Movie Time With Yami – 40

Sakura-cardcaptor-sakura-4587354-1600-1200

Name: Cardcaptor Sakura: The Movie
Duration: 1 hr. 21 min.
MAL Score: 7.75
Ranked: 930
Genres: Comedy, Drama, Fantasy,Magic, Shoujo

 

ক্লাওকার্ডগুলোর গার্ডিয়ান বিষ্ট কিরোবেরোসের মতে, এ পৃথিবীর কোন ঘটনাই কাকতালীয় নয়। প্রতিটি ঘটনার পেছনে অবশ্যই অন্য কোন কারণ থাকে। সে কারণে সাকুরা যখন লটারিতে হংকং যাওয়ার টিকেট জিতে নেয়, চিন্তিত হয়ে পড়ে কিরোবেরোস। তার মনে দৃঢ় বিশ্বাস, এটা কোন কাকতাল নয়, বরং সাকুরাকে ওখানে নিয়ে যাওয়ার জন্য এই কাকতালগুলো তৈরি করছে কোন অজানা কিছু। তারপরেও সব দ্বিধার অবসান ঘটিয়ে সাকুরা এবং তার বন্ধুরা রওনা হয় হংকং এর দিকে।

হংকং এ পৌঁছে সাকুরা সেখানে অদ্ভুত ম্যাজিকের অস্তিত্ব অনুভব করতে থাকে এবং বারবার অদ্ভুত ঘটনার সম্মুখীন হতে থাকে। সাকুরা তার বন্ধুদের নিয়ে ম্যাজিকের উৎস খুঁজতে থাকে। আর তখনই হাজির হয় বিপদ।

এ মুভিটি মূলত অ্যানিমেটির একটি সাইড স্টোরির মত, কাহিনীর প্রায় পুরোটাই ঘটে হংকংয়ে। আর্ট অ্যানিমেটির মতই, আর স্টোরিটা বেশ গুছানো, টুইষ্টটা বেশ ভালভাবে জমে উঠেছে এবং সুন্দরভাবে সমাধান হয়েছে।

Download Link- http://kissanime.com/Anime/Cardcaptor-Sakura-Movie-1

 

Name: Card Captor Sakura Movie 2: The Sealed Card
Duration: 1 hr. 19 min.
MAL Score: 8.29
Ranked: 236

 

এটি মূলত অ্যানিমেটির একটি সিক্যুয়াল। সবগুলো কার্ড ক্যাপচার করে তাদেরকে নিজের করে নেয়ার পরের ঘটনা। যেহেতু সবগুলো কার্ড নিয়ন্ত্রণের মাঝে আছে, তাই সাকুরা অন্যসব চিন্তা ঝেড়ে ফেলে তার সম্পূর্ণ মনোযোগ দেয় আসন্ন ড্রামার জন্য প্র্যাকটিসের দিকে। এর মাঝে লী এর হঠাৎ আগমন সাকুরার মনের লুকানো অনুভূতিগুলো জাগিয়ে তোলে নতুন করে।

কিন্তু হঠাৎ করে সাকুরা আবিষ্কার করে, এক এক করে ক্লাউকার্ডগুলো অদৃশ্য হয়ে যাচ্ছে। চিন্তিত সাকুরা তার বন্ধুদের সাথে নিয়ে এর কারণ খুঁজে বের করতে চেষ্টা করে। এবং আবিষ্কার করে এক চমকপ্রদ ঘটনা।

এ মুভিটিতে মূলত রোমান্সের অংশটিতে বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে; আর সেইসাথে রয়েছে ক্লাউকার্ড ক্যাপচার করার পুরনো সেই এক্সাইটমেন্ট। অল্প সময়ের মাঝে বেশ এঞ্জয়েবল একটা সিক্যুয়াল এটি।

Download Link- http://kissanime.com/Anime/Cardcaptor-Sakura-Movie-2-The-Sealed-Card

 

Name: Leave It to Kero-chan
Duration: 10 minutes
MAL Score: 7.51
Ranked: 1500

 

এটি মূলত ১০ মিনিটের একটি স্পিনঅফ, কিরোবেরোস এর ওপর ফোকাস করে।

সীলড কার্ড মুভির ঘটনার পর সাকুরার বাড়িতে আসে স্পিনার। তাকে এবং কিরোকে তাকাওকি খেতে দেয় সাকুরা। সেই তাকাওকির শেষ টুকরোটা নিয়ে মারামারি বাঁধে দুজনের মাঝে। চলতে থাকে এই মজার মারামারি।

Download Link- http://kissanime.com/Anime/Cardcaptor-Sakura-Leave-It-to-Kero-chan

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

তামাকোর মোচিসমৃদ্ধ পৃথিবী; তামাকো মার্কেট রিভিউ – লিখেছেন ইশমাম আনিকা

Tamako_Market

“কি করব, যখন হঠাৎ করে মনে হচ্ছে, আনিমু দেখে আরাম পাইতেসি না, ধাড়ুম ধুড়ুমের ঠেলায় মাথা ধরে গেল?”

দ্য আন্সার ইজ কিওঅ্যানি!!

