Bleach [লাইভ অ্যাকশন রিভিউ] — Tahsin Faruque

(Mild Spoilers warning)

 
অ্যানিমে লাইভ অ্যাকশন অ্যাডাপ্টেশন, আর নেটফ্লিক্স – এই দুইটার কম্বিনেশন অনেকের মনেই আতঙ্কের সৃষ্টি করে এসেছে যেন। এই সিরিজে এর আগে দুটি এরকম লাইভ অ্যাকশন মুভি দেখেছিলাম, ডেথ নোট আর ফুলমেটাল অ্যালকেমিস্ট। দুটি দেখেই ভয়ংকর হতাশ হয়েছিলাম। তার অনেকদিন পর আজকে হঠাত এটার ট্রেইলারটা চোখে পড়তে মনে হল, ট্রেইলারে যেসব দৃশ্য চোখে পড়লো তা দেখে অন্তত মনে হয়েছে সোর্সকে সম্মান করেই বানিয়েছে (এক্ষেত্রে মাঙ্গার সাথে অ্যানিমেকেও সোর্স হিসাবে ধরছি)। মুভিই তো, দেখেই নেই না হয় কেমন হল!
 
খুব অল্প যে কয়টা লাইভ অ্যাকশন অ্যাডাপ্টেশন দেখা হয়েছে অ্যানিমের, তার মধ্যে এখন পর্যন্ত সবচাইতে বেশি ভাল লেগেছে এইটা, তবে মন্দের ভাল হিসাবে নয়, আসলেই ভাল লেগেছে। শুরুতেই বলে নেই, এই মুভিতে ব্লিচের Agent of the Shinigami আর্কটি পুরাটা অ্যাডাপ্ট করেছে। যারা ব্লিচ পড়েছেন বা দেখেছেন, তারা জানেন এই আর্ক অ্যাডাপ্ট করলে গল্পের কোন জায়গায় গিয়ে মুভিটি শেষ হবে। একই জায়গাতেই শেষ হয়েছে, তবে গল্পে সামান্য বৈচিত্র হলেও এনেছে যেন মুভিটি স্বতন্ত্র মুভি হিসাবেও কাজ করে। সিকোয়েল মুভি আসবে কি আসবে না তার যেহেতু নিশ্চয়তা নেই, তাই সেরকম হিসাব করেই গল্প শেষ করতে হয়।
 
মুভিতে স্ক্রিন রাইটার ও ডিরেক্টরের যে হাল্কা কিছু ক্রিয়েটিভ সিদ্ধান্ত নেয় নাই তা নয়, বরং লাইভ অ্যাকশন মুভি হিসাবে একটা মাঙ্গা বা অ্যানিমের গল্পকে তুলে ধরতে হলে কিছু জিনিসের পরিবর্তন করতেই হবে। মাঙ্গাতে বা অ্যানিমেশনে অনেক দৃশ্য ও রিয়্যাকশন যেভাবে কাজ করে, লাইভ অ্যাকশনে তা কাজ করে না। সেখান বাস্তব মানুষের বাস্তব রিয়্যাকশন দেখাতে হয়, যা গল্পের অরিজিনাল সোর্সের সাথে কনফ্লিক্ট করতেও পারে। তবে ব্লিচের এই মুভিতে সেসব ছোটখাট পরিবর্তন যা এনেছে, আমার কাছে তা খুবই পজিটিভ দিক মনে হয়েছে মুভিটির। এমনিতে মূল গল্পে ও তার চরিত্রদের মধ্যে এতটুকুও পরিবর্তন আনে নাই এখানে। ব্লিচের অরিজিনাল গল্পের প্রথম দিকের অংশতে অনেক কমেডি উপাদান ছিল, মুভিতেও সেগুলি রয়েছে। ইচিগো-রুকিয়ার কথোপকথন, ইচিগোর বন্ধুদের সামনে রুকিয়ার উপস্থিতি ও তাদের নিজেদের মধ্যে কথোপকথন, চালচলনে কোন অহেতুক জিনিস আনা হয় নি। যা ছিল, একদম আসল গল্পকে সম্মান জানিয়েই দেখানো হয়েছে। ইচিগো রুকিয়ার কথাবার্তা শুনে শব্দ করেই হেসেছিলাম মুভি দেখার মাঝে।
 
