Movie Time With Yami – 36
Name: K-On! Movie
Duration: 1 hr. 50 min.
MAL Score: 8.39
Ranked: 161
Genres: Comedy, Music, Slice of Life
সাকুরাগাওকা হাইস্কুলে তৃতীয় বর্ষে পড়ুয়া চার বান্ধবী ইউয়ি, রিতসু, মুগি এবং মিও। তারা একই মিউজিক ক্লাবের সদস্য, তাদের সাথে এই ক্লাবে পাঁচ নম্বর একজন সদস্য আছে, যার নাম আজুসা। আজুসা দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্রী।
ক্লাবের তৃতীয় বর্ষের সদস্যদের গ্রাজুয়েশন ডে ঘনিয়ে আসছে। তাই তারা সবাই মিলে ঠিক করে যে তারা একটি সুন্দর স্মৃতি তৈরি করার জন্যে গ্রাজুয়েশন ট্রিপ এ যাবে। বিভিন্ন মজার মজার পদ্ধতি অবলম্বনের পর তারা ঠিক করে, এ ট্রিপটির জন্য তারা লন্ডনে যাবে। লাইট মিউজিক ক্লাবের সদস্যদের লন্ডন ভ্রমণের আগে পরের বিভিন্ন মজার ঘটনা নিয়ে কাহিনী এগিয়ে যেতে থাকে।
কখনো কোন অ্যানিমে দেখে নষ্টালজিয়াতে ভুগেছেন? বা কোন অ্যানিমে দেখে মনে হয়েছে, এই অ্যানিমেটাতে আসলে আছেটা কি, ভাল লাগছে আসলে কেন? কেঅন ঠিক সেরকম একটা অ্যানিমে। পাঁচজন হাইস্কুল পড়ুয়া মেয়ের বন্ধুত্ব, তাদের দৈনন্দিন জীবন এবং মজার মজার কাজকর্ম যে কারও মনকে ভাল করে দিতে পারে। কিয়োটো অ্যানিমেশনের আর্ট আমার খুব বেশি পছন্দ, কাজেই কেঅনের আর্টওয়ার্ক আমার কাছে অতিরিক্ত ভাল লেগেছে। যেহেতু জনরাতে মিউজিক ট্যাগটা আছে, কাজেই এতে বেশ কিছু গান অবশ্যই থাকবে, সবকয়টা গানই চমৎকার, এর মাঝে “টেনশি নি ফুয়েতে ও” গানটি আমার অসম্ভব সুন্দর লেগেছে। কাহিনীর গতি কিছুটা ধীর, তবে তা বরং উপভোগের ক্ষেত্রে সহায়ক।
এ মুভিটি যদিও কেঅন নামের অ্যানিমেটির সিক্যুয়াল, কেউ যদি মুভিটি আগে দেখতে চান, তার কোনই অসুবিধা হবে না।
তাই, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে দেখে ফেলতে পারেন আমার অত্যন্ত পছন্দের এ চমৎকার মুভিটি।
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/K-On-Movie
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 35
Name: Millennium Actress / Sennen Joyuu Chiyoko
Duration: 1 hr. 27 min.
