিয়ে “কু” লাগালে adverb হয়ে যায়.. যেমনঃ হায়াই- fast/early… একটা i-adjective.. হায়াকু-fast/early (adverb)….

আনো কুরুমা ওয়া হায়াই দেসু-that car is fast… (এখানে adjective)
কিয়ো ওয়া হায়াকু ওকিমাশিতা-i got up early today..(এখানে adverb)

যেকোন na-adjective এর শেষের “না” বাদ দিয়ে “নি” লাগালে adverb হয়ে যায়..

যেমনঃ কিরেইনা-beautiful.. এটা একটা na-adjective..কিরেই নি-beautiful..এটা adverb
তোকিও ওয়া কিরেই না মাচি দেসু-tokyo is a beautiful city..(এখানে adjective)
মাচি গা কিরেই নি নারিমাশিতা-the city has become beautiful… (এখানে adverb)

 

আজকে এপর্যন্তই… নেক্সট দিন adverb নিয়ে আরো ডিটেইলস আলোচনা করা হবে ….

 

Behind the Voices – 07

আজকের সেগমেন্ট শুরু করার আগে বলে নেই, আজ যে দুইজনকে নিয়ে লেখছি তাদের দুজনের-ই আজকে জন্মদিন । 


তাৎসুহিসা সুযুকি

তাৎসুহিসা সুযুকি একজন অসাধারণ কণ্ঠ-অভিনেতা, তার কণ্ঠটা শুনতে বেশ ভালো লাগে এবং চরিত্রগুলো ভালোভাবে তুলে ধরতে পারেন । তবে আমার কাছে একজন কণ্ঠ অভিনেতার চেয়ে তাকে একজন গায়ক হিসেবেই তুলনামূলক বেশি ভালো লাগে । OLDCODEX এই ব্যান্ডটার সাথে আপনারা সকলেই কম-বেশি পরিচিত এবং হয়তো এটাও জানেন যে তিনি কিন্তু এই ব্যান্ডের লিড ভোকাল ।

তার যে সকল রোলগুলো ভালো লেগেছে সেগুলো হল ‘Baka to Test’ আনিমের ইয়ূজি, ‘Tonari no Kaibutsu-kun’ আনিমের হারু, ‘Free!’ আনিমেটির মাকোতো, ‘Sora no Otoshimono’ আনিমেটির সুগাতা এইশিরো, ‘Servant x Service’ আনিমেটির হাসেবে, ‘Owari no Seraph’ আনিমেটির হীরাগি শিনইয়া এবং ‘Kuroko no Basket’ আনিমেটির তাকাও । তার আরও অনেক অসাধারণ সব রোল আছে । এখানে http://goo.gl/XYXbAv গিয়ে দেখে নিতে পারুন তার সব রোলগুলো ।

tatsuhisa suzuki 1

তার গায়ক হিসেবে খ্যাতি আছে ভালোই, জিনিশটা প্রথম লাইনেই বলে দেওয়া হয়েছে । OLDCODEX আমার দেখা অন্যতম অসাধারণ ব্যান্ডগুলার একটা । এই পর্যন্ত তাদের ৩টি অ্যালবাম এবং ১১টি সিঙ্গেল্স বের হয়েছে । এছাড়া ‘God Eater’, ‘Kuroko no Basket’, ‘Free’, ‘Arata Kangatari’ এই আনিমেগুলোর ওএসটিতে তাদের গান আছে । ব্যান্ডটির যে কয়টি গান শুনেছি প্রায় সব-ই ভালো লেগেছে । এর মধ্য থেকেও প্রিয় গানগুলো হল ‘WALK’ ( https://goo.gl/Vnqgww ), ‘Catal Rhythm’ ( https://goo.gl/glrTft), ‘Lantana’ ( https://goo.gl/AbVIxb ) যা যথাক্রমে কুরোকো নো বাস্কেটের ১ম সিজনের ২য়, ২য় সিজনের ১ম এবং ৩য় সিজনের শেষ এন্ডিং । সুধু তাই নয় ফ্রি আনিমেটির দুটি ওপেনিং ‘Rage On’ (https://goo.gl/tDelQ1 ) এবং ‘Dried up Youth Flame’ ( https://goo.gl/NGtY0O ) এই দুটি গানও আমার বেশ প্রিয় এবং তাদের-ই গাওয়া । আমার মতে তাদের গানগুলো স্পোর্টস আনিমে অথবা কোন বেশ হার্ডকোর অ্যাকশন আনিমের সাথে বেশ মানায় । এই ব্যান্ডটির অন্য মেম্বাররা হল YORKE, রিয়ো ইয়ামাগাতা, তাইযো নাকামুরা, শিন্জি ঔমুরা । সাবেক মেম্বাররা হল ইয়োশিরো নাকাও, হিরোমিৎসু কাওয়াশিমা, Sae, YoHsKe, R.O.N ।

সে আনিমেতে প্রথম রোল পান ২০০৩ সালে এবং এখন পর্যন্ত খুব অসাধারণ কণ্ঠ-অভিনয় করে যাচ্ছেন । আশা করি সামনেও আরও অনেক ভালো রোল পাবেন ।

tatsuhisa suzuki 2

কোমাৎসু মিকাকো

কোমাৎসু মিকাকো আমার দেখা ভালো কণ্ঠ অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন এবং আমার মতে ইনৌয়ে মারিনার পর হয়তো সে-ই সবচেয়ে ভালো টমবয়িশ চরিত্রগুলার রোল সুন্দর করে তুলে ধরতে পারেন । তার কণ্ঠটা একটু উঁচু-পর্দার হলেও তার কণ্ঠ-অভিনয় শোনার সময় এই স্বরটি বেশ ভালো লাগে ।