দেখে ফেললাম কিয়োটো অ্যানিমেশনের আরেকটি চমৎকার কাজ “তামাকো মার্কেট”। মোচি প্রস্তুতকারী পরিবারের মেয়ে তামাকো। তার বাড়ি বানি মাউন্টেন শপিং ডিস্ট্রিক্ট এ, তাদের পারিবারিক মোচিশপের পেছনে। তামাকো ভালবাসে তার পরিবারকে, তাদের দোকানকে, তাদের এই শপিং ডিস্ট্রিক্টকে; আর সবচেয়ে বেশি ভালবাসে মোচি তৈরি করতে।

১২ পর্বের এ সিরিজটিতে পুরোটা সময়ই তামাকো এবং তার আশেপাশের মানুষদের প্রাণবন্ত দৈনন্দিন জীবনের উজ্জ্বল চিত্র তুলে ধরা হয়। হঠাৎ একদিন হাজির হওয়া রাজকীয় মোরগসদৃশ কথাবলা পাখি দেরা, দেরার হাস্যকর কাজকর্ম, তামাকোর বিভিন্ন উৎসব উপলক্ষে নতুন ধরণের মোচি তৈরির আইডিয়া, প্রতিবেশী বাল্যবন্ধু মোচিজৌর সাথে প্রতি রাতে কাগজের কাপ ফোনে কথা বলা, সেইসাথে তার বন্ধু এবং পরিবারের সাথে যে সুন্দর সম্পর্ক; সবমিলিয়ে যে কাউকে ভাবতে বাধ্য করবে, আমার জীবনটাও যদি তামাকোর মত হত!

অ্যানিমেটিতে বেশ কিছু মনকে ছুঁয়ে যাওয়া মূহুর্ত আছে, আবার মুড হালকা করে দেয়ার অনেক এলিমেন্ট আছে! কিওঅ্যানির আর্ট নিয়ে নতুন কিছু বলার নেই, প্রতিটা চরিত্রই পছন্দ করার মত। ওএসটি খুব চমৎকার, ওপেনিং এবং এন্ডিং সং- দুটোই মনে ছাপ ফেলে দেয়ার মত; আমার বেশি পছন্দ এন্ডিং সংটা।

সবমিলিয়ে বেশ রিফ্রেশিং একটা অ্যানিমে ছিল তামাকো মার্কেট, হালকা কোন অ্যানিমে দেখতে চাইলে তামাকোর সাথে ঘুরে আসতে পারেন বানি মাউন্টেন শপিং ডিস্ট্রিক্ট এ।

sam_1494scaled

 

Movie Time With Yami – 35

millennium

Name: Millennium Actress / Sennen Joyuu Chiyoko
Duration: 1 hr. 27 min.
MAL Score: 8.35
Ranked: 187
Genres: Action, Adventure, Drama, Fantasy, Historical, Romance

সাতোশি কন সম্পর্কে যারা জানেন, তারা কন এর কোন মুভি দেখার সময় জানেন কি ধরণের প্লট আশা করতে হয়। এই মুভিটিও তার ব্যতিক্রম নয়। ঘোর লাগানো কল্পনা এবং বাস্তবতার মিশেলে একজন অভিনেত্রীর সফলতার গল্প, ভালবাসার গল্প খুব চমৎকারভাবে তারই অভিনীত বিভিন্ন মুভির দৃশ্যায়নের চিত্রের মাঝ দিয়ে অত্যন্ত দক্ষতার সাথে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

গল্পটি শুরু হয় একজন ফিল্মমেকারের তার ক্যামেরাম্যানকে নিয়ে একজন জনপ্রিয় প্রাক্তন অভিনেত্রীর বাড়িতে তার ইন্টারভিউ নিতে যাওয়ার মাধ্যমে। তারা যে স্টুডিওতে কাজ করে, এই অভিনেত্রী সেই স্টুডিওতে অনেক বছর যাবৎ সেরা অভিনেত্রী হিসেবে কাজ করেছেন। বৃদ্ধা, কিন্তু এখনও লাবণ্য ধরে রাখা অভিনেত্রী চিয়োকো বলতে থাকেন তার অভিনেত্রী হয়ে ওঠার গল্প। কাহিনী চলতে থাকে চিয়োকোর স্মৃতিচারণের গল্পের সাথে সাথে।

এই গল্পটির বর্ণনাশৈলী একেবারেই অন্যরকম, সচরাচর এ ধরণের বর্ণনাশৈলী পাওয়াই যায়না। গল্পটির প্রায় পুরোটাই চলে ফ্লাশব্যাকে, এবং তা দেখানো হয় চিয়োকোর বিভিন্ন বিখ্যাত মুভির শুটিং এর দৃশ্য দেখানোর মাধ্যমে। গল্পটি আমাদের কখনো নিয়ে যায় ফিউডাল জাপানে, কখনো দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে, তো কখনো কল্পনার ভবিষ্যতে, যেখানে স্পেসশিপে করে মানুষ পাড়ি জমাচ্ছে মহাকাশে। ফিল্মমেকার এবং ক্যামেরাম্যান যে কখন এই ফ্ল্যাশব্যাকের অংশ হয়ে যান, টেরও পাওয়া যায়না। কোনটা মুভির অংশ এবং কোনটা বাস্তবতা, তা নিজের অজান্তেই অদৃশ্য হয়ে যায় একসময়।