 
মুভির স্বার্থেই মাঙ্গা বা অ্যানিমের প্রথম দিকের হলোর সাথের অনেকগুলি ফাইট দেখানো হয় নি, এবং সেই ব্যাপারটি খারাপ হয় নি আসলে। হলোর উপস্থিতি অতিরিক্তও নয়, একদম কমও নয়। আর এখানে সিজিআই-এর কাজ একদম খারাপও নয়, বেশ বিশ্বাসযোগ্য।
চরিত্রদের মধ্যে সবচাইতে ভাল লেগেছে আসলে ইচিগোকেই। নায়ককে ধন্যবাদ দিতেই হবে, এই চরিত্রটাকে লাইভ অ্যাকশনে প্রাণ দেবার জন্যে। এই আর্কে ওরিহিমের উপস্থিতি সেরকম গুরুত্বপূর্ণ ছিল না আসলে, তাই ওরিহিমে এখানে সাইড ক্যারেক্টারদের দলেই চলেই গিয়েছে। চাদো ও উরইয়ুর চরিত্র করা অভিনেতাদের কাজ ভালই ছিল। তবে রুকিয়ার চরিত্রটি একটু সমস্যাজনক ছিল। নায়িকার কাজ একদম খারাপ যে তা নয়, কিন্তু রুকিয়ার মুখে ৯০% সময় জুড়েই একটি রিয়্যাকশন লেগে ছিল, তা সে ঐ মুহুর্তে খুশি হোক বা অবাক, বিরক্ত হোক বা রাগ, চেহারার অভিমূর্তি দেখে বুঝে উঠে সমস্যা হত। মাঙ্গা পড়া ছিল বলে জানি এই জায়গাতে রুকিয়া আসলে কেমন অনুভব করছিল, ঐ জায়গাতে রুকিয়া আসলে রাগ নয়, অবাক হয়ে ছিল। এটা জানা না থাকলে মুভিটি দেখার সময়ে মনে হয়, রুকিয়ার সমস্যা কী!? আর রেঞ্জি ও বিয়াকুয়ার চরিত্র দুটি যেহেতু এই আর্কের ভিলেইন ছিল, আমার কাছে মনে হয়েছে কিছু ক্ষেত্রে তাদের আচরণ একটু বেশি ভিলেইনসুলভ হয়ে গিয়েছিল। ভিলেইন হলেও যে তাদের আচরণ এরকম হবার কথা নয় তা মাঙ্গা পাঠক বা অ্যানিমের দর্শকের জানার কথা। রেঞ্জির অভিব্যক্তি মাঝেমধ্যে অতিরঞ্জিত হয়েছে।
 
আর চরিত্রদের কথা বললে ইচিগোর দুই পিচ্চি বোন দুটির কথা না বললেই নয়! অতিরিক্ত কিউট দুটি পিচ্চি তাদের স্ক্রিনটাইমের প্রায় পুরাটাই মুখে হাসি ফুটিয়ে রাখার মত অভিনয় করেছে।
 
