Duty After Schools [মানহোয়া রিভিউ] — Ahmed Samira Niha

Duty After School 1

বেগুনি রঙ্গের কিছু পদার্থ হঠাত করেই আকাশ থেকে নেমে এসে পুরো পৃথিবীকে গ্রাস করলো। এরা তিন সাইজের হয়ে থাকে, বড়, মাঝারি আর ছোট। ছোট বেগুনী স্ফিয়ারগুলি নিজে থেকে মুভ করে যেয়ে মানুষকে আক্রমন করে মেরে ফেলে। মাঝারি স্ফিয়ারগুলি আদতে দেখতে নিরীহ হলেও তাদের ২ মিটারের কাছাকাছি গেলে ধারালো টেনটাকল দিয়ে নিমিষেই ছিন্নবিচ্ছিন্ন করে দিতে পারে যে কাউকে। আর বড় গুলো চুপচাপ থাকে, কারো আগেপিছে নাই।

তো এ অবস্থায় কোরিয়ান আর্মিরা ঠিক করলো যে হাইস্কুল স্টুডেন্টদের মিলিটারি ট্রেইনিং দেওয়াবে যাতে এদের ফ্রন্টলাইনে কাজ করানোর জন্য পাঠানো যেতে পারে, কারন আর্মিদের ম্যানপাওয়ার খুবই কম। বিনিময়ে বলা হলো যে যে যত বেশি কন্ট্রিবিউট করবে, তাকে বোনাস পয়েন্ট দেওয়া হবে, যেটার সুবাদে ভার্সিটি ভর্তি পরীক্ষায় তারা বিশেষ এডভান্ট্যাজ পাবে, নিজের পছন্দমত ভার্সিটিতে ইচ্ছামত এপ্লাই করতে পারবে এক্সট্রা নাম্বারের দরুন।

খুবই লোভনীয় প্রস্তাব। এ সুযোগ আর কে হাতছাড়া করে। হেলাফেলা করে শয়তানি করে দিন কাটাতে থাকে, তারপরে একদিন টনক নড়ে সবার, যেদিন একজন সত্যি করে সবার চোখের সামনে মারা যায়।
এবং স্টুডেন্টরা বুঝতে পারে ঘটনার আসল ভয়াবহতা। শুরু হয়ে যায় সারভাইভালের জন্য এক আদিম প্রতিযোগিতা। সিওলের এক হাইস্কুলের কিছু ছাত্রছাত্রীদের ভালবাসা, ঘৃণা, স্বার্থপরতা, হাসি কান্না মিলিয়ে এক মানহোয়ার কাহিনি, নাম Duty After School.
চ্যাপ্টার সংখ্যা ৫০, কমপ্লিটেড।
ক্রিয়েটর: Ilkwon ha

Duty After School 2

এরকম সুন্দর আর অদ্ভুতুড়ে মাঙ্গা খুব কমই পড়েছি। আন্নারাসুমানারা’র মাঙ্গাকার কাছ থেকে আসলে এমনটা এক্সপেক্ট করাই যায়। গল্প বলার স্টাইলটাও অনেক সুন্দর। তার আঁকায় এক বিশেষ সম্মোহনী এক ক্ষমতা আছে, যার কারনে এক প্যানেল পড়া শেষ হলেও কিছুক্ষন তাকিয়ে থাকতে হয়, আবার পড়তেও বেশিক্ষন লাগেনা। আর ভিজ্যুয়ালের কথা নতুন করে বলার কিছুই নেই, পুরো মাঙ্গায় কালো আর আর ডার্ক বেগুনী একটা হ্যিউ কাজ করেছে, যা এই টাইপের মাঙ্গার ডিপ্রেসিভ পরিবেশের সাথে একেবারে চমতকার ভাবে মানিয়ে গেছে।

কেন পড়বেন: আপনার জীবনে পড়া/দেখা সারভাইভাল জন্রার বেস্ট কাহিনি হতে যাবে। আমি একরাতে শেষ করেছি। রাত ৯টায় পড়তে ধরে সকাল ৭:৩০টায় শেষ করেছি। মাঝে পড়াশোনা না করলে আরো আগেই শেষ হতো।

