নাতসুইউকি র্ঁদেভ্যু
মিষ্টি মিষ্টি প্রেমের মাঝে কড়া তেতো বাস্তবতা মেশানো অদ্ভুত রকমের সুন্দর এক জোসেই এনিমে । শুরুটা হয় খুবই হালকাভাবে কিছু কমেডি মেশানো দুষ্টু প্রেমের খুনসুটি দিয়ে। এনিমের মাঝে গিয়ে প্রচুর ভাবায়,কোনটা ঠিক,কোনটা ভুল-আবেগের কাছে ধরাশায়ী হওয়া উচিত নাকি অতীতের কথা মাথায় রেখে সামনে আগানো যাবেনা নাকি সব ছেড়েছুড়ে শেষ পন্থা হিসেবে আত্নহনন?

২২ বছরের হাযুকি প্রত্যেকদিন এক ফুলের দোকানের সামনে যায় মধ্যবয়স্কা রোক্কা-চানের সাথে শুধুমাত্র একটু আলাপের আশায়। রোক্কার গোল মুখ,অমায়িক হাসি আর একটুখানি মমতায় ভরা কথাবার্তাই বাকি দিন পার করে দেওয়ার জন্য হাযুকির কাছে যথেষ্ট। উপরওয়ালা যখন মুখ চেয়ে তাকালো,তখনই হাযুকি সুযোগ বুঝে পার্ট-টাইম চাকরি নিয়ে ফেললো রোক্কার দোকানে। কিন্তু বিধি-বাম,রোক্কাকে একদিন দেখে ফেললো আরেক ছেলের সাথে। ভগ্নহৃদয়ে যখন হাল ছেড়ে দিয়ে হাযুকি কেবলই সিগারেট ধরাতে উদ্যত,তখনই সে আবিষ্কার করলো যে লোকটি আর কেউই না,রোক্কার পরলোকগত স্বামী,আতসুশি শিমাও এবং ইনাকে হাযুকি ছাড়া আর কেউই চোখে দেখে না। এই শিমাও কুন বড্ড স্বার্থপর্। রোক্কাকে নিজের কাছে রাখতে চায়,মুভ অন করতে দেয়না। রোক্কা আর হাযুকির ইন্টিমেট মোমেন্টগুলোতে এসে ঝামেলা করে দেয়। কাউকেই প্রোগ্রেস করতে দেয়না। আপাতদৃষ্টিতে কথাগুলো হিউমারাস মনে হলেও,দেখতে বড়ই কষ্টের্। রোক্কার নিজের স্বামীর প্রতি ফিলিংস প্লাস হাযুকির জন্য নতুন নতুন সব অনুভুতিগুলো সামাল দেওয়া,মুভ অন করার যে আত্মদ্বন্দ- এসব দেখা বড়ই “heart-wrenching”
এন্ডিং এ কি হয় বলবো না,কিন্তু আমার দেখা অন্যতম প্রিয় এন্ডিংগুলোর মাঝে এইটা থাকবে। শেষ যখন “ইতাযুরা না কিস” দেখেছিলাম,তখন এরকম তৃপ্তি পেয়েছিলাম। জোসেই ফ্যানদের জন্য মাস্ট ওয়াচ। আর আপনার যদি সাকামিচি নো এপোলোন,নানা,কুরাগেহিমে,শৌওয়া রাকুগো ভাল্লাগে,তাহলে অবশ্যই এটা দেখবেন।

ওপেনিং আর এন্ডিং সং খুব বেশি সুন্দর্। একেবারে মন ঠান্ডা করে দেওয়ার মত। আর প্রত্যেকটা ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক খুব বেশি সুথিং। অলস গ্রীষ্মের দুপুরে কিছু না করার থাকলে এক সিটিং এ শেষ করে দিতে পারেন ১১ এপিসোডের এই অসাধারন এনিমে।
আমার রেটিং ৯/১০





