Fullmetal Alchemist Brotherhood (FMAB) ফ্যান ফিকশন #2 — Rahat Rubayet

——– Fullmetal Alchemist Brotherhood (FMAB) ফ্যান ফিকশন ——–
Part 2:
———————–

দুঃস্বপ্নের রেশটুকু ধীরে ধীরে কেটে যেতে থাকলো সকাল হতে না হতেই। সেই সুন্দর মিষ্টি একটা আবহ ঘুরঘুর করছে যেন গোটা বাড়ি জুড়ে। উইনরি নিজের মনমত একটা ব্যখ্যা দাড় করিয়েছে অবশ্যএর পেছনে। এড বা শেলী যে কেউই কাছাকাছি থাকলে কিভাবে কিভাবে যেন বুঝে ফেলে ও। ওদের গায়ের গন্ধই আর ১০ জনের থেকে আলাদা আর আপন আপন লাগে উইনরির কাছে। যতক্ষণ ওরা কাছেপিঠে থাকে, ভালোলাগার অবসন্ন একটা ভাব ভর করে থাকে গোটা অস্তিত্ব জুড়েই। উইনরির কাছে মাঝেমাঝে ঘোরের মতন বোধ হয় গোটা ব্যপারটা। এতো প্রশান্তির এতো সুখের আর সাজানো গোছানো সংসার নিয়ে প্রতিনিয়তই কেন যেন ভীতি কাজ করে ইদানীং ওর।
এতো সুখ সইবে তো? এমন নির্ঝঞ্ঝাট সংসারের স্বপ্ন সবাই দেখে- সব্বাই। কিন্তু বাস্তবে দীর্ঘ সময়কাল ধরে তার প্রতিফলন কেমন যেন অস্বস্তির জন্ম দেয়। উইনরি অস্বস্তির ভাবটুকু কাধ ঝাঁকিয়ে ফেলে দেয়। রান্নার জন্য যে বাড়তি কাপরটা গলায় পেচিয়ে রাখে তা খুলতে খুলতেই মিষ্টি আর বহুল পরিচিত একটা গন্ধ এসে ধাক্কার মতন লাগলো নাকে।
এড পারফিউম ইউজ করছে। এডের সবকিছুই উইনরির ভালো লাগলেও, এই পারফিউমটার প্রতি কেন যেন ভালো লাগা বোধ টা অস্বাভাবিক মাত্রায় কাজ করে। উইনরির মাথা ঝিমঝিম করতে থাকে। স্মিত প্রশান্তির হাসি নিয়ে খাবার ঘরটা পার হয়ে বেডরুমের দরজার গায়ে হেলান দিয়ে দেখছে এড শেলীকে রেডি করিয়ে দিচ্ছে স্কুলের জন্য। শেলীর দিকে তাকিয়েই কেমন যেন বুকের একপাশটা হুহু করে উঠলো ওর। কাল রাতের দুঃস্বপ্ন টা হটাত যেন চোখের সামনে জীবন্ত দেখতে পাচ্ছে। জোর করে হাসিটা ধরে রেখে বাকি সব চিন্তা মাথা থেকে দূর করে দিতে চাইলো ওর।
শেলী ঘুরে তাকালো, সোনালী বড় বড় চুল আর মায়াকাড়া চোখে এড আর উইনরি ছাড়াও এডের মায়ের একটা ছাপ দেখা যায় কেমন যেন। উইনরি নিজের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এড আর শেলীকে বিদেয় দিয়েই বরাবরের মতন ঘরদোরের কাজে ব্যস্ত হয়ে পরে ও।
দেখতে দেখতে বেলা গড়িয়ে যায়। এ কাজ ও কাজ করতে করতে মনের আনন্দে প্রজাপতির মতন উড়তে থাকে যেন উইনরি। গুনগুন করতে করতেই ঘড়ির দিকে তাকায়।
আসার সময়ে হয়ে এসেছে ওদের। ভালো লাগার তীব্রতা বাড়তে শুরু করেছে, রোদের ভাবটা কমতে শুরু করায়। সামনের উঠোনের পারের স্মোক ট্রি গুলোর কাছে এসে বাতাস টা উপভোগ করতে থাকে উইনরি। উইনরির চিন্তার ডালপালা ক্রমশ বড় হতে থাকে। জীবনের বিভিন্ন সময়ের ঝড়ঝাপটা, আর শেষে এসে এডের সাথে থিতু হওয়া। সময়গুলোর ভেতরে জীবনের অপ্রাপ্তির কিছু খোজার চেষ্টা করে না উইনরি। একাএকা এই যে ওদের জন্য অপেক্ষা করছে, সে সময়টাও কি অদ্ভুত ভালো লাগা কাজ করতে থাকে ওর ভেতর।
ওদের দেরি দেখে উইনরি ঘরে ঢুকে সোফার ওপর বসে, মখমলের হাতলের ওপর এক কনুই ভাজ করে রেখে কাত হয়, সোনালি চুলগুলো একপাশে টেনে আনে। আচ্ছন্নবোধ টা কাটে দরজায় শব্দ শুনে। উইনরি উঠে গিয়ে দরজা খুলে শান্ত ছোট ছোট পা ফেলে। মুখে একগাল হাসি ধরে রেখেই কপট রাগ ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করতে করতে দরজা খোলে।
এড দরজার বাইরে দারিয়ে আছে,দু হাতে পাজোকালো করে শেলীকে ধরে। শেলীরকানের পাশ দিয়ে রক্তের মোটা ধারা শুকিয়ে এসেছে। রক্তের দাগ স্কুল-ইউনিফর্ম জুড়েই। উইনরি এডের চোখের দিকে একবার তাকায়, আবার পরক্ষনেই শেলীর দিকে তাকায়। উইনরির কাছে গোটা ব্যাপারটাই দুঃস্বপ্নের মতন মনে হতে থাকে।

