ভ্যাম্পায়র বললেই আমাদের আমাদের মাথায় ভেসে ওঠে রক্তপিপাসু একদল অমর মানুষদের কথা। যদিও ভ্যাম্পায়র বলতে প্রথমে নিকটআত্নীয়দের দুষ্ট ভূতদের বোঝাত কিন্তু পরে তা বর্তমানে রক্তপিপাসু রাক্ষসদের বোঝায়। সব লোক কথায় ভ্যাম্পায়ারের রেফারেন্স আছে যেমন ভূত ঘাড় মটকে রক্তচুষে নিল। ভ্যাম্পায়ার নিয়ে বাংলা সাহিত্যের সেরা গল্প মনে হয় কামিনী ডাইনির গল্প। তো আনিমে মাঙ্গাতেও প্রচুর ভ্যাম্পায়ার রয়েছে তবে তাদের মধ্যে সবচেয়ে বিখ্যাত হেলসিং।
ইংল্যান্ডকে রক্তচোষা ঘুউলদের থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব পালন করছে আব্রাহাম ভ্যানের হেলসিংএর কন্যা ইনটেগ্রা হেলসিং। এক কালের লাজুক এই মেয়ে এখন একজন রগচটা যোদ্ধা ও কমান্ডার (অবশ্যই তার পিতার মৃত্যু এবং টার চাচার বেঈমানির ফলে)। এবং তার আন্ডারে চুক্তিতে আছে ভ্যাম্পায়ারদের বিরুদ্ধে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অস্ত্র। অতিরিক্ত শক্তিশালী এক ভ্যাম্পায়ার যার নাম আলুকার্ড। সে আর ১০টা ভ্যাম্পায়ারের মত ম্যান্দা মারা না বরং আরো ভয়ঙ্কর ।কাজের প্রয়োজনে নিরীহকে খুন করতে তার বাধে না, অতি আবেগের কোন দরকার নাই। তাকে সঙ্গ দেবার জন্য আছে ব্যাডাছ আলফ্রেড ওরফে ওয়াল্টার সি ডরনেয এবং সদ্য ভ্যাম্পায়ারে পরিণত হওয়া সেরাস ভিক্টোরিয়া, যে এখোনো তার নতুন জীবনের সাথে খাপ খেতে পারছে না। এর মধ্যে আবার একদল ভ্যাম্পায়ার নাজি উপস্থিত ইংল্যান্ড দখল করতে এবং তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছে এক সাইকো মেজর! তার ডায়লগ এবং কূটবুদ্ধিগুলো বেশ চমৎকার!!!
এই এনিমেতে খ্রিস্টান একস্ট্রিমিস্ট এবং নাযিদের ভিলেন বানিয়ে ব্যাপারটা উপভোগ্য করে তোলা হয়েছে। আলুকার্ডের ৩২পাটি শ্বদন্ত বের কইরা কোলগেট মার্কা হাসি বেশ চিলিং এবং সাথে হাসিখুশি সেরাসের ভয়ঙ্কর মুড চালু, এক কথায় এপিক!!!!!! ন্যাকামি বেশি নাই। সব ক্যারেকটারই মোটমুটি ভালো স্পটলাইট পেয়েছে। একশান , গোরে ভর্তি , রক্তের ছড়াছড়ি ,হালকা কমেডিও আছে। না দেখার কোন কারণ নাই। মোটে ১০টা এপিসোড। যার হরর ফ্যান তারা অবশ্যই দেখবেন! কাহিনী, একশন, সাউন্ডট্রাক সবই চরম। পর্ব সংখ্যা মোটে ১০। এটা ডাবে না দেখলে দেখা বৃথা।
আমার রেটিং: ৮/১০