MAL Score: 8.35
Ranked: 187
Genres: Action, Adventure, Drama, Fantasy, Historical, Romance
সাতোশি কন সম্পর্কে যারা জানেন, তারা কন এর কোন মুভি দেখার সময় জানেন কি ধরণের প্লট আশা করতে হয়। এই মুভিটিও তার ব্যতিক্রম নয়। ঘোর লাগানো কল্পনা এবং বাস্তবতার মিশেলে একজন অভিনেত্রীর সফলতার গল্প, ভালবাসার গল্প খুব চমৎকারভাবে তারই অভিনীত বিভিন্ন মুভির দৃশ্যায়নের চিত্রের মাঝ দিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
গল্পটি শুরু হয় একজন ফিল্মমেকারের তার ক্যামেরাম্যানকে নিয়ে একজন জনপ্রিয় প্রাক্তন অভিনেত্রীর বাড়িতে তার ইন্টারভিউ নিতে যাওয়ার মাধ্যমে। তারা যে স্টুডিওতে কাজ করে, এই অভিনেত্রী সেই স্টুডিওতে অনেক বছর যাবৎ সেরা অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। বৃদ্ধা, কিন্তু এখনও লাবণ্য ধরে রাখা অভিনেত্রী চিয়োকো বলতে থাকেন তার অভিনেত্রী হয়ে ওঠার গল্প। কাহিনী চলতে থাকে চিয়োকোর স্মৃতিচারণের গল্পের সাথে সাথে।
এই গল্পটির বর্ণনাশৈলী একেবারেই অন্যরকম, সচরাচর এ ধরণের বর্ণনাশৈলী পাওয়াই যায়না। গল্পটির প্রায় পুরোটাই চলে ফ্লাশব্যাকে, এবং তা দেখানো হয় চিয়োকোর বিভিন্ন বিখ্যাত মুভির শুটিং এর দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে। গল্পটি আমাদের কখনো নিয়ে যায় ফিউডাল জাপানে, কখনো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, তো কখনো কল্পনার ভবিষ্যতে, যেখানে স্পেসশিপে করে মানুষ পাড়ি জমাচ্ছে মহাকাশে। ফিল্মমেকার এবং ক্যামেরাম্যান যে কখন এই ফ্ল্যাশব্যাকের অংশ হয়ে যান, টেরও পাওয়া যায়না। কোনটা মুভির অংশ এবং কোনটা বাস্তবতা, তা নিজের অজান্তেই অদৃশ্য হয়ে যায় একসময়।
মুভিটির আর্টওয়ার্ক পুরোনো, কিন্তু চমৎকার। একেকটি দৃশ্য একেকভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা কাহিনীর সাথে একেবারে একাত্ম হয়ে মিশে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের মানানসই ব্যবহার একে দিয়েছে অনন্যতা। আর সেইসাথে বর্ণনাশৈলী একে পরিণত করেছে মাস্টারপিসে।
তাই, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে নিতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি।
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Millennium-Actress
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 34
Name: Flanders no Inu / The Dog of Flanders
Duration: 1 hr. 42 min.
MAL Score: 8.17
Ranked: 330
Genres: Adventure, Drama
প্রাচীন জাপানের একটি চার্চের একজন সিষ্টার চার্চের কয়েকটা বাচ্চাকে একটি জাদুঘর দেখাতে নিয়ে আসেন। সেখানে রয়েছে বিখ্যাত চিত্রশিল্পী রুবেনের আঁকা একটি অত্যন্ত চমৎকার পোর্ট্রেট। বাচ্চারা পোর্ট্রেটটি দেখে সিষ্টারের সাথে শিল্পী রুবেনের ব্যাপারে কথা বলে। তখন তার মনে পড়ে যায় এক শিল্পীর কথা, রুবেনের চিত্রকর্ম দেখে যে অনুপ্রেরণা পেত, স্বপ্ন দেখত ঠিক রুবেনের মত একজন শিল্পী হওয়ার। খুব গরিব এবং অভাবী অবস্থায় থাকার পরেও যে ছবি আঁকা চালিয়ে যেত। মুভিটির গল্প চলতে থাকে সিস্টারের কল্পনা অনুসরণ করে।
মুভিটি বেশ পুরোনো, এটি একই নামের একটি গল্পের বইয়ের কাহিনী অনুসরণ করে তৈরি। এবং মুভিটি তৈরি হওয়ার আগে ঐ একই বই অবলম্বনে যথাক্রমে ৫২ এবং ২৬ পর্বের দুটো অ্যানিমে সিরিজও তৈরি হয়েছিল। তারপরেও পৌনে দুই ঘন্টার এ মুভিটি আমার দেখা অন্যতম সেরা মুভিগুলোর মাঝে একটি। কাহিনীটা সম্পূর্ণ বাস্তবধর্মী, একটুও অবাস্তবতার ছাপ নেই, রূঢ় বাস্তবতাকে যেভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে, এককথায় অসাধারণ, প্রতিটি চরিত্রের সাথে দর্শক খুব সহজেই একাত্ম হয়ে যেতে পারেন। আর্ট স্টাইলটা কাহিনীর সাথে মানানসই, ওএসটি অসাধারণ বললেও কম বলা হবে, প্রতিটা দৃশ্যের আবেগকে খুব সুন্দরভাবে বের করে এনেছে। আর এর এন্ডিং আমার দেখা অন্যতম সেরা এন্ডিংগুলোর মাঝে একটি, মুভি শেষ করার পরেও অনেকক্ষণ বিশ্বাস করতে পারিনি।
তাই, আমার মতে, এই অসাধারণ বাস্তবধর্মী এবং হৃদয়স্পর্শী মুভিটি সবারই দেখা উচিৎ, তাহলে একবারের জন্যে হলেও অন্তত মনে পড়বে আমরা কতটা ভাল অবস্থানে আছি।
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Flanders-no-Inu-Movie-Sub
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 33
Name: Tokyo Godfathers
Duration: 1 hr. 32 min.
