Emotional moments of anime from Animekhor BD group

Saiful Islam's photo.

Ekjon Rafat O Holud ব্লিচের ১৪৭ এপি যেইটাতে ওরিহিমে হুয়েকো মুন্দোতে যাওয়ার আগে ইচিগোরে শেষ দেখতে আসে,নারুতোর চুনিন এক্সামে গারার অতীত,জিরাইয়্যা,ইতাচি,ইয়াহিকো,নাগাতো,ওবিতো, ওয়ান পিসের নামির বেলমের সান এর মরার অংশটা,এইস,গোয়িং মেরির শেষ মুহূর্তটা,কোড গিয়াসে লিলুশ যহন কাদতে কাদতে ইউফিরে মারতে কয় ঐ অংশটা
আরো বহুত বহুত বহুত,বিলযবাবে ওগারে হিলদা যহন ড্রাগনটা থেইকা ফালায় দেয় ওই অংশটা…………..
আরো বহু উ উ উ উ উ উ উ ত
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।

Farhad Mohsin আমি ডেথের বাইরে থাকি। ওগুলো নিয়ে বলতে গেলে তো কখনই শেষ হবে না।
নারুতোতে একটা ছিল পেইনের ইনভেশনের সময় যখন পেইন সবাইকে জিজ্ঞেস করে “নারুতো কোথায়”, তখন ইরুকা’র মনে নারুতো সম্বন্ধে ফ্ল্যাশব্যাক দেখায়, মানে ছোট থেকে কিভাবে স্ট্রাগল করে ঐ অবস্থায় আসছে আর শেষে সে বলে “নারুতো ইজ আওয়ার ফেলো নিনজা, অ্যান্ড উই উইল নেভার বিট্রে হিম”।
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট, আলফন্সো যখন বলে “অ্যাম আই জাস্ট অ্যান আর্মর ডল?”, আর তারপর ওর সাথে উইনরির আর এডের কনভার্সেশনটুকু।

Wafa Tonny ফুল মেটাল আল্কেমিস্টঃব্রাদারহুডে যখন এডয়ারড গেটের ওপার থেকে আবার বের হয়ে এসে আলফন্সকে বলে’আই উইল কাম ব্যাক ফর ইউ……’ এপিক,ব্লিচ-এ ইচিগো সব পাওয়ার হারানোর পর ওর সামনে থেকে রুকিয়ার আস্তে আস্তে অদ্রশ্য হয়ে যাওয়া-আমারো খুব পছন্দের এবং ইমোসনাল একটা মোমেন্ট,আর কাউবয় বিবপ-র ফ্যান হিসেবে স্পাইকের কথা না বললেই না

Tasnim M Hasan যদিও আনিমে না,কিন্তু আভাটার এর টেল অব বাসিং সে এর আইরোহ এর সেগ্মেন্টে খুব কষ্ট লাগসিলো।লিলিউচের মারা যাওয়ার সময় আমার মনে হইসিলো যেন গলায় কিছু বিধে আছে।
তবে হা,সবাই রোলোর কথা বলে না,শারলি কে মারার জন্য তার ওপর সবাই খ্যাপা,কিন্তু ওর ডেথ সিন এ আমার খুব কষ্ট হইসে।বেচারা মনে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেসে।
স্টেইন গেটস এ যখন অকাবে কিছুতেই বাচাইতে পারতেসিলনা,স্ক্রিনের সামনে আমার নিজেরই সেই রকম অসহায় লাগতেসিলো।আর মাকিসে কে যখন ও ফেলে চলে আসে,সারন এর বিরুদ্ধে নিজের বিজয় ঘোষনা দেয়,তখন আমি পুরো শেষ।
তবে রিসেন্ট সবচেয়ে কষ্ট লাগসে,পেত্রার বাবা আর লেভির সিনের কথা ডিটেইলস এ না গেলাম।আমি ক্লানড দুটোই দেখসি।কিন্তু আমার কখনো খারাপ লাগে নাই,সবাই যেমন বলসে।কিন্তু এইসব সিন গুলোতে লাগসে।

Itmam Hasan Dipro কাঁদি নাই কিন্তু বুক টা খালি করে দিসে এমন কিছু সিন আছে যেমন ১ ফেই্ট জিরো ১৬ থেকে শেষ এপিসোড পর্যন্ত ।
২ নানা দেইখা পুরাই পাগল হইয়া গেসিলাম ।
৩ এঞ্জেল বিটস ৩য় এপিসোড। 
৪ গিলটি ক্রাওন হারে আর ইনরি এর মৃত্যু ।
৫ zetsuen no tempest.

