এফ এ সি ২২

রান্ডম টপিক

পকি গেম

 

পকি হল এক ধরনের জাপানি স্ন্যাক, মূলত কাঠি বিস্কিটকে চকলেটে ডুবিয়ে এটা তৈরি করা হয়, তবে এর আলমনড, দুধ, মধু, ইত্যাদি ফ্লেভারও আছে। খাবারটা অনেকটা আগে ইয়াম ইয়াম(বা নিয়াম নিয়াম, ঠিক মনে নেই) নামের একটা স্ন্যাক বিক্রি হত বাংলাদেশে, ওটার মত। তো এই পকি খাবারটা দিয়ে একটা বেশ রোমান্টিক খেলা আছে, একে বলা হয় পকি গেম। দুজন(সাধারণত বিপরীত লিঙ্গের) তাদের মুখে একই সাথে পকির একটা স্তিক ধরবে, দুজন দুই প্রান্ত থেকে। এরপর কামড়ে কামড়ে মাঝখান পর্যন্ত যাবে আর কি। এরপর এক সময় তাদের ওষ্ঠ-অধর একীভূত হয়ে যাবে (হেহে), যে আগে এই বাঁধন ছাড়াবে, সে খেলায় হারবে।

আপনি চাইলে বাড়িতে পকি বানাতে পারেন, এই যে রেসিপি [ http://www.youtube.com/watch?v=XriYXND2xnw ], কিন্তু ওই পকি দিয়ে গেম খেলবেন নাকি ক্ষুধা নিবারন করবেন সেটা সম্পূর্ণ  আপনার ইচ্ছা।

 

 

আনিমে সাজেশন

কিনো নো তাবি[Kino no Tabi]

 

ভয়ঙ্কর অতীতকে পিছনে ফেলে হারমস নামের কথা বলা মোটর সাইকেলে চড়ে কিনো ঘুরে বেড়াচ্ছে পৃথিবীর  পথে পথে। এই গল্প শুধু কিনোর ভ্রমণেরই নয়, এর চেয়ে অনেক গভীর এক কাহিনি ফুটে উঠেছে কেইচি সিগসাওয়ার লাইট নভেল থেকে এডাপট করা এই আনিমেতে।

 

কেন দেখবেনঃপুরোপুরি ভাষায় প্রকাশ করা সম্ভব নয়, মুশিশির মত একটা ভাইব আছে, তবে কিনোর গল্প অনেক বেশি ডার্ক। গিনকোর মত সে মানুষের উপকার করে বেড়ায় না, গা বাঁচিয়ে চলাই তাঁর স্বভাব। বিভিন্ন জায়গায় তাঁর ভ্রমণের গল্পে যে দার্শনিকতা এবং সৌন্দর্য ফুটে উঠেছে, নির্দ্বিধায় বলা যায় কিনো নো তাবি একটা রেয়ার জেম।

 

কেন দেখবেন না:শুধুই অ্যাকশান লাভারদের জন্য নয়, আবার শুধুই স্লাইস অব লাইফ লাভারদের জন্য নয়। কেউ  দেখতে চাইলে একটাই রিকোয়েস্ট, সময় নিয়ে ধীরে সুস্থে চিন্তা করে দেখবেন।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৫১

আমার রেটিং ৯

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

গান্তজ[Gantz]

 

 

এক ট্রেন দুর্ঘটনায় মারা যাওয়ার পর কুরোনো কেই নিজেকে আবিষ্কার  করল এক ভয়াবহ সারভাইভাল গেমের মাঝে, যার পদে পদে উঁকি দিচ্ছে দুঃস্বপ্ন। কুরোনো কি পারবে গান্তজের রহস্য ভেদ করে তাঁর আগের স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে?

 

কেন পড়বেনঃদারুন সেইনেন স্টোরি, যথেষ্ট উত্তেজনায় ভরপুর, আঁকাও বেশ আকর্ষণীয়। ফাইটিং সিকোয়েন্সগুলো পরিষ্কার, সহজবোধ্য। সব মিলিয়ে বেশ উপভোগ্য একটা প্যাকেজ।

 

কেন পড়বেন না: প্রচুর গোর, এবং সেকচুয়াল কন্টেন্ট। কিছু রিভিউ পড়ে অবশ্যই বুঝে নেবেন মাঙ্গাটা আপনার জন্য কিনা। এন্ডিঙটা আমার খুব একটা ভাল লাগেনি, এরকম গল্পের একটা ট্র্যাজিক, রহস্যময় এন্ডিঙ কাম্য ছিল, তাই আমার আনিমে এন্ডিঙটাই বেশি পছন্দ।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৩১

আমার রেটিং ৯

এফ এ সি ২১

এচি এফ এ সি

 

 

 

রান্ডম টপিক

সুকুমিজু [スク水]

 

 

তোরাদোরার পুল পর্বটা অনেকেরই মনে থাকার কথা[মূলত টাইগার এক্সিডেন্টের কারণে]. জাপানের স্কুলগুলোতে বাধ্যতামূলক সাঁতার প্রশিক্ষণের সময় ছেলেমেয়ে সবাইকে বিশেষ সুইমওয়ার পরতে হয়, একে বলে স্কুল মিজুগী[স্কুল সুইমসুট], সংক্ষেপে সুকুমিজু।সাধারণত সিনথেটিক ফাইবার থেকে সুকুমিজু তৈরী করা হয়. এর রং হয় গাড় নীল, আর বুকের কাছে নাম লেখা থাকে।

 

সুকুমিজু ট্রাডিশনাল ফ্যান্সার্ভিস আনিমেগুলোতে খুব চলে. এছাড়া গ্রাভিউর আইডলদের ফটোসেশনেও সুকুমিজু বেশ জনপ্রিয় একটা এটায়ার। হে হে.

