লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩৫তম পাঠ

****কানজি কানজি কানজি****

অনেকদিন পর আবার কানজি ফিরে এসেছে :3

আজকের কানজি “body” এর কানজি ….উচ্চারণ “কারাদা/তাই”

karada 2

এই কানজি টা ২ টা কানজির সমন্বয়ে তৈরি… মানুষের কানজি আর উৎসের কানজি.. এই ২ টা কানজি মিলিয়ে এই কানজির উৎপত্তি হয় …. মানুষের উৎস হল “দেহ”… এখান থেকে এই কানজির উৎপত্তি হয়েছে..

karada 2

“কারাদা” এর মিনিং হল “body”

“তাই রিওকু “- physical strength (body আর power এর কানজি পাশাপাশি বসে)

তাইইকু-  physical exercise

নিকু তাই – flesh (নিকু আর bodyর কানজি পাশাপাশি বসে)

দাইতাই – generally , on the whole (big আর body এর কানজি পাশাপাশি বসে)

book/origin এর কানজি পারলে এটাও খুব ইজি ….

আজকে এতটুকুই … মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩৪তম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “বই” এর কানজি … উচ্চারণ “হোন/ মোতো” .. বই ছাড়াও এটার আরো মিনিং আছে ” root,origin,main ” …

Hon Moto

“হোন” মানে “বই” …

“নিহোন” মানে জাপান… এখানে “সূর্য” ও “বই” এর কানজি পাশাপাশি বসে.. জাপানকে যেহেতু সূর্যোদয়ের দেশ বলা হয় … সূর্যের উৎপত্তি (origin of sun) .. এখান থেকে জাপানের কানজি আসছে ..
“হোন তেন” মানে “main office”
“এ হোন” মানে “picture book”
“ইয়ামামোতো” নামে অনেক মানুষের নাম হয় জাপানে .. এখানে “পাহাড়” আর “বই” এর কানজি ইউজ করা হয় ..পাহাড়ের অরিজিন/পাহাড়ের বই …
এগুলা ছাড়াও long slender objects count করার জন্য counter হিসেবেও ইউজ হয় “হোন”..তখন “হোন” ছাড়াও “বোন”..”পোন” এসব উচ্চারণও হয়… long slender objects বলতে কলা,কলম এই আকারের বস্তু বুঝায়.. এর কিছু উদাহরণ দেই.. যেমনঃ

বানানা নি হোন – কলা ২ টা .. পেন ইপ্পোন-কলম ১ টা..
“বানানা তো পেন নান বোন দেসু কা? – কলা এবং কলম কয়টা লাগবে?
বানান সান বোন তো পেন গো হোন- কলা ৩ টা এবং কলম ৫ টা”
ইপ্পোন- ১টা, নি হোন-২টা, সান বোন-৩টা,ইয়োন হোন-৪ টা, গো হোন – ৫ টা , রোপ্পোন- ৬ টা , নানা হোন- ৭ টা, হাপ্পোন- ৮ টা , কিউ হোন-৯টা, জুপ্পোন- ১০ টা.. নান বোন? – কয়টা?
(কাউন্টারের লেসনে পড়ান হইছিল একবার)

কানজি টা মনে রাখাও সোজা… গাছ কাইটা দিলে বই এর কানজি হয়.. আজকে এ পর্যন্তই..মাতা নে 🙂

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৫৭ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৫৭ তম লেসন

আজকের লেসনেও থাকছে “জাপানিজদের নাম” নিয়ে আলোচনা…

আগের লেসনে বলেছিলাম জাপানিজদের নাম বিভিন্ন কানজির সমাহারে বানায়..আজকেও কিছু জাপানিজ নাম,তাদের কানজি ও মিনিং নিয়ে আলোচনা করব …

“সাকুরাগি হানামিচি” ক্যারেক্টার তো যারা স্লাম ডাঙ্ক দেখছে সবাইই চিনি.. নাম যদি কানজি দিয়ে বিশ্লেষণ করি তাইলে মিনিং কেমন দাঁড়ায় দেখি …

“সাকুরাগি” তে “সাকুরা” আর “গাছ” এর কানজি আছে.. তাইলে মিনিং দাঁড়াল cherry tree..সাকুরার গাছ …

“হানামিচি” নামের মধ্যে “ফুল” আর “পথ”এর কানজি আছে …তাইলে মিনিং হল ফুলের পথ..