সৈয়দা হাসান প্রথমেই বলে নিচ্ছি, স্পয়লার থাকবে। যে বিষয়, স্পয়লার থাকার সম্ভাবনাই বেশি!  “প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট”….হুম্‌ম, ভাবছি। কোনটা দিয়ে শুরু করব।
১। অ্যাভাটার। এপিসোড ৫৮-২য় পর্ব-“দ্য ওল্ড মাস্টারস”
যুকো আর আইরো-এর পুনর্মিলন। এ নিয়ে আমি আগেও বিশাল একখানা কমেন্ট দিয়েছিলাম আমারই এক পোস্টে। ঠিক কোন্‌ ক্ষণটা ভাল লেগেছে জানেন? যুকোর কান্নামিশ্রিত ও অনুতাপপূর্ণ ক্ষমাপ্রার্থনা শেষ হবার পূর্বেই আঙ্কেল আইরো যেভাবে আচমকা ঘুরে ওকে টেনে জড়িয়ে ধরে! এমনতর পুনর্মিলন আমি আশা করিনি…অনেক ভুলে যাওয়া অনুভূতি একসাথে এসে আমায় নাড়া দিয়ে গিয়েছিল! কতবার যে এ দৃশ্যটা টেনে টেনে দেখেছি!
২। গেট-ব্যাকারস্‌। এপিসোড ২২-“অ্যাওয়েকেনিং! দ্য অ্যাডভেন্ট অফ দ্য লাইটনিং এম্পেরর”
গিনজি প্রায় লাইটনিং এম্পেরর-এ পরিণত হতে চলেছে। আকাবানে ওর সাথে লড়াই করে ওকে আরো উসকে দিচ্ছে, গুনছে–৬,৫,৪, দুজনই এবার মরণ আঘাত হানবে….ঠিক এ সময় বান দুজনের মাঝামাঝি এসে পড়ে, গিনজির মুঠো করা হাত ঠেকিয়ে দেয়, আর বান-এর ডান কাঁধ ফুঁড়ে বের হয়ে আসে আকাবান-এর লম্বা লাল তরবারি। এক মুহূর্তের জন্য সব স্তব্ধ হয়ে যায়…গিনজি বিস্ফোরিত চোখে বান-এর দিকে তাকিয়ে। “না-নিয়া আত্তেনদায়ো গিনজি? তুমি… আমার নিষেধ …শুনলে না…” বলতে বলতে বান মাটিতে পড়ে যায়। দু হাতে মাথা চেপে ধরে গিনজি বসে পড়ে আর চাপা আর্তনাদ করে আকাশ-বাতাস কাঁপানো চিৎকার দিয়ে ওঠে! 
৩। সাকামিচি নো অ্যাপোলোন। (কিড্‌স অন দ্য স্লোপ)
—–এপিসোড ১১-“লেফ্‌ট অ্যালোন”
সেনতারো ওর ছোটবোন কে বাইকে করে রাতে বাইরে গিয়েছিল, মাঝপথে অ্যাক্‌সিডেন্ট করে। ওর ছোটবোনটা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
কাওরু ওকে ছাঁদে একটা বেঞ্চিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় পায়। সেন বলছে: “আমি যাদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই, তাদেরকেই হার্ট করে বসি। আমি কেন যে জন্মালাম!” কাওরু(বন)-এর গাল বেয়ে অশ্রু ঝরছে, ফ্রেন্ডের অসহায়ত্ব, দু্ঃখ দূর করার কোন উপায়ই তার জানা নেই! কাওরু কে কাঁদতে দেখে সেন ঝট করে উঠে বসে…”ওয়! বন! কী হয়েছে? কীসের জন্য কাঁদছ?” বলে হাতটা ধরে আশ্বস্ত করতে যাবে…কাওরু হাতটা টেনে সেনকে নিজের কাছে এনে ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরে, “দ্যিস ওয়ে, উই ডোন্ট হ্যাভ টু সি ইচ আদার ক্রাই।”…সেন হাসার চেষ্টা করে বলে, ” “আমরা”? আমি তো মোটেও….” কাওরু ওকে কথা শেষ করতে দেয় না, বলে, “ইট্‌স ওকে টু ক্রাই, সেন। তুমি এতদিন ধরে সব কষ্ট নিজের ভেতর জমিয়ে রেখেছ।” তখন সেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে! ওর গলার কাছে দলা পাঁকিয়ে, আটকে থাকা কান্নাটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে।
এটা এমনিতেই ইমোশনাল, আরো বেশি একারণে যে, আমি কোন ছেলেকে এভাবে আরেক ছেলে বন্ধুর সামনে কাঁদতে আর কখনই দেখিনি! অন্য কোন বই, মাঙ্গা, এনিমি, সিরিয়াল, মুভি তেও না!

