The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-8, Final); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-8 (Final)
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

হাশিরামা আর নেতেরোর লড়াই চলতে থাকে বহুক্ষণ, বহুক্ষন ধরে। নেতেরোর ৯৯ হ্যান্ড আর হাশিরামার ট্রু সেভেরাল থাউজান্ড হ্যান্ড, সবাই তাকিয়ে দেখতে থাকে, অত্যন্ত দ্রুতগতির, ভয়াবহ শক্তিমত্তার আর বুদ্ধিশক্তির উৎকৃষ্ট ব্যবহার। সবাই নির্বাক হয়ে দেখতে থাকলেও খুব কম মানুষই সত্যিকার অর্থে কি হচ্ছে তা খালি চোখে বুঝতে পারছে।
হাশিরামা দীর্ঘসময় ধরে তার সেঞ্জুতসু চাক্রা ব্যবহার করতে করতে একটা সময়ে ট্রু থাউজান্ড হ্যান্ডের স্ট্যাচু ছেড়ে নেমে আসতে বাধ্য হয়।
ওদিকে নেতেরো ওকে দেখে হ্যান্ড টু কমব্যাটের জন্য সামনে এগোয়। লাফ দিয়ে এক পা সামনে নিয়ে এসেই আরেক পা দিয়ে দিয়ে হাশিরামার বুক বরাবর লাথি হাকায় সজোরে। হাশিরামা স্রেফ বাউলি কেটে সরে যায় যেন। সাথেই পা টা ধরে ঘুরিয়ে ছুড়ে ফেলার ঝোঁক টা বহুকষ্টে দমন করলো। কারণ, ও জানে নেতেরো সে অপেক্ষাতেই আছে, তার বদলে পায়ের গোড়ার দিকে উরুসন্ধির কিছুটা নিচে সজোরে ভাজ করা পা চালালো। সাথে সাথেই কনুইটা বসিয়ে দিয়েছে বুক বরাবর। নেতেরো জানত, ফাঁদে পা দেবে না হাশিরামা। তাই, কনুই দিয়ে বুক বরাবর আঘাতটা এক্সপেক্ট করছিল ও। কিন্তু, উরুসন্ধির দিকের লাথিটা অপ্রত্যাশিত। বাম দিকে হেলে পরে নেতেরো, এক হাত ভাজ করে হাশিরামার কনুই ঠেকিয়েছে। কিন্তু পায়ের ব্যথা টা দ্রুত সিগন্যাল পাঠালো মাথায়। রিফ্লেক্স দেখাতে সেকেন্ডের ভগ্নাংশের মতন সময় দেরি করে ফেলে ও।
হাশিরামার জন্য ওটুকুই যথেষ্ট ছিলো ছোট্ট একটা লাফে ডান দিকে সরে যায় ও। হাতে প্রকান্ড একটা সোরড শোভা পাচ্ছে। নেতেরো উঠে দাঁড়ায়। বড্ড ক্লান্ত লাগছে নেতেরোকে। আসলে এতো বিশাল লড়াইয়ের ছাপ পড়েছে ২ জনের উপরেই। ২ জনেই হাপরের মতন হাপাচ্ছে। নেতেরো দু’হাত উঁচু করে ফাইটিং স্ট্যান্স নিতেই হাশিরামা বা পায়ের সবটুকু শক্তি খরচ করে সামনে লাফ দেয়। সোরড টা ঘাড়ের পেছন থেকে ঘুরিয়ে আনছে সেই সাথে। নেতেরো একটু যেন পা হড়কাল। সামনে দু’হাত দিয়ে হাশিরামার সোরড ঠেকাবার জন্য বাড়িয়ে দিলো।
হটাত, অবাক হয়ে খেয়াল করলো হাশিরামার বা হাতে কিচ্ছুটি নেই। ডান হাতে সোরড টা খাড়া করে ধরে রেখেছে। মুহূর্তের মাঝেই নেতেরোর পেটের একটা পাশে সেধিয়ে দিলো তা।
হাশিরামার গম্ভীর মুখের দিকে তাকিয়ে থাকে সদা হাস্যজ্জল নেতেরো, মুখ দিয়ে রক্ত বেরুচ্ছে কিছুটা।
ওদিকে শিনোবি আর হান্টারদের সবার চোখের সামনে নেতেরোর পরাজয় ঘটলেও, মূল ব্যপারটা কেবল ধরতে পারলো ২ জন। হাশিরামা নিজে, আর শারিংগান ব্যবহার করতে থাকা মাদারা।
সোরড দিয়ে আসলে এক ধরনের ডিভারশন হিসেবেই এটাক টা করে হাশিরামা। ও নিজেও খুব ভাল করে জানতো, এ ধরনের ডিসেপশনে কাবু হবার পাত্র সে না। তাছাড়া হাশিরামা খুব ভালো করেই জানে, নেতেরো তার আর্সেনালের চুড়ান্ত অস্ত্র ব্যবহার করে নি।
ওদিকে ব্যপারটা বুঝতে পেরে গম্ভীর হয়ে গেলো মাদারাও।

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-7); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-7
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

