Anime OST Facts! by Tahsin Faruque Aninda

“You Raise Me Up”

একজন আনিমে দর্শক যার কাছে আনিমে ছাড়া বাইরের দুনিয়ার গান নিয়ে আগ্রহ বা জ্ঞান খুব বেশি না থেকে থাকে, তার কাছে হয়তো এই নামটি শুনে চোখে [mainly কানে ] ভেশে উঠবে Romeo x Juliet আনিমেটির Opening Track হিসেবে জাপানিজ ভার্শনটি এবং 3rd Ending Track হিসেবে ইংলিশ ভার্শনটি। এই আনিমে সিরিজটির শেষ এপিসোডের জন্যে বিশেষভাবে এই গানটি ইংলিশ ভার্শনে এন্ডিং সং হিসাবে থাকে।

কোরিয়ান গায়িকা Lena Park এর কন্ঠে সুমধুর সুরের এবং হৃদয়ছোঁয়া লিরিক্সের গানটি অনেকেরই বেশ প্রিয়। রোমান্টিক গান হিসেবে এটি যে কারও পছন্দের তালিকায় ঢুকে যাবার যোগ্য একটি গান

এখন, কেউ যদি আনিমে জগতের বাইরের দুনিয়ার গানবাজনা নিয়েও কিছু খেয়াল রাখে, তাহলে যা হবে, “You Raise Me Up” এইটুকু শুনেই বুঝে যাবে যে আইরিশ বয় ব্যান্ড Westlife-এর সবচেয়ে বিখ্যাত গান এটি! তাদের গানের এই ভার্শনটি UK Singles Chart-এ ১ নম্বরে উঠে এসেছিল

দুইটি বেশ বিখ্যাত ভার্শনের ব্যাপারে জানলাম। তবে দুঃখের বিষয়, গানটির সবচেয়ে সুন্দর ভার্শনটি হয়তো খুবই কম মানুষ শুনে থেকেছে, যে ভার্শনটি শুনে চোখেও পানি চলে আসতে পারে। [আমার চোখে আসে এইটুক বলতে পারবো, এত বেশি সুন্দর লেগেছে আমার! :’D ]

আর সবচেয়ে সুন্দর এ ভার্শনটি হল অরিজিনাল গানটি, যা Irish-Norwegian duo Secret Garden এর চতুর্থ এলবাম Once in a Red Moon-এ এসেছে। গানটি রিলিজ পাওয়ার পর থেকে এখন পর্যন্ত প্রায় ১০০-এরও বেশি গায়ক/গায়িকা গানটি পারফর্ম করে এসেছেন। গানটি নিয়ে খুব বেশি কিছু বলার ভাষা আমার নাই! নিচে লিংক দেওয়া আছে, সম্ভব হলে অন্তত একবার করে হলেও গানটি শুনে দেখুন।

You Raise Me Up
i) Romeo x Juliet ~ Inori [Japanese] by Leena Park, link: http://www.youtube.com/watch?v=Ey0PZRsyPg4
ii) Romeo x Juliet ~ Inori [English] by Leena Park, link: http://www.youtube.com/watch?v=BcE0nAzKjD4
iii) Westlife’s “You Raise Me Up”, link: http://www.youtube.com/watch?v=Rkkw8RhH9ck
iv) Secret Garden’s “You Raise Me Up”, link: http://www.youtube.com/watch?v=AfMBICeX3sg

Annarasumanara [মানহোয়া রিভিউ] by Tahsin Faruque Aninda

 

ছোটকালে মানুষের জীবন থাকে অনেক রকমের স্বপ্নে পূর্ণ, জীবনের প্রতিটি ছোটবড় ঘটনা যেন জাদুর ছোঁয়ায় হয়ে উঠে রঙিন। বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে যেন সেই সব অদ্ভুত সৌন্দর্যময় দিনগুলি জায়গা ছেড়ে দেয় কর্মব্যস্ততার জীবনকে, জাদুময় পৃথিবীকে গ্রাস করে নেয় নির্মম বাস্তবতা। সমাজে সম্মানজনক অবস্থানের জন্যে বেঁছে নিতে হয় ভাল পেশা, পরিবারকে দেখে শুনে রেখে দুনিয়ার সামনে মাথা উঁচু করে হেঁটে চলবার পথ। নিজে ভালমতো খেয়েপরে নিয়ে সবাই চায় তাদের সন্তানেরাও যেন তাদের দেখানো পথে চলে, সবাই যেন ঠিকমতো “বড় হয়ে উঠে”।
তবে কেউ যদি সমাজের দেখানো পথে “বড় হয়ে উঠতে” না চায়, তাহলে কী হবে? সমাজ কি তার এই “ছোট থেকে যাওয়া” মেনে নিবে? নাকি সবাই তাকে আর সবার মতই তথাকথিত স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার জন্যে উঠেপরে লাগবে?
তারচেয়েও বড় প্রশ্ন, সবার দেখানো পথে “বড় হয়ে উঠে” জীবন গড়ে তুলার বিরোধিতা করে ছোটকালের সেই স্বপ্নময় জীবনকে তাড়া করে ছুটলে কী হবে সেই মানুষটির? তার জীবন কি সেখানেই থেমে থাকবে? নাকি কারও তোয়াক্কা না করে আপন গতিতে ছুটে চলতে পারবে জীবনের পথে?

