Paradox Paradigm (Kara no Kyoukai, EP 5) [অ্যানালাইসিস] — Amor Asad

KnK 5

গার্ডেন অফ সিনারস দেখতে গিয়ে মনে হলো এটা নিয়ে big pile of shit লিখবো কোন এক সময়, তবে পাঁচ নম্বর এপিসোড Paradox Paradigm বিশেষ নজরে আসায় স্থগিত করতে মন চাইলো না। সিরিজটা দেখে ফেলেছি এবং পুরো সিরিজে এটা সবচেয়ে পছন্দের এপিসোড। কারণ সমেত এটা তাই—মাঝারি pile of shit.

প্রথমত, পুরো সিরিজে এটা সম্পূর্ণ একটা গল্প। এর আগের এপিসোডগুলো একটার সাথে একটা জড়িত মনে হয়েছে, স্বতন্ত্র মনে হয়নি। প্যারাডক্স প্যারাডাইম ওই গল্পগাথার সাথে জড়িত হলেও, একে আলাদা ভাবে দাঁড় করানো যায়। অন্যতম মূল চরিত্র Tomoe-এর পরিচয় পর্ব, মূল গল্পের সাথে তাঁর সম্পৃক্ততা, তাঁর সাথে Shiki-র যোগাযোগ পর্ব এবং একই সময়কালে Tauko এবং Kokutou এর অবস্থান, শিকির উধাও পর্বের সাথে তাঁর কমরেডদের পদক্ষেপ, মূল অ্যান্টাগনিস্টের পরিচয় পর্ব ও পুরো ব্যাপারে তাঁর ভূমিকা সবকিছু একটা গল্পের নানা অংশ যা অন্য এপিসোডগুলোর উপর নির্ভরশীল না। শিকি হয়তো সিরিজের প্রোটাগনিস্ট কিন্তু এই গল্পের চাবিকাঠি ছিলো Tomoe.
এছাড়া গল্পটা যে চমৎকার, এটা আলাদা করে বলছি না।

মেকার নন-লিনিয়ার স্টোরিটেলিং ব্যবহার করে ভালো কাজ করেছেন। সোজা সাপ্টাভাবে গল্প এগোলে ভালো লাগতো ঠিকই, কিন্তু এখন যেমন মনে হয়েছে, অতটা হয়তো লাগতো না।

দ্বিতীয়ত, মন্টেজ এর সঠিক ব্যবহার। মন্টেজ ফিল্মমেকিং এর একধরনের টেকনিক, যেখানে একাধিক এলোমেলো ছবি যোগ করে কোন অর্থ প্রকাশ করা হয়। যেমন, কারো পা দেখা গেলো, এর পর একটা রোড দেখানো হলো, ক্লোজ শটে একটা গাড়ি দ্রুত বেগে ধেয়ে আসা দেখানো হলো, আরেকটা শটে দেখান হলো একজন রাস্তায় পড়ে আছে, গায়ে রক্ত। এই এলোমেলো শটগুলো দিয়ে বোঝানো যায় রোড-অ্যাকসিডেন্ট ঘটেছে।

মন্টেজের ব্যবহার অ্যানিমেতে প্রচুর দেখা যায়। বিশেষ করে মাকোতো শিনকাই একদম খামোখা ব্যবহার করেন। স্রেফ একটা বিশেষ আবহ আনতে। এই কাজ অবশ্য Garden of Sinners-এও আছে, হাবিজাবি শট এক করে একটা আবহ আনার চেষ্টা। কিন্তু এর মাঝেও একটা অংশ আছে যখন মন্টেজের ভালো ব্যবহার ছিলো।

Tomoe শিকির ঘরে থাকা শুরু করলো, দিন পার হয়ে যাওয়া বোঝাতে দরজার হ্যান্ডেল ঘোরানো, বেসিনে কাপের পর কাপ আইসক্রিম জমা হওয়া আবার ফাঁকা হওয়া এরকম একগাদা সদৃশ ফ্রেম ব্যবহার করা হয়েছে।

এখানে সফলতাটা হচ্ছে, যে সময়ের ভিতর দেখানো হয়েছিলো সেই সময়ে স্রেফ কোন একটা চরিত্রকে দিয়ে বলানো যেত, ‘অনেকদিন পার হয়ে গেছে।’— কিন্তু মন্টেজ দিয়ে আক্ষরিকভাবে সময়পার হবার একটা আপেক্ষিক রূপ দর্শককে দেখানো হচ্ছে। এতগুলো আইসক্রিম খেতে কতদিন সময় লাগতে পারে একটা খসড়া হিসেব হয়ে যায় মনে মনে।