হাশিরামা আর নেতেরোর চোখের সামনেই হিডেন লিফ ধ্বসে পড়তে থাকে। মানুষের ছুটোছুটি, হাহাকার আরর আর্তনাদে চারিদিকের বাতাস ভারী হয়ে উঠে।
গমগম করতে থাকে হাশিরামার কন্ঠও, নেতেরোর জিজ্ঞাসু দৃষ্টির সামনে।
চকিতে নেতেরোর খেয়াল হলো, গ্রাম ধ্বংস হতে থাকলে হাশিরামা আর যাই হোক এভাবে ঠায় দাঁড়িয়ে থাকতো না মোটেই। আর যে যেমনই হোক হাশিরামা নিজের শরীরের বিন্দু পরিমান রক্ত থাকা অব্দি গ্রামের এমন অবস্থা হতে দেবে না।
নেতেরো ভাবতে থাকে, নিশ্চয়ই এটা কোন এক ধরনের ইলিউশান। নিশ্চয়ই কেউ একজন তাকে ম্যানিউপুলেট করে এমন ইলিউশান দেখাচ্ছে।
সেক্ষেত্রে করণীয় কি হতে পারে?
নেতেরো নেন রিলিজ করে।
ধীরে ধীরে সামনের দৃশ্যগুলো মুছে যেতে থাকে। নেতেরোর মুখে স্বভাবসুলভ হাসি ফিরে আসতে থাকে, সেই সাথে অদ্ভুত শিশুসুলভ সারল্য চোখে পড়ার মতন।
আর কেউ না বুঝলেও মাদারা তার শারিংগান দিয়ে ঠিকই ধরতে পারলো যে ফিস্টফাইট বা তাইজুৎসুর পরপরই হাশিরামা গেঞ্জুৎসু কাস্ট করেছিল নেতেরোর উপরে।
নেতেরো দীর্ঘ কয়েক সেকেন্ড দাঁড়িয়ে থাকাবস্থায় গেঞ্জুৎসুর ভেতরেই ছিল।
নেন রিলিজের মাধ্যমে শরীরের যে অংশগুলো দিয়ে হাশিরামা তার চাক্রা দিয়ে নেতেরোকে গেঞ্জুৎসু দেখাচ্ছিল তা সহজেই ব্রেক করে নেতেরো। আদতে নেন আর চাক্রা তো একই জিনিষ।
২ টাই লাইফ এনার্জি।
মাদারা গম্ভীর ভাবে তাকিয়ে থাকে তোবিরামার মত।
এবারে হাশিরামা কি করে তা দেখার অপেক্ষায়।
হাশিরামা দাঁড়িয়ে তাকিয়ে থাকে নেতেরোর চোখের দিকে। এরপর উড রিলিজ করে- ওঁর কেকে গেনকাই। উড রিলিজ করে উডেন গোলেম আর উডেন ড্রাগন সামোন করে।
উডেন গোলেমের ঘাড় আর শরীর পেঁচিয়ে থাকে উডেন ড্রাগন।
খুব অতিকায় না হলেও অনেকটাই বিশাল।
উডেন গোলেম দেখে হাকশেকি কেনোন সামোন করলো যা আদলে এক ধরনের নেন পাপেট।
হাশিরামা তার গোলেম নিয়ে লাফ দিয়ে সামনে যায়। নেতেরোর রিচের সামনে গিয়েই দু হাত দিয়ে জাপটে ধরতে যায়, সাথে সাথেই দেখলো নেতেরো দু হাত তুলে এনেছে বুকের কাছে।
প্রে করছে যেন!
হাশিরামা বুঝতে পারলো, এর নামই এতদিন শুনে এসেছে ওঁ, গ্যানিন বুদ্ধস্তম্ভ।
কিন্তু নেতেরোর বুকের কাছে হাত তোলার কারণ ধরতে পারছে না। দেখে মনে হচ্ছে প্রার্থনা করছে যেন। নাকি শরীরের ব্যালেন্স রক্ষা করছে?
না!!
প্রায় সঙ্গে সঙ্গেই গোলেমের একটা পাশে প্রচণ্ড আঘাত হানলো নেতেরোর হাকশেকি কেনোনের এক হাত।
হাশিরামা দিশেহারা বোধ করছে না। ধাক্কাটা সামলানের সাথে সাথে সবকিছু বিশ্লেষণ করতে করতেই প্রতিপক্ষের দিকে চোখ রেখেছে। আবার দেখলো নেতেরো তার দু হাত উঁচু করছে বুকের কাছে, প্রার্থনার ভঙ্গিতে।
হাশিরামা জানে যে কোন মুহূর্তে আরেকটা আকস্মিক আঘাত হানবে ভয়ানক দ্রুতগতির ওই বুদ্ধস্তম্ভের হাত।
এবারের আক্রমণটা ডানে থেকে আসবে ভেবেই সিদ্ধান্ত আর প্রস্ততি নিয়ে ফেললো। অপেক্ষায় থাকলো পুঙ্খানুপুঙ্খ সময়ের জন্য।
নেতেরোর দু’ হাত নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছুবার সময়টা খেয়াল আর অনুমান করে নিয়ে উডেন গোলেম সমেত বডি ফ্লিকার দিয়ে অদৃশ্য হয়ে গেলো হাশিরামা।
নেতেরো মুচকি হাসলো শুধু।
একেবারে শেষ সময়ে হাশিরামাও ধরতে পারলো ভুল টা। টাইমিং এ হেরফের হয়ে গেছে।
হয়ে যায় নি আসলে, নেতেরো ইম্প্রোভাইজ করেছে। নেতেরো ভালো করেই জানতো, ২য়বার এটাক হজমের জন্য চুপচাপ বসে থাকবে না হাশিরামা। তাই ইচ্ছে করেই ওকে মুভ করার সুযোগ দিয়ে নিজের এটাককে ইম্প্রোভাইজ করেছে।
হাশিরামা নেতেরোর পিছনেরটায় মাটিতে ল্যান্ড করা মাত্র দেখলো নেতেরো তার দিকে ঘুরে আছে, আর সাথে সাথেই শব্দের গতিতে ছুটে এলো হাকশেকি কেনোনের এক হাত।
গোলেমের গা স্পর্শ করামাত্রই গোলেমের পিঠ বেয়ে উডেন ড্রাগন নেমে এসে পেঁচিয়ে ধরলো বুদ্ধস্তম্ভের হাত, প্রায় কিছুটা বাদেই গোলেমের দু’হাত ওঁ টা ধরে ফেললো।
উপায়ন্তর না দেখে নেতেরো হাকশেকি কেনোনের ৩ হাত ব্যবহার করলো।
এবারে হাশিরামার উডেন গোলেম ড্রাগন কিছুতেই কূলিয়ে উঠতে পারে না। হাশিরামা একবার ভাবলো লাফিং বুদ্ধ দিয়ে হাতগুলোকে নিউট্রালাইজ করা যায় কিনা!
নাহ, পরমুহূর্তে বাদ দিল সে চিন্তা।
সময় এসেছে আঘাত হানার। দু’হাত এক করে মুষ্টি করলো। এরপর তার ভান্ডারের সবথেকে ভয়ংকর অস্ত্র ট্রু সেভেরাল থাউজেন্ড হ্যান্ড সামোন করলো।
বিশাল দৈত্যাকৃতির বুদ্ধস্তম্ভের উপরে দাঁড়িয়ে থাকে হাশিরামা। আর ওদিকে নিচে হাজার হাজার হাতের থেকে ক্রমাগত একের পর আঘাতে নাস্তানাবুদ হয়ে শেষে নেতেরোও তার ৯৯ হ্যান্ড ব্যবহার করতে বাধ্য হয়।
ওদের ব্যাটেল চলতে থাকে অনেক অনেকক্ষণ ধরে।
হান্টার এসোসিয়েশান আর নিঞ্জা ভিলেজের সবাই চুপচাপ দেখে যাচ্ছে ভয়ানক সে লড়াই।

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-6); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-6
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

