Tokyo Ghoul Anime vs Manga — Rezo D. Skylight

TG

টপিকটি শুরু করার পূর্বে আমি বলে নিতে চাই আমি Tokyo Ghoul এনিমের দুইটা সিজনই দেখেছি, সাথে মাঙ্গাও পড়েছি। তবে মাঙ্গাটা আমি আগে পড়েছি তারপর এনিমেটা দেখেছি।

টপিকঃ Tokyo Ghoul Anime vs Manga / Tokyo Ghoul Complete Review.

আলোচনা শুরু করি Tokyo Ghoul এর এনিমে দিয়েই। গতবছর যখন Tokyo Ghoul এর এনিমে বের হল তখন এটি প্রায় সব Anime Community তে তুমুল সাড়া জাগিয়েছিল। অনেকেরই ধারণা ছিল যে এটি বছরের সেরা এনিমে হতে যাচ্ছে। কিন্তুু দুঃখজনক হলেও সত্যি যে “Studio pierrot” Tokyo Ghoul কে পুরুপুরি নষ্ট বানিয়ে ফেলেছে। সোজা কথায় বলতে গেলে যাকে “Trash adaption” বলা হয়ে থাকে। এখন যারা শুধু এনিমে দেখেছেন অনেকেই ভাবছেন যে, “কই কাহিনী তো ভালোই ছিল, Trash adaption হল কিভাবে?” আমি এখন সেটাই ব্যাখ্যা করবো।

Tokyo Ghoul (Anime 1st season):
শুরুর এপিসোডটা খারাপ ছিল না যদিও ৬ চ্যাপ্টার মিলে এপিসোডটি বানানো হয়েছিল। কিন্তু এর দুই তিন পর্বের পরেই পুরো “Dove Arc” টা বাদ দিয়ে পরের আর্কটা শুরু করেছিল। আবার সেই আর্ক শেষে আবার “Dove Arc”টা লাস্টের দিকে নিয়ে এসেছে। এরপর কয়েকটা আর্ক বাদ দিয়ে একেবারে “Aogiri Arc” এর লাস্টের দিকের কাহিনী দেখানো হয়েছে। বলতে গেলে পুরা কাহিনীকে জগাখিচুড়ি বানিয়ে ফেলেছে। আর শেষ এপিসোডের কানেকির চুল সাদা হয়ে যাওয়া দেখে আমার বেশ হাস্যকর লেগেছিল। আমি শুধু বলেছিলাম, “এইটা কিছু হইলো? কি জিনিসকে কি বানায় ফেলছে এরা। এত দ্রুত চুল সাদা বানায়ে ফেলল।” যাই হোক এনিমের ১ম সিজনটা প্রচণ্ড বাজে ছিল। মাঙ্গার পুরো ৬৫ চ্যাপ্টার মিলে ১২ এপিসোডের একটা এনিমে বানাতে গেলে কেমন হবে এইবার বুঝে নিন। তবে “Unravel” গানটা আর OST গুলো ছিল প্রশংসা করার মতো, এতে আমার কোন অভিযোগ নেই।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 8.11
বেক্তিগত রেইটিং: 4/10

Tokyo Ghoul √A (Anime 2nd season):
Tokyo Ghoul √A এর কথা বলতে গেলে আমি বলব এইটা ছিল Tokyo Ghoul এর “Spin-off” সিরিজ ছাড়া কিছুই না। এর সাথে মাঙ্গার কাহিনীর কোন মিল নেই। সম্পূর্ণ আলাদা রুটে তৈরি কাহিনী। “√A” বলতে “Root Aogiri” বুঝানো হয়েছে। যদিও এর কিছু কিছু জায়গা মাঙ্গার কাহিনীর সাথে মিলে গিয়েছিল। তাও কাহিনীটা কেমনজানো খাপছাড়া টাইপের ছিল। ওভারঅল আমার কাছে তেমন ভালো লাগেনি। এর থেকে মাঙ্গার ষ্টোরি রুট হাজার গুনে ভালো ছিল।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 7.59
বেক্তিগত রেইটিং: 3/10