Annarasumanara নামক মানহোয়াটি পড়ার সময়ে এরকম বিচিত্র প্রশ্ন মাথায় আসবে পাঠকদের। Ha Il-Kwon এর আঁকা ও লেখা এই ওয়েবটুনটি ৩টি ভলিউমে ২৭ চ্যাপ্টারে প্রকাশিত হয়।

কাহিনী: গল্পের নায়িকা Yoon Ah-Ee এক গরীব পরিবারের মেয়ে। পড়াশুনায় তুখোড় এই ছাত্রীর জীবন দারিদ্রতায় অসহনীয় হয়ে উঠে। পরার কাপড় ছিড়ে গেলেও নতুন কাপড় কিনতে চিনতা করতে হয় যে এই খরচের পর মাসের বাকি দিনের জন্যে খাবার কিনবার মত টাকা থাকবে নাকি হাতে। নতুন ক্লাসে তার পাশের চেয়ারেই জায়গা হয় Na Il-Deung-এর, যে শহরের অন্যতম ধনী পরিবারের ছেলেই শুধু নয়, ভাল ফলাফলে সবাইকে ছাপিয়ে স্কুলের সেরা ছাত্রও বটে। পড়াশুনার জন্যে অঢেল টাকা খরচ করে ফেলা তার কাছে কোন ব্যাপারই নয়। এদিকে এত বড় সম্পদশালী পরিবারের ছেলের পাশে বসে থেকে Ah-Ee-এর চিন্তাভাবনায় সারাক্ষণ চলে আসে তাদের দুজনের মধ্যে জীবনধারণের পথের এত বড় পার্থক্যের ব্যাপারটি।

তাদের স্কুলে একদিন হঠাৎ একটি গুজব ছড়িয়ে পরে যে পরিত্যক্ত এমিউজমেন্ট পার্কে এক জাদুকর এসে উঠেছে, আর সেখানেই থাকে এখন। জাদুকরটি একটু রহস্যময়, আর সে নাকি যেকোন মানুষকে গায়েব করে দেবার জাদু দেখাতে গেলে সত্যি সত্যি সেই মানুষকে গায়েব করে ফেলতে পারে। Yoon Ah-Ee ঘটনাচক্রে একদিন সেই জাদুকরের সামনে পরে, যে তাকে প্রথমেই একটি প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে, “Do you believe in magic?”

Ah-Ee এর ছোটকালে সবসময়ে শখ ছিল জাদু শিখা, বড় হয়ে সে হতে চেয়েছিল একজন জাদুকর। কিন্তু তার বাবা তাকে ও তার ছোট বোনকে ফেলে চলে যায় ঋণের বোঝা মাথায় চাপিয়ে দিয়ে। সংসারের টানাটানিতে এক সময়ে ছোটকালের সেই সুন্দর স্বপ্ন ঝেড়ে ফেলে বাস্তবতার মুখোমুখি হয়। নুন আনতে পান্তা ফুরানো জীবনে সে জলদি বুঝে উঠে, পড়াশুনায় ভাল ফলাফল করে ভাল একটি চাকুরী পেতে হবে তাকে। আর তাই এতদিন পর ছোটকালের সেই পূরণ করতে না পারা স্বপ্নের ব্যাপারটি তাকে গভীরভাবে আঘাত করে। জাদুকরের জীবন বেঁছে নিলে পরিবারকে কী খাওয়াবে? সমাজ তাকে কী চোখে দেখবে? সত্যিকারের জাদু বলতে কিছু নেই। এটি শুধুই চোখে ধুলো দেওয়া এক খেলা, যা মানুষকে বিনোদনই দিতে পারে, এর বেশি কিছুই না।

এদিকে রহস্যময় জাদুকর বারবার তাকে একটি কথাই বলে, সে সত্যিকারের জাদুকর। সে সত্যি সত্যিই জাদু জানে। কথাটি Ah-Ee মেনে নিতে না চাইলেও তাকে মাঝেমাঝেই কিছু অবাস্তব ধরণের জাদু দেখিয়ে দিতে থাকে। আর সেই সাথে Ah-Ee-কে একটি প্রশ্নের সামনে দাঁড় করিয়ে দেয়, তার ছোটকালের স্বপ্ন কি সে চাইলে এখনও পূরণ করতে পারবে?

