Uchuu Kyoudai রিভিউ — Gourab Roy

11

আকাশ ছোয়ার স্বপ্ন কার না থাকে ছোট বেলায়? ছোট কালে কতই না শুনেছি,আয় আয় চাঁদ মামা টিপ দিয়ে যা,নাটক সিনেমা কখনো কখনো বাস্তবে ও দেখছি অনেকেই তাদের প্রেয়সি কে বলে ওঠে,” তোমার জন্য আমি চাঁদ এনে দেব”(ইল্লোজিকাল যদিও)।তা সেই চাদে যাওয়ার স্বপ্নের বীজ অনেকি বুন্তে পারেন,কিন্তু কতজন সেটা লালন করতে পারেন??
স্বপ্ন কে সত্যি করার সাহস কজনার থাকে?

12
হু থাকে কারো কারো।”স্পেস ব্রাদার্স” বা ”উচু কিওদাই” এনিমে তে রয়েছে এই আজন্ম লালিত স্বপ্নের বাস্তবায়ন,এনিমের সাদামাটা নায়ক নানবা মুত্তা!(:v)সে একজন মেকানিকাল ইঞ্জিনিয়ার(ইয়েই)।ছোট বেলা সেও স্বপন দেখেছিল চাদে যাওয়ার তার ছোট ভাই হিবিতোর সাথে।কিন্ত হিবিতো পারলেও তার সে স্বপ্ন পূরণ আর হয়ে ওঠেনা।অনেক প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে ধাপে ধাপে অধরা কে ধরার অদম্য বাসনা নিয়ে কিভাবে একজন সুপার পাওয়ারলেস ,নাকামা পাওয়ার হীন মাটির মানুষ চাদের বুড়িকে জয় করেছিল সে বাস্তব্ধর্মী গল্প গাথা আছে এই এনিমে তে।
কেন দেখবেনঃ ম্যাল রেটিং 8.67
আমার রেটিং ১০/১০

9

10
বোরিং হোয়ার মত কোন এপিসোড নেই,সাস্পেন্স এ ভরপুর যেন প্রতি নিয়ত আপনি শার্লক হোমসের এসিস্টেন্ট,সাথে আছে কাওয়াই কুকুল ”আপো”,মুত্তার সীমাহিন কমেডি যা চার্লি চ্যাপ্লিন কে ও নস্যি বানিয়ে দেয়,এমন সব রোমান্টিক সিনারি যা রোমিও জুলিয়েট দেখলে হয়ত লজ্জায় মাথা মুড়িয়ে ফেলত,এবং আরো কত কি যেটা দেখলেই ভাব্বেন ইশ আগে কেন দেখিনি।অনেক চরিত্রের সমাবেশ,এবং সব গুলোই গুরুত্বপূর্ন। হৃদয়গ্রাহি ব্যকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং ওপেনিং এবং এন্ডিং সংস।অন্যতম আমার দেখা সেরা স্লাইস অব লাইফ” স্পেস ব্রাদার্স দেখে ফেলুন আর দেরি না করেই”
এক তুড়িতেই যেন সময় কেটে যাবে

8

Kingdom রিভিউ — Gourab Roy

Kingdom:

টেকনোলজির এই যুগে এসব ঢাল তলোয়ারের পিটোপিটি কি ভাল লাগে? হাহ!।এই মনোভাব নিয়ে দেখতে বসলাম কিংডম…তারপরে চোখের নিচে কালি ফেলে ৩ দিনে শেষ করে ফেললাম
আমার দেখা অন্যতম intense এনিমে কিংডম।একশন, মিলিটারি,হিস্টোরিকাল,সেইনেন এর পারফেক্ট সমন্বয়।চাইনিজ ইতিহাসের পরতে পরতে যে এমন টুইস্ট লুকিয়ে আছে যা দেখার সময় মিস্টার
টুইস্ট এর টুইস্ট ও নস্যি মনে হবে।
গল্পের নায়ক xin একজন স্লেভ এবং আহোবাকা।আর আহো বাকা নায়ক দের সবাই বেশ পছন্দ করে ।তার জানের জান ,প্রানের প্রান বন্ধু হিও ও একজন স্লেভ।তাদের এক্টাই লক্ষ্য,আর তা হল এই পৃথিবীর সবচেয়ে হ্যাডা জেনারেল হওয়া।চাইলেই তো হয়না।
ঘটনার পরিক্রমায় হিও আর জিন এর একসাথে থাকা আর হয়ে ওঠেনা।জিন এর তখন পরিচয় হয় গল্পের আরেক প্রধান চরিত্র Zheng এর সাথে,যে কিনা তরুন বয়সে রাজা হয় এবং কুটিল রাজনীতি এর
শিকার হয়।অনেক চড়াই উতরাই পেরিয়ে জিন আর Zheng এর সেই রাজ্য উদ্ধার এবং রাজা হওয়ার পরে রাজ্য রক্ষা এবং জিনের সর্ব শ্রেষ্ঠ জেনারেল হওয়ার কাহিনী নিয়ে চলতে থাকে কিংডম এনিমে এর ঘটনাপ্রবাহ।ডুয়েল,এসেসিনেশন
ফুল স্কেল ব্যাটেল সিন,ব্যাড ass কুল ass,ও কিছু assহীন চরিত্রের ছড়াছড়ি আর অসংখ লোম খাড়া করা সিন ও ডায়ালগ দেখতে দেখতে কখন যে চাইনিজ খেতে মন চাইবে টের ও পাবেন না