 

 

 

আনিমে সাজেশন

সোরা নো অতশিমোনো[Sora no Otoshimono]

 

সাকুরাই তমোকি হলো টিপিকাল হাইস্কুল পারভার্ট। আর তার কাছেই হঠাত একদিন হাজির হলো সুন্দরী এক এঞ্জেল ইকারোস  এরপর?

 

কেন দেখবেনঃটিপিকাল ফ্যান্সার্ভিস এচি আনিমে না, যথেষ্ট ভালো কমেডি সিকোয়েন্স আছে, তমোকির চিবি ফর্মের মোমেন্টগুলো রীতিমত অট্টহাসি জাগাতে পারে মাঝে মাঝে।

কেন দেখবেন না:তেমন কোনো কারণ ছাড়াই একের পর এক সুন্দরী মেয়ের তমোকির প্রেমে পড়ে যাওয়া, হারেম আনিমেতে যা হয় আরকি.

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯০+৮.০৯

আমার রেটিং ৭+৭

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

আনে দোকি[Ane Doki]

 

ঘটনাচক্রে ১৩ বছরের কৌতা এক ছাদের নিচে থাকতে শুরু করলো ১৭ বছর বয়সী তন্বী সুন্দরী নাত্সুকির সাথে। অসম প্রেমের জন্ম কি হবে? আর তার পরিণতিই বা কি?

 

কেন পড়বেনঃইচিগো ১০০% এর মান্গাকার আঁকা, ভদ্রমহিলা সুন্দরী মেয়ে এবং আরো কিছু[যারা ইচিগো ১০০% আর বাকুমান পড়েছে তারা সঙ্গে সঙ্গেই বুঝবে] ভালই আঁকতে পারেন।প্রচুর ”কোয়ালিটি” ফ্যান্সার্ভিস আছে.

কেন পড়বেন না:শেষ পর্যন্ত এটা সেই এচি মান্গাই। পড়তে বেশ মজা, শেষ করার পর মনে হতে পারে খামোখা টাইম নষ্ট করলাম। 

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৭২

আমার রেটিং ৭

এফ এ সি ২০

রান্ডম টপিক

আই আই গাসা[相合傘]

 

 

বাংলাদেশে বিভিন্ন টুরিস্ট স্পটে দেখা যায় অনেকেই তাদের ভালবাসার কথা প্রকাশ করে আসেন, তবে তা খুব স্থূলভাবে। সরকারী সম্পত্তিতে বা গাছের গায়ে তারা তাদের নাম আর প্রেমিক/প্রেমিকার নাম সুন্দর করে একটা হার্ট শেপের মধ্যে আবদ্ধ করে যোগ চিন্হ দিয়ে রাখেন। তো জাপানেও এমন একটা কাস্টম আছে, সেটা হলো একটা ছাতার ছবি এঁকে তার নিচে জুটির দুজনের নাম লেখা। একে বলা হয় আই আই গাসা[Love-Love Umbrella]। আর সেজন্যই আনিমেতে বিপরীত লিঙ্গের দুজনের এক ছাতা শেয়ার করা খুব সিগনিফিকেন্ট একটা ব্যাপার ধরা হয়, আর মেয়েরা তাদের পছন্দের মানুষ ছাড়া অন্য কারো সাথে ছাতা শেয়ার করতে অস্বস্তি বোধ করে.

আপনার ভালোবাসার মানুষের নাম আর আপনার নাম এক ছাতার নিচে রেখে তাকে ইউনিক্ভাবে শুভেচ্ছা জানাতে পারেন, চলে যান এই লিঙ্কে।

http://japan-cc.com/umbrella.htm

 

 

আনিমে সাজেশন

জোজো’স বিজার এডভেঞ্চারস[Jojo’s Bizarre Adventure]

 

 

১৯৮৭ সাল থেকে এখন পর্যন্ত থেকে প্রকাশিত হতে থাকা আরাকি হিরোহিকোর বিখ্যাত সিরিজের ফ্যান্টম ব্লাড আর ব্যাটল টেনডেনসির আনিমে এডাপটেশন, জোস্টার পরিবারের দুই সদস্যের বিভিন্ন অলৌকিক ক্ষমতা মোকাবেলা করা নিয়ে কাহিনী।

 

 

কেন দেখবেনঃপ্রথম অংশটার গল্প বেশ মিডিওকার, তবে পরের কাহিনী আপনার ধৈর্যকে পুষিয়ে দেয়ার ব্যবস্থা করবে। সৌনেন+সেইনেন ঘরানার আনিমে, কাজেই যথেষ্ট আকর্ষনীয় সব বয়সের কাছেই। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক দারুন, কিছু ক্ষেত্রে একটা এনিগমা ভাইব পাওয়া যায়. ফাইটিং এবং ডায়লগ থ্রোইং কে একই সাথে সিরিয়াস এবং কমিকাল মনে হয়, সেই সাথে আছে এসেফেক্স সহ দারুন কিছু সিন. ভয়েস এক্টিং চমত্কার, বিশেষ করে দিও ব্র্যান্ডো আর কারস এর কন্ঠে জোজো নামটা উচ্চারিত হতে শোনা প্রতিবারেই একটা বড় ট্রিট, সেই সাথে আছে সুগিতা তমোকাজুর ভয়েসে জোসেফ জোস্টার, যে স্ক্রিনে থাকলে সব আলো নিজের দিকে নিয়ে নেবেই।সোজা কথায়, ভালো গল্পের সাথে ফ্ল্যাশি ফাইটিং যদি দেখতে চান, আর হাতে ১৫০-২০০ পর্ব দেখার মত সময় না থাকে, তাহলে এই সিরিজটা আপনার জন্য অন্যতম সেরা।

 

কেন দেখবেন না:একটু তামিল মুভি টাইপ ভাইব আছে.

