“একজন এনিমখোরের জন্য ওয়ান পিসই যথেষ্ট” – Shafiul Munir

আপনার মন খারাপ, কোন কিছু ভালো লাগছে না? কনকনে ঠান্ডায় সমস্ত কাজের আগ্রহ হারিয়ে জমে বসে আছেন? বর্ষার বৃষ্টিস্নাত সন্ধ্যায় প্রকৃতির নিরন্তর অবরোধে আটকা পড়েছেন? অথবা খুব খুশিতে গদমদ হয়ে আছেন আকস্মিক সাফল্যের আতিশয্যে? যেমন থাকুন, যেখানে থাকুন, কোন কাজ না পেলে, কিংবা কোন কাজ করতে ইচ্ছা না করলে, বোরড ফিল করলে কোনরকম চিন্তা-ভাবনা না করে ‘ওয়ান পিস’ দেখতে বসুন। 

আপনার মন খারাপ থাকলে ভালো হয়ে যাবে, ভালো থাকলে আরো ভালো হবে, আর দূর্দান্ত সময় কাটবে সেটা ত বলার আপেক্ষাই রাখে না।

আপনি হাসবেন প্রাণখুলে, চিৎকার করবেন মনের আনন্দে, কখনো চোখ দিয়ে গড়িয়ে পড়বে জল মনের অজান্তে, নিতান্ত অনীহা থাকলেও, প্রতিটা পর্বের সাথে ভাসতে থাকবেন অদ্ভুত স্বপ্নময়তায়, বাস্তব থেকে চলে যাবেন অনেক দূরে মনের দোলনার সর্বোচ্চ বিস্তারে।

একটুও যে বাড়িয়ে বলি নি সেটা সবাই জানেন, কারণ, এই এনিমে কম বেশি সবাই দেখেছেন, সম্ভবত একাধিকবার, আর যারা দেখেন নি তারাও অপেক্ষায় আছেন উপযুক্ত সময়ের। তাই এই লেখার খুব একটা প্রয়োজন ছিল না। তবু নিজেকে আটকে রাখতে পারি নি।

হঠাৎ হার্ডডিস্কের এক কোণে আবিষ্কার করলাম ওয়ান পিসের প্রথমদিককার কিছু পর্ব, কুরো, ডন ক্রেইগ, আরলং আর লগটাউন আরো কিছু। তিনদিন-দুই রাত কিভাবে চলে গেল বুঝতেই পারলাম না, হেসেছি, কেঁদেছি আর একটা মুহূর্তেও ল্যাপটপের পর্দা থেকে চোখ সরাতে পারিনি নেহায়েত প্রয়োজন ছাড়া।

আইএমডিবির হায়েস্ট রেটেড মুভিটির কথা বলবেন? সবচেয়ে জনপ্রিয় টিভি সিরিয়ালের কথা বলবেন? অসাধারণ কোন গল্প-উপন্যাসের কথা বলবেন? আমার মনে হয়, একজন এনিমখোরের জন্য ওয়ান পিসই যথেষ্ট।

Emotional moments of anime from Animekhor BD group

Saiful Islam's photo.

Ekjon Rafat O Holud ব্লিচের ১৪৭ এপি যেইটাতে ওরিহিমে হুয়েকো মুন্দোতে যাওয়ার আগে ইচিগোরে শেষ দেখতে আসে,নারুতোর চুনিন এক্সামে গারার অতীত,জিরাইয়্যা,ইতাচি,ইয়াহিকো,নাগাতো,ওবিতো, ওয়ান পিসের নামির বেলমের সান এর মরার অংশটা,এইস,গোয়িং মেরির শেষ মুহূর্তটা,কোড গিয়াসে লিলুশ যহন কাদতে কাদতে ইউফিরে মারতে কয় ঐ অংশটা
আরো বহুত বহুত বহুত,বিলযবাবে ওগারে হিলদা যহন ড্রাগনটা থেইকা ফালায় দেয় ওই অংশটা…………..
আরো বহু উ উ উ উ উ উ উ ত
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।

