Bakuman [লাইভ অ্যাকশন রিভিউ] — Farhad Mohsin

Bakuman live

দেখে ফেললাম বাকুমান লাইভ একশান মুভি।

কদিন আগে গ্রুপেই ডেথ নোটের আম্রিকান লাইভ একশন মুভি নিয়ে কথা হচ্ছিল। কিভাবে মুভিতে মূল আনিমে/মাঙ্গার গল্প তো বটেই, আনিমের “soul” ও ধ্বংস করে ফেলেছে। এর উল্টোটাও যে হয় না, তাও অবশ্য না। রুরৌনি কেনশিনের মুভি ট্রিলজি আমার বেশ লেগেছিল। মনে হয়েছিল, হ্যাঁ ঠিক ঠাকই তো আছে সব। শিশিওর থেকে আসা ভীতিকর আভা পর্যন্ত মনে হয় আনিমের কাছাকাছি যেতে পেরেছিল।

বাকুমানের ক্ষেত্রে চিন্তাটা বেশি, কারণ এর “মূল উপাদান” ও বেশি। একদিকে যেমন বাকুমান চিরকালের জন্য ‘The manga about making manga’ উপাধিটা নিজের করে নিয়েছে, অপরদিকে এটি নাকামা পাওয়ার, রাইভালরি, deplorable antagonists দিয়ে সাজানো বেশ উপভোগ্য ব্যাটল মাঙ্গাও বটে। আর সাথে মাশিরো-আজুকি’র রোমান্স এলিমেন্ট তো আছেই; ব্যাকড্রপে রেখেও শোনেন মাঙ্গার “Final Villain” হিসেবে কিভাবে রোমান্সকে ব্যবহার করা যায়, তার একটা আদর্শ উদাহরণ এই বাকুমান। মুভি করতে গেলে আসলে গুরুত্ব দিবে এই তিন এলিমেন্টের কোনটিকে?

শেষমেশ রোমান্সের দিকে না গিয়ে শোনেন পথটাই বেছে নেয় ফিল্মমেকাররা। এমন না যে রোমান্স নেই, আছে এবং বেশ ভালো ভূমিকাও আছে। তাও সুযোগ থাকা সত্ত্বেও আমার মতে বাকুমানের সবচেয়ে রোমান্টিক সিন (স্পয়লারহীন থাকার স্বার্থে বলছি না কোনটা) ব্যবহার না করা, বরং উলটা মুভির এন্ডে সাফল্যের কৃতিত্ব শোনেন এলিমেন্টের দিকে দিয়ে দেওয়াটায় মনে হয়েছে, conscious decision হিসেবেই রোমান্সকে de-priorotize করা হয়েছে। নিজুমা এইজি’র সাথে রাইভ্যালরিকে মুভিতে ভিজুয়ালি একটা ফিজিক্যাল রূপ দিয়ে একটা লম্বা সময় কাটানোটাও এর দিকেই নির্দেশ করে। আর মাঙ্গার প্রোডাকশনের ব্যাপারটা সময়স্বল্পতার কারণেই হয়তো কেটে দিতে হয়েছে। Shonen Jump সম্পর্কে, আর্টিস্টদের প্র্যাক্টিস ও জীবন নিয়ে যা একটু জানি, তা ন্যারেশন থেকে। গল্পের প্রবাহ থেকে না। মূল মাঙ্গাতে অনেক বেশি সময় পেয়েছিল সব flesh out করার জন্য, যা এখানে অনুপস্থিত। তার পরেও, যা করেছে মন্দ করে নি।
ভাল্লাগে নি যা যা: মাশিরোকে বেশি গুরুত্ব দিতে গিয়ে তাকাগির যথেষ্ট ডেভেলপমেন্ট হয় নাই। তাকাগিকে যে ফোকাস দেয় নি, সেটা অবশ্য তার ব্যাকস্টোরি চেঞ্জ করে ফেলা থেকে প্রথমেই ইঙ্গিত পাওয়া যায়। মাঙ্গা/আনিমেতে আশিরোগি মুতো’র সাফল্যের জন্য মাশিরোর সমপরিমাণ কৃতিত্বের দাবিদার তাকাগি। এইটা পোর্ট্রে না করায় কিঞ্চিত মেজাজ গরম হয়েছে।