———————–

Fullmetal Alchemist Brotherhood (FMAB) ফ্যান ফিকশন #1 — Rahat Rubayet

——Fullmetal Alchemist brotherhood (FMAB) ফ্যান ফিকশন ——–
Part 1
———————————-
উইনরি রান্নার কাজে ব্যস্ত। বাচ্চাকে তাই এডওয়ার্ডই স্কুলড্রেস পড়িয়ে রেডি করছে। ঘাসপাতা রঙের ব্যাগে বইখাতাগুলো আগেই ভরে নিয়ে টেবিলের পাশে নামিয়ে রেখেছে। যদিও তাতে আরও একটা জিনিষ নেয়া বাকি। তাই ব্যাগের চেইনটা আটকায়নি এড। দেরি দেখে রান্নাঘরের উদ্দেশ্যে হাঁক ছাড়ে আরেকবার।
-‘উইনরি, আমরা বের হব’খন।
সস্প্যান আর বড় এক কাঠের চামচ হাতে ছুটতে থাকে উইনরি। টিফিন বক্সে খাবারটা পুরে দিয়েই ছুটে গেল হ্যাঙ্গারে ঝোলানো ওভারকোটটার দিকে। তারপর ওয়ারড্রব থেকে বাবুর গলার মাফলার। ঘরের একোন থেকে ওকোন- প্রজাপতির মতো উড়ছে যেন ও। বাবুর গলায় মাফলার জরিয়ে এসেই ওভারকোট টা নিয়ে এডের পিছনে গিয়ে দাঁড়ায়। এড হাত পিছনে বাড়িয়ে দিতেই তা গলে ওর গায়ে চড়িয়ে দেয় ওভারকোটটা।
তারপর গিয়ে দাঁড়াল এডের ঠিক সামনেই। শেলীকে বলে দিতে হল না। তার আগেই সে রূটিন মাফিক চোখ বন্ধ করেছে দু’হাত দিয়ে। উইনরি দাঁড়িয়ে থাকলেও মাথা নিচু করল না এড। এক কালে ওর হাইটের খোঁটা দেয়ার পূর্ণ শোধ তুলছে এখন ও। মুখ টিপে হাসছে সেই সাথে। কপট রাগে চোখ পাকায় উইনরি। একটু হেঁসে ওর ঠোঁটে ঠোঁট নামায় এডওয়ার্ড, তারপর সোজা হয়ে দাঁড়ায়। দেখল, ঝলমল করছে উইনরির চোখ। ওর চোখের দিকে তাকিয়ে একটা গাঢ় শ্বাস ফেলে। নাহ, কোন অপ্রাপ্তি নেই আর ওর জীবনে অপ্রাপ্তির জায়গাটুকু পূরন করে দিয়েছে উইনরি। ওর জীবনের সবথেকে আনন্দময় মুহূর্তও ও-ই ওকে উপহার দিয়েছে। শেলিকে সেদিন প্রথমবার কোলে নিয়ে আনন্দে কেঁদেই ফেলেছিল এড।
জীবনে এর থেকে আর বেশি আর কিছু কি আশা করতে পারত ও? বোধ হয় না। প্রশান্তির একটা উপলব্ধি নিয়েই শেলির ব্যাগটা এক হাতে নিয়ে অন্য হাতটা বাড়িয়ে দেয়। ওদিকে তখনও ওর মা স্কুলে কিভাবে থাকবে তা নিয়ে ওকে ছোটখাট এক লেকচার দিয়ে চলেছে। লেকচার শেষ হতেই হাসিমুখে ওদের বিদায় জানায় দোরগোড়ায় গিয়ে। এক হাতে ওর বাবার তর্জনী মুঠো করে ধরে রেখে পিছনে ফিরে হাত নাড়তে থাকে শেলি। চোখমুখ ঝলমল করছে ওর, আনন্দে।
ওদের বিদায় দিয়ে হাতের কাজগুলো সেরে ফেলে।
তারপর রেডিও সেটটা নিয়ে এসে ঠাস করে বাড়ি দিয়ে ভেঙে ফেলে। ভাঙ্গা টুকরোগুলো মেঝে থেকে কুড়িয়ে এনে নিজের সামনে জড়ো করল। তারপর হাত সামনে প্রসারিত করে মনযোগ কেন্দ্রিভূত করল রেডিওর অবশিষ্টাংশের ওপর। ট্রান্সমিউটেশান সার্কেল তার আগেই একেছে মেঝের ওপর। উইনরি এডের কাছে থেজে এল্কেমি শিখলেও কখনও ইলেকট্রিক কোন যন্ত্রে এল্কেমি প্রয়োগ করে নি এর আগে। একটু নার্ভাস থাকলেও ভালভাবেই রেডিওটা তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে নিয়ে গেল।
ঝকঝকে রেডিওটা নিয়ে চেরেচেরে দেখলো। খুশিতে ভরে গেছে মনটা। প্রথম চেষ্টায়ই পেরেছে ও। ঝকঝকে টেবিলটার ওপর নামিয়ে রেখে পুরো ঘরটার দিকে তাকায় একবার। কোথাও কোন আসবাবে ময়লা কিছু চোখে পড়ছে কি না,… না। সবকিছুই নতুনের মতো লাগছে। প্রতিটা জিনিষপত্রই ও মাসে অন্তত একবার করে হলেও ট্রান্সমিউট করিয়ে নতুনের মতন করবে।
মেয়েকে নিয়ে সুখের সংসার ওদের উইনরির মা গত হয়েছেন আজ প্রায় আড়াই বছর। ওদিকে আলফন্সও বিয়ে থা করে অন্য শহরে ঘর বেধেছে। ওদের ঘর আলো করেও ফুটফুটে একটা বাবু এসেছে। ওরাও সুখে শান্তিতে আছে। মাসে অন্তত একবার বেড়াতে আসে ওরা। সেই সময়টা অসম্ভব আনন্দে কাটে ওদের। হাসি ঠাট্টা আর গল্পে মশগুল হলেও ওরা প্রত্যেকেই উপলব্ধি করতে পারে কত অদ্ভুত শান্তি আর ভারসাম্য বিরাজ করছে ওদের ফ্যামিলিতে।
এসব ভাবতে ভাবতেই এডের কথা ভাবতে শুরু করে উইনরি। মানুষটাকে কি ও সুখী করতে পেরেছে? ওর এল্কেমি হারানোর পর উইনরি নিজে কিছুটা শঙ্কিত ছিল। যে এল্কেমির পিছনে এত এত পড়াশুনা আর পরিশ্রম করেছে তা বিসর্জন দিয়ে ওর লাইফ কতটা এফেক্টেড হবে?
তবে উইনরি নিজের কাছে করা প্রমিজ রেখেছে। এডকে এ নিয়ে বিন্দুমাত্র আফসোস করবার অবকাশ ও দেয় নি। ওকে ঘিরে গড়ে তুলেছে দু’জনের ছবির মতন সুন্দর একটা সংসার। শুরুর দিকে মাঝে মাঝেই দেখতে পেত এড পুরোনো বইপত্র খুলে বসে আছে। শেষে তাই ওর ক্ষতে প্রলেপ লাগাবার জন্যেই এদের কাছে এল্কেমি পড়া ও শেখা শুরু করে ও। প্রবল উৎসাহে ওকে শেখাতে শুরু করে এড।
ওর উৎসাহ দেখে ধীরে ধীরে এল্কেমি শিখতে থাকে উইনরি। এখন ওর নিজেরও ভালোই লাগে। এক ধরণের মজার খেলা যেন। এসব চিন্তা করতে করতেই বাইরের থেকে কাপড়গুলো নিয়ে আসতে থাকে ও। আজ শীত একটু মনে হচ্ছে। খেয়াল করল, বাইরে ঝিরিঝিরি বৃষ্টির মতন কুয়াশা পড়ছে । কিছুক্ষনের জন্যে থমকে দাড়াল যেন। লোপ পেল ওর সময় জ্ঞান। হটাত ঘোর ভাংলো। সম্বিৎ ফিরে পেল শেলির ডাকে। পেভমেন্ট ধরে ছুটে আসছে ও। স্কুল ছুটি হতেই এডওয়ার্ড ওকে বাসায় নামিয়ে দিয়ে আবার ওর কাজে চলে গেছে।
শেলিকে নিয়ে ঘরে ঢুকতে ঢুকতে জিগ্যেস করতে থাকে আজ স্কুলে কি কি ঘটল- ক্লাস শুরুর আগেই বা কি কি মজা করল- কে কে পড়া শিখে আসে নি বলে স্যরের বকুনি খেয়েছে, সব গড়গড় করে বলে যায় ও। হাসিমুখে সব শুনতে শুনতেই সাথে কথা জোগাতে থাকে উইনরি। কিন্তু থেকে থেকেই কি যেন খোচাতে থাকে ওর মনে। কি যে-তা ঠিক ধরতে পারে না ও। কিন্তু সারাদিন আর কোন কাজে মন দিতে পারল না।
ওর মা মারা যাবার আগেও এমন অনুভূতি হয়েছিল ওর থেকে থেকে।
জোর করে মাথা থেকে চিন্তাটা ঠেলে দূরে সরিয়ে দিতে চাইল। কিন্তু থেকে থেকে কি এক অমঙ্গলের আশঙ্কা যেন ওকে তাড়া করতে থাকে। সেদিন রাতেও ভাল ঘুম হয় না ওর। এডওয়ার্ডের নজর এড়ায় নি উইনরির অস্থিরতা। কিন্তু, পরিষ্কার করে কিছুই জানতে পারেনি ও। তবে, ওর মাথায় হাত বুলিয়ে ঘুম এনে দেয়। ঠিক যেমন করে ঘুম পাড়িয়ে দেয় ছোট্ট শেলিকে।
সেদিন রাতে ঘুমের ভেতর এক ভয়ঙ্কর বিষণ্ণ এক দুঃস্বপ্ন দেখে ও। উইনরি দেখে চারিদিকে কোথাও কিছু নেই, ও একা একা এক বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে পা মেলে বসে আছে। ডুবে যাবার কথা থাকলেও ও ডুবে যাচ্ছে না। হটাত, একটু দূরেই ঝপ করে কিছু একটা শব্দ হতেই অবাক হয়ে লক্ষ্য করল শেলি পানিতে ছটফট করছে আর ডাকছে, মাম্মি মাম্মি বলে। উইনরি কাছে যেতে পারে না, তার আগেই ডুবে যেতে থাকে ও। এ অবস্থায় ঘুম ভাঙ্গে ওর। ঘুম ভেঙ্গে দেখে জামা পুরোটাই ঘামে ভিজে জবজব করছে। দ্রুত চশমা গলিয়ে ডিম লাইটের আবছা আলোয় শেলির খোঁজে তাকাতেই দেখল, এড্‌কে জড়িয়ে ধরে ঘুমুচ্ছে শেলি।
———————-
(বিঃদ্রঃ মূল কাহিনীতে এডওয়ার্ডের ১ টি ছেলে ও ১টি মেয়ে দেখানো হয়। আমি আমার গল্পের প্রয়োজনে সেখানে ১ টি মেয়ে দেখিয়েছি।)