Farhad Mohsin আমি ডেথের বাইরে থাকি। ওগুলো নিয়ে বলতে গেলে তো কখনই শেষ হবে না।
নারুতোতে একটা ছিল পেইনের ইনভেশনের সময় যখন পেইন সবাইকে জিজ্ঞেস করে “নারুতো কোথায়”, তখন ইরুকা’র মনে নারুতো সম্বন্ধে ফ্ল্যাশব্যাক দেখায়, মানে ছোট থেকে কিভাবে স্ট্রাগল করে ঐ অবস্থায় আসছে আর শেষে সে বলে “নারুতো ইজ আওয়ার ফেলো নিনজা, অ্যান্ড উই উইল নেভার বিট্রে হিম”।
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট, আলফন্সো যখন বলে “অ্যাম আই জাস্ট অ্যান আর্মর ডল?”, আর তারপর ওর সাথে উইনরির আর এডের কনভার্সেশনটুকু।

Wafa Tonny ফুল মেটাল আল্কেমিস্টঃব্রাদারহুডে যখন এডয়ারড গেটের ওপার থেকে আবার বের হয়ে এসে আলফন্সকে বলে’আই উইল কাম ব্যাক ফর ইউ……’ এপিক,ব্লিচ-এ ইচিগো সব পাওয়ার হারানোর পর ওর সামনে থেকে রুকিয়ার আস্তে আস্তে অদ্রশ্য হয়ে যাওয়া-আমারো খুব পছন্দের এবং ইমোসনাল একটা মোমেন্ট,আর কাউবয় বিবপ-র ফ্যান হিসেবে স্পাইকের কথা না বললেই না

Tasnim M Hasan যদিও আনিমে না,কিন্তু আভাটার এর টেল অব বাসিং সে এর আইরোহ এর সেগ্মেন্টে খুব কষ্ট লাগসিলো।লিলিউচের মারা যাওয়ার সময় আমার মনে হইসিলো যেন গলায় কিছু বিধে আছে।
তবে হা,সবাই রোলোর কথা বলে না,শারলি কে মারার জন্য তার ওপর সবাই খ্যাপা,কিন্তু ওর ডেথ সিন এ আমার খুব কষ্ট হইসে।বেচারা মনে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেসে।
স্টেইন গেটস এ যখন অকাবে কিছুতেই বাচাইতে পারতেসিলনা,স্ক্রিনের সামনে আমার নিজেরই সেই রকম অসহায় লাগতেসিলো।আর মাকিসে কে যখন ও ফেলে চলে আসে,সারন এর বিরুদ্ধে নিজের বিজয় ঘোষনা দেয়,তখন আমি পুরো শেষ।
তবে রিসেন্ট সবচেয়ে কষ্ট লাগসে,পেত্রার বাবা আর লেভির সিনের কথা ডিটেইলস এ না গেলাম।আমি ক্লানড দুটোই দেখসি।কিন্তু আমার কখনো খারাপ লাগে নাই,সবাই যেমন বলসে।কিন্তু এইসব সিন গুলোতে লাগসে।

Itmam Hasan Dipro কাঁদি নাই কিন্তু বুক টা খালি করে দিসে এমন কিছু সিন আছে যেমন ১ ফেই্ট জিরো ১৬ থেকে শেষ এপিসোড পর্যন্ত ।
২ নানা দেইখা পুরাই পাগল হইয়া গেসিলাম ।
৩ এঞ্জেল বিটস ৩য় এপিসোড। 
৪ গিলটি ক্রাওন হারে আর ইনরি এর মৃত্যু ।
৫ zetsuen no tempest.

