Sword Art Online: কল্পনা যেখানে মিশেছে বাস্তবতায়…. — মো আসিফুল হক

পটভুমিঃ
সময়টা ২০২২ সাল। ভার্চুয়াল রিয়েলিটি গেমের জগত অনেক এগিয়ে গিয়েছে; বের হয়েছে sword art online. “নার্ভ গিয়ার” ব্যাবহার করে প্লেয়াররা তাদের চরিত্রকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে; সেইসাথে ভার্চুয়াল জগত “আইনক্রাড”কে আসল জগতের মতই অনুভুত করতে পারে। কিন্তু সমস্যা দেখা দেয় তখনই যখন এই জগতটা একটু বেশিই আসল হয়ে যায় যখন গেমের ক্রিএটর সকল প্লেয়ারের নার্ভ গিয়ারের কন্ট্রোল হাইজ্যাক করে সবাইকে ভার্চুয়াল জগতে এই শর্তে আটকে রাখে যে কেউ যদি গেমের ভিতর মারা যায় তবে সে বাস্তব জগতেও মারা যাবে এবং গেম থেকে মুক্তির একমাত্র উপায় গেমের ১০০টি লেভেল ক্লিয়ার করে আইনক্রাডের সবচেয়ে উচুতে পৌছাতে হবে কাউকে না কাউকে।

রিভিউঃ
খুব সংক্ষেপে যদি বলতে হয় তবে পুরো সিরিজটা আমাকে খানিকটা হতাশই করেছে। এই সিরিজের পক্ষে যেমন প্রচুর লোক কথা বলবে; তেমনি এর বিপক্ষে কথা বলার লোকও খুজে পাওয়াটা খুব একটা দুষ্কর নয় !!! পুরো রিভিউতে ঢুকে পড়ার আগে কিছু মন্তব্য শুনে আসা যাক –

# বিপক্ষেঃ SAO was probably the only anime this year that got bashed by most MAL users for a plot that doesn’t make any sense , a geek gamer who wins every fight (only inside a virtual world) ,clichéd harem concept , the incestuous plot hint, and the season 2 epic fail ending….. The only good thing about the anime was the action scenes, nothing else…

#পক্ষেঃ Sword Art Online, definitely one of the best anime of last year, action-packed (the double blades, damn!!), Alongside Kirito and Asuna’s romantic journey in the SAO realm, followed by Kirito fighting for her in the other world, and a beautiful ending…couldn’t ask more…

#মিশ্রঃ “মিশ্র অভিজ্ঞতা। সোর্ড আর্ট অনলাইনের গেম অংশটা ভাল; রোমান্স অংশটা খুবই কিউট; ফাইটগুলা খুবই জোস। কিন্তু সেকেন্ড গেমটাতে জেইরকম ভেজাল ঢুকানো শুরু করসে তাতে আমি মহা বিরক্ত; এই পার্টটা অনেকটা “আলিফ লায়লা” টাইপ লাগসে; “দুষ্ট রাজা নায়িকাকে আটকায় রাখসে আর নায়ক বাচাইতে যাবে” টাইপ; আর আমার কাছে “oniii chan; I love you” টাইপ জিনিসপত্র অসহ্য।

#মিশ্রঃ nobody told that SAO is a great anime. But it’s special in the view of a new anime genre. Yes, romanticism flowed in various strange ways and the anime ending was less expected…but after all people goes crazy over the internet because of the plot. Maybe my answer is confusing too, but my love for the anime is special, that’s what I have to say.

গল্পঃ 
শুরুটা যথেষ্ট পটেনশিয়াল নিয়ে শুরু হলেও সেটা ধরে রাখতে ব্যর্থ হইসে। প্রথম কয়েকটা পর্ব খুব দ্রুত আগাইসে; মনে হইসে মাঙ্গার অনেকগুলো পর্ব একসাথে এনিমের কয়েকটা পর্বে আটকানোর চেষ্টা; এবং শেষের দিক গিয়ে আবার সেটা বেশ স্লো হয়ে গেছে। এক পর্বে দুই তিনটে ভাল ভাল ফাইট দেখাইসে আবার দেখা গেসে পরের পর্বতেই আবার একটা বিশাল অংশ রোমান্স বা এই ধরণের স্লো জিনিসে কেটে গেসে। আমার ব্যাক্তিগত অভিমত রোমান্স অংশটা আরেকটু কমায় ফাইটগুলা আরেকটু ডিটেইলস বা আরেকটু স্লো দেখাইলে ভাল হইত। তবে এইটা স্বীকার করতেই হবে; আসুনা আর কিরিতো আমার দেখা অন্যতম সুইট কাপল; এদের দুইজনকে নিয়ে আলাদা করে রোমান্টিক জেনারের কোন এনিম বানাইলেও খারাপ হইত না।