Duty After School 5

সারভাইভাল জন্রার কাহিনি যেহেতু, তাই ক্যারেক্টারদের ধপাধপ মরে যাওয়ার অনেক ঘটনা রয়েছে, যেগুলির প্রত্যেকটা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ন। এই মানহোয়ার ব্রিলিয়ান্ট অথচ আনএক্সপেক্টেড এন্ডিং আপনাকে কিছুক্ষনের জন্য হতভম্ব করে দিতে বাধ্য।

পার্সোনাল রেটিং: ১০/১০
*মানহোয়াটি line webtoon app-এ পড়া ভাল।

Duty After School 3

Hikari Litchi Club [মাঙ্গা সাজেশন] — Ahmed Samira Niha

Hikari Litchi Club 1

মাঙ্গা: Hikari Litchi Club
মাঙ্গাকা: ফুরুয়া উসামারু
জন্রা: সেইনেন, ডার্ক, ম্যাচিওর, সাইকোলজিকাল, গোর
চ্যাপ্টার সংখ্যা:
স্ট্যাটাস: কমপ্লিটেড

আনসেন্সরড কিছু ব্যাপারস্যাপার আছে, ধুপধাপ করে কখন কি হয়ে যায়, কিছু টের পাওয়া যায় না।

গল্পের মেইন কাহিনি একদল ছেলে নিয়ে, যাদের এক ক্লাব আছে। ক্লাবের নাম হিকারি লিচি ক্লাব। লিচু নিয়ে হালকা অবসেশন আছে, তারা সৌন্দর্যের পূজারী। তাদের মতে পৃথিবীতে কুতসিত-কদর্য কোনো কিছু এক্সিস্ট করার অধিকার রাখেনা। তাই তারা ধরে ধরে অসুন্দর(তাদের মতে) মানুষকে মেরে ফেলে। কিন্তু তাদের ক্লাবের এক আলটেরিয়র মোটিভ আছে। তারা গোপনে হিউম্যানোয়েড এক রোবট বানাচ্ছে, যার মাধ্যমে তারা সবচেয়ে সুন্দর মেয়েকে নিজেদের মাঝে রাখতে পারবে। সেই রোবটের নাম দেওয়া হয় লিচি, যার ফুয়েলও লিচু ফল। এবং ঘটনার সূত্রপাত এক ভবিষ্যতবানী নিয়ে, যেটাকে ঠেকাতে মেইন ক্যারেক্টারের প্রানান্তর চেষ্টা।

মাঙ্গাকা এবং মেইন নায়ক elagabalus নামের এক কুখ্যাত রোমান এম্পেরোরের ইন্সপিরেশন নেয়, এবং দুজনেই batshit crazy. Elagabalus নিয়ে উইকিতে যা পড়লাম, তার সারমর্ম হলো মাথা পুরাই নষ্ট ছিল তার, নিজেকে সবচেয়ে জঘন্যতম কাজে বিলিয়ে দিয়ে আনন্দ পায়। ১৪ বছর বয়সে নিজে থেকেই স্রেফ মজা পাওয়ার জন্য প্রস্টিটিউট হয়ে বেড়াতো, এবং ছেলেসঙ্গ পছন্দ করতো। প্রায় ৫ বারের মত বিয়ে করে ফেলেছিলো, এবং ধর্মকে অবমাননা করে রোমে মোটামুটি হুলস্থুল বাঁধিয়ে দেয় সে। অবশেষে এত ইভেন্টফুল জীবন শেষ হয় ১৮ বছর বয়সে, এস্যাসিনেশনের মাধ্যমে, যার মেইন উদ্যোক্তা ছিল তার আপন দাদী। এক জার্মান মনীষী বলেছেন,
The name Elagabalus is branded in history above all others” because of his “unspeakably disgusting life

মাত্র ৯ চ্যাপ্টারের ইভেন্টফুল এই মাঙ্গা অবশ্যই পড়া উচিত সবার। ব্রুটালিটি, গোর, ইনার্ডস বেরিয়ে আসা ইত্যাদি পছন্দ হলে এই মাঙ্গা পড়া মাস্ট।
পার্সোনাল রেটিং: ০৯/১০

