Steins;Gate [রিএকশন] — Iftekhar Irafat Ifti

Steins;Gate Reaction

Steins gate: রিঅ্যাকশন পোস্ট
এপি ১: গ্র্যান্ড ওপেনিং
১ম এপিতেই হুকড। যা শুনছিলাম তাই। খুব সিরিয়াস ওপেনিং। মাথা নষ্ট কিছু দেখার জন্য রেডি হয়ে গেলাম।
এপি ২-১১: বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার
পরের এপিগুলা দেখি। এমন হওয়ার কথা ছিল নাকি? এটা কি মাইন্ড ফাক সাইফাই নাকি ফানি সাইফাই অ্যানিমে? অবশ্য মন্দ না। জাফর ইকবালের কিছু কমিক সাইফাই বই আছে না? বিজ্ঞানী সফদর আলীর মহা মহা আবিষ্কার। ওকাবেকেও তেমন মনে হচ্ছিল। পাগলা সায়েন্টিস্ট। মাথার ভেতর কন্সপিরেসি থিওরি। অদ্ভুত সব জিনিসপত্র বানায় যেগুলার কেমনে কাজ করে নিজেও জানে না। মানুষজন ইচ্ছেমতন আবদার নিয়ে আসতেছে অতীত চেঞ্জ করার জন্য। আর বাটারফ্লাই ইফেক্টকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে সেও কাউকেই ফিরিয়ে দিচ্ছে না।
এক স্টুডেন্ট বলেছিলো এই সময়টা বোরড লাগবে। আমার তেমন কিছু হয়নি। মোটামুটি মজা নিয়েই এই স্টেজ পার করলাম। কিছু কথাবার্তা শুনে হাসতে হাসতে শেষ। যখন কুরিসু আর মায়ুরি রান্না করতে বসে দারু আর ওকাবের রিঅ্যাকশন মনে আছে?
-It seems I’ve released the seals that bound a dark god.
-When this meal over, I’m going to retire and get married.

(তবে বিরক্ত করেছে মিউ মিউ আর তার ভয়েস। এই ঢং গুলা অসহ্য।)
এপি ১২-২২: এটা জানতাম/টাইম ট্রাভেল নিয়ে ছিনিমিনি খেলে ইতিহাসে কেউ আজ পর্যন্ত সুখী হতে পারে নাই। তারপরেও প্রথম যখন মোয়েকা পিস্তল বের করে এবং সত্যি সত্যি ট্রিগার টেনে বসে সেটা দেখে বিশ্বাস করতেও সময় লাগে। হঠাৎ হালকা মুড থেকে এমন সিরিয়াস টার্ন নেয়ায় শক ইনটেনসিটি থাকে বেশি।
এইসময়ে ওকাগেকে আর চেনাও যায় না। আগের মতন ফাজলামি করে না। তাকে শুরুতে ওইরকম পাগল দেখা হয়েছে বলেই কিন্তু এই সময় তার পরিবর্তনগুলো বেশি চোখে লাগে।
মাঝখানে অকাবে কুরিসুর কেমিস্ট্রি। আবেগী ডায়ালগ।তারা দুজন একসাথে হলেই মনে হয় রোমান্টিক সাই ফাই।
-No matter what world line you’re in, you aren’t alone. I’m here.
২২ নং এপিতে সিরিজটা শেষ করে দিলেও চমৎকার একটা ডার্ক এন্ডিং হতো। দেখলাম আরো দুইটা এপি বাকি।

এপি ২৩-২৪: শ্রোডিঞ্জারের বিড়াল = কুরিসু (জীবিত নাকি মৃত?)
শেষ দুই এপি দেখে কোয়ান্টাম লেভেলের আনন্দ পেলাম। টাইম ট্রাভেল নিয়ে কিছু দেখলেই যা আশা করি লুপ ক্লিয়ার, কোয়ান্টাম হাবিজাবি,নেটে কিছুক্ষন গবেষণা করার মতন টপিক সবই পেলাম।
আর শেষে ওকাবের এই কথাগুলো। প্লেটোনিক ভালবাসা। রোমিও দেখলেও চোখ বড় বড় করে বলবে, কেমনে পারো ম্যান?!
-You don’t remember the three weeks we spent together. But that’s okay. Right now you’re breathing, speaking, thinking your hardest about something. That’s enough. You’re watching the same world as I am.

মুভি:
অবশ্য শেষে হ্যাপি এন্ডিং দেখেও মনে হয় আরো কিছু বাকি। আরো কিছু দেখার আছে। পুরা সিরিজটা আসলে দেখা হয়েছে ওকাবের চোখে। সে সবাইকে অবজার্ভ করে গেছে। কিন্তু অন্য কারো চোখে? কুরিসুর ফিলিংস? ডেজাভু মুভিতে সব পেলাম।তবে একটা ব্যাপার আশা করিনি।মুভিটা অনেকগুলা ইমো খাইয়ে দিলো।
-Remembering something that no one else can is a painful thing. You can’t talk to anyone about it. No one will understand you. You’ll be alone.

তাই জাস্ট হারিয়ে গেলে কেমন হয়? সেই মানুষগুলো কি মনে রাখে?

আবারো হ্যাপি এন্ডিং। কিন্তু তাও ইমোশনাল করেই রাখলো শেষ পর্যন্ত।
সিরিজ, ওভিএ আর মুভির শেষের তিনটা প্রিয় দৃশ্য একসাথে জোড়া লাগালাম।তিনবারই শেষ হয়েছে এই দুইজনকে দিয়ে।অ্যানিমে দেখা বেস্ট কাপল লিস্টে এদের না রেখে উপায় নেই। মিস করি এই দুইজনের ঝগড়া।