Tamako Love Story রিভিউ — মোঃ আসিফুল হক

Tamako 1

কি দেখলামঃ Tamako Love Story
স্টুডিওঃ Kyoto Animation

‘Everybody loves somebody.’

হয়ত কাউকে খুব করে ভালবাসেন, হয়ত খুব কাছের কোন বন্ধু; কিন্তু প্রত্যাখ্যাত হবার ভয়ে কখনই বলা হয়ে ওঠে নি? হটাত করেই জীবনে এমন মোড় চলে এসেছে যখন সবকিছু নতুন করে ভাবার সময় সামনে; সব সমীকরণ মেলাতে হবেই, জোর করে হলেও? এমন সময় হুট করেই একদিন তাকে বলে বসলেন – ভালবাসি। অপ্রত্যাশিত কনফেশনে চমকে উঠল প্রিয় মানুষটা; হয়ত সে মানুষটা ভালবাসার জন্য প্রস্তুত ছিল না। যেরকম প্রতিক্রিয়া আকাঙ্ক্ষিত ছিল সেটা পাওয়া হল না। কি করবেন তখন? আগে যেমন ছিলেন তেমন অবস্থায় ফিরে যাবেন? সব কিছু ভুলে যেতে বলবেন তাকে? নাকি দু’জন দু’জনকে এড়িয়ে চলা আরম্ভ করবেন? নাকি পুরো ব্যাপারটাকে পাশে সরিয়ে রেখে তাকে সঙ্গ দিয়ে যাবেন; অনিশ্চিত ভবিষ্যতের হাতে সব তুলে দিয়ে, একদিন না একদিন সে আপনাকে বুঝতে পারবে – এই আশায়?

তারপর, কোন একদিন; হটাত করেই হয়ত ইয়োকোর কিন্নরী কন্ঠ মুঠোফোনে অপরিচিত নাম্বার থেকে আসা অপ্রত্যাশিত ফোনের কথা জানিয়ে দেবে আশ্চর্য নির্লিপ্ততায়। “কেমন আছেন?” আর “ব্যস্ত আপনি?”র পরই শুরু হয়ে যাবে পরিচিত সেই খুনসুটি, কপট অভিমান, আর প্রাণখোলা হাসি। অনেক কথাই বলা হবে; বাকি থেকে যাবে হয়ত তার চেয়েও বেশি কিছু কথা। বিদায়টাও হয়ত হবে বিষণ্ণ রকম দ্রুততায়। কিন্তু বিদায় বেলায় শোনা একটা বাক্য কিন্তু দু’তিনটে শব্দ হয়ত বদলে দেবে পুরো জগতটাকেই।

Tamako 2

তারপর একদিন হলুদ খামে নীল কাগজে ভালবাসা চিঠি পাঠাবে অভিমানকে, ফিরবে বলে। আকাশপথে উড়ে যেতে যেতে ভালবাসা গান গাইবে গুনগুন করে; তার চোখের তারায় নীল সমুদ্রটাকে আরও একটু বেশি নীল মনে হবে তখন। অভিমান তখন পথে পথে ঘুরে বেড়াবে; ভালবাসার কাছ থেকে পালিয়ে বেড়ানোর আকুতিতে। একটা সময় সে ঘরে ফিরবে; ভালবাসা যেখানে অপেক্ষা করছিল; চুপচাপ।
অভিমান দরজায় এসে মাথা নিচু করে দাঁড়াবে; অস্ফুট স্বরে হয়ত বলে উঠবে “দুঃখিত।” “কেন?” – শুধাবে ভালবাসা। “আমি যে শুধু তোমার আর তুমি আমার, ব্যস” – কাঁপা গলায় বলবে অভিমান।

Tamako love story – সহজ সরল খুব সাধারণ ভালবাসার গল্প, সহজ স্বীকারোক্তির গল্প, প্রতিউত্তরের গল্প, দ্বিধাদন্দ আর দোলাচলের গল্প, অনুভুতির গল্প, আর দুটো মানুষের কাছে আসার গল্প। কিয়োএনি এনিমেশন আর ক্যারেক্টার ডিজাইনে কখনই হতাশ করে না; এখানেও তাই। দুর্দান্ত এনিমেশন আর চরিত্রগুলোর অভিব্যাক্তিতে ভালবাসার রুপ প্রকাশের সাথে যুক্ত হয়েছে স্নিগ্ধ সুন্দর সাউন্ডট্র্যাক। “Yet another romantic movie, it’s gonna be cheesy, just like many others out there” বলে শুরু করা মুভিটা ১৫ মিনিটের মধ্যে এমনভাবে বেঁধে ফেলল যে ৮৩টা মিনিট কেটে যাওয়ার কথা টেরই পাই নি।

Tamako 3

Bitter memories are proof that you did something. Taste the regret, bitter as it may be, and indulge in it.
অনেক দিন মনে রাখব মুভিটা; অনেক অনেক দিন।

(নোটঃ এই মুভিটা Tamako market সিরিজের সিক্যুয়াল। জ্ঞানীগুণীজন বলে থাকেন মুভির আগে সিরিজ দেখা থাকলে মুভিটার আনন্দ আরও বেশি করে পাওয়া যাবে; এবং সিরিজটাও নাকি মন্দ না। আমি অবশ্য সিরিজ না দেখেই দেখেছি।)

Tamako 4

Gedo Senki (Tales from Earthsea) রিভিউ – মোঃ আসিফুল হক

 

Gedo 1

কি দেখলাম – Gedo Senki (Tales from Earthsea)

স্টুডিও – জিবলী।
সময় – ১ ঘন্টা ৫৫ মিনিট।

হায়াতো মিয়াজাকির ছেলে গোরো মিয়াজাকির ডেব্যু মুভি। Ursula K. Le Guin এর তিনটে বই এর মুভি এডাপশন; যার কাহিনী আবর্তিত হয় এমন এক পৃথিবীতে; যেখানে খুব অদ্ভুত কিছু ঘটনা ঘটা শুরু হয়। দুর্ভিক্ষ, জনগনের অদ্ভুত আচরন – এসব কিছুর সাথে যুক্ত হয় ড্রাগনের আবির্ভাব; যারা কিনা কখনই মানুষের সীমানায় প্রবেশ করে না। এরই মাঝে যাদুকর Sparrowhawk এর দেখা হয় ১৭ বছরের এক ছেলের সাথে; যার নিষ্পাপ চেহারার পিছনে লুকিয়ে আছে এক অন্ধকারাচ্ছন্ন অতীত।