মুভিটির আর্টওয়ার্ক পুরোনো, কিন্তু চমৎকার। একেকটি দৃশ্য একেকভাবে তৈরি করা হয়েছে, যা কাহিনীর সাথে একেবারে একাত্ম হয়ে মিশে যায়। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিকের মানানসই ব্যবহার একে দিয়েছে অনন্যতা। আর সেইসাথে বর্ণনাশৈলী একে পরিণত করেছে মাস্টারপিসে।

তাই, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে নিতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/Millennium-Actress

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 32

The-Secret-World-of-Arrietty-image-6-e1337491809962

Name: The Secret World of Arrietty / Karigurashi no Arrietty
Duration: 1 hr. 34 min.
MAL Score: 8.16
Ranked: 337
Genre: Fantasy

আমাদের পরিচিত পৃথিবীটাকে অনেক সময়ই হয়ত আমাদের কাছে একঘেয়ে লাগে। কিন্তু যদি এই পৃথিবীটাকেই একটু অন্যভাবে দেখা যায়; ধরুন, আকৃতিতে খুব ছোট্ট কোন মানুষের চোখে, তাহলে কেমন হয়? তখন নিশ্চয়ই অনেক সুক্ষ্ম ব্যাপার চোখে পড়বে, যা সবসময় আমাদের চোখ এড়িয়ে যায়। অভিজ্ঞতাটা মন্দ হবে না, তাইনা!

দুরারোগ্য হৃদরোগে আক্রান্ত “শো”কে ডাক্তার পরামর্শ দিয়েছেন সম্পূর্ণ বিশ্রাম করতে, সামান্যতম ক্লান্তি আসে এমন কোন কাজই তার করা চলবে না। শো র ব্যস্ত শহুরে পরিবার তাই তার উপযুক্ত বিশ্রামের ব্যবস্থা করতে তাকে পাঠিয়ে দেয় শহরের বাইরে নিরিবিলিতে অবস্থিত তার দাদীর বাড়িতে।

শো র দাদীর বাড়িটা বাগান দিয়ে ঘেরা, ছিমছাম, সুন্দর। একপাশে একটি সরু নালাও বয়ে যাচ্ছে। প্রথম দর্শনেই শো টের পায় বাড়িটিতে অচেনা কিছুর উপস্থিতি। বাগানের ছোট ছোট গাছগুলোর আড়ালে আকৃতিতে ছোট্ট একটি মেয়ের ছায়া চোখে পড়ে তার। কৌতুহলী হয়ে সে খোঁজ শুরু করে এ ব্যাপারে। এবং আবিষ্কার করে এক চমকপ্রদ ঘটনা।

মুভিটির কাহিনী আবর্তিত হয় প্রধাণত ছোট্ট আকৃতির মানুষের চোখে দেখা পৃথিবীকে ঘিরে, তাই অ্যানিমেশনে ছোট ছোট ডিটেইলের দিকে অনেক নজর দেয়া হয়েছে, চমৎকার গ্রাফিক্স এবং প্রতিটি দৃশ্যের মেকিং এ যত্নের ছাপ মুভিটিকে জিবলীর অন্যান্য মুভি থেকে আলাদা করেছে। কাহিনীটি গতানুগতিক যেকোন মুভির থেকে একেবারেই অন্যরকম, ধীরস্থির কিন্তু ধারাবাহিক, কোথাও ছন্দপতন নেই, দর্শককে সহজেই ভেতরে টেনে নিয়ে যায়। আর ওএসটি খুবই চমৎকার, এন্ডিং ট্র্যাকটা মনে রাখার মত।

তাই, খুব ব্যস্ততা না থাকলে দেড়ঘন্টা সময় বের করে এখনই দেখে ফেলুন এই মুভিটি, আর ঘুরে আসুন আরিয়েটির লুকোনো পৃথিবীতে!

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/The-Secret-World-of-Arrietty

Ending Song Link-
http://youtu.be/scUyXaWMyAk

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

লাইট নভেল রিভিউ; গেক্কোউ/চন্দ্রালোক – লিখেছেন ইশমাম আনিকা

800px-Gekkou-006

“Gekkou” শব্দটার অর্থ করলে দাড়ায় চাঁদের আলো। যে আলোর তেজ নেই, তারপরেও সবার নজর কেড়ে নেয় তার মোহনীয় তীব্রতা দিয়ে। চাঁদ শুধু তার আলোকিত ঝলমলে চেহারাটা সবাইকে দেখায়। তার ঔজ্জ্বল্য দেখে বাকি সবাই সবকিছু ভুলে যায়। কিন্তু চাঁদেরও একটা অন্ধকার দিক আছে। সেই দিকটা সযত্নে গোপন রাখে সে। এমন চাঁদের মত একটি মেয়ে এবং আপাতদৃষ্টিতে নির্বিকার মনে হওয়া একটি ছেলের জীবনের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয় এই নভেলটির কাহিনী।

