Emotional moments of anime from Animekhor BD group

Saiful Islam's photo.

Ekjon Rafat O Holud ব্লিচের ১৪৭ এপি যেইটাতে ওরিহিমে হুয়েকো মুন্দোতে যাওয়ার আগে ইচিগোরে শেষ দেখতে আসে,নারুতোর চুনিন এক্সামে গারার অতীত,জিরাইয়্যা,ইতাচি,ইয়াহিকো,নাগাতো,ওবিতো, ওয়ান পিসের নামির বেলমের সান এর মরার অংশটা,এইস,গোয়িং মেরির শেষ মুহূর্তটা,কোড গিয়াসে লিলুশ যহন কাদতে কাদতে ইউফিরে মারতে কয় ঐ অংশটা
আরো বহুত বহুত বহুত,বিলযবাবে ওগারে হিলদা যহন ড্রাগনটা থেইকা ফালায় দেয় ওই অংশটা…………..
আরো বহু উ উ উ উ উ উ উ ত
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।

Farhad Mohsin আমি ডেথের বাইরে থাকি। ওগুলো নিয়ে বলতে গেলে তো কখনই শেষ হবে না।
নারুতোতে একটা ছিল পেইনের ইনভেশনের সময় যখন পেইন সবাইকে জিজ্ঞেস করে “নারুতো কোথায়”, তখন ইরুকা’র মনে নারুতো সম্বন্ধে ফ্ল্যাশব্যাক দেখায়, মানে ছোট থেকে কিভাবে স্ট্রাগল করে ঐ অবস্থায় আসছে আর শেষে সে বলে “নারুতো ইজ আওয়ার ফেলো নিনজা, অ্যান্ড উই উইল নেভার বিট্রে হিম”।
ব্লিচে যখন আইজেনের সাথে মারামারির পর ইচিগোর পাওয়ার চলে যায়, আর রুকিয়া ওর সামনে থেকে অদৃশ্য হয়ে যায়, তখনও অনেক খারাপ লাগসে।
ফুলমেটাল আলকেমিস্ট, আলফন্সো যখন বলে “অ্যাম আই জাস্ট অ্যান আর্মর ডল?”, আর তারপর ওর সাথে উইনরির আর এডের কনভার্সেশনটুকু।

Wafa Tonny ফুল মেটাল আল্কেমিস্টঃব্রাদারহুডে যখন এডয়ারড গেটের ওপার থেকে আবার বের হয়ে এসে আলফন্সকে বলে’আই উইল কাম ব্যাক ফর ইউ……’ এপিক,ব্লিচ-এ ইচিগো সব পাওয়ার হারানোর পর ওর সামনে থেকে রুকিয়ার আস্তে আস্তে অদ্রশ্য হয়ে যাওয়া-আমারো খুব পছন্দের এবং ইমোসনাল একটা মোমেন্ট,আর কাউবয় বিবপ-র ফ্যান হিসেবে স্পাইকের কথা না বললেই না

Tasnim M Hasan যদিও আনিমে না,কিন্তু আভাটার এর টেল অব বাসিং সে এর আইরোহ এর সেগ্মেন্টে খুব কষ্ট লাগসিলো।লিলিউচের মারা যাওয়ার সময় আমার মনে হইসিলো যেন গলায় কিছু বিধে আছে।
তবে হা,সবাই রোলোর কথা বলে না,শারলি কে মারার জন্য তার ওপর সবাই খ্যাপা,কিন্তু ওর ডেথ সিন এ আমার খুব কষ্ট হইসে।বেচারা মনে অনেক কষ্ট নিয়ে মারা গেসে।
স্টেইন গেটস এ যখন অকাবে কিছুতেই বাচাইতে পারতেসিলনা,স্ক্রিনের সামনে আমার নিজেরই সেই রকম অসহায় লাগতেসিলো।আর মাকিসে কে যখন ও ফেলে চলে আসে,সারন এর বিরুদ্ধে নিজের বিজয় ঘোষনা দেয়,তখন আমি পুরো শেষ।
তবে রিসেন্ট সবচেয়ে কষ্ট লাগসে,পেত্রার বাবা আর লেভির সিনের কথা ডিটেইলস এ না গেলাম।আমি ক্লানড দুটোই দেখসি।কিন্তু আমার কখনো খারাপ লাগে নাই,সবাই যেমন বলসে।কিন্তু এইসব সিন গুলোতে লাগসে।

Itmam Hasan Dipro কাঁদি নাই কিন্তু বুক টা খালি করে দিসে এমন কিছু সিন আছে যেমন ১ ফেই্ট জিরো ১৬ থেকে শেষ এপিসোড পর্যন্ত ।
২ নানা দেইখা পুরাই পাগল হইয়া গেসিলাম ।
৩ এঞ্জেল বিটস ৩য় এপিসোড। 
৪ গিলটি ক্রাওন হারে আর ইনরি এর মৃত্যু ।
৫ zetsuen no tempest.

সৈয়দা হাসান প্রথমেই বলে নিচ্ছি, স্পয়লার থাকবে। যে বিষয়, স্পয়লার থাকার সম্ভাবনাই বেশি!  “প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট”….হুম্‌ম, ভাবছি। কোনটা দিয়ে শুরু করব।
১। অ্যাভাটার। এপিসোড ৫৮-২য় পর্ব-“দ্য ওল্ড মাস্টারস”
যুকো আর আইরো-এর পুনর্মিলন। এ নিয়ে আমি আগেও বিশাল একখানা কমেন্ট দিয়েছিলাম আমারই এক পোস্টে। ঠিক কোন্‌ ক্ষণটা ভাল লেগেছে জানেন? যুকোর কান্নামিশ্রিত ও অনুতাপপূর্ণ ক্ষমাপ্রার্থনা শেষ হবার পূর্বেই আঙ্কেল আইরো যেভাবে আচমকা ঘুরে ওকে টেনে জড়িয়ে ধরে! এমনতর পুনর্মিলন আমি আশা করিনি…অনেক ভুলে যাওয়া অনুভূতি একসাথে এসে আমায় নাড়া দিয়ে গিয়েছিল! কতবার যে এ দৃশ্যটা টেনে টেনে দেখেছি!
২। গেট-ব্যাকারস্‌। এপিসোড ২২-“অ্যাওয়েকেনিং! দ্য অ্যাডভেন্ট অফ দ্য লাইটনিং এম্পেরর”
গিনজি প্রায় লাইটনিং এম্পেরর-এ পরিণত হতে চলেছে। আকাবানে ওর সাথে লড়াই করে ওকে আরো উসকে দিচ্ছে, গুনছে–৬,৫,৪, দুজনই এবার মরণ আঘাত হানবে….ঠিক এ সময় বান দুজনের মাঝামাঝি এসে পড়ে, গিনজির মুঠো করা হাত ঠেকিয়ে দেয়, আর বান-এর ডান কাঁধ ফুঁড়ে বের হয়ে আসে আকাবান-এর লম্বা লাল তরবারি। এক মুহূর্তের জন্য সব স্তব্ধ হয়ে যায়…গিনজি বিস্ফোরিত চোখে বান-এর দিকে তাকিয়ে। “না-নিয়া আত্তেনদায়ো গিনজি? তুমি… আমার নিষেধ …শুনলে না…” বলতে বলতে বান মাটিতে পড়ে যায়। দু হাতে মাথা চেপে ধরে গিনজি বসে পড়ে আর চাপা আর্তনাদ করে আকাশ-বাতাস কাঁপানো চিৎকার দিয়ে ওঠে! 
৩। সাকামিচি নো অ্যাপোলোন। (কিড্‌স অন দ্য স্লোপ)
—–এপিসোড ১১-“লেফ্‌ট অ্যালোন”
সেনতারো ওর ছোটবোন কে বাইকে করে রাতে বাইরে গিয়েছিল, মাঝপথে অ্যাক্‌সিডেন্ট করে। ওর ছোটবোনটা হাসপাতালে মৃত্যুর সঙ্গে লড়ছে।
কাওরু ওকে ছাঁদে একটা বেঞ্চিতে শুয়ে থাকা অবস্থায় পায়। সেন বলছে: “আমি যাদেরকে প্রটেক্ট করতে চাই, তাদেরকেই হার্ট করে বসি। আমি কেন যে জন্মালাম!” কাওরু(বন)-এর গাল বেয়ে অশ্রু ঝরছে, ফ্রেন্ডের অসহায়ত্ব, দু্ঃখ দূর করার কোন উপায়ই তার জানা নেই! কাওরু কে কাঁদতে দেখে সেন ঝট করে উঠে বসে…”ওয়! বন! কী হয়েছে? কীসের জন্য কাঁদছ?” বলে হাতটা ধরে আশ্বস্ত করতে যাবে…কাওরু হাতটা টেনে সেনকে নিজের কাছে এনে ওর মাথাটা নিজের বুকে চেপে ধরে, “দ্যিস ওয়ে, উই ডোন্ট হ্যাভ টু সি ইচ আদার ক্রাই।”…সেন হাসার চেষ্টা করে বলে, ” “আমরা”? আমি তো মোটেও….” কাওরু ওকে কথা শেষ করতে দেয় না, বলে, “ইট্‌স ওকে টু ক্রাই, সেন। তুমি এতদিন ধরে সব কষ্ট নিজের ভেতর জমিয়ে রেখেছ।” তখন সেন ফুঁপিয়ে ফুঁপিয়ে কাঁদতে শুরু করে! ওর গলার কাছে দলা পাঁকিয়ে, আটকে থাকা কান্নাটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসে।
এটা এমনিতেই ইমোশনাল, আরো বেশি একারণে যে, আমি কোন ছেলেকে এভাবে আরেক ছেলে বন্ধুর সামনে কাঁদতে আর কখনই দেখিনি! অন্য কোন বই, মাঙ্গা, এনিমি, সিরিয়াল, মুভি তেও না!