 

ম্যাল রেটিং ৮.৫৬

আমার রেটিং ৯

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

ফ্রানকেন ফ্রান[Franken Fran]

 

 

ফ্রান চায় মানুষের উপকার করতে, সেটা যেভাবেই হোক না কেন। কিন্তু এই ”যেভাবেই হোক না কেন” অংশটা যে আসলে সবার জন্য প্রযোজ্য না, সেটা বুঝতে পারে ফ্রান যাদেরকে সাহায্য করে তারা। কিন্তু যতক্ষণে বোঝে, ততক্ষণে দেরী হয়ে যায় অনেক।

 

 

কেন পড়বেনঃসিরিয়াস হরর কন্টেন্টকে এই মান্গায় হাস্যরসের সাথে দারুনভাবে ম্যাশআপ করা হয়েছে।

কেন পড়বেন না:বেশ কিছু গুরো কন্টেন্ট আছে. যারা অতিরিক্ত গ্রাফিক কন্টেন্ট সহ্য করতে পারেন না তারা অবশ্যই অবশ্যই এই মাঙ্গা পড়বেন না.

 

ম্যাল রেটিং ৮.০৬

আমার রেটিং ৯

 

এফ এ সি ১৯

রান্ডম টপিক

এংকা[(演歌]

এংকাকে বলা হয় বক্তৃতা গীতি[স্পিচ সং]। মেইজি পিরিয়ডে মূলত এই জনরার গানের উত্পত্তি, রাজনৈতিক বক্তৃতাকে গানে রূপান্তর করে তাকে এংকা বলা হত. এর মধ্যে একটা ঐতিহ্যবাহী ছাপ থাকে। মূলত মহিলারাই এংকা পারফর্ম করেন, ইউকাতা পরে।

এংকা পারফরমারদের একটা সিলেবল উচ্চারণ করতে গেলে তার মধ্যে যথেষ্ট ফ্লাকচুয়েশন আনতে হয়, স্কেলের ব্যাপারে তাদের হতে হয় দারুন পারদর্শী।[এগুলো কি তা আমিও বুঝি না, আমি স্রেফ উইকি থেকে দেখে এগুলো জানাচ্ছি, আমি কোনো মিউজিক এক্সপার্ট না.]

আনিমেতেও এংকা ব্যবহার হয়েছে, এবং এংকাটা সম্ভবত যারা বিশেষ আনিমেটা দেখেছেন, তাদের সবারই পছন্দ।

 

আনিমে সাজেশন

হায়াতে নো গতোকু[Hayate no Gotoku]

 

 Hayate

কতখানি দুর্ভোগ পোহালে একজনকে আসলেই দুর্ভাগা বলা যায়? বেকার বাবা-মা তার  টাকায় চললে? ধার পরিশোধ করার জন্য তার কিডনি বেচে দেয়ার কন্ট্রাক্ট করলে? ১৫ কোটি ইয়েনের বোঝা মাথায় চেপে বসলে? অদ্ভুত এক ভুল বোঝাবুঝির মাধ্যমে সান্জানিন নাগির বাটলার হলো এই মহা দুর্ভাগা আয়াসাকি হায়াতে। তবে দুর্ভাগা হলে কি হবে, সে কিন্তু বাটলার হিসাবে ওভার-কোয়ালিফাইড।তারপর?

কেন দেখবেনঃ খুব ভালো কমেডি+প্যারোডি আনিমে, টিপিকাল হারেম স্টোরি না, ফ্যানসার্ভিসও নেই তেমন। মান্গাকা গল্পের উপর জোর দিয়েছেন অনেক বেশি।

কেন দেখবেন না: প্রথম দুই সিজন দেখা উচিত, পরের দুটো না দেখলেও চলবে।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯১+৮.০৯+৭.০৮+৭.১৭

আমার রেটিং ৮+৯[মূলত হিনামাত্সুরি আর্কের জন্য]+৭+৭

 

মাঙ্গা সাজেশন

আজকে দুটো ওয়ান শট সাজেস্ট করব.

নেকোমরি কুন নো হিমিত্সু নো তোবিরা[Nekomori-kun no Himitsu no Tobira]

ম্যাল রেটিং ৭.৮২

আমার রেটিং ৯

 

মনস্টার এন্ড চাইল্ড[Monster and Child]

ম্যাল রেটিং ৭.৬৯

আমার রেটিং ৮

 

এফ এ সি ১৮

রান্ডম টপিক

কোতাত্সু

 

 

জাপানে শীতের সময় সবচেয়ে আরামদায়ক অভিজ্ঞতা সম্ভবত কোতাত্সুর নিচে আরাম করে বসে থাকা আর মিকান অরেঞ্জ খাওয়া। কোতাত্সু মূলত একটা টপলেস কাঠের টেবিল, যার টপ একটা ভারী কম্বল দিয়ে ঢাকা থাকে।এর সাথে একটা বিল্ট ইন ইলেকট্রিক হিটার থাকে, যদিও ঐতিহ্যবাহী কোতাত্সুতে হিটিং সিস্টেম কয়লার। কোতাত্সুর ব্যবহার অবশ্য শুধু জাপানে না, অন্য অনেক দেশেই আছে, তবে ভিন্ন নামে। বলা হয়ে থাকে, কোতাত্সুর সান্নিধ্যে সব দুশ্চিন্তা চলে যায়, ঘিরে ধরে এক আরামদায়ক উষ্ণতা, আর প্রশান্তিতে ভরে যায় মন.

 

তাহলে আর দেরী কেন, কিনে ফেলুন কোতাত্সু, ৭৫*৩৬*৭৫ সাইজের একটা কোতাত্সুর দাম পড়বে ১০০ ডলারের মত.