কিছু তথ্য দেয়া যাক-
Genres: Comedy, Mystery, Romance, School, Shounen
Authors: Mamiya, Natsuki (Story), Shiromiso (Art)
Volumes: 1
Chapters: 11
Score: 8.33
Ranked: 326 (MyAnimeList)

শুরুটা খুব সাদামাটা। মোটামুটি যেকোন হাইস্কুল অ্যানিমেতে খুঁজে পাওয়া যায়, এমন একটি ক্লাসরুম, দৈনন্দিন একঘেয়ে জীবনের ওপর বিতৃষ্ণ গল্পের নায়ক নোনোমিয়া এবং ক্লাসের সবচেয়ে জনপ্রিয় এবং সবদিক থেকে প্রায় নিখুঁত নায়িকা ইয়োকো সুকিমোরি। নোনোমিয়ার দিন কাটে তার ক্লাসের প্রতিবেশী এবং বান্ধবী উসামির সাথে ঠাট্টা করে এবং সহপাঠীদের সাথে গল্প করে, যাদের গল্পের বিষয়বস্তু বেশিরভাগ সময়ই ইয়োকো সুকিমোরি এবং তাকে নিয়ে বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন গুজব।

আপাতদৃষ্টিতে ইয়োকো এবং নোনোমিয়ার মাঝে কোন ধরনের যোগসূত্র নেই এবং হওয়ার কোন সম্ভাবনাও নেই। ইয়োকো ক্লাসের সবচেয়ে নিখুঁত মেয়েটি, ঘরে বাইরে সবখানেই সে এলিগেন্ট। অপরদিকে নোনোমিয়া আপাতদৃষ্টিতে অতি সাধারণ। কিন্তু একটি ছোট্ট ঘটনা তাদেরকে একদিন গেঁথে দেয় একসূত্রে।

একদিন ক্লাস শেষে বইখাতা গুছানোর সময় নোনোমিয়া হঠাৎ দেখতে পায় মেঝেতে একটি নোটবুক পড়ে আছে। কৌতুহলবশত নোটবুকটি হাতে তুলে নেয় সে।

35488

আপনারা যা ভাবছেন তা নয়, ওটা ডেথনোট ছিল না!! ওটা ছিল ইয়োকো সুকিমোরির নোটবুক! এবং ঐ নোটবুকের ভেতর একটা কাগজ খুঁজে পায় নোনোমিয়া, যাতে হাতে লেখা বেশ কিছু পয়েন্ট গুছানো আছে। কাগজের ওপর শিরোনাম লেখা” “মার্ডার রেসিপি”.

এর মানে কি? ইয়োকোর কাছে মার্ডার রেসিপি কেন? সে কি কাউকে খুন করতে চায়? হেসেই উড়িয়ে দিল সেই সম্ভাবনাটা নোনোমিয়া। হয়ত এ ধরণের জিনিস নিয়ে গবেষণা করা ইয়োকোর শখ। কিন্তু এরপরেই একদিন সকালে ঘটল এমন একটা ঘটনা, যাতে মার্ডার রেসিপিটার দিকে নতুন নজরে তাকাতে বাধ্য হল নোনোমিয়া।

নভেলটি যখন প্রথম পড়া শুরু করি, প্রথম দুএক পৃষ্ঠা পড়ে আমি মনে করেছিলাম, হয়ত হাইস্কুলের প্লটে টিনেজ ছেলেমেয়েদের জীবনের ঘটনাগুলো নিয়ে গড়ে ওঠা নভেল হবে, এবং হ্যা, গল্পটা আসলেও তাই। কিন্তু শুধু সেটা নয়, বরং আরও কিছু। সামান্য একটা মার্ডার রেসিপি থেকে রহস্য শুরু হয়, যার কোনো ভিত্তিও হয়ত নেই, কিন্তু এখানেই লেখকের সার্থকতা। পুরোটা সময় পাঠককে উত্তেজনার মধ্যে রাখার সব উপকরণ এই নভেলে আছে, সেইসাথে রোমান্স এবং হাইস্কুল জীবনের জটিলতাগুলোও আছে।

প্রতিটা ক্যারেক্টারের এবং দৃশ্যের বর্ণনা চমৎকার, তাদের কল্পনা করে নিতে কোনই অসুবিধা হয়না। আমি নভেলটি পড়ার সময় একমূহুর্তের জন্যও বোর হইনি এবং চমৎকৃত হয়েছি বারবার!