এই এনিমে স্পষ্টতো দুইটা পার্ট; দুইটা গেম। প্রথমটার তুলনায় দ্বিতীয়টাতে বেশি পটেনশিয়াল ছিল; এবং সেইখানে হতাশাও বেশি। “রাজকন্যা উদ্ধার” ব্যাতিত আর কিছুই দেখায় নাই বলতে গেলে অই অংশে।

ভিজুয়াল আর্টঃ 
এক কথায় স্টানিং। আইনক্রাড জগতটা আমার এত্ত পছন্দ হইসে যে মনে হইসে কোনভাবে যদি অই জগতে চলে যেতে পারতাম !!! ফাইট সিন গুলা অসাম; তবে কেউ মারা যাওয়ার ইফেক্টটা আরেকটু রিএলিস্টিক হইলে ভাল হইত; যেহেতু কেউ গেইমে মারা জাওয়া মানে বাস্তব জগতেও মারা যাওয়া; সুতরাং আরেকটু ভয়াবহতা আনলে মনে হয় বেটার হইত।

সাউন্ডঃ 
ভিজুয়াল আর্টের মতই; বেশ ভাল। সিম্পল এবং স্পট অন।

ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্টঃ 
কিরিতো আর আসুনা বাদে আমি বাকি সব ক্যারেকটারের নাম ভুলে গেসি; সিরিয়াস্লি; আর আমি দেখে শেষ করলাম আজকে বিকেলে !!! কোন ক্যারেকটারের সাথেই তেমন ইমোশনাল এটাচমেন্টের সুযোগ রাখে নাই রাইটার। আসুনা এবং কিরিতো যথেষ্ট লাইকেবল ক্যারেক্টার এবং তাদের জুটিটা অন্যতম কিউট একটা জুটি হবার পরেও তাদের সাথেও তেমন ইমোশনাল এটাচমেন্ট হয় না।

সব মিলিয়েঃ
“দুষ্টু প্রেমের মিষ্টি কাহিনী” জাতীয় হাল্কা ধাচের কাহিনী, বেশ আকর্ষণীয় ক্যারেক্টার ডেভেলপমেন্ট আর বেশ ভাল গ্রাফিক্সের কারণে দুর্বল প্লটের এই এনিমটা বেশ খানিকটা অভাররেটেডই বটে !!! মোটামুটি ত্রিভুজ চতুর্ভুজ এবং বহুভুজ প্রেম আর আবেগ নিয়ে বেশ ভাল একটা টাইম পাস করসে মাত্র ২৫ পর্বের এই এনিমটা !!!! তবে খুব বেশি সমালোচকের দৃষ্টিতে না দেখলে “টাইম পাস এনিম” হিসেবে বেশ ভালই লাগসে sword art online.

রিকমেন্ডেশনঃ 
যারা অনলাইন গেমে আসক্ত; তাদের খুব ভাল লাগার কথা এই এনিমটা। স্টোরি যেমনই হোক; গেম পার্ট; গেমের মধ্যে ফাইটিং পার্ট; গেমের জগত – অসম্ভব ভাল এবং সুন্দর। এছাড়া যারা হাল্কা ধাচের কিছু দেখার জন্য খুজছেন এবং গল্প নিয়ে খুব একটা মাথাব্যাথা নেই তারাও দেখে ফেলতে পারেন। দিনশেষে বলা যায়;
“it’s a good anime, but not great”

Hawk Eyes-one piece by Evan Ahmed

(Hawk Eyes) Mihawk খারাপ পাছা (the badass)- One Piece এর আমার ফেবারিট ১টা ক্যারেক্টার! অনেকদিন ধরেই আঁকবো আঁকবো বলে ভাবতেসিলাম,আজকে একেই ফেললাম। বাট আই সিরিয়াসলি নেভার থট ড্রয়িং হিম উড বি দিস মাচ হার্ড! এই মহাজনের পোশাকের ডিটেইলস আর তার ২০ ফুটের তলোয়ার আঁকতে গিয়ে যে আমার এত করুন অবস্থা হবে আমি তা বুঝতেই পারিনি।
Hawk Eye - Evan

Karas রিভিউ — Matiur Rahman Minar

“Where there is a city, there is a Karas to protect the city’s will.”