তৃতীয়ত, পয়েন্ট অফ ভিউ শট। প্রথমার্ধের শেষে যখন শিকি বন্দি হলো আরায়া সৌরেন এর দেহরুপী ইমারতে, তার পরের কিছু অংশে সরাসরি শিকি-কে না দেখিয়ে পয়েন্ট অফ ভিউ স্টাইল ব্যবহার করা হয়েছে। ব্যাপারটা অনেকটা ফার্স্ট-পার্সন-শুটার গেম এর ভিউ এর মতো। শিকির চোখ এখানে ক্যামেরা, তাঁর চোখে দর্শক দেখছে, কথা শুনছে, কিন্তু তাঁকে দেখতে পাচ্ছে না। প্রথমার্ধের পর শিকিকে না দেখিয়ে কেবল পয়েন্ট অফ ভিউতে দর্শকের মধ্যে এক ধরণের প্রবল কৌতুহল আর টেনশন সৃষ্টি করা হয়। আমি জানি না গল্পের এই পর্যায়ে কাজটা ইন্টেনশনাল ছিলো কিনা, ইনটেনশনাল হলে সত্যিই ব্রিলিয়ান্ট কাজ।

চতুর্থত, ম্যাচ কাট। প্রথমার্ধে বেশ কটা ম্যাচ কাট ছিলো, বিশেষ করে আপাত মূল চরিত্র Tomoe-কে নিয়ে। ম্যাচ কাট বিশেষ ধরণের সিন-ট্রানজিশন, যেখানে একটা দৃশ্যপটের সাথে ভিন্ন আরেকটা দৃশ্যের মিল করা হয় পারিপার্শ্বিকতা মিল করে। এই কাজটা সুচারুরূপে অ্যানিমেতে প্রথম এবং শেষ যাকে করতে দেখেছি, তিনি ক্ষণজন্মা মাস্টারমাইন্ড, সাতোশি কন। ম্যাচ কাট নিয়মিত ব্যবহার করে অনেকেই, কিন্তু স্টাইলিস্ট সিন ট্রানজিশন এর উপায় হিসেবে খুব কমই করে। প্যারাডক্স প্যারাডাইমের কয়েকটা অংশ হুট করে কন-এর কথা মনে করিয়ে দিয়েছিলো।

এটা অবশ্য অ্যানিমের পক্ষে খুব শক্তিশালী কোন প্রমাণ নাও হতে পারে, হতে পারে কেবলই কনের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ থেকে অযথাই মেলাচ্ছি।

যাই হোক, কেবল এই এপিসোডের জন্যে আমার রেটিং ৯/১০
ভালো থাকুন, ভালো অ্যানিমে দেখুন।

Movie Time With Yami – Guest Corner!

 

ryougi_shiki-1567283

[এটা একটা স্পেশাল পর্ব, আজকের সাজেশন লিখেছেন আমাদের গ্রুপের Kara no Kyoukai ব্র্যান্ড রিপ্রেসেন্টেটিভ Subarno Hossain.]

Name: Kara no Kyoukai/Garden of Sinners – Borderline of Emptiness
Range: 8 movies and 3 specials.
MAL score (total average): 8.08

এটা ঠিক রিভিউ না, বরং যারা সিরিজটা দেখেননি, তাদের জন্য কিছুটা প্রিভিউ বলা যেতে পারে। এটা Type-MOON (যারা Fate/Stay Night তৈরি করেছেন) এর প্রথম কাজ। এটা প্রথম লেখা শুরু হয় সেই ১৯৯৮ সালে, এবং প্রথম মুভিটা বের হয় ২০০৭ সালে। এই আনিমেটাকে বলা যেতে পারে ‘চরিত্র-বিষয়ক’ একটি আনিমে, কারণ এখানে প্লট অথবা সেটিং এর চেয়ে চরিত্রদের ওপরই বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়। আপনার যদি এই আনিমের প্রথম মুভি ভাল লাগে, তাহলে আপনি পরের মুভি দেখবেন সেখানে ঘটনা কি ঘটে তা জানতে নয়, বরং শুধুমাত্র আনিমের মূল চরিত্র কি করে, তা জানতে।