 

 

আনিমে সাজেশন

টাইগার এন্ড বানি[Tiger & Bunny]

 

হিরোদের কাজ হচ্ছে মানুষকে বাঁচানো। কিন্তু যখন এই মানুষ বাঁচানোর সাথে ব্যবসায়িক স্বার্থ জড়িয়ে যায়, পুরো ব্যাপারটা হয়ে পড়ে একটা রিয়ালিটি শো, যাতে অংশগ্রহনকারী হিরোদের থাকে বিভিন্ন স্পন্সর, আর তারা পয়েন্ট পায় মানুষকে বাঁচানোর জন্য, তাহলে ব্যাপারটা কেমন দাঁড়াবে?

কেন দেখবেনঃবেশ নতুন ধরনের কনসেপ্ট, ডিসেন্ট অ্যাকশন, এবং সবচেয়ে ইম্পর্টান্ট পয়েন্ট হলো এখানের এক হিরোকে পেপসি স্পন্সর করে, প্রতি পর্বের মাঝে পেপসির বিজ্ঞাপন দেখায়।

কেন দেখবেন না: পরবর্তী সিজনের আভাস দিয়ে শেষ করেছে, কিন্তু এখনো তা রিলিজ করেনি। ক্লিফ্হ্যান্গারটা অনেকটা শার্লকের সিজন ৩ এর এপিসোড ৩ এর মত.

 

ম্যাল রেটিং ৮.২৬

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

ব্লাডি মানডে[Bloody Monday]

 

হাই স্কুলে পড়ুয়া জিনিয়াস হ্যাকার তাকাগিকে লড়াইয়ে নেমে পড়তে হলো ভয়াবহ এক ভাইরাসের বিরুদ্ধে, যা কিনা মানুষের সংস্পর্শে আসার কয়েক ঘন্টার মধ্যেই মানুষের মৃত্যু ঘটবে। সংগঠিত ভয়াবহ শত্রুর বিরুদ্ধে কি করবে এখন তাকাগি?

 

কেন পড়বেনঃবেশ উত্তেজনাপূর্ণ, খানিকটা ওয়ান ম্যান শো-ই বলা যায়, সৌনেন+সেইনেন মাঙ্গার বেশ ভালো এগজাম্পল। এন্ডিংটাও যথেষ্ট স্যাটিসফ্যাক্টরি।

কেন পড়বেন না: না পড়ার তেমন কোনো কারণ নেই.

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.১১

আমার রেটিং ৮

 

এফ এ সি ১৭

রান্ডম টপিক

শিজু [四獣]

 

 

ফোর বিস্টের রেফারেন্স প্রচুর আনিমেতে পাবেন, ফুশিগি ইউগী, বেব্লেড, তরিকো, ইউ ইউ হাকুশো ইত্যাদি। তবে এর অরিজিন কিন্তু জাপানে না, চীনে। চাইনিজ মিথোলজিতে শিজু বা ফোর বিস্ট দিয়ে মূলত ৪টা প্রানীকে বোঝায়, যারা চাইনিজ সাম্রাজ্যকে রক্ষা করে. প্রতিটি প্রানী একটি করে দিক এবং একাধিক এলিমেন্ট রেপ্রেসেন্ট করে, যেমন সেইরিউ[ব্লু ড্রাগন]- পূর্ব-কাঠ, গেনবু[কৃষ্ণ কাছিম]-উত্তর-পানি, বিয়াককো[শ্বেত ব্যঘ্র]-পশ্চিম-ধাতু, সুযাকু[ফিনিক্স]-দক্ষিণ-অগ্নি। এছাড়া আরো একটি প্রাণী চাইনিজ সাম্রাজ্যকে রক্ষা করে সবার মাঝে থেকে, সেটি হচ্ছে ইয়েলো ড্রাগন। এগুলো মূলত এস্ট্রোলজিক্যাল ব্যাপারস্যাপার। এই ব্যাপারে আরো বেশি কিছু জানার আগ্রহ থাকলে এই লিঙ্কে যেতে পারেন, এছাড়া গুগল তো আছেই। http://www.onmarkproductions.com/html/ssu-ling.shtml

 

 

আনিমে সাজেশন

গোস্ট হান্ট[Ghost Hunt]

 

 

”দুর্ঘটনা”চক্রে সাধারণ মেয়ে তানিয়ামা মাই জড়িয়ে গেল পেশাদার এক্সরসিস্ট শিবুইয়া কাজুইয়ার সাথে। আস্তে আস্তে মাই বুঝতে পারল, বন্ধুদের সাথে ভূতের গল্প শেয়ার করা বেশ মজার হলেও আধিভৌতিক ব্যাপার-স্যাপার আসলে এত সহজ নয়, এতে পদে পদে আছে রক্তজল করা সব অভিজ্ঞতা।

 

কেন দেখবেনঃএটা রেয়ার সেসব হরর আনিমের একটা, যাতে হরর কন্টেন্টকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। ভৌতিক সিকোয়েন্সগুলোর সাথে উপযুক্ত আবহ সঙ্গীত, আর সেই সাথে রোম খাড়া করে দেয়া ওপেনিং থিম. http://www.youtube.com/watch?v=eHaxcnHRJoc

কেন দেখবেন না:না দেখার তেমন কোনো কারণ নেই.

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.১৪

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

আজকে দুটো ওয়ান শট সাজেস্ট করব.

 

আদাবানা[Adabana]

 

ম্যাল রেটিং ৭.২৮

আমার রেটিং ৭

 

 

আকুমা গা কিতারিতে[Akuma ga Kitarite]

 

ম্যাল রেটিং ৭.৬৪

আমার রেটিং ৮

 

 

ওয়ান শট বলে আর ইউজুয়াল কাহিনী সংক্ষেপ ইত্যাদি বলছি না, অল্প ৩০-৪০ পেইজের, সাজেস্ট করব এখনি পড়ে এসে মতামত জানাতে।

আর এই দুটো ওয়ান শটের কাহিনীর সাথে খুবই জনপ্রিয় দুটো আনিমের মিল আছে.