রিভিউ কন্টেস্ট এন্ট্রি [২০১৫] #৩৭: Fullmetal Alchemist Brotherhood — Abed Rahman

নাম: ফুলমেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুদ
পর্ব সংখ্যা:৬৪
ধরণ: একশন, এডভেঞ্চার, শৌনেন, ড্রামা, ফ্যান্টাসি।
রেটিং:৯.৫/১০।

“This is what happens when you tread into god’s territory or whatever you wanna call it”-Edward Elric

গ্রীক পুরাণের ইকারাস এর কথা মনে আছে? এই অভাগা চরিত্রটি মোমের তৈরি পাখায় করে সূর্যের খুব কাছে চলে গিয়েছিল, ফলে তার পাখা গলে সে পরে যায়। প্রকৃতি রীতিবিরুদ্ধ্ব কোন কিছুকেই মেনে নেয় না। একথা সকলেরই জানা। কিন্তু ভালবাসার জন্য কি আপনি বিধাতার নিয়ম ভাঙবেন? আর বিধাতা কিংবা প্রকৃতিই বা কি তা মেনে নিবেন? সহজ উত্তর হল না। তবুও কি আপনি সেই প্রিয় মানুষটির জন্য বিধাতার নিয়মের বিরুদ্ধে যাবেন? আর বিধাতা কিংবা প্রকৃতির দেওয়া শাস্তির প্রায়শ্চিত্তইবা কিভাবে করবেন? মূলত এইসব তাত্ত্বিক প্রশ্নের উত্তর সুন্দর সাবলীল কাহিনী এবং না ভোলার মত কিছু চরিত্রের দ্বারা ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এই এনিমেতে।

পটভূমিঃ ফুলমেটাল আলকেমিস্ট ব্রাদারহুদ এর জগতটাও আমাদের জগত থেকে অনেকটাই ভিন্ন। আলকেমিস্টরা হলেন এ জগতের বিজ্ঞানি। যারা কিনা জাদুর মত যেকোনো জিনিস কে তিনটি ধাপের মধ্য দিয়ে তৈরি করেন সম্পূর্ণ ভিন্ন কিছু। এর নাম হল ট্রান্সমিউটেশন বা রূপান্তর। কিন্তু যথারীতি তারাও নিয়মের ঊর্ধ্বে না। যেকোনো কিছু পেতে হলে তাদের সমান কিছু বিনিময়ে দিতে হবে। এটাই হল Law of Equivalent Exchange অথবা সমান বিনিময়ের বিধান।এসবের পরেও আপাতদৃষ্টিতে এই আলকেমিস্টদের সর্বশক্তিমান মনে হলেও তাদেরও একটি এই বিদ্যা ব্যবহারে বাঁধা আছে। আর সেটি হল হিউম্যান ট্রান্সমিউটেশন কিংবা মানব রূপান্তর করা। এটাকে ধরা হয় আলকেমির সবচাইতে নিষিদ্ধ কাজ or greatest taboo । এমনি এক জগতের দুভাই হল এডওয়ার্ড এবং আলফন্স। তাদের আলকেমিস্ট বাবা ছোট বেলায় কোন এক কারণে তাদের মার কাছে রেখে চলে যান। সে থেকেই তাদের জগত তাদের মাকে ঘিরেই। বাবার লাইব্রেরির বই পরে আলকেমি ব্যবহার শিখে যায় এই দুই ভাই। উদ্দেশ্য মার জন্য নতুন নতুন উপহার বানানো।কিন্তু সেই মাও একদিন তাদের ছেড়ে চলে যান না ফেরার দেশে।সোজা ইংরেজিতে  prodigy এদুভাই ভালবাসার জন্য করে বসে সবচাইতে বড় ভুল। নিজেদের মাকে ফিরিয়ে আনতে গিয়ে করে হিউম্যান ট্রান্সমিউটেশন । ফলে এই জগতের ঈশ্বর যাকে ‘Truth’ বলে আখ্যায়িত করা হয়েছে শাস্তি স্বরূপ তাদের দেহগুলকে বিনিময় হিসেবে নিয়ে নেন। বড় ভাই এডওয়ার্ড হারায় তার বাম পা আর আলফন্স হারায় তার সমগ্র শরীর। পরবর্তীতে এডওয়ার্ড নিজের ডান হাতের বিনিময়ে নিজের ভাইয়ের আত্মাকে এক দেহবর্ম তে আটকে ফিরিয়ে আনে।নিজেদের সকল পিছুটান ছেড়ে তারা নিজেদের যাত্রা শুরু করে কল্পকথার পরশমণি কিংবা Philospoher’s Stone এর খোঁজে যা কিনা Law of Equivalent Exchange অথবা সমান বিনিময়ের বিধানের বাহিরে; যা তাদের হারানো শরীর ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করবে । এই দুই ভাইয়ের এই খোজকে কেন্দ্র করেই উন্মোচিত হয়েছে এই এনিমের নানান ঘটনা।