Kara no Kyoukai এর মূল চরিত্র রিওগি শিকি (Ryougi Shiki), যার রহস্যময় ব্যবহার এবং আচার-আচরণ চোখে পড়ার মত। সংক্ষেপে, শিকি দেখতে মেয়ের মত হলেও তাকে ছেলেই বলা যেতে পারে। এমন না যে তাকে সাধারণ Tomboy বলা যাবে… কারণ তার চরিত্রের শুধু ১টি নয়, ৪ (হ্যাঁ, চার) টা দিক আছে! কোনটা কি আমি তা বললাম না, মুভি দেখে বুঝতে পারলেই ভাল হবে। তার এই দ্বৈত সত্ত্বার সাথে তার রয়েছে এক আলৌকিক ক্ষমতা, যার নাম “Mystic Eyes of Death Perception”; এগুলো তার জীবনে কি প্রভাব ফেলে, এটিই এই আনিমের মূল লক্ষ্যবস্তু।

তার সাথে রয়েছে আরও কিছু চরিত্র, যার মধ্যে আছে ককুতউ মিকিয়া (Kokutou Mikiya) যাকে বলা যেতে পারে শিকির একমাত্র ‘বন্ধু’, এবং আওযাকি তউকো (Aozaki Touko), একজন জাদুকর যার বিশেষত্ব পুতুল বানানো। প্রতিটা মুভিতে একটা ভিন্ন antagonist রয়েছে, এবং মজার বিষয় হল সব সময় তা নাও থাকতে পারে।

তাহলে মুভির প্লটটা আসলে কি? এই প্রশ্নের কোন সহজ উত্তর নেই, কারণ এটা psychological or mystery হিসেবে বলা হলেও আনিমেটাকে একটা খুবই উন্নত ‘Slice-of-Life’, অথবা অন্তস্তলে, simple Romance ও বলা যেতে পারে। প্রত্যেকটা মুভির একটা করে আলাদা বিশেষত্ব রয়েছে, যার প্রভাব অন্য মুভিতেও ভিন্নভাবে পড়ে। সেটা দেখার পরেই বোঝা যাবে।

আমার নিজের মতে, মুভিগুলোর সবচেয়ে অসাধারণ বিষয় চরিত্র নয়, বরং ওএসটি, আর্টওয়ার্ক এবং অ্যানিমেশনের গুণগত মান মিলে কিভাবে একটা মনমাতানো অভিজ্ঞতা তুলে ধরে। Ufotable সবসময় উচ্চ মানের আনিমে তৈরি করে থাকে, কিন্তু আমার মতে Kara no Kyoukai তাদের ‘Magnum Opus’. কালাফিনার মিউজিক এখানে seamlessly integrate করা হয়েছে, এবং প্রত্যেকটা সিনে একটা অন্য লেভেলের আবহ তৈরি করেছে।

Movie Download Link –
http://kissanime.com/Anime/Gekijouban-Kara-no-Kyoukai-The-Garden-of-Sinners

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Kara no Kyoukai রিভিউ by Fahim bin selim

1

 

অ্যানিমে রিভিউ – কারা নো কিওকাই/ গার্ডেন অফ সিনারস/ বাউন্ডারি অফ এম্টিনেস [Kara no Kyoukai/ Garden of Sinners/ Boundary of Emptiness]
হেপ্টালজি
প্রচারকালঃ ২০০৭-২০০৯
প্রযোজকঃ ইউফোটেবল
জনরাঃ [বেস] অ্যাকশন, অতিপ্রাকৃত, রহস্য, রোমাঞ্চ [পর্বভেদে] রোমান্স, ম্যাজিক

// কাহিনী সনক্ষেপঃ হাই স্কুলের এক বরফস্নাত দিনে কিমোনো পরা এক মেয়ে, অ্যান্টিসোসাল ও রহস্যময়, শিকি রিয়োগির প্রতি আকর্ষন জন্মালো মিকিয়া কোউকোর। যতই তার কাছে আসতে থাকল, ততই সে বুঝতে পারল শহরে ঘটে যাওয়া একের পর এক হত্যাকান্ড আর অতিপ্রাকৃত জিনিসের সাথে শিকি জড়িয়ে আছে বেশ ঘনিষ্টভাবে। রহস্যের সমাধানের যখন খুব কাছে মিকিয়া তখনই আবার এক দূর্ঘটনায় মারাত্নকভাবে আহত হল শিকি।
দুই বছর পর যখন কোমার থেকে ফিরল, তখন সে হারিয়ে ফেলেছে আগের সব স্বৃতি। একত্র হল মিকিয়ার সাথে মেইজ তোউকো আওজাকির গোয়েন্দা সংস্থা, গারান নো দৌ বা হলো’ স্রাইনে। শহরে ঘটে যাওয়া সব অতিপ্রাকৃত হত্যার রহস্য সমাধান আর একই সাথে নিজের হারানো অতীত ফিরে পাওয়ার চেষ্টায় নামল শিকি রিয়োগি।