—–এপিসোড ১২-“অল ব্লুজ”
অনেক বছর পর কাওরু আর সেন এর পুনর্মিলন। দূরে চার্চ থেকে পিয়ানোর পরিচিত সুর সেন-এর কানে ভেসে আসে….মুচকি এক হাসি দেয়, অবশেষে তার অদ্ভূত, ছিঁচ্‌কাঁদুনে, অতি মাত্রায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং বন্ধুটা তাকে খুঁজে পেয়েছে! আর সেন কে ডাকছে ওদের বন্ধুত্বের শিকড় “মিউজিক” দিয়ে!

৪। রুরোনি কেনশিন।
—–এপিসোড ৪৩/৪৪/৪৫ হবে।
ওকিনা কেনশিন কে অনুরোধ করে আওশিকে মেরে ফেলতে। মিসাও নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে। কেনশিন মিসাও-র কষ্ট বুঝতে পারে, তাই বলে যে ও আওশিকে মারবে না, বরং ওর মনুষ্যত্ব ফিরিয়ে আনবে। একথা শোনার পর মিসাও-র চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে।
—–এপিসোড ৫৪ থেকে ৫৬।
সোজিরো(যে বালক টার রাগ, ক্ষোভ কোন অনুভূতি-ইই হত না)আর কেনশিন এর ২য় ডুয়েল, সাথে সোজিরোর ফ্লাশব্যাক।
—–এপিসোড ৬০,৬১,৬২।
মাকোতো শিশিও (কী জটিল একটা চরিত্র!) আর কেনশিন এর শেষ লড়াই। ইউমি যখন নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে, যাতে শিশিও জিততে পারে, তা দেখে কেনশিন-এর নিজের প্রথম স্ত্রীর প্রায় একইভাবে স্যাক্রিফাইস করার কথা মনে পড়ে যাওয়া; সানোসকে যখন উপলব্ধি করে সাইটোর বেঁচে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সিগারেটে ফুঁ দিতে দিতে সাইটোর ধ্বংসস্তূপে আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মিলিয়ে যাওয়া; পরবর্তী তে দর্শকদের(মানে আমার  )জানতে পারা যে সে আসলে বেঁচে গিয়েছিল!

——-আর “ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল” ও.ভি.এ. টার কথা না বললেই না। কেনশিন-এর ছোটবেলা, সেনসেই “সেইজুরো হিকো”র অধীনে শিক্ষা লাভ, হিটোকিরি বাটোসাই হিসেবে জীবন, প্রথম স্ত্রী “টোমোয়ে”র সাথে দেখা, তাকে পাও্য়ার আর হারাবার কাহিনী…..সব মিলিয়ে প্রচণ্ড রকমের ইমোশনাল। এত ইমোশনযুক্ত জিনিস সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই, তবু এটাকে ভুলতে পারি না……।

৫। ব্লিচ।
ব্লিচের কথা আর কী বলব! প্রতি কাহিনীতে, প্রত্যেক চরিত্রে…এত ইমোশনাল ব্যাকস্টোরি!
সবচে’ বেশি মনে পড়ে এপিসোড ১৬ “এনকাউন্টার, রেনজি আবারাই” —তে রুকিয়া ইচিগো-কে যেভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে(ওকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে), ওর দিকে শেষ যে চাহনি দিয়ে দরজার ওপাশে অদৃশ্য হয়ে যায়….ওফ্‌ফ্‌ফ!