MAL Score: 8.33
Ranked: 199
Genres: Comedy, Drama
আচ্ছা, “গডফাদার” শব্দটা শুনলে চোখের সামনে ঠিক কোন ছবিটা ভেসে ওঠে? মনে হয়না, যে নিশ্চয়ই কোন মাফিয়া বা আন্ডারওয়ার্ল্ড এর গ্যাং লিডার টাইপের কেউ হবে!! মুভিটার নাম দেখে আমিও তাই মনে করেছিলাম। কিন্তু গডফাদারের তো আরেকটা খুব সুন্দর অর্থ আছে! আর এই মুভিটি সেই অর্থটিই অনুসরণ করে।
ক্রিসমাস ইভে টোকিও শহরে উদ্দেশ্যহীনভাবে ঘুরে বেড়াচ্ছে তিন ভবঘুরে। তাদের একজন গৃহহারা, একজন ক্রস ড্রেসার এবং আরেকজন ঘর পালানো বালিকা। এভাবে ঘুরতে ঘুরতে এবং আবর্জনার মাঝে ব্যবহারযোগ্য জিনিসের খোঁজ করতে করতে তারা হঠাৎ করে একটি ছোট্ট নবজাত শিশু খুঁজে পায়।
শিশুটিকে পেয়ে তিনজনই সংশয়ে পড়ে যায়। তারা নিজেরাই বাস্তুহারা, থাকার জায়গার কোন ঠিক নেই, সেখানে শিশুটিকে নিয়ে কি করবে তারা? একজন চাইল তাকে পুলিশের কাছে দিয়ে দিতে। কিন্তু আরেকজন পুলিশের নাম শুনলেই রেগেমেগে ওঠে। উপায়ন্তর না দেখে সিদ্ধান্তে পৌছানোর আগে তারা শিশুটিকে নিজেদের কাছে রেখে দেয়। শুরু হয় শিশুটিকে নিয়ে এই তিন ভবঘুরের দুর্দান্ত অভিযান।
মুভিটির পরিচালক সাতোশি কন, যিনি সাধারণ একটি প্লটকেও অসাধারণ করে তোলার ক্ষমতা রাখেন। টোকিও গডফাদারও তার ব্যতিক্রম নয়। পুরনো ধাঁচের আর্টওয়ার্কের এই মুভিটির কাহিনী বেশ দ্রুতগতিতে এগিয়ে যায়, প্রতিটি দৃশ্যই দর্শকের জন্য কোন না কোন চমক তৈরি করে রেখেছে। একই সাথে মজাও লাগে, আবার কষ্টের অনুভূতিও হয় মুভিটা দেখার সময়। আর মানানসই ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক কাহিনীটাকে আরও উপভোগ্য করে তোলে।
তাই, সময় করে এখনই দেখে ফেলুন না এই চমৎকার মুভিটি!
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Tokyo-Godfathers
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 32
Duration: 1 hr. 34 min.
MAL Score: 8.16
Ranked: 337
Genre: Fantasy
আমাদের পরিচিত পৃথিবীটাকে অনেক সময়ই হয়ত আমাদের কাছে একঘেয়ে লাগে। কিন্তু যদি এই পৃথিবীটাকেই একটু অন্যভাবে দেখা যায়; ধরুন, আকৃতিতে খুব ছোট্ট কোন মানুষের চোখে, তাহলে কেমন হয়? তখন নিশ্চয়ই অনেক সুক্ষ্ম ব্যাপার চোখে পড়বে, যা সবসময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। অভিজ্ঞতাটা মন্দ হবে না, তাইনা!