দৃশ্যকল্প ও চরিত্র উন্নয়নঃ এক কথায় অসাধারণ। সত্যিকারের থিম একটু ডার্ক হলেও হাসিঠাট্টা, আবেগঘন থেকে শুরু করে সোজা বাংলায় মারমার কাটকাট দৃশ্যের অভাব ছিল না মোটেই। আর দৃশ্যগুলোর প্রত্তকেটাই কাহিনির প্রবাহর সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণও বটে। অপরদিকে, অনেক চিরাচরিত শোনেন এনিমেতে পার্শ্ব চরিত্রগুলো মূল চরিত্রদের আড়ালে পরে যায়, এখানে এমনটি হয়নি।

সাউন্ডট্র্যাকঃ আবারো তারিফ করতে হচ্ছে। Yui এর জাদুকরী গলার থিম হোক কিংবা Let it all out হোক, সবগুলই একটা নির্দিষ্ট গুনগত মান বজায় রেখেছে। আর কিছু ট্র্যাক আপনাকে আজীবন মোহিত করতে সক্ষম, এটুকু জোরের সাথে বলাই যায়।

ব্যক্তিগত মতামতঃ আবারো এক কথায় আসি। আমি এই এনিমে নিয়ে রিভিউ লেখার কারন হল আমার মতে এটা এলিমে ওয়ার্ল্ড এর Jack of All Trades কিংবা সব কাজের কাজি। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রতিটা ক্ষেত্রেই এনিমে নির্মাতারা মুনশিয়ানার পরিচয় দিয়েছেন। আর এন্দিং হ্যাপি এন্দিং হলেও তা পুরোপুরি রুপকথার গল্পের শেষের মতও নয়। আর উপসংহার সঠিক সময়ে টানা হলেও কবিগুরুর “শেষ হয়েও হইলনা শেষ” ধরনের একটা আমেজও থেকে যায়।একমাত্র সমালোচনা হোল প্রধান খলনায়ক “Father” এর চরিত্রটি। তার “Dwarf in the flask” হিসেবে হটাত আগমন চিরাচরিত Deus Ex Machina এর উৎকৃষ্ট উদাহরণ বলেই মনে হয়েছে। কিছু Homunculus এর চরিত্রও এই দোষে দুষ্ট। তবে এটুকু মাফ করাই যায় বলে আমার ধারনা।  

37 Fmab-poster

পূর্ণধাতব রসায়নবিদ রিভিউ (FullMetal Alchemist) – ইশমাম আনিকা

O9NOqgoপূর্ণধাতব রসায়নবিদ রিভিউ (FullMetal Alchemist)
[spoiler থাকতে পারে, আমি নিজে নিশ্চিত নই]

“Humankind cannot gain anything without first giving something in return. To obtain, something of equal value must be lost. That is alchemy’s First Law of Equivalent Exchange. In those days, we really believed that to be the world’s one, and only, truth.”

যদি আপনার সামনে এমন সুযোগ আসে যে আপনি আপনার মৃত প্রিয়জনকে ফিরিয়ে আনতে পারবেন, যদিও সেটার কোন নিশ্চয়তা নেই, সেটার ফলাফল কি হবে কেউ জানেনা এবং এটা নিষিদ্ধ কাজ, তাহলে আপনি কি করবেন?

এডওয়ার্ড এলরিক এবং অ্যালফনস এলরিক দুই ভাই। দুজনের মাঝে বয়সের পার্থক্য ১ বছর। খুব ছোটবেলায় তাদের বাবা তাদের ছেড়ে কোথাও চলে যায় এবং এরপর তারা তাদের মায়ের সাথে জীবন কাটাতে থাকে। ছোট অবস্থাতেই দুজনেই “অ্যালকেমি” তে পারদর্শী হয়ে উঠতে থাকে। এমন সময় হঠাত তাদের মা মারা যায়। বাস্তবতা মেনে নিতে না পেরে এডওয়ার্ড ঠিক করে অ্যালকেমির সাহায্যে “হিউম্যান ট্র্যান্সমিউটেশন” এর মাধ্যমে তাদের মাকে ফিরিয়ে আনবে। প্রথমে ভয় পেলেও ভাই অন্তঃপ্রাণ অ্যালফনস ভাইকে ট্র্যান্সমিউটেশনে সাহায্য করে। কিন্তু ইক্যুইভ্যালেন্ট এক্সচেঞ্জ এর পরিনতি হিসেবে এড তার বাম পা হারায়, এবং অ্যাল তার শরীর হারায়। এই ট্র্যান্সমিউটেশনের ফল হিসেবে তৈরি হয় একটি হোমানকুলাই। অ্যাল এর আত্মাকে বাঁচানোর জন্যে এড সাথে সাথে একটা suit of Armour এর মাঝে চক্র আঁকে এবং নিজেকে উৎসর্গ করে, যেন নিজের জীবনের বিনিময়ে হলেও সে অ্যালকে ফেরত পায়। অবশেষে নিজের ডান হাতের বিনিময়ে সে অ্যালের আত্মা ফেরত পায় এবং অ্যাল suit of Armour এ বন্দী আত্মা হিসেবে জীবিত থেকে যায়। ওদের শরীর Gate of Alchemy র মাঝে আটকা পড়ে যায়। ডান হাত ও বাম পা হারানো এডকে নিয়ে অ্যাল দৌড়ে যায় তাদের প্রতিবেশী “রকবেল” দের কাছে যাদের অটোমেইল এর কারখানা আছে (কৃত্রিম অঙ্গপ্রত্যঙ্গ বানানোর কারখানা), সেখানে এড কে মেকানিক্যাল হাত ও পা বানিয়ে দেয় উইনরি ও তার দাদি।

নিজের ভুলকে শোধরানোর জন্যে বদ্ধপরিকর এড ঠিক করে, যে করেই হোক, ফিলসফারস স্টোন খুঁজে বের করবে, এবং সেটার সাহায্যে সে যে ভুল করেছিল, সেটা শোধরাবে আর অ্যালকে তার আসল শরীরে ফিরিয়ে আনবে। এ জন্যে তার দরকার ছিল অনেক তথ্য, যেটা একমাত্র মিলিটারির লাইব্রেরীতে পাওয়া সম্ভব। তাই সে কর্নেল রয় মাসট্যাং এর পরামর্শে মিলিটারির অ্যালকেমি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে ও বিভিন্ন বাঁধা পেরিয়ে পরীক্ষা পাস করে “সর্বকনিষ্ঠ স্টেট অ্যালকেমিস্ট” হিসেবে যোগ দেয়। মিলিটারি থেকে সে বিভিন্ন জায়গায় অ্যাসাইনমেনট কমপ্লিট করতে যায় এবং একই সাথে খুঁজতে থাকে ফিলসফারস স্টোন।