—–এপিসোড ১২-“অল ব্লুজ”
অনেক বছর পর কাওরু আর সেন এর পুনর্মিলন। দূরে চার্চ থেকে পিয়ানোর পরিচিত সুর সেন-এর কানে ভেসে আসে….মুচকি এক হাসি দেয়, অবশেষে তার অদ্ভূত, ছিঁচ্‌কাঁদুনে, অতি মাত্রায় সেনসিটিভ আর কেয়ারিং বন্ধুটা তাকে খুঁজে পেয়েছে! আর সেন কে ডাকছে ওদের বন্ধুত্বের শিকড় “মিউজিক” দিয়ে!

৪। রুরোনি কেনশিন।
—–এপিসোড ৪৩/৪৪/৪৫ হবে।
ওকিনা কেনশিন কে অনুরোধ করে আওশিকে মেরে ফেলতে। মিসাও নিশ্চল হয়ে দাঁড়িয়ে। কেনশিন মিসাও-র কষ্ট বুঝতে পারে, তাই বলে যে ও আওশিকে মারবে না, বরং ওর মনুষ্যত্ব ফিরিয়ে আনবে। একথা শোনার পর মিসাও-র চোখ অশ্রুতে ভরে ওঠে।
—–এপিসোড ৫৪ থেকে ৫৬।
সোজিরো(যে বালক টার রাগ, ক্ষোভ কোন অনুভূতি-ইই হত না)আর কেনশিন এর ২য় ডুয়েল, সাথে সোজিরোর ফ্লাশব্যাক।
—–এপিসোড ৬০,৬১,৬২।
মাকোতো শিশিও (কী জটিল একটা চরিত্র!) আর কেনশিন এর শেষ লড়াই। ইউমি যখন নিজেকে স্যাক্রিফাইস করে, যাতে শিশিও জিততে পারে, তা দেখে কেনশিন-এর নিজের প্রথম স্ত্রীর প্রায় একইভাবে স্যাক্রিফাইস করার কথা মনে পড়ে যাওয়া; সানোসকে যখন উপলব্ধি করে সাইটোর বেঁচে ফেরার পথ বন্ধ হয়ে গিয়েছে, সিগারেটে ফুঁ দিতে দিতে সাইটোর ধ্বংসস্তূপে আগুনের লেলিহান শিখার মাঝে মিলিয়ে যাওয়া; পরবর্তী তে দর্শকদের(মানে আমার  )জানতে পারা যে সে আসলে বেঁচে গিয়েছিল!

——-আর “ট্রাস্ট অ্যান্ড বিট্রেয়াল” ও.ভি.এ. টার কথা না বললেই না। কেনশিন-এর ছোটবেলা, সেনসেই “সেইজুরো হিকো”র অধীনে শিক্ষা লাভ, হিটোকিরি বাটোসাই হিসেবে জীবন, প্রথম স্ত্রী “টোমোয়ে”র সাথে দেখা, তাকে পাও্য়ার আর হারাবার কাহিনী…..সব মিলিয়ে প্রচণ্ড রকমের ইমোশনাল। এত ইমোশনযুক্ত জিনিস সহ্য করার ক্ষমতা আমার নেই, তবু এটাকে ভুলতে পারি না……।

৫। ব্লিচ।
ব্লিচের কথা আর কী বলব! প্রতি কাহিনীতে, প্রত্যেক চরিত্রে…এত ইমোশনাল ব্যাকস্টোরি!
সবচে’ বেশি মনে পড়ে এপিসোড ১৬ “এনকাউন্টার, রেনজি আবারাই” —তে রুকিয়া ইচিগো-কে যেভাবে আঘাত দিয়ে কথা বলে(ওকে বাঁচানোর শেষ চেষ্টা হিসেবে), ওর দিকে শেষ যে চাহনি দিয়ে দরজার ওপাশে অদৃশ্য হয়ে যায়….ওফ্‌ফ্‌ফ!

এপিসোড ৩২ “স্টার্‌স অ্যান্ড দ্য স্ট্রে”—(ফ্ল্যাশব্যাক)রেনজি ও রুকিয়ার ছোটবেলা, কীভাবে ওরা আলাদা হয়ে যায়, রেনজির বর্তমান রিজল্ভ…আমার এ কাহিনী তে রেনজির জন্য ভীষণ মায়া হয়েছিল…

এরূপ আরো বেশ কিছু (আসলে অসংখ্য)”প্রিয় ইমোশনাল মোমেন্ট” আছে, যা বলতে বলতে রাত পার হয়ে যাবে! তাই এখানেই শেষ করছি আজকের মত।

তাকেমোতো by Torsha Fariha

Torsha Fariha's photo.
তাকেমোতো। ও আমাকে কিভাবে ইনস্পায়ার করসে বলতে গেলে আসলে বিশাল কাহিনী লিখতে হবে। তাই সংক্ষেপে বলি 

আমি তাকেমোতোর মধ্যে নিজেকে দেখতে পেয়েছিলাম, আমার স্বপ্নগুলো দেখতে পেয়েছিলাম। আমি এতদিন ধরে কি খুঁজছি সেটা খুঁজে পেয়েছি। আসলে তাকেমোতো অন্য অ্যাকশন অথবা রোমান্টিক মুভির সুপার কুল নায়ক না। ও আমার মতই সাধারন। পর্দায় একজন সাধারন মানুষকে দেখতে ভালো লাগে। যদিও আমি ক্রাশ খাই মোরিতার সুপার কুলদের উপর  

খুব সাধারন হয়ে, খুব সূক্ষ্ম সূক্ষ্ম অনুভূতি গুলো মনের ভেতর লালন করে কিভাবে খুব সুন্দর জীবন যাপন করা যায় সেটা আমি তাকেমোতোর কাছে শিখেছি।

আমার জীবনের বড় একটা ব্লেসিং হানি অ্যান্ড ক্লোভার

Torsha Fariha's photo.