সব মিলিয়ে আমার রেটিং 6.5/10।
বাকুমান ফ্যানদের জন্যও Must watch না।

বিলি ব্যাট (Billy Bat) মাঙ্গা সাজেশন – ফরহাদ মহসিন

প্রসঙ্গ: নাওকি উরাসাওয়া’র অনগোইং মাঙ্গা ‘বিলি ব্যাট (Billy Bat)’

billy bat

যারা মন্সটার দেখেছেন বা 20th Century Boys পড়েছেন তাদের ধারণা থাকার কথা নাওকি উরাসাওয়ার গল্প বলার ঢং সম্পর্কে। অনেকগুলো ভিন্ন ভিন্ন দিক থেকে গল্প বলা শুরু করেন তিনি। অসাধারণ এই থ্রিলার লেখক অনেকবার পাঠকদের “tease” করেন এন্ডিং সম্পর্কে, অমুক চরিত্র আরেকটু হলেই যেন শেষের খুব কাছাকাছি পৌঁছে যাবে। আর একটু হলেই যেন গল্পের সব জট খুলে যাবে, সব অতিপ্রাকৃতিক ঘটনার লৌকিক ব্যাখ্যা পাওয়া যাবে।

কিন্তু উরাসাওয়া পাঠকদের বসিয়ে রাখেন একদম কাহিনীর শেষ পর্যন্ত। একদম শেষে সবগুলো দিকে যেন সুতোয় শেষ টানটা পড়ে, সব জট খোলে একসাথে। সেই কারণেই একদম শেষ পর্যন্ত না পড়ে তার মাঙ্গা কাউকে পড়তে বলাটা কঠিন।

এবার, Billy Bat এ তার লেখার সব গুণাবলি যেন যোগ হয়েছে পুরোপুরি অন্য মাত্রায়। গল্প শুরু হয় বিখ্যাত হওয়ার দ্বারপ্রান্তে দাঁড়ানো আমেরিকান কমিক্স চরিত্র Billy Bat এবং তার লেখককে নিয়ে। সেখান থেকেই লেখক আমাদের নিয়ে চলে যান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পরবর্তী মিত্রশক্তির দখলে থাকা জাপানে। জাপানে কেন গ্রাফিটি হয় Billy Bat এর মত দেখতে বাদুড়ের সিম্বলের? সেই একই সিম্বল আবার কেন ছিল খোদ যীশু খ্রিস্টের আমলে, যীশুর সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করা জুডাসের মননে? কত আগে থেকে অস্তিত্ব আছে এই অশরিরী বাদুড়ের? সে কেন আবার আবির্ভূত হয় পনের শতকের জাপানে, তেনশৌ ইগা যুদ্ধে?

আমি বলতে পারব না, এসব জানার জন্য পড়ে ফেলুন Billy Bat। কারণ উরাসাওয়ার কাজের সাথে পরিচিতি থাকার কারণে জানি একদম শেষের আগ পর্যন্ত কিছুই sense make করবে না। তবে উরাসাওয়া বলেই ভরসা পাই, শেষ পর্যন্ত পড়ে যাওয়াটা একটা rewarding experience হবে। এ বছরের জানুয়ারিতে মাঙ্গা প্রবেশ করেছে তার ফাইনাল আর্কে। বিলি ব্যাট পড়া শুরু করার আদর্শ সময় মনে হয় এটাই। শুরুতে স্লো-পেইসড মনে হওয়া, কিচ্ছু না বোঝা, অসংখ্য চরিত্রের মাঝে দিশেহারা হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকা সত্ত্বেও তাই বলি, পড়া শুরু করুন বিলি ব্যাট। আরও অনেকদিন পর যদি মানুষ ‘নিজের পড়া সেরা মাঙ্গা’র লিস্টে এটা এড করা শুরু করে, আপনি বলতে পারবেন “I read it first”.

Bakuman/Shirobako Comparison — Farhad Mohsin

শিরোবাকো দেখার সময় প্রথম থেকেই নানা কারণে বাকুমানের কথা মনে পড়ছিল। যতই দেখতে থাকি ততই মনে হচ্ছিল তুলনাটা আসলে অবান্তর।

বাকুমান শেষ পর্যন্ত স্লাইস অফ লাইফের চেয়ে অনেক বেশি একটা ব্যাটল নির্ভর রোমান্স আনিমে। বাকুমান আমি পড়েছি যখন এটা অনগোইং ছিল, পড়ার সময় বা পরে দেখার সময় আমি যে থ্রিল অনুভব করেছি সেটা সত্যি বলতে কি বেশিরভাগ মেইনস্ট্রিম ব্যাটল শোনেনেও আমার হয় নি।

Bakuman

শিরোবাকো আর যাইই হোক না কেন, একটা পিওর স্লাইস অফ লাইফই বটে, অবশ্য রোমান্স বা হাই-স্কুল না। এবং অনেক স্লাইস অফ লাইফ আনিমের ‘ওভারড্রামাটাইজেশন’ এর টেন্ডেন্সি থেকে মুক্ত। স্লাইস অফ লাইফের ক্ষেত্রে (বিশেষত শৌজোর ক্ষেত্রে) একটা অভিযোগ আসে যে এত আনরিয়েলিস্টিক ক্যারেক্টারাইজেশনের কিছুকে কোনভাবেই life-like বলা চলে না। সেখানে শিরোবাকোর ক্যারেক্টারদের ক্যারেক্টারাইজেশন/ডায়ালোগ এগুলো অনেক বেশি জীবনের কাছাকাছি।