চরিত্র: গল্পের মূলে রয়েছে তিন প্রধান চরিত্র: দরিদ্র কিন্তু মেধাবী ছাত্রি Yoon Ah-Ee, বড়লোক ঘরের দেখতে হ্যান্ডসাম ও মেধাবী ছাত্র Na Il-Deung, এবং রহস্যময় জাদুকর। পুরো গল্পটি এই তিনজনকে কেন্দ্র করে গড়ে হয়ে উঠে, আর ধীরে ধীরে তিনজনেরই চরিত্রের বিকাশ দেখানো হয়েছে সুন্দরভাবে।

বাস্তবতার দিকে তাকিয়ে অনেক পরিণত চিন্তার Yoon Ah-Ee জানে অনেক পরিশ্রম করে গরীব পরিবারের হাল ধরতে হবে। আবেগে গা ভাসিয়ে না দিয়ে সত্যের মুখোমুখি হওয়া তার সিদ্ধ্বান্তে লক্ষণীয়।
Il-Deung বিশ্বাস করে উন্নত সুখময় জীবনের জন্যে দরকার অনেক টাকা-পয়সা ও ভাল পেশা। আর বড়লোকের ঘরে জন্মানোতে সে সেইসব সুবিধা উপভোগ করতে পেরে নিজেকে আসলেই অনেক সৌভাগ্যবান ভাবে।
বিলাসিতার জীবন ছেড়ে আসা জাদুকর নিজের জীবনের স্বপ্নের পথেই পা বাড়ায়। বয়স বাড়লেও, মানসিকভাবে কখনও বড় হয়ে উঠতে না চাওয়া এই জাদুকর সবাইকে মনের কোনে লুকিয়ে থাকা ছোট্ট শিশুটিকে জাদু দেখিয়ে আনন্দ দেখিয়ে বেড়ায়। তার বিশ্বাস জীবনে সবসময়ে স্বপ্নের পথেই এগিয়ে যাওয়া উচিৎ, সমাজের বাহবা পাওয়ার লক্ষ্যে নিজেকে বিলিয়ে না ইয়ে জীবন উপভোগ করাই হওয়া উচিৎ জীবনের সত্যিকারের লক্ষ্য।

আর্ট: মানহোয়াটির আর্টের মধ্যে একটা অন্যরকম সৌন্দর্যের ছোঁয়া আছে। মাঝে মাঝে এবস্ট্রাক্ট আর্টের ব্যাপারটি চোখে পরার মত, আর সেই সৌন্দর্য অনেক বেশি উপভোগ্য! জাদুর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা মানহোয়াটিতে মাঝে মাঝেই দেখা যায় একটি পুরানো বন্ধ হয়ে যাওয়া এমিউজমেন্ট পার্কের চোখজুড়ানো সৌন্দর্য! চিত্রবহুল এই মানহোয়াতে এক প্যানেল থেকে আরেক প্যানেলে অংকনের পরিবর্তনগুলি কাহিনীতে গভীর ছাপ ফেলে। সবচেয়ে বেশি চোখে যা পরবে তা হল আর্টে একটা ডার্ক থিম থাকলেও কাহিনী সেরকম ডার্ক নয়, যাতে এ দুটি জিনিসের কম্বিনেশন অসাধারণ হয়ে উঠেছে!

একজন বাস্তববাদী, একজন অভিজাত-বংশীয় এবং একজন জাদুকরের কাহিনী আপনাকে মনে করে দিবে শুধু লোকদেখানো নয়, নিজের জীবনকে নিজের মত করেও গড়ে তুলা উচিৎ। স্বপ্ন শুধু স্বপ্নে থেকে যাবার জন্যেই নয়, সেটাকে বাস্তবে রূপ দিতে পারাটা জীবনের সবচেয়ে সুন্দরতম দিক!

মনে গভীর ছাপ রেখে যাবার মত ঘটনাবহুল একেকটি অধ্যায়, সেই সাথে চোখজুড়ানো আর্ট এই মানহোয়াটিকে স্বাভাবিকভাবেই খুব জলদি আপনার মনোযোগ কেড়ে নিবে। গল্পের একটি উল্লেখযোগ্য দিক হল, কাহিনী আগানোর সাথে সাথে চরিত্রগুলি অনেক সুন্দর ভাবে বিকশিত হয়। চরিত্রগুলিতে দেখার মতন পরিবর্তন আসে। জাদুর উপর ভিত্তি করে গড়ে উঠা কাহিনীতে চরিত্রগুলিও জাদুময় কিছু মুহুর্ত উপহার দিতে পারবে। 

প্রায় ৪০-৫০ পাতার একেকটি চ্যাপ্টার পড়তে খুব বেশি সময় নিবে না হয়তো। অতএব কমিক্স, মাঙ্গা, মানহুয়া ও মানহোয়া পাঠকেরা এই মানহোয়াটি না পড়ে থাকলে আর দেরী না করে এখনই পড়ে ফেলুন, আর উপভোগ করুন অসাধারণ সুন্দর একটি গল্প! জাদুময় কিছু মুহুর্তই আপনার জন্যে অপেক্ষা করছে 

MyAnimeList Rating: ৮.৬৯/১০
আমার রেটিং: ১০/১০

[লেখাটি একই সাথে somewhereinblog-এও আপলোড করা হয়েছে, লিংক: http://www.somewhereinblog.net/blog/aulaaninda/29911178 ]