হাশিরামা উঠে দাঁড়ায়, ভাঙা গার্ড টার বাকি অংশ খুলে ফেলে গা থেকে। উত্তরের আসা হটাত বাতাস ওঁর বড়বড় চুলগুলো উড়িয়ে নিয়ে যেতে চায়,কপালের হেডব্যান্ডের জন্য চোখমুখে এলোমেলো চুল উড়ে এসে পরছে না। চোখের দৃষ্টি শান্ত, নিবদ্ধ, সামনে দাঁড়িয়ে থাকা বুড়ো নেতেরোর দিকে। নেতেরোকে এগোতে দেখেই সামনে পা বাড়ায় হাশিরামা। প্রায় ২০ গজ দূরত্ব পার হতে কয়েক সেকেন্ড সময় নেয়। নেতেরোর বাড়িয়ে দেয়া এক হাতের নাগাল দ্রুত পাশ কাটিয়ে যায় হাশিরামা। তাকিয়ে থাকতে থাকতেই নিজের কনুই নেতেরোর কলার বোনের উপর ঠেকায় আর প্রায় একই সাথে ডান পা দিয়ে ওঁর বাম পায়ের ব্যালেন্স নষ্ট করে দেয়।
সেকেন্ডের ভেতর অনেকগুলো ঘটনা একেকফ্রেমে দ্রুত ঘটে গেলো বাকি সব উপস্থিত দর্শকদের কাছে যেন। তোবিরামা শান্ত চোখে নেতেরোকে ভূপাতিত হতে দেখলো। অনেক্ষন ধরে আটকে রাখা শ্বাস টা হালকা করে ছাড়তে লাগলো। ওদিকে মাদারাও কিছুটা স্বস্তি বোধ করছে বৈকি। আর যাই হোক, হাশিরামার হ্যান্ড টু হ্যান্ড কমব্যাটের জোর তার থেকে ভালো কেউ জানে না। সে নিজে মাংগেকিয়ু শারিংগান ব্যবহার করেও আনআর্মড কমব্যাটে খুব একটা সুবিধে করে উঠতে পারে নি হাশিরামার সাথে। আর হাশিরামাকেও কোন দিন নিজের ৫০ ভাগের বেশিটা দিয়ে লড়তে দেখে নি ও। কাজেই, ধীরে ধীরে দুশ্চিন্তার জায়গাটুকু ফিকে হতে চাইছে।
ওদিকে নেতেরো হটাত আকাশের একটা অংশ দেখতেই সজোরে দু হাত চালালো। গন্তব্য হাশিরামার কানের দু’পাশ। কিন্তু ততক্ষণে হাশিরামার বদ্ধমুষ্টি হাত ওঁর বুক আর পেটের মাঝেটা স্পর্শ করে ফেলেছে।
নেতেরো চোখে শর্ষে ফুল দেখলো যেন। মুখটা হাঁ হয়ে গেলো ওঁর সাথে সাথেই। বাউন্স খেয়ে মাটিতে স্থির হবার পরপরই হাশিরামাকে খুঁজল।
নেই, আঘাতটা হেনেই একটু বামে সরে গেছে ওঁ। একটু রিল্যাক্স কি বোধ করছে এখন? নেতেরো হাসলো, বাম দিকে সরে গেলেও ওঁর নাগালের বাইরে যায় নি মোটেই। নেতেরো বাম হাতের তালু মাটিতে ঠেকালো, সাথে সাথেই এক পা ভাজ করে আরেক পা সজোরে চালালো।
হাশিরামা কিছু বুঝে উঠার আগেই নেতেরোর প্রচন্ড ঘুষিতে চোখে অন্ধকার দেখলো, তাল হারিয়ে পরে গেছে। উপর্যপুরি ঘুষি শেষ হতেই, হাটু ভেঙে বসলো হাশিরামা। ধীরে ধীরে উঠে দাঁড়াতে গিয়ে দেখলো নেতেরোর মুখের হাসি ফিরে এসেছে। দাঁড়িয়ে দু হাত মুঠি করলো। মুখে বললো, Deep Forest Emergence
নেতেরো দেখলো, দ্রুত মাটি ফুঁরে বিশাল বিশাল গাছপালা বেরিয়ে এলো। চোখের পলকেই যেন আশেপাশে যদ্দূর চোখ যায় শুধু গাছ আর গাছ দেখতে পাচ্ছে ওঁ। নেতেরোর চোখে হাসির সাথে সাথেই বিস্ময়ের ভাব ফুটে ওঠে। হটাত বেড়ে ওঠা বনটা পূর্বপরিচিত লাগছে যেন ওর কাছে। তাকিয়ে দেখলো, একটা পাশ দিয়ে হিডেন লিফ ভিলেজে প্রায় পুরোটাই পরিস্কার দেখা যাচ্ছে।
নেতেরোর বিস্ময়বোধের নতুন মাত্রা যোগ হলো বিকট আর প্রকান্ড বিস্ফোরনের শব্দে। ১ বার ২ বার, অনেকবার। চোখের সামনেই ধীরে ধীরে ধসে পড়তে থাকলো সুন্দর সাজানো গোছানো গ্রামটা। নেতেরো অবাক হয়, ওর নির্দেশ অমান্য করে হামলা করবে ওর লোকেরা? এমন তো হবার কথা নয়। ওর কথার একচুল এদিক ওদিক হবার তো কথা না।
নেতেরোর সাথে সাথে হাশিরামাও তাকিয়ে থাকে।
ওদের চোখের সামনেই ধ্বংসস্তূপে পরিণত হতে থাকে হিডেন লিফ ভিলেজ।

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-5); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-5
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