Tokyo Ghoul (Manga):
এখন মাঙ্গার কথা শুরু করি। বলতে গেলে মাঙ্গাটা আমার পড়া “মাস্টারপিছ” মাঙ্গাগুলার মধ্যে একটা। মাঙ্গার কাহিনীর সিকুয়েঞ্ছ ঠিক ছিল, সবকিছু ঠিকঠাক মতো এক্সপ্লেইন করা হয়েছিল। যেমন-

[এরপর থেকে পড়লে সতর্ক থাকুন। কিছু মাইনর স্পয়লার রয়েছে। স্পইলার এড়িয়ে পড়তে চাইলে একেবারে শেষের “>” পেরাটি পড়ুন।]

১. এনিমেতে কানেকির কোন ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট দেখানো হয় নাই। মাঙ্গাতে
Yomo আর Touka মিলে কানেকিকে ফাইটিং স্কিল শিখেয়েছিল। এনিমেতে তার সিংহভাগ অংশ স্কিপ করা হয়েছে। এছাড়া আরও বহুত ফাইটিং সিন এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। মাঙ্গাতে এগুলো ঠিকমতো দেখানো হয়েছে।

২. Dove আর্কের পর কতগুলো আর্ক ছিল। যা এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। আর্কগুল খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল।

৩. Amon, Nishiki, Akira, Suzuya সহ আরও অনেক ক্যারেক্টারের ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরি এনিমেতে স্কিপ করা হয়েছে। এই ব্যাকগ্রাউন্ড স্টোরিগুলো মাঙ্গায় খুব সুন্দরভাবে দেখানো হয়েছে।

৪. “Aogiri Arc” এর শতকরা ৫% কাহিনী এনিমেতে দেখানো হয়েছে। শুধু জেসন কানেকিকে ধরে নিয়ে টর্চার করে সেই সিনটুকু দেখিয়েছে। কিন্তু মাঙ্গাতে এর অনেক কাহিনী এক্সপ্লেইন করা হয়েছে। আর কানিকির চুল এনিমের মতো হটাত করে সাদা হয়ে যাইনি। মাঙ্গাতে ধীরে ধীরে ওর মাথার চুল সাদা হতে থাকে প্রতিনিয়ত মানুষিক ও শারীরিক টর্চারের কারনে। একসময় সে বাস্তবতা বুঝতে পেরে সে মানুষিক ভাবে পরিবর্তন হয়ে পরিণত হয় নতুন কানেকিতে।

৫. এরপর “√A”তে Ayatoর সাথে নামমাত্র ফাইটিং দেখিয়েছে। আর আপনারা মাঙ্গাতে সেই ফাইটিং সিন দেখলে মানব শরীরের ২০৬ টা হাড়ের নাম মুখস্ত হয়ে যাবে।

> এরপর আর কাহিনীর মিল নেই। আর মাঙ্গার কাহিনীও আর বলছি না। বাকিটুকু আপনারা মাঙ্গাটা পড়ে জেনে নিয়েন। আমি রিকোয়েস্ট করবো মাঙ্গাটা একেবারে ১ম চ্যাপ্টার থেকে পড়ার জন্যে। তাহলে ওরিজিনাল “Tokyo Ghoul” এর কাহিনী উপভোগ করতে পারবেন। এইটা সত্য মাঙ্গাটা ভালো হওয়া সত্তেও এনিমের কারণে ঢাকা পড়ে গিয়েছে এবং মানুষজন Tokyo Ghoul নিয়ে অনেক নেগেটিভ মন্তব্য করছে। আর এই উদ্দেশেই আমি এই টপিকটি লিখলাম Tokyo Ghoul নিয়ে মানুষের ভ্রান্ত ধারণা দূর করার জন্যে।

মাইএনিমেলিস্ট রেইটিং: 8.79
বেক্তিগত রেইটিং: 9.5/10

*F.A.Q-

১. কানেকির চুল হটাত সাদা হয়ে যাওয়ার কারণ কি? এর কোন এক্সপ্লেনেশন আছে?
=> কানেকির আসলে “Marie Antoinette syndrome”-এ ভুগেছিল। এইজন্যই তার চুল হটাত সাদা হয়ে গিয়েছে। প্রচণ্ড মানুষিক চাপ, ভয়, দুঃখ ইত্যাদি কারণে চুলের সাদা রঙের জন্য দায়ী হরমোনগুলো অ্যাক্টিভ হয়ে যায়। আর এই কারণেই হটাত চুল সাদা হয়ে যেতে পারে। [ তথ্যসূত্র –https://en.wikipedia.org/wiki/Marie_Antoinette_syndrome ]