সব শেষে মুভির পজিটিভ ও নেগেটিভ দিকগুলি অল্পের মধ্যে তুলে ধরিঃ
 
(+) পজিটিভ দিকঃ
  • সোর্সের প্রতি সম্মান দেখানো
  • ইচিগো
  • ইচিগোর দুই বোন
  • ইচিগো-রুকিয়ার কথোপকথন
  • সোর্ড ফাইটের দৃশ্যগুলি (চমৎকার ছিল এগুলি)
  • অ্যানিমেশন (সেরকম আহামরি না হলেও, বিশ্বাসযোগ্য)
  • ইচিগোর স্কুলের অংশগুলি
  • সউল-রিমুভিং গ্লাভস
  • শেষের ফাইট
(-) নেগেটিভ দিকঃ
  • রুকিয়ার চরিত্র
  • রেঞ্জি ও বিয়াকুয়ার “ভিলেইন” সুলভ আচরণের অতিরিক্ততা
ট্রেইলার দেখে বা একের পর এক অ্যানিমে লাইভ অ্যাকশনের ব্যর্থতা দেখে ভয় পেয়ে থাকলে চিন্তা ছাড়া মুভিটি দেখে নিতে পারেন। ব্লিচের লাইভ অ্যাকশন মুভি আমার দৃষ্টিতে অন্যতম সফল অ্যাডাপ্টেশন। এই মুভির সিকোয়েল বের করুক এই আশাতেই আজকের রিভিউ শেষ করছি।
 
ও হ্যাঁ, আমার রেটিংঃ
মুভি হিসাবেঃ ৭/১০
অ্যানিমে আডাপ্টেশন মুভি হিসাবেঃ ৮/১০
 

Bleach anime review by Shafiul Munir

 

আমাদের আশপাশে প্রতিনিয়ত অনেক এক্সিডেন্ট হচ্ছে, কখনো গাড়ি খাদে পড়ে যাচ্ছে, কখনো নৌকাডুবি হচ্ছে। অনেকে মারা যাচ্ছে রহস্যজনকভাবে, অনেক সময়ই কারণগুলো ব্যাখ্যা করা যাচ্ছে না। ধরুণ, একদিন হঠাৎ আপনার বন্ধু এসে আপনাকে বলল, আসলে এইসব দূর্ঘটনা আপনাআপনি হচ্ছে না, কেউ সম্পূর্ণ সচেতনভাবে এসব ঘটাচ্ছে, একদল অতৃপ্ত আত্মা, যারা আপনার কিংবা আপনার আশপাশের মানুষের আত্মা শুষে নিয়ে বাঁচতে চায়। আপনি কি বিশ্বাস করবেন তাকে? নাকি মানসিক বিকারগ্রস্ত বলে উড়িয়ে দেবেন? হয়ত আপনার ওই বন্ধুই প্রতিনিয়ত রাতের গভীরে বিশাল কোন সোলেমানী তরবারী নিয়ে প্রাণপণে যুদ্ধ করছে সেই প্রেতাত্মাদের হাত থেকে আপনাকে রক্ষা করতে !! অথবা যদি এমন হয় যে আপনি এতদিন ধরে জীবনে যা কিছু করে এসেছেন সবই কেউ আগে থেকেই প্ল্যান করে রেখেছিল?!

অপ্রতিদ্বন্দ্বী কাহিনী, এমনই যে, আপনার চিন্তাধারাকে সম্পূর্ণ অন্য জগতে নিয়ে যেতে পারে, প্রতিদিনের ঘটনাকে আপনি উপলব্ধি করবেন খুব কাছ থেকে, ঠিক যেমন হ্যারি পটার পড়তে গিয়ে আপনি হয়ে যান উইজার্ড-উইচ, এক্ষেত্রেও আপনি রুপান্তরিত হতে পারেন সেই তরবারীওয়ালা যোদ্ধায়। ফাইটিং সিনগুলো সম্পূর্ণ ইউনিক আর অসাধারণ, প্রায় প্রত্যেকটি ফাইট আপনাকে টেনে রাখতে সক্ষম।

 