Shirobako

এত ডিফারেন্সের পরেও আসলে ঘুরে ফিরে সেই ব্যাপারটাই চলে আসে যে Bakuman is a manga about creating manga, Shirobako is an anime about creating anime. আর দুই ক্যাটেগরেতেই মাঙ্গা/আনিমে ইন্ডাস্ট্রির মানুষের গল নিয়ে তৈরি করা এর থেকে ভালো আর কিছু নেই। এটাই শেষমেশ বাকুমান আর শিরোবাকোকে একই সাথে মাথায় এনে ফেলে।

সুতরাং আপনি যদি নতুন মাঙ্গা/আনিমে ফ্যান হয়ে থাকেন, কিংবা পুরানো হলেও কোন কারণে এটা না দেখা হয়ে থাকে, I suggest go for it. আপনার স্লাইস অফ লাইফ ভালো লাগুক আর নাই লাগুক, দেখে ফেলুন। এ দুইটা ভাল্লাগবে। একই সাথে এত পছন্দের ইন্ডাস্ট্রির সাথে জড়িত মানুষগুলোর জন্য অন্যরকম একটা রিস্পেক্টও তৈরি হবে।

Aku no Hana (Flowers of Evil) মাঙ্গা রিএকশন — Farhad Mohsin

নোট: আপনি যদি শুধু আনিমে দেখে থাকেন (যেটার সিজন টু বেরোতেও পারে), তাহলে আপনি মাঙ্গার কাহিনীর হয়ত ওয়ান থার্ডের মত দেখেছেন। আমি রিয়েকশন পোস্ট আন-স্পয়লারিশ রাখার চেষ্টা করব, তারপরেও কিছু স্পয়েল করে দিলে দুঃখিত।

প্রথমত, এটা একটা coming-of-age গল্প, সেইখানে অস্বীকার করার কিছু নাই। কিন্তু এটা আপনার এভারেজ কামিং-অফ-এজ মাঙ্গা না। সিনোপ্সিস দেখতে গেলে আপনি দেখবেন সেখানে লেখা –
কাসুগা তাকাও, যে অনেক গভীর সাহিত্যিক জিনিস-পত্র পড়ে। সে ক্লাসের সায়েকি নামে এক মেয়েকে পছন্দ করে, অনেকটা অবসেশনের পর্যায়েই, এবং একদিন হঠাত ঝোঁকের মাথায় সে সায়েকির gym clothes চুরি করে বসে। এবং এই সময়েই সে ধরা পড়ে ক্লাসের ‘সাইকো’ মেয়ে নাকামুরার কাছে। এখানে শুরু হয় নাকামুরার ব্ল্যাকমেইল।

আকু নো হানার সিনোপ্সিস পড়ে কোনভাবেই প্রকৃত গল্পের টোন সম্বন্ধে আইডিয়া পাওয়া সম্ভব না। পড়ে মনে হতে পারে একটা পার্ভার্টেড ধরণের গল্প হতে পারে। কিন্তু পুরো টোনটা আসলেই অন্যরকম। মাঙ্গায় অনেক বেশি লিটারেসি রেফারেন্স আছে, প্রায় কিছুই কমন পড়ে নি। তবে টোনটা, কমন anarchic টোনটা ধরা খুব একটা কঠিন না। আর সেটাই গল্পকে মূলত ড্রাইভ করে নিয়ে যায়। অন্যতম মূল চরিত্র, নাকামুরার মত চরিত্র হিস্ট্রিতে, ফিলসফিতে কম দেখা যায় না। যেন সে অনেক কাছ থেকে সোসাইটিকে দেখেছে। সমাজের মানুষের দৈনন্দিন জীবন, জীবিকার জন্য তাড়না, একটা রুটিনময় জীবনের শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত একইভাবে চলা, যে শহরে জন্ম সে শহর থেকে এক পাও বাইরে না দেওয়া, এসব কিছুই যেন তার কাছে অনেক অর্থহীন। আশেপাশের সকল মানুষকে তার মনে হয় ফাঁকা খোলসের মত।
এসব কিছু থেকেই বের হওয়ার ইচ্ছা তার। পারলে সে সাথে বের করে আনবে তাকাও কে। গল্পের প্রথম অংশ মূলত তার “Other side” এ যাওয়ার ইচ্ছা নিয়েই। আশেপাশের এই নর্দমার কীটদের মধ্য থেকে বের হয়ে, সে চলে যেতে চায় অন্য পারে। যেখানে এসব থাকবে না তার আশেপাশে।