দুরারোগ্য হৃদরোগে আক্রান্ত “শো”কে ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন সম্পূর্ণ বিশ্রাম করতে, সামান্যতম ক্লান্তি আসে এমন কোন কাজই তার করা চলবে না। শো র ব্যস্ত শহুরে পরিবার তাই তার উপযুক্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে তাকে পাঠিয়ে দেয় শহরের বাইরে নিরিবিলিতে অবস্থিত তার দাদীর বাড়িতে।
শো র দাদীর বাড়িটা বাগান দিয়ে ঘেরা, ছিমছাম, সুন্দর। একপাশে একটি সরু নালাও বয়ে যাচ্ছে। প্রথম দর্শনেই শো টের পায় বাড়িটিতে অচেনা কিছুর উপস্থিতি। বাগানের ছোট ছোট গাছগুলোর আড়ালে আকৃতিতে ছোট্ট একটি মেয়ের ছায়া চোখে পড়ে তার। কৌতুহলী হয়ে সে খোঁজ শুরু করে এ ব্যাপারে। এবং আবিষ্কার করে এক চমকপ্রদ ঘটনা।
মুভিটির কাহিনী আবর্তিত হয় প্রধাণত ছোট্ট আকৃতির মানুষের চোখে দেখা পৃথিবীকে ঘিরে, তাই অ্যানিমেশনে ছোট ছোট ডিটেইলের দিকে অনেক নজর দেয়া হয়েছে, চমৎকার গ্রাফিক্স এবং প্রতিটি দৃশ্যের মেকিং এ যত্নের ছাপ মুভিটিকে জিবলীর অন্যান্য মুভি থেকে আলাদা করেছে। কাহিনীটি গতানুগতিক যেকোন মুভির থেকে একেবারেই অন্যরকম, ধীরস্থির কিন্তু ধারাবাহিক, কোথাও ছন্দপতন নেই, দর্শককে সহজেই ভেতরে টেনে নিয়ে যায়। আর ওএসটি খুবই চমৎকার, এন্ডিং ট্র্যাকটা মনে রাখার মত।
তাই, খুব ব্যস্ততা না থাকলে দেড়ঘন্টা সময় বের করে এখনই দেখে ফেলুন এই মুভিটি, আর ঘুরে আসুন আরিয়েটির লুকোনো পৃথিবীতে!
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/The-Secret-World-of-Arrietty
Ending Song Link-
http://youtu.be/scUyXaWMyAk
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 31
Name- Ookami Kodomo no Ame to Yuki / Wolf Children Ame and Yuki
Duration- 1 hour 57 min.
MAL Score- 8.90
Ranked- 13
Genres- Fantasy, Slice of Life
আজ বলে বিশ্ব ভালবাসা দিবস! তাই, এই দিবস উপলক্ষে আজ সাজেস্ট করছি একটি ভালবাসায় পরিপূর্ণ হৃদয়স্পর্শী মুভি!
মানুষের জীবন বিভিন্ন স্তরে বিভক্ত। জন্ম, বাবা মায়ের সাহায্য নিয়ে বেড়ে ওঠা, তারুণ্য, নিজের পায়ে দাড়ানোর উপযোগী হয়ে ওঠা, বিয়ে, নিজের একটি নতুন পরিবার তৈরি করা, সেই পরিবারকে সামলানো, বেড়ে উঠতে সাহায্য- এবং এই চক্র চলতে থাকে। বলা হয়ে থাকে, পৃথিবীতে আনন্দ নিয়ে, পরিপূর্ণভাবে বেঁচে থাকার জন্য এসবই অত্যাবশ্যকীয়। কিন্তু সত্যিকারের আনন্দ আসলে কোথায় লুকিয়ে থাকে?