!!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!! by Kazi rafi

দেড় বছর আগেও আমি অনেককে দেখসিলাম, একেকটা নারুতর নতুন নতুন চ্যাপ্টার বাইর হয় আর মানুষের সে কি সমালোচনা আর মুন্ডুপাত কিশিমোটোর; কিশিমোটো গাজা খায়ে নারুটো লিখতেছে, নারুটো আর আগের মতন নাই, পুরা লেম হয়ে গেছে, এই ওয়ার আর্ক আর কতদিন ধরে টানবে, আর তো ভালো লাগে নাহ, কিশিমোটোর উচিত নারুটো বন্ধ করে দেয়া, হ্যান ত্যান হাবিজাবি ব্লাহ ব্লাহ ব্লাহ !!!!!!!!!!!!!!!!!! দেড় বছর পার হয়ে গেছে কিন্তু এখনও সেই একি মানুষরা সেই একি প্যাঁনপ্যানানি এখনও করে যাইতেছে। আচ্ছা ওরা জানল কিভাবে যে নারুটো তে এখনও কি হইতেছে ??? এদের নাহ আরও দেড় বছর আগেই নারুটো পরা বন্ধ করে দেওয়ার কথা ??? তাদের ভাষ্যমতে নারুটো তো এখন গাঁজাখুরি থেকে গাঁজাখুরিতোমো পর্যায়ে পৌঁছায়ে গেছে, তাইলে তারা কেন এখনও নারুটো পরা বন্ধ করে নাই ?????? কারন তারা চাইলেও বন্ধ করতে পারবে নাহ ! কেন ? কারন এরপরের কাহিনী জানার অদম্য কৌতহল তাদেরকে নারুটো পরা থেকে বিরত রাখতে পারে নি !!!!! আচ্ছা এইবার আমাকে বলেন একটা সিরিয়ালাইযড মাঙ্গার মূল উদ্দেশ্য কি ??? নিজদের বিক্রি বাড়ানো ?? হ্যাঁ তা তো অবশ্যই। নিজেদের বিক্রি বাড়াতে না পারলে তো পাবলিকেশন কোম্পানির ব্যাবসা লাটে উঠবে সেই সাথে মাঙ্গাকার ভাত মারা হবে, কিন্তু সেই বিক্রি বারানো হবে কিভাবে ?? কিভাবে আবার, নতুন পাঠকদের আকৃষ্ট করার মাধ্যমে !! এখন সেটা করার জন্য পাবলিকেশন কোম্পানির হাজাররকমের ব্যাবস্থা নিয়ে রাখা আছে, so ওইদিক দিয়ে লাভের একটা অংশ ঠিকঠাক ! এখন আসি আসল কোথায়, পুরা মাঙ্গা বিক্রির লাভ কিন্তু এই নতুন পাঠকদের থেকেই আসে নাহ, এর মূল লাভটা আসে EXISITNG পাঠকদের থেকে ! এখন এই গ্রুপটি আবার দুটি ভাগে বিভক্ত, এক অংশ এখনও নারুটোকে তাদের আস্থার মাধ্যমে পরে যাচ্ছে, দেখে যাচ্ছে এবং ভালবেসে যাচ্ছে আর আরেক গ্রুপের কথা তো উপরেই বললাম ! এই দ্বিতীয় গ্রুপটির সুন্দর একটা নাম আছে আর সেটা হচ্ছে HYPOCRITES !!!!!! এই হিপোক্রেটদের এতো এতো হিপোক্রেসির পরও কিন্তু তারা ব্যর্থ, কারন তাদের এতো বোলচালের পরেও তারা নারুটো পরা থামাতে পারেনি যেভাবে ঠেকাতে পারেনি এর সাফল্য, এর বিক্রি, এর Profit !!!!
আমার এখনও মনে আছে, যখন ব্লিচে আরাঙ্কার সাগা চলতেছে, এবং ফেক কারাকুরা টাউন আর্ক শুরু হইছে, মানুষের সে কি হতাশা, রাগ, hatred !! ফ্যানরা তো টিটে কুবো রে খেতাবই দিয়ে দিলো একটা “Troll King” নামে !!! তাদের অভিযোগ কি ??? ব্লিচ গোল্লায় গেছে, কুবো ভিয়েতনাম থেকে গাজা আনায় গাজা সেবন করে ব্লিচ লিখতেছে !!!! এরপরে আররাঙ্কার সাগা যখন শেষ হইল, আইযেন যখন পরাজিত হল এবং তারপরে যখন নতুন ফুলব্রিং আর্ক শুরু হইল তখন পাঠক/ তথাকথিত ফ্যানরা যা করল তা চোখে না দেখলে বিশ্বাস করার মতন নাহ!! কেও কুবো রে জীবনে যত গালি গালাজ শিখছিল তা আর বলতে বাকি রাখে নাই, ফ্যানরা এতটাই ‘অপমানিত’ হইছিল ওর এই কাজে !!!! তাদের ভাষ্যমতে আইযেন্রে আটক করার পরেই ব্লিচ ‘শেষ’ করা দেওয়া উচিত ছিল কারন ব্লিচ বলে তাদের জীবন তা নষ্ট করে দিছে, ব্লিচ বলে এতটাই ‘ফাউল’ একটা মাঙ্গায় পরিণত হইছিল যে তা একদম পড়ার অযোগ্য হয়ে পরছিল !!!! এবং এখানেই সবচেয়ে আশ্চর্যকর বিষয়টা আপনারা খেয়াল করবেন, তাদের অনুযায়ী ফেক কারাকুরা টাউন আর্কের আগ থেকেই বলে ব্লিচের পতন শুরু হইছিল AND YET এই হিপক্রেটরা কিন্তু ফুলব্রিং আর্ক পরা থেকে নিজেদেরকে আটকে রাখতে ব্যর্থ হইছিল তানাহলে তারা কিভাবে জানল যে এই আর্ক হচ্ছে ব্লিচের সবচেয়ে তাদের ভাষ্যমতে জঘন্নতম আর্ক ????? এখানেই শেষ নয় !! ফুলব্রিং আর্কের পরে যখন Thousand Year Blood War আর্ক শুরু হইল এইসব হিপক্রেটদের মধ্যে বেশীরভাগেরই সুর পালটায় গেলো ব্লিচের ব্যাপারে ! এখন এই আর্ক হচ্ছে Soul Society আর্কের পরে তাদের সবচেয়ে প্রিয় আর্ক !!!!!!! হিপক্রেটদের এই হচ্ছে অবস্থা !!!!!!!!!!
আর ফেইরি টেইল, এই মাঙ্গা তো হিপক্রেটদের কাছে অন্যভাবে পরিচিত। শুরু থেকেই এদের ঘৃণার স্বীকার এই মাঙ্গা তাদের ভাষ্যমতে হচ্ছে ‘ Total Rip-off/Copy Of One Piece with Fan Service’ !!!!!!!!! এইটা বলার কারন কি ?? এইটা বলার কারন হচ্ছে হিরো মাশিমা আর ইচিরো ওওডার আর্টের মধ্যে রয়েছে ‘অবিশ্বাস্য’ মিল ! এইরকম মিল বলে জমজ ভাই বঁদের মধ্যেও বলে দেখা যায়না, এবং সেইকারণে তারা মাশিমা কে আড়ালে আবদালে ‘চোর’, ‘কপিকেট’ ডাকা শুরু করলো !!!!!!!
এই হিপক্রেটদের দলটা, তারা থাকবে সবজায়গায়, সমসময়, করে যাবে থাদের অর্থহীন প্যানপ্যাঁনানি, ঘ্যানঘ্যা্নানি, কিন্তু এদেরকে টেক্কা দিতে একইসঙ্গে থাকবে সেইসব আসল পাঠক/ ফ্যানরা যারা প্রথম থেকে আজ অব্দি পর্যন্ত তাদের পছন্দের মাঙ্গাকে, মাঙ্গাকাকে দেখিয়ে গেছে তাদের অবিচল আস্থার, ভালবাসার নিদর্শন, এবং দেখিয়ে যাবে শেষ অব্দি পর্যন্ত !!!! True Loyalty Never Dies !!!!!!!!