যারা এই নভেলটি পড়েননি, আমি বলব তাড়াতাড়ি শুরু করে দিন, এবং জানুন এটি কত সুন্দর একটা রত্ন। এর কোন খুঁত আমার চোখে পড়েনি এবং আমি নিশ্চিত আর যারা পড়েছেন বা পড়বেন, তারাও খুব বেশি পছন্দ করবেন এটাকে।

Gekkou_ss1

Movie Time With Yami – 11

the-garden-of-words_917_1680

 

Name- The Garden of Words / Kotonoha No Niwa
Duration- 46 minutes
MAL Score- 8.37
Ranked- 170
Genre- Romance

গার্ডেন অফ ওয়ার্ডস। কথাটির অর্থ করলে দাড়ায় শব্দের বাগান। এবং এই মুভিটিতে শব্দ অনেক রয়েছে। গাছের পাতায়, ঝিলের পানিতে বৃষ্টির শব্দ; চায়ের কাপে টুংটাং শব্দ, মৃদু হাসির শব্দ, ট্রেন চলার শব্দ, মৃদুস্বরে কথা বলার শব্দ। সব শব্দকে ছাপিয়ে অন্য একটা শব্দও শুনতে পাওয়া যায়। এই শব্দকে কানে শোনা যায়না, অনুভব করতে হয়, কারণ মনের না বলা কথার নীরব ধ্বনি যেমন জোরালো, তেমনই ক্ষীণ।

মুভিটির কাহিনী তাকাও নামের ১৫ বছর বছর বয়সী এক হাইস্কুলের কিশোরকে নিয়ে, যার স্বপ্ন হল জুতো বানানো। সে তার স্বপ্ন বাস্তবায়নের জন্য অনুশীলন করে, যদিও তার পরিবারের লোকেরা এবং আত্মীয়স্বজন তার এই শখটাকে মোটেই ভালো চোখে দেখেনা। তাদের ধারণা তাকাও এসব করে শুধু তার নিজের ভবিষ্যৎ নষ্ট করছে।

এক বৃষ্টির দিনে তাকাও স্কুল মিস করে একটি জাপানি ধাঁচের বাগানে চলে যায়। সেখানে একটি ছাউনিতে বসে সে তার জুতার ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে থাকে। সেখানে তার দেখা হয় ইউকিনো নামের একজন মধ্যবয়সী সুন্দরী মহিলার সাথে। হালকা কথাবার্তা হয় তাদের মধ্যে। হঠাত করে ইউকিনো সেখান থেকে উঠে চলে যান। যাওয়ার সময় একটি জাপানি কবিতার কিছু লাইন তাকাওকে শুনিয়ে যান।

এরপর যখনি বৃষ্টি হত, তখনি ইউকিনোর সাথে দেখা হত তাকাও এর। এভাবে হালকা কথাবার্তার মাধ্যমে তাকাও এবং ইউকিনোর মাঝে সম্পর্ক গাঢ় হতে থাকে। কিন্তু আস্তে আস্তে বর্ষাকাল শেষ হয়ে এলো। তাকাও এবং ইউকিনোর মাঝে দেখা হওয়ার সম্ভাবনাও আস্তে আস্তে ম্লান হয়ে যেতে থাকল।

ডিরেক্টর হিসেবে মাকোতো শিনকাই এর সুনাম কারোই অজানা নয়। কাজেই তার কাজ যে খুব সুন্দর হবে এটা আশা করাই স্বাভাবিক। মুভিটির গ্রাফিক্স অত্যন্ত চমৎকার, শুধু এই গ্রাফিক্স দেখেই মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা করে পুরোটা সময়। বৃষ্টি পড়ার দৃশ্যগুলো অতিরিক্ত সুন্দর। মুভিটির এন্ডিংটা মোটামুটি এই ডিরেক্টরের অন্যান্য কাজগুলোর এন্ডিংকে ফলো করেছে।

তবে আমার নিজের একটা ব্যাপারে একটু আফসোস থেকে গেছে, মাত্র ৪৫ মিনিটে মুভিটি শেষ হয়ে যাওয়ায়। আরও কিছুক্ষণ দেখার ইচ্ছাটা বারবার কষ্ট দিয়েছে। আর মুভি শেষে যে গানটা প্লে হয়… এককথায় চমৎকার!!

মুভিটি অনেক বিখ্যাত, আশা করি সবাই দেখে ফেলেছেন, আর যদি কেউ না দেখে থাকেন, তাহলে এই ঈদের বন্ধের সুযোগে দেখে ফেলুন। আপনার ৪৫ মিনিট যে খুব চমৎকার কাটবে, তা নিশ্চিত। আরেকটা কথা, এই মুভিটি পারলে অবশ্যই 1080p তে দেখবেন, তাহলে বুঝতে পারবেন যে একটা মুভির অ্যানিমেশন কতটা চমৎকার হতে পারে।

Movie Download Link-
http://kissanime.com/Anime/The-Garden-of-Words

Ending Song Link-
https://youtu.be/tsrPAk8MmFM

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

 

Movie Time With Yami – 06

-Gin-and-Hotaru-hotarubi-no-mori-e-36865029-1600-1112

Name- Hotarubi No Mori E / Into the Forest of Fireflies’ Light
Duration- 44 minutes
MAL Score- 8.71
Ranked- 36
Genres- Drama, Romance, Shoujo, Supernatural

আনিমে মুভি দেখতে গিয়ে একটা ব্যাপার খুব খেয়াল করেছি, স্পিরিট, প্রকৃতি, এগুলোর কামিসামা (গড) এই ব্যাপারগুলোকে খুব সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। আর অসম ভালবাসা যে কত নিষ্ঠুর হতে পারে মাঝে মাঝে, আমার মতে মুভিগুলোতে সেই বৈচিত্র্য আরও বেশি ফুটে ওঠে। আজকের মুভিটিও তেমনই হৃদয়স্পর্শী।