আসলে Boar এর কথাই ঠিক। Don Freecs ডার্ক কন্টিনেন্টের উপর লিখা বইয়ের ১ম কপি পাওয়া গেলেও ২য় পর্ব বা কপিটা পাওয়া যায় নি। তবে, কথিত আছে নিনজা ভিলেইজগুলোর এদিকদিয়েই ওয়েস্টার্ন এন্ট্র্যান্স ডার্ক কন্টিনেন্টের। তাই বলা যায় অনেকটাই অনিশ্চিত অবস্থায়ই হান্টার এ্যাসোসিয়েশন এই মিশনে নামে। তবে, আর কোন উপায়ও ছিল না তাদের- সরকারের কাছে যে তাদের হাত বাঁধা। কাজেই বাধ্য হয়েই এই অপ্রিয় কাজে নেতেরোর আগমন।
আর ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর এর ফলাফল যে কতটা ভয়াবহ হতে পারে, তা খুব করে জানে নিনজা ভিলেইজগুলো। তাই সকলে একজোট হয়েছে আজ হান্টার এসোসিয়েশনকে আটকাবে বলে-যে কোন মূল্যে। তাদের থেকে হাশিরামা তথা হোকাগেই মুখপাত্র হিসেবে প্রতিনিধিতব করছে সবার। ক্যাজুয়ালিটি মিনিমাইজ করতে নেতেরোর ওয়ান-অন-ওয়ান ব্যাটেলের প্রস্তাবে সম্মত হয় হাশিরামা। আর ওদের কে জায়গা করে দেয় দু’পক্ষই।
হান্টার এসোসিয়েশানের মতন না হলেও কিছুটা নির্ভার বোধ করছে নিনজা ভিলেইজ গুলোর প্রধানেরা, এই ভেবে যে লোকালয়ে এর এফেক্ট পরবে না। অর্থাৎ গ্রামের মানুষেরা আপাতত নিরাপদ। আর হাশিরামার ওপর তাদের আস্থা আছে। হাশিরামাকে টপকে ওদের ওপর আর ভিলেইজে এটাক করতে আসা চাট্টিখানি কথা না। আর হান্টার এ্যাসোসিয়েশন আর গভঃ ফোরস পুরোপুরিই নেতেরোর দিকে তাকিয়ে আছে। আসলে তাদের একজনও নেতেরোর ফুল পাওার ব্যাটেল তো দূরে থাক কোনদিন গুরুতর পরিস্থিতির সবীকার হয়ে লড়তেও দেখে নি। আর- কেউ দেখেছে বলেও জানা নেই কারো। কাজেই আস্থার মাত্রাটা অমূলক নয় মোটে।
হাশিরামাই আক্রমণ করলো প্রথমে। আন-আর্মড কমব্যাটে লড়তে শুরু করলো তার জীবনে সবচাইতে কঠিন প্রতিপক্ষের। যার নীতিবোধকে এতোদিন প্রশংসা আর সম্মানের সাথে দেখে এসেছে, তার বিরুদ্ধে এভাবে লড়াই করতে হবে ভাবে নি। অবশ্য, তাতে কি কিছু এসে যায়? নেতেরো এই মুহূর্তে তার গ্রামের জন্য একটা ‘থ্রেট’ আর তাকে প্রতিহত করার জন্য যতদূর যেতে হয় যাবে হাশিরামা।
মাথায় চিন্তার ঝড় বইতে থাকলেও থেমে নেই বডি মুভমেন্ট। নেতেরোর ঠিক বা পাশে দাঁড়িয়েই পায়ের পাতায় ভর দিয়ে কাঁধের নার্ভ পয়েন্টে সজোরে আঘাত করতে যায় সে। দেখলো বাতাসে ভেসে একটু যেন সরে গেল এক দিকে নেতেরো, মুখে তখনো হাসির ছটা লেগে রয়েছে। হাশিরামা জানতো এতো সহজে আঘাত হানা যাবে না তার ক্যালিবারের কাউকে। তাই অনেকটা ফাঁদে ফেলার জন্যেই অমন ডামি দিয়েছে। নেতেরো হালকা ডান দিকে সরে যেতেই দেখলো ইতিমধ্যেই হাশিরামার এক হাঁটু তার পাকস্থলি স্পর্শ করেছে। প্রথম আঘাতটা নেতেরো ডজ করবে জেনেই সাথেসাথেই ডান দিকে এক হাতের ওপর ভর করেই ভাঁজ করা হাঁটু সজরে ছুঁড়ে দিয়েছে।
পরক্ষনেই নেতেরো প্রায় উড়ে গিয়ে প্রায় ১০ হাত পিছনে ছিটকে পরলো। সজোর আঘাতে ফুসফুস খালি হয়ে গেছে নেতেরোর- জানে হাশিরামা। তাই ধাতস্থ হবার সময় দিবে না বলেই নেতেরোর দিকে ছুটে যায় সে। গিয়েই দেখলো কিসের কি- হাসি হাসি মুখ করে তার দিকে তাকিয়ে আছে নেতেরো। হাত দুটো অদ্ভুতভাবে বুকের কাছে তুলে ধরেছে। প্রতিক্রিয়া দেখাবার সময় পায় না হাশিরামা। তার আগেই দেখলো নেতেরোর হাত অদৃশ্য হয়ে গেছে-পরমুহূর্তেই বুকে প্রচন্ড আঘাত চোখে অন্ধকার দেখলো। একটা পাথরে পিঠ ঠেকতেই উঠে বসতে বসতে বুঝলো, এতটা স্রেফ উড়ে এসে পরেছে নেতেরোর আঘাতে। আঘাতটার দিকে নজর দেয়ার দরকার নেই। তবে বুকের গার্ড ভেঙে গেছে সেটা ঠিকই লক্ষ্য করলো।
ওদিকে মাদারা, টোবিরামাও বাকি সবার সাথেই দেখতে পাচ্ছে লড়াইয়ের প্রতিটা বিষয়। অনেকটা ক্ষেদোক্তির মতন বলতে থাকল মাদারা-“আমি বুঝতে পারছি না হাশিরামা গেঞ্জুতসু ব্যবহার করছে না কেন?” টোবিরামা কিছু বলল না, তার বড় ভায়ের জাজমেন্ট আর এবিলিটির ওপর অগাধ বিশ্বাস আছে।

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-4); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-4
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

কাচের দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকতে থাকতেই হাসছে যেন নেতেরো। উহু, হাসির কোন কিছুই ঘটেনি। তবে, বহুদিন-বহুদিন পর এমন এক যোগ্য প্রতিদ্বন্দ্বীর সাথে লড়বে সে। রোমাঞ্চ অনুভব করাটাই স্বাভাবিক। তবে তার জন্যে সে আপন মনে হাসছে- এটা ভাবলে ভুল হবে। নেতেরো তার স্বভাবসুলভ যে হাসি সর্বক্ষণ ধরে রেখেছে ঠোঁটে তা বহুদিনের পুড়নো অভ্যেসের থেকে এসেছে। দেখলে মনে হয় কি এক কারনে থেকে থেকে তার প্রতিপক্ষকে বিদ্রুপ করছে যেন।
নিজেকে কাচের প্রতিবিম্বতে দেখে নেয় আর ভাবতে থাকে আসু লড়াইয়ের কথা। তা থেকে কি আর কেমন ধরনের ফলাফল আর সে সব পারিপার্শ্বিকতাকে কিভাবেই বা প্রভাবিত করতে পারে, তা নিয়েও ভাবতে থাকে।

ওদিকে হাশিরামা তার রুমে ব্যাটেলের ড্রেস পরছে। কাঁধ বুক আর পিঠে গার্ড লাগিয়ে তা টেনে পরিক্ষা করে দেখতে দেখতে খেয়াল করল, মাদারা দরজায় হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে বুকে হাত বেঁধে। লক্ষ্য করলো মাদারাও ব্যাটেল ড্রেস পরে এসেছে। কিছু বলল না হাশিরামা। কিছু বলার দরকারও নেই। টোবিরামা, মাদারা, অন্য ৪ কাগে প্রত্যেককেই ভালমতন চেনে হাশিরামা। কার মনে কি খেলা করছে- তাও সহজেই আন্দাজ করতে পারে সে। সেখানে তাই কথা বলার প্রয়োজন বোধ হয় নেই। পিছনেই ছোট ভাই টোবিরামা উপস্থিত হয় শূন্য থেকেই যেন। অর্থাৎ, সময় হয়ে এসেছে।