 

এফ এ সি ১৬– Farsim Ahmed

লাস্ট উইকে বলা ফ্যাশনেবল কথাটা নিয়ে বেশ কিছু স্পেকুলেশন দেখেছিলাম। আসলে আজকের সবগুলো সেগমেন্টই ফ্যাশন নিয়ে।

 

 

রান্ডম টপিক

সেরাফুকু

 

জাপানি স্কুলের সেইলর ইউনিফর্ম(Sailor Uniform—>Serafuku[fuku=dress/uniform]) এর আইডিয়া এসেছে মূলত ইউরোপের অভিজাত পরিবারগুলোর বাচ্চাদের ইউনিফর্ম থেকে। এই আইডিয়া এডাপ্ট করার কারণ হলো, সেরাফুকুর ডিজাইন বেশ সুন্দর, আর সেই সাথে এগুলো সেলাই করাও সহজ। ঋতুভেদে সেরাফুকুর মেজারমেন্ট পাল্টে যায়। মোটামুটি ৫০% জুনিয়র হাইস্কুলে আর ২০% সিনিয়র হাইস্কুলে সেরাফুকু পরা হচ্ছে। তবে সেরাফুকুর ব্যাপারটা জাপানের একচেটিয়া নয়, সাউথ কোরিয়া আর চীনেও এর ব্যবহার আছে।

 

বি.দ্র.(শুধু ছেলেদের জন্য)জাপানের বিভিন্ন এলাকায় সেরাফুকুতে ব্যবহৃত স্কার্টের দৈর্ঘ্য বিভিন্ন রকম. কাজেই জাপানে ইমিগ্র্যান্ট হতে চাইলে কোন এলাকায় থাকবেন তার একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর হিসাবে এটাকে কনসিডার করতেই পারেন।হেহেহে।

 

 

আনিমে সাজেশন

প্যারাডাইস কিস(Paradise Kiss)

ইউকারীর একঘেয়ে হাইস্কুল লাইফের মধ্যে ধুমকেতুর মত এসে হাজির হলো “প্যারাডাইস কিস”, কয়েকজন ফ্যাশন ডিজাইনিং স্টুডেন্টের গড়ে তোলা একটা প্রতিষ্ঠান। ইউকারীকে মডেল হবার প্রস্তাব দিল তারা। আমতা আমতা করে রাজিও গেল ইউকারী। তাদের সাথে ইউকারীর রসায়ন হলো চমত্কার, বুঝতে পারল, সে আসলে এমন রোমাঞ্চকর ঝলমলে জীবন চেয়েছিল, সাধারণ ম্যাড়মেড়ে জীবন নয়।ঘটনা মোড় নিল অন্যদিকে, যখন ইউকারী প্রেমে পড়ে গেল প্যারাডাইস কিসের নেতা জর্জের সাথে। ইউকারীর প্রাধান্য কি হবে, তার প্রেম, নাকি তার মডেলিং ক্যারিয়ার?

 

 

কেন দেখবেনঃম্যাচিউর স্লাইস অব লাইফ, অনেকটা হানি এন্ড ক্লোভার এর মত। যারা হাইস্কুল স্লাইস অব লাইফ(পড়ুন ফ্যানসার্ভিস) দেখতে গিয়ে ক্লান্ত, তারা টেস্ট বদল করতে পারেন এটা দেখে।ঝলমলে এবং ডিফরেন্ট ধরনের ভিজুয়াল, ওপেনিং সংটা প্রচন্ড ক্যাচি, শুনলে আপনাআপনি পা নাচা শুরু হয়ে যায়। http://www.youtube.com/watch?v=1nQJgzF6g6M

 

ইন্টারেষ্টিং এন্ডিং, আমার বেশ পছন্দ হয়েছে।

 

ম্যাল রেটিং ৮.০১

আমার রেটিং ৮

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

দ্য ওয়ান(The One)

 

 

সুপার মডেল মা-বাবা যদি প্লেন ক্র্যাশে মারা যায় তাহলে নিশ্চই তাদের মেয়ের ফ্যাশন জগতে আসার আগ্রহ থাকে না। কিন্তু কেইন লেলেকে তার আন্টি বুঝিয়ে শুনিয়ে শেষ পর্যন্ত একটা ফটোশুটের জন্য রাজি করাতে পারলেন।দেখা হয়ে গেল তার জনপ্রিয় মডেল আঙ্গাস এর সাথে। কিন্তু সে তখন জানত না, আঙ্গাস এর জমজ ভাই এরোস ঘুরঘুর করছে আশেপাশেই। সুদর্শন দুই তরুণ, আর ফ্যাশন জগতে নবাগতা এক তরুণী- ত্রিভুজ প্রেমের গল্পের জন্য আর কি মশলা লাগে?

 

 

কেন পড়বেনঃরীতিমত আকর্ষনীয় আঁকা, প্লটটা বহুল ব্যবহৃত মনে হতে পারে, কিন্তু প্রয়োজনীয় টুইস্ট আছে, ক্যারেক্টারদের ভালো ডেপথ আছে, সব মিলিয়ে বেশ ভালো প্যাকেজ।আর এর একটা সাইড স্টোরি আছে, ইটারনাল টেম্পটেশন, ওটা যদি শুধু একটা ওয়ান শট হত তাহলে আমি প্রবাবলি ওটাকে ১০ এ ৯ দিতাম। লিংক দিয়ে দিচ্ছি, আগে এটা পড়ে তারপর ঠিক করতে পারেন মূল কাহিনী পড়বেন কিনা।

 

http://mangafox.me/manga/the_one/v03/c017.5/3.html

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪২

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

 

 

 

কেন দেখবেন না/পড়বেন না: আজকের সাজেস্ট করা দুটো সিরিজই মূলত স্লাইস অব লাইফ জোসেই। অ্যাকশন/কমেডির হার্ডকোর ফ্যানদের না দেখা/পড়াই ভালো।