éX-Driver, éX-Driver The Movie, éX-Driver: Nina & Rei Danger Zone by Tahsin Faruque Aninda


ছোটকালে প্রথম দিকে যেসব আনিমে দেখতাম, তার মধ্যে ছিল Dragonball Z, Pokemon, Beyblade, Rurouni Kenshi etc etc., এরকমই সে যুগের এক আনিমে হল éX-Driver 
তখন পুরোটা দেখা হয়ে উঠে নি, এখন এই বয়সে এসে দেখা হল সবটুকু। আর দেখেই সেইইইই ছোটকালে ফিরে গেলাম!!! তখনকার আনিমের আর্টওয়ার্কে একটা অন্যরকম ঠান্ডা ভাব ছিল, সেই ২০০০ সালের আগে/পরের আনিমে এটা।

মূল আনিমে আসলে OVA, ৬ পর্বের। সেই সাথে একটি মুভি ও একটি প্রিকুয়েল এপিসোড আছে।
আনিমেটির থিম হল, ভবিষ্যতে মানুষের যানবাহন চলাচল সব AI ভিত্তিক, অর্থাৎ মানুষকে গাড়ি চালাতে হয় না, গাড়িতে উঠে শুধু ডেস্টিনেশনের নাম বললেই চলবে।
AI নির্ভর গাড়ি বলে মাঝে মাঝে এদের কন্ট্রোল নষ্ট হয়ে যায় আর তখন এসব গাড়িকে কন্ট্রোল করে দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য জান বাজি রেখে কাজ করে যায় éX-Driver নামের একদল তুখড় গাড়িচালক!

Features:
# স্পোর্টস কারের দুর্দান্ত একশন! 
# এপিসোড ভিত্তিক কাহিনি, তাই ঠান্ডা মাথায় একেকটা এপিসোড এঞ্জয় করা যায় 
# 90’s আনিমের আর্টস্টাইলের যারা ভক্ত, তারা আসলেই খুব এঞ্জয় করতে পারবে 
# প্রিকুয়েল এপিসোডটা standalone episode হিসাবে বেশ চমৎকার!
# ৬ এপিসোডের সিরিজের সিকোয়েল হিসেবে ধরা মুভিটাও একইরকম উত্তেজনা টেনে আনে 

শেষে বলতে চাই, MyAnimeList-এর রেটিং দেখে এটা দেখতে পিছপা হওয়ার দরকার নাই। ছোট্ট একটা আনিমে সুন্দরভাবেই উপভোগ করা যাবে 

আমার রেটিং: 8.5/10

 

Kuroko No Basket 2 by Kazi Rafi

KnB
ক্যালেন্ডারে সবাই দাগ দিয়া রাখেন- অক্টোবারের ৫, বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হচ্ছে, হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, মিনিটে মিনিটে চমক আর সেকেন্ডে সেকেন্ডে দম বন্ধ করা উত্তেজনা আর সাসপেন্সে ভরা…..Kuroko No Basket 2: Winter Cup !!!! This Winter Will Be War !!! এই প্রথমবারে মতো জেনারেশন অফ মিরাকেলস এর সব প্লেয়ার একিসঙ্গে জড়ো হতে যাচ্ছে, একি ছাদের নিচে, একে অন্যের বিপরীতে এবং সাথে আরো নতুন নতুন সব পরাক্রমশালী দল, সঙ্গে আমাদের সবার প্রিয় সেইরিন হাই ! সবার লক্ষ্য একটাইঃ উইন্টার কাপ !! কিন্তু কিভাবে ??? উপাই একটাইঃ Defeat Japan’s Best, The Legendary Rakuzan High !!!!!!! কিন্তু তা কি আউদো কারুর পক্ষে সম্ভব ??? জানতে হলে অপেক্ষায় থাকুন ৫ই অক্টবারের জন্য এবং চোখ রাখুন আপনার এনিমে ডাউনলোডের পাতায় !!!!!!  

[ KNOW.YOUR.PLACE- Akashi Seijuro; Former Capt. Teiko Junior; Current Capt. Rakuzan High ]

KenIchi the Mightiest Disciple by Shafiul Munir

Watch KenIchi the Mightiest Disciple online
“বছরদুয়েক আগে কেনিচি দেখেছিলাম, তখন মনে হয় ভালই লেগেছিল, এখন আবার দেখতে গিয়ে ফিল করছি কি পরিমাণ অসাম এই জিনিসটা, অনেক পুরনো এনিমে, এই গ্রুপের প্রায় সবাই হয়ত দেখে ফেলেছেন, তবে যারা দেখেননি তাদের অবশ্যই দেখা উচিত, ফিস্ট ফাইটিং, মার্শাল আর্ট বেইসড, অনেক হিউমার আছে, ডায়লগ, কন্সেপ্ট খুব ই ভালো, কাহিনীও আছে। 
কাহিনীটা এক হাইস্কুলের ফ্রেশম্যান কেনিচিকে নিয়ে, সব বিষয়েই যার ভয় আর দূর্বলতা, কেনিচি এই দূর্বলতা আর দূর্নাম কাটিয়ে উঠতে যোগ দেয় কারাতে ক্লাবে শুধু আরো অপদস্থ হবার জন্য, ঘটনাক্রমে সে মিও নামের এক মেয়ের সাথে পরিচিত হয় আর যোগ দেয় এক রহস্যময় ডোজোতে ( কারাতে শিক্ষাকেন্দ্র) যেখানকার মানুষগুলো অদ্ভুত আর অবিশ্বাস্য রকম শক্তিশালী, তারপর থেকে কেনিচির জীবন পালটে যেতে থাকে একদমই। 
কোনরকম ট্যালেন্ট কিংবা ন্যাচারাল ইন্সটিংক্ট ছাড়া শুধু কঠোর পরিশ্রম আর দৃঢ় মনোবল দিয়ে যে প্রতিকূলতাকে জয় করা যায় তার জলজ্যান্ত প্রমাণ কেনিচি।
মাত্র ৫০ এপিসোডেই সমাপ্ত এনিমেটি দেখলে সবারই আফসোস হবে কেন আরো বানানো হলো না। মাঙ্গায় কাহিনী এগিয়ে চলছে বহুদূর, তবে সেটা এনিমে সিরিজের মত মজাদার নয়। এখনো মাঝে মাঝে আশা জাগে হয়ত কখনো এই সিরিজের দ্বিতীয় সিজনটা দেখতে পাব।

এনিম রিভিউঃ Black Lagoon – অন্ধকার জগতের গল্প — লেখক নিঃসঙ্গ নির্বাসন

অনেক দিন থেকেই ভাবছিলাম এনিম নিয়ে একটা পোস্ট দেব। কিন্তু ব্যস্ততার কারণে সময়ই করে উঠতে পারি না। অবশেষে ঈদের ছুটিতে মার্কেটিং করা বাদ দিয়ে রিভিউ লিখতে বসলাম।

4 Black Lagoon

 

অন্ধকার জগতের খুনে গুন্ডা পাণ্ডাদের নিয়েই এই ব্ল্যাক লেগুন রিভিউতে যাওয়ার আগে একটু ভূমিকা দিতে চাচ্ছি। আমি একজন অত্যন্ত কুটিল প্রকৃতির খারাপ মন মানসিকতার মানুষ। আমার পছন্দও হয়ে থাকে সেই রকমেরই। আমার অল টাইম ফেভারিট লিস্টে অবশ্যই থাকবে ডেথ নোট লাইট ইয়াগামির একজন হার্ডকোর ফ্যান আমি। পুরোপুরি পারফেক্ট এভিল। কোড গিয়াসও আমার অত্যন্ত পছন্দের। তবে লেলুশকে কিন্তু আমি একদমই দেখতে পারি না। আমার পছন্দ শ্নাইজেল এল ব্রিট্যানিয়া- সেকেন্ড প্রিন্স। ভয়ংকর এক ভিলেন। evil minded. puppet master. (অপ্রাসঙ্গিক হলেও বলি, জাপানিজ এনিম গুলোয় ভিলেনদের দিকে বিশেষভাবে মনোযোগ দেওয়া হয়। হলিউডের কি এখান থেকে শিক্ষণীয় কিছু আছে? )