“মোরিতাকা” নামের মধ্যে “most” আর “high” এর কানজি আছে …মিনিং হল তাইলে “highest”..এই কারণে আকিতো ওরে “সাইকো” বলে ডাকত :3

“আকিতো”র নামের মধ্যে “autumn”আর “person”এর কানজি আছে …মিনিং করলে দাঁড়ায় শরতের মানুষ … “শুজিন” মানেও তাই..এই জন্য মাশিরো ওকে এই নামে ডাকত..বাকুমান যারা দেখছে বুঝার কথা 😉

আনিমের ক্যারেক্টার তো কিছু বললাম এবার র‍্যান্ডম কিছু নামের মিনিং শিখাই …

“কিনোশিতা” এর মধ্যে “গাছ” আর “নিচ” এর কানজি আছে..মানে হয় গাছের নিচে..

“কাওয়াকামি” এর মানে হয় নদীর উপরে..এর মধ্যে “নদী” আর “উপর” এর কানজি আছে..

“তাকেনাকা” এর মিনিং হয় বাঁশের মধ্যে.. এখানে “বাঁশ” আর “inside” এর কানজি আছে..

“নাকাগাওয়া” এর মধ্যে “inside” আর “নদী”র কানজি আছে.মিনিং হয় নদীর মধ্যে..

একই ভাবে “নাকাইয়ামা” মানে হয় পাহাড়ের মধ্যে..”নাকামুরা” মানে হয় গ্রামের মধ্যে..

“ইশিকাওয়া” এর মধ্যে “পাথর” আর “নদী”র কানজি আছে..মিনিং হয় পাথরের নদী..

“কোইয়ামা” তে “ছোট” আর “পাহাড়ের” কানজি আছে.. মিনিং হয় “ছোট পাহাড়”..

“মোরিমোতো” এর মধ্যে “বন” আর “বই” এর কানজি আছে.. মিনিং হয় বনের বই..

অনেক নাম শিখাইছি :3 আজকে এপর্যন্তই থাক..মাতা নে.. 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩৩তম পাঠ

***কানজি কানজি কানজি***

আজকের কানজি “rest” এর কানজি ….উচ্চারণ হল “ইয়াসু(মি/মু),কিউ….

yasumu 1

 [মানুষ গাছের পাশে শুয়ে রেস্ট নিচ্ছে এখান থেকেই এই কানজির উৎপত্তি]

এই কানজি টাও ২ টা কানজির কম্বিনেশনে তৈরী হয়…মানুষের কানজি আর গাছের কানজি একসাথে লিখলে rest এর কানজি হয়.. একটা মানুষ গাছের ছায়াতে বসে রেস্ট করতেছে কানজি টা দিয়ে সেটাই বুঝান হইছে …কানজিটার উৎপত্তি এভাবেই হইছে..

yasumi 1

[কানজি “ইয়াসুমি”]

“ইয়াসুমু” মানে হইল “to rest/to be absent”
ইয়াসুমি-break/vacation
কিউজিতসু-holiday (এখানে rest আর day এর কানজি পাশাপাশি বসে)
নাতসুইয়াসুমি-summer vacation (summer আর rest এর কানজি পাশাপাশি বসে)
হারুইয়াসুমি-spring vacation (spring আর rest এর কানজি পাশাপাশি বসে)
হিরুইয়াসুমি-lunch break… (noon আর rest এর কানজি পাশাপাশি বসে)

গাছের কানজি পারলে এই কানজি লিখাও কোন ব্যপার না 🙂

আজকে এটুকুই … মাতা নে 🙂

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩২তম পাঠ

আজকের কানজি “bright”এর কানজি …. উচ্চারণ “আকারুই/আকেরু/মেই”

Mei 2

১মে এই কানজি টা কিভাবে আসছে সেটা বলি..অনেক কানজি আছে বিভিন্ন কানজির সমন্বয়ে সৃষ্টি হয়..যারা কানজির লেসন ফলো করছে নিয়মিত তাদের চাঁদ আর সূর্যের কানজি মনে থাকার কথা..সূর্য আর চাঁদ এই ২ টা কানজি একসাথে লিখলে এই কানজি টা হয়..সূর্য আর চাঁদ ২ টাই আলো দেয়.. সেই থেকে bright এর কানজি এসছে..