এনিমে জগতের অন্যতম বিস্ময়, বিগ থ্রির গর্বিত সদস্য ব্লিচ নিয়ে যে কথা হচ্ছে তা ত সবাই বুঝতেই পারছেন। ফাইটিং সিনগুলোর পাশাপাশি ব্লিচের যে ব্যাপারটা অস্থির সেটা হলো ডায়লগের এক্সেপশনাল ডেপথ আর খুব স্মার্ট হিউমার, ২-৪ টা মনোবিজ্ঞানের বই না পড়ে আপনি ব্লিচের সাধারণ ডায়লগগুলো নিয়ে একটু ভাবলেই দর্শনের তৃপ্তি পেয়ে যাবেন। আর পরস্পর বিপরীতধর্মী ফিলোসফির দ্বন্দ্ব খুবই উপভোগ্য এই এনিমের বিভিন্ন অংশে।


‘You should not dwell on the betrayal that you can see. The truly terrifying betrayal is that which lies utterly hidden from your eyes.’
‘If I were the rain that binds together the earth and sky, which in all eternity will never mingle, would I be able to bind the hearts of people together?’
‘Those who do not know what love is likens it to beauty, those who claim to know what love is likens it to ugliness.’
ব্লিচের মূল চরিত্র ইচিগো একটা জলজ্যান্ত মাস্টারপিস, সম্ভবত বিগ থ্রির হিরোদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নায়কোচিত। তবু সময় সময় তাকে অনেক দূর ছাপিয়ে গেছে অনেকগুলো অসাধারণ ক্যারেক্টার নিজস্ব বৈশিষ্ট্য আর বৈচিত্র্য দিয়ে, আইজেন, জারাকি, ওলকিউরা, ইউরোইচি, গিন, উরোহারাসহ আরো অনেক অসাধারণ ক্যারেক্টারের জন্ম দেওয়া এনিমেটির অন্যতম সার্থকতা।

সবশেষে বলতে চাই, বিগ থ্রির মধ্যে কোন এক রহস্যময় কারণে ব্লিচকে আমার খুব কম পছন্দ, তাই খুব একটা বায়াসড মন্তব্য করতে পারি নি। যাদের আইজেনের শেষ দিনগুলো ভালো লাগে নি, আরো দ্বিগুণ বিরক্ত হয়েছেন ফুলব্রিং আর্ক দেখে, ছেড়ে দিয়েছেন ব্লিচ নিয়ে যাবতীয় আশা-ভরসা, তাদের বলছি, ব্লিচের বর্তমান আর্কটিই সম্ভবত সবচেয়ে ভালো, আশা করছি কুবো তার এই মহাকাব্য শেষ করতে যাচ্ছেন ম্যাজেস্টিক স্টাইলে, একটা বিগ ব্যাঙের মধ্য দিয়ে। তাই আমি অধীরভাবে আবার এনিমে স্ট্রিমিং শুরু হবার দিন গুনছি।
তবে বলা যায় না, এমন হতেও পারে, শিনিগামী-কুইঞ্চি আর অন্যান্যদের এত্ত জটিলতার পর আইজেন হঠাৎ একদিন এসে বলল, “হা হা হা ! It was all part of my plan….”!!

 

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

Kurosaki Ichigo by Monirul Islam Munna

আসলে আগে ছোট থাকতে টিভিতে অনেক এনিম দেখাই হত,কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে একটা গ্যাপ পরে গেছিলো। আমার প্রিয় সেই জগতে আমাকে ফিরায় আনসে এই ব্লিচ আর খুবই প্রিয় একজন character, Kurosaki ichigo 

ইচিগোর সব চেয়ে বেস্ট পার্ট হচ্ছে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডদের জন্য সে কিনা করতে পারে!! সাধারণ স্কুলের একটা ছেলে soul reaper হয়ে যায়, কিন্তু সেখান থেকে নিজের ফ্যামিলি আর ফ্রেন্ডসের জন্য নিজের লিমিটটুকু ক্রস করে যেতেও দিধা করে নি কোন দিন।তাদের সেইফটির জন্য নিজেকে নিজের hollowএর কাছে বিলিয়ে দিসে সে!!! এক একটা battle এ Opponent এর সাথে নিজের লেভেলটা যেন অন্য উচ্চতায় উঠে ইচিগো!!!! 