এ এনিমের এক্টাই খারাপ দিক,তা হল এনিমেশন।প্রথম এক দুই এপিসোড দেখার পরে সেটাও আর খারাপ লাগবেনা।ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক মানানসই। ওপেনিং আর এন্ডিং সং দুটোই ওয়ার থিমের
সাথে ভাল যায়।ভয়েস এক্টিং যেখানে যেরকম দরকার সেখানে সেরকম একদম।নায়ক জিনের আর ইচিগোর ভয়েস এক্টর একই।তাই ব্লিচ এর ফিলিংস পেতে পারেন মাঝে মদ্ধে।গল্পে নায়িকা নেই
বললেই চলে।তবে কিছু শক্তিশালী নারী চরিত্র আছে,যাদের চেহারা দেখে সাথে সাথে ক্রাশ খেয়ে যাওয়া বিচিত্র নয়।সিজন ১ এর সিজন ফিনালে আমার দেখা অন্যতম সেরা সিজন ফিনালে।
স্টোরি ছাড়া আমার এ এনিমের যেটা বেশ ভাল লাগে তা হল ওভারহোয়েল্মিং কিছু চরিত্র।দেখা যাবে বেশিক্ষনের জন্য তারা স্ক্রিন টাইম না পেলেও তারা আপনার কোকোরো কে ডমিনেট
করবে।একবার ঢুকে গেলে এনিমের মদ্ধে, পুরোটা না খেয়ে আপ্নি আর উঠতে পারবেন না,এবং নিজেকে আরো একবার এনিমখোর হিসেবে আবিষ্কার করবেন।
আমার রেটিং :৯.৯৯।(.০১ এনিমেশনের জন্য কাটা) :v
আর এটা পুরোপুরি বায়াসড রিভিউ,ব্যাক্তিগত এনিমে লিস্টে এটা টপ ৫ এ চলে যাওয়ার জন্য অনেক টুক টাক ভাল না লাগা ও বাদ দিয়ে গেছি সানন্দে।
তো আর দেরি না করে দেখে ফেলুন কিংডম,আর ভুলে যান দম ফেলতে কারন এটা যে রুদ্ধশ্বাস এনিমে।

Natsume Yuujinchou রিভিউ — Gourab Roy

Natsume Yuujinchou:(Natsume’s Book of Friends):

মনে করুন দিন রাত ২৪ ঘন্টা আপনি একটা কোন কিছু দেখতে পাচ্ছেন,যা আপনার চারপাশের কেউ পাচ্ছেনা।বল্লেও কেউ বিশ্বাস করছেনা,এদিকে আপনাকে বিনা পয়সায় মিথ্যাবাদী উপাধি দিচ্ছে.।বুক ফাটছে আপনার কিন্তু মুখ ফুটছেনা।
এনিমের নায়ক নাতসুমে ঠিক এ পরিস্থিতি তেই দিন কাটাচ্ছিল।সে ইয়োকাই বা আয়াকাশি দের দেখতে পায়,যা কিনা অন্য রা পায়না।তার একাকি দিনের অবশান ঘটে যখন সে তার গ্রান্ডমা এর রেখে যাওয়া একটা ইয়োকাই দের নাম সম্বলিত বই পায়।এ বই আলাদিনের চেরাগের মতই ক্ষমতাশালী ।এ বইয়ে যে সব ইয়োকাই দের নাম আছে তাদের সবাই ই নাতসুমের হুকুম তামিল করতে বাধ্য।কিন্তু গকু লেভেলের ভদ্রলোক নাতসুমে ইয়োকাই দের কে নাম ফিরিয়ে দিতে বদ্ধ পরিকর।আর এদিকে নাতসুমের সাথে পরিচয় হয় এক মোটা গোটা হুলো বেড়াল ইয়োকাই এর।যে নাতসুমের বডি গার্ড হিসাবেই থাকে।