 

এফ এ সি ১৫ – Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

সেন্পাই-কোউহাই

সেন্পাই-কোউহাই মূলত রিলেশনশিপসূচক শব্দ, যা ব্যবহার করা হয় নির্দিষ্ট কিছু ক্ষেত্রে, যেমন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে, চাকরিতে সহকর্মীর সাথে বা কোনো ক্লাবে সতীর্থদের সাথে।সহজ কথায়,  সেন্পাই দিয়ে বোঝানো হয় সিনিয়র, আর কোউহাই দিয়ে জুনিয়র। তবে সেন্পাই বা কোউহাই সম্বোধন করার সময় অবশ্যই খেয়াল রাখতে হবে যে এটা যথাযথ হচ্ছে কিনা। একই প্রতিষ্ঠানের সরাসরি সিনিয়র বা জুনিয়রের ক্ষেত্রে এই পন্থা অনুসরণ করা হলেও অন্য প্রতিষ্ঠানের মানুষের সাথে এসব কেইগো(সম্মানসূচক শব্দ) পরিহার করাটাই শ্রেয়। যেমন বাংলাদেশে ভাই, ভাইয়া ইত্যাদি টার্ম ব্যবহার করা হয়।

 

 

আনিমে সাজেশন

নাত্সুমে ইউজিন চো (Natsume Yuujinchou)

 

ছোটবেলা থেকেই বাবা-মা হারা নাত্সুমে তাকাশি ইওকাইদের(ভুতপ্রেত) দেখতে পেত, এই অস্বাভাবিক ক্ষমতার কারণে সবাই তাকে এড়িয়ে চলত। আত্মীয়রা কেউই তার ভার নিতে চাইলেন না, সবাই তাকে চাপিয়ে দিলেন অন্যদের ঘাড়ে। একের পর এক আত্মীয়ের বাড়ি ঘুরে ঘুরে যখন নাত্সুমে এক জায়গায় থিতু হলো, তখন সে খুঁজে পেল একটা বই, যে বইয়ে লেখা আছে হাজারখানেক ইওকাই এর নাম। ইওকাই মাদারার মাধ্যমে সে পারল, এই বইটা তার দাদী নাত্সুমে রেইকোর, যিনি ছিলেন অসাধারণ আধ্যাত্মিক ক্ষমতার অধিকারী। ইওকাইদের হারিয়ে তাদের আনুগত্যের স্বীকৃতি স্বরূপ তিনি এই নামগুলো যোগাড় করেছিলেন।তাকাশি ঠিক করলো সে এই ইওকাইদের মুক্ত করে দেবে, তার সাথী হলো মহা পরিক্রমশালী মাদারা।

 

কেন দেখবেনঃঅসাধারণ স্লাইস অব লাইফ।

কিছু আনিমে আছে, যেগুলো দেখলে মন ভীষণ শান্ত হয়ে যায়, কাম এন্ড সিরিন একটা ভাব আসে, আমি এই পর্যন্ত এমন  দুটো আনিমে দেখেছি, তার মধ্যে এটা একটা। ৪টা সিজন বেরিয়েছে, একটার চেয়ে এর পরেরটার রেটিং বেশি, তার মানে বোঝাই যাচ্ছে প্রতি সিকুয়েলেই আনিমেটা দর্শকদের মন ভরাতে সক্ষম হয়েছে।

 

কেন দেখবেন না:স্লো পেসিং, যেটা স্লাইস অব লাইফে মাস্ট। কাজেই ঘোর অ্যাকশনপ্রেমীর না দেখাই ভালো।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬+৮.৬৮+৮.৭০+৮.৮০

আমার রেটিং ৯+৯+৯+৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

গুড এন্ডিং(Good Ending)

টেনিস ক্লাবের সিনিয়র ইকেতানি শো-কে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে ব্যর্থ হলো উত্সুমি সেইজি। মন ভেঙ্গে গেল তার।তাকে সাহায্য করার জন্য এগিয়ে এলো একই ক্লাবের সদস্য, রহস্যময়ী এক সুন্দরী, কুরোকাওয়া ইউকি।চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। সেই বন্ধুত্ব গড়ালো প্রেমে। কিন্তু একদিন সেইজি দেখতে পেল বিধ্বস্ত শো-কে, তার প্রেমিক তার সাথে করেছে প্রতারণা। পুরনো অনুভূতিগুলো সব বাঁধ ভেঙ্গে ছুটে এলো সেইজির মাঝে। কি করবে এখন সে?

 

কেন পড়বেনঃবেশ ভালো রোমান্টিক গল্প, ত্রিভুজ প্রেমের কাহিনী এগিয়েছে ভালোভাবেই, গুড এন্ডিং নামটা মানানসই।বলে রাখা ভালো, গুড এন্ডিং প্রথমে ছিল ওয়ানশট, পরে এর ব্যাপক জনপ্রিয়তায় কাহিনীটা নিয়ে পুরো ১৬ ভলিউমের মাঙ্গা বানিয়ে ফেলা হয়।

 

কেন পড়বেন নাঃ **স্পয়লার** সেইজি অনেকটা স্কুল ডেইস এর মাকোতোর মত, এটুকু বলাই যথেষ্ট। তার কিছু অ্যাকশন আমি কখনোই ক্ষমা করতে পারব না।

 

ম্যাল রেটিং ৭.৯১

আমার রেটিং ৮

 

 

 

পরের সপ্তাহে এই বছরের শেষ এফ এ সি, আর তা হবে ফ্যাশনেবল। রেডি থাকুন।

এফ এ সি ১৪ – Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হাচিকো

 

 