জিবলীর মুভিগুলোর মধ্যে গেডো সেনকি খুব উপরের দিকে থাকবে না সম্ভবত। তার পিছনের কারণগুলোও যথেষ্ট যুক্তিযুক্ত। গেডোকে Ursula বলেছিলেন – ‘It is not my book. It is your movie. It is a good movie’; কিন্তু শেষমেশ তিনি তার অসন্তুষ্টিই প্রকাশ করেছিলেন মুভি নিয়ে। তিনটে বই এর এডাপশন হলেও শেষ বইটাই বেশি গুরুত্ব পেয়েছে; আগের বইগুলো থেকে আসা এলিমেন্টগুলো বেশিরভাগই ব্যাখ্যা করা হয়নি যথাযথভাবে।

মুভিটা রীতিমত একগাদা প্রশ্নের উত্তর অসম্পূর্ণ রেখে দিয়েছে। খুনের রহস্য কি, শহরে দাস কেন, কে দাস হতে পারবে আর কে পারবে না; Sparrowhawk এর সাথে টেনারের সম্পর্ক কি এবং তার ভিত্তি আসলে কি (আমাকে রক্ষা করেছে – আসলে খুব সন্তোষজনক ব্যাখ্যা না); থেরুর অতীত কি জন্য এতো অন্ধকারাচ্ছন্ন ছিল; যাদুকর কারা হতে পারে; তাদের সংখ্যা কত আর এই ক্ষমতার উৎসই বা কি – এরকম অনেক প্রশ্ন এবং অনেক এঙ্গেলই মুভিটা গুরুত্ব দেবার প্রয়োজন বোধ করেনি।

Gedo 2

তাছাড়া চরিত্রগুলো এবং ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি খুবই অসম্পূর্ণ। Sparrowhawk প্রধান যাদুকর এটুকুই শুধু জানা যায়; তার পিছনের আর কোন কাহিনীই আমাদের জানা নাই; অথচ তার চেহারার দাগ ইঙ্গিত দেয় যে এখানে অনেক কিছুই ব্যাখ্যা করার অবকাশ ছিল। তাছাড়া মুভির মেইন ক্যারেক্টার আরেনের চরিত্র অসম্ভব রকমের সোজাসাপ্টা। পুরো মুভিতে আমি এমন কিছু পাই নি তার চরিত্রে যেটা তাকে পছন্দ করতে সাহায্য করবে। পুরো মুভিতেই সে ভয়াবহ বিভ্রান্ত এবং কিছু কিছু ক্ষেত্রে বিরক্তিকর চরিত্র হিসেবেই সামনে এসেছে।
মুভিটা তার যে মেসেজ সেটাতে ট্রু ছিল শেষপর্যন্তই; কিন্তু জিবলীর অন্য মুভিগুলোর মতন গল্পের আড়ালে মেসেজ না দিয়ে রীতিমত গিলিয়ে দেওয়ার চেষ্টা ছিল কিছু জায়গায়; যেটা মোটেও সুখকর ছিল না।

মুভির সাফল্যও ছিল কিছু। মধ্যযুগীয় কল্পনারাজ্যর যে সেটিং মুভি দিতে চেয়েছিল তাতে এটা পুরোপুরি সফল। ব্যাকগ্রাউন্ড, শহরের দৃশ্য – দুর্দান্ত; যদিও চরিত্র রুপায়ন আরেকটু ভাল হতে পারত। কিংবা এটাই হয়ত পরিচালক চেয়েছিলেন। সবচেয়ে শক্তিশালী দিক বোধহয় ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক। মাঝখানে একটা সময়ে কোন রকম ইন্সট্রুমেন্ট ছাড়া একটা গান আছে – যেটা আপাতত আমার নিউজিক প্লেয়ারে রিপিট অন করে বাজতেসে।
(লিঙ্কঃ https://www.youtube.com/watch?v=1hN3iGc1uW8)

ইন্টারনেট অবশ্য অমীমাংসিত প্রশ্নগুলোর একটা ব্যাখ্যা দেয় এই বলে যে, বইগুলো পড়ে নিতে হবে আগে; তাতে অনেক প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বসা যাবে; মুভিটা পুরোপুরি উপভোগও করা যাবে। কিন্তু যে মুভি দেখে বোঝার জন্য আমাকে তিনটে বই পড়ে নিতে হয়; সেটা যে তার উদ্দেশ্য পুরণে এবং নির্বর্তনে কিছুটা হলেও ব্যর্থ – একথা তো বলার অপেক্ষা রাখে না।

Gedo 3

 

Hal — মোঃ আসিফুল হক

যা দেখলাম – Hal.

এক ঘন্টার একটা মুভি।

রোবট আর রোমান্স – মেইনলি। কোন একজনের মৃত্যুর পর তার জায়গাটা রোবট নিয়ে নিলে কি হবে না হবে – টাইপ কাহিনী। স্টোরিতে টুইস্ট আছে একটা; স্টোরি বেশি বলতে গেলে সেই টুইস্ট রিভিল করে দেওয়ার চান্স বেশি। সো; বাকিটা দেখে নিলেই বোঝা যাবে।

Hal 1

ভাল লাগার পার্টঃ ছেলে মেয়ে দুইজনই তাদের উইশ রুবিক্স কিউবে লিখে স্ক্র্যাম্বল করে আরেকজনকে দেয়। পছন্দের মানুষের কোন ইচ্ছে পূরণ করতে হলে সল্ভ করতে হবে রুবিক্স কিউব – বোথ ইন্টেলিজেন্ট এন্ড রোমান্টিক – নাইস।

মুভিটা অনেকটাই এই রুবিক্স কিউবের পাজলের মতন। একেবারে শুন্য থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে একটু একটু করে সব কিছু রিভিল করতে থাকে।

সবচেয়ে স্ট্রং দিক – ভিজ্যুয়াল। সিমপ্লি দুর্দান্ত। প্রচুর কালারের ব্যবহার, দারুণ ক্যারেক্টার ডিজাইন – এক মুহূর্তের জন্যও চোখ ফেরানোর জো নেই।

সাউন্ডট্র্যাকও সুন্দর; কাজ চালানোর মতন। ভয়েস এক্টিং বেশ ভাল।

Hal 2

হাল অতীতকে ফিরে পাবার এবং একজন আরেকজনের কাছে আসার রোমান্টিক একটা গল্প; যেটা আমাদেরকে এই মেসেজ দেয় যে প্রিয়জনের খুতগুলো, কিংবা কম আকাঙ্ক্ষিত বিষয়গুলোকে মেনে নেওয়ার মাধ্যমেই প্রকৃত ভালবাসা এবং বোঝাপড়ার সূচনা হয়। ভালবাসা হটাত করেই থেমে যেতে পারে; নির্মমভাবে সমাপ্তি ঘটতে পারে; কিংবা খুব অন্যায়ভাবে দূরত্ব তৈরি হতে পারে; কিন্তু সেই জিনিসগুলো মেনে নিয়েই প্রিয় মুহূর্তগুলোকে সাথে করে নির্মম বাস্তবতাকে মুখোমুখি ফেইস করাটাই সেই ভালবাসার সার্থকতা।

হাতে ঘন্টাখানেক সময় থাকলে বসে যেতে পারেন দেখতে; সময়টা খারাপ কাটবে না আশা করি।

হ্যাপি এনিমিং !