Karas (OVA) দেখলাম। মাত্র ৬ এপিসোডের। শুরুতেই অস্থির একটা ফাইট দিয়ে শুরু -এরকম এনিমে বোধহয় এই প্রথম দেখলাম। তাও আবার সুপার পাওয়ার্ড সোর্ড ফাইটিং।

অ্যাকশন আর অ্যানিমেশন একটু বেশিই সুপার্ব। এইজন্যে অবশ্যই 720P দেখার পরামর্শ থাকবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য ধুন্দুমার-ঊড়াধুরা-সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার টাইপ আনিমে দেখতে চান তাহলে Karas দেখে ফেলতে পারেন।
“Where there is a city, there is a Karas to protect the city’s will.”

Karas (OVA) দেখলাম। মাত্র ৬ এপিসোডের। শুরুতেই অস্থির একটা ফাইট দিয়ে শুরু -এরকম এনিমে বোধহয় এই প্রথম দেখলাম। তাও আবার সুপার পাওয়ার্ড সোর্ড ফাইটিং।

অ্যাকশন আর অ্যানিমেশন একটু বেশিই সুপার্ব। এইজন্যে অবশ্যই 720P দেখার পরামর্শ থাকবে। যদি কিছুক্ষণের জন্য ধুন্দুমার-ঊড়াধুরা-সব ভেঙ্গেচুরে চুরমার টাইপ আনিমে দেখতে চান তাহলে Karas দেখে ফেলতে পারেন।

Karas

Hyouka (氷菓) by সাদিয়া হুমায়রা মৌনতা

“I am not lazy…..i am just conserving energy”- একটা জনপ্রিয় লাইন ফেসবুকে, কিন্তু এই লাইনটা সবচেয়ে বেশি যায় “oreki houtarou” of Hyouka এর সাথে …কেউ যদি easy going mystery school life আনিমে দেখতে চান, এইটা ট্রাই করতে পারেন। 🙂

Hyouka

Berserk by Shaikh Mohammad Habib

যারা মাঙ্গা পড়েন এবং Berserk পড়েছেন তাদের আমার নতুন করে কিছু বলার নাই, আর যারা পড়েন নাই তাদের জন্য Berserk Golden Age Arc I II & III এই ৩টা মুভি রিকমেন্ড করব। আমার নিজের সবচেয়ে প্রিয় মাঙ্গা এবং এটার মত এপিক জিনিস আমি মুভি,অ্যানিমে,টিভি সিরিজ মিলায়ে দেখি নাই বললেই চলে। মাঙ্গার ভলিউম ৪-১৩ পর্যন্ত কাভার করা হয়েছে।
* Game of Thrones যেমন সবার জন্য না তেমনি Berserk ও একই। অন্তত ১৬+ মানুষ ছাড়া বাকিদের না দেখাই ভালো এর ভায়োলেন্স ও ম্যাচিউর কন্টেন্ট এর জন্য।

Download Link –
Berserk The Golden Age Arc I – The Egg of the King :http://www.animeout.com/berserk-the-golden-age-arc-i-the-egg-of-the-king-movie-1dual-audio720p-minihd-bluray-300mb-encoded/

Berserk – Golden Age Chapter II – The Capture of Doldrey :http://www.animeout.com/berserk-golden-age-chapter-ii-the-capture-of-doldrey-movie-bd-720p-500mb-encoded/

Berserk – Golden Age Arc III – Descent : http://kickass.to/gentleman-berserk-golden-age-arc-iii-eng-sub-descent-18xver-bd-816p-x264-10bit-mkv-t7551398.html

Berserk 1 Berserk 2 Berserk 3

এনিম রিভিউঃ টোকিও ম্যাগনিটুইড ৮.০ লেখক ব্লগার জুবায়েদ

আসসালামুয়ালাইকুম ভাই ও বোনেরা। এটা আমার প্রথম কোন এনিমকে রিভিউ দেয়া পোস্ট, যদি ভাল লাগে আপনাদের, তাহলে ভবিষতে আরো কিছু রিভিউ লেখার জন্য অনুপ্রাণিত হব।