১৯ বছর বয়সী হানাও চেয়েছিল এরকম সুখী একটি জীবন। কলেজপড়ুয়া হানার সাথে পরিচয় হয় ওকামির, এরপর তাদের সম্পর্ক আরও গাঢ় হয়। তারা বিয়ে করে, তাদের দুটি ফুটফুটে সন্তানও হয়। সবই ঠিক ছিল, সমস্যা একটাই। ওকামি যে আসলে একজন নেকড়েমানব! এবং সে কারণে তাদের সন্তানরাও বাবার মত নেকড়ে এবং মানুষের সংমিশ্রণ।
একদিন এক আকস্মিক দুর্ঘটনায় হঠাৎ প্রাণ হারায় ওকামি। এবং হানার সুখের সংসারে নেমে আসে অনিশ্চয়তার ছায়া। কিভাবে এই অর্ধ-নেকড়ে বাচ্চাদুটোকে নিয়ে এই মানুষের পৃথিবীতে থাকবে হানা? তাদের ঠিকভাবে বড় করে তুলবেই বা কিভাবে?
আমি একটা কথা সবসময় বলি, ভালবাসার অনেক রকম রূপ আছে। কিন্তু তার মাঝে সবচেয়ে সুন্দর রূপটি হল মা এবং সন্তানের সম্পর্ক। নিঃস্বার্থভাবে নিজের কথা সামান্যতম চিন্তা না করে একজন মা তার সন্তানকে ভালবেসে যান। কিন্তু আমরা কি সবসময় মায়ের কষ্টটাকে উপলব্ধি করতে পারি? মাকে তার প্রাপ্য ভালবাসা, সম্মানটুকু দিতে পারি? এই মুভিটি দেখে অল্প সময়ের জন্য হলেও আশা করি দর্শকদের সবারই নিজের মায়ের কষ্টের কথা মনে পড়বে, আর সেইসাথে অন্যরকম সুন্দর একটি ভালবাসার উদাহরণ চোখে পড়বে।
মুভিটির আর্টওয়ার্ক চমৎকার, গল্পের ধারাবাহিকতা অল্প সময়ের মাঝেই দর্শককে ভেতরে টেনে নিয়ে যেতে বাধ্য। প্রতিটি চরিত্রকে যত্ন নিয়ে তৈরি করা হয়েছে, তাদের কথাবার্তা, ছোটখাট কাজকর্মই কখনো হাসায়, কখনো কাঁদায়। সেইসাথে আছে মানানসই ওএসটি, আবহ তৈরি করে দেয় খুব সহজেই।
তাই, বসে বসে হা হুতাশ না করে দুইঘন্টা সময় নিয়ে এখনই দেখে ফেলুন এই মুভিটি, আর যারা দেখেছেন, তারা আরেকবার রিওয়াচ দিন!
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Ookami-Kodomo-no-Ame-to-Yuki
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 30
Name- Ojii-san no Lamp / Grandfathers Lamp
Duration- 24 min.
MAL Score- 7.80
Ranked- 808
Genres- Drama, Historical
সৃষ্টির শুরু থেকেই আমাদের পৃথিবী প্রতি মূহুর্তেই কোন না কোন পরিবর্তনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। ভাল হোক বা খারাপ, এই পরিবর্তনের ফলেই পৃথিবীর উন্নতি হয়েছে; আর আমরা পেয়েছি আমাদের আজকের এই পৃথিবী। কিন্তু এইসব পরিবর্তন প্রতিটি মানুষের ওপর আলাদাভাবে কি প্রভাব ফেলে, তা কি আমরা কখনো চিন্তা করে দেখি? সার্বিক উন্নতির জন্য একজন মানুষের জীবনের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তনের গল্প নিয়েই তৈরি হয়েছে এই ছোট মুভিটি।
জাপানের একটি ছোট্ট গ্রাম। এই গ্রামে বাস করেন বৃদ্ধ মিনোসকে এবং তার পরিবার। গ্রামের আর দশটি পরিবারের মতই সুখী এবং শান্তিপূর্ণ পরিবার তাদের।