ব্রাদারহুড এখনো দেখা হয়ে ওঠেনি, কাজেই তুলনা করার প্রশ্নই আসেনা। তবে সবদিক মিলিয়ে আমার কাছে ফুলমেটাল অ্যালকেমিস্ট খুবই ভালো লেগেছে এবং শেষ না করা পর্যন্ত নিঃশ্বাস নিতে পারিনি। এন্ডিংটা ভালো লেগেছে, খারাপ ও লেগেছে এডওয়ার্ড, অ্যালফনস এবং উইনরির জন্যে।

চরিত্র বিশ্লেষণে যাবনা, কারণ আমার কাছে মনে হয়েছে প্রতিটা চরিত্রই তার মর্যাদা রেখেছে। আর এডওয়ার্ড কে কেউ শর্ট বললে তার রিঅ্যাকশন, যতবার দেখি কখনো পুরনো হয়না! দুই ভাই এর মাঝে যে বন্ধন, সেটা দেখে অবাক হয়েছি অনেকবার ই।

প্রতিটা ওপেনিং আর এন্ডিং সুন্দর, তবে আমার কানে সবসময় বাজতে থাকে প্রথম ওপেনিং টা।

একই সাথে মজা, অ্যাকশন, রহস্য, ইমোশন আমার অল্প এনিম দেখা জীবনে আর পাইনি। কাজেই কেউ সাজেশন চাইলে একবাক্যে এটার নাম বলতে দ্বিধা করব না 

 

108065

Fullmetal Alchemist Brotherhood : review by Tahsin Faruque Aninda

 

Fullmetal Alchemist Brotherhood শেষ দিলাম!!!
শান্তি যে এই জিনিস মরার আগে দেখে যেতে পারলাম… … …

আমার এখন FMA সিরিজের জন্য রিভিউ লেখার কোনই মানে নাই, রিয়েকশন পোস্ট দেওয়ারও কোন অর্থ নাই, খালি এইটুকুই বলবো, এইটার রেটিং ১০ মধ্যে এত বেশি দিতে ইচ্ছা করছে, যেটা সংখ্যায় প্রকাশ করা যাবে না!!!

তবে MyAnimeList-এ যেহেতু ১০-এর ভিতর ১০ এর বেশি দেওয়া সম্ভব না, তাই ঐখানে আমার completed, ongoing, on-hold – সব আনিমের রেটিং নতুন করে দিতেসি।
এইটাকে ১০ দিলে, অন্য অনেক আনিমে আছে যেইগুলার রেটিং ৬-৭-৮-৯-১০ এরকম দেওয়া মানাবে না, সেটা এই Fullmetal Alchemist Brotherhoodকে অপমান করবে।

এখন FMA বেশি ভাল নাকি Death Note নাকি Code Geass, এরকম আলোচনায় যাব না। কিন্তু একেকটা একেক ধরণের, আর আলাদা ধরণের জিনিসের মধ্যে কম্প্যারিজন চলে না।
তবে আমার টপ আনিমে লিস্টের টপ-মোস্ট জায়গা থেকে FMAB এর অবস্থান সরে যাবে না এইটা over 9000% guaranteed!!! 

[মাফ করে দিয়েন সবাই, Code Geass-এর নাম নিলেও এটা দেখা হয়ে উঠে নাই। কিছুদিনের মধ্যেই শুরু দিতে চাই, তবে তার আগে FMAB জ্বর থেকে রিকভার করতে হবে অবশ্যই  ]

[[আর ছবিটা FMAB Koma Theater-এর, ৩মিনিটের একেকটা এপিসোড করে মোট ১৬টা এপিসোড। এইটা যারা দেখে নাই, অবশ্যই অবশ্যই দেখে ফেলে যেন!!!
দেখার পর মনে হবে, শুধু koma theater-এর কাহিনি নিয়েই আরেকটা যেন বিশাল এবং অসাধারণ Fullmetal Alchemist সিরিজ তৈরি হয় অন্তত!!!!  (Y)]

Homunculus – FMA trivia by Md Monowarul Islam

Homunculus (“সামান্য মানুষ”, বহুবচন জন্য ল্যাটিন, পুংলিঙ্গ: “Homunculi”; হোমো এর Diminutive থেকে) একটি ছোট মানুষের কোনো উপস্থাপনা পড়ুন অধ্যয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ সাধারণত, হয়. ষোড়শ শতকে রসায়ন ও উনবিংশ শতাব্দীর কথাশিল্পে জনপ্রিয়, এটা ঐতিহাসিকভাবে, একটি ক্ষুদ্র সৃষ্টি বলা সম্পূর্ণরূপে মানুষের গঠিত হয়েছে. ধারণা Preformationism মধ্যে শিকড় সেইসাথে আগে Folklore এবং Alchemic ঐতিহ্য আছে. বর্তমানে, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, একটি Homunculus কিছু উপায়ে, শারীরিক মানসিক, বা অন্যান্য বিমূর্ত মানুষের বৈশিষ্ট্য বা ফাংশন ব্যাখ্যা যে, মানব দেহের কোনো স্কেল মডেল উল্লেখ করতে পারে.
Homunculus ("সামান্য মানুষ", বহুবচন জন্য ল্যাটিন, পুংলিঙ্গ: "Homunculi"; হোমো এর Diminutive থেকে) একটি ছোট মানুষের কোনো উপস্থাপনা পড়ুন অধ্যয়নের বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্যবহৃত একটি শব্দ সাধারণত, হয়. ষোড়শ শতকে রসায়ন ও উনবিংশ শতাব্দীর কথাশিল্পে জনপ্রিয়, এটা ঐতিহাসিকভাবে, একটি ক্ষুদ্র সৃষ্টি বলা সম্পূর্ণরূপে মানুষের গঠিত হয়েছে. ধারণা Preformationism মধ্যে শিকড় সেইসাথে আগে Folklore এবং Alchemic ঐতিহ্য আছে. বর্তমানে, বৈজ্ঞানিক ক্ষেত্রে, একটি Homunculus কিছু উপায়ে, শারীরিক মানসিক, বা অন্যান্য বিমূর্ত মানুষের বৈশিষ্ট্য বা ফাংশন ব্যাখ্যা যে, মানব দেহের কোনো স্কেল মডেল উল্লেখ করতে পারে.