 

Mei 1

এমনিতে “আকারুই” মানে bright…অনেক ক্ষেত্রে light ও বুঝায়..
“আকারুই” মানে cheerful ও হয় .. “আকারুই হিতো”-cheerful person..
“আকেরু” মানে “ভোর হওয়া”… “মেইহাকু”-obvious..

sun আর moon এর কানজি লিখতে শিখলে এটা লিখাও কোন ব্যপার না, মাতা নে 🙂

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৫৬ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৫৬ তম লেসন

আজকের লেসনে থাকছে “জাপানিজদের নাম” নিয়ে আলোচনা…

জাপানিজদের নামের মধ্যে বিভিন্ন কানজির সমাহার থাকে..এক কানজির সাথে আরেক কানজির কম্বিনেশনে একটা নাম হল তো অন্য আরেক কানজির সাথে কম্বিনেশনে নতুন আরেকটা নাম হল..কম্বিনেশন চেঞ্জ করে বিভিন্ন নাম বানান যায়..এসব নামের মিনিং যদি লিটারেলি করা যায় তাইলে শুনতে মজাই লাগে..জাপানিজদের কিছু সারনেম এবং তাদের নামের কানজি ও মিনিং নিয়ে আজকে কিছু আলোচনা করব..

১মে কিছু নাম বলি ইয়ামামোতো,ইয়ামাদা,ইয়ামাশিতা,ইয়ামাকাওয়া,কানেদা,তসুচিদা,তানাকা,কিমুরা,তাকেদা,কানেকো,তাকেশিতা…

ইয়ামামোতো…এই নামের মধ্যে আছে ২ টা কানজি …পাহাড়ের কানজি আর বই এর কানজি…পাহাড় আর বই একসাথে মিলে হয়ে গেল ইয়ামামোতো..

ইয়ামাদা…এর মধ্যে আছে পাহাড় আর মাঠের কানজি…পাহাড় আর মাঠ একসাথে মিলে হল ইয়ামাদা..

ইয়ামাশিতা…পাহাড়ের নিচে…পাহাড় আর down এর কানজি একসাথে মিলে হয় ইয়ামাশিতা…

ইয়ামাকাওয়া..এখানে আছে পাহাড় আর নদীর কানজি…পাহাড়,নদী একসাথে মিলে হল ইয়ামাকাওয়া…

নাম দেখে বুঝা যাচ্ছে পাহাড় দিয়ে জাপানে মানুষের নামের অভাব নাই…

কানেদা..এর মিনিং করলে kind of সোনার মাঠ হয়ে যায়..এর মধ্যে আছে সোনা আর মাঠের কানজি ..

তসুচিদা..মাটির কানজি আর মাঠের কানজি একসাথে মিলের হয় তসুচিদা…মাটির মাঠ ..

তানাকা…এর মিনিং করলে হয় মাঠের মধ্যে…মাঠের কানজি আর inside এর কানজি একসাথে বসে হয় তানাকা…

কিমুরা..গাছের গ্রাম..গাছের কানজি আর গ্রামের কানজি মিলে হল কিমুরা…

তাকেদা…বাঁশের মাঠ…বাঁশের কানজি আর মাঠের কানজি একসাথে মিলে হল তাকেদা..

কানেকো…সোনার বাচ্চা…সোনার কানজি আর কোদোমোর কানজি একসাথে মিলে হয় কানেকো…

তাকেশিতা..বাঁশের নিচে…বাঁশের কানজি আর down এর কানজি মিলে হয় তাকেশিতা…

আজকে অনেকগুলা নামই তো শিখালাম…নেক্সট দিন আরো কিছু নাম নিয়ে হাজির হব নে …(কতদিন পর যে আসব গ্যারান্টি নাই 😛 )..মাতা নে 🙂

শর্ট অ্যানিমে সাজেশনঃ মিস মোনোক্রোম; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