Natsuyuki Rendezvous [রিভিউ] — Ahmed Samira Niha

Natsuyuki Rendezvous 1

নাতসুইউকি র্ঁদেভ্যু

মিষ্টি মিষ্টি প্রেমের মাঝে কড়া তেতো বাস্তবতা মেশানো অদ্ভুত রকমের সুন্দর এক জোসেই এনিমে । শুরুটা হয় খুবই হালকাভাবে কিছু কমেডি মেশানো দুষ্টু প্রেমের খুনসুটি দিয়ে। এনিমের মাঝে গিয়ে প্রচুর ভাবায়,কোনটা ঠিক,কোনটা ভুল-আবেগের কাছে ধরাশায়ী হওয়া উচিত নাকি অতীতের কথা মাথায় রেখে সামনে আগানো যাবেনা নাকি সব ছেড়েছুড়ে শেষ পন্থা হিসেবে আত্নহনন?

Natsuyuki Rendezvous 2
২২ বছরের হাযুকি প্রত্যেকদিন এক ফুলের দোকানের সামনে যায় মধ্যবয়স্কা রোক্কা-চানের সাথে শুধুমাত্র একটু আলাপের আশায়। রোক্কার গোল মুখ,অমায়িক হাসি আর একটুখানি মমতায় ভরা কথাবার্তাই বাকি দিন পার করে দেওয়ার জন্য হাযুকির কাছে যথেষ্ট। উপরওয়ালা যখন মুখ চেয়ে তাকালো,তখনই হাযুকি সুযোগ বুঝে পার্ট-টাইম চাকরি নিয়ে ফেললো রোক্কার দোকানে। কিন্তু বিধি-বাম,রোক্কাকে একদিন দেখে ফেললো আরেক ছেলের সাথে। ভগ্নহৃদয়ে যখন হাল ছেড়ে দিয়ে হাযুকি কেবলই সিগারেট ধরাতে উদ্যত,তখনই সে আবিষ্কার করলো যে লোকটি আর কেউই না,রোক্কার পরলোকগত স্বামী,আতসুশি শিমাও এবং ইনাকে হাযুকি ছাড়া আর কেউই চোখে দেখে না। এই শিমাও কুন বড্ড স্বার্থপর্। রোক্কাকে নিজের কাছে রাখতে চায়,মুভ অন করতে দেয়না। রোক্কা আর হাযুকির ইন্টিমেট মোমেন্টগুলোতে এসে ঝামেলা করে দেয়। কাউকেই প্রোগ্রেস করতে দেয়না। আপাতদৃষ্টিতে কথাগুলো হিউমারাস মনে হলেও,দেখতে বড়ই কষ্টের্। রোক্কার নিজের স্বামীর প্রতি ফিলিংস প্লাস হাযুকির জন্য নতুন নতুন সব অনুভুতিগুলো সামাল দেওয়া,মুভ অন করার যে আত্মদ্বন্দ- এসব দেখা বড়ই “heart-wrenching”

Natsuyuki Rendezvous 6 Natsuyuki Rendezvous 5

এন্ডিং এ কি হয় বলবো না,কিন্তু আমার দেখা অন্যতম প্রিয় এন্ডিংগুলোর মাঝে এইটা থাকবে। শেষ যখন “ইতাযুরা না কিস” দেখেছিলাম,তখন এরকম তৃপ্তি পেয়েছিলাম। জোসেই ফ্যানদের জন্য মাস্ট ওয়াচ। আর আপনার যদি সাকামিচি নো এপোলোন,নানা,কুরাগেহিমে,শৌওয়া রাকুগো ভাল্লাগে,তাহলে অবশ্যই এটা দেখবেন।