// কেন ভালো লাগবেঃ কারা নো কিয়োকাই অ্যানিমের কাহিনী “নাসু কিনোকো”-র “কারা নো কিয়োকাই” উপন্যাস সিরিজ অবলম্বনে রচিত। আর উপন্যাস হওয়ার কারণে এর কাহিনী বেশ সুদৃঢ়। অ্যানিমের কাহিনী আবর্তিত হয়েছে টাইপমুনের “নাসুভার্স”-এ, যাকে বলা যায় একই লেখকের “সুকিহিমে” অ্যানিমের প্যারালাল ইউনিভার্স(দুই অ্যানিমের চরিত্রদের মধ্যেও আছে অনেক মিল! বিশেষ করে কারা নো কিয়োকাইয়ের শিকি রিয়োগি এবং সুকিহিমের শিকি তোহনোর মধ্যে; শুধু নামই না, তারা একই শক্তির অধিকারীও)! জাদু ও বিভিন্ন অতিপ্রাকৃত শক্তির ক্ষেত্রে মিল খুঁজে পাওয়া যাবে টাইপ মুনের অন্যান্য অ্যানিমের সাথেও(ফেইট/স্টে নাইট, ফেইট/জিরো)।

কারা নো কিয়োকাই এর টাইমলাইন কিছুটা…না, বেশ অগোছালো। বাইরে থেকে দেখলে অসংযুক্ত কিন্তু একই সাথে সুনিপণভাবে নির্মিত[Disjointed but tightly-constructed]! আবার চরিত্রগুলোর মাঝেও এই বৈপরিত্য লক্ষনীয়। ব্যাপারটা খোলাশা করা যাক। মুল কাহিনী বিস্তৃত ১৯৯৫ সালের আগসষ্ট থেকে ১৯৯৯ সালের ফেব্রুয়ারী পর্যন্ত। কিন্তু প্রথম মুভি “ওভারলুকিং ভিউ”-এর কাহিনী ১৯৯৮ সালের। শেষ দুইটি মুভি বাদে কোন পরপর দুইটি মুভি-ই টাইমলাইনে ক্রনোলজিকাল না!

চারটি মুভি ভালোভাবে মুল কাহিনীর অংশ। বাকি তিনটি প্রথমে কিছুটা স্পিন-অফ ধাঁচের মনে হলেও শেষের দিকে কোন না কোন ভাবে মুল কাহিনীর সাথে যুক্ত। আর এই পর্বগুলোতে, রহস্য অ্যানিমে হিসেবে, খুব দ্রুত কালপ্রিটকে দেখিয়ে দেওয়ায় “রহস্য”-টা খুবই ক্ষনস্থায়ী হয়, যা আমার নিজের ব্যাক্তিগতভাবে কিছুটা খারাপ লেগেছে। কিন্তু মুল কাহিনীর রহস্যের ক্ষেত্রে আবার একেবারে শেষ পর্বের শেষ পর্যন্ত ঝুলিয়ে রাখার কাজটা অসাধারণ ভাবে করা হয়েছে।

কাহিনীর পেসিং অধিকাংশ অ্যানিমের মুভির মতই। প্রথম বিল্ড-আপ কিছুটা স্লো আর শেষের দিকে অসাধারণ সব ফাস্ট-পেসড অ্যাকশন! আর অ্যাকশন দৃশ্যগুলো এই অ্যানিমের আরেকটি শক্তিশালী দিক।
এর চরিত্রগুলো বিশেষভাবে বলার মত। সুনদেরে-ইশ অ্যাকশন হিরোইন হিসেবে শিকি আর শান্ত, ধিরস্থির এবং অসাধারণ নথি সংগ্রহের ক্ষমতাসম্পন্ন মিকিয়াকে ভালো না লাগার কোন কারণ নেই। সাথে আছে তোউকো আওজাকি, ভিলেন আরায়া সৌরেন। আর “প্যারাডক্স স্পাইরাল”-এ তোমোয়ে এনজোর ক্যামিও গল্পকে আরো শক্তিশালী করেছে।