12628369_588377794660064_1367290930225803933_o

ভয়েস অ্যাক্ট্রেস হোরিয়ে ইউইকে আপনারা অনেকেই হয়ত চিনে থাকবেন, এই অ্যাক্ট্রেস এর অরিজিনাল ক্যারেক্টার ডিজাইন হল মিস মোনোক্রোম। এটিকে তিনি তার কনসার্টে থ্রিডি ভার্চুয়াল সিঙ্গার হিসেবে ব্যবহার করেছেন। এরপর এটি সোশ্যাল নেটওয়ার্ক গেম “গার্লফ্রেন্ড” এও অ্যাপিয়ার করে। এরপরে ২০১৩ সালে প্রথম এয়ার হয় ৪ মিনিট করে মোট ১৩ এপিসোডের অ্যানিমে “মিস মোনোক্রোম”। আর ২০১৫ সালে যথাক্রমে এয়ার হয় সিজন ২ ও ৩, এবার প্রতিটি এপিসোডের রানটাইম ডাবল, অর্থাৎ ৮ মিনিট করে। এছাড়া অ্যানিমেটির একটি ওভিএ এবং একটি ওএনএ আছে।

মিস মোনোক্রোম একজন অ্যান্ড্রয়েড। নামের মত তার জীবনটাও মোনোক্রোম; সে সাদাকালো পছন্দ করে সবকিছু। তার জীবনের স্বপ্ন হল একজন জনপ্রিয় আইডল হওয়া এবং তার সময়কার বিখ্যাত আইডল কিকুকোর সাথে প্রতিযোগিতা করা। মিস মোনোক্রোম কি পারবে তার স্বপ্ন সত্যিতে রূপান্তর করতে? এই কাহিনী নিয়েই অ্যানিমেটি আবর্তিত হয়।

অ্যানিমেটিতে মিস মোনোক্রোমের কণ্ঠ দিয়েছেন হোরিয়ে ইউই, তার এই যান্ত্রিক কণ্ঠটা আমার খুব ভাল লেগেছে। এছাড়াও বাকি চরিত্রগুলোও অল্প সময়ের মাঝেই মনে ছাপ ফেলেছে। সিজন ১ এর এন্ডিং সংটায় মিস মোনোক্রোমের নাচটা স্কিপ করতে পারিনি, এত কিউট লেগেছিল। প্রতিটি ওপেনিং আর এন্ডিং এর নাচগুলো অনেকটা বার্বিডলের মত। অ্যানিমেশন বেশ সুন্দর, আর সবচেয়ে বড় কথা, শর্ট ডিউরেশনের অ্যানিমে হলেও এতে একটা চলমান কাহিনী রয়েছে।

সবমিলিয়ে মিস মোনোক্রোম আমার খুব ভাল লেগেছে। হাতে তিন-সাড়ে তিন ঘন্টা নিয়ে দেখে ফেলতে পারেন মোট ৪১ টি ছোট্ট এপিসোড।

12513517_588377821326728_8563363540658660651_o

আকিরা: জাপানের ইতিহাসের আয়না — Anirban Mukherjee

আকিরা নিয়ে আমার দু-পয়সা

প্রথমত ,”সিনেমা vs মাঙগা ” এটা সম্পূন ফালতু তুলনা আমার কাছে,কারন যে জিনিসটাকে বেস করে সিনেমা বানানো হয়(সাহিত্য অথবা মাঙগা) সেটা অনেকটা আর্ট ক্লাসের ছবি আঁকার জন্য সাজানো মডেলের মত,সিনেমা হচ্ছে মডেল দেখে আঁকা চিত্রটা । আর অবশ্যই, আমরা যদি একই মডেল দিয়ে ,তিশিয়ান, পিকাসো এবং কোন পোস্ট মর্ডান চিত্রকরকে বসিয়ে দি ছবিটা আঁকতে ,তবে আউটপুট তিনটিতেই আলাদা হবে ।এখানেই সিনেমা পরিচালকের কৃতিত্ব,যেমনটা মডেল দেখে আঁকা কোন চিত্রকরের ।সেজন্য কলা মাধ্যম হিসাবে ,সিনেমাকে ,সাহিত্যের চেয়ে চিত্রশিল্পের সবচেয়ে কাছের মনে হয়,আমার ।

দুটো আলাদা মাধ্যম ,এবং দুটো আলাদা মাধ্যমে পরিচালক এবং লেখক (দুজনা একই লোক) দুটো আলাদা ভাবে জিনিসটা দেখাতে চেয়েছে ।
আমার মনে হয় কাটসুও ওতোমো সিনেমাতে সেটা সবচেয়ে ভালো সফল হয়েছে ,
আসলে গোটা সিনেমাটা হচ্ছে জাপানের ইতিহাসের আয়না। জিনিসটা ব্যাখ্যা করা যাক ,