২. Tokyo Ghoul এর মাঙ্গাকা Ishida Sui এর আসল পরিচয় কি?
=> এখনো তা জানা সম্ভব হয়নি। কারণ সে এখনো মানুষের সামনে অফিসিয়াল ভাবে দেখা দেয়নি। এজন্য তার পরিচয় এখনো গোপন রেয়েছে।

৩. কানেকি যে বইগুলো পড়ে সেগুলো কি আসলেই আছে?
=> ‘The Black Goat’s Egg’ এর মতো আরও কিছু কিছু কাল্পনিক বই ছিল। কিন্তুু কিছু বই আসলেই আছে। যেমন- Franz Kafka’s ‘Crossbred’ এবং Brothers Grimm’s ‘Grimms Märchen’ বইদুটি আসলেই আছে।

ধন্যবাদ এত কষ্ট করে লিখাটা পড়ার জন্য। আশা করি আপনারা মাঙ্গাটা পড়ে দেখবেন।

১০০% পারফেক্ট গার্ল — Zahura Chowdhury Abonti

১০০% পারফেক্ট বলতে দুনিয়াতে কিছু কি আছে? তাহলে কোন মেয়ে কি করে ১০০% পারফেক্ট হয়! কিন্তু এই মানহোয়ার নামই এটা। “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

সুদূর রয়েন দেশ থেকে কোরিয়া তে এসেছে জে. ম্যাক্স। আসার পথে তার সেক্রেটারিকে সে পড়তে দেখে হারুকি মুরাকামির বই “১০০% পারফেক্ট গার্ল”। নেহাতই কিছু করার না পেয়ে সেক্রেটারির থেকে নিয়ে সেই বইই পড়া শুরু করে জে। বইটার মূল উপজীব্য ছিল কি করে এক ছেলে তার পছন্দের মেয়েকে নিয়ে বলে যে সেই হচ্ছে ১০০% পারফেক্ট গার্ল; ছেলেটির মতে মেয়েটি শুধু তার জন্যই। জে এগুলো পড়ে নিছক সস্তা রোমান্টিসিজম ভেবে নেয়। এসব বইও মানুষ পড়ে?!

কোরিয়া তে এসে ঘটনাচক্রে জে এর দেখা হয় আরেক জে এর সাথে। এই জে এক উঠতি বয়সী তরুণী যার স্বপ্ন হচ্ছে বড় আর্টিস্ট হওয়া। কিন্তু পরিবারে ছোট সন্তান হিসেবে প্রায়ই তার মত বাসাতে অগ্রাহ্য করা হয়। সবার জন্য নিজের স্বপ্ন বিসর্জন দিতে দিতে ক্লান্ত মেয়ে জে এর রয়েন থেকে আসা জে এর সাথে দেখা হওয়া নেহাতই কাকতালমাত্র। সংক্ষিপ্ত সেই এনকাউন্টারে শুধু একে অপরের নামটাই জানা হয় তাদের। আর সেই নামও কিনা একই! মেয়ে জে তাই রয়েনের জে এর নাম দেয় জারতে। সুদর্শন যুবক জারতে কে এক পথ হারানো বিদেশী পর্যটক মনে করলেও আসলে যে সে রয়েনের রাজা তা কোনভাবেই জানার উপায় ছিল না জে এর। খুব অল্প সময়ের সেই দেখাকে ঠিক সুমধুর হিসেবে ব্যাখ্যা করা না গেলেও জারতের জন্য তা বিশেষ কিছুই ছিল। কি কারণে সেও জানেনা জে কে মনে ধরে যায় জারতের। দেশে ফিরেও কাজে মন বসাতে না পেরে আবারো কোরিয়ার পথ ধরে জারতে। কিন্তু কি করে খুঁজে পাবে সে জে কে? তার ফোন নাম্বারটিও তো নিতে পারেনি সে!… রাজা হলে কত কিছুই না করা যায়! কোরিয়ার সকল বিলবোর্ড ভাড়া করে ফেলে জারতে। তাতে বড় বড় করে লেখা — “জে ইস লুকিং ফর জে”। কোরিয়ার সকল দেয়াল ছেয়ে যায় একই লেখার পোস্টারে।
খুঁজে কি পায় এক জে আরেক জে কে? মানহোয়া যেহেতু, নিশ্চয়ই খুঁজে পায়। কি হয় এর পরে? মডার্ণ ডে সিন্ডারেলা নামে খ্যাত মেয়ে জে এর জীবন রাতারাতি পালটে যায়, সেই পালটানোটা কি তার জন্য ভাল কিছু বয়ে আনে?