চরিত্রায়নকে আমি বেশিই ভালো বলব। আমি পড়তে পড়তে মাঝে মাঝেই চিন্তায় পড়ে যেতাম, কোন চরিত্রটা বেশি ‘অসহ্য’, ক্যাওটিক। মাঙ্গাকা যা করতে চেয়েছেন ভালোমতই করেছেন মনে হয়। মূল চরিত্র, তাকাওকে একটা বিশাল সময় ধরে স্পাইনলেস একটা এম্পটি ক্রিচার ছাড়া কিছু মনে হয় না। মোটামোটিভাবে মাঙ্গার দ্বিতীয় ভাগের একটা সময়ের আগ পর্যন্ত কখনোই আমার তারে ভাল্লাগে নাই।

আর্টওয়ার্ক প্রথম দিকে জেনেরিক ও মিনিমাল ছিল। খুব আহামরি কিছু না। ধীরে ধীরে শেষের দিকে গিয়ে আর্টওয়ার্ক বেশ খানিকটা ইম্প্রুভ করে। তবে পুরো সময়েই যে জিনিসটা বেশ ভালো নজর কেড়েছে, তা হল ভিজুয়ালস।

আর শেষে এনজয়মেন্টের দিক দিয়ে বলব, পড়তে পড়তে যতই মেজাজ গরম হোক, রেখে দেওয়ার মত ছিল না। আকর্ষণ ধরে রেখেছে শেষ পর্যন্ত। গল্পের দ্বিতীয় পার্ট প্রথম পার্টের তুলনায় খানিকটা বেশি soothing ছিল, পরিবর্তনটা ভাল্লাগসে। পুরো গল্পে আমার সবচেয়ে প্রিয় চরিত্রের আবির্ভাবও মূলত এই সময়েই হয়।

সব মিলিয়ে বেশ বেশ ভালো একটা মাঙ্গা আকু নো হানা। তবে এটা স্বীকার করতেই হবে সবার জন্য না। আপনার যদি একটু ডার্ক ধরণের সাইকোলজিকাল গল্প ভালো লেগে থাকে তাহলে ট্রাই করে দেখতে পারেন। এ কথা মনে হয় এর আগে বলেছিলাম Goodnight Punpun এর ব্যাপারে।

MAL rating:
manga – 8.15
anime – 7.19

আমার মাঙ্গা রেটিং – 8.5

Steins; Gate review by Farhad Mohsin

 

কখনো মনে হয়েছে যদি অতীতে চলে যেতে পারতেন তাহল কোন পরিবর্তনটা করে আসবেন? বা অতীতে যদি যেতে নাও পারেন, যদি সুযোগ দেওয়া হয় কেবলমাত্র একটা ইনফরমেশন অতীতের আপনার কাছে পাঠাতে, তাহলেই বা কি বলবেন? টাইম ট্রাভেলের উদ্দেশ্য কি হবে আপনার কাছে? অর্থ? ক্ষমতা? না বিশ্বশান্তি। স্টেইন্স গেটের শুরুটা অনেকটা এরকম বিভিন্ন প্রশ্ন নিয়ে আলোচনা করতে করতেই।
স্টেইন্স গেট নিয়ে লিখতে গেলে প্রথম যেটা মনে হয় সেটা হচ্ছে স্পয়লার না দিয়ে এর কাহিনীর সিনোপ্সিস দেওয়াটা কঠিন। তাই আমি সেই চেষ্টাটাও করব না। আনিমের পুরোটা জুড়ে আছে সময় পরিভ্রমন (টাইম ট্রাভেল)। আছে ম্যাড সায়েন্টিস্ট হিয়োঔইন কিয়োমা ওরফে ১৮ বছর বয়সী ওকাবে রিনতারো। আছে তার টাইম গ্যাজেট ল্যাবের ল্যাবমেটরা। যাই হোক, আনিমেটা নিয়ে পয়েন্টওয়াইজ ডিস্কাস করার চেষ্টা করি।