মিনোসকের নাতি গ্রামের অন্য বাচ্চাদের সাথে লুকোচুরি খেলতে গিয়ে ষ্টোররূমে অনেকদিন ধরে পড়ে থাকা একটি লণ্ঠন খুঁজে পায়। লণ্ঠনটি দেখে মিনোসকের মনে পড়ে যায় তার অতীত জীবনের কথা, যে জীবনের প্রতিটি পরতে পরতে জড়িয়ে আছে বিশ্বের উন্নয়নের প্রভাব। তিনি তার নাতিকে গল্প শোনাতে থাকেন, কিভাবে এই লণ্ঠন তার জীবনের বিভিন্ন স্তরে পরিবর্তন এনে দেয়।
মানুষের জীবন আসলে খুব বৈচিত্র্যময়। কখনো উত্থান, কখনো পতন, ছোট ছোট হাসি কান্না, আনন্দ এবং দুঃখের সমষ্টি একজন মানুষের জীবন। যখন তার অতীতের স্মৃতি রোমান্থন করেন, আমাদের চোখের সামনে ভেসে ওঠে চেষ্টার গল্প, পরিবর্তনের গল্প, পরিশ্রমের গল্প এবং পরিতৃপ্তির গল্প।
মুভিটি ইয়ং অ্যানিমেটর ট্রেনিং প্রজেক্টের অধীনে নির্মিত, কিন্তু এর আর্টওয়ার্ক, গল্প- সবই শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে। গল্পটি যে বার্তাটি দর্শকের কাছে পৌছাতে চেয়েছে তা খুব সুন্দরভাবে বর্ণনা করা হয়েছে। এই অল্প সময়ের মাঝেই চরিত্রগুলোর খুব চমৎকার ডেভেলপমেন্ট হয়েছে এবং এন্ডিংটাও খুবই সুন্দর।
তাই, হাতে ২৪ মিনিট সময় থাকলে এখনই দেখে ফেলুন এই চমৎকার মুভিটি!
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Ojii-san-no-Lamp
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – 29
Name- Eve no Jikan / Time of Eve
Duration- 1 hour 46 min.
MAL Score- 8.39
Ranked- 154
Genres- Sci-Fi, Slice of Life
ভবিষ্যতের পৃথিবীকে কেন্দ্র করে এ পর্যন্ত অনেক মুভি এবং অ্যানিমে তৈরি হয়েছে। এবং সেগুলোতে যে ব্যাপারটা প্রায়ই কমন পাওয়া যায়, তা হল রোবট এবং মানুষের সহাবস্থান। এ মুভিটিও রোবট ও মানব প্রজাতির পারস্পারিক সম্পর্কের পরিণতিটাকে খুব সুন্দর এবং হৃদয়স্পর্শীভাবে তুলে ধরেছে।
কাহিনীটি এমন এক সময়ের জাপানকে কেন্দ্র করে, যখন সকল ক্ষেত্রে রোবটের অংশগ্রহন খুব স্বাভাবিক ঘটনা। গৃহস্থলী কাজে মানুষের মত দেখতে হিউম্যানয়েড রোবট ব্যবহার করাটা বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে সমাজে। রোবটদের আলাদা করে চিহ্নিত করার জন্য সরকার থেকে নিয়ম করা হয়েছে যে রোবটদের সবসময় মাথার ওপর সার্কেল ব্যবহার করতে হবে।
রিকুওদের বাড়িতেও এরকম একটি হিউম্যানয়েড মেইড আছে, যার নাম স্যামি। সে হাইস্কুলপড়ুয়া রিকুও এবং তার পরিবারের সদস্যদের জন্য খাবার তৈরি করা থেকে নিরাপত্তা প্রদান- সবরকম কাজ করে।
একদিন স্যামির হিস্ট্রি লগ চেক করতে করতে রিকুও হঠাৎ আবিষ্কার করে, স্যামির বাইরে কাজ করতে যতটুকু সময় প্রয়োজন, সে তুলনায় অনেক বেশি সময় সে বাইরে কাটাচ্ছে। কৌতুহলী রিকুও একদিন তার স্কুলের বন্ধু মাসাকিকে নিয়ে স্যামিকে অনুসরণ করে।
এভাবে স্যামির পেছনে পেছনে গিয়ে দুই বন্ধু এসে হাজির হয় একটি ক্যাফের সামনে, যে ক্যাফের নাম “টাইম অফ ইভ।” এখানকার নিয়ম দেখে তারা হতবাক হয়ে যায়! কারণ, তাদের ক্যাফেতে মানুষ এবং রোবটদের মাঝে পার্থক্য করা নিষিদ্ধ!