নানা রকম টুইস্ট আর টার্নে ভরা এই মানহোয়াটা আমার অনেক প্রিয়। এখানে চরিত্রগুলোর ইমোশন খুব সুন্দর ভাবে তুলে ধরেছেন লেখক ওয়ান। আমার অন্যতম পছন্দের এই মানহোয়া লেখক+আর্টিস্টের আর্টের প্রশংসাও না করলে নয়। সব মিলিয়ে অত্যন্ত উপভোগ্য একটি মানহোয়া এটি। আমার মত যারা একটু ম্যাচিওর রোমান্স পছন্দ করে তাদের এটা অবশ্যই ভাল লাগবে। এছাড়া আছে সাইকোলজিক্যাল ট্যাগও। তো আর দেরী কেন? আজই পড়া শুরু করে দিন “১০০% পারফেক্ট গার্ল”।

J - J

The Friendly Winter: মানহোয়া রিভিউ — Tanvir Ahmed Emon

1

Name: The Friendly Winter
Story and Art: Lee Jun
Genre: Comedy, Drama, Slice Of Life
Chapters: 64
Status: Finished
Published: Oct 8, 2011 to Feb 23, 2013
Genre: Comedy, Drama, Slice Of Life
MAL Rating: 8.24

Synopsis: গল্পের নায়িকা Han Da-Jeong বাচ্চাদের জামা কাপড় পরতে চায় না, তার পছন্দ ঝলমলে কাপড় যাতে তাকে আরো আকর্ষণীয় দেখায়…।। না অকালপক্ব নয়, Da-jeong হরমোন ডিসঅর্ডারে ভুগছে ।। দেখতে তিন-চার বছরের বাচ্চা মনে হলেও তার আসল বয়স উনিশ…।। আর এই কারনে Da-Jeong কে প্রতিনিয়ত অনেক অপ্রীতিকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়…।। সেইরকম এক ঘটনা এড়ানোর তাগিদে, Da-jeong একদিন এক অচেনা ছেলেকে ভাই বলে ডাকে…।। কিন্তু পরে যখন সেখান থেকে চলে যেতে চায় তখন সে ছেলেটা তার হাত ধরে রাখে এবং কিছুতেই হাত ছাড়তে চায় না…।। না Kim Min-Seong এর কোন খারাপ উদ্দেশ্য নেই, সে তার মাকে হারিয়ে ফেলেছে তাই ভীত …।। Kim Min-Seong মেন্টাল ডিসঅর্ডারে ভুগছে…।। বয়স সতের হলেও তার মনটা এখন বাচ্চাদের মতো…।। দুজন একইরকম না হলেও Min-Seong কে Da-jeong এর তার নিজের মতোই মনে হয়…।। আর এই ঘটনার পর থেকে পরিবর্তিত হতে থাকে এই যুগলের জীবন…।। এর প্রেক্ষিতে গড়ে উঠেছে The Friendly Winter মানহাটির গল্প…।। যারা স্লাইস অফ লাইফের ভক্ত তারা পরে ফেলতে পারেন ৬৪ চ্যাপ্টারের মানহাটি…।।