আরেকটা বেশ ভাল লাগা জিনিস হল, battle এর সময়, opponentকে মেরে না ফেলে or ভয়ানক ভাবে আহত না করে, লিমিটে রেখে যুক্তিযুক্ত battle জিততে পছন্দ করে ইচিগো  
আর যখনই ইচিগো বাঙ্কাই বলে,সাথে ব্লিচের সেই এপিক লেভেলের মিউজিক!!! গায়ে একদম কাঁটা দিয়ে উঠে *_* 

ইচিগো কুরসাকি, “আই ডোন্ট ফাইট টু উইন ,আই ফাইট বিকজ আই হেভ টু উইন” !!!!

Ichigo

জন্মদিনের বিশেষ পোস্ট – Bleach – একটি “মাস্ট ওয়াচ” এনিম রিভিউ — লেখক মো আসিফুল হক


আজকে আমার জন্মদিন। সেইজন্য গতকালই একটা পোস্ট দিলেও আজকে আবার পোস্ট দেওয়ার লোভ সাম্লাইতে পারলাম না। :) :) এই এনিমটা আমার “one of the most favourite” এনিম।

সাধারণত সুপার পাওয়ার এনিমগুলাতে মেইন ক্যারেকটার একটু বেক্কল টাইপের হয়। প্রথম প্রথম তেমন কোন পাওয়ার টাওয়ার থাকে না, থাক্লেও লোকজন দাম দেয় না – এই টাইপ। ব্লিচ আবার এইদিক দিয়া বেতিক্রম। ইচিগোরে প্রথম থেইকা দেইখাই মনে হয় এনিমটার মেইন চরিত্র। উচা লম্বা আছে, প্রথমেই মাশাল্লাহ ভালই পাওয়ারও আছে, দেখতে শুন্তেও ভালা। :D :D :D বিশেষ কইরা ইচিগোর বাঙ্কাই স্টেইজ যে কোন এনিমের মধ্যে আমার মোস্ট ফেভারিট। :) :) :)

এনিমটার কাহিনী শিনিগামি(ডেথ গড) ভিত্তিক। খারাপ আত্মাকে পৃথিবী থেইকা মুক্ত করে শিনিগামিরা। এই রকম একজন শিনিগামি রুকিয়া। ইচিগোর পরিবারকে বাচাইতে সে একদিন নিয়ম বহির্ভূতভাবে তার পাওয়ার ট্রান্সফার করে ইচিগোর কাছে। এই অপরাধে সউল সোসাইটিতে তার মৃত্যুদণ্ড দেয়া হয়। ইচিগো তাকে বাচাইতে সউল সোসাইটিতে যায় এবং ফাইট করে।

এইটা গেলো এনিমের একটা ছোট পার্ট। এই ফাইটের সময়ই একটা টুইস্ট আছে এবং আরেকটা কাহিনী শুরু হয়। টুইস্ট কিংবা কাহিনীর অল্প অংশ কইলেও এনিমের মজা যাইবোগা – তাই বাকিটা আর কইলাম না। নিজেই দেইখা নিয়েন। :D:D:D:D

প্রশ্ন হইল – এই এনিম প্রিয় হইল কেন? উত্তর হইল – ফাইটগুলার জন্য। নারুতোর ভক্তরা মাইর দিতে আসতে পারে – কিন্তু আমার মনে হয় ব্লিচের কিছু কিছু ফাইট নারুতোর কিছু ফাইটের চেয়েও জোস। আর শুধু সোরড ফাইট যে কত বৈচিত্র্যময় হইতে পারে , কত ইন্টারেস্টিং হইতে পারে – ব্লিচ তার প্রমাণ। আর জাঙ্গেতসু ( ইচিগোর সোরড) যখন ইচিগোকে ট্রেইনিং দেয়, সেই জায়গার ফাইট, সাউন্ড ট্র্যাক এবং ডায়লগগুলা বেশী ভাল। :):):):) আর বিয়াকুইয়া আর ইচিগোর ফাইটটাতো সিমপ্লি লেজেন্ডারি। :) :)