Yuusha ni Narenakatta Ore wa Shibushibu Shuushoku wo Ketsui Shimashita. (Yuushibu) – Review By Tahsin Faruque Aninda

এপিসোড: ১২
জনরা: কমেডি, ইচ্চি, ফ্যানটাসি, রোম্যান্স

রাউল চেজার, সে এক হিরো একাডেমির স্টুডেন্ট ছিল আর স্বপ্ন ছিল একদিন হিরো হয়ে উঠবে আর ডিমন লর্ডকে হারিয়ে দিবে। কিন্তু এরই মধ্যে কেউ একজন ডিমন লর্ডকে যুদ্ধে পরাজিত করে, আর সমগ্র হিরো বনাম ডিমন সিস্টেম ভেঙ্গে পরে। এখন সে একজন সাধারণ মানুষ, আর লিওন নামক ম্যাজিক শপে সে এখন একজন সেলসম্যানের কাজ করে।
এমন সময়ে একজন দোকানে আসে চাকরির জন্যে, তার রেজ্যুমে-তে লিখা:

নাম – ফিনো
পূর্বের পেশা – ডিমন লর্ডের উত্তরাধিকারী
চাকরির আবেদনের কারণ – আমার বাবা হেরে গিয়েছে তাই

এখান থেকেই শুরু হয় হিরো হতে হতেও না হতে পেরে অবশেষে বিরক্ত হয়ে সেলসম্যানের কাজ নেওয়া রাউল এবং অতিরিক্ত পজিটিভ মানসিকতার ডিমনলর্ড-কন্যা ফিনোর কাহিনি।

পুরো আনিমের সারমর্ম এভাবে বলে দেওয়া যায়-
১/ রাউল ফিনোকে শিখায় যে এভাবে এভাবে কাজ করতে হবে, আর ফিনো সেগুলা ধীরে ধীরে শিখতে থাকে
২/ ইচ্চি
৩/ ফিনো অনেক বেশি পজিটিভ
৪/ ইচ্চি
৫/ ইচ্চি
৬/ অন্য একটা সুপারশপের সাথে লিওন শপের কর্মীদের পাট্টাপাট্টি, কারা বেশি বিক্রয় করতে পারে
৭/ ইচ্চি
৮/ মাঝে মাঝে ঝাপসা করে দেওয়া ন্যুড শট [যা হয়তো পরে আনসেন্সর্ড প্রিন্টে ঝাপসা নাও থাকতে পারে ]
৯/ সবশেষে, ইচ্চি

এত্তগুলা ইচ্চি দেখে হয়তো বুঝাই যাচ্ছে যারা ইচ্চি দেখতে পছন্দ করেন তারা এইটা দেখে মজা পাবেন। ঘটনা সেরকমই!
আমার সাজেশন, ইচ্চি আনিমে ভাল লাগলে ট্রাই দিতে পারেন, ভাল টাইম পাস হবে। আর ইচ্চি ভাল না লাগলে এইটা দেখে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আসতে পারে।

সব মিলিয়ে, একটি “OK” সিরিজ।

MyAnimeList রেটিং – ৭.১৬/১০ [এই মুহুর্তে]
আমার রেটিং – ৬.৫/১০

ক্যাটাগরি: “টাইমপাস”

 

## Sasuke Shippuden – a small fairytale## by Tahsin Faruque Aninda

 

~~ ১৮+, ১৮-, সকলকেই সাবধানতা অবলম্বন করে রুপকথাটি পড়বার অনুরোধ জানানো হইলো। বিখ্যাত এই রুপকথাটি নিয়ে বেশ কিছু বছর আগে নাম পরিবর্তন করে Naruto নামে একটি আনিমে তৈরি হয় যা এখনও বেশ দাপটের সাথে এগিয়ে চলছে ~~

## Sasuke Shippuden – একটি ছোট্ট রুপকথা ##

একদা সাসকিকুন এক “ছেলে”ধরা পেদো-সাপের খপ্পরে পড়লো, যে কিনা সাসকির “শরীর” চায়।

প্রথম প্রথম সাসকি বললো, “তুই আমার দেহ পেলেও এটা-সেটা পাবি না”
পেদোকুন বলিলো, “দেহই তো চাই! বাকিটুকু নিজে করে নিব। তবে আমার বাসায় অনেক খেলনা আছে।”
সাসকি ভাবলো, আহা কি ভাল সাপ! খেলনা দিবে, খালি শরীরটা নিবে। খারাপ কি! তখন খুশিতে গদগদ হয়ে নাচতে নাচতে সাপটির সাথে চলে গেলো সাসকিকুন, যাবার সময়ে তার বান্ধবি শাক্রাকে ঢুশ মেরে দিয়ে গেল যেন তাকে কখনই না ভুলে। আর এতদিন জানের সাথি নার্তুকে বুড়োআঙ্গুল দেখিয়ে চলে যেতে একটুও দ্বিধা করলো না…