Beck মাঙ্গা রিভিউ — Asfina Hassan Juicy

1

‘BECK’
প.স.- আমি এনিমেটা দেখিনাই তাই খালি মাঙ্গার রিভিউ দিলাম।

অনেকদিন ধরে শখ একটা গিটার কিনবেন?যারা গিটার বাজায় তাদেরকে কার না ‘কুল’ লাগে তাইনা?শেষ পর্যন্ত একটা গিটার কিনেই ফেললেন।এখন ‘গিটার’ এর সাথে ‘ব্যান্ড’ শব্দটাতো আসেই।তো আর কি,একে ওকে ধরে একটা ব্যান্ডও বানিয়ে ফেললেন।বুকে ভালোবাসা সঙ্গীতের প্রতি আর চোখে স্বপ্ন সবার হৃদয় ‘আপনার গান’ দিয়ে ছুঁয়ে দেয়ার।তারপর কিছুদিন পর দেখলেন ভার্সিটির এক্সাম হলে বসে মাথার চুল ছিঁড়ছেন আর চোখে দেখছেন খালি সরষে ফুল।“ব্যান্ড?সেটা আবার কি?”
একটা মিউজিক ব্যান্ড কত শখ,কত স্বপ্ন থেকেই শুরু হয়।কিন্তু কয়টা ব্যান্ড সেই উচ্চ আলোকিত স্টেজে উঠে তাদের সৃষ্ট ‘মিউজিক’দিয়ে মানুষের মনে জায়গা করে নিতে পারে?কয়জন পারে মানুষের হৃদয় চিন্তার সাথে তাদের ‘মিউজিক’ একাত্ম করে তাদের ভালোবাসা কেড়ে নিতে?মিউজিকের সাথে মানুষের অন্তরের সম্পর্ক অনেক গভীর।নিজের হৃদয়ের সুগভীরের অনুভূতি,কথা আরেকজনের মনে সুর তুলে তাকেও তা অনুভূত করানোটাকি একটু জাদুময়ী না?
মিউজিকের এমন চমৎকার জগত সম্পর্কে একদমই অবগত ছিলনা জাপানের এক ‘boring’ এবং ‘good for nothing’ বাবু চেহারার স্কুল স্টুডেন্ট কোয়ুকি।মিউজিক বলতে সে খালি বোঝে জাপানি আইডলদের গান।একদিন তার পুরনো ক্রাশ এবং সেনপাইয়ের বদৌলতে তার পরিচয় ঘটে ওয়েস্টার্ন এক বিখ্যাত রক ব্যান্ডের মেম্বারের বন্ধু গিটারিস্ট রিয়ুসুকের সাথে।এই পরিচয় থেকেই কোয়ুকির প্রবেশ ঘটে রক মিউজিকের পৃথিবীতে।তারপর কোয়ুকি রিয়ুসুকের ব্যান্ডে যোগ দিল আর কিছুদিন পরেই পৃথিবী মাতিয়ে দিল?না।‘Beck’ এনিমে/মাঙ্গার চমৎকারত্ব এখানেই।
‘Beck’ কোয়ুকির গল্প।
‘Beck’ একটা ব্যান্ডের গল্প।
‘Beck’ মিউজিকের গল্প।
‘Beck’ বাধা এবং স্ট্রাগলিং-এর গল্প।
‘Beck’ স্বপ্ন এবং হৃদয়ের সুরের গল্প।
আবার ‘Beck’ একটা ভালোবাসার গল্পও।
তো কেন এমন চমৎকার একটা পিস দেখবেন না/পড়বেন না?এখনি বসে পড়ুন আর অংশ নিন ‘Beck-Mongolian Chop Squad’ নামক ব্যান্ডের সেই উচ্চ আলোকিত স্টেজে উঠে মানুষের হৃদয় স্পর্শের যাত্রায় যেখানে আছে আনন্দ,হতাশা,বাধা,জাদুময়ী মিউজিক জগতের কিছু অন্ধকার দিক এবং জীবনের স্বপ্ন পূরণের অসাধারণ উদ্যম।আরেকটা জিনিস হল ‘Beck’ মেইন্সট্রিম মিউজিককে ফোকাস না করে ক্লাসিক রক বা ইন্ডির দিকে ফোকাস করে।একজন ক্লাসিক রক ফ্যান হয়ে থাকলে অবশ্যই নিজের কাছের এক কাহিনী মনে হবে এবং অবশ্যই নিজের পছন্দের অনেক ব্যান্ড এবং গায়কের প্রচুর রেফারেন্স পাবেন।
সবশেষে ‘Beck’ এর একটা কুয়োট দিয়ে যাই-
“If you’ve never been at the bottom, you can’t get to the top.. If you’ve never been to the right, you can’t go to the left.. If you’ve never lost hope, you can’t understand what is truly important.”
MAL Rating: মাঙ্গা-৮.৭৩
এনিমে-৮.৪৫
আমার রেটিং : নাই কারণ আমি দ্বিধা দ্বন্দে ভুগি।