সৈয়দা হাসান প্রথমেই বলে নিচ্ছি, স্পয়লার থাকবে। যে বিষয়, স্পয়লার থাকার সম্ভাবনাই বেশি!  “প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট”….হুম্‌ম, ভাবছি। কোনটা দিয়ে শুরু করব।
১। অ্যাভাটার। এপিসোড ৫৮-২য় পর্ব-“দ্য ওল্ড মাস্টারস”
যুকো আর আইরো-এর পুনর্মিলন। এ নিয়ে আমি আগেও বিশাল একখানা কমেন্ট দিয়েছিলাম আমারই এক পোস্টে। ঠিক কোন্‌ ক্ষণটা ভাল লেগেছে জানেন? যুকোর কান্নামিশ্রিত ও অনুতাপপূর্ণ ক্ষমাপ্রার্থনা শেষ হবার পূর্বেই আঙ্কেল আইরো যেভাবে আচমকা ঘুরে ওকে টেনে জড়িয়ে ধরে! এমনতর পুনর্মিলন আমি আশা করিনি…অনেক ভুলে যাওয়া অনুভূতি একসাথে এসে আমায় নাড়া দিয়ে গিয়েছিল! কতবার যে এ দৃশ্যটা টেনে টেনে দেখেছি!
২। গেট-ব্যাকারস্‌। এপিসোড ২২-“অ্যাওয়েকেনিং! দ্য অ্যাডভেন্ট অফ দ্য লাইটনিং এম্পেরর”
গিনজি প্রায় লাইটনিং এম্পেরর-এ পরিণত হতে চলেছে। আকাবানে ওর সাথে লড়াই করে ওকে আরো উসকে দিচ্ছে, গুনছে–৬,৫,৪, দুজনই এবার মরণ আঘাত হানবে….ঠিক এ সময় বান দুজনের মাঝামাঝি এসে পড়ে, গিনজির মুঠো করা হাত ঠেকিয়ে দেয়, আর বান-এর ডান কাঁধ ফুঁড়ে বের হয়ে আসে আকাবান-এর লম্বা লাল তরবারি। এক মুহূর্তের জন্য সব স্তব্ধ হয়ে যায়…গিনজি বিস্ফোরিত চোখে বান-এর দিকে তাকিয়ে। “না-নিয়া আত্তেনদায়ো গিনজি? তুমি… আমার নিষেধ …শুনলে না…” বলতে বলতে বান মাটিতে পড়ে যায়। দু হাতে মাথা চেপে ধরে গিনজি বসে পড়ে আর চাপা আর্তনাদ করে আকাশ-বাতাস কাঁপানো চিৎকার দিয়ে ওঠে! 
৩। সাকামিচি নো অ্যাপোলোন। (কিড্‌স অন দ্য স্লোপ)
—–এপিসোড ১১-“লেফ্‌ট অ্যালোন”
সেনতারো ওর ছোটবোন কে বাইকে করে রাতে বাইরে গিয়েছিল, মাঝপথে অ্যাক্‌সিডেন্ট করে। ওর ছোটবোনটা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
কাওরু ওকে ছাঁদে একটা বেঞ্চিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় পায়। সেন বলছে: “আমি যাদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই, তাদেরকেই হার্ট করে বসি। আমি কেন যে জন্মালাম!” কাওরু(বন)-এর গাল বেয়ে অশ্রু ঝরছে, ফ্রেন্ডের অসহায়ত্ব, দু্ঃখ দূর করার কোন উপায়ই তার জানা নেই! কাওরু কে কাঁদতে দেখে সেন ঝট করে উঠে বসে…”ওয়! বন! কী হয়েছে? কীসের জন্য কাঁদছ?” বলে হাতটা ধরে আশ্বস্ত করতে যাবে…কাওরু হাতটা টেনে সেনকে নিজের কাছে এনে ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরে, “দ্যিস ওয়ে, উই ডোন্ট হ্যাভ টু সি ইচ আদার ক্রাই।”…সেন হাসার চেষ্টা করে বলে, ” “আমরা”? আমি তো মোটেও….” কাওরু ওকে কথা শেষ করতে দেয় না, বলে, “ইট্‌স ওকে টু ক্রাই, সেন। তুমি এতদিন ধরে সব কষ্ট নিজের ভেতর জমিয়ে রেখেছ।” তখন সেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে! ওর গলার কাছে দলা পাঁকিয়ে, আটকে থাকা কান্নাটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে।
এটা এমনিতেই ইমোশনাল, আরো বেশি একারণে যে, আমি কোন ছেলেকে এভাবে আরেক ছেলে বন্ধুর সামনে কাঁদতে আর কখনই দেখিনি! অন্য কোন বই, মাঙ্গা, এনিমি, সিরিয়াল, মুভি তেও না!

—–এপিসোড ১২-“অল ব্লুজ”
অনেক বছর পর কাওরু আর সেন এর পুনর্মিলন। দূরে চার্চ থেকে পিয়ানোর পরিচিত সুর সেন-এর কানে ভেসে আসে….মুচকি এক হাসি দেয়, অবশেষে তার অদ্ভূত, ছিঁচ্‌কাঁদুনে, অতি মাত্রায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং বন্ধুটা তাকে খুঁজে পেয়েছে! আর সেন কে ডাকছে ওদের বন্ধুত্বের শিকড় “মিউজিক” দিয়ে!