Hal 3

Movie Time With Yami – 54

Name: Psycho-Pass Movie
Duration: 1 hr. 53 min.
MAL Score: 8.41
Ranked: 348
Genres: Action, Sci-Fi, Police

শুরুতেই বলে রাখি, আমি এই রিভিউটাতে কিছুটা ভেতরের স্টোরি আলোচনা করেছি, কাজেই মুভি দেখা না থাকলে আগে দেখে নেয়াটা ভাল হবে বোধকরি।

সাল, ২১১৬। জাপানে আধিপত্য চলছে সিবিল সিস্টেমের। এই সিস্টেমের অধীনে পুরো দেশটিতে শান্তি, সমৃদ্ধি ও শৃঙ্খলা বজায় রয়েছে, যেখানে বাকি পৃথিবীর বেশিরভাগটাই ছেয়ে আছে অশান্তি ও যুদ্ধ-বিগ্রহ দিয়ে।

এমনই এক যুদ্ধ কবলিত এলাকা সাউথ ইস্ট এশিয়া ইউনিয়ন। তাদের এলাকায় যুদ্ধ মাত্রই শেষ হয়েছে। কিন্তু তাদের দেশের অভ্যন্তরীণ শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে বারবার ব্যর্থ হচ্ছে তাদের প্রশাসন। তাই, দ্রুততম উপায়ে দেশটির পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার জন্য দেশটির প্রশাসন শরণাপন্ন হয় সিবিল সিস্টেমের। পরীক্ষামূলকভাবে সিবিলকে পাঠানো হয় জাপানের বাইরে, যেখানে গড়ে তোলা হচ্ছে শাম্বালা- এক ভাসমান নগরী, যেখানে যুদ্ধ-বিগ্রহের চিহ্ন নেই, আছে শুধু সিবিলের অনুমোদিত শান্তিপ্রিয় ও কর্মঠ মানুষ।

কিন্তু এদের সাথে শিনিয়া কৌগামির সম্পর্ক কি? সে কেন এই SEAUn এ সন্ত্রাসীদের সাথে যোগ দিয়েছে? জাপান থেকে তদন্ত করতে SEAUn এ আসে ইন্সপেক্টর সুনেমোরি আকানে। অবশেষে কি জানতে পারা যাবে নিরূদ্দেশ হয়ে যাওয়া শিনিয়া কৌগামির আসল উদ্দেশ্য?

মুভিটি সাইকো পাস নামক বিখ্যাত অ্যানিমেটির সিক্যুয়াল, আর্টওয়ার্ক, ক্যারেক্টার ডিজাইন সবকিছুই আগের মতই আছে প্রায় (যদিও শিনিয়া কৌগামির সিক্সপ্যাক দেখে খুব একটা ভাল লাগেনি আমার)। ওএসটি আগের মতই অসাধারণ, লিং তোশিতে র করা ওপেনিংটা খুব আহামরি না লাগলেও যথেষ্ট ভাল, সেইসাথে ফ্ল্যাশি ভিজুয়াল একে আরও আকর্ষণীয় করেছে। এন্ডিং থিম হিসেবে ব্যবহৃত হয়েছে সাইকো পাস সিজন ১ থেকে আমার অতিরিক্ত পছন্দের একটি গান, ইগোইস্ট এর করা “নামায়ে নো নাই কাইবুতসু”। মুভিতে মেকার পরিমাণ অনেক বেশি ছিল, ক্ষেত্রবিশেষে সেটা মেনে নিতে একটু কষ্টই হচ্ছিল, তবে হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটগুলো ভাল ছিল। SEAUn এর পরিবেশ দেখে আমার বারবার টেম্পল রান গেমটির কথা মনে পড়ছিল (:v), বেশ ইন্টারেস্টিং লেগেছে তাই! কাহিনী সাইকো পাসের আগের দুটো সিজনের মতই, সিবিলের কার্যকারিতার দিকে ছুড়ে দেয়া প্রশ্ন এবং আকানে সুনেমোরির মানসিক যুদ্ধ। আর সেইসাথে বোনাস ছিল নিকোলাস ওয়াং এর কণ্ঠে হিরোশি কামিয়ারকে পাওয়া!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Psycho-Pass-Movie

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

শিকড়ের সন্ধানেঃ পর্ব ৬

SS 6

Movie: The Wind Rises: Background Discussion!

আকাশ ছোঁয়ার প্রয়াস দুর্ধর্ষ, ভয়ংকর সুন্দর; ডানা মেলে দিয়ে বিস্তীর্ণ শুন্যপথে উড়ে বেড়ানোর প্রত্যাশা অলৌকিকতা আর লৌকিকতার মাঝে মেলবন্ধন জুড়ে দেওয়া একটা অতি আকাঙ্ক্ষিত স্বপ্ন। কিন্তু ঝড়ো হাওয়ায় যদি মুহূর্তে ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যায় ডানাগুলো, তখন ফরাসি সাহিত্যিক পল ভেলারির মত বলতে হয়ঃ ‘The wind is rising! We must try to live on’.

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়ে জাপানিজ ইমপেরিয়াল নেভি আকাশযুদ্ধে শুভ সূচনা করেছিল, সৃষ্টি করেছিল ত্রাস, বোমারু বিমান দিয়ে নয়, দূর্দান্ত কিছু ক্যারিয়ার ফাইটার প্লেন দিয়ে। জাপানিজ পাইলটরা এই অভিনব ডিজাইনের প্লেনের নাম দিয়েছিল ‘রেইসান’ (জিরো ফাইটার)। Maneuverability আর লং-রেঞ্জ এর কম্বিনেশনে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের প্রথমদিকে পুরো বিশ্বের সেরা ফাইটার হিসাবে নাম ছড়িয়ে পড়েছিল এই জিরো ফাইটারের, একে ডগফাইটের (বিমান-বিমান যুদ্ধ, ১৯৭০-৮০ পর্যন্ত অনেক ইম্পর্ট্যান্ট ব্যাপার ছিল একটা) লিজেন্ড হিসাবে চিহ্নিত করা হচ্ছিল। তবে ধীরে ধীরে ইউরোপ-আমেরিকা আরো উন্নত এবং ভয়ংকর ফাইটার প্ল্যান বানিয়ে ফেলে যুদ্ধ শেষের আগেই। যাইহোক, এই প্লেন বানিয়েছিল মিটসুবিশি হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ, আর মূল উদ্ভাবক ছিলেন লিজেন্ডারি জাপানিজ এরোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার জিরো হোরিকোশি। তার জীবন নিয়েই কিংবদন্তী নির্মাতা হায়াও মিয়াজাকি নির্মাণ করেন তার স্বঘোষিত শেষ চলচ্চিত্র এনিমেশন মুভি, ‘দ্যা উইন্ড রাইজেস’।

