নতুন জগৎ Anime: Deathnote– আসিফুল হক

যারা সাধারনতএনিম দেখে তাদের মধ্যে এনিম নিয়ে প্যাশনটা মনে হয় খানিক বেশিই থাকে; এই প্যাশনের বহিঃপ্রকাশ কেউ ঘটায় দিনের পর দিন সারাদিন এনিম দেখে পার করে (যেমন আমি); কেউ বেশ ভাল টাকা পয়সা খরচ করে কস্প্লে করে; ছবি একে; রিভিউ লিখে; বিভিন্ন এনিম ফোরামে আড্ডা দিয়ে তর্ক করে – নানাভাবে। আজকে একটা বেশ মজার জিনিস দেখলাম। আমার পরিচিত একজনের একটা অভ্যাস হল এনিম দেখে মাঝে মাঝে তা নিয়ে কবিতা লেখা !!! সিরিয়াসলি; এনিম নিয়ে কবিতা – আইডিয়াটা কখনই আমার মাথায় আসে নি !!!! এবং জিনিসটা দেইখা বেশ ভাল লাগসে। যাই হোক; উনার অনুমতিক্রমে একটা কবিতা প্রকাশ করছি; যারা এনিম দেখেন না তারাও অনেকে ডেথ নোট দেখেছেন বা অন্তত এর সাথে পরিচিও; কবিতাটা সেই ডেথ নোট নিয়ে লেখা   –

নতুন জগৎ
Anime: Deathnote

বিস্তৃত আধারে দাঁড়িয়ে আমি

করেছি শপথ বিদ্রোহের পথে,

তাই আমি দেব না তোমায়

আমাকে বাধা দিতে।

আর দরজার ওপাশের আলো

বলছে যে ভবিষ্যতের কথা,

আমি সত্য করব

সেই সুপ্ত স্বপ্নকে।

যে সমাপ্তি সবাই চায়

কোন একদিন আমি দেখাব তোমায়

এক নতুন ও উজ্জ্বল জগৎ

বাস্তবতার প্রাচীরে দাঁড়িয়ে

আমি করেছি প্রতিজ্ঞা অসম্ভবের পথে,

তাই আমি দেব না তোমায়

আমাকে বাধা দিতে।

আর যে দুঃস্বপ্নে তোমরা

আছ,মায়াজালকে জড়িয়ে

আলোকিত করব আমি অন্ধকার,

কারণ আমিই একমাত্র যে

হয়তো মানবতা

ও মনুষ্যত্ত্বকে বিসজর্ন দিয়ে,

কোন একদিন আমি দেখাব তোমায়

পুরাতন রিভিউঃ

কার্টুন হলেই যে পোলাপানের দেখার জিনিস হবে তা ভুল প্রমান করার জন্য এই “Death Note” -ই যথেষ্ট।
৩৭ পর্বের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ এটি। Genre হিসেবে “Death Note” কে বলা যায় Thriller, Mystery আর Supernatural অপূর্ব সংমিশ্রণ।
আমার ভাষায় “Death Note” হল হালকা Mystery ও Supernatural এর সংমিশ্রণে দুর্দান্ত এক Thriller!

 

কার্টুনটির প্রধান দুই চরিত্র হল লাইট ইয়াগামি এবং L (এল)। মূলত এদের দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বন্ধুত্ব, শত্রুতা, প্রতিযোগিতা নিয়েই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। এদের সবধরনের অনুভূতি এখানে খুব শক্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
লাইট ইয়াগামি হচ্ছে খুবই Smart, Talented, বুদ্ধিমান, সুদর্শন এক জাপানি ছাত্র যাকে বলা যায় one of the Japan’s Brightest!

 

লাইট অন্যদের চেয়ে এতই এগিয়ে থাকে যে বাকি সবাই কে তার মনে হয় Boring আর Rotten! সে চায় অনেক বড় কোন পরিবর্তন। এক সময় সে হাতে পায় এই রকম একটি Note-Book যাতে যার নামই লেখা হবে সে মারা যাবে! এখন প্রশ্ন হচ্ছে লাইটের মতো Smart – বুদ্ধিমান ছেলে সেই Note Book দিয়ে কি করে?
অপরদিকে L হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা। কঠিন কঠিন সব কেস এর সমাধান সে করেছে কিন্তু কেউই তার আসল পরিচয় জানেনা।

 

L-ও চরম বুদ্ধিমান এবং সবার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। L কে মুখমুখি হতে হয় লাইটের যার কাছে রয়েছে একটি Death-Note। “জোকারের” ভাষায় একে বলা যায় “An unmovable object is on the way of an unstoppable force!”
যাই হোক রিভিউ লেখাটা মূল আকর্ষণের ধারেকাছেও যায় নি। অনেকে হয়তো রিভিউ পড়ে কার্টুনটি দেখার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হবেন/:)। ভুলেও এই রিভিউ পড়ে “Death Note” কে ভুল ভাবে নিবেন না! আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি প্রথম দুই পর্ব দেখার পর পুরো ৩৭ পর্ব শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। কাহিনীর Climax- Anti-climax অসাধারণ। উপস্থাপন, সংলাপ, সাস্পেন্স…

অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ!!!

IMDb তে Death Note এর রেটিং হল ৯.১। আমি একে ১০ এ ৯.৮ দেবো! :)

টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিঙ্কও দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এক্ষেত্রে একেকটি পর্বের সাইজই হয়ে যাবে ২৪০ মেগা এর মতো। যেখানে টরেন্টে মাত্র ৬০-৬৫ মেগা/পর্ব! তাই টরেন্ট থেকে নামানোই উত্তম! B-)

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক

এখনও না দেখে থাকলে নামিয়ে দেখা শুরু করুন। আশা করি নিরাশ হবেন না! :)

 

Comments

Leave a Reply