এপিসোড ৩২ “স্টার্‌স অ্যান্ড দ্য স্ট্রে”—(ফ্ল্যাশব্যাক)রেনজি ও রুকিয়ার ছোটবেলা, কীভাবে ওরা আলাদা হয়ে যায়, রেনজির বর্তমান রিজল্ভ…আমার এ কাহিনী তে রেনজির জন্য ভীষণ মায়া হয়েছিল…

এরূপ আরো বেশ কিছু (আসলে অসংখ্য)”প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট” আছে, যা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যাবে! তাই এখানেই শেষ করছি আজকের মত।

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

Kurosaki Ichigo by Monirul Islam Munna

আসলে আগে ছোট থাকতে টিভিতে অনেক এনিম দেখাই হত,কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটা গ্যাপ পরে গেছিলো। আমার প্রিয় সেই জগতে আমাকে ফিরায় আনসে এই ব্লিচ আর খুবই প্রিয় একজন character, Kurosaki ichigo 

ইচিগোর সব চেয়ে বেস্ট পার্ট হচ্ছে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডদের জন্য সে কিনা করতে পারে!! সাধারণ স্কুলের একটা ছেলে soul reaper হয়ে যায়, কিন্তু সেখান থেকে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডসের জন্য নিজের লিমিটটুকু ক্রস করে যেতেও দিধা করে নি কোন দিন।তাদের সেইফটির জন্য নিজেকে নিজের hollowএর কাছে বিলিয়ে দিসে সে!!! এক একটা battle এ Opponent এর সাথে নিজের লেভেলটা যেন অন্য উচ্চতায় উঠে ইচিগো!!!! 

আরেকটা বেশ ভাল লাগা জিনিস হল, battle এর সময়, opponentকে মেরে না ফেলে or ভয়ানক ভাবে আহত না করে, লিমিটে রেখে যুক্তিযুক্ত battle জিততে পছন্দ করে ইচিগো  
আর যখনই ইচিগো বাঙ্কাই বলে,সাথে ব্লিচের সেই এপিক লেভেলের মিউজিক!!! গায়ে একদম কাঁটা দিয়ে উঠে *_* 

ইচিগো কুরসাকি, “আই ডোন্ট ফাইট টু উইন ,আই ফাইট বিকজ আই হেভ টু উইন” !!!!

Ichigo

জন্মদিনের বিশেষ পোস্ট – Bleach – একটি “মাস্ট ওয়াচ” এনিম রিভিউ — লেখক মো আসিফুল হক


আজকে আমার জন্মদিন। সেইজন্য গতকালই একটা পোস্ট দিলেও আজকে আবার পোস্ট দেওয়ার লোভ সাম্লাইতে পারলাম না। :) :) এই এনিমটা আমার “one of the most favourite” এনিম।

সাধারণত সুপার পাওয়ার এনিমগুলাতে মেইন ক্যারেকটার একটু বেক্কল টাইপের হয়। প্রথম প্রথম তেমন কোন পাওয়ার টাওয়ার থাকে না, থাক্লেও লোকজন দাম দেয় না – এই টাইপ। ব্লিচ আবার এইদিক দিয়া বেতিক্রম। ইচিগোরে প্রথম থেইকা দেইখাই মনে হয় এনিমটার মেইন চরিত্র। উচা লম্বা আছে, প্রথমেই মাশাল্লাহ ভালই পাওয়ারও আছে, দেখতে শুন্তেও ভালা। :D :D :D বিশেষ কইরা ইচিগোর বাঙ্কাই স্টেইজ যে কোন এনিমের মধ্যে আমার মোস্ট ফেভারিট। :) :) :)

এনিমটার কাহিনী শিনিগামি(ডেথ গড) ভিত্তিক। খারাপ আত্মাকে পৃথিবী থেইকা মুক্ত করে শিনিগামিরা। এই রকম একজন শিনিগামি রুকিয়া। ইচিগোর পরিবারকে বাচাইতে সে একদিন নিয়ম বহির্ভূতভাবে তার পাওয়ার ট্রান্সফার করে ইচিগোর কাছে। এই অপরাধে সউল সোসাইটিতে তার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। ইচিগো তাকে বাচাইতে সউল সোসাইটিতে যায় এবং ফাইট করে।

এইটা গেলো এনিমের একটা ছোট পার্ট। এই ফাইটের সময়ই একটা টুইস্ট আছে এবং আরেকটা কাহিনী শুরু হয়। টুইস্ট কিংবা কাহিনীর অল্প অংশ কইলেও এনিমের মজা যাইবোগা – তাই বাকিটা আর কইলাম না। নিজেই দেইখা নিয়েন। :D:D:D:D