হিদেসাবুরো উয়েনো ছিলেন টোকিও ভার্সিটির এগ্রিকালচারাল ডিপার্টমেন্টএর প্রফেসর। প্রতিদিন উনি যখন বাড়ির পথে রওনা হয়ে শিবুইয়া স্টেশনে নামতেন, তখন তার প্রিয় কুকুর হাচিকো তাঁর জন্য অপেক্ষা করে থাকত। কিন্তু ১৯২৫ সালের মে মাসে প্রফেসর উয়েনো আর বাড়ি ফিরতে পারলেন না, মস্তিষ্কের রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়ে মারা গেলেন। কিন্তু তাঁর প্রিয় কুকুর এর পরের নয় বছরের প্রতি দিন ঠিক ট্রেন আসার মুহুর্তে স্টেশনে গিয়ে অপেক্ষা করত। বিশ্বস্ততার এই পরম নিদর্শন দেখানোর জন্য হাচিকো পরিনত হলো জাপানের অন্যতম জাতীয় প্রতীকে। তাকে নিয়ে বাঁধা হলো গান, আঁকা হলো ছবি, সে স্থান পেল পাঠ্যপুস্তকে। হাচিকো পরবর্তীতে ক্যান্সার আর ফাইলেরিয়ায় আক্রান্ত হয়ে মারা যায়।

 

হাচিকো শিবুইয়া স্টেশনের যে জায়গাতে দাঁড়াত, সেই জায়গাটা স্থায়ীভাবে চিন্হিত করা আছে, এখনো কেউ চাইলে দেখে আসতে পারেন।

 

 

 

আনিমে সাজেশন

আরাকাওয়া আন্ডার দ্য ব্রিজ(Arakawa Under The Bridge) 

 

 

ইচিনোমিয়া পরিবারের নীতি হলো ”কখনোই ঋণগ্রস্ত থাকবে না”। কিন্তু এই পরিবারের বর্তমান উত্তরাধিকারী ইচিনোমিয়া কো-কে যখন নিনো নামের এক মেয়ে আরাকাওয়া নদীতে হাবুডুবু খাওয়া থেকে বাঁচালো, তখন কো ঋণ পরিশোধ করতে গিয়ে ফেঁসে গেল। নিনো তার কাছ থেকে একটাই জিনিস চায়, আর তা হচ্ছে ভালবাসা কি, সেটা বোঝা। কাজেই কো আরাকাওয়া নদীর ব্রিজের নিচে নিনোর সাথে থাকতে শুরু করলো। কিন্তু এই জীবনযাপনে তার সঙ্গী শুধু ”ভেনাস গ্রহের অধিবাসী” নিনোই নয়, তার প্রতিবেশী হিসেবে আছে সবসময় মুখোশ পরে থাকা হোশি, কাকাতুয়া বিলি,  লাস্ট সামুরাই, ”সিস্টার”, আর এই সমাজের মোড়ল হিসেবে আছে রহস্যময় এক ”কাপ্পা”। কো এর জীবন কিভাবে বদলে যাচ্ছে? আর সে-ই বা কিভাবে বদলে দিচ্ছে আরাকাওয়ার অধিবাসীদের জীবন?

 

কেন দেখবেনঃ চমত্কার স্লাইস অব লাইফ আনিমে, সেই সাথে এটা সেরা হিউমারাস আনিমেগুলোর একটা। তেমন দুর্দান্ত কোনো প্লট নেই, কিন্তু  রীতিমত অদ্ভুত সেটিং, আর পিকুলিয়ার ক্যারেক্টারাইজেশন চেখে দেখার জন্য হলেও এই আনিমেটা দেখতে হবে।

 

কেন দেখবেন না: যদিও এটা খুব ভালো কমেডি আনিমে, কিন্তু সেই গ্যাগ এলিমেন্টগুলোতে ভাড়ামি  নেই, কাতুকুতু দিয়ে হাসানোর চেষ্টা নেই, কাজেই স্রেফ প্রানখুলে হাসার মত আনিমে, এটা ভেবে দেখতে বসবেন না। ক্যারেক্টারগুলোর সাথে একাত্ত হয়ে গেলেই এখানের মজাগুলো পুরোপুরি বোঝা যাবে।

 

 

ম্যাল রেটিং ৭.৮০+৭.৯৪

আমার রেটিং ৯+৯

 

 

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

লায়ার গেম(Liar Game)

 

কানজাকি নাও প্রচন্ড রকম সৎ একটা মেয়ে। এতই সৎ যে তাকে বর্তমান সমাজের মূল্যবোধের যে অবস্থা তাতে প্রশংসা না করে বোকাই বলা যায়। তো এমন সৎ ভালোমানুষ এক মেয়েকে যদি লায়ার গেইম নামের এমন একটা খেলায় অংশ নিতে হয়, যে খেলার মূল কথায় হচ্ছে অন্য প্রতিযোগীদের ধোঁকা দেয়া, তাহলে কেমন হবে? যা হবার, তাই হলো।  নাও প্রথম রাউন্ডেই তার প্রাথমিক পুঁজি একশ মিলিয়ন ইয়েন হারালো। পেনাল্টি হিসেবে দুইশ মিলিয়ন ইয়েনের খাঁড়া যখন ঝুলছে তার উপর, সেই অবস্থায় অসহায় নাও খোঁজ পেল এক জিনিয়াস প্রতারকের, নাম তার আকিয়ামা শিনিচি। এই দুই সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর মানুষ যখন জুটি বাঁধলো, তার পরিনতি কি হবে? তারা কি পারবে লোভ আর প্রতারণা যার পরতে পরতে মেশানো, সেই লায়ার গেমের ভয়াবহ জগতকে জয় করতে?