কাহিনী:
টাইম ট্রাভেল নিয়ে ফিকশনের বিভিন্ন মিডিয়ামে কাজ তো আসলেই কম হয় নাই। এর মধ্যে ডিফারেন্ট কিছু হিসেবে এস্টাব্লিশ করাটাও একটু টাফ কাজ হয়ে দাঁড়াতে পারে। সেই হিসেবে স্টেইন্স; গেট বেশ ভালোমতই সফল। স্টেইন্স গেটের সবচেয়ে বড় ব্যাপার মনে হয় টাইম ট্রাভেল স্টোরি হিসেবে বা শুধু সায়েন্স ফিকশন হিসেবে বিচার করলেও এর লজিক যথেষ্ট সলিড। খুব কম জায়গাতেই ইনকন্সিস্টেন্সি দেখা যায়।
তবে সবকিছুর পরেও, একটা টাইম ট্রাভেল স্টোরির মূল ফোকাস কখনোই তার লজিক হয় না। বরং টাইম ট্রাভেলের এপ্লিকেশনটাই অনেক বড় হয়ে দাঁড়ায়। এখানেও তাই। যদিও প্রথম দিকে শুরু হয়ে পুরো সায়েন্টিফিক রিসার্চের মত। টাইম ট্রাভেলের ফলাফল কি হতে পারে, পাস্ট চেঞ্জ করা যায় কি না ইত্যাদি নিয়ে ডিল করে প্রথম পর্বগুলো, এই অংশের হিউমার খুবই ভাল। কিন্তু এর পরেই ব্যাপারটা মোড় নেয় টাইম ট্রাভেলের কনসেকুয়েন্স নিয়ে। টাইম ট্রাভেলের ফলে তার কাছের মানুষের যে ক্ষতি হয়, তার রেস্পন্সে একশনে যায় কিয়োমা ওরফে ওকারিন। এবং গল্পের শেষটা আসলেই অনেক বেশি টাচিং। মাঝের ও শেষের পর্বগুলোতে খুব ভালোভাবে ইমো খেয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে।
রেটিং: ১০

ক্যারেক্টার:
স্টেইন্স গেটের অন্যতম প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে এর ক্যারেক্টাররা আর ক্যারেক্টারদের মধ্যেকার ইন্টারেকশন। এদের মধ্যে মূল ক্যারেক্টার ওকাবে রিনতারো আসলেই পুরো অন্য লেভেলের। প্রথম দিকে মনে হচ্ছিল এরকম ড্রামাটিক ক্যারেক্টার কখনো দেখি নাই। কিন্তু শেষতক এও মনে হয়েছে এরকম হিরোয়িক ক্যারেক্টারও মনে হয় আমি অনেক কম দেখেছি। এর বাইরে প্রতিটা ক্যারেক্টার ও গল্পে তাদের ভূমিকাই আসলে খুবই ওয়েল রিটেন।
রেটিং: ১০

আর্টওয়ার্ক:
স্টেইন্স; গেটের আর্টওয়ার্ক খারাপ না, খুব এক্সেপশনাল কিছু না যদিও। এমনিতে ক্যারেক্টার ডিজাইন, ব্যাকগ্রাউন্ড ডিজাইন ইত্যাদি বেশ স্যুটেবল স্টোরির জন্য।
রেটিং: ৯

ওএসটি ও মিউজিক:
থিমের সাথে বেশ অ্যাপ্রোপ্রিয়েট। ওপেনিং, এন্ডিং কোনটাই যদিও ঠিক কানে লেগে থাকে নি, খারাপও লাগে নি আসলে।
রেটিং: ৮

ওভারাল:
সব মিলিয়ে আমার কাছে স্টেইন্স গেট একটা মাস্টারপিস। আমি নিজে কনসেপচুয়াল সায়েন্স ফিকশন বা টাইম প্যারাডক্স রিলেটেড গল্পের প্রতি অনেক বেশি বায়াসড বলেও সেটা মনে হতে পারে অবশ্য। যাই হোক, এত ওয়েল মেড, লুপহোল ছাড়া, অসাধারণ ক্যারেক্টারাইজেশনওয়ালা একটা আনিমে দেখতে কার না ভাল্লাগে।
ওভারাল রেটিং: ৯.৫