1/সিনেমার প্রথমে আকিরার ধংস হয়ে যাওয়া হচ্ছে হিরোসিমা আর নাগাসাকির রুপক(মেটাফোর)।
2/তারপর নিউ টোকিও গঠন, সেখানে একটা আপাত উন্নত কিন্তু ভেতরে ধংস হওয়া ভোগবাদী সমাজ গঠন হচ্ছে,সেটা 1945 থেকে 19985 এর জাপানের প্রচণ্ড উন্নত অর্থনীতি অগ্রগতির প্রতীক(লক্ষ রাখবেন সিনেমাতে যে 2019 সালে অলিম্পিক দেখানো হয়েছে সেটা 1964 টোকিও অলিম্পিক এর প্রতীক)।

3/আপাত গনতন্ত্রের প্রভাব থাকলেও নিউ টোকিও এবং জাপানে মিলিটারির প্রভাব খুব ছিলো,এই মিলিটারি আবার আকিরাকে সৃষ্টির জন্য দায়ী ।এই মিলিটারি হচ্ছে আমেরিকার প্রতীক,যে আবার হিরোসিমা, নাগাসাকির জন্য দায়ী কিন্তু যুদ্ধে জিতে যাওয়ার জন্য পোস্ট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ জাপানের মিলিটারি গঠন ,সংবিধান প্রনয়ন এবং অন্য অনেক ক্ষেত্রেই ভূমিকা নেয়,যেমন নিউ টোকিওর মিলিটারি আকিরার জন্য দায়ী হয়েও পোস্ট আকিরা ঘটনার পর সেখানকার রাজনৈতিক নেতাদের নির্ভর যোগ্যতা পেয়েছিল ।
4/ তেটসুও এর বিশাল মাংসের ডেলাতে পরিনত হওয়া এবং তার জন্য হওয়া ক্ষতি এগুলো হচ্ছে 1980s এর জাপানের অর্থনৈতিক বাবলস ধংস হওয়ার প্রতীক,যে অর্থনৈতিক বাবলসটা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর তৈরি হয় ।এবং তেটসুও- পরবর্তী নিউ টোকিও এর সঙ্গে আমরা দর্শকরা 1990 দশক এর জাপানকে মিলিয়ে দিতে পারি,যাকে জাপানের লস্ট জেনারেশন বলে,যেটা 1980 দশকের অর্থনৈতিক অস্তিরতা থেকে উঠছে এবং কিন্তু চারিদিকে রুগন চেহারা।
মাঙগাতে অনেক ঘটনা আছে যেগুলো গল্প হিসাবে শুধুই গল্প, কোন বাস্তব ঘটনাকে দেখতে পাচ্ছি না ।সেজন্য সিনেমাটা হয়ে উঠেছে জাপানের ইতিহাসের আয়না ।

Akira

সিনেমাতে অনেক ধর্মীয় রেফারেন্স আছে , অন্য সিনেমার রেফারেন্সও ।যেমন প্রথম দিকে blade runner এর রেফারেন্স বা শেষে কুরবিকের 2001 এর সঙ্গে সঙ্গতি রাখা ।
সব ধরনেই ধর্মে এইরকম একটা মত আছে ,যে ধর্মে বিশ্বাসী প্রবল ভাবে ঈশ্বরের অনুসন্ধান চালাতে লাগল তখন দেখল সে আর ঈশ্বর আলাদা নয়,যেমন সুফিবাদ ।ফেসবুকে সুফিবাদ নিয়ে একটা পোস্টে কদিন আগে একজন লিখেছিলো যে সুফিবাদকে পাখির রুপক দিয়ে ব্যাখা করা যায়, পাখিরা সবাই তাদের বাদশা সী মোরগের কাছে যাচ্ছিল তাদের দলপতি হুদহুদের নেতৃত্বে ,যখন পৌছল তখন দেখল তারা নিজেরাই সবাই এক এক জন সী মোরগ হয়ে গেছে ।
কল্প বিজ্ঞানের জগতে একটা জনপ্রিয় অংশ হচ্ছে পোস্টহিউম্যানের কনসেপ্ট ।বাঁদর জাতীয় প্রানী থেকে মানুষের বিবর্তন ,এবং সেখান থেকে আরও আরও সুপিরিয়র কিছু ঈশ্বর প্রতীম এনট্রিটিতে বিবর্তন ।সেজন্য কুরবিকের 2001 এ ডেভিড ব্যোওম্যান ,আর একটা ঈশ্বর প্রতীম সভ্যতার সাহায্যে অসীম শক্তিশালী স্টার চাইল্ডে পরিনত হয়, যা আকিরাতে, আকিরার সাহায্যে তেটসুও এর ঈশ্বর হওয়ার মতনই ।মাঝে সিনেমার যা বিষয়বস্তু ,আকিরাকে খোঁজা,সেটা আমাদের মানতিকুত তৈয়ায়ের পাখিদের সী মোরগের খোঁজকেই মনে করায়,অথবা আমাদের রক্ত পিচ্ছিল মানবসভ্যতাকে ।