ভূমিকম্প!!!! কতটা বিপর্যস্ত করতে পারে জনপদ?
প্রশ্নটার উওর যদি খুঁজে পেতে চান, তবে আর দেরি না করে শীঘ্রই দেখে ফেলুন টোকিও ম্যাগনিটুড ৮.০ , মাত্র এগার পর্বের এ এনমিটি আপনার হৃদয়ে দাগ কাঁটার জন্য যথেস্ট। আমাদের দেশেই ঢাকা নগরীর যা অবস্থা, তা বিবেচনা করলে ঢাকা ও চট্রগ্রামবাসীদের জন্য এনেমিটি আবশ্যক বলাটাও ভুল হবেনা বলেই মনে হয়। :|

এনিমটিতে মূলত মোট তিনটা প্রধান চরিত্র – মিরাই, ইউকি ও মারি। মিরাই স্কুলে গ্রেড থ্রিতে পড়ে আর ইঊকি গ্রেড ওয়ানে। গীষ্মের আসন্ন ছুটিতে যখন মিরাইের সহপাঠীরা ব্যস্ত কে কোথায় ঘুরতে যাবে তার আলাপচারিতায় তখন নিশ্চুপ মিরাই। কারণ, গতবারের মত এবার যে তাঁর কোথাও যাওয়া হচ্ছে না। ব্যস্ত টোকিও নগরীতে বড় ব্যস্ত তাঁর বাবা-মা, এজন্য মিরাইের চাঁপা ক্ষোভ।

মিরাইের ভাই ইউকি, ইউকি মিরাইের অত্যাধিক মোবাইল প্রীতির জন্য তাঁর নাম রেখেছে মোবাইল এলিয়েন, ছেলেটা দেখতে চঞ্চল ও দুরন্ত, ভালবাসে ছবি আঁকতে ও রোবট সম্পর্কে জানতে। জাপানের আর্টিফিশিয়াল ওডাইবা আইসল্যান্ডে রোবট প্রদশনী দেখতে যাবে বলে মায়ের কাছে ওর আবদার, কিন্তু মায়ের ব্যস্ত সময় পথের কাঁটা হয়ে দাঁড়ায়। উপায় না দেখে মিরাইকে সঙ্গে করে ওডাইবা সিটিতে ইউকিকে যেতে বলেন। মিরাই এ সিদ্ধান্তের ঘোর বিরোধী, কিন্তু উপায়ান্ত শেষ পর্যন্ত রাজি হয়।

সেদিন দুজনের মায়ের জন্মদিন, ট্রেনে মিরাই ইউকি, টোকিও টাওয়ার আর রেইবো ব্রিজে দুজনের কৌথহলী দৃষ্টি। ইউকির ইচ্ছা মায়ের জন্য একটা গিফট কিনা, সে ঊদ্দেশে তারা গিফট পছন্দ করে। কিন্তু হায়! তাঁদের পছন্দ করা গিফট যে আরেকজনের হাতে। সে আরেকজন আর কেউ না, মারি। এভাবেই আরেক প্রধান চরিত্রের মারির আগমন। মারি ওদের পছন্দের কথা বুঝে ও শুনে গিফটটা অবশ্য হাতে না রেখে ইউকির হাতে ধরিয়ে দেন, হাজার হোক মায়ের জন্মদিনের জন্য পছন্দ করা জিনিস

পরে ইউকি আর মিরাই রোবট প্রদর্শনী দেখে বের হল। মিরাই আগে বের হলেও ইউকি ওয়াশ রুমে যাওয়ার নাম করে ভিতরে আবার গেল । এরপর… হঠাৎ করেই… রিক্টার স্কেল ৮ মাত্রার ভূমিকম্প!!! বিখ্যাত ওডাবা আইসল্যান্ড ধ্বংসের মুখে!!! শপিং মলের বাইরে মিরাই… ভিতরে ইউকি… প্র্যায় ধ্বংসের মুখে পড়া শপিং মলে আবার মিরাইের প্রবেশ… মিরাই ও মারির আবার দেখা… দুজনেই খুঁজছে ইউকি কে… ইউকি কি পারবে?? মিরাই কি আজ তাঁর ভাইকে হারাবে?? তারা কি একসাথে বাসায় ফিরবে? ইউকি-মিরাইের বাবা-মা ই বা কেমন আছে? তাঁদের কি জন্য কি ভবিষৎ অপেক্ষা করছে? ওদিকে মারির জন্য অপেক্ষা করছে তাঁর মা ও মেয়ে !! মারির শহরে লেগেছে আগুন, হাজার হাজার বাড়ি পুরে ছাই… মারির মা ও মেয়ে কি ভূমিকম্প থেকে রক্ষা পেয়েছে? অসম্ভব রোমাঞ্চকর তাঁদের এ এডভ্যাঞ্চার দেখতে হলে অনলাইন থেকে নামিয়ে ফেলুন টোকিও ম্যাগনিটুড ৮.০
Click This Link
Click This Link

