
রান্ডম টপিক
তোকুসাত্সু
জাপানে স্পেশাল ইফেক্ট ব্যবহার করে বানানো কাইজু মুভি (যারা প্যাসিফিক রিম দেখেছেন তাদের কাইজু সম্পর্কে আইডিয়া হয়ে যাবার কথা) বা সুপারহিরো শো(আল্ট্রাম্যান, কামেন রাইডার) ভীষণ রকম জনপ্রিয়। এই সুপারহিরো শোগুলোর লাইভ ভার্সন আনিমেতে প্রায়ই দেখা যায়।লাইভ অ্যাকশন হিরো শো গুলোর ফর্মুলা মোটামুটি একই, দর্শকসারি থেকে কয়েকটা বাচ্চাকে নিয়ে যাওয়া হয়, কয়েকজন অভিনেতা ভিলেনের কস্টিউম পরে আসে, সুন্দরী উপস্থাপিকা দর্শকদের আহ্বান জানায় হিরোকে ডাকার জন্য, এবং সাথেসাথেই হিরো হাজির হয়ে গিয়ে দুষ্টের দমন আর শিষ্টের পালন করে।হিরো শো জাপানি সংস্কৃতির সাথে এমনই অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত।
১৯৭০ সালের একটা ক্লিপ পাওয়া যাবে এই লিঙ্কে গেলে। কামেন রাইডার এর জাম্পগুলো দারুন।
আনিমে সাজেশন
ডেট্রয়েট মেটাল সিটি(Detroit Metal City)

নেগিশি সোইচি – লাজুক, বিনয়ী, ভদ্র এক তরুণ, যে ভালবাসে রোমান্টিক সব গান, দু চোখ ভরা স্বপ্ন তার, সে হবে বড় মিউজিশিয়ান।
দ্বিতীয় জোহান্নেস ক্রোসার- নরক থেকে উঠে আসা ভয়াবহ সন্ত্রাসী, বিখ্যাত(এবং কুখ্যাত) মেটাল ব্যান্ড ডেট্রয়েট মেটাল সিটির গিটারিস্ট এবং ভোকালিস্ট।
কেমন হবে, যদি এই দুজন আসলে হয় একই ব্যক্তি?
কেন দেখবেনঃ অবশ্যই দেখবেন।
কেন দেখবেন না: অবশ্যই দেখবেন।
ম্যাল রেটিং ৮.৩৭
আমার রেটিং ৯
মাঙ্গা সাজেশন
চায়না গার্ল(China Girl)
কামিজো হলো মিস্টার পারফেক্ট, অফিসের সব কাজ সে করছে নিপুণভাবে, মেয়েরা সবাই তার জন্য পাগল। কিন্তু কামিজো তার মন দিয়েছে একজনকেই, হঠাৎ একদিন রেস্টুরেন্টে দেখা ওয়েট্রেস জিয়াংলানকে। কিন্তু তাহলে কি হবে, জিয়াংলান কামিজোর সাথে রোমান্টিক সম্পর্ক গড়তে মতেই আগ্রহী না। কামিজো কি পারবে জিয়াংলানকে আপন করে পেতে? নাকি তার সব চেষ্টাই ব্যর্থতায় পর্যবসিত হবে?
কেন পড়বেনঃ চমত্কার গল্প, আকর্ষনীয় উপস্থাপনা, আঁকাও বেশ ভালো। রোমান্টিক গল্পের ফ্যানদের ভালো লাগার কথা।
কেন পড়বেন নাঃ পুরোই রোমান্টিক ধাঁচের কাহিনী, ঠান্ডা মেজাজের, কাজেই যারা উত্তেজনা পছন্দ করেন মান্গাটা তাদের জন্য না।
ম্যাল রেটিং ৭.০৭
আমার রেটিং ৮