মুভিটির কাহিনী হোতারু নামের এক মেয়েকে নিয়ে। সে প্রতি বছর গরমের ছুটিতে গ্রামে বেড়াতে যায়। খুব আগ্রহ নিয়ে এই ছুটিটার জন্য অপেক্ষা করে সে। কারণ, তার জন্য গ্রামে অপেক্ষা করে থাকে গিন।

হোতারু যখন খুব ছোট ছিল, তখন একবার জঙ্গলে হারিয়ে গিয়েছিল সে। তার কান্না শুনে তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে আসে গিন। হোতারুকে পথ দেখিয়ে জঙ্গল থেকে বের হতে সাহায্য করবে সে, শর্ত একটাই, গিনকে স্পর্শ করা নিষেধ! কারণ, মানুষের স্পর্শ পেলেই যে অদৃশ্য হয়ে যাবে সে!

ভালবাসা কষ্টের, কিন্তু ভালবাসতে অক্ষম হওয়াটা আরও বেশি কষ্টের। সেই অক্ষমতার মাঝেও এক ধরণের অদ্ভুত আকাংখা মিশে থাকে, আর এই মুভির এই ব্যাপারটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি স্পর্শ করেছে। শেষ দশ মিনিট দেখার সময় নিশ্বাস নিতে ভুলে গিয়েছিলাম।

২০১১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি বিভিন্ন সময় জাপানে এবং বাইরে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছে এবং পুরষ্কারও জিতেছে। মুভিটিকে অনেকেই জিবলীর কাজের সাথে তুলনা করে থাকেন, কারণ দেখতে দেখতে এটিকে জিবলী মুভি বলে ভুল হতে পারে; যদিও এটি Brain’s Base এর মুভি।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এবং আমার অত্যন্ত পছন্দের এই মুভিটি।

Movie Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Hotarubi-no-Mori-e

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

Movie Time With Yami – 05

distantstar

Name- Voices of a Distant Star / Hoshi No Koe
Duration- 25 minutes
MAL Score- 7.71
Ranked- 947
Genres- Drama, Mecha, Romance, Sci-Fi

এটি আসলে একটি ওভিয়ে, যার ডিরেক্টর এবং ভয়েস অ্যাক্টর মাকোতো শিনকাই। যারা এ নামটির সাথে পরিচিত তারা জানেন, মাকোতো শিনকাই মানেই সম্পূর্ণ অন্যরকম কিছু।

এটির কাহিনী ভবিষ্যতে, তখন টেকনোলজি অনেক উন্নত হয়েছে। মানুষ মঙ্গল গ্রহে এলিয়েনদের ধ্বংসাবশেষ আবিষ্কার করেছে এবং সেটাকে পরিদর্শন করার জন্যে স্পেসশিপ পাঠাচ্ছে। এমনই এক যুগের দুই স্কুলপড়ুয়া বন্ধু মিকাকো নাগামিনে ও তেরাও নোবোরু। তাদের যখন সিনিয়র হাইস্কুলে ওঠার সময় হয়, তখন নাগামিনে তার যোগ্যতার কারণে স্পেসশিপে করে পৃথিবীর বাইরে যাওয়ার জন্যে নির্বাচিত হয়। সে স্পেসশিপে চলে যাওয়ার পর দুই বন্ধুর যোগাযোগের একমাত্র উপায় হিসেবে থাকে সেলফোনের টেক্সট মেসেজ, যা একে অপরের কাছে পৌছতে মাস পার করে দেয়। পৃথিবীর সাথে স্পেসশিপের দূরত্ব যত বাড়তে থাকে, মেসেজ পৌঁছানোর সময়কালও বাড়তে থাকে। তাদের ভবিষ্যৎও পূর্ণ হয়ে উঠতে থাকে অনিশ্চয়তায়।

নাগামিনে ও নোবারু দুইজনই স্বপ্ন দেখে, একদিন নাগামিনে ফিরে আসবে স্পেস থেকে, তখন তাদের আর এভাবে মাসের পর মাস অপেক্ষা করতে হবে না একটা টেক্সটের জন্য। এবং তারা একসাথে সেই সব করতে পারবে, যা নরম্যাল হাইস্কুল স্টুডেন্টরা করে।

আমার মতামত, একটু ধীরগতিতে আগায় কাহিনী, কিন্তু কিছু একটা আছে এর মাঝে, শেষ পর্যন্ত দেখলে ভাল লাগে । শেষ হওয়ার পরেও কিছুক্ষণ থমকে দাড়িয়ে চিন্তা করতে হয়।

২০০২ সালে রিলিজ হওয়া এই ওভিয়েটির একটা বিশেষত্ব হল, শুধুমাত্র এর ডিরেক্টর মাকোতো শিনকাই এবং তার মেয়েবন্ধু ছাড়া এটি বানাতে আর কেউ কাজ করেনি। মাত্র দুজন মানুষ মিলে এরকম একটা কাজ দাড়া করিয়ে ফেলেছে, ভাবতেই অবাক লাগে।

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন এই ওভিয়েটি।

Download Link –

http://kissanime.com/Anime/Voices-of-a-Distant-Star

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!