তবে এক্ষেত্রে মজার ব্যাপার হলো মুভিতে জিরো’র জীবনকাহিনী তুলে ধরা হয়েছে অনেক কাল্পনিক প্রেক্ষাপটের মধ্য দিয়ে। কয়েকটা বিরাট পার্থক্যের কথা বলতে গেলে, বাস্তবের জিরো কিন্তু ছোটবেলা থেকে এয়ারক্রাফট নিয়ে ফেসিনেটেড ছিলেন এমন কোন নজির নেই, মূলতঃ তিনি ভার্সিটি পড়ুয়া অবস্থায় তার বড় ভাইয়ের এক এরোনটিক্স প্রফেসর বন্ধুর সংস্পর্শে এসে অনুপ্রাণিত হন এই ব্যাপারে। হুম বড় ভাই কিন্তু, তার কোন ছোট বোন ছিল না। তিনি ইউরোপীয় এয়ারক্রাফট ম্যাগাজিনের পোকা ছিলেন সত্য; কিন্তু তার সাক্ষাৎকার, আত্মজীবনী কিংবা অন্য কোনখানে ইতালীয়ান এয়ারক্রাফট ইঞ্জিনিয়ার জিওভান্নি ক্যাপ্রোনির উল্লেখ ছিল না, ছিল না ম্যাকারেল বোনের কীর্তি! আর সবথেকে বড় কথা, মুভির মূল হিরোইনের বাস্তব অস্তিত্ব সম্পূর্ণ ভিন্ন। তারপর, বাস্তব জীবনে অন্যান্য জিনিয়াসের মতই জিরোও ছিলেন কিছুটা সমাজবিমুখ, কিন্তু হ্যাঁ, তিনি কখনোই চাননি তার উদ্ভাবন মানুষ মারার হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার হোক।(যদিও এ ব্যাপারে অনেক কিছু বলার আছে, এখানে বলতে চাই না)। ১৯২৩ এর ভয়ানক ভূমিকম্পের যে দৃশ্যটা আছে সেটা মুভির সবথেকে আবেগ-জাগানীয়া দৃশ্য সম্ভবত, কিন্তু জিরো নিজে এই ভূমিকম্পের প্রত্যক্ষদর্শী ছিলেন এমনটাও কোথাও রেফারেন্স নেই।
মুভিতে জিওভান্নির উল্লেখের পিছনে কাজ করেছে মিয়াজাকির নিজস্ব ফ্যাসিনেশন, বিমানের প্রতি, বিশেষ করে ইটালীয়ান এয়ারক্রাফটের প্রতি (যেমনঃ Porco Rosso)। ‘Ghibli’ নামটাও এসেছে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে সাহারার স্কাউটিং প্লেনগুলোর ইটালীয়ান নাম থেকে। আর বড় ভাইয়ের জায়গায় ছোটবোন দেবার কারণও বোধহয় নির্মাতার ব্যক্তিগত দর্শনের সাথে সম্পর্কিত। তার অনেক মুভিতেই থাকে শক্তিশালী নারী চরিত্র (প্রিন্সেস মনোনকে, স্পিরিটেড এওয়ে), এক্ষেত্রে এর একটা প্রভাব থাকতে পারে। (যদিও এই চরিত্র অতটা প্রভাবশালী নয়)

মিয়াজাকির নিজস্ব ইনোভেশনের পাশাপাশি এই মুভিতে রয়েছে ‘হরি তাতসুও’ নির্মিত ‘দ্যা উইন্ড হ্যাজ রাইজেন’ শীর্ষক উপন্যাসের প্রভাব। মিয়াজাকি নিজেও এক টিভি শোতে বলেছেন ‘নাওয়াকো’ চরিত্রটি উক্ত উপন্যাসের কেন্দ্রীয় চরিত্র সেটসুকোর আলোকে তৈরীর কথা। আরো একটা ব্যাপার হলো এই নোবেলে ব্যবহৃত মেটাফোর ‘A mackerel sky’ থেকে হয়ত মুভিতে জিরোর মেকারিল পছন্দের ব্যপারটাও এসেছে।
যাইহোক, মুভিটা কালজয়ী নির্মাতা হায়াও মিয়াজাকির সম্ভবত সর্বশেষ উপহার; অনেক ইন্সপায়ারিং, অনেক ইন্টারেস্টিং একটি সৃষ্টি। সবার জন্য ‘অবশ্যই দেখা উচিত’ ক্যাটেগরীতে থাকবে নিশ্চিতভাবে।

Movie Time With Yami – My Favorite 15 (টিং টং মুভি টাইম)

11655141_683686608404441_742062122_n

 

একটু স্মৃতিচারণ করি!

আজ থেকে ঠিক একবছর আগে এই তারিখে আমি লিখেছিলাম মুভি টাইম উইথ ইয়ামির প্রথম পর্ব। একটু হযবরল করে শুরু করেছিলাম, অনভিজ্ঞতা ও নার্ভাসনেসের কারণে শুরুতে হোঁচট খেতাম প্রতি সপ্তাহে নিয়মিত লিখতে গিয়ে। একসময় কখন সেটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেল, নিজেও বুঝতে পারিনি। গত একবছরে এই সেগমেন্ট লেখার জন্য ভাল খারাপ বহু মুভিই দেখেছি, সেখান থেকে আমার যেগুলো ভাল লেগেছে, আমি সবসময় সেগুলোকেই সাজেস্ট করতে চেষ্টা করেছি; জানিনা সবার সেগুলো পছন্দ হয়েছে কিনা। সাজেস্ট করা সব মুভিই আমার বেশ পছন্দের, তবে তার মাঝেও তো কমবেশি থাকেই! অ্যানিমে গ্রুপগুলোতে একটা রীতি প্রচলিত রয়েছে, পছন্দের ১০-২০ টা অ্যানিমের তালিকা তৈরি করা। আমিও এই রীতি অনুসরণ করে আমার পছন্দের অ্যানিমে সিরিজের তালিকা তৈরি করেছি আগে, তবে কখনো অ্যানিমে মুভির তালিকা করা হয়নি। তো মুভি টাইমের জন্মদিন উপলক্ষে (:3) আমি আমার সবচেয়ে পছন্দের ১৫ টি মুভির তালিকা প্রকাশ করছি। অনেকেরই হয়ত বেশি মুভি দেখার সময়/সুযোগ নাও হয়ে উঠতে পারে, আমি আশা করব অন্তত এই ১৫ টি মুভি আপনারা সবাই দেখবেন।