ইয়োকাই খারাপ হয় ,ভাল হয় ,আবার অনেক কিউট ও হয় ।কিউট ইউওকাই গুলো দেখলে মনে হয় ইস ! একটু চটকে আসি… 😛 । নাতসুমে চায় এদের সাথে কো এক্সিস্ট করতে।কিন্তু কখন ও কখনো তাকে মারপিট করাই লাগে এই ইয়োকাই দের সাথে।
শেষ পর্জন্ত নাতসুমে পেরেছিল কিনা মানুষ এবং ইয়োকাই দের সাথে কো এক্সিস্ট করতে,কি হয়েছিল সেই পাওয়ারফুল বইটার এগুলো জানতে দেখে ফেলতে পারেন ৪ সিজনের,মোট ৫২ এপিসোডের নাতসুমে ইউজিঞ্চো।

এনিমেশন বেশ ভাল।এপিসোডিক কাহিনি,এবং একটু স্লো পেসড।স্লাইস অব লাইফ এর স্বাদ পাবেন বেশ ভাল ভাবেই। ব্যাক গ্রাউন্ড মিউজিক বেশ মানান্সই কাহিনির সাথে।আর ওপেনিং আর এন্ডিং সং গুলো বেশ হৃদয়গ্রাহী।প্রতিটা এপিসোড দেখার সময় আপনার মনে হবে জীবনে বুঝি কোন ব্যাস্ততা নেই,মনে হবে শীতের সকালে হাল্কা রোদে একটু কাপুনির সাথে আরামে শরীর এলিয়ে দিয়ে রোদ পোহাচ্ছেন ।

হয়ত আপনার ধুন্ধুমার পিটাপিটি দেখতে ইচ্ছে হচ্ছেনা,আবার একদম স্লাইস অব লাইফ এর ফ্যান ও না আপ্নি ।তাহলে সুপারন্যাচারালিটির স্বাদ যুক্ত Natsume Yuujinchou দেখে ফেলুন আর দেরী না করে,আর হারিয়ে যান এক অজানা ভাল লাগায় 🙂
আমার রেটিং: ৮.৫

‘Cross Game- স্লাইস অফ লাইফ এবং স্পোর্টস এর অসাধারন কেমিস্ট্রি’- By Gourab Roy

অনেক ধুন্ধুমার ফাইটিং সিন দেখে হয়ত আপনি ক্লান্ত হয়ে পড়েছেন,মন চাইছে স্লাইস অফ লাইফের স্বাদ আস্বাদন করতে ,আবার একদম নিস্তরংগ জীবন ও তো ভাল লাগেনা।নিরমল বিনোদোনের জন্য দরকার হাল্কা পাতলা খেলাধুলা ।স্লাইস অফ লাইফ এবং স্পোর্টস এর অসাধারন কেমিস্ট্রি নিয়ে আপনার জন্য অপেক্ষা করছে ‘ক্রস গেম’।মুলত এটা বেসবল এর উপর বেস করে করা এনিমে।কিন্তু এটার পরতে পরতে মিশে আছে রোমান্টিসিজম।অন্য যে কোন স্পোর্টস এনিমে থেকে একটু আলাদা। খেলাধুলার পাশাপাশি মানুশের লাভ লাইফের উপরেও সমানে জোর দেওয়া হয়েছে।

আমাদের গল্পের নায়ক,কিতামুরা কো।গল্পের নায়িকা সুকিশিমা আওবা।আওবা একটু টম বয় টাইপের।ছোট বেলা থেকে সে বেস বল খেলে।নায়ক এর সামর্থ থাকা সত্ত্ব সে খেলার প্রতি সিরিয়াস না যতক্ষন না সে আওবার কাছে হেরে যায় (অনেক ছোটবেলায়)।এরপর থেকে তার বেস বল খেলার শুরু।তার ছোটবেলার ভালোবাসা ,আওবার বড়বোন ওয়াকাবার স্বপ্ন পূরণের জন্যই তার এই খেলা। সাধারনত দেখা যায় স্পোর্টস এনিমে তে হিরোরা থাকে ফার্স্ট ইয়ারে এবং ফাস্ট ইয়ারেই তারা সব কুপিয়ে লাল বানিয়ে ফেলে।এইখেত্রে হিরো থার্ড ইয়ারে না ওঠা পর্যন্ত ওই রকম কোপ দেওয়া হয়ে ওঠেনা।আস্তে আস্তে করে একটা টিমের বিল্ড আপ দেখান হয়েছে ৫০ পর্বের এই এনিমে তে।যদিও ‘এস অব ডায়ামন্ড’ এর এত ইন্টেন্স এনিমেশন নাই এখানে।কিন্তু খেলার উত্তেজনা ঠিক ই জায়গায় জায়গায় ক্রাইসিস ক্রিয়েট করে অনেক সাবলীল ভাবে দেখান হয়েছে।ত্রিভুজ ,চতুর্ভুজ প্রেম কাহিনি এর শেষ কিভাবে হবে সেটা শেষ না দেখে বোঝার কোন উপায় ছিলনা। বেশ মেলোড্রামাটিক সিচুয়েশনের ক্রিয়েট করা হয়েছে ক্ষণে ক্ষণে । প্রায় নামহীন একটা স্কুল কে কিতামুরা কো আর তার সহপাঠিরা কি পেরেছিল খ্যাতির শিখরে নিতে?কিতামুরা কো আসলে ভালবেসেছিল কাকে ? এসব প্রশ্নের উওর জানার জন্য আজ ই দেখে ফেলুন ‘ক্রস গেম’। প্রথম কয়েক পর্ব একটু ধৈর্য নিয়ে দেখে ফেললে এর পরে আর অন্য দিকে তাকানোর সুযোগ ও নেই

