Contestant’s Name: Evan Ahmed
Manga Chapter: Naruto 1
Translated Pages: 1-6
সাসকের প্রতিশোধ by Farsim Ahmed

তো নারুতো দেখছিলাম। অনেকেই এই দারুন আনিমেটা দেখেননি, তাদের জন্য কাহিনী সংক্ষেপ।
নারুতো আনিমেটার মূল ক্যারেক্টার হচ্ছে উচিহা সাসকে। বেচারা ছোটবেলা থেকেই একা মানুষ হয়েছে, কারণ তার গোত্রের সবাই খুন হয়েছে। আর এই খুন করেছে ভয়ঙ্কর সন্ত্রাসী নরকের কীট নরপিশাচ এক নিনজা, উচিহা ইতাচি। সে হচ্ছে সাসকের বড় ভাই। প্রতিশোধ নেবার তীব্র বাসনায় সাসকে নেমে পরে। তাকে মারামারি করতে শেখায় নিনজা জগতের সাধু বলে পরিচিত অরোচিমারু। প্রতিশোধ নেবার পথে সাসকের পরিচয় হয় কিছু মাইনর নিনজার সাথে। সাসকে কি পারবে প্রতিশোধ নিতে? সে কি পারবে হোকাগে হবার স্বপ্ন পূরণ করতে?
ছবিতে সাসকে। ইনসেটে তার সন্ত্রাসী ভাই।


## Sasuke Shippuden – a small fairytale## by Tahsin Faruque Aninda

~~ ১৮+, ১৮-, সকলকেই সাবধানতা অবলম্বন করে রুপকথাটি পড়বার অনুরোধ জানানো হইলো। বিখ্যাত এই রুপকথাটি নিয়ে বেশ কিছু বছর আগে নাম পরিবর্তন করে Naruto নামে একটি আনিমে তৈরি হয় যা এখনও বেশ দাপটের সাথে এগিয়ে চলছে ~~
## Sasuke Shippuden – একটি ছোট্ট রুপকথা ##
একদা সাসকিকুন এক “ছেলে”ধরা পেদো-সাপের খপ্পরে পড়লো, যে কিনা সাসকির “শরীর” চায়।
প্রথম প্রথম সাসকি বললো, “তুই আমার দেহ পেলেও এটা-সেটা পাবি না”
পেদোকুন বলিলো, “দেহই তো চাই! বাকিটুকু নিজে করে নিব। তবে আমার বাসায় অনেক খেলনা আছে।”
সাসকি ভাবলো, আহা কি ভাল সাপ! খেলনা দিবে, খালি শরীরটা নিবে। খারাপ কি! তখন খুশিতে গদগদ হয়ে নাচতে নাচতে সাপটির সাথে চলে গেলো সাসকিকুন, যাবার সময়ে তার বান্ধবি শাক্রাকে ঢুশ মেরে দিয়ে গেল যেন তাকে কখনই না ভুলে। আর এতদিন জানের সাথি নার্তুকে বুড়োআঙ্গুল দেখিয়ে চলে যেতে একটুও দ্বিধা করলো না…
এদিকে দিন যায়, বছর যায়, সাসকি বড় হয়। সাসকির “শরীর”-এর দেখভালের জন্যে পেদো-সাপ তাকে অনেক ভাল খাবার দেয়, সুন্দর খেলনা দেয়, তার বয়সী কিছু ছ্যাছড়া পোলাপাইনের সাথে খেলাধুলার সুযোগ দেয় যাতে “শরীর”-এর সাথে সাথে সাসকির এটা-সেটা এবং “মন”টাও পেয়ে যেতে পারে!
তবে বয়সের দোষে বড় হতে হতে খেলনার প্রতি আকর্ষণ কমে যায়, আর নিজেই অন্যের শরীরের দিকে আকর্ষিত হতে থাকে। নিজে রীতিমত খোলামেলা কাপড়চোপড় পরা শুরু করে।
সাসকির এই পরিবর্তন দেখে পেদো-সামা আর লোভ সামলাতে পারলো না! ভাবলো, “এতদিনের আরাধনা অবশেষে সাফল্যের মুখ দেখতে শুরু করেছে! সাসকি হবে আমার! ওর শরীর হবে আমার! ওর এটা-সেটাও হবে আমার!!!”
যদিও পেদো-সামা এত কিছু পরিকল্পনা করছিল, আর ভাবছিল কিভাবে সাসকিকুনকে ধোঁকা দিয়ে তার শরীর হাতিয়ে নেবে, কিন্তু তাকে বিস্মিত করে সাসকি নিজে চলে আসে পেদোসামা-সর্পরাজের কাছে। পেদোরাজকে বিছানায় পেয়ে বলেই বসে, “পেদোসামা সর্পকুন, এবার কি চাও বল।”
সাসকিকুনের বীরত্মে সর্পসামা আর লোভ সামলাতে না পেরে ঝাপিয়ে পরে সাসকিকুনের উপর। কিছুক্ষণ ধ্বস্তাধস্তি চললো। সাসকিকুন তার জামা খুলিয়া ফেলিল, পেদোসামা দেখিল সাসকির পাখা গজিয়ে গিয়েছে! পিপীলিকার পাখার কাহিনি মনে পরে খুশিতে সাসকিকুনের উপর ঝাপিয়ে পরলো পেদোদামা, সাসকির শরীর এবার শুধুই তার হবে, আর কারও নয়!
তবে বয়সের সেই পুরানো দোষ, সাসকি নিজের শরীর দিতে নয়, পেদোসামার শরীরই পাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করলো। এবং চক্ষু দিয়ে খুটিয়ে খুটিয়ে পেদোরাজের সমস্ত শরীর নিজের করে নিল!

পেদো হয়ে গেল সাসকিকুনের, এখন সে মুক্ত! কিন্তু যেমন গুরু তেমন শিষ্য বলে কথা। পরের শরীর ভোগের সেই লালসা সাসকির এখনও যায় নি। এবার পালা তার ছ্যাছড়া ডিজুস দলের। একে একে তিনজনকেই মুক্ত করে নিল সাসকি। যখন শরীর নিস্তেজ হয়ে পরে, তখন রাক্ষুসে জুগুকে শরীর শোষণ করে নেয়। পানির ছলনা দেখে মোহিত হতে গেলে চুইগেতুসকে নিয়ে ছেলেখেলায় মত্ত হয়। আর কারিনার তো কথাই নাই! ক্ষুধা লাগলেই কামড়িয়ে বসে!!!
এভাবেই সুখে শান্তিতে বসবাস করিতে লাগিলো সাসকিকুন ও তাহার তাকু নামক দলটি।
~~ আমার কাথাটি মুড়িল, জুবি-গাছটি ফাটিল ~~