সাইকোলজিক্যাল এনিম হিসেবে মনস্টার আমার অত্যন্ত প্রিয়। মনস্টারের ভিলেন সবারই টপ ভিলেন লিস্টে থাকেই। কিন্তু আমার তাকে খুব একটা ভাল লাগে নাই। সে আগের দুইজনের মতো পারফেক্ট এভিল না। আমি ওইধরনের খারাপ এনিম খুঁজার অনেক চেষ্টা করেছি। কিন্তু পাই নাই। বাচ্চা মেয়েদের ধরে ধরে অ্যাসাসিন বানানো হয়গানস্লিঙ্গার গার্লে হার্ট টাচিং একটা এনিম। কিন্তু না, সেখানেও আমার পছন্দের কোন সাক্ষাৎ শয়তান পাই নাই।  আবার হেল গার্ল কিংবা এলফিন লেইড এগুলোও অনেক পছন্দ হয়েছে। কিন্তু আমার যেই চাহিদা, খারাপ কিছু, সেটাই আমি পাচ্ছি না।  ভালোমানুষি ব্যাপারটাই আমার সহ্য হয় না। মনস্টার থেকে এলফিন লেইড সবগুলোতেই সেটাই আমার আপত্তির একটা বড় কারণ। সেখানে পারফেক্ট এভিল তো নেইই, বরং ভাল কিছুর কথাই বলা হয়েছে।

ভূমিকা অংশটা মোটামুটি শেষ। এরকম একটা প্যারাগ্রাফ আসলে লেখার কোন দরকার ছিল না, আজকের এই রিভিউটার জন্য। আমি এসব কথা বললাম, ব্ল্যাক লেগুন দেখার আগে আমি কিরকম মানসিক অবস্থায় ছিলাম, সেটা বুঝানোর জন্য।  এনিমটা আমার অত্যন্ত পছন্দ হয়েছে। আর কাউকে এখনো পাই নাই, যার ব্ল্যাক লেগুন এতো পছন্দ হয়েছে।  প্রকৃত পক্ষে ব্ল্যাক লেগুন এরকম আহামরি কোন এনিমও না। যদি ৮০ – ৯০ দশকের এনিম হত, তাহলে এটা আরও জনপ্রিয় হত।

লেগুন কোম্পানি হচ্ছে মূলত একটি জলদস্যু গ্যাং। দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় সমুদ্রপথে স্মাগলিং করাই তাদের মূল কাজ। দলের সদস্য মাত্র তিনজন। লিডার ডাচ, শুটার রেভি, টেকনোলোজি গিক বেনি। লেগুন কোম্পানির বেস ক্যাম্প রোয়েনাপারে। সিটি অফ গডের কথা মনে আছে? সেরকম একটা শহর হচ্ছে থাইল্যান্ডের বন্দরশহর রোয়েনাপার। শহরে সক্রিয় বিভিন্ন মাফিয়া দল। তাদের প্রায় সবার সঙ্গেই সুসম্পর্ক বজায় রেখে চলে ডাচ। বিভিন্ন মাফিয়া সংগঠনের হয়ে, মাঝে মাঝেই বিভিন্ন মিশনেও যায় সে। সবচেয়ে প্রভাবশালী দুটি মাফিয়া গ্যাং হচ্ছে, রাশিয়ান ক্রাইম সিন্ডিকেটঃ হোটেল মস্কো এবং চাইনিজ হংকং ট্রেইড। ডাচের সঙ্গে অত্যন্ত ভাল সম্পর্ক হোটেল মস্কোর প্রধান কাপিতান বেলালাইকার। কাহিনীর দিকে যাওয়ার আগে রোয়েনাপারের একটা ছবি মনের মধ্যে এঁকে নিন। অস্ত্র, রক্ত, খুন, মাদক, পতিতাবৃত্তি এগুলোই রোয়েনাপারের দৈনন্দিন চিত্র।

এনিমটা দুই সিজনের। প্রতিটা সিজনে ১২ টা করে এপিসোড। প্রতিটা এপিসোডের লেংথ ২০ মিনিটের মতো। প্রতি ২ – ৩ এপিসোডে একটা করে ছোট ছোট কাহিনী। এভাবেই এই অপরাধ নগরের সাথে পরিচিত হয়ে ওঠা। আমি সবগুলো কাহিনী বলে আপনাদের মজা নষ্ট করতে চাই না। শুধু প্রথম গল্পের শুরুটা বলি।

রোকারো ওকাজিমা একজন জাপানিজ বিজনেসম্যান। তার জীবনের গল্পটা শুনে নিন, তার নিজের মুখেই।

Graduating from a National University, I somehow managed to get my way into corporate world. This is a businessman’s town.I get my ass kicked by my boss all day. But in the same time I hope to be in his place someday. It’s the only way to maintain your sanity here. This is the city of winter.

একদিন একটা বিশেষ কনফিডেনসিয়াল ডিস্ক নিয়ে সে যাচ্ছিল একটি বিজনেস ট্রিপে। তাকে কিডন্যাপ করে লেগুন কোম্পানির ক্রুরা। বেলালাইকা তাদের হায়ার করেছে, ওই ডিস্কের জন্য। ওকাজিমাকে হয়তো মেরেই ফেলত তারা। কিন্তু রেভির মাথায় বুদ্ধি এলো, ওকাজিমাকে কিডন্যাপ করে মুক্তিপণ আদায় করার। কিন্তু ওকাজিমার মালিকপক্ষের সাথে যোগাযোগ করে হতাশই হতে হল রেভিদের। তারা জানিয়ে দিল, তারা ঘোষণা করে দিয়েছে রোকারো ওকাজিমা মারা গিয়েছে। ভাল কথা, ততক্ষণে কিন্তু তার নাম বদলে গেছে; লেগুন কোম্পানির ক্রুরা তাকে রক বলে ডাকছে। যাই হোক, ডাচের মনে হলো, তার ক্রুতে একজন বিজনেসম্যান থাকা দরকার। এভাবে লেগুন কোম্পানিতে যোগদান রকের। আর এখান থেকেই ব্ল্যাক লেগুনের যাত্রা শুরু।

আমি চাচ্ছি, ব্ল্যাক লেগুনের তিনটা ক্যারেকটার সম্পর্কে কিছু লিখতে লিখতে। (মানে আপনাদের ব্ল্যাক লেগুনের ব্যাপারে ইন্টারেস্টেড করা আর কি!  কাহিনীটা খুব জোরালো কিছু না, আমি নিজেও স্বীকার করি। কিন্তু ক্যারেকটারগুলো অছাম।  ) জানি না, ক্যারেকটার গুলো কিরকম লাগবে আপনাদের। আমি এখানে তিনজনের কথা বলব। একত্রে এই তিনজনকে বলা হয়,

Three most terrifying women of the world.

এরকম আরও অনেক ক্যারেকটারই আছে সিরিজটায়। আমার ভাল লেগেছে, প্রতিটা ক্যারেকটারের পেছনের গল্পগুলো। আজকে তারা অন্ধকার জগতের মানুষ। কিন্তু তারা অতীতে এরকম ছিল না।

What happened to them, created them monster.

আর ক্যারেকটার গুলোর অতীত আমরা সেভাবে দেখতেও পাই না। ছাড়া ছাড়া ভাবে মাঝে মাঝে দেখানো হয় আরকি।

ভাল কথা, এনিমটা কিন্তু TV-MA রেটিং প্রাপ্ত। এবং সেটার প্রধানতম কারণ ভাষা।সেটা মাথায় রাখতে হবে।  আমার অবশ্য খুব একটা খারাপ লাগে নাই ব্যাপারটা। অন্ধকার জগতের মানুষদের ভাষা আর কিই বা হবে?