1. Flanders no Inu / The Dog of Flanders

১৮ বছর আগে মুক্তি পায় এ মুভিটি। তারও আগে ৫২ এপিসোডের একটি সিরিজ ছিল একই নামে; তা প্রায় ৪০ বছর আগের কথা। সিরিজটির কথা জানিনা, তবে মুভিটিতে ছোট্ট ছেলে নেলো এবং তার কুকুর পাতরাশ এর হাসি-কান্না, সংগ্রাম, বেদনার গল্প যেভাবে দেখানো হয়েছে, আমি সত্যিকার অর্থেই বাকরূদ্ধ হয়ে গেছি দেখে। প্রতিটা মূহুর্তে নেলো এবং পাতরাশের অনুভূতিগুলোকে মন থেকে অনুভব করেছি, ওদের ব্যর্থতায় কান্না পেয়েছে বারবার, আর এন্ডিংটা একই সাথে আমার পছন্দের খুব, আবার আফসোসও লাগে। আর কোন মুভিই আমাকে এতটা স্পর্শ করতে পারেনি।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-34/

2. Eve no Jikan / Time of Eve

সাই-ফাই এবং স্লাইস অফ লাইফ। আমার অত্যন্ত পছন্দের দুটি জনরা। অনেক আগ্রহ নিয়ে দেখেছিলাম মুভিটি, এবং আমাকে এটি হতাশ তো করেইনি, বরং মুগ্ধ করেছে। উজ্জ্বল আর্ট, ব্যাকগ্রাউন্ডে নামীদামী শিল্পীদের করা সাউন্ডট্র্যাক মুভিটির খুব সাধারণ কাহিনীটিকে অসাধারণভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। রোবটের ব্যাপারে আমার নিজের মতামত রোবটেরই মত (!), মুভিটি দেখার পরে তাই বেশ ভাবনায় পড়ে গেছিলাম। স্নিগ্ধ, পরিপাটি, ছিমছাম ক্যাফেতে বেড়াতে আসা মানুষ এবং রোবটগুলোর পারস্পারিক সম্পর্কগুলো মনটাকে নিমেষেই ভাল করে দিয়েছে।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-29/

3. The Secret World of Arrietty / Karigurashi no Arrietty

স্টুডিও জিবলীর মুভিগুলোর মাঝে এটি আমার সবচেয়ে প্রিয়। জিনিসপত্রের মিনিয়েচার ভার্সনের প্রতি আমার আগ্রহ আছে, তাই এই মুভিটিতে আরিয়েট্টির চোখে মানুষের পৃথিবী দেখে অনেক ভাল লেগেছে।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-32/

4. Ojii-san no Lamp / Grandfathers Lamp

ইয়ং অ্যানিমেটর ট্রেনিং প্রজেক্টের সাথে পরিচয় আছে? এটি জাপানের অনভিজ্ঞ কিন্তু মেধাবী অ্যানিমেটরদের প্রতিবছর সুযোগ দেয়, কোন একটি নামকরা স্টুডিওর অধীনে নিজেদের মেধাকে দুনিয়ার সামনে তুলে ধরার। খুব চমকপ্রদ মুভি তৈরি করে বসে মাঝে মাঝে এই অনভিজ্ঞ অ্যানিমেটররা, এটিও সেগুলোর একটি। সেই লণ্ঠন-কুপির আমলের মানুষের জীবন, তাদের আশা-আকাংখা, পৃথিবীর পরিবর্তনের ফলে তাদের স্বপ্নভঙ্গের গল্প- পুরোটাই খুব পরিপাটিভাবে দেখানো হয়েছে, মাত্র ২৪ মিনিটে!

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-30/

5. Hotarubi No Mori E / Into the Forest of Fireflies’ Light

ভালবাসা আসলে কি? ভালবাসার রূপ কতরকম? শুধু কি একসাথে জীবন পার করে দেয়ার নামই ভালবাসা? ভালবেসে সেই মানুষটিকে কাছে না পাওয়ার ব্যাথা, তাকে সারাজীবনের জন্য হারিয়ে ফেলার কষ্ট- এর মধ্যেও কি ভালবাসা লুকিয়ে নেই? মুভির কাহিনীটি হয়ত অবাস্তব, কিন্তু দেখার পরে যে হাহাকারটা অনুভূত হয়, সেটি একেবারে নিখাদ বাস্তব।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-06/

6. My Neighbor Totoro / Tonari no Totoro

এটির সহজ-সরল এবং হাসিখুশি প্লট আমাকে সবচেয়ে বেশি টানে। ছোট্ট দুটি বাচ্চা মেয়ের হাসিখুশি উচ্ছ্বল কথাবার্তা, কাজকর্ম দেখলে মন এমনিতেই ভাল হয়ে যায়, সেইসাথে আছে তোতোরো এবং তার মজার কাজকর্ম। মুভিটিতে অ্যাডভেঞ্চারের অংশটা খুব সুন্দর, হালকা এক্সাইটমেন্ট এবং বেশি মজার ছোঁয়াটা খুব বেশি মুভিতে পাওয়া যায়না।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-53/

7. Neko no Ongaeshi / The Cat Returns

বিড়ালপ্রেমী হিসেবে আমার সুনাম (কিংবা দুর্নাম) আছে, বিড়াল দেখলেই আমি যেকোন কিছুতে আকৃষ্ট হয়ে যাই। এই মুভিটিও বিড়ালের আধিক্যের কারণেই আমার অনেক পছন্দ, তবে কাহিনীটাও যে মজার ছিল, এটা স্বীকার করতেই হবে।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-37/

8. Ookami Kodomo no Ame to Yuki / Wolf Children Ame and Yuki

ভালবাসার অনেক রকম রূপ আছে। কিন্তু তার মাঝে সবচেয়ে সুন্দর রূপটি হল মা এবং সন্তানের সম্পর্ক। নিঃস্বার্থভাবে নিজের কথা সামান্যতম চিন্তা না করে একজন মা তার সন্তানকে ভালবেসে যান। কিন্তু আমরা কি সবসময় মায়ের কষ্টটাকে উপলব্ধি করতে পারি? মাকে তার প্রাপ্য ভালবাসা, সম্মানটুকু দিতে পারি? মুভিটিতে একজন মায়ের তার বাচ্চাদেরকে ভালভাবে বড় করে তোলার যে সংগ্রাম দেখানো হয়েছে- এককথায় অসাধারণ!