Fullmetal Alchemist – my most favorite entertainment by Farhad Hossain Masum

Edward Elric, The Fullmetal Alchemist

Edward Elric, The Fullmetal Alchemist

 

 

Alchemy, পদার্থের গঠন বোঝার, ভেঙ্গে ফেলার এবং নতুন করে ভিন্ন কিছু গড়ার বিজ্ঞান। বেশ ছোটবেলা থেকেই এই রহস্যময় বিজ্ঞানে পারদর্শী হয়ে উঠেছিলো দুই ভাই, এডওয়ার্ড এলরিক (বয়স-১১) এবং এলফনস এলরিক (বয়স-১০). ছোটবেলায় বাবা তাদেরকে ছেড়ে চলে গিয়েছিলো, আর এখন জটিল কোন এক রোগে ভুগে মা মারা গেলো……

 

দুই ক্ষুদে বিজ্ঞানী প্রতিজ্ঞা করলো, যে কোনভাবেই হোক, মা-কে মৃত্যুর ওপার থেকে হলেও ফিরিয়ে আনতে হবে। শুরু হলো আলকেমির মাধ্যমে তাদের কঠিন সাধনা। কিন্তু বিধি বাম, বিক্রিয়া শুরু করার পর একটা দুর্ঘটনা ঘটে গেল। মা ফিরে আসা তো দূরের কথা, বড় ভাইয়ের বাম পা আর ছোট ভাইয়ের পুরো শরীরটাই চলে গেলো ওপারে। নিজের ডান হাত বিসর্জন দিয়ে হলেও ছোটা ভাইয়ের আত্মাটা একটা বর্মের সাথে এটাচ করে ধরে রাখলো এডওয়ার্ড……

 

Alphonse Elric

Alphonse Elric

 

 

বিধ্বস্ত, পরাজিত, মেটাল হাত-পা লাগানো এডওয়ার্ড; কিন্তু চোখে আগুন। রক্ত-মাংসের শরীরবিহীন ভাইয়ের দিকে তাকিয়ে শপথ নিলো সে- যে করেই হোক, নিজেদের আসল শরীর ফেরত পেতে হবে। এই প্রতিজ্ঞায় যাত্রা শুরু করলো দুই ভাই……

 

The Elric Brothers

The Elric Brothers

 

 

শরীর হারানোর কয়েক দিন পর Roy Mustang নামে এক স্টেট আলকেমিস্ট ওদের বাড়িতে আসে এবং এডওয়ার্ড-কে স্টেট আলকেমিস্ট হিসেবে মিলিটারিতে জয়েন করতে পরামর্শ দেয়, যেন সে নিজের এবং এল-এর আসল শরীর ফিরে পাবার উপায় খুঁজে পায়। স্টেট আলকেমিস্ট হচ্ছে Military Certified Alchemist, যারা দেশের বিভিন্ন মিলিটারি ইমার্জেন্সিতে তাদের আলকেমি-কে কাজে লাগাতে বাধ্য। বিনিময়ে তারা রাষ্ট্রের সকল লাইব্রেরি, গবেষণাগারে যাওয়ার অনুমতি পেয়ে যায়। কঠিন পরীক্ষায় উতরে যায় এডওয়ার্ড, রাষ্ট্রের সবচাইতে কমবয়সী স্টেট আলকেমিস্ট হিসেবে মিলিটারিতে যোগ দেয় সে, এবং ধারণ করে তার নতুন উপাধি, ফুলমেটাল আলকেমিস্ট !!

 

দুই ভাই জানতো, থিওরেটিক্যালি একটা উপায় আছে যার মাধ্যমে ওরা নিজেদের শরীর ফেরত পেতে পারে, ফিলোসফার স্টোন। কিন্তু এটা কি আসলেই বাস্তবে আছে কোথাও? নাকি এটা কেবলই একটা কিংবদন্তী? যাত্রার শুরু এখানে…………… কোথায় যে গিয়ে ঠেকবে, নিঃসন্দেহে কল্পনার বাইরে !!

 

About the Second Season : FULLMETAL ALCHEMIST BROTHERHOOD

দুটো সিজন আছে এটার। প্রথমটা Fullmetal Alchemist (৫১ পর্ব), দ্বিতীয়টা Fullmetal Alchemist Brotherhood (৬৪ পর্ব). দুটোই একই জায়গা থেকে শুরু হয়, তাই সেকেন্ড সিজনের প্রথম দিকে একটু হোঁচট খেতে পারেন। কিন্তু এগিয়ে যান, ১৪তম পর্বেই কাহিনীর মোড় ঘুরে যাবে, একেবারে ভিন্নভাবে শেষ হবে কাহিনী।

 

BROTHERHOOD

BROTHERHOOD

 

 

ব্যাপারটা হচ্ছে এমন- এই এনিমে বানানো হয়েছে manga (comics) থেকে। অরিজিনাল লেখিকা Hiromu arakwa যখন চল্লিশটি চ্যাপ্টার লিখেছে, তখন এক এনিমে কোম্পানি ওকে অফার করলো এটা থেকে এনিমে বানানো যায় কিনা। তখন আরাকাওয়া বললো যা তার লেখা এখনো অনেক বাকি, অবশ্য ইচ্ছা করলে ওরা এই চল্লিশ চ্যাপ্টার নিয়ে বাকিটা নিজেরা লিখে বানাতে পারে, কিন্তু সে তার নিজস্ব লেখা চালিয়ে যাবে। এভাবেই প্রথমটা বানানো হলো।

 

কিন্তু অরিজিনাল রাইটার এর মাথায় যা ছিলো, সেটা যখন বের হলো, তখন দেখা গেলো যে এটা আরো বেশি ভালো এবং এটা নিয়ে আরেকটা এনিমে বানানো যায়। আরাকাওয়া মোট ১০৮ চ্যাপ্টার লিখেছিলো, তার সময় লেগেছিলো সর্বমোট নয় বছর, প্রতিমাসে একটা চ্যাপ্টার। ফার্স্ট সিজনে যদি ৫১টা পর্ব থাকে, তাহলে ব্রাদারহুডে ৫১টা নতুন পর্ব আছে (প্রথম ১৩ টার পর)……

 

আমার কাছে (এবং এ পর্যন্ত যাকেই দেখিয়েছি, তাদের সবার কাছেই) “ব্রাদারহুড” মাত্রাতিরিক্ত রকম জোস লেগেছে। সেকেন্ড সিজনটা আমার জীবনের দেখা ONE OF THE BEST THINGS. ফ্যামিলিয়ার হওয়ার কারণে প্রথম ১৩টা পর্ব দেখতে দেখতে একটু দ্বিধা লাগলেও ১৪তম পর্ব থেকেই মাথার চুল ছিঁড়বেন উত্তেজনায়।

 

প্রতিটা চরিত্রের একটা আলাদা tone আছে। সেকেন্ড সিজনের সব কয়টা চরিত্রই মূল্যবান (জাস্ট আসলো আর গেলো, এমনটা নয়), তবে আমার পার্সোনাল ফেভারিট হচ্ছে ROY MUSTANG. He has the most powerful Alchemy (Flame Alchemy), and oh my god, WHAT A BRAIN !! Brainy is definitely the new sexy. আক্ষরিক অর্থেই তুড়ি মেরে সমস্যা সমাধান করার সামর্থ্য আর কার আছে, শুনি?

 

Roy Mustang, The Flame Alchemist, in his famous snapping fingers gesture....

Roy Mustang, The Flame Alchemist, in his famous snapping fingers gesture….