Natsuyuki Rendezvous 3 Natsuyuki Rendezvous 4
ওপেনিং আর এন্ডিং সং খুব বেশি সুন্দর্। একেবারে মন ঠান্ডা করে দেওয়ার মত। আর প্রত্যেকটা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক খুব বেশি সুথিং। অলস গ্রীষ্মের দুপুরে কিছু না করার থাকলে এক সিটিং এ শেষ করে দিতে পারেন ১১ এপিসোডের এই অসাধারন এনিমে।

আমার রেটিং ৯/১০

Natsuyuki Rendezvous 8 Natsuyuki Rendezvous 7

কিও নো কিরা কুন(Kyou no Kira-kun) [মাঙ্গা রিভিউ] — Ahmed Samira Niha

কিও নো কিরা কুন (Kyou no Kira-kun)
জন্রা:শৌজো,রোমান্স,হাইস্কুল,স্লাইস অফ লাইফ,কমেডি,ট্রাজেডি

প্রত্যেকটা শৌজো বেসিকালি হালকা একটু ঊনিশ বিশ করলেও প্রায় সেইম প্লট ফলো করে। পপুলার/আনপপুলার ছেলে/মেয়ের সাথে পরিচয় হয় পপুলার/আনপপুলার আরেক ছেলে/মেয়ের সাথে। প্রথম প্রথম একজনের সাথে আরেকজনের দা-কুমড়া সম্পর্ক থাকলেও কাহিনির মাঝপথে যেয়ে একজন আরেকজনের প্রতি নিজের আকর্ষণের কথা টের পেলেও তা আর বলতে পারেনা।বাংলা সিনেমার ভাষায় “বুক ফাটে তো মুখ ফাটেনা” টাইপ অবস্থা। এরকম করে প্রায় কয়েক শতাব্দী কেটে যায় নিজের ফিলিংস এক্সপ্রেস করতে করতে,অবশেষে কাহিনীর সমাপ্তি ঘটে বহু প্রতিক্ষিত চুম্বনের মাধ্যমে।

KnKK 1
যে মাঙা নিয়ে কথা বলতে যাচ্ছি সেটা টিপিকাল স্টোরিলাইন ফলো করলেও নট সো টিপিকাল।
নায়িকা নিনো ওকামুরার ছোটকালে বুলিইং এর শিকারের ফলে কপালে মস্ত একটা কাটা দাগ থেকে যায়। তারপর থেকে সে হয়ে যায় বিশিষ্ট ইন্ট্রোভার্ট,অগোছালো, অপ্রস্তুত এক মেয়ে যার কপালের উপরের বিশাল ব্যাংস তার কাটা দাগ সহ মুখের অর্ধেকখানি ঢেকে রাখে। ষোলকলা পূর্ণ করতে তার সাথে সবসময় একটা পাখি থাকে,যে আসলে কিনা সুপার জিনিয়াস এবং কথা বলতে ও বুঝতে সক্ষম। যার কারণে স্কুলে নিনোর নাম হয়ে যায় “ক্ষ্যাত bird woman”।
নায়ক কিরা ইয়ুজি স্কুলের পপুলার+ইতর প্রজাতির এক ছেলে যে কিনা আবার নিনোর সামনের বাসায়ই থাকে। নিনো এবং ইয়ুজির ব্যালকনি এত কাছাকাছি যে ছোটখাটো একটা লাফ দিলে অনায়াসেই একজন আরেকজনের রুম ভিজিট করতে পারবে। দুজনের কেউই কোনোদিন কারো সাথে ইহকালে একটা বাক্যবিনিময় করেনি প্লাস নিনোর রুমের এপাশ থেকে ওপারে কিরার রুমে বিভিন্ন মেয়ের সাথে ইতরামির সমস্ত সাক্ষী হওয়াতে নিনো কখনো তার প্রতিবেশীর সাথে আলাপ করতে আগ্রহী হয়না।