Silver Spoon or Gin no Saji : Manga Review by Farhad Mohsin

Silver Spoon বা Gin no Saji পড়া শুরু করেছি আবার রিসেন্টলি। চ্যাপ্টার ৩০+ কিছু একটা পর্যন্ত পড়েছি। এটা স্বীকার করে নিব যে এ মাঙ্গাতে ইন্টারেস্ট হওয়ার মূল কারণ এর মাঙ্গাকা। ফুলমেটাল অয়ালকেমিস্টের আরাকাওয়া হিরোমু সেনসেই’র অন্যান্য কাজ খুঁজতে গিয়েই এটাতে আসা(তার অন্যান্য কাজের মধ্যে অন্তত রেইডেন-১৮ এর ওয়ানশটটা যারা মাঙ্গা পড়েন তাদের পড়ে দেখার অনুরোধ করব)।
মাঙ্গার genre স্লাইস অফ লাইফ, কমেডি, স্কুল। 
মূল চরিত্র ইউগো হাচিকেন। কাহিনী প্রায় পুরোটাই একটা এগ্রিকালচারাল স্কুলে। যে স্কুলের ধরণ-ধারণই অন্য। ম্যাথ, ল্যাঙ্গুয়েজ, সায়েন্স ইত্যাদির জায়গায় সেই স্কুলের ফোকাল সাব্জেক্ট হল গিয়ে Dairy Farming, Farming Technology, Food & Nutrition Sciences ইত্যাদি। স্কুলের এক্টিভিটি ক্লাব হল গরুপ্রেমীদের ক্লাব, ঘোড়সওয়ারদের ক্লাব এইসব।
স্কুলের নতুন ক্লাসের প্রায় সবাইই কোন না কোন ফার্মিং ফ্যামিলি থেকে আসা, কারও পরিবারের ডেয়ারি ফার্ম আছে তো কারও বা পোল্ট্রি ফার্ম। সবারই আছে ফার্মিং বিষয়ক নিজস্ব কোন স্বপ্ন । এদের সবার মধ্যে একরকম জোর করে একদম ভিন্ন ব্যাকগ্রাউন্ড থেকে এসে উদয় হয় হাচিকেন। যে জীবনে ফার্মে যায় নি, পশু-পাখি বা গাছ-পালার সাথে যার কোন সম্পর্ক নেই, এতদিন শুধু পড়াশোনাই করে গেছে, তার কাছে এসবকিছু খুব নতুন।
এই স্কুলে এসে এ সবকিছুর মধ্য দিয়েই শুরু হয় হাচিকেনের এডাপ্ট করার গল্প। নিজেকে চেনা, নিজের স্বপ্ন খুঁজে ফেরার গল্প।
এখন পর্যন্ত যা পড়েছি বেশ ভাল্লাগসে। এনিমে অ্যাডাপশান আছে। ১১ পর্বে মাঙ্গার ৮ ভল্যুমের মত মনে হয় কভার করে। ওটাও ভালো হওয়া উচিত।
আর যদিও এফেমে থেকে কনসেপ্ট পুরোপুরি আলাদা, তারপরেও আর্ট-স্টাইল, স্টোরি-টেলিং, ক্যারেক্টার ডিজাইন ইত্যাদির কারণে এফেমের কথা নিয়মিতই মনে পড়বে সম্ভবত। আমার ক্ষেত্রে হ

Cowboy Bebop: The best anime for ‘grown-ups’ – Farhad Mohsin

 

cowboybebop0003

আমার বেশ অনেকবার ভাবতে হয়েছে যে জীবনে এনিমে দেখে নাই এমন না বরং এনিমে দেখতে গিয়ে সেভাবে আগ্রহ পায় নাই(এমনটা হতেই পারে, এইরকম লোকজনকে গালাগালি করারও কিছু নাই) এমন কাউকে সাজেস্ট করার জন্য একটা পারফেক্ট এনিমে কি হতে পারে? অনেক লম্বা কিছু না, এপিসোডের সঙ্খ্যা দেখে ভয় পাইতে পারে। আগে মনে হত এরকম লোকজনের জন্য ডেথ নোট খুব ভালো সাজেশন। 
কিন্তু আজকাল মনে হয় হিউমারওয়ালা কিছু হলে আরও বেশি ভাল হয়, আবার গ্যাগ জাতীয় কিছু হইলেও খারাপ।
যাইহোক, কাউবয় বিবপ দেখছি। আমার মনে হয় আমার দেখা এনিমের মধ্যে এরকম সাজেশন দিতে গেলে বিবপ একদম শুরুর দিকে থাকা উচিত। স্পেশালি সাজেশনগ্রহীতা যদি স্কুল-কলেজের পাট চুকিয়ে থাকে। অ্যাকশন, হিউমার, ড্রামা, প্লট প্রায় সব দিক দিয়েই অসাধারণ একটা এনিমে। (এন্ডিং কেমন জানতে আরও কয় ঘণ্টা বাকি আছে, কেউ স্পয়েল কইরেন না), আর আর্কগুলো যেহেতু অনেকগুলো পর্ব ধরে চলে না তাই অনেক ফ্রিলি দেখা যায়। 
এখন থেকে আমার টপ টেন এনিমের মধ্যে কাউবয় বিবপ মনে হয় সবসময়ই থাকবে।

cowboy_bebop_desktop_1024x768_wallpaper-276818

 