এদিকে দিন যায়, বছর যায়, সাসকি বড় হয়। সাসকির “শরীর”-এর দেখভালের জন্যে পেদো-সাপ তাকে অনেক ভাল খাবার দেয়, সুন্দর খেলনা দেয়, তার বয়সী কিছু ছ্যাছড়া পোলাপাইনের সাথে খেলাধুলার সুযোগ দেয় যাতে “শরীর”-এর সাথে সাথে সাসকির এটা-সেটা এবং “মন”টাও পেয়ে যেতে পারে!
তবে বয়সের দোষে বড় হতে হতে খেলনার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়, আর নিজেই অন্যের শরীরের দিকে আকর্ষিত হতে থাকে। নিজে রীতিমত খোলামেলা কাপড়চোপড় পরা শুরু করে।

সাসকির এই পরিবর্তন দেখে পেদো-সামা আর লোভ সামলাতে পারলো না! ভাবলো, “এতদিনের আরাধনা অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছে! সাসকি হবে আমার! ওর শরীর হবে আমার! ওর এটা-সেটাও হবে আমার!!!”

যদিও পেদো-সামা এত কিছু পরিকল্পনা করছিল, আর ভাবছিল কিভাবে সাসকিকুনকে ধোঁকা দিয়ে তার শরীর হাতিয়ে নেবে, কিন্তু তাকে বিস্মিত করে সাসকি নিজে চলে আসে পেদোসামা-সর্পরাজের কাছে। পেদোরাজকে বিছানায় পেয়ে বলেই বসে, “পেদোসামা সর্পকুন, এবার কি চাও বল।”

সাসকিকুনের বীরত্মে সর্পসামা আর লোভ সামলাতে না পেরে ঝাপিয়ে পরে সাসকিকুনের উপর। কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধস্তি চললো। সাসকিকুন তার জামা খুলিয়া ফেলিল, পেদোসামা দেখিল সাসকির পাখা গজিয়ে গিয়েছে! পিপীলিকার পাখার কাহিনি মনে পরে খুশিতে সাসকিকুনের উপর ঝাপিয়ে পরলো পেদোদামা, সাসকির শরীর এবার শুধুই তার হবে, আর কারও নয়!
তবে বয়সের সেই পুরানো দোষ, সাসকি নিজের শরীর দিতে নয়, পেদোসামার শরীরই পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলো। এবং চক্ষু দিয়ে খুটিয়ে খুটিয়ে পেদোরাজের সমস্ত শরীর নিজের করে নিল!

পেদো হয়ে গেল সাসকিকুনের, এখন সে মুক্ত! কিন্তু যেমন গুরু তেমন শিষ্য বলে কথা। পরের শরীর ভোগের সেই লালসা সাসকির এখনও যায় নি। এবার পালা তার ছ্যাছড়া ডিজুস দলের। একে একে তিনজনকেই মুক্ত করে নিল সাসকি। যখন শরীর নিস্তেজ হয়ে পরে, তখন রাক্ষুসে জুগুকে শরীর শোষণ করে নেয়। পানির ছলনা দেখে মোহিত হতে গেলে চুইগেতুসকে নিয়ে ছেলেখেলায় মত্ত হয়। আর কারিনার তো কথাই নাই! ক্ষুধা লাগলেই কামড়িয়ে বসে!!!

এভাবেই সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো সাসকিকুন ও তাহার তাকু নামক দলটি।

~~ আমার কাথাটি মুড়িল, জুবি-গাছটি ফাটিল ~~

Sword Art Online: review from Tahsin Faruque Aninda

Sword Art Online অবশেষে শেষ দিলাম। আর ভাগ্য ভাল অন্যদের কথা শুনে মাঝপথে দেখা থামাই নাই! আমার কাছে মারাত্মক ভাল লাগসে এইটা!!! 

বেশিরভাগ দর্শককেই বলতে শুনসি যে মাঝপথ থেকে হিন্দি সিনেমা বানায় দিসে। আমার কাছে একদমই লাগে নাই!
এই আনিমেটার মেইন থিম VRMMO এবং প্রেমকাহিনি, শুধু গেমিং নিয়ে আনিমে বললে ভুল হবে।

ALO আর্কটাতে নায়িকা পুরাটাই অন্য আরেকজন [স্পয়লারের জন্য বলছি না  ]
সবমিলিয়ে এই আর্কটাও ভালই করেছে 

যাই হোক, দুর্দান্ত কিছু OST আছে যা এখনই সব ডাউনলোড করতে দিতেসি 

ওভারঅল, I LOVED IT! 

যারা এখনও দেখে নি, তারা অন্যদের কথা না শুনে নিজে দেখে বিচার করুন। একদল বলে এটা বিরক্তিকর, আর আমার মত আরেকদলের কাছে খুবই সুন্দর লেগেছে 
MAL রেটিংটা আমার কাছে যুতসুই লেগেছে 

[এটার অন্য আরেকটা VRMMO নিয়ে কাহিনি আছে শুনেছি, সেইটা দেখার আশায় আছি! ]

 

 

Fullmetal Alchemist Brotherhood : review by Tahsin Faruque Aninda

 

Fullmetal Alchemist Brotherhood শেষ দিলাম!!!
শান্তি যে এই জিনিস মরার আগে দেখে যেতে পারলাম… … …

আমার এখন FMA সিরিজের জন্য রিভিউ লেখার কোনই মানে নাই, রিয়েকশন পোস্ট দেওয়ারও কোন অর্থ নাই, খালি এইটুকুই বলবো, এইটার রেটিং ১০ মধ্যে এত বেশি দিতে ইচ্ছা করছে, যেটা সংখ্যায় প্রকাশ করা যাবে না!!!