2

Gamaran মাঙ্গা রিভিউ — Kazi Rafi

1

নাম- Gamaran
মাঙ্গাকা- Nakamaru Yousuke
জনরা- Action, historical, martial art, shounen
চ্যাপ্টার- ১৯৪ (সমাপ্ত)

উনাবারা রাজ্যের দাইমাও তাঁর ৩১ সন্তানের মধ্যে থেকে উত্তরাধিকারী নির্বাচনের লক্ষ্যে আয়োজন করে এক বিশাল মার্শাল আর্ট টুর্নামেন্টের, যেখানে এই ৩১ প্রার্থীর হয়ে লড়বে তাদের বাছাই করা ৩১টি স্টাইলের যোদ্ধা।
এবং পরবর্তীতে পরাক্রমশালী দুই মার্শাল আর্ট স্কুলের মধ্যে একেবারে অল আউট যুদ্ধ, প্রতিশোধ এবং একের পর এক বিশ্বাসঘাতকতা নিয়ে গড়ে উঠেছে অ্যাকশন, মার্শাল আর্ট নির্ভর ব্যাটেল মাঙ্গা Gamaran এর কাহিনী।

2

প্লাস পয়েন্টঃ

>সিম্পেল এবং ফাস্ট পেসড কাহিনী, বিশাল লেভেলের কোন প্যাচঘোচ নাই।
>পুরো মাঙ্গা আগাগোড়া বিরতিহীন একটার পর একটা দমবন্ধ করা, চরম উত্তেজনাকর সব ফাইট দিয়ে ভরা! একবার একটা ফাইটের মধ্যে আপনি ঢুকে যেতে পারলে কখন যে সময় উড়ে যাবে আপনি টেরও পাবেন নাহ।
>গামারান প্রচুর পরিমাণে ব্যাডঅ্যাস সব চরিত্রে পরিপুর্ণ। বিশেষ করে যখন সেনগকু আয়োরি, কাশিতারৌর মতন অতিরিক্ত অস্থির চরিত্রের আগমন ঘটবে, তখন কাকে ছেড়ে আপনি কাকে সাপোর্ট করবেন তাঁর কোন কূল কিনারাই করতে পাবেন নাহ।
>ফাইটে বৈচিত্র্য আনার জন্য প্রত্যেকটা চরিত্রের রয়েছে নিজস্ব মার্শাল আর্ট স্টাইল এবং নিজস্ব হাতিয়ার, এবং একেজনের হাতিয়ার একজনের থেকে সম্পুর্ণ আলাদা, যার ফলে পুরো মিডেল এডো সময়কালের সবধরনের অস্ত্রশস্ত্রের ব্যপারে আপনাদের একটা ছোটখাটো ডিগ্রী হয়ে যাবে। কি নাই এই মাঙ্গায়- হরেক রকমের লাঠি, তীর, চেইন, নুনচাকু, কানাবো, তেতসুবেন, সামুরাই সওার্ড, স্পিয়ার ইত্যাদি থেকে শুরু করে আরও বৈচিত্র্যময়, নাম নাহ জানা সব হাতিয়ারের সঙ্গে পরিচিত হবেন গামারানের মাধ্যমে।
>কমপ্লিটেড মাঙ্গা, মাত্র ১৯৪টি চ্যাপ্টার। একবার পড়া শুরু করলে শেষ করতে বেশী সময় লাগবে নাহ।

3

মাইনাস পয়েন্টঃ

>সম্ভবত ক্যানসেল হয়ে যাওয়ায় এন্ডিং কিছুটা রাশড, যা পাঠকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করতে পারে.
>অতিরিক্ত পরিমাণে অপ্রয়োজনীয় পার্শ্ব চরিত্র, যাদের বেশীরভাগই ওয়ান ডাইমেনশনাল, নিষ্প্রভ, যারা কেউই বেশীদিন মনে রাখার মতন নাহ!

আপনি যদি ব্যাটেল মাঙ্গা, নন-স্টপ এপিক ফাইট এবং ব্যাডঅ্যাস চরিত্র, এইসব সৌনেন এলিমেন্টের ভক্ত হয়ে থাকেন তাহলে এই মাঙ্গাটি সম্পুর্ন আপনার জন্যই। তো আর দেরি নাহ করে প্রথম চ্যাপ্টার শুরু করে দিন।

4