The Story of Cinderella/Cinderella Monogatari: চেনা গল্পের অচেনা মোড়; লিখেছেন ইশমাম আনিকা

Cinderella-cinderella-monogatari-25018918-1024-768

 

“অনেক অনেক দিন আগের কথা। এক দেশে ছিল এক লক্ষ্মী মেয়ে। তার নাম সিন্ডারেলা। সিন্ডারেলার বাবা তাকে খুব ভালবাসত। তাই তিনি ব্যবসার কাজে দূরে গেলে যেন সিন্ডারেলার অসুবিধা না হয়, সে জন্যে সিন্ডারেলার মা মারা যাওয়ার পর তার বাবা আবার বিয়ে করেন। এতে সিন্ডারেলা একজন সৎমা ও দুজন সৎবোন পায়। কিন্তু ভাগ্যের কি নির্মম পরিহাস! বাবা দূর দেশে যাওয়ার পর সিন্ডারেলার সৎমা ও বোনেরা তাকে খুব অত্যাচার করা শুরু করল ….”

কি ভাবছেন? ওয়াল্ট ডিজনির সিন্ডারেলার কাহিনী এখানে কেন বলছি? তার কারণ হল, ওয়াল্ট ডিজনির চিরায়ত কাহিনী অবলম্বনে নব্বইয়ের দশকের তৈরি হয়েছিল চমৎকার একটা আনিমে। ছাব্বিশ পর্বের এ আনিমের নাম “সিন্ডারেলা মনোগাতারি”।

শুরুতেই মাই আনিমে লিস্ট থেকে কিছু অগুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেই-

Aired: Apr 4, 1996 to Oct 3, 1996
Genres: Adventure, Fantasy, Romance
Score: 7.52
Ranked: 1357
Episodes: 26

hqdefault (1)

কাহিনীর শুরুটা সবারই জানা। শুধু সূচনা নয়, কাহিনীর আদ্যোপান্ত প্রায় সবকিছুই আসলে ওয়াল্ট ডিজনির কল্যাণে সবারই জানা। এ কারণে এই আনিমেটা চোখের সামনে পড়লেও হয়ত অনেকেই দেখতে আগ্রহী হননি। কিন্তু মনোগাতারির মাহত্ত্ব্য এখানেই। শুরুটা হয় প্রচলিত গল্পের মত করেই। এরপর ২য় এপিসোড থেকেই মোড় ঘুরে যায় দারুণভাবে। কখনো কি এই প্রশ্নটা মাথায় এসেছে; আচ্ছা, সিন্ডারেলাকে যে ওর সৎমা তার অধিকার থেকে বঞ্চিত করে দিল, এরপর প্রিন্স চার্মিংকে এসেই কেন তাকে উদ্ধার করতে হবে? নিজের দুরবস্থা থেকে মুক্তির উপায় কি নিজেই খুঁজে নেয়া সম্ভব নয়? ঘরের কাজের মাঝে বা যে দুরবস্থাই হোক, তার মাঝে কি আনন্দ খুঁজে নেয়া যায়না? কিংবা জুতার মাপই কেন হবে একজন মানুষের জীবনসঙ্গী নির্ধারণের মাপকাঠি?? রাজকুমারের কি ভালবাসার অধিকার নেই? কেন এক রাতের সুন্দরী নাচের সঙ্গীকেই বাকি জীবনের সঙ্গী বানাতে হবে?

এই সব প্রশ্নের উত্তর আনিমেটি খুব সুন্দরভাবে দিয়েছে। রূপকথার গল্পের গতানুগতিক পথ অবলম্বন না করে আনিমেটি দেখিয়েছে, সিন্ডারেলার আত্মসম্মান কতটা মজবুত এবং সে কতটা বাস্তববাদী একটা মেয়ে। আরও দেখিয়েছে, রাজকুমার মানেই সাধারণ মানুষের সংস্পর্শে না আসা বিলাসিতায় মেতে থেকে জীবন কাটানো অকর্মণ্য ব্যাক্তি নয়। আমাদের গল্পের রাজকুমার তার প্রাসাদের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ থেকে প্রজাদের সাথে দূরত্ব সৃষ্টি করে বসে থাকেনা।

 

Cinderella-cinderella-monogatari-33956575-636-462

 

সিন্ডারেলার সৎমা তার কাছ থেকে সব সুযোগ সুবিধা কেড়ে নেয়। তাতে দমে যায়না সে। বরং তার সামনে আসা চ্যালেঞ্জকে হাসিমুখে মোকাবেলা করতে বদ্ধপরিকর হয়। তাকে সাহায্য করার জন্যে তার “ফেইরি গডমাদার” মিস পল তার পোষা প্রাণীগুলোকে কথা বলার ক্ষমতা দিয়ে দেন। তাদের সাথে নিয়ে সিন্ডারেলা প্রতিদিন তার সৎমার তাকে বাড়ি থেকে বের করে দেয়ার আশায় ধুলো দিয়ে প্রতিটা কঠিন কাজ সঠিকভাবে করে যেতে থাকে।