লেখাটা লিখতে একটা ভালো ভিডিও রিভিউ এর সাহায্য পেয়েছিলাম,যেটা অনেকদিন আগে দেখার হেতু হারিয়ে ফেলেছি ।নাহলে ভিডিওটার লিংক দিতাম ।

”জাপানিজ শিখুন,জীবন গড়ে তুলুন” – ৫৫ তম পার্ট By অরিন শারমিন

জাপানিজ শিক্ষাকার্যক্রমের ৫৫ তম লেসন

**(অনেক দিন দেয়া হয়না…মাসখানেক পর আবার ফেরত আসছি :3  ..আজকের লেসন পড়ার আগে অবশ্যই অবশ্যই আগের লেসন পড়ে আসতে হবে…না হলে বুঝতে কষ্ট হবে..)

 

আজকে আগের লেসনের “নাকেরেবা নারিমাসেন” কন্টিনিউ করব… আগের লেসনের অল্প একটু শিখান হয়েছিল এটা নিয়ে …আজকের লেসনের আরো কিছু উদাহরণ দেয়া হবে..

আগের লেসনে একটা Type 1 verb দিয়ে একটা উদাহরণ দিয়েছিলাম…আজকে Type 2 আর Type 3 এর verb দিয়ে উদাহরণ দিব..

 

১মে একটা Type 2 verb নেই …miru- see …

এর masu form-mimasu..(masu form হল polite form)

nai form-minai.. (nai form হল negetive form)

“minakereba narimasen” মানে হল “must watch”

 

এবার একটা sentence দিয়ে বুঝাই…”কোনো এইগা ও মিনাকেরেবা নারিমাসেন-i must watch this movie” ..(কোনো এইগা-this movie)

 

এবার একটা Type 3 verb নেই..suru-do

masu form-shimasu (masu form হল polite)

nai form-shinai (negetive form)

“shinakereba narimasen” মানে “must do”

 

এবার একটা sentence লিখি..”শুকুদাই ও শিনাকেরেবা নারিমাসেন-i must do homework”… (homework এর জাপানিজ শুকুদাই)

এভাবে আমরা সকল ভার্বকে “nai form”এ নিয়ে গিয়ে “নাকেরেবা নারিমাসেন” লাগাতে পারি… তখন সেটার ইংরেজি করলে সে ভার্বের আগে “must” লাগাতে হয়.. মানে হল যখন কোন কিছু আমরা না করে থাকতে পারি না তখন “নাকেরেবা নারিমাসেন” ব্যবহার করা হয়..

আজকে এতটুকুই থাক..নেক্সট কোনদিন নতুন কিছু নিয়ে হাজির হব..মাতা নে..:)

লার্নিং কানজি উইথ বাকারিন সামা – ৩১তম পাঠ

**কানজি কানজি কানজি**

আজকের কানজি “egg” (ডিম) এর কানজি … উচ্চারণ হল “তামাগো/রান”

tamago

“তামাগো” মানে হইল “ডিম”…”ইউদে তামাগো” মানে হল “boiled egg”
“নামা তামাগো”-“raw egg”…
এসব ক্ষেত্রে “তামাগো” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

রানশি-egg cell…(egg আর children এর কানজি পাশাপাশি বসে)
রান ঔ -yolk..রান সৌ-ovary…সান রান-laying egg..
এসব ক্ষেত্রে “রান” এর জায়গায় এই কানজি টা বসে…

নিচে ডিমের কানজির ছবি দেয়া হল.. দেখতে খুব একটা জটিল না… আজকে এটুকুই..মাতা নে