হাশিরামা পৌঁছে দেখলো অন্য (প্রধান)৪গ্রামের কাগেরা আগেই জমায়েত হয়েছে। তাদের প্রত্যেকের সাথেই তাদের গ্রামের সবচাইতে চৌকশ কিছু নিনজা কে নিয়ে এসেছেন। তাদের প্রত্যেকের উদ্দেশ্য দিবালোকের মতন পরিষ্কার। যে কোন মূল্যে হান্টার এ্যাসোসিয়েশন কে ঠেকাতে হবে এর ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করা থেকে। ওদিকে হান্টার এ্যাসোসিয়েশনের লোকেরা মাত্রই এসে নামলো।
ওদের থেকে এসেছে নেতেরো, ২ জোডিয়াক Monkey আর Boar আর তাদেরকে সঙ্গ দিচ্ছে গভঃ মিলিটারি ফোরস।
“বাহ! আমাদের স্বাগত জানাবার এতো আয়োজন করলে? তাহলে তো ভালই, হল। সবাই মিলেই যাওয়া যাক”, নেতেরোর আধখোলা চোখ আর মিটিমিটি হাসির কিছুই যেন স্পর্শ করলো না হাশিরামাকে। শীতল চোখে তাকিয়ে আছে নেতেরোর দিকে সে। নেতেরো যে হিডেন লিফে বেড়িয়ে যাওয়ার পরে সত্যি সত্যি আসবে- বা আক্রমণ করবে কিছুতেই বিশ্বাস হয় নি ওর। নেতেরোর রসিকতায় একটুও ভাবান্তর ঘটে না তাই।
“তুমি খুব ভাল করেই জানো আমরা কি জন্য এখানে অপেক্ষা করছি।”
“এখনও সময় আছে, আপোষের মাধ্যমে যদি,……..”
কথার মাঝপথেই তাকে থামিয়ে দেয় হাশিরামা, “You all, Will leave this place, right now”
দীর্ঘ কয়েক সেকেন্ড হাসিমুখো নেতেরো তাকিয়ে থাকে হাশিরামার অস্বাভাবিক শীতল চোখের দিকে। তারপর নিরবতা ভেঙ্গে বলল, “I guess there is no option to avoid the casuality. ” একটু থেমে যোগ করে, “আমার মনে হয় খামোখা হতাহতের চাইতে ২ জনে ব্যাপারটা ‘নিষ্পত্তি’ই সবথেকে ভাল হয়।”
হাশিরামা কিছু না বলে পিছনে গুঞ্জনরত কাগেদের দিকে পা চালাল, কথা বলবে বলে। ওদিকে নেতেরো ইশারা করতেই তার লোকজন দূরে-পিছু হটতে থাকে, হাশিরামা আর নেতেরোকে পর্যাপ্ত যায়গা দেবার জন্য। শুধু Boar যাবার সময় বলে গেল, “Don Freecs এর লিখা বইয়ের ২য় পার্ট টা কিন্তু আমরা হাতে পাই নি। পুরোপুরি একটা অনুমানের ওপর ভিত্তি করে আক্রমণ করাটা কি আসলেই ঠিক হচ্ছে?”
নেতেরো উত্তর করে না, ঠোট টিপে হাসতে থাকে।

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-3); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-3
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

হিডেন লিফ ভিলেইজ এর প্রবেশমুখের সদর দরজায় দাঁড়িয়ে আছে টোবিরামা সেঞ্জু। এই অসময়ে হোকাগের সহোদরের আগমনের কারন সম্পর্কে পরিষ্কার কোন ধারনা না থাকায় উশখুশ করতে থাকে ২ প্রহরি। তবে এটুকু আন্দাজ করে নিতেই পারছে গ্রামে নিশ্চয়ই কোন মান্যবর ব্যক্তি আসবে- যাকে অভিবাদন জানাতেই হয়ত টোবিরামার ছুটে আসা।
টোবিরামা স্বভাবসুলভ গম্ভীরতায় একদৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে বহুদূর গাছে ঘেরা মেটো পথ টার দিকে। গাছের ঝাঁর দু’পাশ দিয়ে রাস্তাটাকে বুকে আগলে রেখেছে যেন। সন্ধ্যা পরতে শুরু করেছে। ঝিঁঝিঁর ডাকের সাথে সাথে দমকা বাতাসের এক একটা ঝাপটা গাছগুলোর ভেতর দিয়ে খেলা করে যেতে থাকে যেন। সাথে উড়িয়ে আনছে কাঁচা-সবুজ পাতা আর হালকা কিন্তু অদ্ভুত একটা গন্ধ। দমকা বাতাসের ঝাঁপটা খুব যে উপভোগ করছে টোবিরামা তেমন কিন্তু না। মাথায় রাজ্যের চিন্তার জাল শাখা-প্রশাখা মেলেছে। দুশ্চিন্তার লাগাম টেনে ধরতে চাইছে বারবার।
বুকে হাত বেঁধে ডান হাতের তর্জনী নাচাতে নাচাতেই খেয়াল করল পরিচিত দু’জন মানুষের চাকরা। শিমুরা আর সারুটোবি হেটে যাচ্ছে উত্তর দিকটায়। কি নিয়ে যেন তর্ক জুড়ে দিয়েছে শিমুরা, সারুটোবির সাথে। হটাত ওর দিকে চোখ পরতেই মিইয়ে গেল দুজনে। দ্রুত বাজারের দিকটায় পা চালিয়ে মিশে গেল ভিরের মাঝে।
আবার বাইরের দিকে মন দিল আগন্তকের উদ্দেশ্যে। হান্টার এসোসিয়েশনের প্রধান, আইজ্যাক নেতেরো ধির পায়ে খড়মের শব্দে ছন্দ মিলিয়ে হেটে আসছে যেন। তার পাশেই তার অদ্ভুতদর্শন সচিব। কিন্তু আর কাউকে না দেখে কিছুটা অবাকই হল টোবিরামা। তবে আরো অবাক হল পেছন দিকে তার ভাই হাশিরামার উপস্থিতি টের পেয়ে। নেতেরোকে স্বাগতম জানাতে সে নিজেই এসে পরেছে। প্রহরীরাওকম অবাক হয় নি। প্রথমে হোকাগের ভাই আর এরপর স্বয়ং হোকাগে- অবাক হওাটা স্বাভাবিক বৈকি।
প্রাথমিক কুশল বিনিময় শেষেই নেতেরোকে নিয়ে গ্রাম দেখতে বের হয় হাশিরামা। বিশ্রামের কথা বলতেই হেসে উড়িয়ে দেয় নেতেরো। । বাজারের দিকে এসেই একটা খাবারের দোকানে গিয়ে ঢুকে দু’জন। ওঁরা যে গ্রাম দেখতে বের হয়েছে কথাটা গ্রামে ভালই ছড়িয়ে গেছে গ্রামে। আর তাছাড়া ডার্ক কন্টিনেন্টের কথা না জানলেও হান্টাররা শিনোবি ওয়ার্ল্ডে এটাক করতে পারে, এমন একটা কথা চেপে রাখা যায় নি- কাজেই সবাই কিছুটা ভয় আর চাপা গুঞ্জন তুলেছে আজকের নেতেরোর এই সফর নিয়ে। খাবার এর দোকানে বসেও তার আঁচ অনুভব করতে পারছে হাশিরামা।
খাবার শেষ করে গ্রামের আধেকটা চক্কর দিয়ে এসে ওকে নিয়ে গ্যাম্বলিং এর আসরে বসে হাশিরামা। আর সবার মত টোবিরামা আর মাদারা কেউই ঠিক বুঝে উঠতে পারে না। আজকের এই সফরের বিষয়বস্তুর জন্যই কেউই হালকা কোন খোশ মেজাজি গল্প আর আমোদের কথা আশা করবে না। টোবিরামা দূর থেকে ওদের ফলো করতে করতে উশখুশ করলেও কিছু বলে না। ওদিকে গ্যাম্বলিং শেষ করে নদীর ধারে টায় কিছুটা সময় কাটিয়েই নেতেরো কে নিজের বাসায় নিয়ে চলে আসে হাশিরামা।
হালকা পানীয় নিয়ে দুজনেই যখন বারান্দায় দাঁড়িয়ে আলাপ চালাতে থাকে- টোবিরামা ঠিকি করে এবারে সে গিয়ে নিজেই কাজের কথা পারবে। ইচ্ছে করলেই সরাসরি বারান্দায় চলে যেতে পারে সে ফ্লায়িং রাইজিন ইয়ুজ করে। কিন্তু অতিথির প্রতি অভদ্রতা দেখানো হতে পারে ভেবে, পায়ে হেটেই বড়ো ভায়ের কামড়ার দিকে এগোয় সে। দরোজার হাতলে হাত রেখেই বুঝলো লক করা নয়, কেবল ভেজানো রয়েছে। খুলতে গেলেই- কিছু কথা কানে আসে তার-
“তোমার বাসা থেকে গ্রামের এই ভিউটা সবথেকে সুন্দর”, বলতে থাকে নেতেরো।
হাশিরামা জবাব দেয়, “সুন্দর আর রাখতে পারলাম কই, বলো? ” জুয়োর টেবিলে টাকাগুলো হেরে হাশিরামার চোখে একটু ক্লান্তি ভর করেছে বলে মনে হতে থাকে নেতেরোর। বাতাসে ওর চুলগুলো উড়িয়ে নিয়ে যেতে থাকে। কিন্তু তার মাঝেও নেতেরো স্পস্ট দেখতে পায় হাশিরামার চোখের তাঁরা যেন ঝিক করে ওঠে সেকেন্ডের সিকিভাগ সময়ের জন্যে।
নেতেরো মুখে হাসিটুক ধরে রেখে বলে, “ডোন্ট য়োরি, আম স্টিল এলাইভ!”
কথাবার্তা এটুকুন শুনেই উল্টো ঘুরে দাঁড়ায়।। করিডোর দিয়ে ফিরে যাবার সময় মাদারার সাথে চোখাচোখি হল ওর। দেয়ালের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে সে। ওর মত মাদারাও শুনতে পেয়েছে কথাগুলো।