 

কেন পড়বেনঃঅসাধারণ সাইকোলজিক্যাল থ্রিলার, যারা ওয়ান আউটস বা আকাগি এর মত ওয়ান ম্যান শো গুলো উপভোগ করেছেন, তাদের জন্য মাস্ট রিড।

 

কেন পড়বেন নাঃতেমন কোনো কারণ নেই।

 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৪

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।

এফ এ সি ১৩ by Farsim Ahmed

রান্ডম টপিক

হানাকো-সান

hanako

জাপানের স্কুলে থার্ড ফ্লোরে মেয়েদের টয়লেটের থার্ড স্টলে যদি তিন বার নক করে বলেন, ”হানাকো-সান, তুমি কি ওখানে আছ?” জবাব পাওয়া যাবে, ”হ্যা।” স্টলে ঢুকলে আপনি দেখতে পাবেন লাল স্কার্ট পরা এক ছোটো মেয়েকে, যে কিনা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মারা গেছে।

জাপানের সবচেয়ে সেলিব্রেটেড ভূতগুলোর মধ্যে একটা হলো হানাকো সান। একে নিয়ে মাঙ্গা হয়েছে, আনিমে হয়েছে, মুভিও হয়েছে। ফ্র্যান্কলি, সবচেয়ে পিকুলিয়ার ভূতের গুজব আছে সম্ভবত মালয়েশিয়াতে, এরপরে জাপানে। জাপানের ভুত্গুলোকে নিয়ে আরো জানতে চলে যান এই লিঙ্কে।http://www.cracked.com/funny-7186-8-scary-japanese-urban-legends/

 

 

 

আনিমে সাজেশন

শিনসেকাই ইওরী(Shinsekai Yori)

shinsekai yori

বর্তমান সময়  থেকে এক মিলেনিয়াম পরে জাপানে এক সুশৃঙ্খল সমাজ ব্যবস্থা গড়ে উঠেছে। এই ব্যবস্থায় শাসক শ্রেণী হলো কান্তাস(এক ধরনের সাইকিক পাওয়ার) ব্যবহার করতে পারদর্শী মানুষ, আর শাসিত শ্রেণী হচ্ছে বাকেনেজুমি(ইঁদুরমুখো দু-পেয়ে এক প্রজাতি )। কাহিনীর নায়িকা সাকি তার কান্তাসকে আরো ভালোভাবে ব্যবহার করতে শেখার জন্য ট্রেনিং স্কুলে গেল তার বন্ধুদের সাথে। এই অবস্থায় তারা এক যন্ত্রের কাছ থেকে আবিষ্কার করলো, তাদের কাছ থেকে লুকিয়ে রাখা হচ্ছে ১০০০ বছরের রহস্যময় ইতিহাস, যা প্রকাশ পেলে পাল্টে ফেলতে পারে পুরো সমাজ ব্যবস্থাকেই। সাকির দুই বন্ধু নৃশংসভাবে খুন হলো, আরেক বন্ধু রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে গেল। কি করবে এখন সাকি?

কেন দেখবেনঃ সাইকোলজিক্যাল-হরর ঘরানার এই আনিমের সবচেয়ে স্ট্রং পয়েন্ট হলো এর প্লট, এটা বলে দেয়া যায়, এরকম ইউনিক প্লট খুব কম পাবেন। অসাধারণ সাউন্ডট্র্যাক সঠিক সব জায়গায়, সেই সাথে ভয়াবহ শকিং লাস্ট এপিসোড, এক কথায় ২০১৩ এর টপ ১০ এ থাকার মত এই আনিমে। এর প্রশংসা একটু বেশিই করছি, কারণ আনিমেটা বাংলাদেশে রীতিমত আন্ডার এপ্রিশিয়েটেড।

কেন দেখবেন না: বিল্ডিং আপ একটু স্লো, আর খানিকটা ইয়াওই এবং ইউরি এলিমেন্ট আছে, তবে সবই কাহিনীর প্রয়োজনে, এবং কখনোই মাত্রাতিরিক্ত নয়।

 

ম্যাল রেটিং ৮.৪৬

আমার রেটিং ৯

 

 

মাঙ্গা সাজেশন

নব্লেস(Noblesse)

노블레스2-1표지.indd

হান শিনউর হঠাত দেখা হয়ে গেল বোকাসোকা রাইয়ের সাথে। তার স্কুলের হেডমাস্টার ফ্র্যান্কেনস্টাইনের কথামত রাইকে সে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করলো, চমত্কার বন্ধুত্ব গড়ে উঠলো তাদের মধ্যে। কিন্তু শিনউ কি জানত, রাই আসলে ৮২০ বছরের দীর্ঘ নিদ্রাভঙ্গ করে কফিন থেকে উঠে আসা এক ভয়াবহ অতিপ্রাকৃত ক্ষমতাশালী নোবেল, কাদিস এত্রামা ডি রাইজেল? আর সে হচ্ছে সব নোবেলদের রক্ষক, সবচেয়ে শক্তিশালী নোবেল, ”নব্লেস”?

 

কেন পড়বেনঃদারুন কাহিনী, কোথাও ঠেকে যাবার জো নেই, চমত্কার সব ফাইটিং সিন, প্রয়োজনে জায়গামত কোয়ালিটি গ্যাগ এলিমেন্ট আছে। ওয়েবটুন্, তাই পুরোটাই রঙিন, আনিমে দেখার স্বাদ মাঙ্গা পড়ে পাওয়া যায়। এছাড়া টিপিক্যাল সৌনেন মাঙ্গাতে যেমন নায়ককে যথেষ্ঠ স্ট্রাগল আর ট্রেনিং করে শক্তিশালী হতে হয়, এখানে নায়ক অলরেডি সবচেয়ে শক্তিশালী, কাজেই অন্য রকম একটা টেস্ট পাওয়া যাবে।

 

কেন পড়বেন নাঃনা পড়ার কোনো কারণ নেই। 

 

ম্যাল রেটিং ৮.৬৯

আমার রেটিং নেই, যেহেতু কমপ্লিট হয়নি।