আমি এ অসম্ভব সুন্দর এনেমিকে ১০ এ ৯ রেটিং দিলাম। বাকিটা আপনারা দেখেই বলেন।

মূল লেখা http://www.somewhereinblog.net/blog/jindhk/29658791

ফেইরি টেইল এনিমে আবার ফেরত আসতেছে by Kazi Rafi

ফেইরি টেইল এনিমে আবার ফেরত আসতেছে !!!! চিয়ার্স !!!! যদিও আমি আরও বেশি খুশি হইতাম যদি A-1 Pictures আরেকটু বাজেট বাড়াইত ফেইরি টেইল এর জন্নে আর যদি সেন্সরশিপ টা উঠিয়ে দিত !!! আর এদিকে যথারীতি আজকেও মাঙ্গার ৩টা চ্যাপ্টার বাইর হইছে এবং আজকে ৪ ইশগালান গডস এর একজনকে দেখাইছে !!!!

A relaunch of the Fairy Tail television anime project has been green-lit. Original manga creator Hiro Mashima hadindicated that there would be good news for fans on Thursday.

Magi: The Labyrinth of Magic by আসিফুল হক

বাসায় আমার আলাদা একটা রুমের মত আছে; ঠিক রুম না; বারান্দায় হার্ডবোর্ড দিয়ে পার্টিশন টাইপ। রুমের কথা বার্তা মোটামুটি প্রায় সবই বাইরে থেকে শোনা যায়। তো অইদিন এক ফ্রেন্ড বাসায় আসছে; আমার রুমে এনিম নিয়ে কথাবার্তা হইতেসে। এক পর্যায়ে সে তার প্রিয় সিরিজগুলা নিয়ে খুব উত্তেজিত স্বরে কথা বলতে বলতে শুরু করল, “অই তুই মাগি দেখসিস, মাগি? আমি অইদিন রাতে দেখা শুরু করলাম; সারারাত মাগি দেখসি।” and i was like “আস্তে ভাই আস্তে !!! তোর কাছে যেইটা এনিম; অন্যদের কাছে অইটা অন্য কিছুও হইতে পারে” !!!!

শানে নযুলঃ Magi: The Labyrinth of Magic দেখতেসি। ১৫ পর্ব চলতেসে;বাকি পর্ব আইডিএমের কিউতে। 🙂 🙂 একটু unusual; বাট বেশ ভাল লাগতেসে। Arabian nights টাইপ কাহিনী থেইকা যে এত সুন্দর এনিম conversion করা যাবে ভাবি নাই 🙂 🙂

recommendation level: Highly recommended 🙂 🙂

Magi

Watamote রিভিউ লেখক Kazi Rafi

ও মর খোদা এইটা আমি দেখলাম !!!!!!!! হাসতে হাসতে গড়াগড়ি খাইছি এই এনিমেটা দেইখে !!!! এইটার নাম Watamote !!!!! এই সিজন এর বেস্ট কমেডি এবং এই সিজনের আমার এখন পর্যন্ত দেখা সেরা এনিমে এইটা !!! যারা এখনও দেখেননাই তারা দেখে ফেলেন সময় নষ্ট নাহ করে !!!! এইবার আসি এই এনিমের সবচেয়ে সেরা অংশের ব্যাপারে, সেইটা হচ্ছে এইটা ওপেনিং সং !!!!!! আমি শুধু এইটাই এখন বলব যে ‘Its Godly !!! It will totally blew You away !!’ আমি Youtube লিঙ্ক দিয়ে আপনাদের মজাটা নষ্ট করব নাহ। শুধু ডাউনলোড করে এই এনিমেটা দেখেন !!!!!……………ইসস আফসোস !!!!! কেন যে এই এনিমেটা রোমান্টিক জেনার এর হইল নাহ !!! ধুর !!!!!