তবে MyAnimeList-এ যেহেতু ১০-এর ভিতর ১০ এর বেশি দেওয়া সম্ভব না, তাই ঐখানে আমার completed, ongoing, on-hold – সব আনিমের রেটিং নতুন করে দিতেসি।
এইটাকে ১০ দিলে, অন্য অনেক আনিমে আছে যেইগুলার রেটিং ৬-৭-৮-৯-১০ এরকম দেওয়া মানাবে না, সেটা এই Fullmetal Alchemist Brotherhoodকে অপমান করবে।

এখন FMA বেশি ভাল নাকি Death Note নাকি Code Geass, এরকম আলোচনায় যাব না। কিন্তু একেকটা একেক ধরণের, আর আলাদা ধরণের জিনিসের মধ্যে কম্প্যারিজন চলে না।
তবে আমার টপ আনিমে লিস্টের টপ-মোস্ট জায়গা থেকে FMAB এর অবস্থান সরে যাবে না এইটা over 9000% guaranteed!!! 

[মাফ করে দিয়েন সবাই, Code Geass-এর নাম নিলেও এটা দেখা হয়ে উঠে নাই। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু দিতে চাই, তবে তার আগে FMAB জ্বর থেকে রিকভার করতে হবে অবশ্যই  ]

[[আর ছবিটা FMAB Koma Theater-এর, ৩মিনিটের একেকটা এপিসোড করে মোট ১৬টা এপিসোড। এইটা যারা দেখে নাই, অবশ্যই অবশ্যই দেখে ফেলে যেন!!!
দেখার পর মনে হবে, শুধু koma theater-এর কাহিনি নিয়েই আরেকটা যেন বিশাল এবং অসাধারণ Fullmetal Alchemist সিরিজ তৈরি হয় অন্তত!!!!  (Y)]

School Days – রিভিউ নয়, একটি রিয়েকশনধর্মী এবং জনসচেতনতামূলক পোস্ট by Tahsin Faruque Aninda

ছবিটি দেখুন, কি সুন্দর না নায়িকা দুজন!!! হাউ কিউট!!!!
[আসলেই কিউট কিন্তু, কোন মশকরা করতেসি না]

 

এবার আনিমেটি নিয়ে আমার রিয়েকশনগুলি ধাপে ধাপেই শেয়ার করি সবার সাথে 

# Step 1 – প্রথম দর্শন
প্রথমেই একটি জিনিস পরিষ্কার করে নেই সবার কাছে। সবাই যখন বলে যে এটি একটি sick ধাঁচের আনিমে, অন্য সবার মতনই আমার প্রথম রিয়েকশন: “ওহো! তাইলে বর্ডারলাইন ইচ্চি বুঝি!!  ” , বিশেষ করে ক্যারেক্টার এনিমেশন দেখে সেরকমই আইডিয়া হলো।

# Step 2 – ভুল ভাঙ্গন
দেখার কিছুক্ষণ পরে ভাবলাম, কোথায় সেই বর্ডারলাইন টাইপ ইচ্চি? MyAnimeList চেক করলাম, genre-এ ইচ্চি বা হেন্তাই দেখলাম না। দেখলাম Drama, Romance etc.
রিয়েকশন: “আয়হায়! তাইলে টোয়াইলাইটের আনিমে ভার্শন নাকি!? চিন্তার বিষয়…  “

# Step 3 – কাগজ চর্বন
বেশ কিছু এপিসোড দেখলাম, বোরিং এবং পেটে বিরক্তির চুলকানি আনা “কাহানি ঘুর ঘুর কি” টাইপ কাহিনি 
কাগজ চাবানোর মত বোরিং এই জিনিস দেখতে থাকলাম…
রিয়েকশন: “……. …….. ……..”

# Step 4 – আরে, একসাথে এত্তগুলা টুইস্ট!!!
কাহিনি জমতে শুরু করসে দেখি! বোকাচু নায়কটি দেখি হঠাৎ করেই কাহিনির উপর ছড়ি ঘুরাচ্ছে!!!
রিয়েকশন: “Oh yeah, that’s ma boy!  “

# Step 5 – NO NO NO! That’s not my boy!!! 
এবার বুঝলাম ক্যান সবাই এইটাকে এত sick একটা আনিমে বলে 
অনেক কিছুই ঘটলো শেষ এপিসোডের আগ পর্যন্ত
রিয়েকশন: “ইয়ে মানে, পেট ভরা অবস্থায় এই আনিমে দেখা উচিৎ হয় নাই, অস্বস্তি লাগতেসে @_@ “

# Step 5 – FINALLY!!!!!!!!!!!!!!!! m/ m/
আহা! অবশেষে ১১.৫ এপিসোড ধরে চলে আসা এই MONSTROSITY-এর জন্য আদর্শ, মোক্ষম, পার্ফেক্ট এন্ডিং!!! এতক্ষণ ধরে জমে থাকা বিরক্তি একেবারে উগড়ে দিতে পারতেসি m/
ওবাই আই লাভ দিস আনিমে!!!! 