৪। রুরোনি কেনশিন।
—–এপিসোড ৪৩/৪৪/৪৫ হবে।
ওকিনা কেনশিন কে অনুরোধ করে আওশিকে মেরে ফেলতে। মিসাও নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে। কেনশিন মিসাও-র কষ্ট বুঝতে পারে, তাই বলে যে ও আওশিকে মারবে না, বরং ওর মনুষ্যত্ব ফিরিয়ে আনবে। একথা শোনার পর মিসাও-র চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে।
—–এপিসোড ৫৪ থেকে ৫৬।
সোজিরো(যে বালক টার রাগ, ক্ষোভ কোন অনুভূতি-ইই হত না)আর কেনশিন এর ২য় ডুয়েল, সাথে সোজিরোর ফ্লাশব্যাক।
—–এপিসোড ৬০,৬১,৬২।
মাকোতো শিশিও (কী জটিল একটা চরিত্র!) আর কেনশিন এর শেষ লড়াই। ইউমি যখন নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে, যাতে শিশিও জিততে পারে, তা দেখে কেনশিন-এর নিজের প্রথম স্ত্রীর প্রায় একইভাবে স্যাক্রিফাইস করার কথা মনে পড়ে যাওয়া; সানোসকে যখন উপলব্ধি করে সাইটোর বেঁচে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সিগারেটে ফুঁ দিতে দিতে সাইটোর ধ্বংসস্তূপে আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মিলিয়ে যাওয়া; পরবর্তী তে দর্শকদের(মানে আমার  )জানতে পারা যে সে আসলে বেঁচে গিয়েছিল!

——-আর “ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল” ও.ভি.এ. টার কথা না বললেই না। কেনশিন-এর ছোটবেলা, সেনসেই “সেইজুরো হিকো”র অধীনে শিক্ষা লাভ, হিটোকিরি বাটোসাই হিসেবে জীবন, প্রথম স্ত্রী “টোমোয়ে”র সাথে দেখা, তাকে পাও্য়ার আর হারাবার কাহিনী…..সব মিলিয়ে প্রচণ্ড রকমের ইমোশনাল। এত ইমোশনযুক্ত জিনিস সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই, তবু এটাকে ভুলতে পারি না……।

৫। ব্লিচ।
ব্লিচের কথা আর কী বলব! প্রতি কাহিনীতে, প্রত্যেক চরিত্রে…এত ইমোশনাল ব্যাকস্টোরি!
সবচে’ বেশি মনে পড়ে এপিসোড ১৬ “এনকাউন্টার, রেনজি আবারাই” —তে রুকিয়া ইচিগো-কে যেভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে(ওকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে), ওর দিকে শেষ যে চাহনি দিয়ে দরজার ওপাশে অদৃশ্য হয়ে যায়….ওফ্‌ফ্‌ফ!

এপিসোড ৩২ “স্টার্‌স অ্যান্ড দ্য স্ট্রে”—(ফ্ল্যাশব্যাক)রেনজি ও রুকিয়ার ছোটবেলা, কীভাবে ওরা আলাদা হয়ে যায়, রেনজির বর্তমান রিজল্ভ…আমার এ কাহিনী তে রেনজির জন্য ভীষণ মায়া হয়েছিল…

এরূপ আরো বেশ কিছু (আসলে অসংখ্য)”প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট” আছে, যা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যাবে! তাই এখানেই শেষ করছি আজকের মত।

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

The BIG three Anime Hero – Asiful Haque


এনিম দেখার শুরু অনেক অনেক পরে হওয়াতে DBZ দেখা হয় নি; তাই গকুর প্রতি ভালবাসা টান কোনটাই সৃষ্টি হয় নাই; তবে উপরের সবার কমেন্ট পরে আর আগের অনেক আলাপ আলোচনায় মনে হয় এক জেনারেশন; অসামনেসের একটা জেনারেশন পিছায় গেসি। তবে এতে তেমন আফসোস নাই; সময় সুযোগ থাকলেও DBZ মে বি দেখা হবে না (নিজের স্বভাব জানি বলেই বলা; সুতরাং গকু পার্ট না হয় বাদ থাকুক  )