আরেকটা কথা না বললেই নয়, সিরিজের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ ক্যারেকটারই মেয়ে। শুনে আবার হতাশ হয়ে যাবেন না। কেউই লুতুপুতু টাইপের মেয়ে না। পারফেক্ট ক্রিমিনাল। যাই হোক, চলুন পরিচিত হয়ে আসি, বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ানক তিন মহিলার সাথে।

রোসারিতা সিস্নেরোসঃ

 

প্রথম জীবনে সে ছিল একজন দুর্ধর্ষ প্রশিক্ষিত অ্যাসাসিন। কিউবার গেরিলা সংগঠন FARC এর সদস্য। সে পরিচিত Bloodhound Of Florencia নামে। তাকে আরও অনেক নামেই ডাকা হয়।

Hardcore Terrorist

Killer Robot From The Future

কিউবান মাফিয়া বিপ্লবী দলের সদস্য হিসেবে বিভিন্ন অপরাধমূলক কাজের জন্য আন্তর্জাতিকভাবে তার নামে ওয়ারেন্ট ইস্যু করা হয়েছে। কিন্তু একসময় সে বুঝতে পারে, সে কোন বিপ্লবী হতে পারে নি। সে একটি Watch Dog এ পরিণত হয়েছে। যার কাজ হচ্ছে মাফিয়াদের কোকো ক্ষেত পাহারা দেওয়া। সে তখন চাইলো, এই জীবন থেকে পালিয়ে যেতে। ভেনিজুয়েলার বিখ্যাত লাভলেস ফ্যামিলির প্রধান ডিয়েগো লাভলেস তাকে নিজের দেশে নিয়ে এলো। ব্লাডহাউন্ডের দায়িত্ব ৮-১০ বছরের Garcia কে দেখাশোনা করা। সেই ব্লাডহাউন্ড এখন হাউজমেইড।

 

ব্লাডহাউন্ডের নাম এখন Roberta. প্রথম সিজনে Young Master Garcia কে অপহরণ করে কলম্বিয়ান একটি মাফিয়া দল। তখন নিজের পুরাতন পরিচয় আবার জাগিয়ে তুলে রোসারিতা। লাভলেস ফ্যামিলিই তাকে কুকুরের জীবন থেকে উদ্ধার করে একটি মানুষের জীবন দিয়েছিল। তার প্রতিদান দিতে তুলকালাম শুরু করে দেয় সে অপরাধনগর রোয়েনাপারে।

ব্লাডহাউন্ডের যুদ্ধ শুরু করার স্টাইলটা আপনাদের পছন্দ হবেই।

 

In the name of Santa Maria, a hammer blow of righteousness to all injustice.

এরকম একটা হাউজমেইড থাকলে চরমই হত।  ব্লাডহাউন্ড নিঃসন্দেহে এই সিরিজের বেস্ট অফ দা বেস্টস ফাইটার। তবে তার সম্পর্কে সমালোচনা করতে গেলে বলতে হবে, সে কথা কম। কাজ বেশি। এই পলিসিতে বিশ্বাসী। এদিক দিয়ে সে রেভির থেকে পিছিয়ে আছে। প্রথম সিজনেই শুধু পাওয়া যায় ব্লাডহাউন্ডকে। তাও মাত্র অল্প কয়েক পর্বের জন্য।

ভ্লাডিলেনাঃ

 

রাশিয়ান ক্রাইম সিন্ডিকেট হোটেল মস্কোর প্রধান। প্রথম জীবনে তিনি ছিলেন সোভিয়েত ইউনিয়ন মিলিটারির একজন ক্যাপ্টেন। আফগানিস্তানে যুদ্ধের সময় তাকে অনৈতিকভাবে ডিসচার্জ করা হয় মিলিটারি থেকে। তিনি চলে যাওয়ার সাথে সাথে তার কম্যান্ডে থাকা দুর্ধর্ষ প্রশিক্ষিত বিশেষ স্কোয়াডের কমান্ডো সোভিয়েত সেনারাও তার সঙ্গে চলে যায়। রোয়েনাপারে নিজের পরবর্তী গন্তব্য ঠিক করেন বেলালাইকা। বেলালাইকা নামের আড়ালে তার আসল নামটা সবাই ভুলেই যায়। বেলালাইকা একটা রাশিয়ান স্নাইপার রাইফেল। নিন্দুকেরা তাকে Fry Face বলে সম্বোধন করে। আফগান যুদ্ধে তার মুখের অর্ধেক পুড়ে গিয়েছিল। হোটেল মস্কো হচ্ছে রোয়েনাপারের সবচেয়ে ক্ষমতাশালী মাফিয়া দল। শহরে খুন খারাপি কোন ব্যাপারই না। কিন্তু কেউই হোটেল মস্কোর সাথে সম্পৃক্ত কারো দিকে ফুলের পাপড়ি দিয়েও আঘাত করার কথা ভাবতেই পারে না। নিজের জীবন রক্ষা করার জন্য ডাচ ও লেগুন কোম্পানির প্রতি বেলালাইকা অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। সিজন টুতে হোটেল মস্কোর উপর একের পর এক আক্রমণ শুরু হয়। যেরকম কঠোর ভাবে বেলালাইকা ব্যাপারটার প্রতিশোধ নেয়, তাতে পুরোই তার প্রেমে পরে যাই।

 

বেলালাইকা পারতপক্ষে তার কম্যান্ডে থাকা সেই রাশিয়ান কমান্ডো সেনাদের ব্যবহার করে না। হোটেল মস্কোর বিশেষ অপারেশনেই কেবল মাঠে নামে Desantniki তাদের মুখে শুধু একটা কথাই শোনা যায়। কাপিতান। এই কাপিতানের জন্য, যে কোন কাজ করতেই তারা বদ্ধপরিকর। বেলালাইকা একজন এক্স মিলিটারি। তাই মাফিয়া সংগঠন হলেও, তার কাজের স্টাইল মিলিটারির মতো। রোয়েনাপার শহরে প্রবেশ করার পর তৎকালীন প্রধান মাফিয়া বস মি চ্যাং (চাইনিজ হংকং ট্রেইড) এর সাথে তুমুল যুদ্ধ শুরু হয়। পরে ডাচের হস্তক্ষেপে মিউচুয়ালি কো এক্সিস্ট করার সিদ্ধান্ত হয়। পরবর্তীতে বেলালাইকাই শহরের প্রধান মাফিয়া বস হয়ে উঠে। বুঝতেই পারছেন, কি রকম মাস্টার মাইন্ড লিডার এই কাপিতান।

 

রেভিঃ

 

আসল নাম রেবেকা (রেভেকা), বেশিরভাগ সময় রেভি বলেই সম্বোধন করা হয়। তার নিক হচ্ছে, Two Hand. একসাথে দুই হাতে শুটিং করায় পারদর্শী বলে। লেগুন কোম্পানির বেশিরভাগ অপারেশন সেই চালায়। সে একজন জাপানিজ আমেরিকান। জন্ম চায়নাটাউনে। তার অতীত সে খুব বেশি বলে না। কিন্তু ছাড়া ছাড়া ভাবে যা বলে, তাতেই বোঝা যায়, আজকের এই Two Hand সে একদিনে হয় নি। সেটার পেছনে আছে একটা বিশাল গল্প। হাসতে হাসতে মানুষ খুন করে রেভি। একটু কপি পেস্ট করতে চাচ্ছি।

Revy is one of the deadliest fighters in the series, whose skill with firearms and ability to dodge bullets is almost superhuman and unparalleled—there are only a few other characters, such as Roberta and Ginji, that can hold their ground against her in combat.

 

নিজেকে রেভি সম্বোধন করে, Best Shooter In The East হিসেবে। সে অত্যন্ত বদরাগী, চেইন স্মোকার। সব কিছুর সমাধান সে করতে চায় বুলেটের মাধ্যমে। এই ব্যাপারটা নিয়েই রকের সাথে তার মাঝে মাঝেই ঝগড়া লেগে যায়। রকের অনেক কিছুই সহ্য করে না রেভি। রেভি বলতে চায়, রক লেগুন কোম্পানিতে আছে পিকনিকের জন্য। যখন তার মনে হবে পিকনিক শেষ, তখনই সে চলে যাবে। যদিও পরে রকের ব্যাপারে তার ধারণা চেঞ্জ হয়। রেভির মুখ সম্পর্কে আলাদা করে বলতেই হবে! একথা বলাই যায় , এনিমটা TV MA রেটিং পেয়েছে শুধু রেভির জন্যই! মুখে কথা বলেই রেভি যুদ্ধ জিতে যাওয়ার ক্ষমতা রাখে।  আর অস্ত্রের কথা বলার দরকার কি? শুধু শুধু কি আর Two Hand নিক অর্জন করেছে। রেভিকে আমার পছন্দ একই সাথে মুখে কথা বলা আর কাজ করে দেখানর জন্য। রেভি এরকম মেজাজি ক্যারেকটার হলেও সে রেসপেক্ট করে বেলালাইকাকে। এতেই বুঝা যায়, বেলালাইকা কি জিনিস!

 

ডাচের কামান হচ্ছে রেভি।

This is showtime revy, can you make them dance?