 

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-2); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-2
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

হান্টার এ্যাসোসিয়েশনের বোর্ড মিটিং চলছে। চেয়ারম্যান আইজ্যাক নেতেরো ছাড়া বাকি উপস্থিত ১২ জন হল জোডিয়াক। বিশেষ বিশেষ প্রয়োজনে জরুরী কোন সিদ্ধান্ত নিতে হলে তখন এমন বোর্ড মিটিং এর ডাক দেয় নেতেরো। আজ তেমন একটি বিশেষ প্রয়োজন। প্রয়োজন জরুরী এক সিদ্ধান্ত নেবার। হুম, ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করার ব্যপারে সিদ্ধান্ত।
বোর্ড মিটিং এর শুরু থেকেই বেশিরভাগ সময়ই Dog, Pig আর Monkey (জোডিয়াক) তর্ক করে চলেছে। Dog আর Pig এর বক্তব্য মোটামোটি এমন যে- যেহেতু ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করার জন্য না গেলে সরকার হান্টার এ্যাসোসিয়েশন বিলুপ্তির প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়েছ, কাজেই এছাড়া তাদের হাতে খুব একটা উপায়ও যে আছে এমন কিন্তু না। তার থেকে ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করে সরকার কেও সন্তুষ্ট করা সম্ভব আবার তা থেকে কিছুটা বেনিফিট হান্টার এসোসিয়েশনও পাচ্ছে।
কিন্তু, Monkey বাধা দিয়ে বলে ওঠে, .”নিনজা ভিলেজগুলো কে এটাক করা মানে শুধু শুধু প্রাণহানি”
Pig অধৈর্যসুরে বলে, “আহা, ওদেরকে আক্রমণ করতে হবে কেন? ওদের কে একটা প্রপোজাল দিতে যাচ্ছি আমরা শুনলেই তো”
-“কিন্তু নিনজা ভিলেইজ গুলো তা হতে দেবে কেন? ওয়েস্টারন এন…. ”
–“যদি ওরা কিছুতেই আপোষে না আসে,ওয়েল….” কথা শেষ না করে কাধ ঝাঁকায় Dog. Pig ওর অসমাপ্ত কথাটা শেষ করলো যেন, “আসলে, কথা হচ্ছে গিয়ে- আমাদের হাত বাঁধা, কাজেই অন্য কোন উপায়ও খোলা নেই আমাদের কাছে।”
বাকিদের দিকে তাকাতেই দেখলো সবাই সম্মতি জানাচ্ছে, আসলেই আর কোন উপায় নেই ওদের সামনে খোলা। মাথা ঘুরিয়ে টেবিলের একেবারে শেষের আর মাঝখানের চেয়ারে বসে থাকা নেতেরোর দিকে তাকায় সবাই, কিছু শুনবার আশায়। মিটিং এর শুরু থেকে একটা কথাও বলে নি, চেয়ারম্যান।
কিছুক্ষণ চুপচাপ থাকার পর, নিস্তব্ধতা ভাংলো Rabbit, “তুমি যেহেতু তোমার ডিসিশান আগেই নিয়ে রেখেছো, সেক্ষেত্রে শুধু শুধু এই বোর্ড মিটিঙ এর কি কোন প্রয়োজন ছিল?”
উত্তরে নেতেরো এবারেও নিশ্চুপ। স্মিত একটা হাসি স্বভাবসুলভ ভাবে এটে রয়েছে তার মুখে। মিটিং শুরু হবার আগেই, হাশিরামার কাছে চিঠিটা পাঠিয়ে দিয়ে এসেছে সে। কি বলবে সে?