নারুতো আমার দ্বিতীয় এনিম ( ডেথ নোট এর পর); এর প্রতি ভালবাসাটা অন্যরকম; ফিলার শিপ্পুডেন যতটাই মেজাজ খারাপ করে দিক না কেন। তবে নারুতো পছন্দ হইলেও নারুতোকে পছন্দ – ব্যাপারটা এমন না; কারণ নারুতোতে আমার সবচেয়ে প্রিয় ক্যারেক্টার শিকামারুর; মাঝে মাঝে আমি চিন্তায় পড়লে শিকামারুর ওই কায়দায় হাত ভাজ করে চিন্তা করি   তবে নারুতোর প্রতি টানটা মে বি সবসময়ই থেকে যাবে; নারুতোই প্রথম হিরো যে আমাকে একসাথে হাসাইছে; কাদাইছে; নারুতো না থাকলে শুধু ডেথ নোটের অসাম্নেস দিয়ে মে বি আমার এনিম দেখা এতদুর আসতো না !!!! 

ব্লিচ ভাল লাগে; খালি কোপানি মাইর ধইর ফাইটের এর জন্য; ফাইটের জন্য ব্লিচের চেয়ে বেস্ট বা এর কাছাকাছিও কোনটা আসতে পারবে না; যদিও পেথেটিক হিটম্যান রিবর্ন এর ফাইটগুলাও আমার প্রিয়। কিন্তু হিরো হিসেবে ইচিগো আমার লিস্টে অনেক অনেক অনেক পিছনে !!! 

কিন্তু ৩ ক্যারেক্টারের মধ্যে প্রিয় সিলেক্ট করতে হলে লুফি কোন প্রতিযোগিতা ছাড়াই ভোট পাবে আমার; এই জায়গায় জোরো হইলেও পাইত। সেই আর্লং আর্কে “আত্তারিমায়দা” চিৎকার থেকে শুরু করে ম্যারিনফোর্ডে লুফির সাথে গড়াগড়ি করে কান্নাকাটি – একটা ক্যারেক্টার এত্তবার গুজবাম্প আর এত্ত এত্ত আবেগে আর কেউই ভাসাতে পারে নাই; ইন ফ্যাক্ট আমার এখন প্লে লিস্টে ১২ টা গানের ৩ টাই one piece এর AMV; এবং প্রত্যেকটা গান আসে আর আমি সব থামায় ভিডিও সহ দেখি  

সো; at the end of the day; লুফি ইজ মাই ইজিএস্ট চয়েস

মেলোরিন – এই শব্দ টি কোথা থেকে এল ? একটি “ওয়ান পিস” গবেষণা by Adnan Mohsinur Rahman

মেলোরিন – এই শব্দ টি কোথা থেকে এল ?
একটি “ওয়ান পিস” গবেষণা
J

Untitled

ডিস্ক্লেইমার– আমি এই লেখা টা পেয়েছি ফ্যান ফিকশন ডটনেটে। মূল লেখার লিঙ্ক –
http://www.fanfiction.net/s/5585768/1/Mellorine

ইহা একটি ভাবানুবাদ মাত্র ।

 

দৃশ্য – সানি গো জাহাজ এর ডেক ।

“সানজি -কুন।“
“জ্বী,নামি- সুওয়ান  ”সোনালি চুলের রাধুনী সানজি গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে,প্রায় নাচতে নাচতে  হাজির হল ডেকের শেষ প্রান্তে যেখানে কমলা চুলের নাবিক আগেই অপেক্ষমান ছিল।

যদি সানজি অই মুহূর্তে নামি ছাড়া অন্য কোন দিকে চোখ রাখত তাহলে সে দেখতে পেত অন্য সহযাত্রীদের আনন্দিত আশান্বিত মুখ । যদি তার চোখ  এর আকার ধারন না করত তাহলে সে অবশ্যি দেখতে পেত নামির ক্রুদ্ধ দৃষ্টি , অথবা তার অধৈর্য পায়ের নাচন , অথবা  তার হাতের আড়াআড়ি অবস্থান ,কিন্তু …