 

 

অসাধারণ গল্প, অতিরিক্ত ভালো screenplay, amazing background music (মিউজিক এর জন্য আমি আকিরা সেনজু-এর ভক্ত হয়ে গেছি)- প্রশংসা করতে গেলে শেষ হবেনা……… সব মিলিয়ে এক কথায় বলতে গেলে, এটাই আমার দেখা সবচেয়ে বেস্ট এন্টারটেইনমেন্ট। কোনো সিনেমা, কোনো গান, কোনো বই পড়ে এখন পর্যন্ত এতো নিখুঁত এন্টারটেইনমেন্ট আমি পাইনি। If you are not entertained, it’s a money and time back guarantee.

মূল লেখার লিঙ্ক 

Full Metal Alchemist & Full Metal Alchemist Brotherhood by Monirul Islam Munna

এই বুড়া বয়সে এসে, এতো দিনে Full Metal Alchemist & Full Metal Alchemist Brotherhood দেখলাম, বড়ই লজ্জার ব্যাপার 
1

এই ২টা এনিম নিয়ে এতো মাতামাতি কেন, তার ১০০% উত্তর পেলাম। নিঃসন্দেহে সেরা এনিমগুলার মধ্যে অন্যতম এই ২টা।  Action, Drama, Comedy এর কোনটার
কমতি ছিল না এই ২টা এনিমে! সাথে suspense আর twist মিলে তো ১৫০% জটিল! 

Edward(the short tempered short guy :p) , Winry (the beauty) , Al, Roy( FMAB তে এর পাওয়ার যা দেখাইসে!!! ), Riza(Roy’s soul mate ), Major Armstrong (the muscular beauty!!:v), General armstrong ( *_* )
Izumi ( only a house wife, passing by  )অসাধারণ character একটার চেয়ে অন্যটা।

One of the best part of FMAB: ‘যখন Edward, Winry কে প্রোপোজ করে, প্রোপোজ করার কি স্টাইল!!!! 

2টা এনিমের মধ্যে FMAB better কোন সন্দেহ নাই।সাথে FMAB এর ending বেশ দুঃখের কিন্তু সত্যি বলতে FMA এর ending দেখে আমার বেশী খারাপ লাগসে 

Feeling Great *_* এখন আর কোন এনিম ভালো লাগবে কিনা বুঝতেসি না

এনিম: ফুল মেটাল আলকেমিস্ট: না দেখলে পস্তাইতে পারেন by ইশতিয়াক মাহমুদ

 

অনেক দিন আগে এক বন্ধুর চাপাচাপিতে পড়ে এনিম সিরিজ ফুলমেটাল আলকেমিস্ট দিয়ে আমার এনিম এর দুনিয়াতে অনিয়মিত যাত্রা শুরু। তখন সিরিজটা সম্পুর্ন করতে পারি নাই কারন সবটা ছিল না কালেকশনে। এই কয়দিনে আবার সব ডাউনলোড করে দেখতে লাগলাম… এবং পস্তাইলাম…

এতদিন অপেক্ষা করসি ক্যান????

আরও আগে নামানো যাইতো না????

 ১

এক অদ্ভুত দুনিয়ার কাহিনী, সেখানে মানুষ বস্তুর অভ্যন্তরীন গঠন বুঝে সেটাকে নিজের ইচ্ছা মত করে পরিবর্তন করে অন্য কিছুতে রুপ দিয়ে ফেলার উপায় আবিস্কার করেছে। তবে কোন যন্ত্রের সাহায্যে না, নিজের মানসিক শক্তি ব্যবহার করে।

এলকেমিতে ভীষন মেধাবী বাচ্চা ছেলে এডওয়ার্ড এলরিক এবং অ্যালফনস এলরিক তাদের মাকে হারাবার পরে সিদ্ধান্ত নেয়, তারা তাকে ফিরিয়ে আনবে মৃত্যুর ওপার থেকে। ব্যবহার করবে ভীষনভাবে নিষিদ্ধ হিউম্যান এলকেমি ব্যবহার করে।

কিন্তু তার জন্য যে মুল্য তাদের দিতে হয তা হিসেবের বাইরে… অ্যারফনস হারায় তার শরীর। সে এখন একটা ধাতব বর্মের মধ্যে আটকে থাকা এক আত্বা। এডওয়ার্ড হারায় তার হাত, পা।

কিন্তু এটাই কি সব?

এখন তারা উাপয় খুজে বেড়ায় এমন এক এলকিমিক পদ্ধতি যেটা ব্যবহার করে তারা অ্যালফসন এর জন্য একটা মানবিক শরীর তৈরি করতে পারবে। এডওয়ার্ড এর জন্য তৈরি করতে পারবে সত্যিকারের হাত এবং পা।

এই লক্ষে তারা এগিয়ে যায় এবং এক এক করে সবার সামনে উন্মোচিত হতে থাকে এলকিমিকি দুনিয়ার অসাধারন সব রহস্য…..

এনিম হিসেবে যথারীতি যথেষ্ট পরিমানে চেচামেচি আছে। চোখ দিয়ে কান্নার পানি নদীর মত বয়ে যাওয়া কিংবা মানুষজন সেই পারি বন্যায় ভেসে যাওয়া কিংবা রাগে সারা শরীরে আগুন ধরে যাওয়া.. অথবা ভয়ে সাদা হয়ে যাওয়া…

তবে সিরিয়াস মুহুর্ত গুলো সত্যিই ভীষন সিরিয়াস করে বানিয়েছে… আর কাহিনীর বুনন চমৎকার।

যা কিছু পছন্দের…….. এনিমেশন! লেখক ব্লগার স্বাধীনতার বার্তা

আমার পছন্দের তালিকাতে সবসময় এনিমেশন এর প্রাধান্য থাকে। আজ আপনাদের সাথে আমার পছন্দের এনিমেশনগুলো শেয়ার করব। এক্ষেত্রে আমি কিছু ক্যাটাগরিতে ভাগ করে নিয়েছি (আমার নিজস্ব মত অনুসারে)।
তো আসুন আমার বোরিং পছন্দের দুনিয়া থেকে ঘুরে আসি।

Action/Thrillar: Darker Than Black

Darker Than Black

কোন সন্দেহ ছাড়াই আমি বলতে পারি এটা আমার দেখা অন্যতম সেরা এনিমেশনগুলোর একটি। এটা দেখেছি স্যাটেলাইট চ্যানেল Animax এ। প্রথমে কমার্শিয়ালটা দেখে খুব একটা পছন্দ হয়নি। “ওই এক্স মেন এর মত অনেক সুপার পাওয়ার ওলা মানুষদের নিয়ে একটা এনিমে।” তাই ভেবেছিলাম। কিন্তু এইসব সুপার পাওয়ার নিয়ে জাপানীজদের কাহিনীটা যে এত মানবিক হবে তা কল্পনা করি নি। সুপার হিরো ক্যাটাগরিতে আমেরিকানরা একই গৎবাঁধা কাহিনী সারাজীবন দেখাচ্ছে। সে জায়গায় এটা খুবই উঁচু মানের। প্রথম ২টা পর্ব দেখে বাকি সবগুলো গিলেছি এক এর পর এক।