::::::ফাইনাল রিয়েকশন ও কিছু টিপস যারা আনিমেটি দেখতে চান::::::
আমার দেখা সবচেয়ে শিক্ষামূলক আনিমে School Days, কোন সন্দেহ নাই। কেন?
Naruto, One Piece, Fairy Tail শিখিয়েছে নাকামার গুরুত্ব, Bleach শিখিয়েছে নিজের শক্তির উপর বিশ্বাস, Shingeki no Kyojin শিখিয়েছে হরর কাহিনির হ্যাপি এন্ডিং হবে না, তাই হ্যাপি এন্ডিং আশা না করে লক্ষ্য অর্জনের জন্য এগিয়ে যেতে।
আর School Days শিখিয়েছে:
১/ হয় ট্রেনে চড়বো না
২/ অথবা কখনও মেয়েদের পাশে বসবো না
৩/ অথবা প্রেম করবো না
৪/ করলেও অন্য মেয়েকে জানাবো না
৫/ জানালেও সাহায্য চাইবো না
৬/ চাইলেও প্র্যাক্টিকালি সাহায্য চাইবো না
৭/ চাইলেও… ধুরো, লিমিট ক্রস করে গেসি অলরেডি 
৮/ সবসময়ে “Protection” নেওয়া উচিৎ [WTF!]
৯/ সর্বশেষ, এই আনিমেটি পেটে খাবার না থাকা অবস্থায় দেখা উচিৎ… 

রেটিং দিয়ে এরকম একটি শিক্ষামূলক, জনসচেতনতামূলক আনিমেকে বিচার করতে চাই না।
দুষ্টু প্রেমের মিষ্টি কাহিনি নয়, এ যে জীবন থেকে নেওয়া কাহিনি!!!

কেউ যদি জীবনের উপর হতাশ হয়ে পড়েন, এই আনিমেটি দেখে ফেলুন। দেখবেন জীবনটা আসলে কত সুন্দর!!!   

আমার সাজেশন: It’s a must have for collection! 

Out of Sight [ONA] Review by Tahsin Faruque Aninda

11

ছোট্ট একটি শর্ট ফিল্ম আনিমে, যা মনে সুন্দর ছাপ রেখে যাবে কোন সন্দেহ নাই!
কালারফুল দৃশ্য আর চমৎকার মিউজিকের এই শর্ট ফিল্ম দেখার কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝা যাবে সেন্টিমেন্টাল জিনিস নিয়ে কাহিনি হলেও আসলে ঘটনাটা খুবই heartwarming!
ছোট্ট একটা মেয়ের সাথে থাকা ব্যাগ ছিন্তাই হয়ে যায়, তার সাথে থাকা কুকুরটি সেই ছিনতাইকারীকে ধাওয়া করতে দৌড় দেয়, আর শুরু হয় মেয়েটির আশেপাশের পরিবেশকে নতুন করে দেখা!

৫ মিনিটের শর্ট ফিল্মের কাহিনির একটু কিছু বলতে গেলেও সেটা স্পয়লার হয়ে যাবে। তাই আর বেশি দেরি না করে ঝটপট এই শর্ট ফিল্মটি দেখি নেই আমরা যারা দেখি নি এখনও! 

আমার রেটিং: 9/10

লিংক:

https://www.youtube.com/watch?v=4qCbiCxBd2M

éX-Driver, éX-Driver The Movie, éX-Driver: Nina & Rei Danger Zone by Tahsin Faruque Aninda


ছোটকালে প্রথম দিকে যেসব আনিমে দেখতাম, তার মধ্যে ছিল Dragonball Z, Pokemon, Beyblade, Rurouni Kenshi etc etc., এরকমই সে যুগের এক আনিমে হল éX-Driver 
তখন পুরোটা দেখা হয়ে উঠে নি, এখন এই বয়সে এসে দেখা হল সবটুকু। আর দেখেই সেইইইই ছোটকালে ফিরে গেলাম!!! তখনকার আনিমের আর্টওয়ার্কে একটা অন্যরকম ঠান্ডা ভাব ছিল, সেই ২০০০ সালের আগে/পরের আনিমে এটা।

মূল আনিমে আসলে OVA, ৬ পর্বের। সেই সাথে একটি মুভি ও একটি প্রিকুয়েল এপিসোড আছে।
আনিমেটির থিম হল, ভবিষ্যতে মানুষের যানবাহন চলাচল সব AI ভিত্তিক, অর্থাৎ মানুষকে গাড়ি চালাতে হয় না, গাড়িতে উঠে শুধু ডেস্টিনেশনের নাম বললেই চলবে।
AI নির্ভর গাড়ি বলে মাঝে মাঝে এদের কন্ট্রোল নষ্ট হয়ে যায় আর তখন এসব গাড়িকে কন্ট্রোল করে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য জান বাজি রেখে কাজ করে যায় éX-Driver নামের একদল তুখড় গাড়িচালক!