Phantom: Requiem for Phantom review by Farhad Mohsin

phantom_requiem_for_the_phantom-1390073
বছর দুয়েক আগে দেখা একটা এনিমে নিয়ে লিখছি, মেমোরি থেকে, একবার শুধু উইকি থেকে ঢুঁ মেরেছিলাম ক্যারেক্টারের নাম ঠিক মনে আছে কিনা দেখার জন্য। যাইহোক,
এনিমের নাম: Phantom: Requiem for Phantom
কাহিনীর শুরুতেই হিরো জেগে উঠে বুঝতে পারে যে তার কিছু মনে নাই, শুধু এটুকু মনে আছে যে তাকে কেউ খুন করার চেষ্টা করছিল। এবং কিছুক্ষণের মাঝেই সে আবার আগের আক্রমনকারীর কাছেই আক্রমণের শিকার হয়। তাকে জানানো হয় নিজের জীবন বাঁচাতে হলে লড়াই করতে হবে এবং সে তা করে, এবং মৃত্যু থেকে আপাত রক্ষা পায় আর কি।
এরপর তাকে জানানো হয় তার সামনে দুইটা অপশন, এক: মৃত্যু অথবা দুই: অ্যাসাসিন হিসেবে ট্রেনিং নেওয়া। কেন তাকে ঠিক করা হয়, সে কে এসব সম্বন্ধে কিছু তাকে বলা হয় না। তার ট্রেনার হবে তার আক্রমনকারী, যে হচ্ছে Ein(one) এবং তার নিজের নাম হবে এখন থেকে Zwei(two).
মূলত Zwei এবং তার আগে Ein হচ্ছে একটা অর্গানাইজেশনের পারফেক্ট অ্যাসাসিন ট্রেন করার একটা এক্সপেরিমেন্টের অংশ। যার প্রথম অংশ হিসেবে দুজনেরই পাস্ট মেমোরি বলতে কিছু নাই, এবং এরপর রিগোরাস ট্রেনিং এর মধ্যে দিয়ে যেতে হয়।
একই সাথে অ্যাসাসিন হয়ে উঠার গল্প, নিজেদের অরিজিন খুঁজে ফেরার গল্প, এবং তাদের জন্য অন্যরা যে ডেস্টিনি ঠিক করে দিয়েছে তা থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করার গল্প।
পুরো সিরিজে সে অর্থে হিউমার নাই বললেই চলে, তবে যথেষ্ট সাস্পেন্সফুল, অ্যাকশন সিকুয়েন্স খুবই ভালো, ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টও বেশ ভালো। যাদের অনেক ‘কেন?’ ‘কেন’ জিজ্ঞাসা, তাদের খারাপ লাগার সম্ভাবনা আছে, কারণ যদ্দুর মনে পড়ে মূল ক্যারেক্টারদের কারও পাস্ট, বা তাদের কিভাবে কেন বাছাই করা হল এসব খুব একটা ব্যাখ্যা করা হয় নাই।
1346156687_snapshot20090807000047

সব মিলিয়ে যথেষ্ট ভালো একটা এনিমে। আমার সেইসময় খুবই ভালো লেগেছিল। আজকে ডার্কার দ্যান ব্ল্যাকের হেই’র মুখোশ দেখে হঠাত আমার Zwei এর কথা মনে পড়ল আর তারপর বিকালে দেখি একজন তার ছবিও পোস্ট করেছে। তবে মনে হয় খুব বেশি মানুষ দেখে নাই। একটাই সিজন, বেশি সময় লাগবে না, যাদের action, thriller ইত্যাদি genre ভালো লাগে, তাদের দেখে ফেলার সাজেশন দিচ্ছি।

513697464

MAL link: http://myanimelist.net/anime/5682/Phantom:_Requiem_for_the_Phantom

Change 123 a manga review by Farhad Mohsin

আমি মাঝে মাঝে মাঙ্গারিডারে Surprise Me দিয়ে বিভিন্ন মাঙ্গা পড়ি যা হয়তো সাধারণত আমার সামনে আসত না। ম্যাক্সিমামই চার-পাঁচ চ্যাপ্টার পড়ে আর পড়া হয় না। এর মধ্যে যেগুলো কমপ্লিটেড এবং চ্যাপ্টারের সঙ্খ্যা কম এ ধরণের গুলোর ক্ষেত্রে ইন্টারেস্ট কিছুটা বেশি থাকে। এরকম একটা মাঙ্গা ছিল Change 123.


Genre -> Action, Romantic, Ecchi
কাহিনীর শুরুটা অনেকটা এরকম: মোকোতো নামে এক মেয়ের তিন অ্যাডপ্টিভ বাবা। তারা তিনজন তিন ধরণের লড়াইয়ের স্টাইলে স্পেশালিস্ট, একজন হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কম্ব্যাট, একজন ওয়েপন বেইসড অ্যাটাকে, আরেকজন মনে হয় স্ট্রাটেজিকাল অ্যাটাকে। তারা তিনজন আলাদা করে ছোট থেকেই মেয়েকে ট্রেইন করে। মেয়ের কিন্তু তার অরিজিন নিয়ে কোন আইডিয়া নাই। তো এই ট্রেইনিং এর পাল্লায় পড়ে মেয়ের মাল্টিপল পার্সোনালিটি ফর্ম হয়, তিন মারামারির স্টাইল বিশিষ্ট তিনজন, যেই পার্সোনালিটিগুলো তার বিপদের সময়ে আগিয়ে আসে। আর তার কারণে তার অরিজিনাল পার্সোনালিটি হয়ে যায় নিতান্তই ভীতু, ভাজা মাছ উলটে খেতে জানে না ধরণের। তার সাথে একসময় পরিচয় হয় হিরোর(হিরো শুধু নামেই হিরো, বারকয়েক মার খাওয়া ছাড়া আর কিছু করে না), আর এরপর বিভিন্ন সময়ে তার সাথে মারামারি করতে আসে বিভিন্ন লড়াকু, তার অরিজিন সম্বন্ধে কিছু আইডিয়া পাওয়া যায়, ধারণা করা হয় তার অলরেডি স্প্লিট পার্সোনালিটি হয়তো আরও এক ভাগ হয়ে গেছে ইত্যাদি ইত্যাদি। এসবের মাঝে স্টোরি আগিয়ে চলে।