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero (Part-1); Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction — Rahat Rubayet

The Battle between 2 Bodhisattva‬: Hashirama vs Netero Part-1
[Naruto & Hunter x Hunter Crossover Fanfiction]

লেকের শান্ত পানিতে নীল আর সাদা আকাশের প্রতিবিম্ব ভাসছে। ছোট ছোট ঢেউ একটা আরেকটার গায়ে ভাংতেই তাতে আকাশের প্রতিচ্ছবি কাঁপতে থাকে। থেকে থেকে টুপ করে শব্দ হচ্ছে একটু পর পর এখানে সেখানে। লেকের পাশেই একসারি ওক গাছের সবুজ পাতা ডালপালা মেলে বাতাসের তালে নাচছে যেন। মাথার ওপর পরিষ্কার আকাশ থাকলেও মেঘের সাদা ছোটোখাটো স্তুপ এখানে সেখানে ছুটে যেতে থাকে ধীরে। অদ্ভুত সুন্দর একটা পরিবেশ, সবকিছুই যেন কেমন গোছানো আর পরিপাটি করে রাখা।
লেকের ধারে পাটাতনে পা মেলে বসে আছে হাশিরমা সেঞ্জু। একটু ব্যবধানেই ছালতোলা এক গাছের গায়ে হেলান দিয়ে দাঁড়িয়ে আছে ওর প্রানপ্রিয় বন্ধু মাদারা উচিহা। কেউ কিছু বলছে না-চুপ করে আছে বহুক্ষণ। পাটাতনে মর্মর শব্দ হতেই পিছনে ফিরে ছোট ভাই টোবিরামাকে দেখতে পায় হাশিরামা। কিছু না বললেও বড় ভাই-হাশিরামার দিকে তাকিয়ে একটু মাথা ঝাঁকাল সে। উঠে দাঁড়িয়ে মাদারার দিকে একবার তাকাল কি মনে করে। তারপর ধির পায়ে নিজের অফিসকক্ষের দিকে ফিরতে উদ্যত হয়। সেখানেই বাকি ৪ গ্রামের কাগেরা উপস্থিত হয়েছেন।
হাশিরামা ভেতরে ঢুকে নিজের হ্যাটটা খুলে টেবিলে রাখল। তারপর চেয়ারে বসে বাকি ৪ কাগের দিকে তাকায় শান্ত চোখে। সবার চোখেই কিছুটা উৎকণ্ঠা দেখতে পেল। কাঁধের পাশেই টোবিরামা দাড়িয়ে।
প্রথমেই সুচিকাগে কথা বলে ওঠে,”আমাদের আজকের এই মিটিংএর বিষয়ের সাথে যেহেতু পুরো নিনজা ওয়ার্ল্ডের স্বার্থ জড়িত, আমার মনে হয় না এ বিষয়ে আমাদের কোন বিভেদ থাকতে পারে।”
হাশিরামার মুখের স্বভাবসুলভ হাসি মুছে গিয়ে অস্বাভাবিক গম্ভিরতা ভর করেছে। কি বলতে গিয়েও বলল না, মিজুকাগে কথা বলতে শুরু করায়। “আমরা মূল প্রসংগে যাই। আমি আমার গুপ্তচরের কাছে খবর পেয়েছি হান্টার এ্যাসোসিয়েশন ডার্ক কন্টিনেন্ট এক্সপ্লোর করতে চায়। আর আমার মনে হয় আমরা সবাই জানি তার অর্থ কি।”
এবারে কাজেকাগে কথার যোগান দেয় তার সাথে “তার অর্থ ডার্ক কন্টিনেন্টের ওয়েস্টার্ন সাইড ওপেন করলে ধ্বংসযজ্ঞ নেমে আসবে নিনজা ওয়ার্ল্ড তথা আমাদের গ্রাম গুলোর ওপর”, এর আগে ডার্ক কন্টিনেন্টের ইস্টার্ন সাইড দিয়ে এক্সপ্লোর করতে চাইলে যে নারকীয় তাণ্ডবলীলার সূচনা হয় তার দিকেই ইঙ্গিত করল বুঝি।
এবারে হাশিরামা কথা বলতে শুরু করে,”আমার মনে হয় না নেতেরো থাকাবস্থায় ‘তেমন কিছু’ হবে নিনজা ওয়ার্ল্ডে নেতেরোকে আমি চিনি ও……।”
থামিয়ে দিয়ে রাইকাগে বলতে থাকে, “তখনো কিন্তু নেতেরো হান্টার এ্যাসোসিয়েশনেই ছিল।”
“‘তেমন কিছু’ যদি হয় তবে বিষয়টা আমি হ্যান্ডেল করবো”,কথা শেষ করতে পারে না হাশিরামা- তার আগেই টোবিরামা হাতে এক কাগজ নিয়ে আসে ওর কাছে। চিঠি পাঠিয়েছে নেতেরো। হান্টার এ্যাসোসিয়েশন এর পক্ষ থেকে একটা প্রপোজাল পাঠিয়ে চিঠি। শিনোবি ভিলেজ গুলো যদি তাদের পাশের ডার্ক কন্টিনেন্টের ওয়েস্টার্ন সাইড ওপেন করতে বাধা না দেয়, সেক্ষেত্রে তাদেরকে প্রযুক্তিগত ভাবে ‘ব্যাপক উন্নতি’র ব্যবস্থা করবে হান্টার এ্যাসোসিয়েশন।
তাছাড়াও ছোট্ট আরেকটা চিরকুটে নেতেরো তার হিডেন লিফ সফরের আগ্রহের কথা জানিয়েছে।

রিভিউ কন্টেস্ট এন্ট্রি [২০১৫] #১১: Hunter x Hunter — একজন রাফাতও হলুদ

নাম: হানটার হান্টার(২০১১) (HunterXHunter)
পর্ব সংখ্যা: ১৪৮
ধরণ: একশন, এডভেঞ্চার, শৌনেন।

“If you want to get to know someone,find out what makes them angry.”

-মিতো-সান(গনের আন্টি,যার কাছে সে বড় হয়েছে।)

কি? শৌনেন শৌনেন একটা গন্ধ কি পাওয়া যাচ্ছে? হ্যা, ঠিক তাই। আপনি যদি শৌনেন এর দিকে খুব বেশি আকৃষ্ট নাও হয়ে থাকেন তারপরো নির্দ্বিধায়  হান্টার হান্টার নিয়ে বসে যেতে পারেন। শেষ করার পর মনে হবে “ইশ! আরো আগে ক্যান যে দেখলাম না!”

পটভুমি (৮.২/১০):

গন ফ্রিকস ছোট্ট “কাওয়াই” একটা ছেলে যে কীনা বয়সে বেশ ছোট হলেও ইতোমধ্যে বেশ কয়েকজন সুন্দরী রমণীর সাথে মনের সুখে বনে বনে ঘুরে বেড়ানোরসুযোগ অর্জন করেছে তাকে ঘিরেই কাহিনীর শুরু। গনের বাবা জিন একজন বিখ্যাত হান্টার এবং এই পেশার জন্যইতিনি তার সদ্য জন্ম নেওয়া শিশু গনকে মিতো-সান এর কাছে গছিয়ে দিয়ে নিজের আশা আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে নিখোঁজহয়ে গেলেন। গনের ইচ্ছা সে তার বাবার মতই হান্টার হবে এবং দেখবে কী এমন মোহে জন্মদাতা তাকে ফেলে কর্মনেশায়ডুবে গেলেন।শুরু হয় গনের যাত্রা। অন্যান্য শৌনেন এর মতই ঘটনাচক্রে তার বহু মানুষের সাথে পরিচয় হয়,ভাব হয়,বন্ধুত্ব হয়।আর এভাবেই ঘটনাপরম্পরায় চলে আসে সেই চরিত্র, সেই বিখ্যাত হিসোকা…. কে হিসোকা? এরপর কি হয়? কি? দেরি না করে আনিমেটা দেখে ফেলেন 🙂