Features:
# স্পোর্টস কারের দুর্দান্ত একশন! 
# এপিসোড ভিত্তিক কাহিনি, তাই ঠান্ডা মাথায় একেকটা এপিসোড এঞ্জয় করা যায় 
# 90’s আনিমের আর্টস্টাইলের যারা ভক্ত, তারা আসলেই খুব এঞ্জয় করতে পারবে 
# প্রিকুয়েল এপিসোডটা standalone episode হিসাবে বেশ চমৎকার!
# ৬ এপিসোডের সিরিজের সিকোয়েল হিসেবে ধরা মুভিটাও একইরকম উত্তেজনা টেনে আনে 

শেষে বলতে চাই, MyAnimeList-এর রেটিং দেখে এটা দেখতে পিছপা হওয়ার দরকার নাই। ছোট্ট একটা আনিমে সুন্দরভাবেই উপভোগ করা যাবে 

আমার রেটিং: 8.5/10

 

BTOOOM! – [সেমি রিভিউ] লেখক তাহসিন ফারুক অনিন্দ্য

এই আনিমেটা নিয়ে এত বেশি রিভিউ বা এত মিশ্র প্রতিক্রিয়া কেন, দেখার পর বুঝলাম।
আর সাথে এইটাও বুঝলাম যে আরেকটা “রিভিউ” লিখলে সবাই ধৈর্য নিয়ে পড়বেও না, পাত্তাও দিবে না। তারচেয়ে কয়েকটা পয়েন্ট অভ ভিউ থেকে হাল্কা পাতলা আলোচনা টাইপ এই সেমি রিভিউ 🙂

6 Btooom

# SAO বা Mirai Nikki এর কম্বিনেশন টাইপ একটা আনিমে মনে হবে, Massively Multiplayer Online gaming এর Online বাদ দিন, আরে Mirai Nikki এর survivor is the winner – ব্যাস, পেয়ে গেলেন BTOOOM! এর আইডিয়া! নিজের জীবন বাজি রেখে এই ভার্চুয়াল নয়, বাস্তব গেমে নিজেকেই অংশগ্রহণ করে শেষ পর্যন্ত বেঁচে থেকে জিততে হবে।

# The +’s

– টান টান উত্তেজনা
– সার্ভাইনিং এর একশন
– এনভায়রনমেন্ট ডিজাইন, এক কথায় অসাধারণ!!!
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভস (:P )

# The -‘s

– নায়ক-নায়িকাকে বাঁচিয়ে দেওয়ার ধরণ + কিছু হাস্যকর লজিক
– হালকা পাতলা ফ্যান-সার্ভিসগুলি কাহিনিতে আনার ধরণ 🙁

# The “Should have these”s

– আরও বেশি এপিসোড
– আরও বেশি একশন
– শুনতে খারাপ শুনালেও, আরও বেশি ভায়োলেন্স [প্লটটি ভয়ংকর সব ভায়োলেন্সের জন্য আদর্শ]
– অবশ্যই একটা Season 2!!! 😀

আমার মতামত:

FMA/FMAB, Death Note, Code Geass এগুলির মতন এক্যুরেট [কিছুক্ষেত্রে প্রায় এক্যুরেট] কাহিনি/লজিকের আনিমে দেখার পর সব আনিমেকে এদের সাথে তুলনা দিতে যাওয়া ঠিক না, একদমই না। সবার আগে একটা আনিমের মূল লক্ষ দর্শকদের বিনোদন দেওয়া, সেটা করতে গিয়ে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এই আনিমে সফল 😀

অবশেষে আমার রেটিং: 7.5/10

[কয়েকজনের একটা বিষয় নিয়ে বিরক্তি দেখে লিখতে গেলাম:

[[Contains Spoilers]]

# বোম্ব বাস্ট হল, মানুষ মারা গেল, অথচ সাথে থাকা বোম্বের বক্স আর তার ভিতর থাকা বোম্ব অক্ষত, এমনকি খাবারের স্যুটকেজটাও অক্ষত
~ যারা এই গেমের অর্গানাইজ করেছে, তারা অবশ্যই এইটা মাথায় রেখেছে যেন তাদের কন্টেস্ট্যান্টদের জিনিসপত্র অক্ষত থাকে, কারণ গেমের নিয়ম যে মারা গিয়েছে তার বোম্ব + জিনিসপত্র বিজয়ী দখল করবে। এখন সেই জিনিসপত্র কিভাবে BIM-proof করেছে, সেই science দেখতে চাইতে গেলে আরেকটা আনিমে করা উচিৎ, এই ১২ এপিসোডের ছোট্ট আনিমেতে এত কিছু দেখানো যাবে না এইটা বুঝাই যায় 😀 ]