ওপেনিং আর এন্ডিং সং ও স্পোর্টস এনিমের মত ইন্টেন্স না, বরংচ স্লাইস অফ লাইফ টাইপের । শুনলে মনে হবে আপনি শুন্য আকাশে অপলক তাকিয়ে আছেন।অথবা নদী তীরের হিমেল বাতাস উপভোগ করছেন(বিশেষ করে Orange days )।
আমার রেটিং ,৮.৫। আর দেরি কেন ? হ্যাপি এনিমিং. 😀

 

NO game NO life লিখেছেন Gourab Roy

10448790_924358987589910_1614157411232676379_nএমন যদি হত যে সব কিছুর সমাধান হবে গেম দিয়ে।কেউ তোমাকে একটা চটকানা দিতে গেলেও তাকে তোমাকে আগে গেমে হারাতে হবে।চাপাবাজি করে সেই চাপা কে সত্য হিসাবে চালিয়ে দিতে চাও,জিত্তে হবে গেম।গেম যে জিতবে মুল্লুক তার।যারা অনেক গেম খেলতে পছন্দ করেন তারা হয়ত ভাবছেন এম্ন পৃথিবীতে তো আসলে আপনার জন্ম হওয়া উচিত ছিল,হয়ত ভাবছেন ভুল জায়গাতেই পাঠিয়ে দিয়েছেন ঈশ্বর আপ্নাকে,চিন্তা নেই।আম্নি যদি এত ভাল গেমার হয়ে থাকেন আপনি সুজোগ পাবেন সেই গেম ময় পৃথিবীতে রিবর্ন হওয়ার।
এতখন মনে হয়ে আপ্নারা ধরে ফেলেছেন আমি কোন এনিমের কথা বলছি
ঠিক ধরেছেন বটে,”নো গেম নো লাইফ” খেলা ছাড়া জীবন নাই।
১২ পর্বের প্রথম সিজন।এডভেঞ্চার ,কমেডি (একটু এচ্চি) ফ্যান্টাসি ,সুপারন্যাচারাল জেনার কভার করেছে এনিমেটা।এখানে নায়ক সোরা,তার ছোট বোন শিরো (মে ব্বি নায়িকা)এই দুজনেই নিট(NEET,not in education employment or training)
তাদের কাজ রাত দিন গেম খেলা।যে কোন ধরনের গেম।তাদের গেম সেন্স আনপ্যারালাল।তাদের কে ডিসবোর্ড ওয়ার্ল্ড থেকে গড টেতো নিয়ে গেল তার ওয়ার্ল্ডে যেখানে শুধুই গেম আর গেম।১৬ টি ইন্10432087_924359107589898_4267982799229360461_nটিলিজেন্ট রেস এখানে বাস করে।তার মদ্ধে ইমানিটি অর হিউম্যানিটি সবচে নিচের।সোরা আর শিরো কি পারবে ইমানিটির হয়ে বাকি শক্তিশালি রেসের বিরুদ্ধে জিত্তে শুধুমাত্র গেমিং সেন্স আর উইসডম দিয়ে।জানতে চাইলে দেখে ফেলুন আজ ই NO game NO life. ললির সংগা ভাল জানিনা বাট তাও বল্ব শিরো আমার দেখা বেস্ট ললি. অসাধারন গ্যাগ,ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক ,ওপেনিং সং সব মিলিয়ে কিছুখন এই বিতৃষ্ণা ময় জীবন থেকে হারিয়ে যেয়ে নিজেকে খুজে ফেরার জন্য বসে যান দেখতে আজ ই ,এক্ষুনি।কারন পরে রিওয়াচ করতে হবে তো আরো অনেক বার. হ্যাপি এনিমিং .