এটার ডাউনলোড লিঙ্ক Click This Link

Action/Science Fatasy: Fullmetal Alchemist

FMA

পাওলো কয়েলহোর এলকেমিস্ট এর নাম শুনেনি এমন মানুষ খুব কমই আছে। কিন্তু না। এটা পাওলো কোয়েলহোর এলকেমিস্ট এর এডাপ্টেশন নয়। এটা জাপানীজ Manga Artist Hiromu Arakawa এর গ্রাফিক নোভেল এর এডাপ্টেশন। Dragon Ball Z এর পর মনে হয় এই এনিমেটাই একই সাথে টিভি ও ডিভিডি সেল এ সারা দুনিয়াতে অসাধারন সাফল্য পায়। অসাধারন কাহিনী, অসাধারন স্টোরিটেলিং, এবং একই সাথে অসাধারন ক্যারাক্টার ডিজাইনিং। পুরো কাহিনীটা দুভাই Edward Elric ও Alphonse Elric এবং কিছুটা তাদের ছোটবেলার বন্ধু Winry Rockbell এর জীবনের ট্র্যাজেডি হলেও এতে আছে তীব্র যুদ্ধবিরোধী চেতনা। যারা এনিমেশনকে শুধু ছোটদের বলে মনে করেন তারা এটা চেখে দেখতে পারেন। গ্যারান্টি দিতে পারি পস্তাবেন না। আর এর মুভিটাও যথেষ্ঠ ভালো।

Comedy/Slice of Life: Phineas and Ferb

Phineas and Ferb

অনেকে হয়ত এটা দেখে হাসতে শুরু করে দিয়েছেন। কিন্তু এটা আমার দেখা সবচেয়ে হাসির কার্টুন, এবং পুরো কার্টুনটাই ডায়ালগনির্ভর। এনিমেশন স্টাইলটা দেখে ভেবেছিলাম এটা দেখবো না। পিচ্চিদের জিনিশ। কিন্তু একদিন আমার এক ছোট কাজিন এর সাথে একটা পর্ব দেখে ফেললাম। আর এর পর থেকে প্রায় সবগুলোই দেখেছি। Disney Channel এ দেখায়। কাহিনীটা অবশ্যই চাইল্ডিশ, সহজ, আর অবশ্যি অনেক মজার।

Epic: Avatar – The Last Airbender

Avatar

সারা পৃথিবীতে এপিক ক্যটাগরিতে এর চেয়ে ভালো কোন এনিমেশন নেই বলেই বিশ্বাস করি। পৃথিবীর প্রতিটি কোনায় এনিমেশনপ্রেমীদের কাছে এটা একটা রোল মডেল। ১৬টি এওয়ার্ড নমিনেশনের মধ্যে ১৪টিই জিতে নেয় এই এনিমেশনটি। এর মধ্যে ৭টি সম্মানজনক এনি এওয়ার্ড। আমার পছন্দের স্টুডিও এর কথা বলা হলে, আমি আগে Nickelodeon এর নাম মাথায়ই আসতো না। কিন্তু এখন Nickelodeon অবশ্যই প্রথম সারিতে থাকে। ১০০ বছরের রিএনিমেশন প্রসেস থেকে উঠে আসা বালক Aang, তথা এভাটার দেখে যে তার অনুপস্থিতিতে সমস্ত পৃথিবীর শক্তি ভারসাম্য উলট পালট হয়ে গেছে। ফায়ার লর্ড প্রায় সমস্ত পৃথিবী দখল করে নিয়েছে। এখন Aang ই পারবে এই পৃথিবীকে ফায়ার লর্ড এর হাত থেকে মুক্ত করতে। কিন্তু এর আগে তার চারটি উপাদান এর বেন্ডিং মাস্টার হতে হবে। ফলে সে তার জন্য শিক্ষক খোঁজার অভিযানে নেমে পড়ে। আর এই অভিযানে তার সঙ্গী হয় ওয়াটার ট্রাইব এর বালিকা Katara ও তার ভাই Sokka। ধীরে ধিরে এই দলে যোগ হয় আর্থ কিংডম এর Toph ও ফায়ার নেশন এর প্রিন্স Zuko। শিক্ষক খোঁজার এই অভিযানটি শেষে রূপ নেয় এক অবশ্যম্ভাবী মহাযুদ্ধে।

Mecha/Comedy Science Fiction: Megas XLR

Megas xlr

এই ক্যাটাগরিতে সবচেয়ে মজার এনিমেশন হল Megas XLR। ভবিষ্যৎ পৃথিবীতে এক এলিয়েন রেস পৃথিবীতে হামলা করে। পৃথিবীকে দখল করাই তাদের লক্ষ্য। আর মানবজাতি তাদের সর্বোচ্চ টেকনোলজি দিয়ে তৈরি করে একটা Meche Prototype। এই প্রোটোটাইপটির নামই Megas। একটি দুর্ঘটনার ফলে প্রোটোটাইপের টাইম ড্রাইভ এর মাধ্যমে তা চলে আসে ১৯৩৬সালের পৃথিবীতে। এটার জায়গা হয় একটি জাঙ্কইয়ার্ডে। ২০০৪সালে জাঙ্কইয়ার্ডথেকে টো টো কোম্পানীর ম্যনেজার Coop মাত্র ২ডলারে কিনে নেয় বিশ্বের সবচেয়ে ভয়ঙ্কর অস্ত্র। আর এরপর একটির পর একটি হাসির ঘটনা ঘটতে থেকে।

Romantic Comedy : Love Hina

Love Hina

এই ক্যাটাগরির খুব বেশি কিছু আমার দেখা হয়নি। এখন পর্যন্ত মাত্র ৩টা দেখেছি। তার মধ্যে এটাই সবচেয়ে ভালো লেগেছে।

Science Fiction: Jyu-Oh-Sei (English Title: Planet of The Beast King)

Jyu-Oh-Sei

দুই জময ভাই Thor ও Rai এর বাবা-মাকে হত্যা করা হয় ও তাদেরকে এস্কেপ ক্যাপস্যুল এ করে স্পেস কলোনী জুনো থেকে মহাশুন্যে ছুড়ে মারা হয়। কাইমেরা নামক প্রিজন প্ল্যানেটএ ক্যাপস্যুলটি অবতরন করে। অসহায় দুই ভাইকে এখানে একই সাথে মানুষ ও প্রকৃতির সাথে লড়াই করে বাঁচতে হবে। কিন্তু অতিদ্রুত Rai এর মৃত্যু হয়। আর Thor প্রতিজ্ঞা করে সে এই গ্রহ থেকে বের হয়ে যাবে, তার পরিবারের মৃত্যুর কারন বের করবে। আর এজন্য তাকে হতে হবে বিস্ট কিং, প্ল্যানেট এর রাজা। তাই ধীরে ধীরে সে গ্রহটির অভ্যন্তরীন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়ে। আর সবশেষে যখন সে বিস্ট কিং হয় তখন তার মনে হয় সে বিস্ট কিং না হলেই ভালো ছিল।