এরকম আরও অনেক ক্যারেকটার আছে। ডাচ, মি চ্যাং, সেনহুয়া, গিনজি এবং আরও অনেকে। সিরিজটার সমালোচনা করতে হলে বলব, এখানে গোলাগুলি ব্যাপারটা খুব সহজভাবে দেখান হয়েছে। আর এখানে কাহিনীর মারপ্যাচ কম। আশা করবো, আপনারা Bourne সিরিজ টাইপের কিছু দেখার ইচ্ছা নিয়ে বসবেন না।

আমি সিজন থ্রিকে রিভিউ থেকে বাদ দিয়ে দিলাম। সিজন ১ আর ২ ডাউনলোড করতে পারেন।

Click This Link

ঈদের ছুটিতে দেখে ফেলুন ব্ল্যাক লেগুন। সিরিজটা কেমন লাগলো জানাতে ভুলবেন না। সবাইকে ঈদের আগাম শুভেচ্ছা।

পাদটীকাঃ কথা প্রসঙ্গে আমি দুইজনকে বলেছিলাম ব্ল্যাক লেগুন নিয়ে কোন পোস্ট দেওয়ার কথা। তাদের গুঁতাগুঁতিতেই মূলত লেখাটা পোস্ট করা হলো। সেই দুইজনকেই লেখাটা উৎসর্গ করলাম।

 

মূল লেখা http://www.somewhereinblog.net/blog/persian_knot/29659959

Btooom! – অনলাইন গেমিং; ভার্চুয়াল বাস্তবতা এবং একটি সম্ভাবনাময়তার করুণ মৃত্যু…

রিয়োতো সাকামোতো – বয়স ২২। হতাশ; বিষণ্ণ এবং বেকার এই যুবকের দিন কাটে সারাদিন ঘরে বসে btooom নামক থার্ড পারসন শুটিং গেম খেলে। বর্তমানে সে এই গেইমে ওয়ার্ল্ড র‍্যাঙ্কিং এ ১০ নাম্বার এবং তার জীবনের সব হিসেব নিকেশ এই গেইমের স্টেট নিয়ে। কিন্তু এই জীবনের ছেদ ঘটে যখন একদিন সে নিজেকে আবিষ্কার করে একটা গাছের ডালে প্যারাসুটের সাথে ঝুলন্ত অবস্থায়। সাকামোতো রিওতোর প্রিয় গেইম কি তাহলে বাস্তবতায় রুপ নিল? ভার্চুয়াল লাইফ যখন বাস্তবতায় মিশে যায় তখন কি সে তাতে কুলিয়ে উঠতে পারবে?

 

এই পর্যন্ত পরার পর বেশ অনেকেই একটু থমকে দাঁড়াবেন; ইতি উতি চাইবেন; তারপর প্রশ্ন করে বসবেন; “মিয়া; ফাইযলামি কর? কয়দিন আগে sword art online দেখসি কি করতে? আর তুমি এইডা কিসের রিভিউ লেখতে বসছ? পইরাতো sword art online এর মতন লাগতেসে। অইটা আর এইটার মধ্যে পার্থক্য কি?”

প্রথমেই এই ব্যাপারটা ক্লিয়ার করা যাক। sword art online এর মত এখানে জগতটা কাল্পনিক না; বরং সকল প্লেয়ারদের ছেড়ে দেওয়া হয় একটা বিশেষ ভাবে তৈরি দ্বীপে। সুতরাং; সেই দিক দিয়ে btooom অনেক বেশি রিএলিস্টিক যদিও লেখক উরাধুরা লেভেলের বোম আর তার মালিকানা এবং ব্যাবহার নিয়ে এইরকম ফিকশন জুড়ে দিয়েছেন যে এইটা যে কোন ফ্যান্টাসিকে হার মানাতে বাধ্য; তবে সেই বিষয়ে পরে আলোচনা আসতেসে। আর দুই নাম্বার হইল; btooom টা SAO এর মতন “লাভ লাভ গুডি গুডি বিপন্ন নায়িকাকে বাচাতে নায়কের অভিযান” ধরণের না; বরং মানব প্রকৃতির অন্ধকার দিককে বেশ গভীরে গিয়ে পর্যালোচনা করার চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। btooom দেখার সময় বরং আমার mirai nikki এর কথা বার বার মনে আসছে; যারা দেখেছেন তার তো বুঝতেই পারতেসেন বিষয়টা কি !!!

 

এবার আসা যাক তবে আসল রিভিউতে; তবে তার আগে একটা কাজ করতে হবে; সেইটা হল ব্রেইন খাটানো একেবারে অফ করে দিতে হবে। এনিমখানি দেখতে দেখতে “সবার এক দুই মাইলের মধ্যে বোম পড়লে বাচনের আশা নাই; আর নায়কের দুই হাতের মইদ্ধে বোম পড়লে নায়ক সুন্দর হাসিমুখে V পোজ দিতে দিতে কেম্নে ধোঁয়ার ভিতর থেইকা বাইর হয়?” টাইপ প্রশ্ন করা একেবারে হারাম। সে নায়ক; সারা জীবন ঘরের কোনায় ভিডিও গেইম খেইলা কাটায় দিলেও তার রিফ্লেক্স এবং athleticism অসাধারণ এবং পৃথিবীর কুনু বোম তারে কিচ্ছু করতে পারবে না – এই জিনিসের উপর ঈমান আইনা দেখা শুরু করতে হইব। বাকি কাহিনী বা ক্যারেকটার  গুলা বেশ ভাল এবং রিএলিস্টিক – সুতরাং তারা পোষায় দিতে পারবে বলে আমি গ্যারান্টি দিতেসি; আপনে টেনশন না নিয়ে বসেন।

 

এনিমের কাহিনী যদি সংক্ষেপে বলি – একটা ভার্চুয়াল গেইমের কিছু প্লেয়ারকে হাতে একটা ডিভাইস পার্মানেন্টলি খোদাই করে এবং কিছু বোম এবং খাবার সহ ছেড়ে দেওয়া হয় একটা দ্বীপে। হাতের ডিভাইসগুলো একমাত্র প্লেয়ারের হার্টবিট বন্ধ হলেই খুলে যায় ( এই জিনিস বাস্তবে করতে গেলে খবরই আছে !!! ); এবং দ্বীপ থেকে মুক্তির উপায় ৮ টা এইরকম ডিভাইস কালেক্ট করা; সোজা বাংলায় ৮ টা প্লেয়ারকে খুন করা। ৮ টা ডিভাইস কালেক্ট হইলেই একটা হেলিকপ্টার এসে সেই প্লেয়ারকে বাইর করে নিয়ে যাবে। আর সবাইকে বাচায় রাখার জন্য প্রতিদিন দুপুরে হেলিকপ্টার থেকেই খাবার দাবার সাপ্লাই দেওয়া হয়; তবে সেই খাবারের জন্য ফাইট করতে হয় প্লেয়ারদের। সকলের বোম এক রকম না; একেক জনের টা একেক রকম; এর মধ্যে এক ধরণের বোম আছে যা কিনা হোমিং টাইপ !!! ( পুরাই আম্রিকান মিলিটারি মিলিটারি ভাব !!! )

যাই হোক; বেশ মজবুত প্লট। এর উপর দাড়িয়ে যে সকল জিনিস এনিমটাকে আসলে রিভিউ লেখার যোগ্য করে তুলেছে তা হল –

১) নিজের বেচে থাকার জন্য আরেকজনকে মেরে ফেলা – এই দর্শন বা সহজ বাংলায় বললে “survival of the fittest” এ মানুষ যে কত সহজেই গ্রাস হয়ে যায় তার নমুনা !!!