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-31/

9. Colourful

প্লটটি অ্যানিমে মুভির ক্ষেত্রে বেশ ব্যতিক্রমধর্মী, মৃত মানুষের পৃথিবীতে ফিরে আসার ব্যাপারটিও হয়ত নতুন নয়, কিন্তু এই মুভিটি তারপরেও অনেক স্পেশাল! পরবর্তী কোন সেগমেন্টে এটির রিভিউতে বিস্তারিত আলোচনা করব।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-55/

10. Millennium Actress / Sennen Joyuu Chiyoko

এই গল্পটির বর্ণনাশৈলী একেবারেই অন্যরকম, সচরাচর এ ধরণের বর্ণনাশৈলী পাওয়াই যায়না। গল্পটির প্রায় পুরোটাই চলে ফ্লাশব্যাকে, এবং তা দেখানো হয় চিয়োকোর বিভিন্ন বিখ্যাত মুভির শুটিং এর দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে। গল্পটি আমাদের কখনো নিয়ে যায় ফিউডাল জাপানে, কখনো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, তো কখনো কল্পনার ভবিষ্যতে, যেখানে স্পেসশিপে করে মানুষ পাড়ি জমাচ্ছে মহাকাশে। ফিল্মমেকার এবং ক্যামেরাম্যান যে কখন এই ফ্ল্যাশব্যাকের অংশ হয়ে যান, টেরও পাওয়া যায়না। কোনটা মুভির অংশ এবং কোনটা বাস্তবতা, তা নিজের অজান্তেই অদৃশ্য হয়ে যায় একসময়।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-35/

11. When Marnie Was There / Omoide no Marnie

স্টুডিও জিবলীর শেষ মুভি এটি, আর শেষ মুভিতেই এত চমৎকার একটা কাহিনী উপহার দিয়ে গেল, যে এটা দেখার পরে অনেকদিন আফসোস করেছি, কেন আর কাজ করবে না জিবলী!! ওদের গতানুগতিক অন্য কোন কাহিনীর সাথেই মিল নেই মুভিটির, আর তাই এটি আমার এত বেশি প্রিয়। কোন এক পর্বে এটি নিয়ে ভালভাবে আলোচনা করব।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-56/

12. Hal / Haru

গ্রাফিক্সের জন্য অ্যানিমে দেখেন? টলটলে পরিষ্কার আর্টওয়ার্ক না হলে মন ভরেনা? তাহলে নিশ্চিন্তে দেখতে বসে যান; হারু। হতাশ হওয়ার কোন সুযোগই নেই! সেইসাথে কাহিনীটা বেশ হৃদয়স্পর্শী; উইথ এ টুইস্ট!

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-27/

13. Summer Wars

এই মুভিটির নামটা মনে পড়লেই প্রথম যে কথাটা মাথায় আসে, তা হল, পরিবার। আমরা সবাই আমাদের পরিবারের সাথে থাকি। কিন্তু আমরা যেভাবে জীবনযাপন করছি, সেটাকে কি আসলেই পরিবারের সাথে থাকা বলা যায়? এই মুভিটি দেখে আজকালকার সময়ের বহুল প্রচলিত প্রশ্নটি নতুন করে মাথায় উঁকি দিয়েছে। পরিবার পরিজন, আত্মীয় স্বজন যে একজন মানুষের কত বড় সম্পদ, তা এই মুভিতে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-13/

14. Harmonie

প্রতিটি মানুষের নিজস্ব জগৎ আলাদা। একজনের জগতের সাথে আরেকজনের জগত কখনোই তেমন একটা মেলে না। কারো কল্পনার জগতের সাথে যদি আরেকজনের জগৎ মিলে যায়, তাহলে তারা অনেক ভাগ্যবান মানুষ। ইয়ং অ্যানিমেটর ট্রেনিং প্রজেক্টের আরেকটি চমৎকার কাজ এটি।

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-10/

15.  Domain of Murder / Hello Harinezumi: Satsui No Ryoubun

আর্টওয়ার্ক খুবই পীড়াদায়ক, কিন্তু কাহিনীর জবাব নেই। মিস্ট্রি জনরার অমূল্য সম্পদ এটি!

রিভিউ লিঙ্ক- http://www.animeloversbd.com/movie-time-with-yami-13/

Movie Time With Yami – 53

 

maxresdefault

 

Name: My Neighbor Totoro / Tonari no Totoro
Duration: 1 hr. 26 min.
MAL Score: 8.51
Ranked: 98
Genres: Adventure, Comedy, Supernatural

বাসাবাড়ি বদল করতে কার ভাল লাগে? নিজের পরিচিত পরিবেশ, বন্ধুবান্ধব, একটা চলমান জীবন ছেড়ে নতুন একটা অচেনা জায়গায় যেতে যে কারওই অস্বস্তি বোধ হওয়াটা স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যাপারটাকে তো ইচ্ছে করলে উল্টোভাবেও দেখা যায়। সম্পূর্ণ নতুন একটি জায়গা দেখার মধ্যে যে আনন্দটা আছে, নতুন পরিবেশটিকে আপন করে নেয়ার মধ্যে যে তৃপ্তি আছে, তা তো একঘেয়ে দৈনন্দিন জীবন কোনদিন কাউকে দিতে পারবে না!

ছোট্ট সাতসুকি আর মেই দুই বোন। তারা তাদের পুরনো আবাস ছেড়ে গ্রামের ধারে ছিমছাম এক বাড়িতে বাস করতে আসে তাদের বাবার সাথে। বাড়ির চারপাশে জঙ্গল, সবচেয়ে কাছের বাড়িটিও বেশ দূরে অবস্থিত। এরকম খোলামেলা এবং নিরিবিলি পরিবেশ পেয়ে দুই বোনের আনন্দের সীমা থাকেনা। দৌড়াদৌড়ি করে পুরো এলাকা চষে বেড়াতে থাকে তারা।

এভাবে বাড়ির আশেপাশে ঘোরাঘুরি করতে করতে ছোট্ট মেই হঠাৎ দেখা পায় এক আজব জন্তুর। বনের মধ্যে বিশাল এক গাছের নিচে ঘুমন্ত এ অদ্ভুত জন্তুটিকে দেখে বেশ মজা পেল সে। তাই জন্তুটির সাথে সখ্যতা গড়ে তুলতেও বেশি দেরি হলনা তার। আর শুরু হল তোতোরোর সাথে সাতসুকি আর মেই এর মজার অভিযান।

এই মুভিটি আমার প্রিয় মুভির তালিকায় বেশ ওপরের দিকে রয়েছে, এর মূল কারণ হল, এটির সহজ-সরল এবং হাসিখুশি প্লট। ছোট্ট দুটি বাচ্চা মেয়ের হাসিখুশি উচ্ছ্বল কথাবার্তা, কাজকর্ম দেখলে মন এমনিতেই ভাল হয়ে যায়, সেইসাথে আছে তোতোরো এবং তার মজার কাজকর্ম। মুভিটিতে অ্যাডভেঞ্চারের অংশটা খুব সুন্দর, হালকা এক্সাইটমেন্ট এবং বেশি মজার ছোঁয়াটা খুব বেশি মুভিতে পাওয়া যায়না। স্টুডিও জিবলীর ছিমছাম পরিষ্কার আর্ট এবং মুভির চমৎকার ধারাবাহিক কাহিনীবিন্যাস এটিকে আরও অনন্য করে তুলেছে।