টাইম অফ ইভ মুভিটি নিয়ে কথা বলতে গেলে আমার মাথায় সবসময় যে কথাটা আসে- এই মুভিটি সাইফাই এবং স্লাইস অফ লাইফ, দুটি জনরার জন্যই একটি অমূল্য সম্পদ। একই নামের ক্যাফেতে বিভিন্ন অপরিচিত মানুষ এবং রোবটদের জীবনের কিছু মূহুর্তকে খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে- খুব সহজে যা কাহিনীর ভেতর দর্শককে টেনে নিয়ে যায়। তাদের ছোট ছোট আনন্দের মূহুর্তগুলো দেখতে দেখতে কখন তাদেরকে আপনজনের মত মনে হয়, টেরও পাওয়া যায়না। সেইসাথে সম্পর্কের টানাপোড়েন, রোবট ও মানুষের অনুভূতি এবং ভালবাসায় মোড়ানো একটি এন্ডিং- সবমিলিয়ে মুভিটি আসলেই একটি রত্ন!
মুভিটির আর্টওয়ার্ক উজ্জ্বল এবং পরিপাটি, ক্যারেক্টার ডিজাইন খুবই চমৎকার, রোবট ও মানুষ, দুই দলকেই সমান গুরুত্ব দেয়া হয়েছে এবং ইমোশনের অংশটিকে খুব ভালভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। এর ওএসটি অসাধারণ, কালাফিনা এবং ইউকি কাজিউরার ছোঁয়া স্পষ্ট।
মুভিটির ৬ পর্বের ওভিএ আছে, প্রতিটি পর্ব ১৫মিনিট করে; যা মুভির আগে বের হয়েছিল, তবে মুভিটিতে ওভিএর পুরো কাহিনী কভার করে কিছু নতুন সিন যোগ করা হয়েছে। সুতরাং, মুভিটি হল গল্পটির কমপ্লিট ভার্সন। তাই ওভিএগুলো না দেখলেও কোন অসুবিধা নেই।
তাই, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলুন আমার খুব পছন্দের এই মুভিটি!
Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Time-of-Eve
Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!
Movie Time With Yami – Special Episode (টিং টং মুভি টাইম)
Genres: Drama, Horror, Psychological
Runtime: 80 minutes
Score: 8.13
Ranked: 375
দেখলাম সাতোশি কন এর বিখ্যাত অ্যানিমে মুভি Perfect Blue. জনপ্রিয় পপ আইডল কিশোরী মিমা স্বপ্ন দেখে বিখ্যাত অভিনেত্রী হওয়ার। সেজন্য সে যেকোন উপায়ে তার আইডল পরিচয় মুছে ফেলতে সচেষ্ট। তার ভক্তরা এই সংবাদ পেয়ে যথেষ্ট মনোঃক্ষুণ্ণ হয়। কিন্তু অভিনেত্রী হিসেবে নতুন পরিচিতি পাওয়ার আশায় বেপরোয়া হয়ে মিমা কিছু আপত্তিকর কাজ করে ফেলে, যা তাকে ভেতর থেকে কুরে কুরে খেতে থাকে। এরই মাঝে সে ইন্টারনেটে একটি ওয়েবসাইটের সন্ধান পায়, যেখানে তার রোজনামচা একদম নিখুঁতভাবে লেখা, যেন মিমা নিজেই ওগুলো লিখছে। সবদিক থেকে আসা এত মানসিক চাপ সইতে না পেরে মিমা কল্পনা ও বাস্তবতার পার্থক্য বুঝতে অপারগ হয়ে পড়ে।
মুভিটির কাহিনী অনেক গভীর এবং থট প্রভোকিং, মুভিটির কাহিনীর পেছনে লুকানো একধরনের বার্তা আছে যা নিজে না দেখলে বোঝা সম্ভব নয়। আর্ট একটু পুরনো, কিন্তু সবমিলিয়ে অত্যন্ত চমৎকার একটি মুভি। এক্সপ্লিসিট কন্টেন্ট আছে কিছু, তাই আমি অবশ্যই ছোটদের সতর্ক করব যে শুধু বয়স না, মানসিক পরিপক্কতা আসার আগে কেউ মুভিটি দেখো না; কিন্তু এটি মাস্ট ওয়াচ ফিল্মের পর্যায়েই পড়ে।