প্রশ্ন হইল – এই এনিম প্রিয় হইল কেন? উত্তর হইল – ফাইটগুলার জন্য। নারুতোর ভক্তরা মাইর দিতে আসতে পারে – কিন্তু আমার মনে হয় ব্লিচের কিছু কিছু ফাইট নারুতোর কিছু ফাইটের চেয়েও জোস। আর শুধু সোরড ফাইট যে কত বৈচিত্র্যময় হইতে পারে , কত ইন্টারেস্টিং হইতে পারে – ব্লিচ তার প্রমাণ। আর জাঙ্গেতসু ( ইচিগোর সোরড) যখন ইচিগোকে ট্রেইনিং দেয়, সেই জায়গার ফাইট, সাউন্ড ট্র্যাক এবং ডায়লগগুলা বেশী ভাল। :):):):) আর বিয়াকুইয়া আর ইচিগোর ফাইটটাতো সিমপ্লি লেজেন্ডারি। :) :)

এছাড়াও পুরা এনিমে শুরু এবং শেষের সাউন্ড ট্র্যাকগুলা যে কোন এনিমকে ফেইল করাইতে পারবে। তবে নারুতোর সাথে এই এনিমের মুল যেই লেগিংস – নারুতোতে অন্য অনেক চরিত্র খুব ভাল লাগবে, অনেক ডিটেইলস ক্যারেকটার। কিন্তু ব্লিচে ইচিগোর বাইরে আর খুব ভাল লাগা ক্যারেকটার খুব বেশী নাই আমার। তবে ইচিগো সেইটা খুব ভালভাবেই কাভার কইরা দিসে। সব মিলাইয়া খুব জমজমাট এনিমটা। ;) ;) ;)

আরে আরে যান কই? দাঁড়ান, দাঁড়ান। দেখার লাইগা এখনই দৌড় দিয়েন না, আরও কথা বাকি আছে। ফিলার কি জিনিস জানা আছে? না? এই এনিম গুলা তো বই বা কমিক্স ( মাঙ্গা) থেইকা বানায়। বইয়ের কয়েকটা পর্ব মিলা এনিমের একটা পর্ব হইয়া যায়। এইজন্য মাঝে মাঝে বইয়ের কাহিনী আগাইয়া দেওয়ার জন্য এনিমের মাঝখানে চরিত্রগুলা অপরিবর্তিত রাইখা মুল কাহিনীর বাইরে কোন স্টোরি দিয়া চালাইয়া দেয়। এইগুলাই হইল ফিলার। খুব একটা ইন্টারেস্টিং কিছু না, মাঝে মাঝে বরং বিরক্তির উদ্রেক করে। আর এই জিনিস ব্লিচে খুব বেশী। ঠিকই ধরছেন, এই জন্যই নারুতোর যত সুনাম, ব্লিচের অত সুনাম শুনেন নাই।
তাইলে এখন কি করা? ব্লিচ দেখুম না?
কেন দেখবেন না? অবশ্যই দেখবেন। নিচে একটা লিস্ট দিতাছি –
033 *Karakura Heroes Omake 1
050 *Karakura Heroes Omake 2
064-108 *Bount arc
128-137 *Stolen Hogyoku arc
147-149 *Rukia side story. Plot&Character designs by Kubo
168-189 *New Captain arc
204-205 *Random one-episode fillers
213-214 *Karakura Riser Omake
227-265 *Zanpakutou Rebellion arc. Character designs by Kubo.
266 *Hueco Mundo Recap
287 *Magic Lamp Gaiden
298 *Hell Chapter Movie Promotion
299 *Hell Chapter Movie Prologue
303-305 *Random one-episode fillers
311-316 *Random one-episode fillers
317-341 *Gotei 13 Invasion arc
355 *New Year Special

এই পর্ব গুলা বাদ দিয়া দেখবেন। এইগুলা ফিলার। তাইলেই দেখবেন, এনিম দেখার পর ব্লিচের নাম ফেভারিট লিস্টের প্রথম ৫ টার ভিতরে ঢুকাইয়া দিসেন ।:D:D:D:D


তাহলে আর দেরি কেন? এখনই দেখা শুরু করে দিন এই দুর্দান্ত এনিমটি।;);););)

অনলাইনে দেখার লিঙ্ক
আমি আইডিএম দিয়া নামাইয়া দেখছি।

আর এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে, ছবি কিংবা আপনার লেখা শেয়ার করতে চাইলে, নতুন নতুন তথ্য জানতে ও জানাতে চাইলে আমাদের সাথে এই গ্রুপে যোগ দিতে পারেন। :) :)

হ্যাপি এনিমিং !!!!!