দৃশ্যকল্প এবং চরিত্র (৮.৩/১০):

ম্যাডহাউজ প্রোডাকশনের তারিফ করতেই হয়। কিছু কিছু দৃশ্য দেখে মনে হয় এটা যেন ঠিক এমনই হওয়ার কথা। অন্যভাবে হলে ভালো লাগত না।

চরিত্রদের স্বকীয়তা রক্ষা হয়েছে। কষ্ট করে কারো উপর কিছু চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে এমন মনে হয় নাই। আরোপিত বিষয় আশয় নাই বললেই চলে। মাংগাকার মুন্সিয়ানা এখানেই।

সাউন্ডট্র‍্যাক (৭.৫/১০):

ব্যবহৃত ইন্সট্রুমেন্টাল, ওপেনিং থিম, ইন্ডিং থিমগুলো আহামরি টাইপের না তবে কিছু কিছু দৃশ্যে যেন সাউন্ডট্র‍্যাকগুলো প্রাণ প্রতিষ্ঠা করেছে। ফ্যান্টম ট্রুপথিম, হোল্ডিং এ কার্ড এন্ড ফাইল, দ্য লাস্ট মিশন এই ট্রাকগুলো একদম দৃশ্যটাকে জীবন্ত করে আপনার মস্তিষ্কে প্রভাব বিস্তার করবে। এছাড়া কুরাপিকার থিম, কিলুয়ার থিম, কাজে নো উতা, কুজিরা শিমা জু আমার খুব পছন্দের।বাশি আর পিয়ানোর কাজগুলো মারাত্নক।

ব্যক্তিগত ভাবনা:

নানান উত্থান পতনের কারণে দীর্ঘদিন আনিমের সংস্পর্শে ছিলাম না। এত দিন পর ছোট্ট একটা মোবাইল স্ক্রীণে দিন রাত না খেয়ে, না ঘুমিয়ে হান্টার হান্টারদেখার পর যে অনুভূতিটা আমি অনুভব করেছি সেটা স্বর্গীয়। ব্যাখ্যা করে বোঝানো অসম্ভব। কিছু দৃশ্য দেখে হেসেছি, কিছু দৃশ্য দেখে গাল ভিজে গেছে, কিছুদেখার পর “খাইসে রে, কি দেহাইল এইডা” ভেবে হা করে বসে থেকেছি।

কিমেরা এন্ট আর্ক সম্পর্কে Luke Halliday বলেছেন “will go down as one of the greatest stories toldin anime”।তবে বিনয়ের সাথে বলছি আর্কটা আমার অত বেশি ভালো লাগে নাই। মোটের উপর কাহিনীটাসুন্দর এবং অর্থবহ হলেও কিছু কিছু জায়গায় খুব শ্লথ গতির মনে হয়েছে। একান্তই ব্যক্তিগত মতামত।

হান্টার হান্টার অনেকেই আকাশ সমান এক্সপেকটেশন নিয়ে দেখতে বসে।তাদেরকে বলব “শ্রেষ্ঠ আনিমে” দেখবেনএই ধারণা বাদ দিয়ে দেখলে ভালো হয়।আনন্দের জন্য দেখেন,শিহরিত হওয়ার জন্য দেখেন।

কেন দেখবেন? সহজ। হিসোকার আছে, হিসোকার জন্য দেখেন 😛

উক্তি দিয়ে শুরু করেছিলাম। উক্তি দিয়েই শেষ করি। খুব পছন্দের চরিত্র কুরাপিকা। তার কথা দিয়েই শেষ হোক, “I do not fear death, I only fear that my rage will one day fade.” -কুরাপিকা।

মাই আনিমে লিস্ট রেটিং: ৯.১৫/১০
আমার রেটিং: ৮.৭/১০

11 Hunter x Hunter

Hunter X Hunter by Monirul Islam Munna

গত কয়েকদিন Hunter X Hunter দেখতেছিলাম, একটা ছোট্ট রিভিও লিখতে ইচ্ছা হল। তাই লিখে ফেললাম। 

HUNTER X HUNTER এর প্রধান চরিত্র Gon Freecsকে নিয়ে বলতে গেলে,সব চেয়ে বেস্ট উপায় যেটা হবে সেটা হচ্ছে গন হচ্ছে HXH এর Naruto Uzumaki [পুরপুরি রিফ্লেক্ত করে না,কিছু চরিত্র যেমন ‘হার না মানা’,’সহজে কারো বন্ধু হয়ে যাওয়া’,’সততা’…এইরকম কিছু ব্যাপার সেপার মিলে যায় আরকি  ] । ছোট্ট গন ছোটবেলা থেকেই জানত যে তার বাবা মা বেচে নেই। সে তার অ্যান্টের কাছেই থাকে এবং তিনি গণের দেখভাল করেন। কিন্তু গল্পের শুরুতেই কাকতালীয়ভাবে জানতে পারে যে তার বাবা বেঁচে আছেন এবং তিনি অনেক বড় মাপের একজন হান্টার।
‘হান্টার’ শব্দটা শুনলে মনে হতে পারে যে শুধু পশুপাখি শিকারী ,কিন্তু এই এনিমে হান্টারের একটু ভিন্ন দিক তুলে ধরসে, পৃথিবীর বিভিন্ন আনাচে কানাচে যে সব mystery আর অজানা রহস্য আছে , সে গুলা আবিষ্কার করে এই ‘হান্টার’। তবে এই হান্টাররা সবাই দক্ষ ফাইটার, বিভিন্ন ধরনের হান্টার যেমন আছে, তেমনি ওদের পাওয়ারও ভিন্ন। 
তবে কেউ চাইলেই হান্টার হতে পারে না, অনেক দুঃসাধ্য কঠোর পথ পাড়ি দিয়ে , হাজার হাজার কম্পেটিটরকে ডিঙিয়ে ‘Hunter Exam’ নামক পরীক্ষায় পাস করতে পারলেই একমাত্র এই হান্টার হওয়ার লাইসেন্স পাওয়া যায়। গণকে পাড়ি দিতে হয় সেই, দুঃসাধ্য কঠোর পথ, আর সেই পথ ধরেই চলতে থাকে এনিমটা। 

HXH এনিমটা প্রথম আসে ১৯৯৮ তে ৬২ এপিসোড সহ। এরপর আরও ৩০টা OVA বের করে,কিন্তু OVA গুলাও মূল মাঙ্গার কাহিনী ফলো করে। তো বলা যায় মোট ৯২টা পর্ব।
এরপর ২০১১তে এনিমটা আবার রিমেইক করা হয়,একি কাহিনী নিয়ে। কেউ যদি পুরানটা, আই মিন ‘৯৮ এরটা দেখে থাকেন, তবে ‘১১(নতুনটার) এর ৭৫ নাম্বার পর্ব থেকে দেখলেই হবে।
আর না দেখে থাকলেই নতুনটাই দেখা শুরু করুন 
Happy hunting

HxH