মূল কথা হচ্ছে এমন আহামরি কিছু না, বাট হাতে টাইম থাকলে আর হ্যান্ড-টু-হ্যান্ড কমব্যাট বেসড একটা ফানি-ইচি মাঙ্গা পড়তে চাইলে এটা পড়ে ফেলা যেতে পারে।

Paprika — Anime Movie review by Farhad Mohsin

Zemanta Related Posts Thumbnail

Paprika মুভিটা দেখসি রিসেন্টলি। সেইটা নিয়ে সেমি-রিভিউ টাইপের পোস্ট।

ফিল্মের ডিরেক্টর সাতোশি কন। বেশ ভালো ডিরেক্টর। Perfect Blue তার ফিল্ম, সেইটাও অনেক ভালো।
যাই হোক, Paprika’র শুরুটা এমন, একটা কোম্পানির R&D বিভাগ একটা যন্ত্র আবিষ্কার করেছে, মিনি ডিসি, যার মাধ্যমে মানুষের স্বপ্ন দেখা যায়। একাধিক জন একসাথে সেটা ব্যবহার করলে স্বপ্ন শেয়ারও করা যায়। এই যন্ত্র ব্যবহার করে স্বপ্নের মধ্যে গিয়ে সাইকোথেরাপি দেওয়ার চেষ্টাও করা হয়। তো একদম শুরুতেই এই যন্ত্র দুইটা চুরি যায়। এবং সেই চুরি যাওয়া যন্ত্র দিয়ে এই যন্ত্র ব্যবহারকারী অন্যদের স্বপ্নে প্রবেশ করে ঝামেলা করা যেতে পারে বলে সেটা নিয়ে প্যানিক সৃষ্টি হয়। চোরের পিছনে খোঁজ লাগায় মিনি ডিসির প্রধান দুই ডেভলেপার ও তাদের চীফ। এবং এরপর নানা ঘটনা ঘটতে থাকে।
আরেকদিকে থাকে এক পুলিশ অফিসার, সে তার মত করে একাধিক দিক দিয়ে এর মধ্যে জড়িয়ে যায়, এবং ডিসি মিনির গল্পের মধ্যে তার স্বপ্নের গল্পও বেশ সুন্দর মত চলে আসে।
যাইহোক, রিভিউ লিখতে গিয়ে সামারি লিখা শুরু করেছিলাম। Paprika’র গ্রাফিক্স, আর্টওয়ার্ক, সব বেশ ভালো। ড্রিমওয়ার্ল্ডের প্রেজেন্টেশন বেশ সুন্দর/কালারফুল/বোল্ড। স্টোরিলাইন যথেষ্ট গ্রিপিং। ফিল্মটা মনে হয় মূলত একটা সাইফাই, কখনও স্বপ্নের মধ্যে ঢুকে যাওয়ার জন্য একটা ফ্যান্টাসি ভাব আসে, আবার কখনও বা মনে হয় একটা ডিটেক্টিভ স্টোরির মত। ক্যারেক্টার বিল্ডাপ খুব ভালো।
তবে পুরোটা দেখে আমার এ মুভি সম্বন্ধে যেটা মনে হইসে, এটা সেই ধরণের মুভিগুলোর একটা যেটার logical soundness নেসেসারি না, পুরোটার সবকিছুর লজিকাল এক্সপ্লেনেশন বুঝে বুঝে দেখাটা নেসেসারি না। এটা সেই ধরণের মুভি যেটার বেলায় বলা যেতে পারে, you go with the flow. “এটা কী হচ্ছে” “কেন হচ্ছে” মনে না হয়ে জাস্ট ধরে নেওয়া যাইতে পারে, “হচ্ছে, দেখতে থাকি”। এবং তারপরেও অসাধারণ লাগবে। (কেউ যদি বুঝে না থাকেন আমি আসলে কি বলতে চাচ্ছি, তাহলে দুঃখিত। ঠিক ব্যাখ্যা করতে পারছি না এরকম আমার মনে হয়েছে রিসেন্টলি আরও একটা মুভি দেখে, Donnie Darko, এনিমে না অবশ্য)
**কেউ কেউ বলে থাকে এই মুভিটার কিছু আইডিয়া হয়তো Christopher Nolan এর Inception এর জন্য inspiration হিসেবে কাজ করতে পারে। হয়তো।