এছাড়াও পুরা এনিমে শুরু এবং শেষের সাউন্ড ট্র্যাকগুলা যে কোন এনিমকে ফেইল করাইতে পারবে। তবে নারুতোর সাথে এই এনিমের মুল যেই লেগিংস – নারুতোতে অন্য অনেক চরিত্র খুব ভাল লাগবে, অনেক ডিটেইলস ক্যারেকটার। কিন্তু ব্লিচে ইচিগোর বাইরে আর খুব ভাল লাগা ক্যারেকটার খুব বেশী নাই আমার। তবে ইচিগো সেইটা খুব ভালভাবেই কাভার কইরা দিসে। সব মিলাইয়া খুব জমজমাট এনিমটা। ;) ;) ;)

আরে আরে যান কই? দাঁড়ান, দাঁড়ান। দেখার লাইগা এখনই দৌড় দিয়েন না, আরও কথা বাকি আছে। ফিলার কি জিনিস জানা আছে? না? এই এনিম গুলা তো বই বা কমিক্স ( মাঙ্গা) থেইকা বানায়। বইয়ের কয়েকটা পর্ব মিলা এনিমের একটা পর্ব হইয়া যায়। এইজন্য মাঝে মাঝে বইয়ের কাহিনী আগাইয়া দেওয়ার জন্য এনিমের মাঝখানে চরিত্রগুলা অপরিবর্তিত রাইখা মুল কাহিনীর বাইরে কোন স্টোরি দিয়া চালাইয়া দেয়। এইগুলাই হইল ফিলার। খুব একটা ইন্টারেস্টিং কিছু না, মাঝে মাঝে বরং বিরক্তির উদ্রেক করে। আর এই জিনিস ব্লিচে খুব বেশী। ঠিকই ধরছেন, এই জন্যই নারুতোর যত সুনাম, ব্লিচের অত সুনাম শুনেন নাই।
তাইলে এখন কি করা? ব্লিচ দেখুম না?
কেন দেখবেন না? অবশ্যই দেখবেন। নিচে একটা লিস্ট দিতাছি –
033 *Karakura Heroes Omake 1
050 *Karakura Heroes Omake 2
064-108 *Bount arc
128-137 *Stolen Hogyoku arc
147-149 *Rukia side story. Plot&Character designs by Kubo
168-189 *New Captain arc
204-205 *Random one-episode fillers
213-214 *Karakura Riser Omake
227-265 *Zanpakutou Rebellion arc. Character designs by Kubo.
266 *Hueco Mundo Recap
287 *Magic Lamp Gaiden
298 *Hell Chapter Movie Promotion
299 *Hell Chapter Movie Prologue
303-305 *Random one-episode fillers
311-316 *Random one-episode fillers
317-341 *Gotei 13 Invasion arc
355 *New Year Special

এই পর্ব গুলা বাদ দিয়া দেখবেন। এইগুলা ফিলার। তাইলেই দেখবেন, এনিম দেখার পর ব্লিচের নাম ফেভারিট লিস্টের প্রথম ৫ টার ভিতরে ঢুকাইয়া দিসেন ।:D:D:D:D


তাহলে আর দেরি কেন? এখনই দেখা শুরু করে দিন এই দুর্দান্ত এনিমটি।;);););)

অনলাইনে দেখার লিঙ্ক
আমি আইডিএম দিয়া নামাইয়া দেখছি।

আর এনিম নিয়ে আড্ডা দিতে চাইলে, ছবি কিংবা আপনার লেখা শেয়ার করতে চাইলে, নতুন নতুন তথ্য জানতে ও জানাতে চাইলে আমাদের সাথে এই গ্রুপে যোগ দিতে পারেন। :) :)

হ্যাপি এনিমিং !!!!!