এই মুভিটির কাহিনী নিয়ে বেশ কিছু থিওরী প্রচলিত আছে ইন্টারনেটে, সেগুলোর সত্যমিথ্যার দায়ভার আমি নিতে পারব না, তবে মুভিটি দেখার পর যদি থিওরীগুলো ঘাটাঘাটি করে দেখেন, আমি নিশ্চিত যে মুভিটির হাসিখুশি প্লটটিকে নতুন চোখে দেখতে বাধ্য হবেন আপনি!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/My-Neighbor-Totoro

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 52

ponyo2007g

Name: Ponyo on the Cliff by the Sea / Gake no Ue no Ponyo
Duration: 1 hr. 41 min.
MAL Score: 7.95
Ranked: 580
Genres: Adventure, Fantasy

একদা এক বিশাল সমুদ্রের গভীর অতলে বাস করত এক জাদুকর। তার ক্ষমতা দিয়ে সে সমুদ্রের নিচে বসে বিভিন্ন রকম গবেষণা চালাত। এবং তার কাছে ছিল বিভিন্ন ধরণের ঔষধ, যা খেয়ে প্রাণিদেহে অদ্ভুত ধরণের পরিবর্তন আনা সম্ভব।

এই জাদুকরের মেয়ে পনিও। তাকে একপ্রকার মাছই বলা চলে।পনিওর বাবা সবসময় তাকে তাদের সমুদ্রের নিচের বাড়িতে আটকে রাখতে চাইত, যেখানে সে নিরাপদে থাকবে।কিন্তু দুষ্টু পনিও যে এভাবে ঘরে পড়ে থাকতে নারাজ! সে বাইরের পৃথিবী ঘুরে দেখতে চায়। তাই একদিন বাবার কড়া নজরকে ফাঁকি দিয়ে সে বেরিয়ে পড়ে সমুদ্র ভ্রমনে, আর শুরু হয় পনিওর মজার অ্যাডভেঞ্চার।

হায়াও মিয়াজাকি পরিচালিত স্টুডিও জিবলীর এ মুভিটি এ স্টুডিওরর বাকি মুভিগুলোর তুলনায় কিছুটা অন্যরকম, বলা যায় যে এটি তুলনামূলক ভাবে কিছুটা শিশুতোষ। প্লটটা অনেকটা ডিজনী মুভিগুলোর মত, তবে এখানেও পৃথিবী ধ্বংস হয়ে যাওয়ার ভয়টা রয়েছে। আর্টওয়ার্ক অত্যন্ত উজ্জ্বল ও পরিচ্ছন্ন, দেখে মনে হয় যেন রংপেন্সিল দিয়ে স্কেচ করে আঁকা। মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে পুরোটা সময়। সাউন্ডট্রাক মানানসই, তেমন উল্লেখযোগ্য না হলেও ভাল। কাহিনীর গতি খারাপ না, একটু ধীরগতিতে শুরু হয়, যেটা ভাল লাগছিল, কিন্তু পরে গিয়ে আবার হঠাৎ করে বেশ তাড়াহুড়ো করে একসাথে অনেক কিছু দেখিয়ে ফেলতে চেষ্টা করা হয়েছে, তাতে কাহিনীটা একটু খাপছাড়া হয়ে গিয়েছে। তবে ওভারঅল বেশ উপভোগ্য একটা মুভি এটি।

তাই, সময় পেলে দেখে ফেলুন ছোট্ট পনিওর বড় অভিযানের এ কাহিনীটি।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Ponyo-on-a-Cliff

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 51

spirited_away_by_nuriko_kun-d3cyj4y

 

Name: Spirited Away / Sen to Chihiro no Kamikakushi
Duration: 2 hours 5 min.
MAL Score: 8.93
Ranked: 12
Genres: Adventure, Drama, Supernatural

মাই আনিমে লিস্টের স্ট্যান্ড অ্যালোন মুভির টপ লিস্ট যদি কেউ চেক করেন, দেখতে পাবেন, সবার ওপরে যে নামটি আছে, সেটি হল স্পিরিটেড অ্যাওয়ে। স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল এবং প্রশংশিত এ মুভিটি রিলিজ হওয়ার বছরে (২০০১ সাল) একাই দখল করেছিল সকল বড় বড় অ্যাওয়ার্ডগুলো; যার মধ্যে অস্কারও রয়েছে।

নিজের পরিচিত গন্ডি ছেড়ে, স্কুল-বন্ধুবান্ধব-খেলার সাথীদের ছেড়ে যদি হঠাৎ দূরে একেবারে অচেনা কোন জায়গায় চলে যেতে হয় আপনাকে হঠাৎ করে, কেমন লাগবে আপনার? নিশ্চয় মন খারাপ/বিরক্ত লাগবে কিছুটা হলেও! সেরকমটাই ঘটেছে চিহিরোর সাথে। পরিবারের সিদ্ধান্তের কারণে অনিচ্ছাসত্ত্বেও তাকে নিজের পরিচিত গন্ডি ছেড়ে যেতে হচ্ছিল অজানা এক জায়গাতে। সেজন্য চিহিরোর মন বেশ খারাপ। পুরো রাস্তায় এজন্য বাবা-মার সাথে অসহিষ্ণু আচরণ করে সে।

পথে গাড়ি চালানোর সময় হঠাৎ এক জায়গায় একটা ভুল রাস্তায় ঢুকে পড়ে চিহিরোদের গাড়ি। অচেনা পথে দিকভ্রষ্ট হয়ে গাড়ি চালাতে চালাতে একসময় গাড়িটা এসে পৌছায় একটা জনমানবশূণ্য থিম পার্কের সামনে। চিহিরো যদিও জায়গাটা নিয়ে শঙ্কিত থাকে, তারপরেও বাবা-মায়ের পেছনে পেছনে জায়গাটা পরিদর্শন করতে বেরিয়ে পড়ে।

পার্কটির একপ্রান্তে হঠাৎই একটি খাবারের স্টল খুঁজে পায় চিহিরোর বাবা-মা। কোনকিছু চিন্তা না করে খেতে বসে যায় তারা। চিহিরো তাদের সাথে বসে না ভয়ের কারণে। এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই সে আবিষ্কার করে, বাবা-মায়ের অদূরদর্শী কাজের কারণে এক ভয়াবহ বিপদের মধ্যে এসে হাজির হয়েছে তারা।