Watamote

রিভিউঃ “Death Note” – এক বসায় দেখে শেষ করার মতো একটি কার্টুন সিরিজ — লেখক ঠোঁটকাটা নির্লজ্জ

রিভিউ লেখার অভ্যাস তেমন নেই।
আর Death Note অনেক বিখ্যাত একটি সিরিজ। অনেকেই হয়তো দেখেছেন। যারা এখনও দেখেননি তাদের জন্যই লেখার চেষ্টা করছি।

কার্টুন হলেই যে পোলাপানের দেখার জিনিস হবে তা ভুল প্রমান করার জন্য এই “Death Note” -ই যথেষ্ট।
৩৭ পর্বের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ এটি। Genre হিসেবে “Death Note” কে বলা যায় Thriller, Mystery আর Supernatural অপূর্ব সংমিশ্রণ।
আমার ভাষায় “Death Note” হল হালকা Mystery ও Supernatural এর সংমিশ্রণে দুর্দান্ত এক Thriller!

death note

 

কার্টুনটির প্রধান দুই চরিত্র হল লাইট ইয়াগামি এবং L (এল)। মূলত এদের দুজনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা, বন্ধুত্ব, শত্রুতা, প্রতিযোগিতা নিয়েই কাহিনী আবর্তিত হয়েছে। এদের সবধরনের অনুভূতি এখানে খুব শক্তভাবে প্রকাশিত হয়েছে।
লাইট ইয়াগামি হচ্ছে খুবই Smart, Talented, বুদ্ধিমান, সুদর্শন এক জাপানি ছাত্র যাকে বলা যায় one of the Japan’s Brightest!

Light Yagami

 

লাইট অন্যদের চেয়ে এতই এগিয়ে থাকে যে বাকি সবাই কে তার মনে হয় Boring আর Rotten! সে চায় অনেক বড় কোন পরিবর্তন। এক সময় সে হাতে পায় এই রকম একটি Note-Book যাতে যার নামই লেখা হবে সে মারা যাবে! এখন প্রশ্ন হচ্ছে লাইটের মতো Smart – বুদ্ধিমান ছেলে সেই Note Book দিয়ে কি করে?
অপরদিকে L হল পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা। কঠিন কঠিন সব কেস এর সমাধান সে করেছে কিন্তু কেউই তার আসল পরিচয় জানেনা।

L

 

L-ও চরম বুদ্ধিমান এবং সবার চেয়ে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকে সবসময়। L কে মুখমুখি হতে হয় লাইটের যার কাছে রয়েছে একটি Death-Note। “জোকারের” ভাষায় একে বলা যায় “An unmovable object is on the way of an unstoppable force!”
যাই হোক রিভিউ লেখাটা মূল আকর্ষণের ধারেকাছেও যায় নি। অনেকে হয়তো রিভিউ পড়ে কার্টুনটি দেখার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত হবেন। ভুলেও এই রিভিউ পড়ে “Death Note” কে ভুল ভাবে নিবেন না! আমি গ্যারান্টি দিয়ে বলতে পারি প্রথম দুই পর্ব দেখার পর পুরো ৩৭ পর্ব শেষ না করে উঠতে চাইবেন না। কাহিনীর Climax- Anti-climax অসাধারণ। উপস্থাপন, সংলাপ, সাস্পেন্স…

অসাধারণ, অসাধারণ, অসাধারণ!!!

IMDb তে Death Note এর রেটিং হল ৯.১। আমি একে ১০ এ ৯.৮ দেবো!

টরেন্ট ডাউনলোড লিংক

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিঙ্কও দিয়ে দিচ্ছি। কিন্তু এক্ষেত্রে একেকটি পর্বের সাইজই হয়ে যাবে ২৪০ মেগা এর মতো। যেখানে টরেন্টে মাত্র ৬০-৬৫ মেগা/পর্ব! তাই টরেন্ট থেকে নামানোই উত্তম!

ডাইরেক্ট ডাউনলোড লিংক

এখনও না দেখে থাকলে নামিয়ে দেখা শুরু করুন। আশা করি নিরাশ হবেন না!