মাত্র ২০১০ সালে অভিষেক করে এই ৫ বছরের মধ্যে ভালো পরিমাণ রোল পেয়েছেন তিনি । তার যে রোলগুলো খুব ভালো লেগেছে সেগুলো হল ‘K-Project’-এর নেকো, ‘Nisekoi’-এর সুগুমি সেইশিরো, ‘Aldnoah.Zero’-ইঙ্কো, ‘Aoharu x Kikanjuu’-এর তাচিবানা হোতারু, ‘Oregairu’-তোৎসুকা সাইকা :3 । এরপরের সিজনের বেশ হাইপ্ড আনিমে ‘Ajin’ আনিমেটির শিমোমুরা ইযুমি চরিত্রটির কণ্ঠ দিবেন তিনি। তার আরও অনেক রোল আছে । এখানে গিয়ে এক নজরে দেখে নিতে পারেন তার সব রোলগুলোhttp://goo.gl/XYrR43 । সে Dragon Quest:Heroes, Kantai Collection (গেমটির নতুন দুটি চরিত্র), Tales of Zestiria এই গেমগুলোতেও কণ্ঠ দিয়েছেন ।

তার গানগুলাও বেশ ভালো কেননা তিনি একসময় আইডোল-ও ছিলেন । K-Project, Kamisama no Inai Nichiyoubi, Aoharu x Kikanjuu, Nisekoi, Mouretsu Pirates, Senki Zesshou Symphogear এই সব আনিমেগুলার ওএসটিতে তার কাজ আছে । তার গাওয়া গানগুলোর মধ্যে আমার পছন্দের গানগুলো হল ‘Trick Box’ (https://goo.gl/nGbQRx) এবং ‘Tsumetai Heya, Hitori’ (https://goo.gl/oCWLSW) এগুলো যথাক্রমে Nisekoi-এর পঞ্চম এন্ডিং এবং K-Project-এর প্রথম এন্ডিং ।

একজন কণ্ঠ অভিনেত্রীর পাশাপাশি তিনি একজন অভিনেত্রীও। তার ভবিষ্যৎে অন্যতম সেরা কণ্ঠ-অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন হয়ে ওঠার প্রতিভা আছে, তাই সে সামনে আরও রোল পাবো এটাই আশা করি ।

 

কোমাৎসু মিকাকো

এনিমে রিভিউ: Pet Shop Of Horror — আতা-এ রাব্বি আব্দুল্লাহ

মানুষের একাকিত্ব বেশি হয়ে গেলে তা ঘোচানোর জন্য মাঝে মধ্যে মানুষের সাহচার্য ছাড়াও অনেক সময় গৃহপালিত প্রানীর সাহচার্যের প্রয়োজন হয়ে থাকে । এবং এসব প্রানী পাওয়ার উপায় হল পেটশপ , কিন্তু সেখান থেকে কেনা প্রানী হয় যদি কোন মিথলজিকাল জন্তু যা তার জাতের একমাত্র এবং তা আপনার পাপ পুণ্য , অদমিত ইচ্ছা এবং লালসার প্রতিচ্ছবি হয় তাহলে কি হবে ? পেট শপ অফ হরর সেইরকম একটি এনিমে , যেখানে মডার্ন যুগের সাথে মিথলজি , সাইকোলজির এবং হররেরমিশেল ঘটানো হয়েছে এবং তার সফল উপস্থাপন করা হয়েছে ।
কাহিনী : আমেরিকার লাসভেগাসের চায়না টাউনে আছে এক অদ্ভূত পেট শপ । যেখানে বহু ক্ষমতাধর ব্যাক্তিদের প্রায়ই দেখা যায় । এবং সন্দেহের বিষয় হল এ দোকানের কিছু ক্রেতা প্রায়ই শহরের মধ্যে খুন হয় এবং তা আপাতদৃষ্টিতে বন্যপ্রানীর আক্রমনে । সুতরাং এক ডিটেকটিভ যোগাযোগ করে পেট শপের দোকানদার কাউন্ট ডি এর সাথে । তখন কাউন্ট ডি ই তাকে সোজা কাহিনী বলে দেয় । প্রত্যেকটি প্রানী বিক্রির সময় কিছু শর্ত মানতে হবে , যার মধ্যে প্রধান শর্ত হল জন্তুটি কাউকে দেখানো যাবে না । এরপর থাকে প্রানীভেদে আলাদা শর্ত । কেউ যদি এই শর্ত ভঙ্গ করে তাহলে তার ফলাফলের জন্য ক্রেতাই দায়ী থাকবে এই মর্মে চুক্তিপত্র সই করতে হবে । কিন্তু এই বিক্রি হওয়া প্রানীগুলো কি এবং এই মৃত্যুর পেছনের কাহীনি কি জানতে হলে এনিমেটি দেখা শুরু করে দিন ।
এনিমেটির মাত্র চার পর্ব । এবং একেকটি পর্ব একেকটি পুরো গল্প । ওপেনিং সং এই এনিমেতে নেই , আর্টস্টাইল মোটামুটি সুন্দর এবং কাহিনী বর্ননার ধরন বেশ ভালো । আর এটার ডাব ও সাবের , দুটোর মানই ভালো । সুতরাং হাতে সময় থাকলে চট করে দেখে ফেলুন পেট শপ অফ হররস।
আমার রেটিং: ৮/১০

pet shop of horror