মুভিটির কাহিনী বেশ দ্রুতগতিতে আগায় বলা চলে, কোন জায়গায় দম ফেলার সুযোগ তেমন একটা পাওয়া যায় না। স্পিরিট ওয়ার্ল্ড ও তার আজগুবি ক্রিয়েচারগুলো দেখে আমার একটু অস্বস্তি লেগেছিল, আর কাহিনীটা মাঝে যেন একটু খাপছাড়া লেগেছিল। তবে এঞ্জয়মেন্ট ভ্যালু হিসেবে বলা যায়, বেশ উপভোগ্য ছিল মুভিটি। মিয়াজাকি হায়াও এর সব মুভিতে তার কাজের ছোঁয়া স্পষ্ট থাকে, এ মুভিটিও তার ব্যাতিক্রম নয়, ক্যারেক্টার ডিজাইন, আর্টওয়ার্ক, ডেভেলপমেন্ট- পুরোটাই একটা জিবলী জিবলী ভাব তৈরি করে। আর্টওয়ার্ক জিবলীর বাকি কাজগুলোর মতই অসাধারণ, আজগুবি ক্রিয়েচারগুলোকেও খুব যত্ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে। সাউন্ডট্র্যাকও বেশ চমৎকার, আর চিহিরোর ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট বেশ ভাল ছিল।

আর, বলা হয়ে থাকে যে, মুভিটিতে রূপক অর্থে দর্শককে মেসেজ দিতে চেষ্টা করা হয়েছে, এই মেসেজ নিয়ে অনেক থিওরী, ভিডিও ছড়িয়ে আছে ইন্টারনেটে। মুভি দেখার পরে যদি আগ্রহী হন তো এগুলো কিছুটা ঘাটাঘাটি করে দেখতে পারেন, দেখে মজাই লাগবে, আর মুভিটির ব্যাপারে মনে নতুন ধারণার জন্ম হওয়াটাও অস্বাভাবিক নয়! কিংবা কে জানে, হয়ত আপনিও একটি নতুন থিওরী দাড়া করিয়ে ফেললেন!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Spirited-Away

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 50

[আজকের সাজেশনটিকে বলা যায় বাঁশের চেয়ে কঞ্চি বড় সাজেশন, তিনটি খুবই ছোট্ট ওএনএ সাজেশন থাকছে। আর এটা এই সেগমেন্টের ৫০ তম পর্ব, এতদিন ধরে আমার সাথে থেকে আমাকে অনুপ্রাণিত করার জন্য আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ!]

raintown1

Name: Rain Town
Duration: 10 minutes
Genre: Drama

বৃষ্টির শহর। এ এক এমন শহরের গল্প, যেটি সারাটা বেলা বৃষ্টি দিয়ে ঘেরা থাকে। বৃষ্টির এই প্রকোপের কারণে শহরের বেশিরভাগ বাসিন্দা একে ছেড়ে চলে গিয়েছে। পরিত্যক্ত এই শহরের বৃষ্টিভেজা পরিবেশের মাঝেই সুন্দরভাবে চিত্রায়িত হয় এক ছোট্ট বালিকা ও এক রোবটের বন্ধুত্বের গল্প। তারা এই মুভির দশ মিনিটের ব্যাপ্তির মাঝে দর্শককে উপহার দেয় তাদের সুন্দর সম্পর্কের একটি কোমল চিত্র, যেখানে ভালবাসা আছে, বৈষম্যও আছে, স্মৃতিকাতরতা আছে, আবার অতীতকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার নিষ্ঠুরতাও আছে। এই অসম বন্ধুত্বের গল্প যেন আমাদের নিজেদেরই জীবনের একটি অংশ। ওএনএ টির শেষটি যে কারও মন খারাপ করিয়ে দিতে পারে।

মাত্র ১০ মিনিটের একটি ওএনএ এটি, কিন্তু এর অ্যানিমেশন অত্যন্ত চমৎকার ও উজ্জ্বল; দেখে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে। পুরোটা সময় বৃষ্টি পড়তে থাকে এতে, এবং বৃষ্টির অ্যানিমেশন খুবই বাস্তবধর্মী ও সুক্ষ্ম। এই বৃষ্টির মাঝেই এতগুলো অনুভূতি দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে; অনেক বড় বড় অ্যানিমেও যেটা মাঝেমধ্যে পাওয়া যায়না। আর ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকে পিয়ানোর শব্দটিও বেশ ভাল লাগে শুনতে; বৃষ্টি পড়ার শব্দের সাথে মিশে অন্যরকম এক আবহ তৈরি করে এটি।

Link- https://youtu.be/RLAfM1RXwRs

out-of-sight-4900-1

Name: Out of Sight
Duration: 6 minutes
Genre: Drama

এক সুন্দর সকালে নিজের পোষা কুকুর কোকোকে নিয়ে শহরে হাটতে বের হয় এক ছোট্ট মেয়ে। হঠাৎ এক ছিনতাইকারী মেয়েটির কাঁধের ব্যাগটি ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায়! কোকো সাথে সাথে তাড়া করে লোকটিকে। এবং এরপরেই শুরু হয়, মেয়েটির পৃথিবীটাকে নতুন করে চিনতে শেখার পালা!

এই ওএনএটির ব্যাপারে সর্বপ্রথম যে কথাটি বলব, আপনারা অবশ্যই এটিকে কমপক্ষে দুইবার দেখবেন। এই ওএনএটি এত বেশি সুন্দর, কমপক্ষে দুইবার না দেখলে এটা থেকে পরিপূর্ণ অনুভূতি পাওয়া সম্ভব নয়। অ্যানিমেশন অতিরিক্ত বেশি সুন্দর, নিমেষেই মন ভাল করে দেবে। এবং ওএনএর শেষে রয়েছে একটি সারপ্রাইজ, যা দর্শককে কিছুক্ষণের জন্য হলেও বাকরূদ্ধ করে দেবে।

Link- https://youtu.be/4qCbiCxBd2M

New Bitmap Image

Name: My Life
Duration: 4 minutes
Genre: Drama, Slice of Life

এটি একটি মেয়ের জীবনের গল্প, তার কৈশোরের আনন্দের দিনগুলোর গল্প, তারুণ্যের রঙিন দিনগুলোর গল্প, তার ভাললাগা-ভালবাসার গল্প, সাফল্য-ব্যর্থতার গল্প। চার মিনিটের এই অল্প সময়ের ফ্রেমে তার পুরো জীবনটি চিত্রায়িত হয়। ওএনএ টির আর্ট খুব সুন্দর, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকও মানানসই। জীবনের পথে একজন মানুষের পরিণত হয়ে ওঠা থেকে শুরু করে ছোট ছোট আনন্দ-বেদনার গল্প, পুরোটাই খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে এতে। দেখতে দেখতে নিজের জীবনের সাথে কিছুটা সাদৃশ্য খুঁজে পাওয়াও অসম্ভব কিছু নয়।

Link- https://youtu.be/M88E8o8Q_UQ

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!