২) বেঁচে থাকার জন্য বৃদ্ধ এবং দুর্বল শরীর এবং মনের মানুষের দ্বারা নেওয়া ছল ছাতুরি এবং প্রতারণা

এবং শেষ মেশ – প্রেডিক্টেবল যেইটা – মানবতা এবং মনুষ্যত্বের জয়।

 

খুব কঠিন কথা হয়ে যাচ্ছে মে বি। আমরা সহজ কথায় ফিরে আসি। কাহিনী অনেক্তাই বলে দিলাম; এবার কিছুটা বদনাম করি সিরিজের। উপরে এক দফা আলচনা হয়েছে; এর পরেও আরো কিছু আছে। আমার জানামতে মাঙ্গা ৯ ভলুমের; সেইটাকে এনিমে কেন জানি না ১২ পর্বে ঠেসে জায়গা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছে !!! ফলে বহু প্রশ্নের জবাব অজানাই থেকে গেসে। আর অনেকটাই “শেষ হইয়াও হইল না শেষ” ধরণের ওপেন এন্ডেড ফিনিইশিং দর্শকের জন্য রেখে দেওয়া হয়েছে; আমি ব্যাক্তিগতভাবে যা পছন্দ করি না !!!

 

সাউন্ড এবং এনিমেশন নিয়ে বলতে হয় বলে বলা; এক কথায় “চলে”। খুব আহামরি কিছু না হলেও কোথাও খাপছাড়া লাগে নি।

 

এইবার বারনিং প্রশ্ন; “দেখুম? এত্ত যে দোষ আর দোষ বইলা গেলেন; লাভ কি হইল?” আমার উত্তর; অবশ্যই দেখবেন; না দেখলে মিস। গল্পের প্লট আর পর্ব সংখ্যায় গন্ডোগোল থাকতে পারে; কিন্তু গল্পে কোন গন্ডোগোল নাই; অত্যন্ত উপভোগ্য একটা গল্প; সেই সাথে মানব মনের অন্ধকার গলিতে হাতড়ে বেড়ানোর অংশটা “এপিক” না হোক; নিদেনপক্ষে “ব্রিলিয়ান্ট।” সুতরাং; দেখে ফেলেন; হতাশ হবেন না। 🙂 🙂

 

age restriction: হাল্কা নূডিটি এবং বেশ ভাল ভায়োলেন্স আছে; সুতরাং একেবারে ছোটদের না দেখাই ভাল। 🙂 🙂

6 Btooom

লেভির মান সম্মান – kazi rafi

এনিমেটররা নিশ্চয় এখন কেও কেও তাদের হাত কামড়াইতেছে আর কেও কেও তাদের মাথার চুল ছিঁড়তেছে এইরকম একটা ভুল করার জন্য !!!! শুধুমাত্র হাতের আর মাথার ভিন্ন pose এর কারনে আজ লেভির মান সম্মান গেলো !!!! বেচারা !!!! Down,From a badass character to a badass Poser !!!!! LOL !!!

10 Levi

এখন আর কারুর লেভি রে দ্যাখার সময় আলাদা কোন ফীলস হবে নাহ, এখন যতোই ব্যাডএছ গিরি দেখাউক নাহ লেভি, এরে দ্যাখার সময় সবার মাথায় এই সিন টাই ঘুরব আর খালি হাসব !!!!!
অন্যদিকে ফারসিম আহমেদ মনে করিয়ে দিয়েছেন

মাত্র একটা সিনের কারণে আমরা যাতে ভুলে না যাই যে লেভি কতখানি “খুল”।

11 Levi

মেলোরিন – এই শব্দ টি কোথা থেকে এল ? একটি “ওয়ান পিস” গবেষণা by Adnan Mohsinur Rahman

মেলোরিন – এই শব্দ টি কোথা থেকে এল ?
একটি “ওয়ান পিস” গবেষণা
J

Untitled

ডিস্ক্লেইমার– আমি এই লেখা টা পেয়েছি ফ্যান ফিকশন ডটনেটে। মূল লেখার লিঙ্ক –
http://www.fanfiction.net/s/5585768/1/Mellorine

ইহা একটি ভাবানুবাদ মাত্র ।

 

দৃশ্য – সানি গো জাহাজ এর ডেক ।

“সানজি -কুন।“
“জ্বী,নামি- সুওয়ান  ”সোনালি চুলের রাধুনী সানজি গুন গুন করে গান গাইতে গাইতে,প্রায় নাচতে নাচতে  হাজির হল ডেকের শেষ প্রান্তে যেখানে কমলা চুলের নাবিক আগেই অপেক্ষমান ছিল।

যদি সানজি অই মুহূর্তে নামি ছাড়া অন্য কোন দিকে চোখ রাখত তাহলে সে দেখতে পেত অন্য সহযাত্রীদের আনন্দিত আশান্বিত মুখ । যদি তার চোখ  এর আকার ধারন না করত তাহলে সে অবশ্যি দেখতে পেত নামির ক্রুদ্ধ দৃষ্টি , অথবা তার অধৈর্য পায়ের নাচন , অথবা  তার হাতের আড়াআড়ি অবস্থান ,কিন্তু …

-সানজি কুন , আমাকে তুমি যে নামটা ধরে প্রায় ই ডাক …

– “অথবা , রবিন কে” উসপ যোগ করল ।
– “ অথবা দৃষ্টির সম্মুখে থাকা যে কোন মেয়ে কে” জোরো বাকা হাসি দিল ।
– “হ্যা , সেটা যেন কি ?”
– “মেলোরিন~~” সানজি সুর করে গাইল ।
-“অইতো , আবার বলল” উসপ সানজির দিকে আঙ্গুল তুলল ।
-“হুম , এই বইয়ে তো এই বানান টাই দেখা যাচ্ছে” জোরো একটা মোটা বই ঘাটতে ঘাটতে বলল ।
-“ সানজি কুন , তুমি কি সত্যি ই মেলোরিন বলতে চেয়েছ ?”
-“হ্যা , নামি সুওয়ান”
– যেমন ,  “ আইস্ক্রীম এর একটি কম দামী বিকল্প , যা তৈরি হয় প্রানীর চর্বি এবং সবজি থেকে … “
নামি শব্দ খুজে পাচ্ছিল না
-“বাস্তবিক ই , নামি সুয়ান”
সানজির এই নিষ্পাপ সত্যই যথেষ্ট ছিল নামির তেলে বেগুনে জ্বলে উঠার জন্য ।
“তুমি বলতে চাচ্ছ এই পুরো সময় আমাকে তুমি “সস্তা” এবং “মোটা” ডেকেছ ?”
“আমি আসলে …”
সানজি শুধু হুপ জাতীয় একটা শব্দ করার সময় পেল নামির ঘুষিতে সমুদ্রের পানিতে হারিয়ে যাওয়ার আগে ।
“আর তোমাদের দুইজনের জন্য … “ নামি এবার বাকি দুই জনের দিকে দৃষ্টি দিল ,যারা পালিয়ে যাচ্ছিল ।
তাদের চোখ বিস্ফোরিত হয়ে গেল যখন নামির মুষ্টিবদ্ধ হাত তাদের কেও ছুড়ে দিল সাগরে , সানজির অনুকরণে ।

এই আনাহুত ঘটনার বা দুর্ঘটনার পরেও ,জোরো এবং উসপ একমত হল যে “অপারেশন- মেলোরিন-শব্দের –চারদিকে- গোল্লা –দেও- এবং -নামির -ডেস্কে -বইটা -রেখে –আস “ বিশাল সাফল্য নিয়ে এসেছে ।

লেখকের কথা –

আজকে আমি হঠাত ভাবলাম “মেলোরিন” মানে কি ? এবং এই অর্থটাই আমাকে উইকিপিডীয়া জানাল J  । আরলং পার্ক ফোরাম এর একটি থ্রেড বলছে – মেলোরিন সত্যিকার অর্থে হয়ত “মেরো-রিন” যার “মেরো “ মানে ভালবাসায় পতিত হওয়া (যেমন হ্যাঙ্ককের মেরোমেরো ফল) এবং অদা-san হয়ত “রিন” যোগ করেছেন একটা সুর তৈরির জন্য , যেমন জোরোর অনেক গুলো মারের নাম খাবারের সাথে সুর তৈরি করে – উদাহরণ – “ অনি-গিরি “। হয়তবা সানজি শুধুশুধুই এই শব্দ ব্যবহার করে ।

জোরো কে সাধারন দুষ্টামি করার মত মনে না হলেও , আমি মনে করি সানজির শাস্তি দেখতে সে আনন্দই পাবে J।

যাই হোক ,

আমাকে জানাও তোমরা কি ভাব ???