KnKK 2
হঠাতই একদিন নিনোকে তার মা জানালো যে পাশের বাড়ির ছেলের হয়েছে এক মরণব্যাধি,যার কারনে কিরার হাতে আছে কেবল এক বছর্। কিরাকে স্কুলে দেখাশোনা করার সমস্ত দায়িত্ব দেওয়া হলো নিনোকে। একটু একটু কৌতূহলী নিনো যখন সত্যতা যাচাই করতে যায়,তখন ব্যাড বয় কিরার অন্য রূপ আবিষ্কার করে সে। বহু ঘটনার মধ্য দিয়ে একজন আরেকজনের কাছাকাছি আসে,ভাল বন্ধু হয়,এবং বন্ধুত্ব একসময়ে প্রেমে পরিণত হয়। কিন্তু কিরার টাইম লিমিট ছাড়াও তাদের দুজনের মাঝে আসে অনেক প্রতিবন্ধকতা। নিনো আর কিরা কি শেষ পর্যন্ত পারবে দুজন দুজনের হতে?যদি আগ্রহ জাগাতে পারি,তাহলে অবশ্যই মাঙ্গাটা আপনি পড়বেন।
কেন পড়বেন?

KnKK 3
টিপিকাল শৌজো হলেও কাহিনী খুব একটা টিপিকাল না।
মেইন নায়িকা অনেক কিউট,মোয়ে টাইপ,কিন্তু ক্রাইবেবি না বা এনয়িং না। হ্যাঁ,সে কাঁদে। যেসব জায়গায় কাঁদতে হবে সেসব জায়গায় কাঁদে। কিন্তু তাছাড়া সে যেভাবে লজ্জা-জড়তা কাটিয়ে কিরাকে সাহায্য করার জন্য নিজেকে চেঞ্জ করে,সেটা যথেষ্ট প্রশংসনীয়। আর নায়ক পুরাই ক্রাইবেবি। এরকম ক্যারেক্টার দেখে খুবই মজা পেয়েছি। নায়ক উপরি উপরি শক্ত ভাব দেখালেও একটুখানি ভাল ব্যবহার কিংবা নিনোর দয়ালু কাজকর্মে পুরোই গলে যায় এবং লিটারেলি আবেগে কেঁদে দেয়। আর তাছাড়া কিরার ফ্রেন্ড,ইয়াবে,সাইড ক্যারেক্টার নাম্বার ওয়ান,কাহিনীর পেস চেঞ্জ করার পিছনে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। মাঝে মাঝে সাইড ক্যরেক্টারদের স্ট্রাগলদের কাহিনি,হতে হতেও হয়নি একটা লাভ ট্রায়াঙ্গল,ক্লিশে শৌজো ভুল বুঝাবুঝি-এসবের জন্যই এই মাঙ্গাটি এঞ্জয়েবল হয়েছে। মাঙ্গার আর্ট অনেক সুন্দর। আহামরি ডিটেইল্ড না,কিন্তু ভাললাগার মত ভাল।
আর সবচেয়ে বড় প্লাস পয়েন্ট হলো -জায়গামত দোকি দোকি মোমেন্টস,যা সত্যিই মন ছুঁয়ে যাবার মত।

KnKK 4
না পড়ার কারন-
আপনি যদি এক্সট্রিম খুঁতখুঁতে হয়ে থাকেন জন্রা কিংবা শৌজোর ব্যাপারে,তাহলে এটা না পড়াই ভাল। “unpopular girl meets bad popular boy and they change each other life” টাইপ কাহিনি অনেক কমন।এটাও ব্যতিক্রম না।
চ্যাপ্টার ৩৬ কিন্তু সবকয়টা এখনো স্ক্যানটেলেড হয়নি। সবখানে ২২ পর্যন্তই আছে। সে হিসেবে এখনো অনগোয়িং।
আর মাঙ্গাকার নাম মিকিমোতো রিন। ইনার আর কোনো কাজ কখনো পড়া হয়নি কিন্তু এই মাঙ্গা পড়ার পরে ইনার অন্য মাঙ্গা পড়ার আগ্রহ হয়েছে।
আপনি যদি লাইট হার্টেড কিছু পড়তে চান,কিংবা শৌজো পছন্দ করে থাকেন,তাহলে পড়ে দেখতে পারেন । আপনার সময় বৃথা যাবেনা।
পার্সোনাল রেটিং: ৯/১০
ম্যাল রেটিং: ৮.১৬/১০

KnKK 5