3

আর যেকোনো আধুনিক অ্যানিমে মুভির মতই এর অ্যানিমেশনের মান বেশ উচ্চস্থানীয়। বিশেষ করে দেয়াল, মেঝে, নদীর পানি অথবা পিচের রাস্তায় জমে থাকা পানির উপর বৃষ্টি পরার দৃশ্যগুলোর(এই অ্যানিমেতে অনেক বৃষ্টি হয়। অনেক।) অ্যানিমেশন প্রায় “কোতোনোহা নো নিওয়া” পর্যায়ের, প্রায়।
ভিজুয়ালাইজেশনের দিক থেকে আবার “পাপরিকা”-র সাথে তুলনা দেওয়া যায়। “প্যারাডক্স স্পাইরাল” – ফিলোসফি, সিম্বলজিমের সাথে এই ভিজুয়াইলাইজেশনের সমন্বয় চোখ জুড়ানো এক সৌন্দর্য উপহার দিবে। আলোছায়ার খেলা, রঙের পরিবর্তন, ক্যামেরার অবস্থান আর ফোকাসিং যেকোনো মাস্টারপিচ লাইভ অ্যাকশন মুভির সাথে তুলনীয়!

আর বাকি থাকল মিউজিক। সাতটি মুভির শেষে সাতটি আলাদা আলাদা এন্ডিং সং, সবগুলোই “কালাফিনা”-র গাওয়া। এবং সবগুলোই অ্যানিমের ডার্ক থিম বজায় রাখতে অবদান রেখেছে। আর অ্যানিমের অভ্যন্তরীন ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক, বিশেষ করে অ্যাকশন দৃশ্যগুলোতে, আলাদা ভাবে বলার মত।

// কেন ভালো নাও লাগতে পারেঃ
টাইপ মুনে ইউনিভার্স আর এর প্লট ডিভাইস সম্পর্কে একেবারেই ধারণা না থাকলে কাহিনী ভালোভাবে বুঝতে কিছুটা অসুবিধা হতে পারে, এক্ষেত্রে উইকিপিডিয়া বা টাইপমুন উইকিয়ার সাহায্য নিতে পারেন।
কাহিনীর অগোছালোতা। একেবারে শেষ পর্যন্ত না দেখলে সম্পুর্ন কাহিনী কিছুই বুঝবেন না। তাই পুরো সাতটি মুভি ব্যাপী মনযোগ ধরে রাখা জরুরী। এটা একটা জিগস পাজলের মত। পুরোটা সাজাতে হলে মাথা খাটানো প্রয়োজন। প্যারাডক্স স্পাইরালে আবার ফিলোসফিকাল আর সিম্বোলিজমের ছড়াছড়ি।

গোর। সাইকো থ্রিলার, খুনাখুনি নিয়ে কাহিনী বলে গোর দৃশ্যের সংখ্যা অত্যাধিক। অধিকাংশ সেইনেন মুভির মতই কয়েকটি পর্বে আছে একপ্লিসিট ম্যাচুর দৃশ্য আর কাহিনী একটি জায়াগায় আপত্তিকর জিনিস আছে।
তাই ক্লান্ত দিনের শেষে, গা এলিয়ে দিয়ে, হাসিতে গড়াগড়ি খেয়ে, মন ভালো করার মত কোন অ্যানিমে দেখতে যদি চান, তবে এটি আপনার জন্য না।

// কারা নো কিয়োকাই ফ্র্যান্সাইজঃ
১। ওভারলুকিং ভিউ
২। মার্ডার স্পেকুলেশন/ এ স্টাডি ইন মার্ডার প্রথম অংশ
৩। রিমেইনিং সেন্স অফ পেইন
৪। হলো’ স্রাইন
৫। প্যারাডক্স স্পাইরাল
৬। অবলিভিওন রেকর্ডার – ফেইরী টেল
৭। মার্ডার স্পেকুলেশন/ এ স্টাডি ইন মার্ডার দ্বিতীয় অংশ
+৮। কারা নো কিয়োকাই এপিলোগ [এইটা এখনো দেখি নাই]
মাই অ্যানিমে লিস্ট রেটিং(যথাক্রমে)ঃ ৭.৯৭ । ৮.১৭ । ৮.৩৫ । ৮.১৯ । ৮.৭৫ । ৭.৯৪ । ৮.৬৬ । ৭.৩৪

// আমার রেটিংঃ
কাহিনী(যথাক্রমে)ঃ ৭ । ৮ । ৭ । ৭ । ৯ । ৭ । ১০ । n/a
মিউজিকঃ ১০
আনিমেশন/ আর্ট/ দৃশ্যায়নঃ ১০
পরিচালনাঃ ৯
চরিত্রঃ ৯
সমাপ্তিঃ ৯
ইনট্রিগঃ ৯
সর্বমোটঃ ৯.১২

2