রাজকুমার চার্লস। “পান্না মহল” (Emerald Castle) এ তার বাস। রাজার একমাত্র সন্তান এবং উত্তরাধিকারী। তাকে রাজ্য পরিচালনার জন্যে তৈরি করে তুলতে রাজার চেষ্টার অন্ত্য নেই। অসিচালনায় রাজকুমারের তুলনা নেই। একদিন বন্ধু অ্যালেক্সকে রাজকুমার জানায় তার মনের কথা। এভাবে গতানুগতিক পথে শিখতে তার ভালো লাগছে না। যে রাজ্যটায় সে একদিন রাজত্ব করবে, সেই রাজ্যটাকে সে কাছ থেকে দেখতে চায়। রাজ্যের মানুষদের চিনতে চায়। আর তাই অ্যালেক্সের পুরনো কাপড় ধার নিয়ে প্রহরীদের ফাঁকি দিয়ে প্রায় প্রতিদিন ছদ্মবেশী চার্লস বেরিয়ে পড়ত রাজ্য পরিদর্শনে।

large

এভাবে শহরে ঘুরতে ঘুরতে একদিন রাজকুমারের দেখা হয়ে যায় সিন্ডারেলার সাথে। বিভিন্ন ছোট ছোট ঘটনার মাধ্যমে আস্তে আস্তে তাদের দুজনের মাঝে বন্ধুত্ব সৃষ্টি হয়।

তারা দুজন একসাথে বিভিন্ন মজার এবং ইন্টারেস্টিং ঘটনার মধ্য দিয়ে নিজেদের অভিজ্ঞতা বাড়াতে থাকে। সিন্ডেরেলার অসুস্থতার সময় যেমন চার্লসকে ঘরের কাজ করা শিখতে হয়, তেমনি চার্লস সিন্ডারেলাকে শেখায় অসিচালনা।

সবশেষে বলব, যদি গতানুগতিক কাহিনীর বাইরের একটি রূপকথা দেখার ইচ্ছা থাকে, তাহলে এই আনিমেটি দেখে ফেলতে পারেন।

Cinderella.Monogatari_Cover

Movie Time With Yami – 03

howl

 

Name: Howl’s Moving Castle/Hauru no Ugoku Shiro 
Duration: 1 hour 57 minutes 
MAL Score: 8.74 
Ranked: 33 

এটিও স্টুডিও জিবলীর মুভি, অসামনেসে ভরপুর!! 

মুভিটির কাহিনী হ্যাটশপের কাজপাগল কর্মী সোফিকে নিয়ে, সারাদিন কাজের মাঝে ডুবে থেকে যে আনন্দ খুঁজে পায়। সাজগোজের পরোয়া করেনা, কিন্তু তার এক ধরণের অগোছালো সৌন্দর্য রয়েছে। এক রাতে তার হ্যাটশপে এসে হাজির হয় ডাইনী। সোফির হ্যাটশপকে তুচ্ছ করে সে। সোফি তাকে চলে যেতে বললে ডাইনী ক্রুদ্ধ হয়ে অভিশাপ দেয় সোফিকে। ডাইনীর অভিশাপে অদ্ভুত এক পরিবর্তন আসে সোফির মাঝে। অভিশাপ কাটানোর জন্য বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে পড়ে সে, এক জীবন্ত কাকতাড়ুয়ার পরামর্শে চড়ে বসে জাদুকর হাউলের চলন্ত দুর্গে। জাদুকর হাউল আর তার অদ্ভুত সঙ্গীসাথীদের নিয়ে এগিয়ে চলে কাহিনী। 

আমার কাছে এই মুভির যা ভাল লেগেছে; প্রথমত এই অদ্ভুত জুটির অদ্ভুত সম্পর্ক বেশ লেগেছে। আর হাউলের চলন্ত দুর্গ খুব মজার একটা জায়গা, দেখে মজা পেয়েছি। পছন্দ তালিকায় বেশ ওপরের দিকেই থাকবে এ মুভিটি। 

২০০৪ সালের নভেম্বর মাসে মুক্তিপ্রাপ্ত এ মুভিটি বিভিন্ন সময়ে দর্শক এবং সমালোচকদের প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি স্টুডিও জিবলীর অন্যতম ব্যবসাসফল মুভিগুলোর মাঝে একটি এবং অ্যাকাডেমী অ্যাওয়ার্ডের জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত। 

সুতরাং, হাতে তেমন কোন কাজ না থাকলে এই উইকএন্ডেই দেখে ফেলতে পারেন চমৎকার এই মুভিটি। 

Movie Download Link – 
http://kissanime.com/Anime/Howl-s-Moving-Castle-Dub 

Movie time with Yami প্রচারিত হচ্ছে প্রতি বৃহস্পতিবার। সেগমেন্ট সম্পর্কে আপনার যেকোন মতামত কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না। আশা করি মুভির সাথে আপনার উইকএন্ড ভালো কাটবে !!