-সানজি কুন , আমাকে তুমি যে নামটা ধরে প্রায় ই ডাক …

– “অথবা , রবিন কে” উসপ যোগ করল ।
– “ অথবা দৃষ্টির সম্মুখে থাকা যে কোন মেয়ে কে” জোরো বাকা হাসি দিল ।
– “হ্যা , সেটা যেন কি ?”
– “মেলোরিন~~” সানজি সুর করে গাইল ।
-“অইতো , আবার বলল” উসপ সানজির দিকে আঙ্গুল তুলল ।
-“হুম , এই বইয়ে তো এই বানান টাই দেখা যাচ্ছে” জোরো একটা মোটা বই ঘাটতে ঘাটতে বলল ।
-“ সানজি কুন , তুমি কি সত্যি ই মেলোরিন বলতে চেয়েছ ?”
-“হ্যা , নামি সুওয়ান”
– যেমন ,  “ আইস্ক্রীম এর একটি কম দামী বিকল্প , যা তৈরি হয় প্রানীর চর্বি এবং সবজি থেকে … “
নামি শব্দ খুজে পাচ্ছিল না
-“বাস্তবিক ই , নামি সুয়ান”
সানজির এই নিষ্পাপ সত্যই যথেষ্ট ছিল নামির তেলে বেগুনে জ্বলে উঠার জন্য ।
“তুমি বলতে চাচ্ছ এই পুরো সময় আমাকে তুমি “সস্তা” এবং “মোটা” ডেকেছ ?”
“আমি আসলে …”
সানজি শুধু হুপ জাতীয় একটা শব্দ করার সময় পেল নামির ঘুষিতে সমুদ্রের পানিতে হারিয়ে যাওয়ার আগে ।
“আর তোমাদের দুইজনের জন্য … “ নামি এবার বাকি দুই জনের দিকে দৃষ্টি দিল ,যারা পালিয়ে যাচ্ছিল ।
তাদের চোখ বিস্ফোরিত হয়ে গেল যখন নামির মুষ্টিবদ্ধ হাত তাদের কেও ছুড়ে দিল সাগরে , সানজির অনুকরণে ।

এই আনাহুত ঘটনার বা দুর্ঘটনার পরেও ,জোরো এবং উসপ একমত হল যে “অপারেশন- মেলোরিন-শব্দের –চারদিকে- গোল্লা –দেও- এবং -নামির -ডেস্কে -বইটা -রেখে –আস “ বিশাল সাফল্য নিয়ে এসেছে ।

লেখকের কথা –

আজকে আমি হঠাত ভাবলাম “মেলোরিন” মানে কি ? এবং এই অর্থটাই আমাকে উইকিপিডীয়া জানাল J  । আরলং পার্ক ফোরাম এর একটি থ্রেড বলছে – মেলোরিন সত্যিকার অর্থে হয়ত “মেরো-রিন” যার “মেরো “ মানে ভালবাসায় পতিত হওয়া (যেমন হ্যাঙ্ককের মেরোমেরো ফল) এবং অদা-san হয়ত “রিন” যোগ করেছেন একটা সুর তৈরির জন্য , যেমন জোরোর অনেক গুলো মারের নাম খাবারের সাথে সুর তৈরি করে – উদাহরণ – “ অনি-গিরি “। হয়তবা সানজি শুধুশুধুই এই শব্দ ব্যবহার করে ।

জোরো কে সাধারন দুষ্টামি করার মত মনে না হলেও , আমি মনে করি সানজির শাস্তি দেখতে সে আনন্দই পাবে J।

যাই হোক ,

আমাকে জানাও তোমরা কি ভাব ???

 

Hawk Eyes-one piece by Evan Ahmed

(Hawk Eyes) Mihawk খারাপ পাছা (the badass)- One Piece এর আমার ফেবারিট ১টা ক্যারেক্টার! অনেকদিন ধরেই আঁকবো আঁকবো বলে ভাবতেসিলাম,আজকে একেই ফেললাম। বাট আই সিরিয়াসলি নেভার থট ড্রয়িং হিম উড বি দিস মাচ হার্ড! এই মহাজনের পোশাকের ডিটেইলস আর তার ২০ ফুটের তলোয়ার আঁকতে গিয়ে যে আমার এত করুন অবস্থা হবে আমি তা বুঝতেই পারিনি।
Hawk Eye - Evan